18/03/2026
- এক গ্রামে এক অত্যন্ত পরহেযগার ও পর্দানশীন নারী বাস করতেন। বিয়ের পূর্বে তাঁর একটিই শর্ত ছিল, যিনি তাঁকে আজীবন পর্দার সাথে রাখবেন, তিনিই তাকে বিয়ে করতে পারবেন। পরিশেষে এক যুবক এই শর্ত মেনে তাঁকে বিয়ে করেন।
সময়ের সাথে সাথে তাঁদের সংসার বড় হতে থাকে। প্রথম সন্তান জন্মের পর স্বামী বললেন, "আমি সারাদিন মাঠে কাজ করি, দুপুরে খাবার খেতে বাড়ি আসা কঠিন হয়ে যায়। তুমি যদি কষ্ট করে খাবারটা মাঠে দিয়ে আসতে!" স্ত্রী রাজি হলেন।
দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর স্বামী বললেন, "সংসারের খরচ বেড়েছে, তুমি একটু মাঠে সাহায্য করলে ভালো হতো।" এভাবে পর্দা থেকে তিনি ধীরে ধীরে আধা-পর্দায় চলে এলেন।
তৃতীয় সন্তানের জন্মের পর স্বামী তাঁকে একদম বেপর্দা অবস্থায় মাঠে কাজ করতে বাধ্য করলেন।
বছর যায়, সন্তানরা বড় হলো। একদিন স্বামী উপহাস করে স্ত্রীকে বললেন, "বিয়ের সময় তো পর্দার জন্য কত বায়না ছিল! এখন তো সেই পর্দা নেই। জীবন তো আগের মতোই কাটছে, লাভ কী হলো?"
স্ত্রী বললেন, "তুমি পাশের ঘরে লুকিয়ে থাকো, আমি তোমাকে পর্দা ও বেপর্দার পার্থক্য বুঝিয়ে দিচ্ছি।"
স্ত্রী নিজের চুল এলোমেলো করে কান্নার অভিনয় শুরু করলেন।
বড় ছেলে এসে কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, "তোর বাবা আমাকে মেরেছে।" বড় ছেলে মাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, "বাবা মারলে কী হয়েছে? তিনি তো আমাদের ভালোবাসেন, আমাদের জন্য কত কষ্ট করেন।" সে বাবার সম্মান বজায় রাখল।
মেজো ছেলে এসে একই কথা শুনে রেগে গিয়ে বাবাকে দু-একটা কটু কথা বলল এবং মাকে চুপ করিয়ে চলে গেল।
ছোট ছেলে সব শুনে আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়ল। সে গালিগালাজ করতে করতে লাঠি তুলে নিল বাবাকে মারার জন্য।
তখন স্ত্রী তাঁর স্বামীকে ডেকে বললেন,
"শোনো! প্রথম ছেলেটি যখন পেটে ছিল, আমি তখন পূর্ণ পর্দার ভেতর ছিলাম। তাই সে আজ তোমার 'সম্মানের পর্দা' বজায় রাখল।
দ্বিতীয়টির সময় আমি অর্ধেক পর্দায় ছিলাম, তাই সে তোমার অর্ধেক সম্মান রাখল।
আর এই ছোটটি যখন জন্মালো, আমি তখন সম্পূর্ণ বেপর্দায় ছিলাম! তাই আজ সে তোমার সম্মানের পর্দাটি টেনে ছিঁড়ে ফেলতে দ্বিধা করল না।"
নারীর পর্দা এবং পবিত্রতা কেবল তাঁর নিজের জন্য নয়, বরং তাঁর সন্তানদের চরিত্র গঠনের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। পর্দা কেবল নারীর পোশাক নয়, বরং এটি একটি পরিবারের ইজ্জত ও বংশের পবিত্রতার ঢাল।
23/06/2025
কাতার, আবুধাবি, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান, সৌদিআরব, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রবাসী ভাইবোনেরা মেরিকান মিলিটারী বেইজের আশপাশের এলাকা এড়িয়ে চলুন।
27/04/2025
নিচে ৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা বাংলা সিরিয়াল নাম্বারসহ দেওয়া হলো, যেগুলো আপনার কাজকে ১০ গুণ দ্রুত করতে সাহায্য করবে —
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।
এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।
এই রকম আরো ভাল ভাল পোষ্ট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন নাহ।
゚
12/04/2025
সঠিক ইতিহাস জানি কী? ইহুদিরা তাদের শর্ত হাসিলের জন্য আমাদেরকে কি বোকা বানাচ্ছে না তো??
মসজিদে আকসা ও ডোম অব দ্য রক একই নাকি আলাদা?
কমেন্ট চেক করেন।
07/04/2025
✊ ধেয়ে আসছে গাজওয়াতুল হিন্দ!
পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল “গাজওয়ায়ে হিন্দ” তথা হিন্দুস্থান ভারতের বিরুদ্ধে মুসলমান উম্মাহদের যুদ্ধ। এই সম্মানিত যুদ্ধে নিশ্চিত মুসলমান উম্মাহরা বিজয় লাভ করবেন। সুবহানআল্লাহ.!
কিন্তু এই সম্মানিত যুদ্ধে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান শাহাদাত বরন করবেন এবং শেষাংশ যুদ্ধ শেষ করে বিজয় লাভ করবেন। সুবহানাল্লআহ.!
যারা এই সম্মানিত যুদ্ধে শাহাদাত বরন করবেন উনারা নিশ্চিত জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.!
এবং যেসব মুসলমানগন এই সম্মানিত যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গাজী হয়ে ফিরবেন উনারা ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরন করে জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.!
আবার এই সম্মানিত যুদ্ধ থেকে যেসব নামধারী মুসলমানরা পালিয়ে যাবে তারা বেইমান হয়ে মৃত্যুবরন করবে। নাউজুবিল্লাহ!
পবিত্র হাদিস শরীফে গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটা হবে কাফির মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের পৃথিবীর ভিতর বৃহত্তম জি”হ|দ/যুদ্ধ। এই যুদ্ধে হিন্দুস্তানের মোট মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশই শহীদ হবে, আরেক অংশ পালিয়ে যাবে আর শেষ অংশ জি”হ|দ চালিয়ে যাবে।
মুসলমানদের নিশ্চিত জয় হবে কিন্তু এটা এতোটাই ভয়াবহ যে হয়তো অল্প কিছু সংখ্যক মুসলিমই বেঁচে থাকবেন বিজয়ের খোশ আমদেদ করার জন্য।
অন্য বর্ণনায় আছে, গাজওয়াতুল হিন্দ হিন্দুস্তানের (চুড়ান্ত) যুদ্ধ। রাসুল (ﷺ) একদিন পুর্ব দিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, এমন সময় এক সাহাবি রাসুল (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আপনি এমন করছেন কেন,,?
রাসুল (ﷺ) বললেন, “আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।” সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহুম উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (ﷺ) বললেন, পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশরিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে।
যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলিম সেনাবাহিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত, কিন্তু মুশরিক সেনাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক।
ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে।
• রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য!(সুবহানাল্লাহ)
🤲 ইয়া রব এই জিহাদে আমাকে কবুল করুন, বাচিয়ে রাখুন" ওই গাজওয়াতুল হিন্দ পর্যন্ত,,আমীন ❤️(নাসাইয়ী খন্ড -১ পৃষ্ঠা ১৫২)
Copypost
30/12/2024
গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব (টাইমলাইনে রেখে দিন)
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet- 1kg
ফলো দিয়ে সাথে থাকবেন।
09/11/2024
গল্প নং ২
গোলাপ ও ক্যাকটাসের গল্প
একটি সুন্দর বাগানে একদিন একটি গোলাপ ফুল আর একটি ক্যাকটাস একে অপরের পাশেপাশে ছিল। গোলাপটি নিজের সৌন্দর্যে খুবই গর্বিত ছিল এবং ক্যাকটাসকে অবজ্ঞা করে বলল, “তুমি দেখতে কেমন কাঁটাযুক্ত এবং বিশ্রী! তোমার মধ্যে তো কোনো সৌন্দর্য নেই।”
ক্যাকটাসটি চুপচাপ গোলাপের কথা শুনল এবং কিছুই বলল না। কিন্তু অন্যান্য গাছপালারা গোলাপের অহংকার দেখে খুবই অবাক হলো।
দিন যেতে লাগল, আর একদিন সেই অঞ্চলে প্রচণ্ড খরা দেখা দিল। বাগানের গাছগুলো পানির অভাবে শুকিয়ে যেতে লাগল। গোলাপটিও তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ল এবং প্রায় শুকিয়ে যেতে বসলো। তখন গোলাপটি দেখল যে, ক্যাকটাসের কাঁটায় কাঁটায় ছোট ছোট পানির ফোঁটা জমে আছে।
তখন গোলাপটি ক্যাকটাসের কাছে সাহায্য চাইল। ক্যাকটাসটি খুশি মনে তার কাঁটার মধ্যে জমা পানি গোলাপের সঙ্গে ভাগ করে নিল। গোলাপটি বুঝতে পারল যে বাইরের চেহারা দিয়ে কাউকে বিচার করা উচিত নয়।
#নৈতিকশিক্ষা: বাহ্যিক চেহারার চেয়ে মনুষ্যত্ব অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
07/11/2024
গল্প নং ১
কাক🐧ও শিয়ালের🦊 গল্প
একদিন একটি কাক একটি বড় মাংসের টুকরা মুখে নিয়ে গাছের ডালে বসে ছিল। ঠিক তখনই একটি শিয়াল সেখানে এসে উপস্থিত হল। শিয়ালটি মাংসের লোভে পড়ল এবং কাকের কাছ থেকে কৌশলে মাংসটা নিতে চাইল।
শিয়ালটি কাকের দিকে চেয়ে মিষ্টি করে বলল, "ওহে কাক মামা, তোমার গায়ের রং কত সুন্দর! আমি শুনেছি তোমার কণ্ঠস্বরও খুব সুন্দর। যদি তুমি একটু গান শোনাতে, তবে খুবই আনন্দ পেতাম।"
কাকটি শিয়ালের প্রশংসায় খুশি হয়ে গেল এবং গান শোনাতে গলা খোলার জন্য মুখ ফাঁক করল। কিন্তু মুখ খোলার সঙ্গে সঙ্গে তার মুখ থেকে মাংসের টুকরাটি নিচে পড়ে গেল। শিয়ালটি সঙ্গে সঙ্গে মাংসের টুকরাটি তুলে নিয়ে পালিয়ে গেল। কাকটি বুঝতে পারল যে শিয়ালটি তাকে ধোঁকা দিয়েছে।
#নৈতিকশিক্ষা: চাটুকারিতার ফাঁদে পা দিলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
15/10/2024
মহান আল্লাহতালা সবচেয়ে বড় পরিকল্পনাকারী। যেমন হোক না কেন আলহামদুলিল্লাহ।