Ullas Academic Care

Ullas Academic Care

Share

An Education Consultant Farm

14/08/2021

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ই আগস্ট কালরাতের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

#জাতীয়শোকদিবস

04/07/2021

"নিরাশ হইও না; পথ বড় কঠিন—যেন ক্ষুরধারের ন্যায় দুর্গম; তাহা হইলেও নিরাশ হইও না; উঠ—জাগো এবং তোমাদের চরম আদর্শে উপনীত হও।"

----- স্বামী বিবেকানন্দ

মানব জাতির অনুপ্রেরণা স্বামী বিবেকানন্দ'র ১১৯তম মহাপ্রয়াণ দিবসে স্বামীজির প্রতি ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ও শ্রদ্ধার্ঘ্য। 🌺🙏

18/06/2021

The common side effect of the COVID-19 vaccine are:
1️⃣ Tiredness and headache
2️⃣ Fever
3️⃣ Chills
4️⃣ Pain or swelling at the injection site

In most cases, these are relatively mild and last a short time.

07/06/2021

#করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বাসায় থাকার এ সময়টায় কীভাবে শিশুদের লেখাপড়ার সাথে যুক্ত রাখা যায়?

১. আলোচনা করে লেখাপড়ার সূচি পরিকল্পনা করা
অনলাইন, টেলিভিশন ও রেডিওতে বয়সভিত্তিক যেসব শিক্ষা কার্যক্রম চলছে, সেগুলো অনুসরণ করতে লেখাপড়ার একটি সূচি বা রুটিন তৈরির চেষ্টা করুন। শিশুর লেখাপড়া ও খেলার জন্য আলাদা সময় রাখুন। দৈনন্দিন কাজেও শিশুদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয় রাখতে পারেন। সম্ভব হলে শিশুদের সঙ্গে আলোচনা করে এসবের পরিকল্পনা করুন।

শিশু ও কিশোর বয়সীদের পক্ষে নির্দিষ্ট একটি সময়সূচি বা কাঠামো মেনে চলা সত্যিকার অর্থেই কঠিন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তাদের বুঝিয়ে বলুন যে, এখন তাদের কিছুটা নমনীয় হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এরপর তাদের পড়াশোনার কার্যক্রম শুরু করুন। যদি মনে হয়, অনলাইনে লেখাপড়ায় আপনার শিশু মনোযোগী নয় এবং সে ক্ষুব্ধ; তবে আরও কার্যকর এবং বিকল্প কিছু শুরু করুন। ভুলে যাবেন না, একসঙ্গে শিক্ষা পরিকল্পনা করা এবং বাড়ির প্রাত্তহিক কাজে তাদের সম্পৃক্ত করাও শিশুর মানসিক বিকাশেও ক্ষেত্রে একটি কার্যকর পন্থা। তবে যতটা সম্ভব তাদের প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখুন।

২. খোলামেলা আলোচনা করুন
শিশুকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করুন। পাশাপাশি, আপনার কাছে অনুভূতি প্রকাশে তাদের উৎসাহিত করুন। মনে রাখবেন, মানসিক চাপ অনুভব করলে শিশু ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তাই শান্ত থাকুন এবং তাদের বোঝার চেষ্টা করুন। শিশুকে ডেকে নিয়ে কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস সম্পর্কে আলোচনা করুন। বোঝার চেষ্টা করুন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে তারা কতটুকু জানে এবং কি বলে। এরপর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাসগুলো সম্পর্কে তাদের সাথে আলোচনা করুন। প্রতিদিনই আপনি হাত ধোয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদের জোর দিয়ে বলতে পারেন। তবে নিরাপদ পরিবেশে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করুন এবং শিশুকে স্বস্ফূর্তভাবে কথা বলতে দিন। ছবি আঁকা, গল্প বলা অথবা অন্য কোন কাজ লেখাপড়ার আলোচনা শুরু করতে সহায়তা করতে পারে।

যেসব বিষয়ে শিশুরা উদ্বিগ্ন সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করুন। তাদের অনুভূতিকে সম্মান করুন এবং নিশ্চিত করুন যে, এসব বিষয়ে ভয় পাওয়া খুবই স্বাভাবিক। আপনি যে পূর্ণমনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনছেন, সেটি আপনার অভিব্যক্তিতে তুলে ধরুন। তাদের মধ্যে এমন মনোভাব তৈরি করে দিন, যেন তারা ভাবতে পারে যে, পছন্দের যেকোনো বিষয়ে তারা আপনার সঙ্গে অথবা শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে পারে। ভুয়া খবর বা তথ্য সম্পর্কে তাদের সতর্ক করুন এবং ইউনিসেফের নির্দেশনার মতো বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করুন। বিষয়টি নিজেকেও স্মরণ করিয়ে দিন।

৩. প্রয়োজনীয় সময় নিন
বাড়িতে শিশুর লেখাপড়া শুরু করুন সংক্ষিপ্ত সেশন দিয়ে। পরে আস্তে আস্তে বড় সেশনে প্রবেশ করুন। আপনার যদি ৩০ মিনিট অথবা ৪০ মিনিটের সেশন করার লক্ষ্য থাকে, তবে ১০ মিনিটের সেশন দিয়ে শুরু করে সেখান থেকে বড় সেশনের জন্য তাদের প্রস্তুত করুন। একই সেশনে অনলাইন বা স্ক্রিনে অবস্থানকালীন সময় এবং অফলাইনের কাজ বা অনুশীলন একত্রিত করুন।

৪. অনলাইনে শিশুর সুরক্ষা
শিশুদের লেখাপড়ায় রাখা, খেলায় অংশগ্রহণ ও বন্ধুদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রক্ষায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আমাদের একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। কিন্তু অনলাইন সুবিধা শিশুর নিরাপত্তা ও গোপণীয়তা রক্ষায় বড় ঝুঁকিও তৈরি করছে। তাই ইন্টারনেট সম্পর্কে আপনার শিশুর সঙ্গে আলোচনা করুন, যাতে অনলাইনে কীভাবে কাজ করতে হয়, কোন কোন বিষয়ে সাবধানতা প্রয়োজন এবং এই প্ল্যাটফর্মে কি ধরনের আচরণ করতে হয়, যেমন ভিডিও কলে, সেটা তারা শিখতে পারে।

কীভাবে কখন এবং কোথায় ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় সে বিষয়ে আপনার শিশুর সঙ্গে আলোচনা করে নিয়ম ঠিক করে নিন। অনলাইনে শিশুদের, বিশেষ করে উঠতি বয়সের শিশুদের ঝুঁকি কমাতে তারা যেসব ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোতে অভিভাবকের নিয়ন্ত্রণ বা প্যারেনটাল কন্ট্রোল সেট করে নিন। শিশুদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে বিনোদনের জন্য অনলাইনে সঠিক টুলস চিহ্নিত করুন। যেমন, ‘কমন সেন্স মিডিয়া’র মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বয়স উপযোগী অ্যাপস, খেলা ও অন্যান্য অনলাইন বিনোদনের পরামর্শ দেয়। যদি অনলাইনে নিপীড়নের কোন ঘটনা ঘটে অথবা আপত্তিকর কিছু চলে আসে, তবে বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়ে দিন। এজন্য হেল্পলাইন ও হটলাইন নম্বর হাতের কাছেই রাখুন।

মনে রাখবেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে লেখাপড়ার জন্য শিশু বা উঠতি বয়সি শিশুদের তাদের নিজেদের ছবি অথবা অন্যদের ব্যক্তিগত তথ্য দেখানোর কোনো দরকার নেই।

৫. শিশুর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন
শিশুর শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা, স্কুলের বিভিন্ন তথ্য প্রাপ্তি, কোনো বিষয়ে জানার প্রয়োজন পড়লে অথবা বিভিন্ন নির্দেশনা জানতে স্কুল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ রাখবেন তা খুঁজে বের করুন। বাড়িতে থেকে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে মা-বাবা অথবা অভিভাবক গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করাও ভালো সমাধান হতে পারে

Photos from Ullas Academic Care's post 28/05/2021

.......

13/05/2021

Ullas academic care wishes you & your family a joyous celebration filled with peace & love.

18/04/2021

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা

---
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার ছিলেন। শৈশব থেকেই দুঃসাহসী হিসেবে খ্যাত ছিলেন। পড়াশোনা বেশিদূর করতে পারেননি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর উচ্চ বিদ্যালয়ে দু-এক বছর অধ্যয়ন করেন।

মোস্তফা কামালের ছেলেবেলা তার পিতার কর্মস্থল কুমিল্লা সেনানিবাসে কেটেছে। বিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার চেয়ে সেনানিবাসে সেনাদের কুচকাওয়াজ, মার্চপাস্ট ইত্যাদি ভাল লাগতো। ক্রমেই তিনি সেনাবাহিনীর একজন সদস্য হবার স্বপ্ন দেখতে থাকেন এবং স্থির করেন সেনাবাহিনীতে যোগ দিবেন। ২০ বছর বয়সে হঠাৎ করেই মোস্তফা কামাল বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশে হয়ে যান। পরে ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকরি চূড়ান্ত হবার পরে তার বাবা-মা সন্ধান পান। ১৯৬৭-র ১৬ ডিসেম্বর বাড়ী থেকে পালিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে চাকরি গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক।

১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় মোতায়েন করে। পাকিস্তানি চক্রান্ত বুঝতে পেরে কয়েক জন বাঙালি সৈনিককে সঙ্গে নিয়ে মেজর শাফায়াত জামিল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লে. কর্নেল খিজির হায়াত খানসহ সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সেনাদের গ্রেফতার করেন।

এরপর তারা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার এন্ডারসন খালের পাশ দিয়ে প্রতিরক্ষা অবস্থান নেন। ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী হেলিকপ্টার গানশীপ, নেভাল গানবোট ও এফ-৮৬ বিমানযোগে মুক্তিবাহিনীর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরক্ষা অবস্থানের উপর ত্রিমুখী আক্রমণ চালায়। গঙ্গাসাগর প্রতিরক্ষা অবস্থানের দরুইন গ্রামে নিয়োজিত আলফা কোম্পানির ২নং প্লাটুনের একজন সেকশন কমান্ডার ছিলেন মোস্তফা কামাল।

দরুইনের যুদ্ধ: ১৭ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কুমিল্লা-আখাউড়া রেললাইন ধরে উত্তর দিকে এগুতে থাকে। ১৮ই এপ্রিল পরদিন ভোরবেলা পাকিস্তান সেনাবাহিনী দরুইন গ্রামে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের উপর মর্টার ও আর্টিলারীর গোলাবর্ষণ শুরু করলে মেজর শাফায়াত জামিল ১১ নম্বর প্লাটুনকে দরুইন গ্রামে আগের প্লাটুনের সাথে যোগ দেয়ার নির্দেশ দেন। ১১ নম্বর প্লাটুন নিয়ে হাবিলদার মুনির দরুইনে পৌছেন। সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল তার নিকট থেকে গুলি নিয়ে নিজ পরিখায় অবস্থান গ্রহণ করেন। বেলা ১১ টার দিকে শুরু হয় শত্রুর গোলাবর্ষণ। সেই সময়ে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। সাড়ে ১১টার দিকে মোগরা বাজার ও গঙ্গা সাগরের শত্রু অবস্থান থেকে গুলি বর্ষিত হয়। ১২ টার দিকে আসে পশ্চিম দিক থেকে সরাসরি আক্রমণ। প্রতিরক্ষার সৈন্যরা আক্রমণের তীব্রতায় বিহ্বল হয়ে পড়ে। কয়েক জন শহীদ হন। মোস্তফা কামাল মরিয়া হয়ে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন। তার পূর্ব দিকের সৈন্যরা পেছনে সরে নতুন অবস্থানে সরে যেতে থাকে এবং মোস্তফাকে যাবার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু মোস্তফা ছিলেন অবিচল। তাঁর গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সৈন্যদের প্রায় ২০-২৫ জন হতাহত হয় এবং তাদের অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়ে। পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে মোস্তফা কামালের অবস্থানের উপর মেশিনগান এবং মর্টারের গোলাবর্ষণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মোস্তফা কামালের এল.এম.জি-র গুলি নিঃশেষ হয়ে যায় এবং তিনি মারাত্মক জখম হন। তখন পাকিস্তানি সৈনিকরা ট্রেঞ্চে এসে তাঁকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।

17/04/2021

বাংলাদেশের কিংবদন্তী অভিনেত্রী কবরী সারোয়ারের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। দুই বারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী এই অভিনেত্রী ১৯৭৮ সালে “সারেং বউ” চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তিনি ছিলেন অন্যতম উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।

We offer our heartfelt condolences on the death of Bangladeshi veteran actress Kabori Sarwar. The two-time National Film Award winner was widely known for her role in "Sareng Bou" in 1978. She was one of the brightest stars in the country’s film industry.

17/04/2021
15/04/2021

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

মাস্ক পরুন, দুরত্ব বজায় চলুন, নিজেকে এবং অন্যকেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করুন।

Want your school to be the top-listed School/college in Brahmanbaria?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Brahmanbaria Safar
Brahmanbaria
3400

Opening Hours

Monday 07:00 - 13:00
15:00 - 21:00
Wednesday 07:00 - 13:00
15:00 - 21:00
Thursday 07:00 - 13:00
15:00 - 21:00
Friday 07:00 - 12:00
15:00 - 21:00
Saturday 07:00 - 13:00
15:00 - 21:00
Sunday 07:00 - 13:00
15:00 - 21:00