অনেকদিন আগের ঘটনা। ইংল্যান্ডের এক বুড়ি মহিলা তার জানালা দিয়ে পাশের বাড়ির এক বুড়োকে দেখলো বুদবুদ বানাচ্ছে। একদিন-দুইদিন-তিনদিন এভাবে বেশ কয়েকদিন লক্ষ্য করার পরে তার মনে হল এই বুড়ো হয়তো পাগল। সে পুলিশে ফোন করলো। পুলিশ এসে খোঁজ নিয়ে দেখলো ইনি বিখ্যাত বিজ্ঞানী নিউটন। তিনি তখন বুদবুদের গায়ে যে রংধনু রঙের সৃষ্টি হয় তার কারণ নিয়ে গবেষণা করছিলেন। বিজ্ঞানীদের জীবনে এমন অনেক মজার ঘটনা আছে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় হল বিজ্ঞানীদের ভুলোমন। বিজ্ঞানীদের ভুলে যাওয়ার (প্রায়) অসাধারণ ক্ষমতা অনেক মজার ঘটনার জন্ম দিয়েছে। আইনস্টাইনের ক্ষেত্রে এই ধরণের ঘটনাগুলো বোধহয় একটু বেশিই ঘটেছে।
আইনস্টাইন একবার কোন একটা বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে করতে বাড়ি গেল। বাড়িতে গিয়ে তিনি দরজায় শব্দ করেছেন। ভিতর থেকে তাঁর স্ত্রী বলল “আইনস্টাইন বাসায় নেই।” আইনস্টাইন চিন্তা করতে করতে চলে গেল। গৃহকর্তা তো বাসায় নেই! এমন অনেক ঘটনাই আছে। কিন্তু আইনস্টাইন কি সত্যিই তাঁর চারপাশ সম্পর্কে এমন ইদাসীন ছিলেন? এতখানি আত্মমগ্ন? ৪-৫ বছর আগে আইনস্টাইনের মেয়ে গবেষকদের হাতে সহস্রাধিক চিঠি তুলে দেন। সবগুলোই আইনস্টাইনের লেখা। গবেষকরা চিঠি পড়ে থ হয়ে গেছেন।
-আইনস্টাইন এতো চিঠি লেখার সময় পেলেন কিভাবে?
-চিঠি গুলোতে উঠে এসেছে আইনস্টাইনের প্রেম কাহিনী। ভদ্রলোক যেখানে বক্তৃতা দিতে গেছেন সেখানেই প্রেমে পড়েছেন। তাঁর সাংসারিক জীবনের অশান্তির কারণ হয়ত শুধু তাঁর ভুলোমন নয়, সাথে সাথে তাঁর পারিপার্শ্বিক সম্পর্কে এই অতিরিক্ত সচেতনতা।
নিউটন ও এব্যাপারে কম যান না। তিনি একবার তাঁর এক বন্ধুকে দাওয়াত দিলেন। কিন্তু নিজেই ভুলে গেলেন। তিনি নিজের খাবার ঢেকে রেখে বাইরে গেলেন। এসময় তাঁর বন্ধু এসে তাঁকে ঘরে না পেয়ে তাঁর খাবার দেখে ভাবলেন নিউটন হয়ত খাবারটা তার জন্যে রেখে বাইরে গেছেন। সে খেয়ে শুয়ে পড়ল। শোয়ার আগে সে বাসনপত্র আগের মত ঢেকে রেখে দিল। নিউটন বাসায় এসে তাঁর বন্ধুকে দেখে ভাবলেন তিনি বোধহয় বন্ধুর বাসায় চলে এসেছেন। কিন্তু না। ঐতো খাবার ঢাকা আছে। খাবার খেতে গিয়ে দেখলেন খাবার নেই। তাহলে তিনি বোধহয় খাবার খেয়েই বাইরে গিয়েছিলেন!
Lalpur Science Enthusiast
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lalpur Science Enthusiast, Education, Lalpur, Ashuganj, Brahmanbaria.
29/08/2024
26/08/2024
যারা বিজ্ঞান ব্লগ ইনসাইডারে লেখাগুলো পড়ছিলেন জানেন যে আমি প্রাণ সৃষ্টির উপ্যাখ্যান নিয়ে একটা সিরিজ লিখছি। মাঝে বেশ কদিন গ্যাপ পড়ে গেলেও সিরিজটা কন্টিনিউ করছি। ধারাবাহিকতায় নতুন আরেকটি লেখা প্রকাশিত হল গতকাল। এটা প্রাণ সৃষ্টি নিয়ে একটা পপুলার হাইপোথিসিস "হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট" নিয়ে। সিরিজের লেখাগুলোর লিংক দিয়ে দিলাম-
১। প্রাণ সৃষ্টির উপাখ্যান-
https://bigganblog.org/2024/06/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3-%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%83/
২। কেমন ছিল সর্বশেষ আদি পূর্বসূরি কোষ-
https://bigganblog.org/2024/07/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d/
৩। হাইড্রোথার্মাল ভেন্টঃ প্রাণ সৃষ্টির আঁতুড় ঘর-
https://bigganblog.org/2024/08/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%83-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/
বিজ্ঞান ব্লগের লেখকেরা পড়তে পারেন ফ্রিতেই। আর কেউ চাইলে একটা সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। এছাড়া আরাফাত ভাইও ইনসাইডারে লিখছেন মস্তিষ্ক সিরিজের ওপর। হ্যাপি রিডিং!
লেখায়
সুজয় কুমার দাস,
প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ,
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
21/08/2024
কখ এবং পাস্তুরঃ যে দুই বিজ্ঞানী বদলে দেন অণুজীববিদ্যার ইতিহাস
এরপর তিনি ওই নতুন সংক্রমিত প্রাণী থেকে ব্যাসিলাস আলাদা করে অণুবীক্ষণযন্ত্রের নিচে দেখতেও সক্ষম হলেন। এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এক বিপ্লব ঘটে গেলো। বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন বিজ্ঞানী একটি অণুজীবকে পৃথক করলেন এবং তা দিয়ে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট রোগের সংক্রমণ ঘটালেন। যাত্রা শুরু হলো আধুনিক জীবাণুতত্ত্বের।
সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে।
প্রাথমিকভাবে এই নিয়মগুলো রোগের জীবাণুকে নির্দিষ্ট করতে দারুণ সহায়ক হয়েছিলো। অবশ্য কখের জীবদ্দশাতেই এই চারটি শর্তের কিছু সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে শুরু করে। উল্লেখ্য হেনলিও এরকম কিছু নিয়ম প্রস্তাব করেছিলেন বিধায় কখনো কখনো কখের সাথে তার নামটিও উচ্চারিত হয়।
ইতিহাসের এই পর্যায়ে লুই পাস্তুর’ও অ্যানথ্রাক্স গবেষণায় মন দিলেন। পাস্তুরের মূল আগ্রহ ছিলো অ্যানথ্রাক্সের ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে। ইতোমধ্যে তার ঝুলিতে আছে চিকেন কলেরার ভ্যাকসিন তৈরির অভিজ্ঞতা। পাস্তুর বুঝেছিলেন কোনোভাবে কোনো রোগের জীবাণুকে দুর্বল করা(attenuate) গেলে (রোগ-সৃষ্টির ক্ষমতা হ্রাস করা) সেই দুর্বল জীবাণুকে যদি সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করানো যায়, তাহলে তার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ওই জীবাণুকে চিনে রাখে। পরবর্তীতে ওই জীবাণুঘটিত রোগটি আর হতে পারে না। এই চিকিৎসা সেকালের ইউরোপে ছিলো দারুণ অভিনব।
পাস্তুর এবং তাঁর দল উচ্চ তাপমাত্রায় (৪২-৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস) উত্তপ্ত করে দেখলেন অ্যানথ্রাক্স ব্যাকটেরিয়া তার রোগ-সংক্রমণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এই নমুনা দিয়েই তৈরি হলো ভ্যাক্সিন। পাস্তুর প্রচারে ভীষণ আগ্রহী ছিলেন। ১৮৮১ সালে জনসমক্ষে তিনি এক পরীক্ষার আয়োজন করেন। পঞ্চাশটি ভেঁড়া নিয়ে তাদের অর্ধেককে এই ভ্যাক্সিন দেন। এক মাস পর দেখা যায় ভ্যাকসিন-পাওয়া ভেড়াগুলোই বেঁচে আছে কেবল, রোগে ভুগে মারা গেছে বাকি অর্ধেক। এই সফল পরীক্ষণের খবর দ্রুতবেগে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
অনির্বাণ মৈত্র
পর্ব -৩
21/08/2024
কখ এবং পাস্তুরঃ যে দুই বিজ্ঞানী বদলে দেন অণুজীববিদ্যার ইতিহাস
তিনি দেখালেন খোলা মাংসে বা তার স্যুপে যে পোকা ধরে, দূষিত হয়ে যায় এর কারণ সেখানে বাতাস বা অন্য কোনো মাধ্যম-বাহিত অণুজীব জন্মায়। মুখ-বন্ধ পাত্রে দেখা যায় মাংস অবিকৃত আছে, অর্থাৎ মাংস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোনো অণুজীব তৈরি হয় নি। পাস্তুর দেখেছিলেন যখন বিয়ার বা ওয়াইনে খুব বেশি অণুজীব থাকে, তখন সেই পানীয় টকে যায়। তিনি এমন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন যা অনুসরণ করে পানীয়কে উত্তপ্ত করলে এর স্বাদ অটুট থাকবে, আবার জীবাণুও মারা যাবে। এই পদ্ধতি আমরা এখনো ব্যবহার করি (উন্নততর রূপে),পাস্তুরাইজেশন নামে। ফরাসি দেশের মদ শিল্পের জন্য এ ছিলো এক বিরাট আশীর্বাদ।ব্যাকটেরিয়া আলাদা করতে সক্ষম হন এবং দেখান এরা দুটো আলাদা ধরনের রোগেই কেবল পাওয়া যাচ্ছে। যে জীবাণু তত্ত্বের কথা বলে আমরা শুরু করেছিলাম, তার জন্য এটা ছিলো এক গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা। পাস্তুর এখানে আসলে বিশেষ রোগের সাথে বিশেষ অণুজীবের ‘সুনির্দিষ্ট’ সম্বন্ধের দিকেই ইঙ্গিত করলেন। তবে এরপরেও বিজ্ঞানী মহলে রোগ এবং জীবাণুর সাক্ষাৎ কার্যকরণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হতে বেশ সময় লাগলো।
রবার্ট কখ বয়সে পাস্তুরের চেয়ে বিশ বছরের ছোট; ছাত্র হিশেবে ছিলেন দারুণ মেধাবী। শুরুতে তিনি জ্যাকব হেনলির অধীনে কাজ শুরু করেন, যার কথা আমরা আগেই বলেছি, রোগ সংক্রমণ বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে যিনি অণুজীবের সাথে রোগ-সংযোগের সম্ভাব্য সংযোগের ধারণা দিয়েছিলেন, কিন্তু তার প্রমাণে ছিলেন অপারগ। স্নাতক সম্পন্ন করার পর কখ গ্রামে চলে গেলেন এবং অ্যানথ্রাক্স বলে গবাদিপশুর ব্যাকটেরিয়াঘটিত একটি রোগ নিয়ে কাজ শুরু করেন। এই গবেষণাই হেনলির অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে।পূর্বতন গবেষকরা ইতোমধ্যে ব্যাসিলাস এনথ্রাসিস ব্যাকটেরিয়াকে অ্যানথ্রাক্সের সাথে সম্পর্কিত বলে চিহ্নিত করেছিলেন। কখ রোগাক্রান্ত, কিন্তু জীবিত গরু এবং ভেড়ার প্লীহা থেকে জীবাণুমিশ্রিত জৈব নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরির ইঁদুরের শরীরে প্রবেশ করালেন। ঠিকই অ্যানথ্রাক্সের লক্ষণ দেখা দিলো। এরপর তিনি ওই ব্যাকটেরিয়াকে ‘কালচার’ করার চেষ্টা করলেন, অর্থাৎ কৃত্রিমভাবে তৈরি কোনো পুষ্টি মাধ্যমে বংশবৃদ্ধির সুযোগ দিলেন। তার মাধ্যম ছিলো স্থানীয় কসাইদের কাছ থেকে সংগৃহীত গরুর চোখের তরল। এরপর কালচার করা ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সুস্থ প্রাণিকে সংক্রমিত করলেন। এবারেও অ্যানথ্রাক্সের লক্ষণ দেখা গেলো।
অনির্বাণ মৈত্র
পর্ব -২
04/07/2024
কখ এবং পাস্তুরঃ যে দুই বিজ্ঞানী বদলে দেন অণুজীববিদ্যার ইতিহাস
বিজ্ঞানীরা কোষ স্তরে রোগের চিহ্ন খুঁজতে শুরু করলেন (শাস্ত্রীয় নাম Cellular Pathology)।
শিল্পীর চোখে অশুভ দূষিত বায়ু
কোষতত্ত্বের অন্যতম প্রস্তাবক থিওডর সোয়ানের ল্যাবে কাজ করতেন জ্যাকব হেনলি বলে একজন চিকিৎসক এবং অঙ্গসংস্থানবিদ (Anatomist)। কিডনিতে হেনলির লুপ বলে যে অংশটি পাওয়া যায়, তার আবিষ্কারক এই জার্মান ভদ্রলোক। হেনলি এনাটমি থেকে একসময় রোগ সংক্রমণ নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। তার ধারণা ছিলো ছোঁয়াচে তত্ত্বের আদি প্রবক্তারা যে বস্তুর খোঁজ করছিলেন, যার মাধ্যমে রোগ ছড়াবে, সেটি আসলে কোনো ‘বস্তু’ নয়, বরং অণুবীক্ষণিক জীবিত সত্তা। মিয়্যাজমা তত্ত্বে যে খারাপ বায়ুর কথা বলা হতো, সেই বায়ুর নিজস্ব কোনো দোষ নেই; কিন্তু ওই বায়ু রোগ সৃষ্টিকারী সত্তাকে বহন করলেই যতো সমস্যা। কিন্তু হেনলি ভেবেছিলেন তাঁর এই ধারণা প্রমাণ করা যাবে না। ভাগ্যের পরিহাস, তাঁরই এক ছাত্র কয়েক যুগ পড়ে এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন! সে-কথায় আমরা পরে আসবো।
এই প্রেক্ষাপটে আবির্ভূত হন লুই পাস্তুর। পাস্তুর খুব মেধাবি ছাত্র ছিলেন না, পদার্থবিজ্ঞান- রসায়ন এসব ছিলো তাঁর কাজের প্রাথমিক এলাকা। তিনি রাসায়নিক কেলাসের ‘কাইরালিটি’ (Chirality) পর্যবেক্ষণ করে দারুণ সমাদৃত হন। কেলাস নিয়ে আরো কিছুকাল গবেষণার পর ১৮৫৪ সালে পাস্তুর চাকরি পেলেন লিল বিশ্ববিদ্যালয়ে, তাঁর কাজের বিষয়বস্তু ছিলো ফার্মেন্টেশন বা গাঁজন। পাস্তুর শুরুতে ভেবেছিলেন এই ব্যাপারটা পুরোটাই রাসায়নিক, কিন্তু অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে অ্যালকোহল দেখার পর তিনি মত বদলান। ১৮৫৭ সালে তিনি এক গবেষণাপত্রে দেখালেন অণুবীক্ষণিক ছত্রাক ঈস্ট দুধের শর্করাকে ল্যাকটিক এসিডে পরিণত করে বলে দুধ নষ্ট হয়ে যায়। বছর ঘুরতেই তাঁর আরেক প্রকাশনা, এবারের বিষয় ঈস্ট কীভাবে শর্করা থেকে অ্যালকোহল তৈরি করতে পারে।
এরপর পাস্তুর মন দিলেন শতাব্দীপ্রাচীন ধারণা ‘স্বতঃস্ফূর্ত সৃষ্টি’তত্ত্বে (Spontaneous Generation)। অ্যারিস্টটলের সময় থেকে প্রচলিত এই তত্ত্বমতে জড় বস্তু থেকে জীবনের উদ্ভব ঘটতে পারে। পাস্তুর তাঁর ধ্রুপদী পরীক্ষণের মাধ্যমে এই তত্ত্বের অসারতা প্রমাণ করলেন।
লিখেছেন
Anirban Maitra
লেখাটি ফিচার, বিজ্ঞানীদের কথা বিভাগে প্রকাশিত
পর্ব :০১
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Lalpur, Ashuganj
Brahmanbaria