Police Line High School and College, Bogra, Rajshahi, Bangladesh

Police Line High School and College, Bogra, Rajshahi, Bangladesh

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Police Line High School and College, Bogra, Rajshahi, Bangladesh, Education, Police Line, Bogra, Bogura.

বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রহমান এর ইন্তেকাল 15/03/2016

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজীউন

বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রহমান এর ইন্তেকাল উত্তরবঙ্গ নিউজ ডটকম,প্রেস রিলিজ: পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বগুড়ার সিনিয়র শিক্ষক মো. আব্দুর রহমান (বিএসসি) রবিবার ভোর ৪.১৫ মিনিটে হৃদযন্ত্রের ক্রীড়া বন্ধ হয়ে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। (ইন্ন…

18/10/2013

আজ চলছে আমাদের পুনর্মিলনের কর্ম সুচি

01/09/2013

তোমরা যারা পূণর্মিলনী-র জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে পারোনি তাদের দুঃখ পাবার কিছু নাই শুধু মাত্র তোমাদের কথা ভেবে রেজিষ্ট্রশনের তারিখ ২০-শে সেপ্টেম্বর'১৩ পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো........

22/08/2013

সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, পূণর্মিলনী-র জন্য ৩১-শে আগষ্ট'১৩ তারিখের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন করতে, যারা এখনো রেজিষ্ট্রেশন করোনি তারা যোগাযোগ করো এছাড়া সকলেই এই নোটিশ ছড়িয়ে দেবার জন্য শেয়ার করার বব্যস্থা করো.........

09/06/2013

হুবাহু তুলে ধরা হলো তোমরা ভালো থেকো এটাই আমাদের কাম্য---

"আজ ২৬-শে জৈষ্ঠ্য আমরা ৯৪-এর ব্যাচের সকলের পক্ষ হতে Police Line High School and College, Bogra, Rajshahi,... এর মাধ্যমে আমদের সহ শিক্ষার্থীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিতে চাই যদি স্কুল কর্তৃপক্ষের কোন আপত্তি না থাকে আমাদের অনুরোধ রক্ষা করুন ।"

Photos 03/06/2013

eqrra bismirrabbiqallazi...............................

Photos 25/05/2013

"আমি ঠমকি চমকি পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি
ফিঙ দিয়া দেই তিনদোল আমি চপলা চপল হিন্দোল.........."

আজ ১১ জ্যৈষ্ঠ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৪তম জন্মবার্ষিকী।

দ্রোহ, প্রেম, সাম্য, মানবতা ও শোষিত মানুষের মুক্তির বার্তা নিয়ে আসা কবির প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র ভালবাসা.................

Photos 12/05/2013

Be Careful

Photos 04/05/2013

শেখ হাসিনাকে থামিয়ে দিলেন সিএনএনের আমানপোর সাক্ষাত্কারে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় : সিএনএন প্রতিনিধিকে ভিসা দেয়া হয়নি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রীতিমত ধমক দিয়ে থামিয়ে দিলেন বিশ্বখ্যাত টিভি স্টেশন সিএনএনের জনপ্রিয় উপস্থাপক ক্রিস্টিয়ান আমানপোর। সাভার গণহত্যা নিয়ে সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারের সময় এ ঘটনা ঘটে। সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রীকে ধমকের সুরেই আমানপোর বলেন, থামুন।
শুধু তা-ই নয়, একাধিক ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমানপোরের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। প্রধানমন্ত্রীর অনেক বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে আমানপোর বলেন, আমি যা বলছি ‘এটাই সত্য’। এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাত্কার নেয়া বন্ধ করে দেয়ার কথা বললে সাক্ষাত্কারটির সমাপ্তি টানা হয়।
সাভারে ভবন ধসের আট দিন পর সিএনএন-কে এ সাক্ষাত্কার দেন প্রধানমন্ত্রী। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নিউইয়র্ক থেকে আমানপোর ঢাকায় অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত্কার নেন। গতকাল ১৫ মিনিটের ওই সাক্ষাত্কারটি প্রচার করা হয়। সাক্ষাত্কারে সাভারে ভবন ধসের ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দুর্ঘটনা যে কোনো জায়গায় ঘটতে পারে।’ সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী আবারও দাবি করেন, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা তার দলের কেউ নয়। এ নিয়েও আমানপোর ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
আমানপোর বলেন, সাভার দুর্ঘটনার খবর কাভার করার জন্য সিএনএন প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসতে চাইলে তাকে ভিসা দেয়া হয়নি। অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকেও ভিসা দেয়নি সরকার।
প্রধানমন্ত্রী ও সিএনএনের কথোপকথনের হুবহু বাংলা অনুবাদ তুলে ধরা হলো।
আমানপোর : প্রধানমন্ত্রী আপনাকে স্বাগতম। আমি প্রথমে বাংলাদেশের সাম্প্রতিককালের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছি। প্রাণহানির ঘটনা দিয়েই শুরু করতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী : হ্যাঁ, এটা খুবই দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক।
আমানপোর : প্রধানমন্ত্রী আমি আপনার বেদনা শুনেছি এবং আমি এ-ও শুনেছি যে, আপনি বলেছেন বাংলাদেশের ৯০ ভাগ কারখানাই ইমারত আইন মেনে তৈরি করা হয়নি এবং সেখানে লক্ষাধিক কারখানার জন্য মাত্র ১৮ জন পরিদর্শক। আপনি এ ধরনের অসম অনুপাতের খপ্পর থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসবেন?
প্রধানমন্ত্রী : এ দুর্ঘটনার আগে আমরা শ্রম আইন তৈরি করেছি। আমাদের সংসদ এ আইন এরই মধ্যে সংসদে পাস করেছে। আমরা আমাদের শ্রমিকদের ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক। কিন্তু দুর্ঘটনা যে কোনো জায়গায় ঘটতে পারে। এ বিষয়ে আমরা কেউ আগে থেকে কোনো ধারণা করতে পারি না। এমনকি উন্নত রাষ্ট্রেও। আমরা দেখেছি, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যে গত মাসে সার কারখানায় বিস্ফোরণে ১৪ জন নিহত হয়েছে। তাই দুর্ঘটনা যে কোনো জায়গায় ঘটতে পারে।
কিন্তু যেহেতু এটি একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প, ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা এখানে আসছে, বাংলাদেশ এ মুহূর্ত বিনিয়োগের জন্য খুবই সুবিধাজনক অবস্থায় আছে। তাই বিদেশিরা এখানে বিনিযয়োগ করতে আকর্ষণ বোধ করছে এবং এখানে আসছে।
আমানপোর : ওয়াও প্রধানমন্ত্রী! বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ এ মুহূর্তে হুমকির মধ্যে আছে। এ ব্যাপারে আমরা পরে কথা বলব। কিন্তু আমি আগে জানতে চাই, আপনি বলেছেন দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা কেউ আগে থেকে কোনো ধারণা করতে পারি না। অবশ্যই পারেন, কারণ সাভারের দুর্ঘটনার আগের রাতে বাংলাদেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে রানা প্লাজার দেয়ালে বিরাট ফাটলের সংবাদ দেখিয়েছে এবং ভবন মালিক বলেছেন এটা প্লাস্টারের ফাটল এবং ঠিক তার পরের ভোরেই কারখানা ধসে পড়ে। তাই এটা অবশ্যই ধারণা করা যেত। আপনি এর দায় কার ওপর চাপাবেন?
প্রধানমন্ত্রী : হ্যাঁ আপনি সঠিক বলেছেন, কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন ও শিল্প পুলিশ শ্রমিকদের ওই কারখানায় কাজ করা থেকে বিরত করেছিল এবং তারা ভবন ধসের আগের রাতে ওই ভবন থেকে সব শ্রমিককে সরিয়ে ফেলেছিল, কিন্তু দুঃখজনকভাবে ওই দিন সকালে কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের ওই ভবনে ঢুকে কাজে যোগ দিতে বল প্রয়োগ করেছিল। শিল্প পুলিশ ও প্রশাসন তাদের আটকাতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আগের রাতে যেহেতু ভবন ধসে পড়েনি, তাই তারা শ্রমিকদের কাজে পাঠিয়েছিল এবং তখনও শিল্প পুলিশ বাধা দিচ্ছিল, কিন্তু ওই মুহূর্তেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়। এটা সত্য নয় যে, সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা পদক্ষেপ নিয়েছিলাম এবং আমরা তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছিলাম।
আমানপোর : নিশ্চয়ই এটা প্রতিরোধ করা দরকার ছিল। কিন্তু বস্তুত রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা প্রথমত সরকারদলীয় আওয়ামী লীগের একজন প্রথম সারির নেতা—যেটি আপনার দল।
প্রধানমন্ত্রী : না না, এটা সত্য নয়।
আমানপোর : কিন্তু আমরা এটাই শুনেছি।
প্রধানমন্ত্রী : না, এটা সত্য নয়।
আমানপোর : আপনি কী বললেন, আপনি বলছেন এটা সত্য নয়?
প্রধানমন্ত্রী : না না না, মিথ্যা তথ্য।
আমানপোর : ঠিক আছে ...
প্রধানমন্ত্রী : এবং আমি আপনাকে বলেছিলাম যে এ ভবনে পাঁচটি গার্মেন্ট কারখানা আছে, পাঁচজন মালিকই শ্রমিকদের বলপ্রয়োগ করে কাজে পাঠিয়েছিল। আমরা ভবন মালিককে গ্রেফতার করেছি। আপনি জানেন যে আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি এবং পাঁচজন গার্মেন্ট মালিক ও প্রকৌশলী এবং জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করেছি। এমনকি সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা তাকে রক্ষা করতে যাচ্ছি না। আমরা সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। অপরাধী অপরাধীই, তারা ক্ষমা পাবে না এটা আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি এবং এটা জনগণের কাছে আমার ওয়াদা।
আমানপোর : কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এসব ওয়াদা জনগণ আগেও দেখেছে, আপনার ওয়াদায় জনগণ এখন আর বিশ্বাস করে না যে তাকে আপনি প্রকৃতপক্ষে সাজা দেবেন। কিন্তু অবশ্যই আমরা এটা দেখার জন্য অপেক্ষা করব যে এ মামলার ভবিষ্যত্ কি হয়। কিন্তু আমি এ মামলার আরও একটু গভীরে যেতে চাই। কারণ জনগণ বলছে এ ভবন মালিক ভবনের জায়গা জবরদখল করে ভবন তৈরি করেছে এবং রানার রাজনৈতিক পরিচিতির কারণে ভুক্তভোগীরা আইনের আশ্রয় না পেয়ে শেষপর্যন্ত এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে, শতকরা দশ ভাগ সংসদ সদস্য এরকম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। আপনারা কি এ ব্যাপারে অতিমাত্রার দুর্নীতিপরায়ণ নয়?
প্রধানমন্ত্রী : দেখুন আপনি অন্য প্রসঙ্গে চলে যাচ্ছেন।
আমানপোর : না আমি অন্য প্রসঙ্গে যাচ্ছি না প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী : আমি আগেই বলেছি, ভবন মালিক ২০০৫ সালে তারা এ ভবনের জায়গা নিয়ে ভবনটি তৈরি করেছিল। ওই সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল না এটা আপনার জানা উচিত ছিল এবং যে কোনো ব্যবসায়ী কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত হলে আমাদের সরকার সব সময় তার প্রতিকার করবে। আমরা জনগণের সেবা করতে এসেছি, দুর্নীতিগ্রস্তদের রক্ষা করার জন্য নয়। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি।
আমানপোর : ঠিক আছে, আপনার কথা শুনে বাংলাদেশের জনগণ খুশি হতে পারে। কিন্তু গত বছরও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা বলেছিলেন, এ ধরনের দুর্নীতি/অপরাধ একটি ঝড়ে রূপ নিতে পারে যা আমেরিকায় বাংলাদেশী পণ্য হুমকির মুখে পড়তে পারে। আমি আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, বিদেশি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের এ ধরনের একটি বিশাল শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম কোম্পানি ডিজনি বলেছে, বাংলাদেশ থেকে আর কোনো পণ্য নয়, কানাডা আপনাদের সঙ্গে তাদের বাণিজ্য পুনর্বিবেচনার কথা বলছে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন আপনাদের শাস্তি দেয়ার কথা ভাবছে। আর ইউরোপ হচ্ছে আপনাদের সর্ববৃহত্ ব্যবসায়িক অংশীদার। তাই এটা আপনার জন্য একটি বৃহত্ অর্থনৈতিক সঙ্কট, আপনি কি একমত?
প্রধানমন্ত্রী : শুনুন, এসব ক্রেতারা আমাদের সঙ্গে ব্যবসা করতে হলে তারা পণ্যের মূল্য বাড়ানো উচিত যাতে করে ব্যবসা সঠিকভাবে পরিচালিত হতে পারে, শ্রমিকরা ভালো বেতন পেতে পারে। তাই তারাও আংশিকভাবে এটার জন্য দায়ী। আমি মনে করি বিনিয়োগকারীরা এখানে সস্তা শ্রম পায় বলেই এখানে আসে। আমাদের শ্রমিকরাও কাজের প্রতি অতি যত্নশীল, অত্যন্ত দক্ষ এবং কঠোর পরিশ্রমী বলেই বিনিয়োগকারীরা এখানে আসে। তারা আসবে এবং আমাদের সঙ্গে ব্যবসা করবে বলে আমি মনে করি।
আমানপোর : আপনার খুবই ভালো শ্রমিক আছে বলেই ক্রেতারা তাদের তৈরি পোশাক পছন্দ করে, কিন্তু আপনার সরকার শ্রমিকদের প্রতি খুবই প্রতিকূল বলে অভিযোগ আছে, তেমনি শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিও। বস্তুত আপনি খুব ভালো করেই জানেন, গত বছর যখন আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন বাংলাদেশে এসেছিলেন, তখন তিনি আপনাকে বাংলাদেশে নিহত একজন শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলামের মৃত্যু রহস্য উন্মোচনের তাগিদ দিয়েছিলেন। তিনি জীবিত থাকলে তার শ্রমিক ইউনিয়ন সংগঠিত করতে পারতেন এবং শ্রমিকদের এভাবে মরতে হতো না। আমিনুল ইসলাম ইস্যুতে আপনার উত্তর কী?
প্রধানমন্ত্রী : আমিনুল ইসলাম কোন ইউনিয়নের নেতা ছিলেন? ওই ইউনিয়নের নাম কী? আপনি কি জানেন?
আমানপোর : আমি একথাই বলছি, তিনি শ্রমিকদের সংগঠিত করে একটি ইউনিয়ন করতে যাচ্ছিলেন যাতে করে শ্রমিকদের প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হতো না। আপনিই বলেছেন কিছু গার্মেন্ট মালিক শ্রমিকদের জোরপূর্বক গার্মেন্ট কারখানায় ঢুকিয়ে তাদের হত্যা করে।
প্রধানমন্ত্রী : না, না আপনি ভুল বলছেন, আপনি ভুল বলছেন।
আমানপোর : থামুন (ংঃড়ঢ়)। আমি কোনটা ভুল বলছি?
প্রধানমন্ত্রী : শুনুন, তিনি যে শ্রমিক নেতা ছিলেন, তা তো কেউই জানত না। তাকে হত্যা করা হয়েছিল অথবা কিছু ঘটেছিল। তার লাশ চারদিন পর পুলিশ কর্তৃক উদ্ধার করা হয়। এটা আমাদের পুলিশ ছিল। আমাদের পুলিশ। পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে। আমরা জানতাম না তিনি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা বা কিছু ছিলেন। লাশ উদ্ধারের পরই তা জানা যায়। কিন্তু আমরা তার জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। তার মামলার তদন্ত চলছে। এটা আমাদের দায়িত্ব বলে মনে করি। তাই এই অপবাদের খেলা এখানে থাকা উচিত নয়।
আমানপোর : ঠিক আছে আমরা জানি না, আমরা যতটুকু জানি আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন বাংলাদেশে গিয়ে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং এই হত্যার সঠিক তদন্তের জন্য আপনার সরকারকে বলেন। যাই হোক, আপনি এখন এব্যাপারে বলছেন যে আপনি আপনার শ্রমিকদের ব্যাপারে যত্নশীল।
প্রধানমন্ত্রী : শুনুন তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলছে। শুনুন, শুনুন, তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলছে।
আমানপোর : আমার মনে হয় আপনাকে এটা জিজ্ঞেস করা উচিত, বাংলাদেশ, আপনার সরকার ও অন্যান্য দেশের সরকার এ মুহূর্তে শ্রমিকদের ব্যাপারে আরও বেশি যত্নশীল হওয়া উচিত নয়কি? তাদের সংগঠিত হতে দেয়া উচিত যাতে করে এ ধরনের ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটতে না পারে।
গতকাল জনসম্মুখে পোপ যে কথা বলেছে, এ প্রসঙ্গে আমি আপনার প্রতিক্রিয়া জানতে চাই। সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন ‘যখন শুনেছি একজন শ্রমিককে মাসে মাত্র ৫০ মার্কিন ডলার (প্রায় চার হাজার টাকা) বেতন দেয়া হয় তখন ব্যক্তিগতভাবে আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি। সঠিকভাবে বেতন পরিশোধ হচ্ছে না, চাকরি জুটছে না। কারণ, আপনারা শুধু লাভের দিকটা দেখছেন। এটা সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধবাদী কাজ। এটাকে শুধু শ্রমদাস প্রথাই বলা যায়।
প্রধানমন্ত্রী : কিছু কিছু সময় আমি আমাদের শ্রমিকদের পক্ষ থেকে নিয়ে গার্মেন্ট মালিকদের সঙ্গে দর দাম করেছি যাতে করে আমাদের শ্রমিকরা ভালো শর্তে ভালো বেতন পায়। এবং আমাদের পক্ষ থেকে আমরা এরই মধ্যে আমাদের শ্রমিকদের জন্য একটি হোস্টেল ও একটি ডর্মেটরির প্রজেক্ট পাস করেছি। আমরা তাদের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছি। হ্যাঁ, আমাদের রাষ্ট্র গরিব। তাই শ্রমিকরা এখানে কাজ করতে আসে, আমি অন্য সরকারের কথা বলতে পারব না। কিন্তু আমাদের সরকার সব সময় শ্রমিকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
আমানপোর : প্রধানমন্ত্রী আপনার কথায় কি স্বচ্ছতার যথেষ্ট অভাব আছে বলে মনে হয় না? কারণ, চলমান ঘটনাবলীর বিস্তারিত রিপোর্ট করার জন্য সিএনএনকে বাংলাদেশে আসতে দেয়া হয়নি। আমাদের আসতে দেয়া হলে অকপটে আপনি যা বলছেন তার সত্যতা পাওয়া যেত। সাক্ষাত্কার নিতে প্রতিবেদক ঢাকা আসতে চাইলেও বাংলাদেশ সরকার ভিসা দেয়নি। অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকেও আসতে দেয়া হয়নি। আমাদের আসতে দিয়ে আপনি এভাবে বললে ভালো হতো।
প্রধানমন্ত্রী : আমি দুঃখিত, সিএনএনকে কি বাংলাদেশে আসতে দেয়া হয় নাই?
আমানপোর : না। আমি আপনাকে অনুরোধ করছি এই মুহূর্তে এই নীতি পরিবর্তন করুন।
প্রধানমন্ত্রী : আপনি কি বললেন?
আমানপোর : হ্যাঁ আমি ঠিকই বলছি।
প্রধানমন্ত্রী : আপনি কি বললেন?
আমানপোর : ( একটু থেমে থেমে) আমি বলেছি সিএনএন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে সাভার দুর্ঘটনা কভার করতে সাংবাদিক হিসেবে বাংলাদেশে আসতে দেয়া হয়নি। তারা কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী : এটা সত্য নয়।
আমানপোর : এটাই সত্যি।
প্রধানমন্ত্রী : না, না, না, না।
আমানপোর : হ্যাঁ, হ্যাঁ, এটাই সত্যি।
প্রধানমন্ত্রী : না, না, বাংলাদেশ একটি উন্মুক্ত দেশ। শুনুন আমাদের দেশে আমাদের প্রাইভেট টেলিভিশন আছে। আচ্ছা, আমাকে একটি কথা বলেন, আমরা যদি আপনাদের প্রতিহত করতাম তাহলে আমি আপনার সঙ্গে কথা বলছি কেন?
আমানপোর : কারণ আমি বাংলাদেশে নই। আমি ফোনে আপনার সঙ্গে কথা বলছি।
প্রধানমন্ত্রী : আমরা যদি আপনাদের প্রতিহত করতাম তাহলে আমি আপনার সঙ্গে কথা বলছি কেন? আপনি তাহলে কথা বন্ধ করে দেন এবং আমার সাক্ষাত্কার প্রচার করবেন না। আপনি যদি মনে করেন আমরা সিএনএনকে বাংলাদেশে আসতে দেইনি তাহলে আপনি আমার সাক্ষাত্কার প্রচার করা উচিত হবে না। ঠিক আছে?
আমানপোর : শুনুন, (বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে) আমাদের সিএনএন কর্তৃপক্ষ ও সিএনএনের সাংবাদিকদের বলা হয়েছে, তারা অবশ্যই একটি ‘ওয়েইভার্স পেপারে’ স্বাক্ষর করতে হবে যাতে লেখা ছিল, তাদের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে আমাদের সংবাদ প্রচার করার আগে রিভিউ করে বাজেয়াপ্ত করার।
প্রধানমন্ত্রী : শুনুন, যে কোনো দেশে আপনি যান তাদের নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন আছে যা আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে। আমরা আমাদের জনগণকে হারিয়েছি। তাই আমি তাদের জন্য খুবই দুঃখ ভারাক্রান্ত। কারণ আমি তাদের জন্যই রাজনীতি করি।
আমানপোর : (রাগান্বিত হয়ে) ঠিক আছে প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রধানমন্ত্রী : আপনাকেও ধন্যবাদ।

Photos 26/03/2013
TEACHERS & STAFF 22/02/2013
Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Police Line, Bogra
Bogura
5800