সকল বোর্ড এর Psc/jsc/jdc/ssc/hsc পরীক্ষার এক্সক্লুসিভ প্রশ্ন সাজেশনস

সকল বোর্ড এর Psc/jsc/jdc/ssc/hsc পরীক্ষার এক্সক্লুসিভ প্রশ্ন সাজেশনস

Share

সকল বোর্ড এর PSC/JSC/JDC/SSC/HSC প্রশ্ন পাওয়া যায

13/04/2023

ঈদ যাত্রার টিকেট করা শেষ। এখন শুধু নির্দিষ্ট দিনে ঠিকঠাক ট্রেনে উঠে নিজের সিটে বসে বাড়ি যাবার অপেক্ষা।কিন্তু ঢাকা বা বিমানবন্দর স্টেশন হতে যারা উঠবেন তারা টেনশনে থাকেন নিজের কোচটির অবস্থান কোথায় হবে। সামনে থাকবে, পেছনে থাকবে নাকি মাঝে থাকবে। কোন কোচের অবস্থান কেমন হবে তা নিয়েই এই পোস্ট।

ঢাকা স্টেশন হতে দেশের বিভিন্ন যায়গায় ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেনগুলির কোচ কম্বিনেশনঃ

৭০২ সুবর্ণ এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, দ কোচ পেছনে থাকবে।
৭০৪ মহানগর প্রভাতী- ক কোচ সামনে, ন কোচ পেছনে।
৭০৫ একতা এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, এর পরে খ কোচ (এসি কেবিন), গ কোচ(স্নিগ্ধা), ঘ কোচ (নন এসি কেবিন), ড কোচ পেছনে।
৭০৭ তিস্তা এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে, খ নন এসি কেবিন,ঙ,চ,ছ,জ,ঝ স্নিগ্ধা
৭০৯ পারাবত এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে, ন কোচ সামনে।
৭১২ উপকূল এক্সপ্রেস - ক কোচ সামনে।
৭১৭ জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে।
৭২২ মহানগর এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, ন কোচ পেছনে।
৭৩৫ অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে, খ কোচ মাঝে(নন এসি কেবিন), ঠ কোচ সামনে
৭৩৭ এগারসিন্দুর প্রভাতী- ক কোচ পেছনে, খ কোচ মাঝে(নন এসি কেবিন), ঠ কোচ সামনে
৭৩৯ উপবন এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে।
৭৪২ তূর্ণা এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, ন কোচ পেছনে।
৭৪৩ ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস- ক কোচ শেষে, ঠ কোচ সামনে।
৭৪৫ যমুনা এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে, খ কোচ মাঝে(নন এসি কেবিন),ঠ কোচ সামনে
৭৪৯ এগারসিন্দুর গোধুলী- ক কোচ পেছনে, খ কোচ মাঝে (নন এসি কেবিন), ঠ কোচ সামনে
৭৫১ লালমনি এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে।
৭৫৩ সিল্কসিটি এক্সপ্রেস- ক,খ কোচ সামনে(এসি কেবিন), এর পরের কোচ (স্নিগ্ধা), ড কোচ পেছনে।
৭৫৭ দ্রুতযান এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, এর পরে খ কোচ(এসি কেবিন), গ কোচ(স্নিগ্ধা), ঘ কোচ(নন এসি কেবিন), ড কোচ পেছনে।
৭৫৯ পদ্মা এক্সপ্রেস- ক,খ কোচ সামনে(এসি কেবিন), এর পরের কোচ (স্নিগ্ধা), ড কোচ পেছনে।
৭৬৪ চিত্রা এক্সপ্রেস- ক,খ কোচ সামনে(এসি কেবিন), এর পরে গ,ঘ কোচ (স্নিগ্ধা), ঠ কোচ পেছনে।
৭৬৫ নীলসাগর এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, এর পরে খ কোচ(এসি কেবিন), গ,ঘ কোচ(স্নিগ্ধা), ড কোচ পেছনে।
৭৬৯ ধুমকেতু এক্সপ্রেস- ক,খ কোচ সামনে(এসি কেবিন), এর পরের কোচ (স্নিগ্ধা), ড কোচ পেছনে।
৭৭১ রংপুর এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে।
৭৭৩ কালনি এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে
৭৭৬ সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে, ঝ কোচ সামনে।
৭৭৭ হাওর এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, ঝ কোচ নন এসি বার্থ।
৭৮১ কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস- ক কোচ সামনে, ড কোচ পেছনে।
৭৮৮ সোনারবাংলা এক্সপ্রেস- ক কোচ পেছনে, ড কোচ সামনে।
৭৮৯ মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস- ঢ কোচ পেছনে, ক কোচ সামনে।
৭৯১ বনলতা এক্স‌প্রেস- ক কোচ সাম‌নে, ঠ কোচ পেছ‌নে। এ‌সি কোচ সাম‌নের দি‌কে।
৭৯৩ পঞ্চগড় এক্স‌প্রেস- ক কোচ সাম‌নে, এ‌সি কোচ সাম‌নে।
৭৯৭ কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস - ক কোচ সাম‌নে, এ‌সি কোচ সাম‌নে।

বিঃদ্রঃ যান্ত্রিক কারণে কোচ পজিশন এলোমেলো হতে পারে। তাই অবশ‍্যই একটু আগে এসে নিজ কোচ ও সিট দেখে আসন গ্রহন করবেন। সম্ভব হলে পরিবার পরিজন নিয়ে ঢাকা স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে চেষ্টা করুন।

আপনাদের যাত্রা শুভ হোক, নিরাপদ হোক।
লেখা- শাহাবুদ্দিন আহমেদ ভাই।
ছবি - সাঈদ আনোয়ার ভাই।

11/04/2023

ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেলপথে সবগুলো স্টেশনের নাম এবং ঢাকা থেকে দুরত্ব -

১) ঢাকা ০০
২) তেজগাঁও ৬.৪৪
৩) বনানী ১০.৮৬
৪) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ১৩.২৭
৫) ঢাকা বিমানবন্দর ১৮.২৮
৬) টঙ্গী জংশন ২২.৯৩
৭) পুবাইল ৩১.৯৯
৮) নলছাটা বিলুপ্ত
৯) আড়িখোলা ৩৯.৬৩
১০) ঘোড়াশাল ফ্লাগ ৪৬.৮৭
১১) ঘোড়াশাল ৪৮.০৮
১২) জিনারদী ৫২.৫১
১৩) নরসিংদী ৫৭.৩৪
১৪) আমিরগঞ্জ ৬২.৫৭
১৫) খানাবাড়ী ৬৫.৭৯
১৬) হাঁটুভাঙা ৭০.২২
১৭) মেথিকান্দা ৭৩.৮৪
১৮) শ্রীনিধি ৭৭.৮৬
১৯) দৌলতকান্দি ৮৩.০৯
২০) ভৈরব বাজার জংশন ৮৭.১১
২১) আশুগঞ্জ ৯০.৩১
২২) তালশহর ৯৪.৭৩
২৩) ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১০৩.৯৯
২৪) পাঘাচং ১১০.৮৩
২৫) ভাতশালা ১১৪.৮৫
২৬) আখাউড়া জংশন ১২০.০৮
২৭) গঙ্গাসাগর ১২৪.৫০
২৮) ইমামবাড়ী ১৩০.৫৪
২৯) কসবা ১৩৫.৩৭
৩০) মন্দাবাগ ১৪১.৮১
৩১) সালদানদী ১৪৩.৮২
৩২) শশীদল ১৪৭.৪৫
৩৩) রাজাপুর ১৫৩.৮৯
৩৪) সদর রসুলপুর ১৬১.১৩
৩৫) কুমিল্লা ১৬৭.৫৭
৩৬) ময়নামতি ১৭১.১৯
৩৭) লালমাই ১৭৯.৬৫
৩৮) আলিশ্বর ১৮৫.২৪
৩৯) লাকসাম জংশন ১৯১.১৯
৪০) নাওটি ১৯৮.৮৪
৪১) লাঙ্গল কোট ২০৪.৪৭
৪২) হাসানপুর ২০৯.৭০
৪৩) গুনবতি ২১৭.৭৫
৪৪) শর্শদী ২২২.৯৯
৪৫) ফেনি জংশন ২৩১.৪৪
৪৬) কালিদহ ২৩৬.২৭
৪৭) ফাজিলপুর ২৪১.৯০
৪৮) মুহুরীগঞ্জ ২৪৫.৫৩
৪৯) চিন কি আস্তানা ২৫১.৯৭
৫০) মাস্তান নগর ২৫৭.২০
৫১) মীরের সরাই ২৬২.৮৩
৫২) বারতাকিয়া ২৬৮.০৭
৫৩) নিজামপুর কলেজ ২৭৩.৩০
৫৪) বাবৈয়া ঢালা ২৭৭.৩২
৫৫) সীতাকুণ্ড ২৮৩.৭৬
৫৬) বাড়বকুণ্ড ২৮৯.০০
৫৭) কুমিরা ২৯৭.৮৫
৫৮) ভাটিয়ারী ৩০৭.১১
৫৯) ফৌজদার হাট ৩০৯.৫২
৬০) কৈবলাধাম ৩১৪.৭৭
৬১) পাহাড়তলী ৩১৬.৭৮
৬২) চট্টগ্রাম কেবিন ৩১৯.১৯
৬৩) চট্টগ্রাম ৩২০.৭৯
৬৪) ঝাউতলা ৩২৪.১
৬৫) চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ৩২৫.৬৪
৬৬) ষোলশহর জংশন ৩২৬.৯৫
৬৭) জান আলীর হাট ৩৩৩.২৫
৬৮) গোমদন্ডি ৩৩৮.৩৩
৬৯) বেঙ্গুড়া ৩৪২.৫৩
৭০) ধলঘাট ৩৪৬.১৫
৭১) খান মোহনা ৩৪৮.৯৬
৭২) পটিয়া ৩৫১.৩৭
৭৩) চক্রশালা ৩৫৪.১৮
৭৪) খরনা ৩৫৫.৭৯
৭৫) কাঞ্চন নগর ৩৫৯.১
৭৬) খানহাট ৩৬১.০২
৭৭) হাসিমপুর ৩৬৪.২৪
৭৮) দোহাজারী ৩৬৭.৮৬

⭕ দোহাজারীর পর থেকে নতুন রেলপথ বসানো হচ্ছে, এ রুটে নির্মানাধীন স্টেশন সমুহ-

৭৯) সাত কানিয়া ৩৭৬.৬২১
৮০) লোহাগাড়া ৩৮৯.৪৬০
৮১) হারবং ৪০৫.৩৬০
৮২) চকোরিয়া ৪১৬.৯২৫
৮৩) ডুলহাজারা ৪২৭.৫৮৬
৮৪) ইসলামাবাদ ৪৪০.৪৪১
৮৫) রামু ৪৫৭.১০১
৮৬) কক্সবাজার ৪৬৯.৪৩০

দোহাজারী - কক্সবাজার রেলপথে ১০০ কিলোমিটার মধ্যে প্রায় ৭০কিমি রেললাইন বসানো হয়েছে,এবং স্টেশন ভবন নির্মানের কাজও এগিয়ে চলছে।

© সংগৃহীত

24/11/2022

িভাবে_হলো!
পিজা খেতে ভালবাসেন? যদি ভালবাসেন তাহলে এর নামের পেছনের গণিত আপনাকে বেশ আনন্দই দেবে।

পিজা একটি গোলাকার বস্তু। কাজেই এর আয়তনের সূত্র হবে πr²h.
যেখানে r হল ব্যাসার্ধ এবং h হল উচ্চতা।

সূত্রটিকে ভেঙে লিখলে দাঁড়ায় Pi.r.r.h

এখন যদি এর ব্যাসার্ধ কে z এবং উচ্চতা কে a দ্বারা প্রকাশ করা যায় ,তাহলে আয়তন দ্বারায় Pi.z.z.a কি, এখন বানান টা বোঝা যাচ্ছে তো?

24/11/2022

সেটতত্ত্ব্ব
আবিষ্কার
বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ জর্জ ক্যান্টর (১৮৪৫-১৯১৮) সেটতত্ত্বের প্রবর্তক। বর্তমানে অনেক আধুনিক উন্নত গণিত কাজের ভিত্তি হিসেবে এই সেট তত্ত্ব ব্যবহৃত হয় ।
সেট কী
কোনো বস্তু, সংখ্যা, চিন্তা ইত্যাদির সমারোহকে বলা হয় সেট। সেটের প্রতিটি বস্তুকে বলা হয় সেটের উপাদান(elements) বা সদস্য(members)।
ব্যবহার
(১) প্রতিটি সদস্য কে তালিকা ভুক্ত করে; উদাহরণ স্বরুপ A={3,5,7,9,11} ঠিক কোন ধারায় সদস্যগুলোকে লেখা হছে সেটা কোন বিবেচ্য বিষয় নয় এবং প্রতিটি উপাদান কেবলমাত্র একবার তালিকাভুক্ত করা হয়।
(২) একটি নির্দিষ্ট নমুনা প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান তালিকাভুক্ত করে এবং ডট চিহ্ন দিয়ে সেই নমুনার ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে। যেমন, A={2,4,6,8,.............}
(৩) কোন বিবরন দিয়ে যেমন, S={সকল বিজোড় সংখ্যাসমূহ}
(৪) বীজগণিতীয় প্রকাশের মাধ্যমে; যেমন C={x : 2 < x < 7, x হলো একটি পূর্ণ সংখ্যা} এর অর্থ হলো, C এমন সেট যার উপাদান x পূর্ণ সংখ্যা এবং x এর মান 2 ও 7 মাঝে অবস্থান করে। অর্থাৎ C={3,4,5,6}
সেটের প্রকারভেদ
(১) একটি সেটের সবগুলো উপাদানই যদি তালিকাভুক্ত থাকে তাহলে সেই সেট কে বলা হয় নির্দিষ্ট সেট বা (finite) সেট। যেমন {3,7,9}.
(২) আবার কোন সেটের সব উপাদান যদি তালিকাভুক্ত করা অসম্ভব হয়, তাকে বলে অসীম বা (infinite) সেট। যেমন, A={2,4,6,8,.............} যেখানে ডট গুলোর অর্থ হলো ধারাটি একই ভাবে চলতে থাকবে।
(৩) আবার কোন সেটে উপাদান না থাকলে তাকে বলে নাল বা শূন্য(null) সেট। একে অথবা {} দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
সেটের সদস্যপদ
এই চিহ্নটি দিয়ে বোঝানো হয় বস্তুটি কোন সেটের সদস্য। যেমন 7 হলো S={2,5,6,7,9} সেটের একটি সদস্য, তাই আমরা লিখতে পারি আবার চিহ্নটি দ্বারা বোঝনো হয় বস্তুটি সেটের সদস্য নয়। যেমন 3 সংখ্যাটি পূর্বের S সেটের সদস্য নয়; তাই আমরা লিখি । " " এই চিহ্নটিকে বলা হয় বিলংসটু(belongs to) ।
সেটের অর্ডার (বা কার্ডিনালিটি)
একটি সেটে যতগুলো উপাদান থাকে, তাদের সংখ্যাকে সেই সেটের অর্ডার বলে। একটি A সেটে যদি 5 টি সদস্য থাকে, তাহলে তার অর্ডার (বা কার্ডিনালিটি) হলো 5 এবং আমরা লিখি n(A)=5.
সাব-সেট
যদি একটি সেট A-এর সকল সদস্য অন্য আরেকটি সেট B-এরও সদস্য হয়, তাহলে বলা যাবে, A হলো B এর সাব-সেট। যেমন, A={p,q,r} এবং B={p,q,r,s} হলে আমরা লিখি
প্রতিটি সেটের অন্তত দুটি সাব-সেট রয়েছে; একটি হলো সেটটি নিজেই এবং অপরটি হলো শূণ্য সেট।
উদাহরন
{a,b,c} সেটটির সকল সাবসেটগুলো বের করতে হলে, সাবসেট গুলো হবে , {a}, {b}, {c}, {a,b}, {a,c}, {b,c} এবং {a,b,c}। একটি প্রদত্ত সেটের সম্ভাব্য সকল সাবসেট গুলো থেকে যদি নিজেকেই বাদ দিয়ে বাকি সাব সেট গুলো রাখা হয় তাহলে তাদের কে বলা হয় প্রপার সাব সেট ( Proper Subset )। যদি একটি সেটে n সংখ্যাক উপাদান থাকে তাহলে মোট যতগুলো সাব সেট পাওয়া যাবে তার পরিমাণ হলো- N=
ইউনিভার্সাল সেট
একটি সমস্যায় বিদ্যমান সবগুলো উপাদান কে নিয়ে যে সেট গঠিত হয়, তাকে সেই সমস্যার সাপেক্ষে ইউনিভার্সাল সেট বলা হয়। যেমন ১১ সংখ্যা পর্যন্ত সকল বিজোড় সংখ্যার (১১ সংখ্যাটি সহ) ইউনিভার্সাল সেটটি হলো- ={1,3,5,7,9,11} একটি সেট এর কমপ্লিমেন্ট সেট হলো এমন একটি সেট যার উপাদান গুলো ইউনিভার্সাল সেট এর ভিতরে নেই। যেমন যদি A={2,4,6} এবং ={1,2,3,4,5,6,7} তাহলে A-এর কমপ্লিমেন্ট সেট হলো A`={1,3,5,7}
ইকুয়ালিটি এবং ইকুইভ্যালেন্স
একটি সেটে ঠিক কোন উপাদানটির পর কোন উপাদান রাখা হলো সেটা কোন বিবেচ্য বিষয় নয়। তাই {a,b,c,d} এবং {c,a,b,d} হলো একই সেট। দুটি সেট কে ইকুয়াল(equal) বলা হবে যদি তাদের ঠিক একই উপাদান থাকে। তাই যদি A={2,3,5,8} এবং B={3,8,2,5} হয়, তাহলে A=B দুটো সেট কে ইকুইভ্যালেন্ট বলা হবে যদি তাদের উভয়ের সমান সংখ্যাক উপাদান থাকে। তাই যদি A={5,7,9} এবং B={a,b,c} হয়, তাহলে n(A)=n(B)=3 এবং A ও B সেট দুটো ইকুইভ্যালেন্ট(equivalent)
ভেন ডায়াগ্রাম
ভেন ডায়াগ্রাম দিয়ে সেট থিওরির অনেক সমস্যার সমাধান করা যায়। একটি ইউনিভার্সাল সেট কে প্রকাশ করা হয় আয়তক্ষেত্র দিয়ে এবং এই সেটের সাব-সেট গুলোকে প্রকাশ করা হয় বৃত্ত দিয়ে। এই চিত্রে ছায়া দেওয়া অংশ দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে A-এর কমপ্লিমেন্ট অর্থ্যাৎ । এছাড়াও বৃত্তের ভিতরে বৃত্ত দিয়ে সাব-সেট গুলোকে প্রকাশ করা হয়। যেমন
ইউনিয়ন এবং ইন্টারসেকশন
দুটো সেট A ও B-এর ইন্টারসেকশন হলো সেই সদস্য গুলোর সেট যারা উভয় সেট A ও B-এরই সদস্য।
সেক্ষেত্রে যদি A = {2,4,7} এবং B = {2,3,7,8} হয়, তাহলে A ও B-এর ইন্টারসেকশন হলো {2,7} ।
আমরা লিখি = {2,7}
চিত্রে ভেন ডায়াগ্রামে শেড দেয়া অংশে দেখানো হয়েছে .
দুটো সেট A ও B-এর ইউনিয়ন A ও B-এর সকল সদস্য নিয়ে গঠিত। সেক্ষেত্রে যদি A={3,4,6} এবং B={2,3,4,5,6,7,8} হয়, তাহলে ও -এর ইউনিয়ন হলো আমরা লিখি ={2,3,4,5,6,7,8}. যদি দুটো সেট A ও B-এর মধ্যে কোনও একটি সদস্যও কমন না থাকে, তাহলে সেই দুটো সেট A ও B-কে বলা হবে ডিসজয়েন্ট ( Disjoint ) সেট।

17/11/2022

একবার এক পর্যটক মেক্সিকোয় গেলেন; জেলেদের মাছের খুব প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন,
“আচ্ছা, মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”
“বেশিক্ষণ না” জেলেদের এক কথার উত্তর।
“তাহলে আপনারা আরও বেশি সময় দিয়ে আরও বেশি মাছ ধরেন না কেন?” লোকটা প্রশ্ন করেন। জেলেরা বলেন, "আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়"।
“তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” লোকটা জিজ্ঞাসা করে। জেলেরা জবাব দেয়,
“আমরা ঘুমায়, মাছ ধরি, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, বৌয়ের সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই…”। পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে বলেন,“আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনাদেরকে আরও বেশি সময় দিয়ে মাছ ধরতে হবে, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনতে হবে। ”
“তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন।
“আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় দুটা, তিনটা বা আরও বেশি নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যসত্ত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে, সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির সাথে বেচাকেনা করবেন। এক সময় নিজেরাই মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি খুলে বসবেন। তারপর অনেক ধনী হয়ে গ্রাম ছেড়ে মেক্সিকোর রাজধানী, আমেরিকার লসএঞ্জেলেস বা নিউ ইয়র্কে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা মেগা প্রজেক্ট চালু করবেন। ”
“এসব করতে কত সময় লাগবে?” জেলেদের প্রশ্ন।
“কুড়ি/পঁচিশ বছর তো লাগবেই।” জবাব দেয় পর্যটক।
“তারপর” জেলেরা প্রশ্ন করে।
লোকটা হেসে জবাব দেয়, “ব্যবসায় যখন আরও বড় হবে তখন আপনারা শেয়ার বাজারে যাবেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করবেন।”
“মিলিয়র ডলার! ধরুন পেলাম মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, তারপর?” জেলেরা সবিস্ময়ে প্রশ্ন করে। পর্যটক তখন জবাব দেন, “আপনারা তখন অবসরে যাবেন। শান্ত গ্রামে ফিরে এসে সমুদ্রের ধারে ঘুমাবেন, বাচ্চাদের সাথে খেলা করবেন, বৌয়ের সাথে খাবার খাবেন, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন, মজা করবেন…,”। তখন জেলেরা বলেন,
“সেই কাজটাই তো আমরা এখন করছি। তাহলে এই বিশ/পঁচিশ বছরের এই কষ্টের জীবনের মানে কী?”
(সংগৃহীত ও অনূদিত)

15/11/2022

আজ রেল দিবস
আজ ১৫ নভেম্বর, রেল দিবস। বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৫৯ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গত বছরের এই দিনে রেল দিবস পালন করা হয়েছে। আজ দেশে তৃতীয়য়বারের মতো দিবসটি পালন করা হবে‌।
বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, এ অঞ্চলে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথম চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ চালু করা হয়। তারপর বিভিন্ন ধরনের ঘাত-প্রতিঘাত মাড়িয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে এগিয়ে যায়।
🔴 বাংলাদেশ ভূখন্ডে রেলওয়ের আগমন
আজকের বাংলাদেশ ভূখণ্ডে সর্বপ্রথম সুনির্দিষ্ট রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ১৮৫২ সালে। ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল জে পি কেনেডি তার সামরিক সুবিধা বিবেচনায় ব্রিটিশ সরকারের কাছে গঙ্গা নদীর পূর্ব তীর ধরে সুন্দরবন হয়ে ঢাকা পর্যন্ত রেলপথ বসানোর প্রস্তাব দেন। তার এই প্রস্তাব ব্রিটিশ সরকার বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই গ্রহণ করে। কিন্তু এরই মধ্যে ১৮৫৪ সালে ব্রিটিশ সরকার মিয়ানমার (তৎকালীন বার্মা) দখল করে নেয়। ব্রিটিশ সরকার চেয়েছিল মিয়ানমারকে ভারতীয় উপনিবেশের সাথে সংযুক্ত করতে। রাজনৈতিক এবং কৌশলগত সুবিধার কারণে মিয়ানমারের রাজধানী রেঙ্গুন থেকে কলকাতা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপনের প্রশ্ন তখন প্রকট হয়ে ওঠে। চাপা পড়ে যায় কর্নেল কেনেডির দেয়া প্রস্তাব।
এর ১৮৫৫ সালে বাংলায় নিযুক্ত ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল কোরের মেজর অ্যাবার ক্রমবি মাঠ পর্যায়ের একটি জরিপ পরিচালনা করেন। এতে তিনি ভূপ্রকৃতি যাচাই, রেলপথ নির্মাণের সম্ভব্য খরচ, বাণিজ্যিক সুবিধাদি ইত্যাদি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তাছাড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয় সামরিক সুবিধাদিও। এই পর্যবেক্ষণানুযায়ী তিনি একটি রিপোর্ট পেশ করেন ব্রিটিশ সরকারের কাছে। ব্রিটিশ সরকার তার এই প্রস্তাবনা এবং প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয় যে বাংলায় রেলপথ স্থাপন করা হবে। এতে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামে একটি রেল কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা উল্লেখ করা হয়। অনেক যাচাই-বাছাই এবং সমীক্ষার জটিলতা শেষ হতেই দু’বছর কেটে যায়। অবশেষে ১৮৫৭ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয় ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে। ব্রিটিশ প্রবীণ রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ার ওয়েলিংটন পার্ডান-এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবে রূপ নেয় এই প্রকল্পটি।
🔴 কলকাতা- রানাঘাট-জগতী রেল সেকশন
ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে প্রতিষ্ঠার পর তাদের সর্বপ্রথম সফল কাজ ছিল কলকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত রেল সেকশন উন্মোচন। ১৮৫৮ সালের ৩০ জুলাই কলকাতার হুগলি নদীর পূর্ব পাড় থেকে (বর্তমানে শিয়ালদহ স্টেশন) রানাঘাট, দর্শনা, পোড়াদহ হয়ে কুষ্টিয়ার জগতি (বর্তমান বাংলাদেশ) পর্যন্ত একটি ব্রডগেজ (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) রেলপথ নির্মাণের জন্য ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রস্তাবিত এ লাইনের দৈর্ঘ্য ছিল ১১০ মাইল। প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল তৎকালীন ১ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং।
এর মধ্যেই ভারতবর্ষে শুরু হয়ে গেল সিপাহী বিদ্রোহ। সে কারণে রেলপথ নির্মাণ কার্যক্রম কিছুটা থমকে যায়। অবশেষে বিদ্রোহের অবসান ঘটলে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি পুরোদমে কাজ শুরু করে দেয়। ভূমির সম্ভাব্যতা যাচাই এবং জমি অধিগ্রহণ শেষে মূল নির্মাণকাজ শুরু হয়। ইস্টান বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি রেলপথ নির্মাণের জন্য দরপত্র আহবান করে। এতে করে মেসার্স ব্রেসী ও পেক্স অ্যান্ড ওয়াইটেস নামক দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা কলকাতা আসেন। শুরু হয়ে যায় এক এলাহী কর্মযজ্ঞ।
প্রস্তাবিত এই ১১০ মাইল লাইন নির্মাণের অংশ হিসেবে কলকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যায় আগেই। সেসময় অবশ্য জগতি পর্যন্ত লাইন নির্মাণের কার্যক্রমও চলমান ছিল। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার তাদের ব্যবসায়িক সুবিধা বিবেচনায় সম্পূর্ণ লাইন নির্মাণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারলেন না। নির্মাণকাজ সমাপ্ত হওয়ায় কলকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত সেকশনে ট্রেন চলাচল শুরু করতে চাইল। অবস্থা তখন এমন হয়েছিল যে তারা যেন আর একটি দিনও অপেক্ষা করতে পারবে না।
১৮৬২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকে রানাঘাট সেকশনটি উদ্বোধন করা হয়। এই সেকশন দিয়ে সেদিন থেকেই ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে যায়। তার কয়েক মাসের মধ্যেই রানাঘাট থেকে জগতি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজও সমাপ্ত হয়। ফলে সেবছরই ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর রানাঘাট থেকে দর্শনা হয়ে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ উন্মোচন করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে রেল পরিষেবার সূচনা ঘটে আজকের বাংলাদেশ ভূখণ্ডে। এই রেলপথের শেষ স্টেশন জগতিকে বলা হয় বাংলাদেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন। যদিও এই সেকশনে জগতি ছাড়াও পোড়াদহ, চুয়াডাঙ্গা এবং দর্শনাও একই দিনে উদ্বোধন করা হয়।
নদীবিধৌত পূর্ববঙ্গের নরম মাটি বাষ্প-শকটের সদম্ভ পদভারে প্রকম্পিত হতে লাগল। অবহেলিত বাঙালিরা তাকিয়ে থাকল নতুন যুগের এই বার্তাবাহকের দিকে। দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলায় খাদ্য নিরাপত্তা অনেকটা সুসংহত হলো। অন্যদিকে আরো আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরল ব্রিটিশ শাসনের নিগড়। প্রথম যেদিন ট্রেন এলো পূর্ব বাংলায়, একরাশ ভয় ও বিস্ময় গ্রাস করল বাঙালিকে। কারণ ইতিপূর্বে বাঙালি ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে চলা বাষ্প-শকট চালিত এই গতিদানব দেখা তো দূরের কথা, এমন যান যে পৃথিবীতে আছে তা কল্পনাও করতে পারেনি।
কয়লা পুড়িয়ে ধোয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে ঝকঝকে রব তুলে যখন জগতি স্টেশনে ট্রেন এসে থামত, তখন রেলগাড়ি দেখার একরাশ কৌতূহল নিয়ে আশপাশের এলাকায় অগণিত মানুষের ভিড় লেগেই থাকত। কয়লার ট্রেন থেকে হয়েছে ডিজেল চালিত ট্রেন, ডিজেল থেকে হয়েছে বৈদ্যুতিক ট্রেন- কত কিছুই পরিবর্তন ঘটেছে কালের পরিক্রমায়, কিন্তু মানুষের মধ্যে রেলগাড়ির সেই কৌতূহল যেন আজও শেষ হয়ে যায়নি।
অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমভাগ থেকেই নীল চাষের জন্য বিখ্যাত ছিল কুষ্টিয়া। নীলচাষী ও নীলকরদের আগমনের পরই কুষ্টিয়ার নগরায়ন শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়। তাছাড়া বস্ত্র শিল্পের জন্য কুষ্টিয়া বরাবরই বিখ্যাত ছিল। সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে এখানে একটি নদী বন্দর স্থাপিত হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই বন্দরটি ব্যবহার করত। বিশেষত নীলকররা এবং নীল ব্যবসায়ীদের দখলে থাকতো এই বন্দরটি। কুষ্টিয়া ছিল নদীয়া জেলার একটি মহাকুমা। পরে কোম্পানি শাসনামলে এটি যশোর জেলার অধীনে চলে আসে। রেল যোগাযোগ স্থাপনের পর অত্রাঞ্চলে নগরায়নের সুবাতাস বইতে থাকে। তারই রেশ ধরে ১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
একটা প্রযুক্তি পুরো একটা সমাজকে বদলে দেবে”, কার্ল মার্ক্সের সেই ভবিষ্যদ্বাণী বিফলে যায়নি। কলকাতা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চাকা সচল হতে শুরু করে। কুষ্টিয়ায় স্থাপিত হতে থাকে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান। আনাগোনা দেখা দেয় ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের। ১৯০৮ সালে কুষ্টিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মোহিনী মিল’ যা ছিল তৎকালীন সময়ে সমগ্র এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় কাপড়ের কারখানা। তাছাড়া ১৮৯৬ সালে যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস রেনউইক এবং ১৯০৪ সালে যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোং নামে দুটি শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর দর্শনায় প্রতিষ্ঠিত হয় ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘কেরু এন্ড কোং’। এটি ছিল ঐ অঞ্চলের মধ্যে তৎকালীন সবচেয়ে বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান। এভাবেই শিল্প ও বাণিজ্যক্ষেত্রে এ অঞ্চলের আমূল পরিবর্তন সাধিত হতে থাকে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প, ঢাকা থেকে নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প। এই প্রকল্পে ব্যয় হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা।

21/09/2022

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

06/05/2022

ঢাকা_হতে_দেশের_৬৪ সব জেলা কত কিলোমিটার জেনে নিন ,
১| নারায়ণগঞ্জ ------------ ১৭ কিঃমিঃ
২| মুন্সিগঞ্জ --------------- ২৭ কিঃমিঃ
৩| মানিকগঞ্জ -------------- ৬৪কিঃমিঃ
৪| গাজীপুর -------------------৩৭ কিঃমিঃ
৫| নরসিংদী ------------------৫২কিঃমিঃ
৬| ময়মনসিংহ ---------------১২২কিঃমিঃ
৭| কিশোরগঞ্জ ------------১০২ কিঃমিঃ
৮| নেত্রকোণা ---------------১৫৯কিঃমিঃ
৯| টাংগাইল -----------------৯৮কিঃমিঃ
১০| জামালপুর ---------------১৮৭ কিঃমিঃ
১১| শেরপুর --------------------২০৩ কিঃমিঃ
১২| ফরিদপুর -----------------১৪৫ কিঃমিঃ
১৩| মাদারীপুর -----------------১১১ কিঃমিঃ
১৪| গোপালগঞ্জ ---------------২৩২ কিঃমিঃ
১৫| রাজবাড়ী----------------- ১৩৬কিঃমিঃ
১৬| শরিয়তপুর ---------------৭৫ কিঃমিঃ
১৭| চট্টগ্রাম --------------------২৬৪ কিঃমিঃ
১৮| কক্সবাজার-------------- ৪১৪ কিঃমিঃ
১৯| নোয়াখালী ------------- ১৬৩ কিঃমিঃ
২০| লক্ষীপুর -----------------২১৬ কিঃমিঃ
২১| ফেনী -------------------১৫১ কিঃমিঃ
২২| কুমিল্লা -----------------৯৭ কিঃমিঃ
২৩| চাঁদপুর ----------------১৬৯ কিঃমিঃ
২৪| ব্রাক্ষণবাড়ীয়া------------১২৭ কিঃমিঃ
২৫| সিলেট------------------ ২৭৮কিঃমিঃ
২৬| সুনামগঞ্জ------------- ৩৪৬কিঃমিঃ
২৭| মৌলভীবাজার ----------- ২১৪কিঃমিঃ
২৮| হবিগঞ্জ-------------- ১৭৯কিঃমিঃ
২৯| রাংগামাটি---------------৩৪০কিঃমিঃ
৩০| খাগড়াছড়ি--------------২৭৫ কিঃমিঃ
৩১| বান্দরবান--------------৩৩৮ কিঃমিঃ
৩২| রাজশাহী---------------২৭২ কিঃমিঃ
৩৩| নওগাঁ----------------- ২৮৩কিঃমিঃ
৩৪| চাঁপাইনবাবগঞ্জ-------৩২০ কিঃমিঃ
৩৫| নাটোর---------------- ২২৩ কিঃমিঃ
৩৬| পাবনা--------------- ১৬১কিঃমিঃ
৩৭| সিরাজগঞ্জ------------ ১৪২ কিঃমিঃ
৩৮| বগুড়া--------------- ২২৮কিঃমিঃ
৩৯| জয়পুরহাট------------২৮০ কিঃমিঃ
৪০| রংপুর----------------- ৩৩৫ কিঃমিঃ
৪১| গাইবান্ধা---------------৩০১ কিঃমিঃ
৪২| কুড়িগ্রাম---------------৩৯৪কিঃমিঃ
৪৩| লালমনিরহাট----------৩৯০কিঃমিঃ
৪৪| দিনাজপুর--------------৪১৪ কিঃমিঃ
৪৫| নীলফামারী-----------৩৯৬কিঃমিঃ
৪৬| পঞ্চগড়---------------৪৯৪ কিঃমিঃ
৪৭| ঠাকুরগাঁও-------------৪৫৯ কিঃমিঃ
৪৮| খুলনা---------------- ৩৩৫ কিঃমিঃ
৪৯| বাগেরহাট ------------৩৭০ কিঃমিঃ
৫০| সাতক্ষীরা------------৩৪৩ কিঃমিঃ
৫১| যশোর----------------২৭৩ কিঃমিঃ
৫২| মাগুড়া---------------১৭৭ কিঃমিঃ
৫৩| নড়াইল-------------- ৩০৭কিঃমিঃ
৫৪| কুষ্টিয়া-----------------২৭৭কিঃমিঃ
৫৫| ঝিনাইদহ--------------২২৮ কিঃমিঃ
৫৬ |চুয়াডাংগা---------------২৬৭ কিঃমিঃ
৫৭| মেহেরপুর--------------- ২৯৬ কিঃমিঃ
৫৮| বরিশাল-----------------২৭৭ কিঃমিঃ
৫৯| ঝালকাটি----------------২৯০ কিঃমিঃ
৬০| পিরোজপুর--------------৩০৪ কিঃমিঃ
৬১| ভোলা-------------------৩১৭কিঃমিঃ
৬২| পটুয়াখালী---------------৩১৯ কিঃমিঃ
৬৩| বরগুনা------------------৩৬১ কিঃমিঃ

( সংগ্রীহিত)

06/04/2022

খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১) সামরিক শাসন জারি করা হয় –১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
২) আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন–১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
৩) মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন–আইয়ুব খান
৪) আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়–১৯৬১
৫) ছাত্র সমাজ ১৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে – ১৯৬২ সালে
৬) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয়–১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
৭) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ চলে–১৭ দিন
৮) বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ–৬ দফা দাবি
৯) ৬ দফা দাবি উথাপন করেন–মুজিবুর রহমান
১০) ৬ দফা দাবি উথাপন করা হয়–১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি
১১) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি ছিল–৩৫ জন
১২) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়–বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
১৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি হয়–১৯৬৮ সালের ১৯ জুন
১৪) ঊনসত্তরের গণ অব্যুথান হয় – ১৯৬৯ সালে
১৫) গণ অভ্যুথানে শহীদ হন – আসাদ, ড. শামসুজ্জোহা
১৬) আগরতাল ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয়–১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
১৭) শেখ মুজিবুর রহমানকে ” বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দেয়া হয় ➖১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
১৮) আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন ➖১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ
✿➢১৯) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর
✿➢২০) নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল – ৫ কোটি ৬৪ লাখ
✿➢২১) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসন লাভ করে – ১৬৭ টি ( ১৬৯ এর মধ্যে)
✿➢২২) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর
✿➢২৩) প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ আসন পায় – ২৮৮ টি ( ৩০০ এর মধ্যে)
✿➢২৪) পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন – আগা খান
✿➢২৫) অধিবেশন স্থগিত করা হয় – ১৯৭১ সালের ১ মার্চ
✿➢২৬) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
✿➢২৭) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ২ মার্চ
✿➢২৮) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল – অসহযোগ আন্দোলন
✿➢২৯) জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করা হয় – ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
➢পূর্ববাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে
➢অপারেশন সার্চ লাইট চালানোর নীলনক্সা করা হয় – ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ
➢নীলনক্সা করেন – টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী
➢অপারেশন সার্চ লাইট হলো ➖১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরহত্যাকান্ড
🔴 বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন ➖২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসযোগে
✿ বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় –২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে আনুমানিক রাত ১.৩০ মিনিটে
✿➢৩৬) শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন- ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর
✿➢৩৭) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ছিল – ইংরেজিতে।
✿➢৩৮) বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল – ভারতে
✿➢৩৯) বাংলাদেশে নদী পথের দৈর্ঘ্য – ৯৮৩৩ কিমি
✿➢৪০) সারাবছর নৌ চলাচলের উপযোগী নৌপথ – ৩,৮৬৫ কি.মি
✿➢৪১) অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি হয়েছে – ১৯৫৮ সালে
✿➢৪২) কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকর প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় – পাকিস্তান আমলে
✿➢৪৩) অভ্যন্তরীন নৌ পথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের – ৭৫% আনা নেয়া হয়
✿➢৪৪) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালে
✿➢৪৫) বাংলাদেশে চা চাষ হচ্ছে – উওর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে
✿➢৪৬) সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় – উষ্ণ ও আদ্র জরবায়ু অঞ্চলে
✿➢৪৭) বাংলাদেশে চির হরিৎ বনাঞ্চল – পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
✿➢৪৮) বাংলাদেশে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ জেলা সমূহ – পূবাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলা সমূহ
✿➢৪৯) বাংলাদেশের লবণাক্তের পরিমাণ বেশি – দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা
✿➢৫০) বাংলাদেশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বনভূমি- দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর পুর্ব অংশের পাহাড়ী অঞ্চল
✿➢৫১) চিরহরিৎ বনকে বলা হয় – চির সবুজ বন
✿➢৫২) চিরহরিৎ বনভূমির পরিমাণ – ১৪ হাজার বর্গ কি.মি
✿➢৫৩) প্রচুচুর বাঁশ ও বেত জন্মে – সিলেটে
✿➢৫৪) রাবার চাষ হয় – পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে
✿➢৫৫) ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায়
✿➢৫৬) শীতকালে গাছের পাতা সম্পূর্ণ ঝরে যায় – ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির
✿➢৫৭) ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির প্রধান বৃক্ষ – শাল
✿➢৫৮) মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে
✿➢৫৯) দিনাজপুরে এটি – বরেন্দ্র নামে পরিচিত
✿➢৬০) স্রোতজ বনভূমি- দক্ষিণ পশ্চিমাংশের নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় বন
✿➢৬১) স্রোতজ বনভূমি প্রধানত জন্মে – সুন্দরবনে
✿➢৬২) বাংলাদেশে স্রোতজ বা গরান বনভূমির পরিমাণ – ৪,১৯২ বর্গ কি.মি
✿➢৬৩) বাংলাদেশ সরকারে বিভাগ – ৩ টি
✿➢৬৪) আইনবিভাগের কাজ – আইন প্রনয়ন ও প্রচলিত আইনের সংশোধন
✿➢৬৫) আইন বিভাগের একটি অংশ – আইনসভা
✿➢৬৬) এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা – কক্সবাজার ২৭.৬৪ ডিগ্রী, নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রী, রাজশাহীতে ৩০ ডিগ্রী
✿➢৬৭) গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যায় – দক্ষিণ পশ্চিম ✿➢৬৭) গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যায় – দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
✿➢৬৮) কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে – পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিক থেকে
✿➢৬৯) প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় হয় – ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল
✿➢৭০) বাংলাদেশে বর্ষাকাল – জুন হতে অক্টোবর মাস
✿➢৭১) প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – জুন মাসের শেষ দিকে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৭২) বর্ষাকালে আবহাওয়া সর্বদা – উষ্ণ থাকে
✿➢৭৩) বর্ষাকালে গড় উষ্ণতা – ২৭ ডিগ্রী সে.
✿➢৭৪) বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে – জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে
✿➢৭৫) বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের – ৪/৫ ভাগ হয় হয় বর্ষাকালে
✿➢৭৬) বর্ষাকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত হয় – ৩৪০ ও ১১৯ সে.মি
✿➢৭৭) বর্ষাকালে ক্রমে বৃষ্টিপাত বেশি হয় – পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
✿➢৭৮) বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলার বৃষ্টিপাতের পরিমান –পাবনায় প্রায় ১১৪, ঢাকায় ১২০, কুমিল্লায় ১৪০, শ্রীমঙ্গলে ১৮০ এবং রাঙ্গামাটিতে ১৯০ সে.মি
✿➢৭৯) বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৮০) বর্ষাকালে পর্বতের পাদদেশে এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের কোথাও বৃষ্টিপাত – ২০০ সে.মি কম হয়
✿➢৮১) বর্ষাকালে বিভিন্ন অঞ্চলের বৃষ্টিপাত – সিলেটের পাহাড়ী অঞ্চলে ৩৪০ সেমি, পটুয়াখালীতে ২০০ সেমি, চটগ্রামে ২৫০ সেমি, রাঙ্গামাটিতে ২৮০ সেমি এবং কক্সবাজারে ৩২০ সেমি।
✿➢৮২) জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা প্রতি বছর গড়ে বৃদ্ধি – ৪ মিমি থেকে ৬ মিমি ( হিরন পয়েন্ট, চর চংগা, কক্সবাজার)
✿➢৮৩) গত ৪ হাজার বছরে ভূমিকম্পে পৃথিবীতে মানুষ মারা যায় – প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
✿➢৮৪) ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থান – ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানায়
✿➢৮৫) বাংলাদেশে ভূমিকম্পের মানবসৃষ্ট কারন – পাহাড় কাটা
✿➢৮৬) ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রের পানি উপকূলে উঠে – ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে
✿➢৮৭) ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয় – সুনামি
✿➢৮৮) ইন্দোনেশিয়ায় মারাত্নক সুনামি আঘাত হানে – ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর
✿➢৮৯) বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে – টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারনে
✿➢৯০) বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করেছিলেন – ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
✿➢৯১) তিনি বলয় দেখিয়েছেন – ৩ টি
✿➢৯২) বলয়গুলোকে ভাগ করেছেন – প্রলয়ংকারী, বিপজ্জনক, লঘু
✿➢৯৩) এই বলয় সমূহকে বলা হয় – সিসমিক রিস্ক জোন
✿➢৯৪) বরেন্দ্রভূমি – নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুরের অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত
✿➢৯৫) বরেন্দ্রভূমির আয়তন – ৯৩২০ বর্গ কি.মি
✿➢৯৬) প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬ থেকে ১২ মিটার
✿➢৯৭) বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি – ধূসর ও লাল বর্ণের
✿➢৯৮) মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানের আয়তন – ৪,১০৩ বর্গ কি.মি
✿➢৯৯) সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬থেকে ৩০ মিটার
✿➢১০০) মধুপুর ও ভাওয়ালের মাটি – লালচে ও ধূসর
১০১) লালমাই পাহাড় – কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি.মি পশ্চিমে
১০২) লালমাই পাহাড়ের আয়তন – ৩৪ বর্গ কি.মি
১০৩) এই পাহাড়ের উচ্চতা–২১ মিটার
১০৪) লালমাই পাহাড়ের মাটি- লালচে, এবং নুড়ি, বালি ও কংকর মিশ্রিত
১০৫) বাংলাদেশের নদী বিধৌত বিস্তীর্ণ সমভূমি – প্রায় ৮০%
১০৬) প্লাবন সমভূমির আয়তন – ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি
১০৭) প্লাবন সমভূমি – দেশের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ
১০৮) উপকূলীয় সমভূমি – নোয়াখালী, ফেনীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত
১০৯) স্রোতজ সমভূমি – খুলনা পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কিয়দংশ
১১০) জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান – ৯ম
১১১) ২০০১ সালে জনসংখ্যা ছিল – ১২.৯৩ কোটি
(২০১৭সালে১৬৩,১৮৭,০০০ জন প্রায়)
১১২) জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল – ১.৪৮%
১১৩) বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.৩৭ %
১১৪) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী জনসংখ্যা – ১৪.৯৭ কোটি (১৪,৯৭,৭২,৩,৬৪জন)
১১৫) প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে – ১১০৬ জন
১১৬) জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম – পার্বত্য অঞ্চল ও সুন্দরবনে
১১৭) শীত গ্রীষ্মের তারতম্য বেশী – দেশের উত্তরাঞ্চলে
১১৮) বর্তমানে মাথাপিছু জমির পরিমান – ০.২৫ একর
১১৯) বাংলাদেশের জলবায়ু – ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
১২০) বাংলাদেশে শীতকাল- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
১২১) শীতকালে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ২৯ ডিগ্রী ও ১১ ডিগ্রী সে.
১২২) বাংলাদেশের শীতলতম মাস- জানুয়ারি
১২৩) জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা – ১৭.৭ ডিগ্রী সে.
১২৪) জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা – দিনাজপুরে ১৬.৬
১২৫) বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল – মার্চ থেকে মে মাস
১২৬) গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ৩৮ এবং ২১ ডিগ্রী সে.
১২৭) উষ্ণতম মাস – এপ্রিল মাস
১২৮) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব দেন – ১৯৩৭ সালে
১২৯) ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় – ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট
১৩০) মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
১৩১) চৌধুরী খালেকুজ্জামান পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার দাবি করেন – ১৯৪৭ সালের ১৭ মে
১৩২) চৌধুরী খালেকুজ্জামান এর প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – ড.
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. এনামুল হক
১৩৩) ‘ গণ আজাদী লীগ’ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালে কারুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে
১৩৪) গণ আজাদী লীগের দাবি ছিল – মাতৃভাষায় শিক্ষা দান
১৩৫) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
১৩৬) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে
১৩৭) ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে – তমদ্দুন মজলিশ
১৩৮) উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় – ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
১৩৯) বাংলাকে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান – ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ( ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি)
১৪০) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
১৪১) বাংলা ভাষা দাবি দিবস পালনের ঘোষণা দেয় যে তারিখকে – ১৯৪৮ সালে ১১ মার্চকে
১৪২) পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ ( বর্তমান ছাত্র লীগ) গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি
১৪৩) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – ১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ
১৪৪) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – মুখ্য মন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে
১৪৫) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার করার কথা ঘোষণা দেন – ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ
১৪৬) খাজা নাজিমুদ্দিন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে
১৪৭) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নতুন ভাবে গঠিত হয় – ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ( আবদুল মতিন আহবায়ক)
১৪৮) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৪৯) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি – সকাল ১১ টায় সভা অনুষ্ঠিত হয়
১৫০) ২১ ফেব্রুয়ারির সভা অনুষ্ঠিত হয় – ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায়
১৫১) সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ১০ জন করে মিছিল করবে
১৫২) শহীদ শফিউর মৃত্যুবরণ করেন – ১৯৫২ সালের ২২ফেব্রুয়ারি
১৫৩) প্রথম শহীদ মিনার নির্মান করা হয় – ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে
১৫৪) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন – ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
১৫৫) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন – ভাষা শহীদ শফিউরের পিতা
১৫৬) একুশে ফ্রব্রুয়ারির উপর প্রথম কবিতা লেখেন – চট্টগ্রামের কবি মাহবুব উল আলম
১৫৭) ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম – কাঁদতে
আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
১৫৮) আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেন – স্মৃতির মিনার কবিতাটি
১৫৯) ভাষা আন্দোলনের গান – আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি ( আব্দুল গাফফার চৌধুরী)
১৬০) আব্দুল লতিফ রচনা করেন – ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
১৬১) মুনীর চৌধুরী ঢাকা জেলে বসে রচনা করেন – কবর নাটক
১৬২) জহির রায়হান রচনা করেন – আরেক ফাল্গুন উপন্যাস
১৬৩) বাংলাকে পাকিস্তানের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে – ১৯৫৬ সালে
১৬৪) বাঙ্গালীর পরিবর্তী সব আন্দোলনের প্ররণা দিয়েছিল – ১৯৫২ সালের
ভাষা আন্দোলন
১৬৫) শহীদ দিবস পালন শুরু হয় – ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে
১৬৬) শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – UNESCO
১৬৭) ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
১৬৮) পৃথিবীতে ভাষা রয়েছে – ৬০০০ এর বেশি
১৬৯) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় – ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন
১৭০) গঠনের স্থান – ঢাকার রোজ গার্ডেন
১৭১) সভাপতি ছিলেন – মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
১৭২) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন – শামসুল হক ( টাঙ্গাইল)
১৭৩) যুগ্ন সম্পাদক ছিলেন – শেখ মুজিবুর রহমান
১৭৪) ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ ছিল – আওয়ামী লীগের
১৭৫) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নামকরন করা হয় – ১৯৫৫ সালে
১৭৬) যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত হয় – ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর
১৭৭) যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় – ৪ টি দল নিয়ে
১৭৮) যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল – ২১ টা
১৭৯) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৫৪ সালের মার্চে
১৮০) পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের আসন
ছিল – ২৩৭ টি
১৮১) যুক্তফ্রন্ট আসন লাভ করে – ২২৩ টি
১৮২) ২১ দফার প্রথম দফা ছিল – বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
১৮৩) যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন – এ.কে ফজলুল হক ( ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল)
১৮৪) যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল – ৫৬ দিন
১৮৫) যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে – ১৯৫৪ সালের ৩০ মে
১৮৬) বরখাস্ত করেন – গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
১৮৭) বরখাস্তের ইস্যু ছিল – আদমজি ও কর্ণফুলি কাগজ কলে বাঙ্গালি
অবাঙ্গালি দাঙ্গা।
১৮৮) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় – ইপিআর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে
১৮৯) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম থেকে প্রচার করেন – ২৬ মার্চ দুপুর ও সন্ধ্যায় এম, এ, হান্নান
১৯০) মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন – ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে
১৯১) বাঙ্গালী পাকিস্তানের শাসনের অধীনে ছিল- ২৪ বছর
১৯২) মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত – বৈদ্যনাথ তলা
এবং আম্রকানন
১৯৩) বৈদ্যনাথ তলার বর্তমান নাম – মুজিবনগর
১৯৪) মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
১৯৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
১৯৬) মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
১৯৭) মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৮) উপরাষ্ট্রপতি – সৈয়দ নজরুল ইসলাম
১৯৯) প্রধান মন্ত্রী – তাজ উদ্দীন আহমেদ
২০০) অর্থমন্ত্রী – এম. মনসুর আহমদ
❍☞২০১)মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্
রী – এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
❍☞ ২০২) মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্র
ী – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
❍☞২০৩) মুজিব নগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান – অধ্যাপক ইউসুফ আলী
❍☞২০৪) মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন – কর্ণেল ( অব.) এম.এ. জি ওসমানী
❍☞২০৫) মুজিব নগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল – মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে জনমত সৃষ্টি করা
❍☞২০৬) মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রনালয় ছির – ১২ টি
❍☞২০৭) মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত ছিলেন – বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
❍☞২০৮) বাংলাদেশে কয়টি সামরিক জোনে ভাগ করা হয় – ৪ টি ( ১৯৭১ সাল ১০ এপ্রিল)
❍☞২০৯) ৪ সামরিক জোনে ছিলেন – ৪ জন সেক্টর কমান্ডার
❍☞২১০) ১১ এপ্রিল পুনঃরায় ভাগ করা হয় – ১১ টি সেক্টরে
❍☞২১১) মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স ছিল – ৩ টি
❍☞২১২) কাদেরীয়া বাহিনী ছিল – টাঙ্গাইলের
❍☞২১৩) ইপিআর – ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেল
❍☞২১৪) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা যায় – গণযুদ্ধ বা জনযুদ্ধ
❍☞২১৫) ভারতে শরার্থী ছিল – ১ কোটি
❍☞২১৬) বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরা হয় – ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর
❍☞২১৭) ১১ দফা আন্দোলন হয়েছিল – ১৯৬৮ সালে
❍☞২১৮) ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চলছিল – বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন
❍☞২১৯) মুজিবনগর সরকারের অধীনে ” পরিকল্পনা সেল ” গঠন করে – পেশাজীবীরা
❍☞২২০) মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারান – প্রায় তিন লক্ষ নারী
❍☞২২১) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন – চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিনকর্মীরা
❍☞২২২) ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় – ৬ ডিসেম্বর১৯৭১
❍☞২২৩) মুক্তি বাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে গঠিত হয় – যৌথ কমাণ্ড
❍☞২২৪) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বহির্বিশ্বে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র ছিল – লন্ডন
❍☞২২৫) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর শিল্পী ছিলেন – জর্জ হ্যারিসন
❍☞২২৬) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয় – যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্ক শহরে ( ৪০০০০ লোক ছিল)
❍☞২২৭) স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ক্ষমতা গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর
❍☞২২৮) বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসেন – ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
❍☞২২৯) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
❍☞২৩০) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
❍☞২৩১) গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
❍☞২৩২) সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির সদস ছিলেন – ৩৪ জন
❍☞২৩৩) সংবিধান কমিটি খসড়া সংবিধান পেশ করেন – ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
❍☞২৩৪) সংবিধান গণ পরিষদে গৃহীত হয় – ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
❍☞২৩৫) বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় – ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে
❍☞২৩৬) সংবিধানের মূলনীতি – ৪ টি
❍☞২৩৭) বাংলাদেশ গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
❍☞২৩৮) বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন – ড. কুদরত এ খুদা কমিশন
❍☞২৩৯) বাংলাদেশের প্রথম সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ
❍☞২৪০) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ছিল – সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
❍☞২৪১) প্রথম দিকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে – ১৪০ টি দেশ
❍☞২৪২) চট্টগ্রাম বন্দরের মাইনমুক্ত করার বিষয়ে সহযোগিতা করে – সোভিয়েত ইউনিয়ন
❍☞২৪৩) ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ ছাড়ে – ১৯৭২ সালের মার্চে
❍☞২৪৪) বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয় – ১৯৭২ সালে
❍☞২৪৫) জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
❍☞২৪৬) জাতি সংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
❍☞২৪৭) বঙ্গবন্ধু পুরষ্কার পান – জুলিও কুরি শান্তি পদক
❍☞২৪৮) জুলিও কুরি পদক দেয় – বিশ্বশান্তি পরিষদ
❍☞২৪৯) সংবিধান কমিটির প্রধান ছিলেন – ড. কামাল হোসেন
❍☞২৫০) সংবিধান প্রণয়ণ কমিটিতে মহিলা সদস্য ছিলেন – ১ জন
✺ ২৫১) বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ণে সময় লাগে – ১০ মাস
✺ ২৫২) বাংলাদেশ সংবিধান – লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়
✺ ২৫৩) সংবিধানে ন্যায়পাল সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে – ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
✺ ২৫৪) বীরঙ্গনাদের সরকার ” নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয় – ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি
✺ ২৫৫) সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতি – এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি
✺ ২৫৬) সুপ্রীম কোর্ট বাতিল করে সংবিধানের – ৫ম, ৭ম ও ১৩ দশ সংশোধনী
✺ ২৫৭) জাতীয় শোক দিবস – ১৫ আগষ্ট
✺ ২৫৮) বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট
✺ ২৫৯) জাতীয় ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয় – ১৯৭৫ সালে ২২ আগষ্ট
✺ ২৬০) রাজনৈতিক দল ও কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩১ আগষ্ট
✺ ২৬১) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
✺ ২৬২) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় – ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
✺ ২৬৩) খালেদ মোশাররফ এর নেতৃত্বে সেনা অভ্যুথান হয় -১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
✺ ২৬৪) জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
✺ ২৬৫) বাংলাদেশে সেনা শাসন আমল – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত
✺ ২৬৬) গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় – ১৯৯১ সালে
✺ ২৬৭) জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন – ২ নং সেক্টরের
✺ ২৬৮) জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হন – ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল
✺ ২৬৯) রাষ্টপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৮ সালের ৩ জুন
✺ ২৭০) বাংলাদেশের ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি
✺ ২৭১) সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ বলে সুপ্রীম কোর্ট রায় দেন – ২০০৮ সালে
✺ ২৭২) সার্ক গঠনের উদ্যেগক্তা – জিয়াউর রহমান
✺ ২৭৩) রাষ্টপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন – ১৯৮১ সালের ৩১ মে
✺ ২৭৪) জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন ছিল – সাড়ে ৫ বছর
✺ ২৭৫) জেনারেল এরশাদ রাষ্টপতি হন – ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর
✺ ২৭৬) রাষ্টপতি এরশাদ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
✺ ২৭৭) সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ হয় – ১৯৮৩ সালে
✺ ২৭৮) গণ আন্দোলন হয় – ১৯৯০ সালে
✺ ২৭৯) জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন – ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
✺ ২৮০) এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
✺ ২৮১) ঘরোয়া রাজনীতির অনুমতি দেয়া হয় – ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল
✺ ২৮২) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৩ সালে
✺ ২৮৩) পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৪ সালে
✺ ২৮৪) এরশাদ গণভোটের আয়োজন করেন – ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ
✺ ২৮৫) উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন – এরশাদ
✺ ২৮৬) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৫ সালের ১৬ ও ২১ মে
✺ ২৮৭) বাংলাদেশের ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ১৯৮৬ সালের ৭ মে
✺ ২৮৮) ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয় – ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ
✺ ২৮৯) জেনারেল এরশাদের শাসন আমল – ৯ বছর
✺ ২৯০) প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
✺ ২৯১) নুর হোসেন শহীদ হন – স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলন ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর
✺ ২৯২) এরশাদ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন – ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর
✺ ২৯৩) সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করা হয় – ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর ( ২২ টি ছাত্র সংগঠন)
✺ ২৯৪) ডা. সামসুল আলম মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান – ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর
✺ ২৯৫) ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
✺ ২৯৬) তত্ববধায়ক সরকারে বিল সংসদে পাশ হয় – ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ
✺ ২৯৭) তত্তবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন – বিচারপতি হাবিবুর রহমান
✺ ২৯৮) তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১২ জুন ১৯৯৬ সালে ( ৭ম জাতীয় নির্বাচন)
✺ ২৯৯) ৮মম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ২০০১ সালের ১ অক্টোবর
✺ ৩০০) বাংলাদেশে ১/ ১১ এর সময় কাল – ২০০৭ সাল
❑➫৩০১) ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর
৩০২) ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল – ৭০%
৩০৩) ৪০ বছরে দারিদ্যের হার কমেছে – ৩০%
❑➫৩০৪) ৪ দশকে শিশু মৃত্যু হার কমেছে -প্রতি হাজারে ১৮৫ থেকে ৪৮
❑➫৩০৫) বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি প্রনীত হয় – ২০১০ সালে
❑➫৩০৬) পারিবারিক সংহিংসতা ও সুরক্ষা আইন – ২০১০ সালে প্রণীত হয়
❑➫৩০৭) জাতীয় খাদ্য নীতি – ২০০৬ সালে
❑➫৩০৮) জাতীয় শিশু নীতি প্রণীত হয় – ২০১১ সালে
❑➫৩০৯) জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী শিশু বলে বিবেচিত হবে -১৮ বছরের কম বয়সী সব ব্যক্তি
❑➫৩১০) বাংলাদেশ পলল গঠিত – আদ্র অঞ্চল
❑➫৩১১) বাংলাদেশের পাহাড়ী অঞ্চল – উত্তর পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বে
❑➫৩১২) উঁচু ভুমির অবস্থান – উত্তর পশ্চিমাংশে
❑➫৩১৩) বাংলাদেশের ভূ প্রকৃতি – নিচু ও সমতল
❑➫৩১৪) দক্ষিণ এশিয়ার বড় নদী – ৩ টি( গঙ্গা, ব্রক্ষপুত্র, মেঘনা)
❑➫৩১৫) বাংলাদেশের অবস্থান – এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে
❑➫৩১৬) বাংলাদেশের অবস্থান – ২০.৩৪“ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬.৩৮” উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে
❑➫৩১৭) দ্রাঘিমা রেখা – ৮৮.০১” থেকে ৯২.৪১” পূর্ব দ্রাঘিমা
❑➫৩১৮) বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে অতিক্রম করেছে – কর্কটক্রান্তি রেখা ( ২৩.৫”)
❑➫৩১৯) বাংলাদেশের উত্তরে – পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম
❑➫৩২০) পূর্বে – আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম,মায়ানমার
❑➫৩২১) দক্ষিণে – বঙ্গোপসাগর
❑➫৩২২) মোট আয়তন – ১,৪৭,৬১০ কি.মি.।
❑➫৩২৩) পৃথিবীর বৃহত্তম ব দ্বীপ – বাংলাদেশ
❑➫৩২৪) বাংলাদেশের ভু খন্ড – উত্তর থেকে দক্ষিণে ঢালু
❑➫৩২৫) বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল – এক বিস্তীর্ন সমভূমি
❑➫৩২৬) ভূ প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ভাগ করা হয় – ৩ টি শ্রেণীতে
❑➫৩২৭) টারশিয়ারে যুগের পাহাড়সমূহ – মোট ভূমির প্রায় ১২%
❑➫৩২৮) হিমালয় পর্বত উথিত হয় – টারশিয়ারি যুগে
❑➫৩২৯) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ – রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের পূর্বাংশ
❑➫৩৩০) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর উচ্চতা – ৬১০ মিটার
❑➫৩৩১) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – তাজিনডং ( বিজয়)
❑➫৩৩২) বিজয়ের উচ্চতা – ১২৩১ মিটার
❑➫৩৩৩) বিজয় – বান্দরবানে অবস্থিত
❑➫৩৩৪) বাংলাদেশের ২য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – কিওক্রাডং( ১২৩০ মি)
❑➫৩৩৫) আরো দুটি পাহাড় – মোদকমুয়াল ( ১০০০মি.), পিরামিড( ৯১৫মি)
❑➫৩৩৬) এই পাহাড় গুলো গঠিত – বেলে পাথর, কর্দম, শেল পাথর দ্বারা
❑➫৩৩৭) উত্তর উত্তরপূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ – ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার উত্তরাংশ, সিলেটের উত্তর উত্তর পূর্বাংশ, মৌলভী বাজার, হবিগঞ্জের দক্ষিনের পাহাড়
❑➫৩৩৮) পাহাড় গুলোর উচ্চতা – ২৪৪ মিটার
❑➫৩৩৯) উত্তরের পাহাড়গুলো – টিলা নামে পরিচিত
❑➫৩৪০) টিলার উচ্চতা – ৩০ থেকে ৯০ মিটার
❑➫৩৪১) এ অঞ্চলের পাহাড় সমূহ – চিকনাগুল, খাসিয়া, জয়ন্তিয়া
❑➫৩৪২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপান – দেশের মোট ভূমির ৮% নিয়ে গঠিত
❑➫৩৪৩) প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয় – আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে
❑➫৩৪৪) প্লাইস্টোসিন কালের সোপিনসমূহ – ৩ ভাগে বিভক্ত
❑➫৩৪৫) বাংলাদেশে ছোট বড় নদী রয়েছে -৭০০ টি
❑➫৩৪৬) নদীর গুলোর আয়তন দৈর্ঘ্যে – ২২,১৫৫ কি.মি
❑➫৩৪৭) পদ্মা নদী ভারতে পরিচিত – গঙ্গা নামে
❑➫৩৪৮) পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল – হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে
❑➫৩৪৯) গঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে – রাজশাহী জেলা দিয়ে
❑➫৩৫০) পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয় – গোয়ালন্দে
■➢৩৫১) ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারা – যমুনা নদী
■➢৩৫২) পদ্মা নদী মেঘনার নাথে মিলিত হয় – চাঁদপুরে
■➢৩৫৩) গঙ্গা পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমান – ৩৪, ১৮৮ বর্গ কি.মি
■➢৩৫৪) পদ্মার শাখা নদী সমূহ – ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ
■➢৩৫৫) ব্রক্ষপুত্রের উৎপত্তি – তিব্বতের মানস সরোবর
■➢৩৫৬) বক্ষপুত্র নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে – কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে
■➢৩৫৭) ১৭৮৭ সালের আগে ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারাটি প্রবাহিত হতো – ময়মনসিংহের মধ্যে দিয়ে উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ পূর্বে
■➢৩৫৮) ব্রক্ষপুত্র নদের গতি পরিবর্তিত হয় – ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে
■➢৩৫৯) যমুনা নদীর শাখা নদী – ধলেশ্বরী
■➢৩৬০) ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী – বুড়িগঙ্গা
■➢৩৬১) যমুনা নদীর উপনদী সমূহ – ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই
■➢৩৬২) গঙ্গার সঙ্গমস্থল পর্যন্ত ব্রক্ষপুত্রের দৈর্ঘ্য – ২৮৯৭ কি.মি এবং আয়তন – ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি এবং এর ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি বাংলাদেশের
■➢৩৬৩) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলনে উৎপত্তি – মেঘনা নদী
৩৬৪) সুরমা ও কুশিয়ার উৎপত্তি- আসামের বরাক নদী নাগা- মণিপুর অঞ্চলে
৩৬৫) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে – সিলেট জেলা দিয়ে
৩৬৬) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলিত হয় – সুনামগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে এবং কালনী নামে দক্ষিণ পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারন করে
৩৬৭) মেঘনা পুত্রের সাথে মিলিত হয় – ভৈরব বাজারের কাছে
৩৬৮) বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ও শীতলক্ষ্যা মেঘনার সাথে মিলিত হয় – মুন্সিগঞ্জে
■➢৩৬৯) মেঘনার শাখা নদী – মুন, তিতাস, গোমতী, বাউলাই।
■➢৩৭০) বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী – কর্ণফুলী
■➢৩৭১) কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তি – লুসাই পাহাড়ে
■➢৩৭২) কর্ণফুলির দৈর্ঘ্য – ৩২০ কি.মি
■➢৩৭৩) কর্ণফুলির প্রধান উপনদী – কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং, রাঙখিয়াং
■➢৩৭৪) বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর – চট্টগ্রাম কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত
■➢৩৭৫) তিস্তা নদীর উৎপত্তি – সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
■➢৩৭৬) তিস্তা নদী – ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং হয়ে ডিমলা অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে
■➢৩৭৭) তিস্তা নদীরর গতিপথ পরিবর্তিত হয় – ১৯৮৭ সালের বন্যায়
■➢৩৭৮) তিস্তা নদী মিলিত হয় – ব্রক্ষপুত্রের সাথে
■➢৩৭৯) তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ – ১৭৭ কি.মি ও ৩০০ থেকে ৫৫০ মি.
■➢৩৮০) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান উৎস – তিস্তা নদী
■➢৩৮১) তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি নির্মিত হয় – ১৯৯৭-৯৮ সালে
■➢৩৮২) মংলা বন্দরের দক্ষিণে – পশুর নদী
■➢৩৮৩) পশুর নদীর দৈর্ঘ্য প্রস্থ – প্রায় ১৪২ কি.মি ও ৪৬০ মি. থেকে ২.৫ কি.মি
■➢৩৮৪) সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি – আরাকান পাহাড়
©

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Majhira
Bogura
5800