হজরত আয়েশা রাদি: কোনো পর পুরুষ থেকে ইলম অর্জন করেন নি। হজরত আয়েশা রা দুনিয়াবি কোনো বেহুদা জ্ঞান অর্জন করেন নি।
তাই কেউ ফ্রি মিক্সিং এ গিয়ে দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জন করে সেই জ্ঞানের বৈধতা দিতে গিয়ে নারী সাহাবীদের কাজ কর্ম কে রেফারেন্স হিসেবে উপস্থাপন করে সীমালংঘন করবেন না।
রাসূল সাঃ এর জীবদ্দশায় কখনো কোনো সাহাবী হজরত আয়েশা রা থেকে হাদীস মাসয়ালা জিজ্ঞেস করেননি। কিন্তু আমরা হাদিসে দেখতে পাই যে রাসূল সাঃ এর মৃত্যুর পর সাহাবীরা হজরত আয়েশা রাদি থেকে হাদীস জিজ্ঞেস করেছেন।
এর কারণ হলো হজরত আয়েশা রাদি ছিলেন রাসূল সাঃ এর অধিক নৈকট্য প্রাপ্ত পত্নী একজন মুহাদ্দিসা। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাসূল সাঃ এর সাহচর্যে ছিলেন। তাই রাসূল সাঃ এর মৃত্যুর পর কেউ কোনো কিছু না জানলে হজরত আয়েশা রাদি থেকে জিজ্ঞেস করতেন। এটা সম্পূন্ন দ্বীনের জন্য ইসলামের জন্য।
আপনারা যারা ফ্রি মিক্সিং এ গিয়ে দুনিয়াবি শিক্ষা অর্জন করেন এবং দুনিয়াবি শিক্ষা দেন এবং রেফারেন্স হিসেবে হজরত আয়েশা রাদি এর সেই হাদীস গুলো উপস্থাপন করেন তাদের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন।
১, হজরত আয়েশা রাদি মাহরাম থেকে ইলম অর্জন করেছেন। আপনি যাদের থেকে দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জন করতেছেন তারা কি আপনার মাহরাম,???
২, হজরত আয়েশা রাদি এর সব ইলম অর্জন এবং শিক্ষা দেওয়া সবকিছু ছিল দ্বীনের জন্য। আপনার দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জন এবং দুনিয়াবি জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া টা কতটুকু দ্বীনের জন্য,??
৩,হজরত আয়েশা রাদি ঘরের মধ্যে থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন। আপনি ও কি ঘরের মধ্যে থেকে জ্ঞান অর্জন করতেছেন,??
৪,হজরত আয়েশা রাদি সেইসব হাদীস দ্বীন সাহাবীদের শিক্ষা দিতেন অর্থাৎ সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলে বলতেন। যে সব বিষয় সম্পর্কে তারা জানতো না বা হজরত আয়েশা রাদি থেকে অধিক কেউ জানত না।
এখন আপনি পুরুষদের মধ্যে গিয়ে যে দুনিয়াবি জ্ঞান শিক্ষা দিচ্ছেন সে জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার জন্য কি দুনিয়াতে কোনো পুরুষ অবশিষ্ট নেই,??
৫, আর আপনার এই জ্ঞান অর্জন করা,এবং শিক্ষা দেওয়াতে দ্বীনের কতটুকু ফায়দা হচ্ছে,?
এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিতে না পারলে, নারী সাহাবীদের নিয়ে দ্বীনের বিষয়ে একদম সীমালংঘন করবেন না। আল্লাহ্ কে ভয় করুন।
আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, আর তোমরা নিজ ঘরে অবস্থান করবে। এবং প্রাচীন জাহেলী যুগের প্রদর্শনীর মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।
#কালেক্টেড
Adarsha School & College,Bogra
Adarsha School & College founded in 1992. It situated at Chockjadu Road, Badurtala, Bogra. Adarsha school founded in 1992.
It situate at chockjadu road, Badurtola, Bogra.
16/04/2020
30/01/2019
প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অমুসলিম শিক্ষকদের গড় হার ৫৮ ভাগেরও বেশি। কোনো কোনো বিদ্যালয়ের ৮৫ ভাগ শিক্ষকই বিধর্মী। একটি শিশু কোমল মন নিয়ে যখন শিক্ষালাভ শুরু করে তখন তার শিক্ষক বা গুরুর ধর্মবিশ্বাসের প্রতি সে আসক্ত হয়ে পড়ে। তার মিস, ম্যাডাম বা টিচারের ধর্মীয় ভাবধারা, রীতি সংস্কৃতি, চিন্তা-চেতনার প্রভাব শিশুটির উপর পড়বেই। তাহলে মুসলিম শিশুরা ছোটবেলা কী শিখবে? ৭% জনগোষ্ঠীর কৌশলগত নিযুক্তির ফলে আজ তারা প্রায় ৬০ ভাগ শিক্ষকতার পদ দখল করে আছেন। দেশটির রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। সে দেশে শিক্ষাব্যবস্থার ১ম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মী লোকদের লেখা গল্প, কবিতার পরিমাণ ৫৭ থেকে ৮০ ভাগ। এসব লেখার মাধ্যমে ১৫ কোটি মুসলমানের ছাত্রসমাজকে তাদের আত্মপরিচয় ও ধর্মীয় ভাবধারা ভুলিয়ে দেয়া হচ্ছে। এসব লেখায় ‘‘নেমন্তন্ন, ভজন, বাবু, প্রসাদ, পূজা, পার্বণ, বৈষ্ণব, চ-ীম-প, প্রায়শ্চিত্ত, ভগবতী, শ্মশান’’ ইত্যাদির ন্যায় বহু বিশেষ অর্থ ও মর্মবোধক শব্দ ব্যবহার করে এবং শিক্ষাঙ্গনে ধর্মীয় সঙ্গীত শ্রবণের উৎসাহ দিয়ে মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের নিজ ধর্মবিশ্বাস দুর্বল করে ভিন্ন ধর্মের দিকে (নাউজুবিল্লাহ) ধাবিত করার সূক্ষ্ম প্রয়াস চালানো হচ্ছে। অনেক শিক্ষাঙ্গনে এখন সকল ছাত্রকেই সরস্বতী পূজায় উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। অথচ মুসলমানের জন্য দেব-দেবীর পূজা করা সম্পূর্ণ অবৈধ, হারাম ও শিরক।
প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অমুসলিম শিক্ষকদের গড় হার ৫৮ ভাগেরও বেশি। কোনো কোনো বিদ্যালয়ের ৮৫ ভাগ শিক্ষকই বিধর্মী। একটি শিশু কোমল মন নিয়ে যখন শিক্ষালাভ শুরু করে তখন তার শিক্ষক বা গুরুর ধর্মবিশ্বাসের প্রতি সে আসক্ত হয়ে পড়ে। তার মিস, ম্যাডাম বা টিচারের ধর্মীয় ভাবধারা, রীতি সংস্কৃতি, চিন্তা-চেতনার প্রভাব শিশুটির উপর পড়বেই। তাহলে মুসলিম শিশুরা ছোটবেলা কী শিখবে? ৭% জনগোষ্ঠীর কৌশলগত নিযুক্তির ফলে আজ তারা প্রায় ৬০ ভাগ শিক্ষকতার পদ দখল করে আছেন। দেশটির রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। সে দেশে শিক্ষাব্যবস্থার ১ম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মী লোকদের লেখা গল্প, কবিতার পরিমাণ ৫৭ থেকে ৮০ ভাগ। এসব লেখার মাধ্যমে ১৫ কোটি মুসলমানের ছাত্রসমাজকে তাদের আত্মপরিচয় ও ধর্মীয় ভাবধারা ভুলিয়ে দেয়া হচ্ছে। এসব লেখায় ‘‘নেমন্তন্ন, ভজন, বাবু, প্রসাদ, পূজা, পার্বণ, বৈষ্ণব, চ-ীম-প, প্রায়শ্চিত্ত, ভগবতী, শ্মশান’’ ইত্যাদির ন্যায় বহু বিশেষ অর্থ ও মর্মবোধক শব্দ ব্যবহার করে এবং শিক্ষাঙ্গনে ধর্মীয় সঙ্গীত শ্রবণের উৎসাহ দিয়ে মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের নিজ ধর্মবিশ্বাস দুর্বল করে ভিন্ন ধর্মের দিকে (নাউজুবিল্লাহ) ধাবিত করার সূক্ষ্ম প্রয়াস চালানো হচ্ছে। অনেক শিক্ষাঙ্গনে এখন সকল ছাত্রকেই সরস্বতী পূজায় উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। অথচ মুসলমানের জন্য দেব-দেবীর পূজা করা সম্পূর্ণ অবৈধ, হারাম ও শিরক। - See more at: http://www.dailyinqilab.com/details/4359/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B .UWYtTn0f.dpuf
#শিক্ষনীয়_পোষ্ট....
এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব।
স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো--এটা তোর কাকুর দোকানে নিয়ে যা, বলবি যে এটা বেচে কিছু টাকা দিতে।
ছেলেটা হারটি নিয়ে কাকুর কাছে গেল।
কাকু হারটা ভালো করে পরীক্ষা করে বললো- বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে। কাকু কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন--আপাতত এটা নিয়ে যাও আর কাল থেকে তুমি প্রতিদিন দোকানে আসবে আমি কোন ১দিন ভাল খদ্দোর পেলেই যেন তুমি দৌড়ে হার নিয়ে আসতে পার তাই সারাদিন থাকবে।
পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগলো।সময়ের সাথে সাথে সেখানে সোনা-রুপা-হীরে কাজ শিখতে আরম্ভ করলো।
ভাল শিক্ষার ফলে অল্প দিনেই খুব নামি জহুরত বনে গেল। দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনাদানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে আসত। খুবই প্রসংশীত হচ্ছিল তার কাজ।
একদিন ছেলেটির কাকু বললো-- তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন। এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।
ছেলেটি ঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে হারটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখলো যে এটা একটা নকল হীরের হার। তাই সে হারটা আর কাকুর কাছে নিয়ে যায় নি।
কাকু জিজ্ঞেস করলো-- হারটি আনো নি ?
ছেলেটি বললো-- না কাকু, পরীক্ষা করে দেখলাম এটা একটা নকল হার।
তখন কাকু বললো- তুমি যেদিন আমার কাছে হারটি প্রথম নিয়ে এসেছিলে সেদিন আমি দেখেই বুঝে নিয়েছিলাম যে এটা নকল, কিন্তু তখন যদি আমি তোমাকে এই কথাটা বলে দিতাম, তাহলে তোমরা হয়তো ভাবতে যে আজ আমাদের মন্দ সময় বলেই কাকু আমাদের আসল জিনিষকে নকল বলছে। আজ যখন এ ব্যাপারে তোমার পুরো জ্ঞান হয়ে গেছে, তখন তুমি নিজেই বলছো এটা নকল হার।
এই দুনিয়াতে প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া তুমি যা কিছু দেখছো...যা কিছু ভাবছো সবটাই এই হারের মতই নকল, মিথ্যে।
জ্ঞান ছাড়া কোন জিনিসের বিচার সম্ভব নয়। আর এই ভ্রমের শিকার হয়েই অনেক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। আমি সেই সম্পর্কটা নষ্ট হোক তা চাইনা।
22/08/2017
থ্রি ইডিয়টস নিয়ে কিছু কথা!!!
থ্রি ইডিয়টস মুভিতে আমির খানের আসল নাম ছিলো ফুংসুখ ওয়াংর । এই চরিত্রটি বাস্তবেই আছে এবং লাদাখে ওইরকম একটা স্কুলও আছে যেখানে কোন বই-পুস্তক পড়ানো হয়না,সব হাতে কলমে শিখে,বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় সর্বদা এবং সফল হয় বহুলাংশে। SECMOL এডুকেশন মুভমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা এই ভদ্রলোকের নাম সোনাম ওয়াংচুক,মুভিটি তার জীবন থেকেই বানানো।
ওই স্কুলে ভর্তি হতে হলে অবশ্যই ম্যাট্রিকে ফেল করতে হবে,অনেকেই বলে থাকেন University of Failures,এই স্কুলের ছাত্রদের আশ্চর্য রকমের সব আবিস্কার।ওরা মাটি দিয়ে এমনভাবে স্কুল বানায় বাইরে যখন মাইনাস ১৫ডিগ্রি সে. ভিতরে তখন প্লাস ১৫ডিগ্রি সে. থাকবে।গ্রীষ্মে লাদাখের মতো বিরান অঞ্চলে ধূ ধূ মরুভূমি,জল পাওয়া খুব মুশকিল।গরমে জল পাওয়ার জন্য সাধারণ পাইপ দিয়ে ‘আইস স্টুপা’ তৈরি করেছেন সোনাম ওয়াংচুক।দেখতে বরফের টিলার মতো,যা দিয়ে সহজে গ্রিন হাউজ এফেক্ট দূর করা যায়। তিন-চারবার ফেল করা ছাত্ররা কেউ আজ বিশ্ব সেরা সাংবাদিক,ফিল্মমেকার,স্বনামধন্য উদ্যোক্তা৷
এমনকি লাদাখের শিক্ষামন্ত্রী যিনি ম্যাট্রিকে পাঁচবার ফেল করে পরে The Himalayan Institute of Alternatives,এই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন !।সাধারণতঃ আমরা আশায় থাকি কবে স্কুল ছুটি হবে আর এই স্কুলের বড় সাজা হলো এক সপ্তাহর স্কুল ছুটি!স্কুলটা একটা দেশের মতো।ছাত্ররা স্কুল পরিচালনা করে,নেতৃত্ব তৈরি করে,রেডিও স্টেশন সম্প্রচার করে,নিউজপেপার ছাপায় এমনকি নিজেদের খাবার নিজেরাই চাষ করে উৎপন্ন করে।সেগুলো বাজারে বিক্রি করে অর্থায়ন যোগায় আবার বছর শেষে ঘুরতেও যায়। এর মাধ্যমে ওদের অর্থনীতি,ভূগোল,জীববিজ্ঞান শেখা হয়।
শিক্ষা নিয়ে রেভুল্যুসন করে সফল হওয়া এই ইঞ্জিনিয়ারের স্বপ্ন একটি ইউনিভার্সিটি করা।সেই ভার্সিটির নাম হবে ‘Doers University’,যেখানে কাজ করা হবে আবিস্কার হবে কোন পড়ালেখা হবেনা।ভারত-পাকিস্তান নিয়মিত যুদ্ধ নিয়ে তার মন্তব্যঃশিক্ষাই একমাত্র পরিবর্তন আনতে পারে।সোনাম ওয়াংচুক স্বপ্ন দেখে শুধু লাদাখ নিয়ে না পুরো বিশ্ব নিয়ে।সোনাম ওয়াংচুক এক অনুপ্রেরনার ভাণ্ডার !!!!!
13/08/2017
😂😂😂😂😂😂😂😂
শিক্ষনীয় গল্প
============
শিক্ষক:তুমি কি কোন লোহার দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী:জি, গিয়েছি।।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :খোলা মেলা।
শিক্ষক:তুমি কি রুপার দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি স্বর্ণের দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :জি হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা রুপার চেয়েও বেশী সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি হীরার দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কেমনে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা স্বর্ণের চেয়েও বেশী গুরুত্ব সহকারে ঢেকে রাখা হয়।
শিক্ষক:কেন জান?
ছাত্রী :কেননা তার দাম অত্যন্ত বেশী তাই।যেন তাতে ময়লা না লাগে।
শিক্ষক মুচকি হেঁসে বললেন: ইসলামে মহিলাদের মান ও সম্মান হীরার চেয়েও অনেক অনেক বেশী। তাই তুমি পর্দায় থাকবে।
ছাত্রী :সর্ট ড্রেসে সমস্যা কি স্যার?!
শিক্ষক:যারা তোমাকে সর্ট ড্রেস পরতে বলছে, তারা তোমাকে লোহার মত ব্যবহার করতে চাচ্ছে।তারা তোমার শরীরে দাগ দেবে, ময়লা লাগাবে, মরিচা ফেলবে। তারপর ছুড়ে ফেলে দেবে ডাস্টবিনে।ওরা কোনদিন তোমাকে সৌন্দর্যময় হীরা ভাববে না, বরং ভাববে ব্যবহারেরর লোহা। যা সাময়িক ব্যবহারের পর ফেলে দেবে। তাই একটু বিবেক বুদ্ধি দিয়ে ভেবে দেখ, তোমার মান সম্মান ও ভবিষ্যৎ এর কথা । মনে রাখবে এই দুনিয়াই কিন্তু শেষ নয়, আখিরাত বলেও কিছু একটা আছে...............
07/08/2017
😂😂😂😂
02/08/2017
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chokjadu Road, Badurtola
Bogura
5800