Saic Institute Of Medical Technology,Bogra.

Saic Institute Of Medical Technology,Bogra.

Share

3 Years Professional Diploma in Bogra Professional courses on: 01.Pharmacy, 02.Pathology, 03.Dental & 04.Nursing

19/08/2015

সম্মা‌নিত কা‌রিগ‌রি মে‌ডি‌কেল টেক‌নোল‌জিষ্ট,
আগামী ২২/০৮/১৫ ইং তা‌রিখ রোজ শ‌নিবার, সকাল ৯ টায় আমা‌দের সমস্যা সমাধা‌নের ল‌ক্ষ্যে এক‌টি জরুরী আ‌লোচনা সভার আ‌য়োজন করা হ‌য়ে‌ছে। আপনারা সবাই আম‌ন্ত্রিত।

আলোচনার স্থান:
আজাদ সেন্টার, (৯ম তলা) ৫৫, পুরানা পল্টন, ঢাকা ১০০০

আহ্বা‌নে
বাংলা‌দেশ কা‌রিগ‌রি শিক্ষা বোর্ড মে‌ডি‌কেল টেক‌নোল‌জিষ্ট প‌রিষদ।
ঢাকা।

22/06/2015

প্রিয় কা‌রিগ‌রি মে‌ডি‌কেল টেক‌নোল‌জিষ্ট (ফার্মা‌সিস্ট) গত ৫/৫/১৫ইং তা‌রিখ প‌রিবার প‌রিকল্পনা অ‌ধিদপ্তর হ‌তে ফার্মা‌সিস্ট প‌দে ৩১ জ‌নের এক‌টি নি‌য়োগ বিজ্ঞ‌প্তি প্রকাশ ক‌রে। উক্ত নি‌য়োগ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে বাকা‌শি‌বো হ‌তে পাশকৃত ফার্মা‌সিস্ট‌দের ব‌ঞ্চিত করা হয়। বাংলা‌দেশ কা‌রিগ‌রি শিক্ষা বোর্ড মে‌ডি‌কেল টেক‌নোল‌জিষ্ট প‌রিষ‌দের পক্ষ হ‌তে সংগঠ‌নের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক মোঃ ফয়সাল হো‌সেন ফরহাদ ও কার্যক‌রি সদস্য মোঃ নাজমুল বিন জাহা‌ঙ্গির মহামান্য উচ্চ আদাল‌তে রিট‌ পি‌টিশন দা‌খিল ক‌রেন। মহামান্য আদালত ব‌লেন ২ জ‌নের জন্য ৩১ টি প‌দের নি‌য়োগ স্থ‌গিত করা সম্ভব না ও এটা অ‌নৈ‌তিক। বাকা‌শি‌বো হ‌তে পাশকৃত ফার্মা‌সিস্ট‌দের ফার্মা‌সি কাউ‌ন্সিল কেন রে‌জি‌ষ্ট্রেন ‌‌
প্রদান কর‌বে না এই ম‌র্মে মহামান্য উচ্চ আদালত জবাব চে‌য়ে ৩ সপ্তা‌হের ১ টি রুল জা‌রি ক‌রে‌ছেন।
শুধুমাত্র বা‌দি কম(২জন) হওয়ার কার‌নে নি‌য়ো‌গটি স্থ‌গিত হয়‌নি। এ্যাডভ‌কেট ব‌লে‌ছেন আপনারা ব‌দি বৃ‌দ্ধি ক‌রেন। অন্যথায় শুধুমাত্র ২ জ‌নের জন্যই আদাল‌তের আ‌দেশ প্র‌যোয্য হ‌তে পা‌রে। তাই কা‌রিগ‌রি শিক্ষা বোর্ড হ‌তে পাশকৃত সকল ফার্মা‌সিস্ট‌দের বা‌দি হওয়ার জন্য আহ্বান করা হ‌চ্ছে।

আহ্বা‌নে
বাকা‌শি‌বোমে‌টেপ।
ঢাকা।

যোগা‌যোগ
এফ এইচ ফরহাদ
01736356033

18/02/2015

আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল জেলায় র‍্যালি করার জন্য আহ্বান করা হচ্ছে।

নির্দেশিকাঃ-
১। র‍্যালিতে সবাইকে এ্যাপ্রোন পরে আসতে হবে।
২। বাকাশিবমেটেপ এর লগো সংবলিত ব্যানারে র‍্যালি করতে হবে।
৩। আয়জনে: বিটিইবি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদ (.......................জেলা কমিটি)

27/10/2014

ডিপ্লোমা ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রাক্টিস করার সুযোগ প্রদান করতে হবে এই দাবি নিয়ে কাজ করা. আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাওয়ায় ও BTEB হতে পাশকৃত হওয়ায় বিডি এস ডাকতাররা পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ ডেন্টাল এসোসিয়েসনের (BTEB) সভাপতি ইকরাম হোসেন বাবু ভাইকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে গ্রেফতার করায় ও ২০০০০০ টাকা জরিমানা নিয়ে ছেরে দেয়।

26/10/2014

অত্যন্ত দুঃখের
সাথে জানানো যাচ্ছে যে,
আমাদের BTEB MTP. এর সাবেক
জেনারেল সেক্রেটারি ও বর্তমান
ডেন্টাল এসোসিয়েশন এর
সভাপতি ইকরাম হোসেন বাবু ভাই
কে গত
২৫/১০/১৪ইং তারিখে মোবাইল
কোর্ট ২,০০,০০০
টাকা জরিমানা করেছে। আর
টাকা না দিলে ১ বছরের সশ্রম জেল।
ওনার দোষ এতোটুকুই উনি BTEB. এর
ছাত্র উনার কাছে BTEB. এর
সার্টিফিকেট পাওয়া গেছে ।
বি ঃ দ্রঃ এখনও

25/10/2014

ottanto dukher so hit janano masse je BTEBMTA er sabek General Secretary o bortoman dental association er sovapoti abong sic institute of medical technology er student IKRAM HOSSAIN BABU vaike Dental Chamber korar ovijoge Mobile court goto 25/10/14 tarikh rat 10 tai take 200000 taka jorimana korese onadaye 1 bosorer kara dondo prodan kora hobe. tar prodhan oporadh tini BTEB er student.

03/09/2014

সনদ বাণিজ্যের
অভিযোগ
ডিপ্লোমা কোর্সে তৈরি হচ্ছে হাতুড়ে টেকনোলজিস্ট
আমানুর রহমান
৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪,
বুধবার, ১০:২০
কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন
দক্ষ
জনশক্তি গড়ে তোলার
লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল
কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।
কিন্তু অভিযোগ
উঠেছে তাদের
দায়িত্বের চেয়ে বোর্ড
কর্তৃপক্ষ অধিক
মনোযোগী ব্যবসায়িক
মনোবৃত্তি নিয়ে। হেলথ
টেকনোলজিস্ট
নামে বোর্ড
যে ডিপ্লোমা কোর্স চালু
করেছে তাতে ‘হাতুড়ে টেকনোলজিস্ট’
তৈরি হচ্ছে এমন
মন্তব্য অভিজ্ঞ
মহলের। অভিযোগ
রয়েছে এতে জটিল
রোগীদের রোগ নির্ণয়
নির্ভুল হচ্ছে না। যার
ফলে সঠিক
চিকিৎসা পাচ্ছেন
না রোগীরা।
জানা গেছে, বোর্ডের
হেলথ
টেকনোলজি ডিপ্লোমা কোর্সের
কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ
হচ্ছেন একজন
‘টেক্সটাইল
ইঞ্জিনিয়ার’। দু’জন
পার্ট টাইম চিকিৎসক
এ কোর্সের কারিকুলাম
প্রণয়ন করেন। তাদের
চিকিৎসা জ্ঞান নিয়েও
রয়েছে নানা অভিযোগ।
তাদের অধীনেই
তৈরি হচ্ছে হেলথ
টেকনোলজিস্ট।
তারা (হেলথ
টেকনোলজিস্টরা) বড়
বড় ডায়াগনস্টিক
সেন্টারের ল্যাব
অ্যাসিসট্যান্ট
হিসেবে কর্মরত
এবং তারাই মেডিক্যাল
টেস্টের রিপোর্ট
প্রণয়ন করে থাকেন,
যা দিয়ে বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসকেরা জটিল
রোগীদের
চিকিৎসা পরামর্শ
দিয়ে থাকেন।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের
মতে, রোগ নির্ণয়ের
ক্ষেত্রে মেডিক্যাল
টেকনোলজিস্টদের ওপর
চিকিৎসকদের
নির্ভরতা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৮০
শতাংশ।
প্যাথলজিতে লিভার
ফাংশন,
কিডনি এবং রক্তের
বি-ভাইরাস, হরমোন ও
হিমোগ্লোবিন, ইএসআর
পরীক্ষা করেন
মেডিক্যাল
টেকনোলজিস্টরা। এ
ছাড়া কিনিক্যাল
প্যাথলজি, হেমাটোলজি,
বায়োকেমিস্ট্রি,
মাইক্রোবায়োলজি,
ইমিউনোলজি পরীক্ষাও
করেন
টেকনোলজিস্টরা।
২০১১
সালে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
মেডিক্যাল
টেকনোলজিতে তিন
বছরের
ডিপ্লোমা (বর্তমানে চার
বছর) এবং এক বছর ও
ছয় মাস
মেয়াদি সার্টিফিকেট
কোর্স চালু করে। এর পর
রাজধানীসহ
সারা দেশে ব্যাঙের
ছাতার
মতো গড়ে উঠেছে মেডিক্যাল
টেকনোলজি ইনস্টিটিউট।
ন্যূনতম মাধ্যমিক
স্কুল সার্টিফিকেট
(এসএসসি) ধারীরাই
এখানে শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তির
সুযোগ পাচ্ছেন। মানবিক
ও বাণিজ্য
বিভাগে উত্তীর্ণ হলেও
আপত্তি নেই। বিজ্ঞান
বিভাগের
শিক্ষার্থীরা ছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের
মতো জটিল ও
স্পর্শকাতর বিষয়ের
কারিগরি জ্ঞান
অর্জনে অন্য
বিভাগে উত্তীর্ণরা কতটুকু
কার্যকর
তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, ঢাকাসহ
সারা দেশে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের
অধীনে ২৩৮টি মেডিক্যাল
টেকনোলজি ইনস্টিটিউট
রয়েছে। ২০১৩ সালের ৩০
নভেম্বর পর্যন্ত বোর্ড
এগুলো অনুমোদন দেয়।
এসব প্রতিষ্ঠান
থেকে যে শিক্ষার্থী বের
হচ্ছেন তাদের
সার্টিফিকেট
দেয়া হচ্ছে মেডিক্যাল
টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের
মাধ্যমে,
তা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের।
অভিযোগ রয়েছে,
মোটা অঙ্কের টাকার
বিনিময়ে বোর্ড
থেকে মেডিক্যাল
টেকনোলজি ইনস্টিটিউটগুলোর
অনুমোদন পাওয়া যায়।
অনুমোদনের
আগে প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন
টিমকে মোটা অঙ্কের
অনুদান আর উপঢৌকন
পাঠালেই চলে। আর
প্রতিটি সার্টিফিকেটের
জন্য বোর্ডের সর্বোচ্চ
পর্যায়
থেকে স্বাক্ষরকারী পর্যন্ত
নির্ধারিত
হারে ফি দেয়া হয়
ইনস্টিটিউটগুলোর
পক্ষ থেকে। বোর্ডের
অনুমোদন
নিয়ে পরিচালিত
ডিপ্লোমা কোর্সগুলো হচ্ছে ল্যাবরেটরি মেডিক্যাল
টেকনোলজি (প্যাথলজি)
, ডেন্টাল টেকনোলজি,
রেডিওলজি অ্যান্ড
ইমেজিং টেকনোলজি,
ফার্মেসি টেকনোলজি,
পেশেন্ট কেয়ার
(নার্সিং) টেকনোলজি,
অপটিক্যাল
রিফ্র্যাকশন
টেকনোলজি,
ইনটিগ্রেটেড
মেডিক্যাল
টেকনোলজি।
এমবিবিএস
চিকিৎসকদের জন্য
মেডিক্যাল
আল্ট্রাসাউন্ড
টেকনোলজি বিষয়ে এক
বছর
মেয়াদি ডিপ্লোমা এবং ছয়
মাস
মেয়াদি সার্টিফিকেট
কোর্স রয়েছে। এক
বছর
মেয়াদি সার্টিফিকেট
কোর্স হচ্ছে ডেন্টাল
টেকনোলজি,
ফিজিওথেরাপি টেকনোলজি,
ল্যাবরেটরি মেডিক্যাল
টেকনোলজি (প্যাথলজি)
, রেডিওলজি অ্যান্ড
ইমেজিং টেকনোলজি,
ফার্মেসি টেকনোলজি,
পেশেন্ট কেয়ার
টেকনোলজি,
অপটিক্যাল
রিফ্র্যাকশন
টেকনোলজি,
মেডিক্যাল
মার্কেটিং অ্যান্ড
ম্যানেজমেন্ট
এবং প্যারামেডিক্যাল
টেকনোলজি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে,
বোর্ডের
অনুমোদনপ্রাপ্ত
প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রয়োজনীয়
সংখ্যক শিক্ষক,
জনবল
এবং অবকাঠামো কিছুই
নেই। বোর্ডের অনুমোদন
পেতে যা দেখানো হয় তার
সবই কাগুজে। অভিযোগ
আছে ভর্তি পরীক্ষা বা শিক্ষাগত
যোগ্যতা নয়,
এখানে টাকা হলেই
ভর্তি হওয়া যায়।
ভর্তি ফি ১০-১২ হাজার
টাকা। মাসিক বেতন এক
হাজার ২০০ টাকা।
প্রতি সেমিস্টার
ফি পাঁচ হাজার টাকা।
স্বাস্থ্য শিক্ষায় এ
ধরনের কোর্স
পরিচালনায়
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের
নিজস্ব বা বিশেষায়িত
কোনো বিশেষজ্ঞ নেই।
সারা দেশে টেকনোলজি ইনস্টিটিউট
তদারকি, কোর্স
কারিকুলাম তৈরি,
প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,
পরীক্ষা গ্রহণের জন্য
পার্টটাইম দুইজন
চিকিৎসক রয়েছেন
মাত্র। জানা গেছে,
বোর্ডের
প্রয়োজনে তাদের
ডাকা হয়। ওই
চিকিৎসকদেরও
রাজধানীতে বোর্ডের
অনুমোদিত
টেকনোলজি ইনস্টিটিউট
রয়েছে। এসব
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো
নিয়ে গঠিত সংগঠনের
দুই শীর্ষ পদেও
তারা (ওই
চিকিৎসকদ্বয়)
রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের
চিকিৎসা অনুষদের
অধীনে হেলথ
টেকনোলজি ডিপ্লোমা কোর্স
চালু রয়েছে। এরপরও
কারিগরি বোর্ডের
অধীনে মেডিক্যাল
ডিপ্লোমা কোর্স চালুর
কারণ কী? এ
নিয়ে বোর্ড সনদ
বাণিজ্য করছে কি না?
জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের
সচিব ও ভারপ্রাপ্ত
বোর্ড চেয়ারম্যানের
দায়িত্বে ড. মো: আবদুল
হক তালুকদার
নয়া দিগন্তকে বলেন,
নিয়ম মেনেই বোর্ড
এসব কোর্স চালু
করেছে। সনদ বাণিজ্য
করবে কেন বোর্ড ?
তরুণ ও বেকার যুবকদের
কিছুটা কারিগরি জ্ঞানে সমৃদ্ধ
করে উপার্জনক্ষম
করে তোলাই এর
উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন,
ভর্তিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের
ছাত্র বাধ্যতামূলক
করা হলে শিক্ষার্থী পাওয়া যাবে না।
এটা বলতে দ্বিধা নেই,
মান নিয়ে সংশয় আছে।
কিছু ভালো কিছু খারাপ
আছে।
সরকারি চাকরিতে বোর্ডের
ডিপ্লোমাধীরা চাকরি পাচ্ছেন
না। এ ব্যাপারে উচ্চ
আদালতে রিট
করা হয়েছে।
মেডিক্যাল
ডিপ্লোমা কোর্সের
তত্ত্বাবধায়ক
শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ
দীল মোহাম্মদ
আলী বলেন,
আমি বোর্ডের এ
বিষয়টির শুধু সাচিবিক
দায়িত্ব পালন
করে থাকি। পার্টটাইম
ডাক্তারেরা কোর্সের
তদারকি ও কোর্স
প্রণয়ন করে থাকেন।
বোর্ডের শিক্ষাক্রম
বিশেষজ্ঞ
(ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার)
মো: শাহদাৎ হোসেন
বলেন, লুকোচুরির কিছু
নেই। মানসম্মত
শিক্ষা দেয়া সম্ভব
হচ্ছে না। নানা ধরনের
সমস্যা রয়েছে।
তবে মান
নিশ্চিতকরণে চেষ্টা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল
টেকনোলজিস্ট
অ্যাসোসিয়েশনের
সভাপতি আলমাছ
আলী খান বলেন,
কারিগরি শিক্ষাবোর্ড
অদ্ভুত
ডিপ্লোমা কোর্স চালু
করেছে।
তারা হাতুড়ে মেডিক্যাল
টেকনোলজিস্ট
তৈরি করছে।
তিনি জানান,
বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রী,
স্বাস্থ্যসচিব ও
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
মহাপরিচালককে জানানো হয়েছে।
কিন্তু এর
কোনো প্রতিকার নেই।
http://­
www.dailynayadiganta.­
com/details.php?
nayadiganta=Njc2NDg%
3D&sec=2 #­
VAaUztHTgQE.facebook
Naya Diganta ::
ডিপ্লোমা কোর্সে তৈরি হচ্ছে হাতুড়ে টেকনোলজিস্

30/08/2014

প্রিয় কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও স্টুডেন্ট। আমাদের মূল লক্ষ থাকবে আগামিতে যে কর্মসূছ দেয়া হবে তার প্রথম লাইনে কলেজ মালিকদের রাখা। ঐ(সবাই না) মুনাফালোভি কলেজ মালিকরা আমাদের টাকায় বাড়ি-গাড়ি করতেছে। আর আমরা লাখ লাখ টাকা দিয়া লেখা-পড়া করে কোন মুল্যায়ন পাবোনা তা হবেনা। ভর্তির সময় মিস্টি মিস্টি কথা বলে ও আমার বাবাকে বড় বড় স্বপ্ন দেখিয়ে আমাকে ভর্তি করেছে ঐ মুনাফালোভিরা। আমার বাবা কস্ট করে হলেও সময় মত টাকা পাঠাইয়েছেন, অনেক সময় ধার-কর্য করেছেন। আমার বাবা স্বপ্ন দেখেছিলেন ছেলে মেডিকেল টেকনলজিস্ট হবে। একদিন মানুষ বলবে অমুকের ছেলে মেডিকেল টেকনলজিস্ট। কিন্তু কোথাই আমার বাবার স্বপ্ন, কোথাই আমার মায়ের বুক ভরা আশা। আজ সব সুধুই মরিচিকা। আমার লেখা-পড়ার খরচের টাকার প্রতিটি অনুতে আমার বাবার কস্টের ঘাম লেগে আছে। আর সেই টাকাই ওরা দামি দামি গাড়িতে চরে ঘুরবে, এসি ওয়ালা বাড়িতে ঘুমাবে, আর আমরা ঈদে-পূজাতে আমার বাবাকে একটা লঙ্গি-ধুতি কিনে দিতে পারবনা। মা পুরাতন ছেরা কাপড় পরে থাকবে। ছোট ভাই-বোন নতুন কাপর না পেয়ে বাড়ির বাহিরে বের হবেনা তা হবেনা। আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি আমার বাবার কস্টের টাকার মূল্য না ফিরিয়ে পাওয়া পর্যন্ত কলেজ মালিকদের সকল আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকতে হবে। এই লক্ষে আপনারা প্রতিটি জেলায় শক্তিশালি কমিটি ও ঐক্য গরে তুলুন।

25/08/2014

প্রিয় কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও স্টুডেন্ট আমরা প্রায় ৬ মাস আগে
2nd, 4th, 6th সেমিস্টার পরীক্ষা দিয়েছি কিন্তু আজ প্রজন্ত কারিগরি বোর্ড তার রেজাল্ট প্রকাশ করেনি। আথচ আমাদের পরে এইচ এস সি পরীক্ষা দিয়ে তারা রেজাল্ট পেয়েসে। আমাদের কেনো রেজাল্ট দেয়া হচ্ছে না? বা হবেনা। আমরা আমাদের রেজাল্ট চাই। তাই আমাদের রেজাল্ট না দেয়ার প্রতিবাদে
আগামি ৩১/০৮/১৪ ইং তারিখ রোজ রবিবার বোর্ডের চেয়ারম্যান এর সঙ্গে দেখা করা হবে ও আশানুরূপ তথ্য না পেলে বোর্দ ঘেরাও করে রাখা হবে। তাই ঢাকায় অবস্থানরত সকল স্টুডেন্টদের রবিবার সকাল ৯.০০ টায় কারিগরি সিক্ষা বোর্ড, আগারগাও ঢাকা এর সামনে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে।

আহবানে
বেলাল হোসেন
সাধারন সম্পাদক,

এফ এইচ ফরহাদ
সাঙ্গগঠনিক সম্পাদক
০১৭৩৬৩৫৬০৩৩

প্রচারেঃ ইমাম হোসেন, প্রচার সম্পাদক

20/08/2014

প্রিয় কারিগরি মেডিকেল
টেকনোলজিস্ট ও
স্টুদেন্ট
আশা করি সবাই ভাল আছেন।
বিষেশ করে ভাল আছেন এই
কারনে যে, আমরা
আপনাদের আগের মতো
আন্দোলনের কথা বলিনা।
কিন্তু আপনারা কি জানেন
স্ট্যাট মেডিকেল ফ্যাকাল্টির
স্টুদেন্টরা আমাদের
সম্পুর্ন ভাবে ধবংস
করার জন্য অনেক চেস্টা
করতেসে। গত
মঙ্গলবার তারা
স্ববাস্থ্য মন্ত্রিকে নিয়া
সিরাজগঞ্জে মেডিকেল
টেকনোলজিস্ট ও
ফার্মাসিস্ট সমাবেস
২০১৪ করেসে জেখানে তারা
আমদের কবর দেয়য়ার
ব্যাবস্থা করেসে।
আপনারা কি চাননা আমরা
মাথা তুলে দাড়াই? আমরা
আমাদের ন্যায্য অধিকার
পাই? যদি আপনারা এই
ন্যায্য অধিকার চান তবে
আপনারা প্রতিটি জেলা
পর্যায়ে জেলা কমিটি করে
আমাদের নিকট লিস্ট
পাঠান। আর প্রতি মাসে
স্টুদেন্ট ও মেডিকেল
টেকনলজিস্টদের নিকট
হতে নির্দিস্ত পরিমান
টাকা তুলে জয়েন্ট একাউন্ট
করে ব্যাংকে রাখুন।
আপনারা জানেন যে, এক্তা
আন্দোলন চালাতে নিচের
জিনিসগুল প্রয়োজন।
১. একতা
২. টাকা
৩. স্টুদেন্ট
আশা করি আপনার আমাদের
ন্যায্য দাবি আদায় করতে
দ্রুত কাজগুলি শেশ
করবেন।

আহবানে
BTEBMTA
contact

F.H.Farhad
Organizing Secretary
01736356033

16/08/2014

ঢাকা ট্রমা সেন্টার আন্ড স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ

১. ফার্মাসিস্ট - ১৫ জন-ডিপ্লোমা (হাসপাতালের কাজের ৩ বছরের অভিজ্ঞতা)
২. ফিজিয়থেরাপিস্ট - ৮ জন-ডিপ্লোমা ইন ফিজিয়থেরাপি (মহিলা/পুরুষ) ২ বছরের অভিজ্ঞতা।
যোগাযোগঃ ঢাকা ট্রমা সেন্টার এন্ড স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ. ২৩/৬, রূপায়ন শেলফোর্ড (৩ তলা), শ্যামলী, মিরপুর রোড, ঢাকা-১২০৭(ইসলাম ডায়াগনস্টিক ল্যাব এর উপরে)
ফোনঃ ৯১৩৩১৫০, ৯১৩৩১৬০
সুত্রঃ বাঙ্গলাদেশ প্রতিদিনঃ ১৩/৮/১৪ (প্রিঃ৯)

15/08/2014

আজ আমি আপনাদের কি বলবো? একটা পোস্ট দিলাম ৪২ টা লাইক অ ৫২ তা কমেন্ট পাইলাম। কিন্তু মূল কাজ সম্পর্কে কোন কমেন্ট পাইলাম না বা কোথাঅ জেলা কমিটি হয়েসে কিনা তার খবরো পাইলামনা।
আমাদের এই অবস্থা দেখে একটা গল্প মনে পরে গেলো।

এক কাঠুরিয়া বনে গেছে কাঠ কাটতে . সে কাঠ কেটে বাজারে বিক্রি করে বাজার থেকে খাবার কিনে নিয়ে গেলে তার পরিবারের সবাই খাবে, অন্যথায় উপস থাকতে হবে। কাঠুরিয়া বনে ঢুকেয় দেখলো আকটা গাছে মৌ চাক। সে কাঠ কাটা বাদ দিয়া মৌ চাক থেকে মধু সংগ্রহে বাস্ত হয়ে পরল। কিন্তু মৌ মাছির কারনে সে মধু সংগ্রহ করতে পারছিলনা। এভাবে স্বন্ধ্যা হয়ে গেল তখন তার মনে পরল কাঠ কাটার কথা কিতু চারিদিকে অন্ধকার হয়ে আসায় তার কাঠ কাটাও হল না। তাকে খালি হাতে বারি ফিরতে হল।

আমাদের অবস্থা হয়েসে কাঠুরিয়ার মতো।

তাই বলসি আপনারা প্রতিটি জেলাতে জেলা কমিটি করেন। আন্দলন পরিচালনার জন্য একতা,টাকা ও স্টুডেন্ট লাগে তাই আগের পস্টেও বলেসিলাম জয়েন্ট একাউন্ট করে প্রতি মাসে স্টুডেন্ট ও মেডিকেল টেকনলজিস্ট দের নিকট হতে নির্দিস্ট পরিমান টাকা তুলে ব্যাংকে রাখুন। আপনারা জেলা কমিটি গঠন করলে আমরা লাগাতার কর্মসুচী ঘোষনা করা হবে।
শেশশ কথা সময় থাকতে কাজ করুন অন্যথায় পরে পস্তাতে হবে।

আহবানে
বাকাশিবোমেটেপ
BTEBMTA

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Sherpur Road, Kanajgari
Bogura
5800

Opening Hours

Monday 08:30 - 17:00
Tuesday 08:30 - 17:00
Wednesday 08:30 - 17:00
Thursday 08:30 - 17:00
Saturday 08:30 - 17:00
Sunday 08:30 - 17:00