04/12/2024
হজরত আয়েশা রাদি: কোনো পর পুরুষ থেকে ইলম অর্জন করেন নি। হজরত আয়েশা রা দুনিয়াবি কোনো বেহুদা জ্ঞান অর্জন করেন নি।
তাই কেউ ফ্রি মিক্সিং এ গিয়ে দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জন করে সেই জ্ঞানের বৈধতা দিতে গিয়ে নারী সাহাবীদের কাজ কর্ম কে রেফারেন্স হিসেবে উপস্থাপন করে সীমালংঘন করবেন না।
রাসূল সাঃ এর জীবদ্দশায় কখনো কোনো সাহাবী হজরত আয়েশা রা থেকে হাদীস মাসয়ালা জিজ্ঞেস করেননি। কিন্তু আমরা হাদিসে দেখতে পাই যে রাসূল সাঃ এর মৃত্যুর পর সাহাবীরা হজরত আয়েশা রাদি থেকে হাদীস জিজ্ঞেস করেছেন।
এর কারণ হলো হজরত আয়েশা রাদি ছিলেন রাসূল সাঃ এর অধিক নৈকট্য প্রাপ্ত পত্নী একজন মুহাদ্দিসা। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাসূল সাঃ এর সাহচর্যে ছিলেন। তাই রাসূল সাঃ এর মৃত্যুর পর কেউ কোনো কিছু না জানলে হজরত আয়েশা রাদি থেকে জিজ্ঞেস করতেন। এটা সম্পূন্ন দ্বীনের জন্য ইসলামের জন্য।
আপনারা যারা ফ্রি মিক্সিং এ গিয়ে দুনিয়াবি শিক্ষা অর্জন করেন এবং দুনিয়াবি শিক্ষা দেন এবং রেফারেন্স হিসেবে হজরত আয়েশা রাদি এর সেই হাদীস গুলো উপস্থাপন করেন তাদের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন।
১, হজরত আয়েশা রাদি মাহরাম থেকে ইলম অর্জন করেছেন। আপনি যাদের থেকে দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জন করতেছেন তারা কি আপনার মাহরাম,???
২, হজরত আয়েশা রাদি এর সব ইলম অর্জন এবং শিক্ষা দেওয়া সবকিছু ছিল দ্বীনের জন্য। আপনার দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জন এবং দুনিয়াবি জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া টা কতটুকু দ্বীনের জন্য,??
৩,হজরত আয়েশা রাদি ঘরের মধ্যে থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন। আপনি ও কি ঘরের মধ্যে থেকে জ্ঞান অর্জন করতেছেন,??
৪,হজরত আয়েশা রাদি সেইসব হাদীস দ্বীন সাহাবীদের শিক্ষা দিতেন অর্থাৎ সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলে বলতেন। যে সব বিষয় সম্পর্কে তারা জানতো না বা হজরত আয়েশা রাদি থেকে অধিক কেউ জানত না।
এখন আপনি পুরুষদের মধ্যে গিয়ে যে দুনিয়াবি জ্ঞান শিক্ষা দিচ্ছেন সে জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার জন্য কি দুনিয়াতে কোনো পুরুষ অবশিষ্ট নেই,??
৫, আর আপনার এই জ্ঞান অর্জন করা,এবং শিক্ষা দেওয়াতে দ্বীনের কতটুকু ফায়দা হচ্ছে,?
এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিতে না পারলে, নারী সাহাবীদের নিয়ে দ্বীনের বিষয়ে একদম সীমালংঘন করবেন না। আল্লাহ্ কে ভয় করুন।
আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, আর তোমরা নিজ ঘরে অবস্থান করবে। এবং প্রাচীন জাহেলী যুগের প্রদর্শনীর মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।
#কালেক্টেড