বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ, বগুড়া / Bihonggo Abritti Porishod, Bogura

  • Home
  • Bangladesh
  • Bogura
  • বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ, বগুড়া / Bihonggo Abritti Porishod, Bogura

বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ, বগুড়া / Bihonggo Abritti Porishod, Bogura প্রতিষ্ঠাতা: সাইদুর রহমান কামাল।
(1)

ব্যক্তিগত আবৃত্তিচর্চার গণ্ডি পেরিয়ে আবৃত্তিশিল্পের প্রসার ঘটাতে এবং দলগত আবৃত্তিচর্চার বিকাশে সাংগঠনিক আবৃত্তিচর্চার প্রয়োজনীয়তা থেকেই বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদের যাত্রা শুরু। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে এই সংগঠনের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান আবৃত্তিশিল্পী সৈয়দ তাহ্‌সীন কবির, রুমা দাস এবং সরকারি আজিজুল হক কলেজের বংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. গাজী তৌহিদুল আলম চৌধুরী (সনি)। বর্তমানে সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ফজলে রাব্বী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অনুপ কুমার দাস সুবল।
বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ নিজস্ব অনুষ্ঠানমালার পাশাপাশি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বগুড়া এবং বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সদস্য সংগঠন হিসেবে সকল জাতীয় দিবস সহ অন্যান্য কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশগ্রহন করে। এছাড়া অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের আমন্ত্রনে তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আবৃত্তি ও শ্রুতিনাটক পরিবেশন করে থাকে।

02/07/2026

প্রযোজনার জন্য আবৃত্তি কর্মী নিচ্ছি...
Whatsapp: 01726726225

#বিহঙ্গ_আবৃত্তি_পরিষদ #আবৃত্তিপ্রেমী #কবিতা #বাংলাকবিতা #শুদ্ধ_উচ্চারণ #আবৃত্তি

✨ শিশু থেকে বড়—সবার জন্য আবৃত্তি শিক্ষা ✨📖 আবৃত্তি শুধু শিল্প নয়, এটি শুদ্ধ উচ্চারণে সুন্দর করে কথা বলা ও ব্যক্তিত্ব গঠন...
23/06/2026

✨ শিশু থেকে বড়—সবার জন্য আবৃত্তি শিক্ষা ✨

📖 আবৃত্তি শুধু শিল্প নয়, এটি শুদ্ধ উচ্চারণে সুন্দর করে কথা বলা ও ব্যক্তিত্ব গঠনের অনন্য মাধ্যম।
👉 তাই "বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ" শুরু করেছে শিশু ও বড়দের জন্য নিয়মিত আবৃত্তি ক্লাস।

👧 শিশুদের ক্লাস
🗓️ শুক্রবার ও শনিবার
⏰ সকাল ১০টা – ১২:০০টা

🧑 বড়দের ক্লাস
🗓️ রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার
🕟 বিকাল ৫:৩০টা

🎤 ক্লাস নিচ্ছেন—
✨ বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী ফজলে রাব্বী

👉 আসন সীমিত, তাই এখনই নিবন্ধন করুন!

📍 ঠিকানা : বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ,
পুরাতন শিল্পকলা একাডেমি ভবন (নিচতলা)
জেলখানার পাশে, বগুড়া।
📞 যোগাযোগ: ০১৩৪০২৬৬৬০
# #আবৃত্তি #আবৃত্তি_শিক্ষা #বগুড়া #শুদ্ধ_উচ্চারণ #বিহঙ্গ_আবৃত্তি_পরিষদ

আবৃত্তি কর্মী নিচ্ছি...             #বগুড়া_আবৃত্তি  #বিহঙ্গ_আবৃত্তি_পরিষদ  #সাংস্কৃতিক_বগুড়া
11/06/2026

আবৃত্তি কর্মী নিচ্ছি...

#বগুড়া_আবৃত্তি #বিহঙ্গ_আবৃত্তি_পরিষদ #সাংস্কৃতিক_বগুড়া

বগুড়ায় বিহঙ্গর কর্মশালা: ‘কবিতার গোপন হৃদস্পন্দন’ অনুষ্ঠিতকবিতার গঠন ও সুরের অন্যতম ভিত্তি ছন্দকে বোঝার লক্ষ্যে বগুড়ায় অ...
18/04/2026

বগুড়ায় বিহঙ্গর কর্মশালা: ‘কবিতার গোপন হৃদস্পন্দন’ অনুষ্ঠিত

কবিতার গঠন ও সুরের অন্যতম ভিত্তি ছন্দকে বোঝার লক্ষ্যে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কবিতার গোপন হৃদস্পন্দন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১১টায় শহরের পুরাতন শিল্পকলা একাডেমি ভবনস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদের আয়োজনে কর্মশালাটি শুরু হয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা স্থায়ী হয়।

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন বগুড়ার অন্যতম কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক শিবলী মোকতাদির। তিনি তাঁর আলোচনায় ছন্দকে শুধু তাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কবিতার ভেতরের চলন, ভাঙন ও উচ্চারণের সঙ্গে এর সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেন। উদাহরণ ও অংশগ্রহণভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়। এই কর্মশালায় সংগঠনটির সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন পাঠক সংগঠন, নবীন ও তরুণ কবি, লেখক এবং সাহিত্যপ্রেমীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সকলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সংগঠনের সভাপতি, আবৃত্তিশিল্পী ও প্রশিক্ষক ফজলে রাব্বী এবং বগুড়ার অন্যতম তরুণ কবি সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী।

কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীরা এ ধরনের সংক্ষিপ্ত ও নিবিড় আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান। এ প্রসঙ্গে বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছন্দচর্চা ও সাহিত্যচর্চার আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করার দৃঢতা ব্যক্ত করে। পরে বৈশাখী উৎসবের আবহ ধরে রাখতে সাত রকমের ভর্তা সহযোগে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

যারা এখনও নিবন্ধন করে উঠতে পারেন নি, দ্রুত নিবন্ধন করে ফেলুন। নিবন্ধন লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে। বি.দ্র.: স্পট নিবন্ধনের ব্যবস...
16/04/2026

যারা এখনও নিবন্ধন করে উঠতে পারেন নি, দ্রুত নিবন্ধন করে ফেলুন। নিবন্ধন লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে।

বি.দ্র.: স্পট নিবন্ধনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে...

09/04/2026

ছন্দ বিষয়ক আসন্ন কর্মশালা সম্পর্কে কিছু কথা শুনুন ভিডিওতে...

(এআই নির্মিত বিধায় কিছু শব্দের উচ্চারণগত ত্রুটি রয়ে গেছে)

সাম্প্রতিক সময়ে শিল্পকলা একাডেমির সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস ও অধ্যাদেশ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রক...
21/01/2026

সাম্প্রতিক সময়ে শিল্পকলা একাডেমির সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস ও অধ্যাদেশ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে, তার একটি বড় অংশ আবেগপ্রবণ ও তথ্যগতভাবে অসম্পূর্ণ। এভাবে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিবিশেষের প্রতি দোষারোপ করে শিল্পচর্চার কাঠামোগত সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। বরং ব্যপকভাবে আলোচিত হবার এই সময়টিকে ব্যবহার করে শিল্পকলার এই মৌলিক শাখাটির বাস্তব প্রয়োজন, সময়োপযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তিনির্ভর আলোচনাটাই বেশি জরুরি। তাই এই লেখাটি “বাদ পড়া” বা “ফিরিয়ে আনা” নয়, বরং সময়ের বাস্তবতায় আবৃত্তিকে প্রথমবারের মতো একক ও স্বতন্ত্র শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।

আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ভাষা কেবল লেখ্যভাষা নয়— বাংলা ভাষা মূলত একটি শ্রুতিনির্ভর ভাষা। বাংলা সাহিত্য, লোকঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বোধ গড়ে উঠেছে কণ্ঠে উচ্চারিত শব্দ, ছন্দ ও সুরের ধারাবাহিকতায়। চর্যাপদ, পাঁচালি, পুঁথি, মঙ্গলকাব্য, কীর্তন থেকে শুরু করে আধুনিক কবিতা, গল্পপাঠ কিংবা অডিওবুক— সবখানেই কণ্ঠ, উচ্চারণ ও শ্রুতির ভূমিকা মুখ্য। এই ঐতিহ্যের আধুনিক, সচেতন ও নান্দনিক রূপই আবৃত্তি। এটি কেবল কবিতা পাঠ নয়; বরং শুদ্ধ উচ্চারণ, ছন্দবোধ, ধ্বনিগত সচেতনতা, ভাবসংযম ও কণ্ঠের শৃঙ্খলার একটি সমন্বিত শিল্পচর্চা।

আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ‘উচ্চারণ’ কোনো গৌণ বিষয় নয়। কারন উচ্চারণ তথা ভাষার ধ্বনিগত গঠন, স্বরাঘাত, বিরতি ও গতি মানুষের চিন্তা ও অর্থবোধের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। আবৃত্তির চর্চা ভাষার সেই ধ্বনিগত কাঠামোকে সচেতনভাবে ব্যবহার করতে শেখায়। ফলে আবৃত্তি কেবলমাত্র সাহিত্যের বাকনির্ভর নান্দনিক অনুশীলনই নয়, বরং একটি মননশীল ভাষাচর্চা, যা মানুষকে সংযত ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলতে শেখায়।

বর্তমান সমাজবাস্তবতার অপরিহার্য দিক টেলিভিশন নাটক থেকে ইউটিউবের কনটেন্টে যেখানে আঞ্চলিক ও মিশ্র ভাষার ব্যবহার কিংবা টকশোগুলোতে ভাষা ক্রমশ হিংস্র, রাজনীতিতে উচ্চারণ অশালীন, স্লোগানে কুরুচিপূর্ণ শব্দের অনুপ্রবেশ, সামাজিক মাধ্যমে লাগামহীন ভাষার অবক্ষয়— এই সবকিছুর মধ্যে তরুণ প্রজন্ম ধীরে ধীরে ভাষাগত সংবেদনশীলতা হারাচ্ছে,ঠিক এই সময়েই বড় বেশি প্রয়োজন শুদ্ধ উচ্চারণ, সংযত কণ্ঠ ও মানবিক ভাষাবোধের চর্চায় রাষ্ট্রের এগিয়ে আসা। এবং এই প্রেক্ষাপটে আবৃত্তি সেই শিল্প, যা ভাষাকে শৃঙ্খলিত, মার্জিত ও মানবিক রাখার অনুশীলন করে।

এটি সত্য যে, স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৩ সালের ১০ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত কখনোই শিল্পকলা একাডেমিতে আবৃত্তি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত ছিল না। এই দিনের পর তা কেবল সঙ্গীত ও নৃত্য বিভাগের সাথে যুক্ত হয়ে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ নামে একত্রে পরিচালিত হয়েছে, যা বাস্তবতায় আবৃত্তি শিল্পের স্বাতন্ত্র্য ও বিকাশকে কিছুটা হলেও গতিশীল করেছিল।

সাম্প্রতিক পুনর্গঠনে সঙ্গীতকে আলাদা করে ‘নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্ট’ নামে একটি বিভাগ গঠন করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আবৃত্তির ক্ষেত্রে নতুন কোনো সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন না করে বরং তাকে আরও অনিশ্চিত অবস্থানে ফেলেছে। নৃত্য ও পারফর্মিং আর্টের সঙ্গে আবৃত্তিকে গুলিয়ে ফেলা শিল্পতাত্ত্বিক দিক থেকেও প্রশ্নবিদ্ধ, কারণ আবৃত্তি মূলত ভাষাভিত্তিক, ধ্বনিনির্ভর ও বাচনিক শিল্প, যার নিজস্ব তত্ত্ব, প্রশিক্ষণপদ্ধতি ও নান্দনিক মানদণ্ড রয়েছে।

বর্তমান সময়ে আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র শিল্পশাখা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে। আবৃত্তি কেবল কবিতা পাঠের অনুশীলন নয়; এটি ভাষা, ছন্দ, ধ্বনি, আবেগ, বাচনিক অভিনয় ও শ্রুতিশিল্পের সমন্বিত রূপ। বিশ্বব্যাপী পারফর্মিং আর্টের আলোচনায় ‘spoken word’, ‘oral poetry’ কিংবা ‘poetry performance’ স্বতন্ত্র শিল্পধারা হিসেবে স্বীকৃত। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানেও সাউন্ড থেরাপি ও পোয়েট্রি থেরাপির মতো ধারণা ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে, যেখানে কণ্ঠস্বর, শব্দের কম্পন ও কবিতার আবেগ অটিজম, শিশু কিংবা বড়দের মানসিক স্বাস্থ্য, উদ্বেগ ও ট্রমা নিরাময়ে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বাস্তবতা আবৃত্তির সামাজিক ও মানবিক গুরুত্বকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে।

এমন প্রেক্ষাপটে আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা কেবল শিল্পীদের আবেগের দাবি নয়, বরং সময়ের যুক্তিসংগত প্রয়োজন। একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হলে আবৃত্তির জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ কাঠামো, গবেষণা, আর্কাইভ, পাঠ্যক্রম ও প্রযোজনা পরিকল্পনা সম্ভব হতো। একই সঙ্গে ভাষাভিত্তিক শিল্পচর্চার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক পথ তৈরি হবে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সংকটের মুহূর্তে কবিতা ও আবৃত্তি ছিল মানুষের নৈতিক শক্তি। প্রতিবাদে, প্রতিরোধে, শপথে ও আশায়—আবৃত্তি ছিল ঘৃণার বিপরীতে সৌন্দর্যের, হিংসার বিপরীতে মানবিকতার, চিৎকারের বিপরীতে সংযত কণ্ঠের অস্ত্র। এই অস্ত্রকে শান দেওয়াও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

শিল্পকলা একাডেমি একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হলেও এটি মূলত শিল্পীদের সৃজনশীল চর্চার ক্ষেত্র। তাই এখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেগ নয়, বরং শিল্পতত্ত্ব, আন্তর্জাতিক চর্চা ও দেশীয় বাস্তবতার সমন্বয় জরুরি। শিল্পকলা একাডেমিতে আবৃত্তিকে একক ও স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে বিবেচনা করা হলে তা বিদ্যমান অন্য কোন বিভাগকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না; বরং সামগ্রিক শিল্পচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। কেবল ‘অন্যান্য পারফর্মিং আর্ট-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ, স্বতন্ত্র ও আধুনিক শিল্পশাখা হিসেবে ঘোষনার মাধ্যমে আরও প্রাতিষ্ঠানিক করে, অধিকতর গবেষণা ও প্রশিক্ষণের আওতায় এনে, নতুন প্রজন্মের জন্য একে সুসংগঠিত, স্বতন্ত্র শিক্ষা বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র ও সমাজের যৌথভাবে ভাবার এখনই উপযুক্ত সময়।

দাবী হোক একটাই-"স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ চাই"
13/01/2026

দাবী হোক একটাই-
"স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ চাই"

শুরু হলো প্রযোজনা ভিত্তিক ৩ মাসের আবৃত্তি কর্মশালা ।নতুন ও পুরনোদের সমন্বয়ে এ কর্মশালা পরিচিতি পর্বের কিছু স্থিরচিত্র ।ছ...
03/10/2025

শুরু হলো প্রযোজনা ভিত্তিক ৩ মাসের আবৃত্তি কর্মশালা ।
নতুন ও পুরনোদের সমন্বয়ে এ কর্মশালা পরিচিতি পর্বের কিছু স্থিরচিত্র ।

ছবি: রাকিবুল ইসলাম দোলন

Address

Puraton Shilpakala Academy Building (Ground Floor)
Bogura
5800

Opening Hours

Monday 16:30 - 20:00
Tuesday 17:00 - 20:00
Wednesday 16:30 - 20:00
Thursday 17:00 - 20:00
Friday 16:00 - 19:00
Saturday 16:00 - 19:00
Sunday 16:00 - 20:00

Telephone

+8801758958888

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ, বগুড়া / Bihonggo Abritti Porishod, Bogura posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদ, বগুড়া / Bihonggo Abritti Porishod, Bogura:

Shortcuts

Share