Campus Adda,Govt.Azizul Haque College

Campus Adda,Govt.Azizul Haque College

Share

আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাস ... আমাদের প্র?

24/10/2025

বন্ধুত্ব ভালোবাসার আরেক নাম। বিনে সুতায় গাঁথা একটা সম্পর্ক। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই সম্পর্কটা রক্তের সম্পর্কের চেয়েও আরো গভীর। আন্তরিকতা, ভালোবাসা, দুষ্টু মিষ্টি খুনসুটিতে যে সম্পর্ক হাটি হাটি পায়ে চলে দূর বহুদূর। কর্মময় এ জীবনের কর্ম ব্যস্ততায় আমরা অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়েছি, স্কুল কলেজ ভার্সিটি লাইফের বন্ধুদের যে সংখ্যাটা বা যে তালিকাটা ছিল তা আজ আরও দীর্ঘ হয়েছে, আমার বাবা বলতো শাহীন, জীবনে বন্ধু কখনো কমে না। যত বড় হবে তত বন্ধু হবে। স্কুল থেকে কলেজ, কলেজ থেকে ভার্সিটি ওভাবে যত এগিয়ে যাবে বন্ধুও বাড়বে। বন্ধুত্ব সম্পর্কটা আমি খুব এনজয় করি। এখনো সবার সাথেই কমিউনিকেশন রাখার চেষ্টা করি, হয়তো বা কর্মব্যস্ততার মাঝে প্রত্যেকেরই একই রকম অবস্থা হয়তো নিয়মিত যোগাযোগ হয় না। সকল বন্ধুদেরকে বলতে চাই তোরা যেখানে থাকিস ভালো থাকিস। এত এত বন্ধুর মধ্যে একটা অপ্রাপ্তি আমাকে অনেক কাঁদায়, 😪😪 সোনালী তোর এভাবে চলে যাওয়া, এই অকাল প্রয়াণ আমাদের সবাইকে হারিয়ে যাওয়ার ব্যথায় ব্যথিত করেছে। অনেক মিস করি। ভালো থাকিস বান্ধবী ওপারে 😪। সবাই মাঝে মাঝে তোদের প্রত্যেকটি বন্ধুদের খোঁজখবর রাখিস। অনেক মিস করি আমার স্কুল ও কলেজ লাইফের বন্ধুদের। যদি বন্ধুদের অভিশাপ দেয়ার হত তাইলে আমি একটা অভিশাপ দিতাম যে, পৃথিবীর প্রত্যেক বন্ধুই বেকার থাক, যাতে করে কর্ম ব্যস্ততা তাদের কে না ছুয়ে ফেলতে পারে। প্রত্যেকেরই বন্ধুত্বের এই বন্ধন অটুট থাকুক আজীবন।

22/12/2023

নবনির্মিত ভবন

08/07/2021

❤❤❤
আজ বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের ৮২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। উত্তরবঙ্গের এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সারাদেশে শিক্ষার গুণগত মান বিকাশে অবদান রাখছে এই কলেজ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের ৬৮৫টি কলেজের তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সেরা কলেজগুলোর তালিকায় বার বার স্থান দখল করে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৮ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিংয়ে ৫ম, ২০১৯ সালে ৩য় এবং ২০২০ সালে ২য় স্থান অর্জন করে সরকারি আজিজুল হক কলেজ। এছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে সারাদেশের মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন রয়েছে এই কলেজের।

প্রতিষ্ঠানের ৮২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিবৃতি প্রদান করেছেন অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহজাহান আলী এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল কাদের। তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকের শুভ,পবিত্র এই দিনে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করি আমাদের পূর্বসূরীদের অমর স্মৃতির প্রতি, যাদের দৃঢ় প্রয়াসে ও অর্থায়নে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে প্রিয় খ্যাতিমান এ বিদ‌্যাপীঠ‌টি। অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানাই তাঁদের প্রতি যাদের অনবদ্য অবদানে ক‌লেজ‌টি চলতে চলতে আজ জ্ঞান-আহরণ ও বিতরণের গৌরবগাঁথায় শো‌ভিত। শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এই ক‌লে‌জ পরিবারের সকলের প্রতি - শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের।

26/03/2021

তৎকালীন ইপিআর ক্যাম্পের এই বাঘের খাঁচায় ছুড়ে ফেলা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা সালাহউদ্দিনকে। ছবিটি প্রামাণ্য সালাহউদ্দিন গ্রন্থ থেকে নেওয়া।তৎকালীন ইপিআর ক্যাম্পের এই বাঘের খাঁচায় ছুড়ে ফেলা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা সালাহউদ্দিনকে। ছবিটি প্রামাণ্য সালাহউদ্দিন গ্রন্থ থেকে নেওয়া।
১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর। ঠাকুরগাঁওয়ের ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর) ক্যাম্প। ভয়ংকর নির্যাতনের পর পাকিস্তানি সেনারা ক্যাম্পের বাঘের খাঁচায় ছুড়ে ফেলল এক তরুণকে। হুংকার দিয়ে দুটো বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ল তাঁর ওপর। টেনে ছিন্নভিন্ন করে খেয়ে ফেলল তাঁকে। ওই তরুণের নাম সালাহউদ্দিন। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁও ছিল দিনাজপুর জেলার একটি মহকুমা। এই মহকুমার পীরগঞ্জ থানার কোষারানীগঞ্জ শহীদ সালাহউদ্দিনের গ্রাম।

শহীদ সালাহউদ্দিনের পরিবার, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রামাণ্য সালাহউদ্দিন (বাঘের খাঁচায় মুক্তিযোদ্ধার প্রাণোৎসর্গ) গ্রন্থ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় চরম গণহত্যা চালায়। তারা ১৮ এপ্রিল পীরগঞ্জে গণহত্যা চালাতে গিয়ে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ-লুটপাট ও নারী নির্যাতন করে। গণহত্যার ভয়ে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। আবার অনেকেই যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। সে সময়ের দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সালাহউদ্দিনও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে যান ভারতে। প্রশিক্ষণ শেষ করে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। অস্ত্র হাতে অপারেশন শেষে ছুটতে থাকেন একের পর এক এলাকায়।

১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সালাহউদ্দিন পীরগঞ্জের জাবরহাট ক্যাম্পে অবস্থান করেছিলেন। সে সময় একটা দুঃসংবাদ এল। সালাহউদ্দিনের বাবাকে পাকিস্তানি সেনারা ধরে নিয়ে গেছে ইপিআর ক্যাম্পে। ভেঙে পড়লেন সালাহউদ্দিন। গভীর রাতে একজন সহযোদ্ধাকে জানিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলেন তিনি। ১১ থেকে ১২ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে সালাহউদ্দিন পৌঁছে গেলেন বাড়ি। ‘মা, মা...’ বলে ডাকতেই খুলে গেল ঘরের দরজার কপাট। পরিবারের সদস্যরা সালাহউদ্দিনকে দেখে আত্মহারা।

এদিকে সালাহউদ্দিন যখন গ্রামে ঢুকছিলেন, তখন রাজাকাররা তাঁকে দেখে ফেলে। খবর চলে যায় পাকিস্তানি সেনা সদর দপ্তরে। সকাল ১০টার দিকে সালাহউদ্দিনের বাড়ি ঘিরে ফেলে পাকিস্তানি সেনারা। টের পেয়ে সালাহউদ্দিন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও পারলেন না। সালাহউদ্দিনের মা নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও পাকিস্তানি সেনাদের কাছে ছেলের প্রাণভিক্ষা চেয়েও ব্যর্থ হন। তবে তিনি ঘর থেকে কোরআন শরিফ এনে ক্যাপ্টেনের হাতে দিয়ে বললেন, ‘আমার বাবাকে মারবে না, শুধু এটুকু কথা বলে যাও।’ কোরআন ছুঁয়ে ক্যাপ্টেন বলে যান, ‘নেহি মারুঙ্গা উনকো।’

শহীদ সালাহউদ্দিনশহীদ সালাহউদ্দিন
এরপর পাকিস্তানি সেনারা সালাহউদ্দিনকে বন্দী করে নিয়ে যায় ঠাকুরগাঁওয়ের ইপিআর ক্যাম্পে (বর্তমান বিজিবি ঠাকুরগাঁও সদর দপ্তর)। সেখানেই পাকিস্তানি সেনাদের সদর দপ্তর। সেখানে এনে তাঁর কাছ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের তথ্য বের করার চেষ্টা চালায় পাকিস্তানি সেনারা। কিন্তু সালাহউদ্দিন তাদের প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তাঁর ওপরে ভয়ংকর নির্যাতন চালাতে শুরু করে সেনারা। প্রথমে ভয়ভীতির পর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে নির্যাতনের মাত্রা। চোখের মণিতে বড়শি বিঁধিয়ে নিষ্ঠুরভাবে টানাটানি করা হল। তবু অনড় সালাহউদ্দিন। নির্যাতনের একপর্যায়ে কেটে নেওয়া হলো হাতের আঙুল। হাতে-পায়ে পেরেক ঠুকে তাঁকে ঝুলিয়ে রাখা হলো। তারপরও বিন্দুমাত্র টলানো গেল না সালাহউদ্দিনকে।

শেষ পর্যন্ত সালাহউদ্দিনকে ঘিরে এক বর্বর সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তানি সেনারা। শহরজুড়ে মাইকে প্রচারণা চালিয়ে মানুষজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১২ নভেম্বর শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে পাকিস্তানি সেনারা তাঁর হাত বেঁধে ক্যাম্পে থাকা বাঘের খাঁচায় ছেড়ে দেয়। একটি বাঘ একপলকেই সালাহউদ্দিনের বুক ও মুখে থাবা বসিয়ে দিল। সালাহউদ্দিন ‘মা, মা...’ বলে চিৎকার দিতেই খাঁচার দুই বাঘ মিলে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেতে লাগল তাঁর দেহ। আর এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত রাজাকার ও পাকিস্তানি সেনারা উল্লাস করতে লাগল।

সালাহউদ্দিনের চাচাতো ভাই মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে হত্যার বর্বরতা আর আছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এ ঘটনা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক নির্মম ঘটনা। দেশের স্বাধীনতার জন্য সালাহউদ্দিন বাঘের খাঁচায় নিজের জীবন উৎসর্গ করলেও আজ সে ঘটনার খুব একটা আলোচনা নেই। বাঘের খাঁচায় সালাহউদ্দিনের জীবন উৎসর্গের ঘটনাটি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তি এবং ১২ নভেম্বর শহীদ সালাহউদ্দিন দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি করেন তিনি।

পীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইব্রাহিম খান বলেন, ‘শহীদ সালাহউদ্দিনের বীরত্ব নিয়ে অনেক কিছু করার ছিল। কিন্তু আমরা তেমন কিছুই করতে পারলাম না। এটা আমাদের কষ্ট দেয়।

রোবট বানালেন আজিজুল হক কলেজের দুই শিক্ষার্থী 15/01/2021

https://www.facebook.com/512375018876290/posts/3705587592888334/

রোবট বানালেন আজিজুল হক কলেজের দুই শিক্ষার্থী বগুড়ায় ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে 'পরিবেশের চিকিৎসক' নামে রোবট বানিয়ে প্রথম হয়েছেন দুই শিক্ষার্থী .....

27/09/2020

█▒▒▒ ব্রেকিং/Breaking ▒▒▒█

*** অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মারা গেছেন।
*** সন্ধ্যা ৭:২৫ মিনিটে সিএমএইচে মারা যান।
*** রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক।

Photos from Campus Adda,Govt.Azizul Haque College's post 17/02/2020

ক্যাম্পাসে চলছে অমর একুশে বইমেলা 2020


25/11/2019

এই পেজ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য কিছু এডমিন ও মডারেটর প্রয়োজন ...

আগ্রহীদের অবশ্যই উক্ত কলেজের রানিং ছাত্র অথবা ছাত্রী হতে হবে --

আগ্রহীরা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন অথবা ইনবক্সে মেসেজ দিতে পারেন

20/11/2019
04/06/2019

সবাইকে ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা-------
ঈদ মোবারক।

13/04/2019

শুভ নববর্ষ
১৪২৬

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Govt. Azizul Haque College
Bogura
5800