21/09/2021
সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ সবাইকে জানাচ্ছি এনসাইক্লোপিডিয়া টিচিং সেন্টারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।
করোনা মহামারি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করে নতুন করে স্কুল,কলেজ এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সেই লক্ষ্যে বছরের এই সময়ে আমরা আপনাদের অল্প সময়ে শর্ট টেকনিক অবলম্বন করে পাঠদানকে আনন্দদায়ক ও গতিশীল করে তুলতে আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি বিশেষ শর্ট কোর্স!
এই কোর্সের আওতায় ৫ম-১০ম শ্রেণীর প্রতি ব্যাচ এর প্রথম ৫জন শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে ২৫% ছাড়!
তাছাড়া ৮ম-১০ম শ্রেণীর ১ম ৫জন পাবে ফ্রী কম্পিউটার অফিস কোর্স শেখার সুবর্ণ সুযোগ। শর্ত প্রযোজ্য...
নিজেকে আত্মপ্রত্যয়ী হিসেবে গড়ে তুলতে ও একধাপ এগিয়ে নিতে আজই আমাদের এনসাক্লোপিডিয়া টিচিং সেন্টারে ভর্তি হোন।
যোগাযোগঃ
01764-436082
29/04/2021
by phone নাকি over phone?
------------
বন্ধুরা...
Phone এর আগে preposition হিসেবে by, over নাকি on বসবে? এই বিভ্রান্তিটা অনেকের মাঝেই রয়েছে। আসুন, আমরা শিখে নেই কখন কী বসবে।
Phone (telephone, mobilephone, cellphone, landohone etc.) এ কথা বলা অর্থে Phone এর আগে-
যদি the না থাকে, তাহলে বসবে- by (I will discuss the matter by phone.)
যদি the থাকে তাহলে বসবে- over (I will discuss the matter over the phone.)
তবে, ফোনে কথা চলছে বোঝাতে বাক্যে be verb থাকলে বসবে- on the
যেমন, নিচের বাক্যগুলো লক্ষ্য করুন-
1. Rizvi requested Rini by telephone to attend the meeting. [28thBCS]
বিভিন্ন গাইড বইগুলোতে এটার উত্তর over দেওয়া আছে, যেটা সম্পূর্ণরূপে ভুল। over তখনি হবে যখন phone এর আগে the থাকবে। যেহেতু, the নেই তাই উত্তর হবে by.
2. Nourin will discuss the issue with Nasir by phone. [ 33rd BCS]
3. She will discuss the issue with the officer by phone. [CU admission test]
4. I will talk to you by phone. [CU admission test]
5. Munna is on the phone right now. [BU admission test]
- এখানে be verb থাকায় on হয়েছে।
বন্ধুরা, সব কথার শেষ কথা:
♦ be verb থাকলে- on the phone
♦ be verb না থাকলে- over the phone অথবা by phone.
মনে রাখবেন, the এর পরিবর্তে determiner(my, your, our, his, her etc.) থাকলেও উপরের নিয়মগুলোই প্রযোজ্য হবে।
এই প্রশ্নের উত্তর হবেঃ by
16/04/2021
পড়া মনে থাকে না বা যা পড়ি সব ভুলে যাই এ সমস্যা ছাত্রছাত্রীদের কমবেশী সবার মধ্যেই আছে। অনেকে সঠিক নিয়মে না পড়ে বেশি পড়েও কয়েকদিন পর তা ভুলে যায়। আবার অনেকে পড়া মনে রাখার জন্য কিছু কৌশল ব্যবহার করে এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবলীলায় মনে রাখতে সক্ষম হয়। সঠিক কৌশল প্রয়োগ করে না পড়লে পড়া ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। পড়া সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল।
আগ্রহ তৈরি
আগ্রহ নিয়ে পড়তে বসা। খেলা বা মুভি দেখার সময় আপনি যেমন আগ্রহ ও জেতার আসা নিয়ে বসেন তেমনি পড়ার সময়ও নিজের ভিতর থেকে আগ্রহ তৈরি করতে হবে। পড়া কঠিন, মনে থাকে না, বুঝিনা এসব পূর্বধারণা থেকে বেরিয়ে খালি মাথা নিয়ে বসতে হবে। পড়াশুনা আমাদের সবার কাছে কমবেশি কঠিন বিষয়। আর এ কঠিন বিষয়টিকে যদি সহজ ও মনে রাখার উপযোগী করতে হয় তাহলে আগ্রহ থাকাটা আবশ্যক। কেননা যে কাজে আগ্রহ থাকবে না সে কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন হয় না।
কনসেপ্ট ট্রি
পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো কনসেপ্ট ট্রি। এ পদ্ধতিতে কোন একটি বিষয় শিখার আগে পুরো অধ্যায়টিকে সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য একটি লাইন করে সারমর্ম লিখতে হবে। তারপর খাতায় একটি গাছ একে সাতটি সারমর্মকে গাছের এক একটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। তারপর পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বুলালেই আধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পুর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরিক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা।
কী ওয়ার্ড
যে কোন বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়। যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। সাতটি রংয়ের প্রথম আদ্যাক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। তেমনি আবার ইংরেজী ‘লেফটেনেন্ট’((Lie,u,ten,ant) ) শব্দটির বানান মনে রাখতে ‘মিথ্যা তুমি দশটি পিপিলিকা’ মনে রাখলেই বানানটি হয়ে যাবে।
অল্প অল্প করে মনোযোগ দিয়ে পড়া
কোন কিছু মনে রাখতে হলে তা বিভিন্ন অংশ বা সেগমেন্টে ভাগ করে পড়া বেশ উপকারী। যেমন: ৪৬৭৮৯০ এ সংখ্যাটি মনে রাখা যতটা সহজ তার চাইতে ৪৬৭ এবং ৮৯০ মনে রাখা আরও বেশী সহজ। আমরা পাঠ্য বইয়ের অনেক সংঙ্ঘা পড়তে ভয় পাই কিন্তু বড় সংঙ্ঘাকে কয়েক ভাগে ভাগ করে পড়লে মনে রাখা সহজ। কারণ আমাদের ব্রেন অনেক বড় বিষয়ের চেয়ে ছোট বিষয় বেশি মনে রাখতে পারে।
লিখে পড়ার অভ্যাস করতে হবে
লিখে পড়লে আমাদের ব্রেনের অনেক বেশি এলাকা উদ্দীপ্ত হয়। লেখার সাথে ব্রেনের যে অংশগুলো জড়িত তা তথ্যকে স্থায়ী মেমোরীতে রূপান্তর করতে সহায়তা করে। এছাড়া মানুষ কোন কিছু লিখতে চাইলে উক্ত বিষয়ের প্রতি মনোযোগ বেড়ে যায় যা স্থায়ী মেমোরি তৈরিতে সহায্য করে।
মার্কার ব্যবহার করা
অনেকে পড়ার সময় মার্কার ব্যবহার করে এটা বেশ কার্যকর। কারণ যখন কোন কিছু মার্ক করা হয় তখন ঐ শব্দ বা বাক্যের উপর আগ্রহ ও আকর্ষণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি এর উপর ব্রেনের ভিজ্যুয়াল এফেক্ট বেড়ে যায়। ফলে মনে রাখতে সুবিধা হয়।
সন্ধ্যার পর পড়াশোনা করা
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে সকাল দশটার আগে মানুষের ব্রেন ক্রিয়াশীল হয় না। এই সময়ের পর থেকে ধীরে ধীরে ব্রেনের ক্রিয়াশীলতা বাড়তে থাকে। বিশেষ করে বিকালের পরে ব্রেনের ক্রিয়াশীলতা বাড়ে। তাই সকালের পড়া থেকে বিকাল বা সন্ধ্যার পর পড়া বেশী কার্যকর।
পর্যাপ্ত ঘুম
ব্রেন মূলত স্মৃতি তৈরির কাজ করে ঘুমের ভিতর। গবেষণায় দেখা গেছে সারাদিনের কাজ বা ঘটনাগুলো ঘুমের সময় মেমোরিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে যে কোন তথ্য মেমোরিতে রূপান্তরিত করতে চাইলে পড়াশোনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।
মুখস্থ বিদ্যাকে না বলা
মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়। পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোন কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয় সচেতনভাবে কোন কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যাক্তির নাম, বিজ্ঞানের কোন সূত্র ইত্যাদি বুঝে মুখস্থ করতে হবে।
রিভাইজ
গবেষণায় দেখা গেছে আমরা আজকে সারাদিন যত কিছু পড়ি শুনি জানি বা দেখি তা পাঁচ দিন পর চার ভাগের তিন ভাগই ভুলে যাই। এ ভুলে ঠেকানোর জন্য কিছু টিপস আছে যেমন: ৪৫ মিনিট পর ১৫ মিনিট ব্রেক এবং সেই ব্রেকে মনে মনে সে পড়াটা রিভাইজ দেয়া এবং কোথাও আটকে গেলে তা আবার দেখে নেয়া। আজকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পড়ে আগামীকাল ঘুমানোর আগে উক্ত পড়া রিভাইজ দেয়া। তারপর এক সপ্তাহ পর পুনরায় রিভাইজ দিলে দীর্ঘদিন মনে থাকবে।