একটুখানি বিজ্ঞান

একটুখানি বিজ্ঞান

Share

একটি বিজ্ঞানমনস্ক সৃজনশীল প্রজন্মের লক্ষ্যে আমাদের পথ চলা।
Ektukhani Biggan is working for a science-

একটুখানি বিজ্ঞান একটি বেসরকারি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যেটি মূলত অনলাইনে বিজ্ঞান শিক্ষা নিয়ে কাজ করে।
একটুখানি বিজ্ঞান বাংলাদেশের অন্যতম একটি অনলাইন ভিত্তিক বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতিষ্ঠান। অনলাইন বিভিন্ন প্লার্টফমের মাধ্যমে দেশের সকল শ্রেণির মানুষের কাছে বিজ্ঞানের মজার সব তথ্য, উপাত্ত, গবেষণা ও প্রযুক্তি তুলে ধরি আমরা।

প্রয়োজন অনুযায়ী দেশি ও বিদেশী সংবাদ মাধ্যম, জার্নাল, আর্টিকেল থেকে তথ্য-

Photos from একটুখানি বিজ্ঞান's post 09/04/2026

NASA ARTEMIS II মিশন থেকে পাঠানো চাঁদ ও আমাদের পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি!
চাইলে আপনি ফোনের ওয়ালপেপার হিসাবেও ব্যবহার করতে পারবেন, লিংক কমেন্টে!

24/09/2025

কমলা ও মালটার মধ্যে পার্থক্য বলতে বললে অনেকেই হয়তো পারবেন। কিন্তু এটা কয়জন জানেন যে, যেটাকে কমলা বলেন সেটা আসলে কমলা নয়!

দুটই Citrus Family এর অন্তর্ভুক্ত। স্বাদ-গন্ধ, পুষ্টি মানের দিক থেকে একই মনে হলেও এদের বৈশিষ্ট্য গত কিছু পার্থক্য আছে।

আমরা যেটাকে কমলা বলে চিনি তার প্রকৃত নাম হলো, ট্যাঞ্জেরিনস (Tangerines)। ১৮০০শ শতকে পালাকতা ফ্লোরিডায় এর উৎপত্তি। সে সময় মরোক্কোর ট্যাঞ্জিয়ার মধ্যদিয়ে এসব আমদানি করা হতো বলেই নাম হয়েছে ট্যাঞ্জেরিনস। এদের আবার ম্যান্ডারিনস নামেও ডাকা হয়। ট্যাঞ্জেরিনস হলো মুলত এই ম্যান্ডারিনস এর সাব-গ্রুপ। দেখতে খুব একটা দু-দর্শন বা আকর্ষণীয় না। রঙ লাল সদৃশ কমলা। খোসা ছাড়ানো খুব সহজ। খোসা অনেকটা একটুখানি বিজ্ঞান আলগা থাকে। এদের মাঝে মাঝে জিপার স্কিন ও বলা হয়। অতি সহজেই খুলে আসে। এটা কমলার তুলনায় বেশি মিষ্টি হয়। এটাতে ভিটামিন-এ এর পরিমান বেশি থাকে। অক্টোবর থেকে জানুয়ারী পর্যন্ত এটি সহজলভ্য।

আর আমরা যেটাকে মালটা নামে চিনি, সেটাই আসলে কমলা(orange)। এটাও Citrus family এর অন্তর্ভুক্ত। এটি মুলত পমেলো ও ম্যান্ডারিন এর সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড জাত। এর উৎপত্তি আমাদের এশিয়াতে। এটি ট্যাঞ্জেরিনস এর তুলনায় সু-দর্শন, আকার সুন্দর ও একদম গোলাকার হয়। রঙ হয় হলুদাভ কমলা। এদের খোসা তুলনামূলক অনেক মোটা। সহজে ছাড়ানো যায় না। তাই এদের সাধারণত খোসা সহ কেটেই সার্ভ করা হয়। এতে ভিটামিন-সি এর পরিমান বেশি। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এটি সহজলভ্য।

আমাদের দেশে আসলে কমলা আর মালটা বলেই অভ্যস্ত। কিন্তু বাহিরে কোন দেশে গেলে যদি অরেঞ্জ চান, তাহলে মালটাই দিবে। তাই সেখানে যদি কমলা নিতে চান তাহলে ট্যাঞ্জেরিনস বা ম্যান্ডারিনস বলতে হবে।

৩০ হাজার বিজ্ঞান প্রেমীদের দলে যুক্ত হতে পারেন আপনিও। যুক্ত হোন একটুখানি বিজ্ঞান পরিবার এর সাথে।

24/09/2025

৩০ হাজার বিজ্ঞানপ্রেমীর দলে যুক্ত হতে পারেন আপনিও। যুক্ত হোন একটুখানি বিজ্ঞান পরিবার এ।

05/06/2025

It's 8:45 PM at Manchester, UK. Still not fully dark outside.
বাংলার ঝিঁঝি ডাকা বা হুক্কাহুয়া রবে মুখরির গ্রামীণ রাতের তুলনায় এখানকার রাত নীরব, সুনশান আর একাকী।

13/07/2022

নাসার Webb Space Telescope দিয়ে তোলা মহাশূণ্যের প্রায় ধূলিকনার সমান একটি অংশের ছবি প্রকাশিত হয়েছে প্রায় এক দিন আগে। উক্ত ছবিটিতে প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগের নক্ষত্ররাজী ও ছায়াপথের স্থিরচিত্র দেখা যাচ্ছে।

একটা বিশেষায়িত দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে আপনি মহাশূন্য পর্যবেক্ষণ করছেন। এতে বিভিন্ন ছায়াপথ থেকে আসা আলো ধরা পড়েছে। কিন্তু, বিজ্ঞানীরা কিভাবে পরিমাপ করছেন যে কোন ছায়াপথ কত দূরে অবস্থান করছে? কিভাবে তারা হিসেব করলেন যে ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগের নক্ষত্র থেকে আলো দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ধরা পড়ছে?

সহজ কথায়, পৃথিবী থেকে একটি নক্ষত্রের দূরত্ব কিভাবে হিসেব করা হয়?

এটি বিজ্ঞানীরা করেন দুটো উপায়ে।

এক, পৃথিবীর কক্ষপথের দূরত্ব এবং পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান নক্ষত্রের কোণ এর সাহায্য নিয়ে জ্যামিতিক উপায়ে। এ প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞানীরা পৃথিবী কক্ষপথের এক প্রান্তে পৌছার পর নক্ষত্রের সাথে পৃথিবীর কোণ হিসেব করেন এবং ৬ মাস পর আরেক প্রান্তে গেলে উক্ত নক্ষত্রের কোণ আবার হিসেব করেন। এভাবে পৃথিবীর কক্ষপথের সাথে নক্ষত্রের যে কোণ তৈরী হয় (Parallax) তার সাহায্যে নক্ষত্রটি থেকে পৃথিবীর দূরত্ব হিসেব কসে বের করা যায়। তবে এই ধরণের হিসেব সম্ভব হয় শুধুমাত্র পৃথিবী থেকে ৪০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত তারকাসমূহের ক্ষেত্রে।

দুই, পৃথিবী থেকে ৪০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত তারকার ক্ষেত্রে অনুরূপ সরাসরি দূরত্ব মাপার কোন পদ্ধতি নেই। ফলে বিজ্ঞানীরা আলোর উজ্জ্বলতার পরিমাপ হিসেব করে দূরত্ব নির্ণয় করেন। মজার বিষয় হলো তারকার কালার স্পেকট্রাম উক্ত তারকার উজ্জ্বলতার একটি ভালো নির্দেশক। তারকার রঙের সাথে উজ্জ্বলতার এ সম্পর্ক বের করা হয়েছে পৃথিবী থেকে সরাসরি দূরত্ব পরিমাপযোগ্য তারকার উপর গবেষণা করে।
দূরবর্তী ছায়াপথের উজ্জ্বলতা অনেক কম হয়। তবে ছায়াপথ সমূহের Gravitational Lensing এর কারণে, দূরবর্তী ছায়াপথ সমূহের আলো উজ্জ্বলতা একেবারে শূণ্য হয়ে যায় না।

অন্যদিকে ছায়াপথ (Galaxy) বা নক্ষত্রপুঞ্জের রং-থেকে আবিস্কার হয়েছে যে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হচ্ছে। ডপলার ইফেক্টের কারণে একটি গতিশীল বস্তু আপনার থেকে যত দূরে যাবে, উক্ত বস্তু থেকে নি:সৃত তরঙ্গের দৈর্ঘ তত বাড়তে থাকবে। ফলে আলোর ক্ষেত্রে তা লাল আলো বা ইনফ্রারেড আলোতে পরিণত হবে। এ ঘটনাকে বলে Redshift । বিজ্ঞানী স্লাইফার প্রথম আবিস্কার করেন যে দূরবর্তী ছায়াপথ গুলো থেকে আসা আলোর রেড-শিফট হয়েছে। বিজ্ঞানী এডউইন হাবল দেখান যে গ্যালাক্সীগুলো একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, তথা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হচ্ছে।

মজার বিষয় হল, মহাবিশ্বের সম্প্রসারণজনিত এই রেড শিফট তারকার নিজস্ব গতির ফলে হয় না। বরং, তারকাররাজীর মধ্যবর্তী শূণ্যস্থানের সম্প্রসারণের ফলে হয়। কোন একটি তারকা থেকে নি:সৃত আলো পৃথিবী পর্যন্ত সম্প্রসারমান স্পেস দিয়ে আসতে গিয়ে রেড-শিফট হয়ে যায়।

বিজ্ঞানী হাবল আরও দেখান যে কোন একটি ছায়াপথের দূরে সরে যাওয়ার গতি উক্ত ছায়পথ থেকে পৃথিবীর দূরত্বের সমানুপাতিক। সম্প্রসারণমান মহাবিশ্বের কোন কোন জায়গায় সম্প্রসারণের গতি আলোর গতির সমান বা তার বেশী। ফলে উক্ত জায়গা থেকে কোন আলো আমাদের কাছে কখনও পৌছে না। একে বলে (Cosmic) Event Horizon । ইভেন্ট হরাইজনের অন্তর্গত মহাবিশ্ব হচ্ছে ‌'দৃশ্যমান' মহাবিশ্ব। আমরা জানিনা এই ইভেন্ট হরাইজনের পরে মহাবিশ্বের কোনো অংশ আছে কি নেই? বা কতটুকু আছে।

যেই মহাবিশ্ব এত বড়, সেই মহাবিশ্বের স্রষ্টার বিশালত্বের কথা কি চিন্তাও করা যায়?

সুবহানআল্লাহ!

"যিনি সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে সাত আসমান। রহমানের সৃষ্টিতে আপনি কোনো খুঁত দেখতে পাবেন না; আপনি আবার তাকিয়ে দেখুন, কোনো ত্রুটি দেখতে পান কি?" (সুরা মূলক ৬৭, আয়াত- ৩).

"আর আসমান আমরা তা নির্মাণ করেছি আমাদের ক্ষমতা বলে এবং আমরা নিশ্চয়ই মহাসম্প্রসারণকারী।" (সুরা আল যারিয়াত ৫১, আয়াত-৪৭)

"মানুষ সৃষ্টি অপেক্ষা আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি অবশ্যই বড় বিষয়, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।" (সুরা গাফির ৪০, আয়াত-৫৭)

"আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে নিদর্শনাবলী রয়েছে বোধশক্তি সম্পন্ন লোকদের জন্য। যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহ্‌র স্মরণ করে এবং আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি সম্বন্ধে চিন্তা করে, আর বলে, ‘হে আমাদের রব! আপনি এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি , আপনি অত্যন্ত পবিত্র, অতএব আপনি আমাদেরকে আগুনের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।'" (সুরা আল ইমরান ৩, আয়াত-১৯০,১৯১).

Written by Dr. Muhammad Abdullah Saeed Khan

(বোঝার সুবিধার্তে কিছু রিলেভেন্ট ছবি দেখতে চাইলে নিচের লিংকগুলোতে ঘুরে আসুন)

Ref.

1. https://science.howstuffworks.com/question224.htm
2. https://www.space.com/30417-parallax.html
3. https://swimone21.medium.com/how-is-the-expansion-of-the-universe-related-to-the-doppler-effect-698f609477bb
4. https://en.wikipedia.org/wiki/Event_horizon

Photos from একটুখানি বিজ্ঞান's post 12/07/2022

আমাদের অদেখা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের "James Webb Space Telescope" এর পাঠানো প্রথম সবগুলো ছবি একত্রে।
এতো সুন্দর আমাদের বিশ্বব্রহ্মাণ্ড?

তথ্যসূত্রঃ নাসা

12/07/2022

কয়েক ঘন্টা আগে, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ দ্বারা তোলা প্রথম এই ফুল-কালার ডিপ ফিল্ড ইমেজটি উন্মোচন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগের সুদূর এক মহাবিশ্বের অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্যের, দেখা যাচ্ছে ছায়াপথগুচ্ছ।

এটি মানবজাতির ইতিহাসে দূর মহাবিশ্বের ডিপেস্ট ও শার্পেস্ট ইনফ্রারেড ইমেজ।

তথ্যঃ নাসা

31/03/2022

ব্রেকিং নিউজ:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকছে সেকেন্ড টাইম।
৪ ইউনিটে ৭২ হাজার জন করে পরীক্ষা দিতে পারবে।

14/03/2022
Photos from একটুখানি বিজ্ঞান's post 23/02/2022

চিকিৎসা শিক্ষাঃ মেডিকেল/ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস/বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা- ২০২২

তথ্য সূত্রঃ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

10/02/2022

আগামী ১৩ ই ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Bogura
5800