Togor's English Learning Platform

Togor's English Learning Platform

Share

A platform to learn Academic English (SSC & HSC) in a better way...
Key features: 1. Lecture sheets for everybody, 2. Daily practice, 3. Problem solving class, 5.

Weekly and monthly exam, 4. Progress analysis and feedback
Subjects: English 1st & 2nd Paper Hi! I know maximum of our students fear to learn English as they think it a foreign language. Our dedicated language teachers try their best in teaching them through different classroom activities. But, the students don't think those activities sufficient for them to learn English better. They feel the nec

25/03/2026

⏳ “সারা বছর একটু একটু করে পড়বো, নাকি পরীক্ষার আগে non-stop পড়বো?”

প্রায় সব শিক্ষার্থীর জীবনে একটা common scene আছে—
👉 “আজ না, কাল থেকে শুরু করবো…”
👉 “সময় তো আছেই…”
👉 “Exam এর আগে জোরে পড়লেই হয়ে যাবে!”

এই চিন্তাগুলোই আসলে Procrastination (কাজ ফেলে রাখা)—
আর ধীরে ধীরে এটা একজন শিক্ষার্থীর সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে ওঠে।

⚠️ Procrastination কতটা ক্ষতিকর?

প্রথমে মনে হয় harmless…
কিন্তু এর প্রভাব অনেক গভীর 👇

❌ 1. Stress & Anxiety বাড়ায়

শেষ মুহূর্তে সবকিছু একসাথে করতে গিয়ে মানসিক চাপ বেড়ে যায়

❌ 2. Learning Quality কমে যায়

তাড়াহুড়ো করে পড়লে বুঝে শেখা হয় না—শুধু মুখস্ত হয়

❌ 3. Confidence নষ্ট করে

ঠিকমতো প্রস্তুতি না থাকলে exam hall-এ ভয় কাজ করে

❌ 4. Bad Habit তৈরি হয়

একবার delay করতে করতে এটা daily habit হয়ে যায়

👉 সহজভাবে:
Procrastination আজকের শান্তি দেয়, কিন্তু আগামীর সমস্যা বাড়ায়।

🔥 “Last Night Study” vs “Consistent Study” — কোনটা ভালো?

😵 Last Night / Non-stop Study

✔️ অল্প সময়ের জন্য কাজ করে
❌ বেশি stress তৈরি করে
❌ ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
❌ deep understanding হয় না

🌱 Consistent Study (Daily Progress)

✔️ কম চাপ, বেশি control
✔️ ধীরে ধীরে strong foundation তৈরি হয়
✔️ দীর্ঘ সময় মনে থাকে
✔️ exam-এ confidence বাড়ে

👉 তাই সরাসরি উত্তর:
“সারা বছর একটু একটু করে পড়া—এটাই smart strategy।”

🚀 Procrastination থেকে Productivity-তে যাওয়ার ৫টি বাস্তব উপায়

1️⃣ Start Small (ছোট করে শুরু করুন)

👉 “আজ ৫ ঘন্টা পড়বো” না—
👉 “আজ ২০ মিনিট পড়বো”

ছোট শুরু = বড় consistency

2️⃣ 2-Minute Rule

👉 কোনো কাজ ২ মিনিটে শুরু করা যায়? এখনই শুরু করুন
শুরু করাটাই সবচেয়ে কঠিন—তারপর flow আসে

3️⃣ Fixed Routine (Time Block করুন)

👉 প্রতিদিন একই সময়ে পড়ার অভ্যাস
brain automatically prepare হয়ে যায়

4️⃣ Distraction Control

👉 পড়ার সময় phone silent / দূরে রাখুন
👉 social media limit করুন

5️⃣ Track Your Progress

👉 আজ কী পড়লেন, লিখে রাখুন
👉 ছোট progress দেখলেই motivation বাড়ে

🔄 Smart Study Formula (High Productivity Method)

👉 এই ৩টা follow করুন:

📖 Learn

নতুন কিছু বুঝে পড়ুন

✍️ Apply

নিজে লিখে বা practice করে দেখুন

🔁 Review

নিয়মিত revision করুন

👉 এটাই long-term success-এর formula

💡 Practical Study Plan (Simple & Effective)

✔️ প্রতিদিন ২–৩ subject touch করুন
✔️ 25–30 মিনিট study + 5 মিনিট break (Pomodoro style)
✔️ সপ্তাহে ১দিন শুধু revision
✔️ মাসে ১বার self পরীক্ষা নিন

❤️ শেষ কথা

আপনি দুইভাবে পড়তে পারেন—

👉 Exam-এর আগে panic mode-এ
👉 অথবা ধীরে ধীরে confident হয়ে

Choice আপনার।

কিন্তু মনে রাখবেন—
📌 Consistency beats intensity
📌 Slow progress is still progress

👉 আজ ২০ মিনিট পড়া,
আগামীকালের ৫ ঘন্টার চাপ থেকে আপনাকে বাঁচাবে।

24/03/2026

✍️ প্যারাগ্রাফ ও কম্পোজিশন বানিয়ে লিখবো নাকি মুখস্ত?

শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে কমন প্রশ্নগুলোর একটি—
“স্যার, প্যারাগ্রাফ আর কম্পোজিশন কি মুখস্ত করবো, নাকি নিজে বানিয়ে লিখবো?”

অনেকে পাতায় পাতায় মুখস্ত করে,
আবার কেউ কেউ নিজের মতো করে লেখার চেষ্টা করে—কিন্তু দ্বিধায় থাকে, কোনটা সঠিক?

👉 আসল উত্তরটা খুব সহজ:
শুধু মুখস্ত না, আবার শুধু বানিয়েও না—দুটোর smart combination দরকার।

চলুন, বিষয়টা একটু পরিষ্কার করে বুঝি 👇

🧠 মুখস্ত করে লেখা: সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা

✅ কেন শিক্ষার্থীরা মুখস্ত করে?

✔️ পরীক্ষায় common পড়লে সহজে লেখা যায়
✔️ দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়া যায়
✔️ কিছু ready বাক্য থাকলে confidence বাড়ে

❌ কিন্তু সমস্যা কোথায়?

❌ প্রশ্ন একটু পরিবর্তন হলেই লিখতে সমস্যা হয়
❌ নিজের ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা তৈরি হয় না
❌ অনেক সময় ভুলে যায় বা গুলিয়ে ফেলে

👉 অর্থাৎ,
মুখস্ত আপনাকে নির্ভরশীল করে তোলে।

✍️ নিজে বানিয়ে লেখা: শক্তি ও চ্যালেঞ্জ

✅ কেন নিজের মতো করে লেখা গুরুত্বপূর্ণ?

✔️ চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়
✔️ sentence structure naturally improve হয়
✔️ যেকোনো topic-এ adjust করতে পারবেন
✔️ exam-এ unique answer দিতে পারবেন

❌ চ্যালেঞ্জ কী?

❌ সময় বেশি লাগে
❌ grammar mistake হওয়ার ভয় থাকে
❌ idea organize করতে কষ্ট হয়
❌ প্র‍্যাক্টিস ছাড়া বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি

👉 কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন:
ভুল করতে করতেই ভালো লেখা শেখা যায়।

🎯 তাহলে প্যারাগ্রাফ ও কম্পোজিশনের জন্য সঠিক স্ট্র্যাটেজি কী?

👉 সরাসরি উত্তর:
“মুখস্ত করবেন sentence structure & vocabulary, Idea টা নিজের মতো।”

⚖️ Smart Method: কী মুখস্ত করবেন, কী লিখবেন?

✔️ যেগুলো মুখস্ত করা দরকার:

Introduction-এর কিছু standard লাইন

Linking words (Firstly, However, In conclusion…)

কিছু strong vocabulary

✔️ যেগুলো নিজে বানিয়ে লিখবেন:

Main idea (আপনার নিজের চিন্তা)

Examples ও explanation

Conclusion নিজের ভাষায়

🔄 ৩ ধাপের সহজ পদ্ধতি (Best Practice)

👉 এই method follow করলে খুব দ্রুত improve করবেন:

1️⃣ Read (দেখুন)

একটা ভালো প্যারাগ্রাফ বা কম্পোজিশন পড়ুন

2️⃣ Understand (বুঝুন)

এটা কীভাবে লেখা হয়েছে—structure, idea, linking words

3️⃣ Write (লিখুন)

খাতা বন্ধ করে নিজের মতো করে লিখুন

👉 copy করবেন না—recreate করুন

🚀 Practical Tips for Students

✔️ প্রতিদিন ১টা প্যারাগ্রাফ লিখুন (১০–১৫ মিনিট)
✔️ একই topic ২–৩ বার লিখে improve করুন
✔️ নিজের লেখা নিজেই পড়ে ভুল ধরুন
✔️ শিক্ষক/বন্ধুর কাছ থেকে feedback নিন
✔️ নতুন শব্দ শিখে লেখায় ব্যবহার করুন

❤️ শেষ কথা

প্যারাগ্রাফ ও কম্পোজিশন শুধু মুখস্ত করে ভালো নম্বর পাওয়া যায় না।
আবার একেবারে না জেনে লিখতেও গেলে হতাশা আসে।

👉 একজন স্মার্ট শিক্ষার্থী জানে—
“আমি বিষয়টির idea রাখবো, structure/word context বুঝবো, তারপর নিজের মতো করে লিখবো।”

কারণ—
📌 Exam-এ নম্বর দেয় আপনার লেখা
📌 আর জীবনে আপনাকে এগিয়ে নেয় আপনার skill

'May you be a great free hand writer'

Photos from Togor's English Learning Platform's post 20/03/2026

🙌🙌🙌মোবাইল ছাড়া আমার চলেই না🙌🙌🙌

মাধ্যমিক আর উচ্চ মাধ্যমিকের ছেলে-মেয়েরা আজকাল মোবাইল, ট্যাব আর ল্যাপটপ ছাড়া এক মিনিটও কাটাতে পারে না। স্কুলের পড়া, অনলাইন ক্লাস, তারপর রিলস, গেম, ইউটিউব শর্টস—সব মিলিয়ে দিনের অনেকটা সময় চলে যায় স্ক্রিনের সামনে। কিন্তু এটা কতটা ঠিক? কতক্ষণ স্ক্রিনটাইম হওয়া উচিত? আর যদি আসক্তি হয়ে যায়, তাহলে কী করা যায়? আমি নিজে অনেক অভিভাবক আর শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে, আর একটা সার্ভে করে বিষয়টা নিয়ে একটা সহজ-সরল লেখা তৈরি করলাম। এগুলো কোনো লেকচার নয়, শুধু বাস্তব কথা।
প্রথমে কথা: স্ক্রিনটাইম কতক্ষণ হওয়া দরকার?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আর আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স (AAP) বলছে—মাধ্যমিক আর উচ্চ মাধ্যমিকের বয়সে (১১-১৮ বছর) বিনোদনের জন্য স্ক্রিনটাইম দিনে ২ ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ রিলস দেখা, গেম খেলা, ফেসবুক-ইনস্টায় স্ক্রল করা—এগুলোর জন্য সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা।
কিন্তু পড়াশোনার জন্য? সেটা আলাদা। অনলাইন ক্লাস, গুগল সার্চ করে নোট তৈরি, ক্যানভা দিয়ে প্রেজেন্টেশন বানানো—এগুলোকে “শিক্ষামূলক” বলে ধরা হয়। তাই এর কোনো কড়া লিমিট নেই। তবে মোট স্ক্রিনটাইম যেন ৭-৮ ঘণ্টার বেশি না হয় ( শুধু যারা অনলাইনে ক্লাস করে তাদের জন্য)।
বাস্তবে দেখা যায়, আমাদের দেশের অনেক ছাত্র-ছাত্রী দিনে ৬-৯ ঘণ্টা স্ক্রিনে কাটায়। ফলে ঘুম কমে, চোখে সমস্যা হয়, কাজে মনোযোগ কমে যায়। তাই নিয়ম করো: স্কুলের পর ১-১.৫ ঘণ্টা বিনোদন, তারপর বন্ধ। রাতে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে মোবাইল অফ।
🐥🐥ডিভাইসগুলোকে positively কীভাবে কাজে লাগাবে?🐥🐥

স্ক্রিন তো শয়তান নয়, এটা তোমার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে। শুধু ঠিক জায়গায় ব্যবহার করো:

পড়াশোনায়: Khan Academy, BYJU’s, Unacademy—এগুলোতে ফ্রি কোর্স করো। SSC/HSC-এর ম্যাথস বা ফিজিক্সের কঠিন টপিক wolframalpha থেকে বুঝে নাও।
ক্রিয়েটিভ কাজ: Canva দিয়ে পোস্টার বানাও, CapCut-এ নিজের শর্ট ভিডিও তৈরি করো (শিক্ষামূলক!), Notion বা Google Keep দিয়ে ডেইলি টাস্ক লিস্ট বানাও।
স্কিল ডেভেলপ: Duolingo-তে ইংরেজি বা অন্য ভাষা শেখো, Codecademy-তে কোডিং শুরু করো, Audible বা Spotify-তে পডকাস্ট শোনো (TED-Ed, Science Vs)।
সংগঠন: Remind অ্যাপে টিচারের অ্যাসাইনমেন্ট রিমাইন্ডার সেট করো, Google Calendar-এ পরীক্ষার ডেট রাখো।

আমার এক ছাত্রী ছিল—সে রিলস দেখে সময় নষ্ট করত। এখন সে প্রতিদিন ৩০ মিনিট YouTube-এ “English with Lucy” দেখে আর নোট নেয়। ফল? তার ইংরেজি মার্কস ১৫ থেকে ৮৫-এ উঠেছে। দেখো, ডিভাইস যদি “টুল” হয়, তাহলে জীবন বদলে দেয়।
স্ক্রিন আসক্তি কমানোর বাস্তব উপায়
আসক্তি মানে তোমার মস্তিষ্ক ডোপামিন চাইছে—রিলসের লাইক, গেমের লেভেল আপ। এটাকে একদিনে বন্ধ করা যায় না, কিন্তু ধীরে ধীরে কমানো যায়:

পরিবারের নিয়ম বানাও: সবাই মিলে ডিনারের সময়, ঘুমানোর আগে, আর সকালে প্রথম এক ঘণ্টা মোবাইল-ফ্রি।
অ্যাপ লিমিট: Android-এ Digital Wellbeing, iPhone-এ Screen Time চালু করো। Instagram আর TikTok-এ দিনে ৩০ মিনিট লিমিট সেট করো।
টেক-ফ্রি জোন: ঘরে পড়ার টেবিলে মোবাইল রাখো না। রাতে চার্জার বাইরের ঘরে রাখো।
বিকল্প খুঁজে নাও: আসক্তির সময়ে হাতে মোবাইল চলে গেলে—১০ মিনিট বই পড়ো, হাঁটতে বেরোও, বা বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলো (ভিডিও কল নয়, শুধু কথা)।
ছোট ছোট জয়: প্রথম সপ্তাহে ১ ঘণ্টা কমাও, তারপর আরও। প্রতি মাসে/সপ্তাহে নিজেকে রিওয়ার্ড দাও—নতুন জামা বা আইসক্রিম।
😎😎অভিভাবকের ভূমিকা😎😎
বাবা-মা যদি সারাদিন মোবাইলে থাকেন, তাহলে ছেলে-মেয়ে শুনবে না। তাই আগে নিজেরা মডেল হোন।

গেম, রিলস, শর্টসের আসক্তিকে পজিটিভ এনার্জিতে কনভার্ট করার উপায়
এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আসক্তির পেছনে যে “উত্তেজনা” আছে, সেটাকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দাও:

গেম থেকে → লার্নিং গেম বা রিয়েল অ্যাকটিভিটি: PUBG/ Free Fire-এর পরিবর্তে Chess.com বা Duolingo-র গেম খেলো (স্ট্র্যাটেজি শেখায়)। বা বাইরে ফুটবল/ক্রিকেট খেলো—একই অ্যাড্রেনালিন, কিন্তু শরীর ভালো হয়।
রিলস/শর্টস থেকে → এডুকেশনাল কনটেন্ট তৈরি: যে ১৫ মিনিট রিলস দেখো, সেই সময়ে নিজে একটা শর্ট ভিডিও বানাও—“আজকের পদার্থবিদ্যার টপিক ৬০ সেকেন্ডে”। CapCut-এ এডিট করো। এতে ক্রিয়েটিভিটি বাড়বে আর পড়াও মনে থাকবে।
ডোপামিন হ্যাক: প্রতিদিন ১০ মিনিট জার্নাল লেখো (Notion-এ), বা Sketchbook-এ আঁকো। বা একটা নতুন স্কিল শেখো—গিটার, কুকিং, বা ফটোগ্রাফি। প্রথমে কষ্ট হবে, কিন্তু ৭ দিন পর দেখবে মন ভালো লাগছে।
গ্রুপ অ্যাকটিভিটি: বন্ধুদের সঙ্গে “নো-স্ক্রিন চ্যালেঞ্জ” নাও—যে সবচেয়ে কম স্ক্রিন ব্যবহার করবে, সে আইসক্রিম খাবে। বা বইয়ের ক্লাব বানাও।
প্রকৃতির দিকে: সন্ধ্যায় ছাদে হাঁটো, গাছ লাগাও, বা পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলো। এগুলোতে একই “রিওয়ার্ড” পাবে, কিন্তু স্বাস্থ্যকর।
আমার এক ফুফাতো ভাই গেমে আসক্ত ছিল। আমরা সবাই মিলে তাকে বললাম, “তুই গেমের স্ট্র্যাটেজি এত ভালো বুঝিস, এবার Chess-এ ট্রাই কর।” আজ সে স্কুলের চেস চ্যাম্পিয়ন, আর গেমের সময় নিজেই কমিয়ে দিয়েছে।
শেষ কথা: কোনো কিছুই রাতারাতি বদলায় না। আজ থেকে শুধু একটা নিয়ম শুরু করো—দিনে ৩০ মিনিট কম স্ক্রিন। এক মাস পর দেখবে চোখের ঝাপসা কমেছে, ঘুম ভালো হচ্ছে, আর পড়ায় মন বসছে। তোমরা তো ভবিষ্যতের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, লেখক—স্ক্রিন তোমাদের সাহায্যকারী হোক, শত্রু নয়।

18/03/2026

📈 মোটিভেশন সাময়িক, কিন্তু নিয়মিত অভ্যাসই সাফল্যের চাবিকাঠি

'একজন শিক্ষার্থীর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার চেষ্টার ধারাবাহিকতা।'
অনেকেই মনে করে, একদিনে ১০-১২ ঘণ্টা পড়লেই সাফল্য নিশ্চিত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, একদিনের প্রবল উত্তেজনার চেয়ে প্রতিদিনের অল্প অল্প অনুশীলন অনেক বেশি শক্তিশালী। মোটিভেশন হয়তো তোমাকে কাজ শুরু করার উৎসাহ দেবে, কিন্তু কেবল 'নিয়মিত অভ্যাস' বা 'Habit' তোমাকে লক্ষ্যের শেষ সীমানা পর্যন্ত নিয়ে যাবে।
তুমি যদি Academic (SSC & HSC) পর্যায়ে ইংরেজিতে নিজের ভিত্তি শক্ত করতে চাও, তবে তোমার প্রয়োজন একটি সুশৃঙ্খল Daily Study Routine।
________________________________________
🌟 কেন ধারাবাহিকতা অন্যদের থেকে তোমাকে আলাদা করবে?
• ভীতি দূরীকরণ: প্রতিদিন ইংরেজি পড়ার অভ্যাস করলে গ্রামারের জটিল বিষয়গুলো আর পাহাড়সম কঠিন মনে হবে না।
• স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি: সপ্তাহে একদিন ৫ ঘণ্টা পড়ার চেয়ে প্রতিদিন ৩০ মিনিট পড়া তথ্য মনে রাখতে অনেক বেশি কার্যকর।
• মানসিক চাপমুক্তি: পরীক্ষার আগের রাতে সিলেবাস শেষ করার দুশ্চিন্তা থাকে না, কারণ তুমি প্রতিদিন একটু একটু করে নিজেকে তৈরি করেছ।
• নিজস্ব রাইটিং স্কিল: নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে তোমার শব্দভাণ্ডার (Vocabulary) ও ফ্রি-হ্যান্ড রাইটিং বাড়ে, যা পরীক্ষায় বাড়তি মার্কস নিশ্চিত করে।
________________________________________
🛠️ টগর’স ইংলিশ রেগুলারিটি মেইনটেইন করতে যেভাবে তোমাকে সহায়তা করবেঃ
• ব্যক্তিগত গাইডলাইন: প্রতিটি শিক্ষার্থীর পড়ার ধরন আলাদা, তাই আমরা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য কার্যকর একটি স্টাডি প্ল্যান দিই।
• নিয়মিত ক্লাস ও প্র্যাকটিস: ক্লাসের অনেক পড়া ক্লাসেই শেষ করে ফেলার পদ্ধতি, যাতে তোমার বাড়িতে পড়ার চাপ কমে যায়।
• প্রগ্রেস ট্র্যাকিং: প্রতিদিনের ছোট ছোট সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে আমরা তোমার উন্নতি পর্যবেক্ষণ করি।
• বিশেষ টেকনিক: যারা পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে পারো না, তাদেরকে দেওয়া হয় সাইকোলজিক্যাল টিপস ও ট্রিক্স।
________________________________________
"Daily study routine একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।" মোটিভেশনের অপেক্ষায় বসে না থেকে আজ থেকেই অভ্যাসে পরিবর্তন আনো। তোমার পরিশ্রম আর আমাদের সঠিক দিকনির্দেশনা মিলে তৈরি হবে এক দারুণ সাফল্যের গল্প।

18/03/2026

ইংরেজি পরীক্ষায় ভালো মার্ক পেতে সবচেয়ে বেশি যে জায়গায় শিক্ষার্থীরা ভুল করে, তা হলো Writing Section। spelling mistake, punctuation error, sentence structure—এই ছোট ছোট ভুলগুলোই অনেক সময় নম্বর কমিয়ে দেয়। সঠিক অনুশীলন এবং গাইডলাইনের মাধ্যমে এগুলো সহজেই ঠিক করা যায়। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই লেখাটির মাধ্যমে কিছু গাইডলাইন দেওয়া হলো:
১। স্পেলিং মিস্টেক এড়ানো: স্পেলিং মিস্টেক বা ভুল বানান ইংরেজি লেখায় একটি সাধারণ সমস্যা। এটি এড়াতে শিক্ষার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন, প্রচুর পরিমাণে ইংরেজি বই, পত্রিকা ও প্রবন্ধ পাঠ করা বানান মনে রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া নিয়মিত বানান লেখার অভ্যাস করা অত্যন্ত জরুরি। নতুন শব্দ শেখার সময় এর সঠিক বানান ও উচ্চারণ একই সাথে শিখতে হবে। লেখার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হলে ডিকশনারি বা অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করা দরকার।
২। পাংচুয়েশন এর সঠিক ব্যবহার: বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার লেখার অর্থ ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে। এই নিয়মগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন:
ক. কমা (,): এটি মূলত তথ্য বা ঘটনা আলাদা করতে ব্যবহার হয়। যেমন: I like to read, write, and travel.
খ. ফুলস্টপ (.): একটি বাক্য সম্পন্ন করতে এর ব্যবহার করা হয়। যেমন: I went to school today.
গ. কোশ্চেন মার্ক (?): এটি প্রশ্নবোধক বাক্য বা কোনো তথ্যের জিজ্ঞাসার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। যেমন: How are you doing today?
৩। বাক্য গঠন ঠিক রাখা: একটি সঠিক ইংরেজি বাক্য মূলত চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়। এগুলো হলো: সাবজেক্ট (Subject), ভার্ব (Verb), অবজেক্ট (Object), এবং কমপ্লিমেন্ট (Complement)।
* সাবজেক্ট (Subject): বাক্যের মূল বিষয়বস্তু। যেমন: 'The boy' in 'The boy plays football.'
* ভার্ব (Verb): বাক্যের কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যবহৃত ক্রিয়া। যেমন: 'Plays' in 'The boy plays football.'
* অবজেক্ট (Object): ক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল উপাদান। যেমন: 'Football' in 'The boy plays football.'
* কমপ্লিমেন্ট (Complement): বাক্যের অর্থ সম্পন্নকারী অতিরিক্ত তথ্য। যেমন: 'A teacher' in 'He is a teacher.'
বাক্যের এই উপাদানগুলো সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো হয়। সবচেয়ে সাধারণ ক্রম হলো subject-verb-object (SVO)। যেমন: 'I (S) love (V) music (O).' তবে কিছু বিশেষ বাক্যে, যেমন প্রশ্নবোধক বাক্যে, এই সিরিয়াল পরিবর্তন হতে পারে।
৪। সাবজেক্ট-ভার্ব এগ্রিমেন্ট: সঠিক গ্রামারের জন্য সাবজেক্ট এবং ভার্বের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বোঝায় যে সাবজেক্ট একবচন (singular) হলে ভার্বও একবচন হবে এবং সাবজেক্ট বহুবচন (plural) হলে ভার্বও বহুবচন হবে। নিচে এর নিয়মগুলো দেওয়া হলো:
* একবচন সাবজেক্ট: যদি সাবজেক্ট 'I', 'he', 'she', 'it', 'singular nouns' হয়, তবে ভার্ব হবে একবচন। যেমন:
* I am a student.
* He is running.
* She plays the piano.
* The boy runs fast.
* বহুবচন সাবজেক্ট: যদি সাবজেক্ট 'we', 'you', 'they', 'plural nouns' হয়, তবে ভার্ব হবে বহুবচন। যেমন:
* We are happy.
* You are a good cook.
* They play basketball.
* The boys run fast.
এছাড়াও কিছু বিশেষ নিয়ম মনে রাখা প্রয়োজন, যেমন: 'everyone' বা 'nobody' এর সাথে সবসময় singular verb ব্যবহার হয় (যেমন: 'everyone is here') এবং কিছু জটিল বাক্যে closest matching subject এর সাথে correct verb ব্যবহার করা জরুরি।
৫। বাক্যের ধরন: ইংরেজি বাক্যের গঠন মূলত তিন ধরনের হয়: simple sequence, complex sequence, এবং compound structure।
ক. সিম্পল সিকোয়েন্স (Simple sequence): এটি একটি একক ইন্ডিপেনডেন্ট ক্লজ (independent clause) বা মূল অংশ নিয়ে গঠিত হয়। এই ধরনের বাক্যের সাবজেক্ট এবং প্রেডিকেট (predicate) থাকে এবং এটি একটি একক ধারণা প্রকাশ করে। উদাহরণ: She ran to the park.
খ. কমপ্লেক্স সিকোয়েন্স (Complex sequence): এটি একটি ইন্ডিপেনডেন্ট ক্লজ (independent clause) বা মূল অংশ এবং এক বা একাধিক ডিপেনডেন্ট ক্লজ (dependent clause) বা নির্ভরশীল অংশ নিয়ে গঠিত হয়। নির্ভরশীল অংশটি সাধারণত একটি সাবোর্ডিনেটিং কনজাংশন (subordinating conjunction) দ্বারা শুরু হয় এবং এটি মূল অংশটির অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে। উদাহরণ: She ran to the park because she wanted to exercise. (এখানে 'because she wanted to exercise' হলো ডিপেনডেন্ট ক্লজ।)
গ. কম্পাউন্ড স্ট্রাকচার (Compound structure): এটি দুই বা ততোধিক ইন্ডিপেনডেন্ট ক্লজ (independent clause) বা মূল অংশ নিয়ে গঠিত হয়, যা একটি কোঅর্ডিনেটিং কনজাংশন (coordinating conjunction) যেমন 'and', 'but', 'or' দ্বারা সংযুক্ত থাকে। উদাহরণ: She ran to the park, but I walked. (এখানে 'She ran to the park' এবং 'I walked' হলো দুটি ইন্ডিপেনডেন্ট ক্লজ।)
৬। Sentence Connectors সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারা। প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক স্থানে সঠিক সেন্টেন্স কানেক্টর ব্যবহার করলে লেখার মান বাড়ে, লেখা শ্রুতিমধুর ও পঠনমধুর হয়, বেশি মার্ক ক্যারি করা যায়।
এই বিষয়গুলো মনে রেখে নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইংরেজি রাইটিং এ ভালো নম্বর অর্জন করতে পারবে। SSC ও HSC Academic English-এ ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে, সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে ইংরেজিকে আয়ত্তে আনা সম্ভব।

Photos from Togor's English Learning Platform's post 14/03/2026

📚 ভালো মার্কের পেছনের বাস্তব গল্প
“ভালো মার্ক মানে ভালো স্টুডেন্ট”—
কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া কথাটি অনেকাংশেই সত্য।
কিন্তু এই ভালো মার্কের পেছনে কোনো যাদু নেই, নেই কোনো শর্টকাট।
আছে পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন এবং সঠিক গাইডলাইন।
একজন শিক্ষার্থীকে অনেক সময়—
• নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়
• অসুস্থ শরীরেও পড়তে বসতে হয়
• সামাজিক অনুষ্ঠানের ইচ্ছা দমন করতে হয়
• লোডশেডিংয়ের মধ্যে মোমবাতির আলোয় পড়তে হয়
• এক প্রাইভেট থেকে অন্য প্রাইভেটে দৌড়াতে হয়
এই সব কিছুর মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে তৈরি হয় একটি সফলতার গল্প।
কারণ আমরা ভুলে যাই—
সময় সবকিছু মনে রাখে, কোনো পরিশ্রমই কখনো বৃথা যায় না।

✍️ ইংরেজিতে ভালো করার গোপন রহস্য
ইংরেজিতে ভালো করতে শুধু Grammar জানলেই হয় না।
বিশেষ করে Academic Writing Skill খুব গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব বিষয়ের উপর আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিই—
✔ Correct Spelling
✔ Word Selection / Poetic Diction
✔ Complex & Compound Sentence
✔ Sentence Connectors
✔ Capitalization
✔ Punctuation Marks
✔ Clean & Organized Writing
হাতের লেখা সবসময় ভালো মার্কের নিশ্চয়তা না দিলেও—
📌 খাতার পরিচ্ছন্নতা
📌 Word spacing
📌 Line spacing
📌 Overwriting এড়িয়ে লেখা
—এসব বিষয় পরীক্ষকের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সংযুক্ত ছবিতে SSC-2026 ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কয়েকটি Writing Sample দেওয়া হলো।

🏆 আমাদের অর্জন
আলহামদুলিল্লাহ—
📊 SSC 2025 ব্যাচ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী 1200+ মার্ক পেয়েছে।
গত বছরের মতো এবারও আশা করছি—
🎯 SSC-2026 ব্যাচ থেকে ৫-৭ জন শিক্ষার্থী 1200+ মার্ক অর্জন করবে।

👨‍🏫 আমাদের অভিজ্ঞতা
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আমি কাজ করছি—
📖 Secondary & Higher Secondary Academic English নিয়ে।
এই দীর্ঘ যাত্রায় অসংখ্য চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে।
কিন্তু শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা ও আস্থাই আমাকে এগিয়ে যেতে সাহস দিয়েছে।
আপনাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

🎯 নতুন ব্যাচে ভর্তি চলছে
যারা—
• SSC / HSC Academic English এ ভালো করতে চাও
• Writing Skill উন্নত করতে চাও
• পরীক্ষায় High Mark পেতে চাও
তাদের জন্য সীমিত আসনে ভর্তি চলছে।
📌 Batch: SSC 2027/ 2028
📌 Batch: HSC 2027
📌 Subject: Academic English (1st & 2nd Paper)
📩 ইনবক্স করুন অথবা যোগাযোগ করুন।

⭐ ভালো গাইডলাইন + নিয়মিত অনুশীলন = ভালো ফলাফল
আপনার সন্তানের ইংরেজি দক্ষতা উন্নয়নের জন্য
আজই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

Photos from Togor's English Learning Platform's post 09/03/2026

আপনি ঠিক সেরকম, যেমনটা আপনি চিন্তা করেন। অর্থাৎ, মানুষ তার চিন্তার মতই। আজ ৮ম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে ইফতার করলাম। ইফতার শেষে মতির দোকানে চা খেলাম সবাই মিলে। বয়সের ব্যবধান কখনো আত্মিক ব্যবধান হতে পারেনা। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা, অভিভাবকগণের বিশ্বাসই আমার একমাত্র পুঁজি। সকল শিক্ষার্থীকে অসংখ্য ধন্যবাদ-কৃতজ্ঞতা।

25/02/2026

প্রিয় অভিভাবক,
আপনার সন্তান কি ৮ম, ৯ম, ১০ম, ১১শ বা ১২শ শ্রেণিতে পড়ে? ইংরেজি বিষয়টা নিয়ে কি একটু হলেও দুশ্চিন্তা আছে?

আমরা বুঝি।

বিশেষ করে এই শ্রেণিগুলোতে ইংরেজি যেন এক অদ্ভুত আতঙ্কের নাম। পাশ করার মতো করে ইংরেজি শিখলেই কি হয়? বাস্তবে কি সে নিজের thoughts ইংরেজিতে লিখতে পারে? সাহিত্যের কোনো অংশ পড়ে ভাবপ্রকাশ করতে পারে?

Togor's English Learning Platform-এ আমরা সেই আতঙ্কটাকেই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসে বদলাতে চাই।

💡 কেন এই ক্লাসগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ?
৮ম শ্রেণি: এটাই ভিত্তি গড়ার সময়। গ্রামারের মূল জিনিসগুলো যদি এখানে clear না হয়, পরের ধাপে গিয়ে জটিলতা বাড়ে।

৯ম-১০ম শ্রেণি: পাবলিক পরীক্ষার প্রস্তুতি একনই। শুধু মুখস্থ না—বিষয়টা বুঝে শিখলে SSC-তে ভালো করা সম্ভব। আর ভালো মার্কস শুধু পাস নয়, গড়ে তোলে সন্তানের আত্মবিশ্বাস।

১১শ-১২শ শ্রেণি: এই সময়টা সবচেয়ে sensitive। HSC-র প্রস্তুতি, কলেজের চাপ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার—সবকিছু মিলিয়ে ইংরেজিটা যেন বোঝা না হয়ে যায়। অথচ এই ইংরেজিই পরবর্তী জীবনে বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যারিয়ারের দরজা খুলে দেয়।

✨ টগর'স ইংলিশ লার্নিং প্ল্যাটফর্মে যা পাবে আপনার সন্তান:
✔ পাঠ্যবই-ভিত্তিক অথচ গভীর শিক্ষা: আমরা শুধু উত্তর মুখস্থ করাই না, সাহিত্যের প্রতিটি লাইন, ব্যাকরণের প্রতিটি নিয়ম বুঝিয়ে পড়াই। কারণ যতক্ষণ না বুঝবে, ততক্ষণ ইংরেজি নিজের হবে না।

✔ ছোট ছোট ব্যাচ, সবার প্রতি সমান মনোযোগ: প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতা আলাদা। আমরা সেটা চিহ্নিত করে ব্যক্তিগতভাবে গাইড করি।

✔ পরীক্ষা নয়, নিয়মিত অনুশীলন: সাপ্তাহিক ও মাসিক মূল্যায়নের মাধ্যমে আমরা দেখি সে কতটা এগোচ্ছে। মার্কসের চেয়েও important—সে ভুল থেকে শিখছে, সংশোধন করছে।

🏡 একটু পরিচিত ঠিকানা, কিন্তু নতুন করে শেখার আয়োজন
নাটাইপাড়া, বগুড়া—যেখানে বিভিন্ন স্থানীয় স্কুল ও আশেপাশের শিক্ষার্থীরা নির্ভাবনায় আসতে পারে। শহরের কাছাকাছি, অথচ কোলাহলমুক্ত।

আপনার সন্তান হয়তো এখনই ভালো করছে। কিন্তু আমরা চাই, সে শুধু ভালো না—নিজের সামর্থ্যটাকে পুরোপুরি চিনতে পারুক।

একটি ফোন কলই শুরু হতে পারে ইংরেজি শেখার ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার।

📞 যোগাযোগ করুন: ০১৭১৭-১৭৫৪৩৬
📧 ইমেইল: [email protected]
📺 ইউটিউবে শেখার ভিডিও: youtube.com/-ELL

Togor's English Learning Platform
একাডেমিক ইংরেজি শেখার সঠিক ঠিকানা

21/02/2026

📚 ইংরেজি: আতঙ্ক নয়, আত্মবিশ্বাসের বিষয় হয়ে উঠুক

প্রিয় অভিভাবক,
আপনার সন্তান কি ৮ম, ৯ম, ১০ম, ১১শ বা ১২শ শ্রেণিতে পড়ে? ইংরেজি বিষয়টা নিয়ে কি একটু হলেও দুশ্চিন্তা আছে?

আমরা বুঝি।

বিশেষ করে এই শ্রেণিগুলোতে ইংরেজি যেন এক অদ্ভুত আতঙ্কের নাম। পাশ করার মতো করে ইংরেজি শিখলেই কি হয়? বাস্তবে কি সে নিজের thoughts ইংরেজিতে লিখতে পারে? সাহিত্যের কোনো অংশ পড়ে ভাবপ্রকাশ করতে পারে?

**Togor's English Learning Platform**-এ আমরা সেই আতঙ্কটাকেই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসে বদলাতে চাই।

💡 কেন এই ক্লাসগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ?

**৮ম শ্রেণি- এটাই ভিত্তি গড়ার সময়। গ্রামারের মূল জিনিসগুলো যদি এখানে clear না হয়, পরের ধাপে গিয়ে জটিলতা বাড়ে।

**৯ম-১০ম শ্রেণি- এস এস সি বা পাবলিক পরীক্ষার প্রস্তুতি এখানেই। শুধু মুখস্থ না—বিষয়টা বুঝে শিখলে SSC-তে ভালো করা সম্ভব। আর ভালো মার্কস শুধু পাস নয়, গড়ে তোলে সন্তানের আত্মবিশ্বাস।

**১১শ-১২শ শ্রেণি- এই সময়টা সবচেয়ে sensitive। HSC-র প্রস্তুতি, কলেজের চাপ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার—সবকিছু মিলিয়ে ইংরেজিটা যেন বোঝা না হয়ে যায়। অথচ এই ইংরেজিই পরবর্তী জীবনে বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যারিয়ারের দরজা খুলে দেয়।

🙌 টগর'স ইংলিশ লার্নিং প্ল্যাটফর্মে যা পাবে আপনার সন্তান:

✔ পাঠ্যবই-ভিত্তিক অথচ গভীর শিক্ষাঃ আমরা শুধু উত্তর মুখস্থ করাই না, সাহিত্যের প্রতিটি লাইন, প্রতিটি অজানা শব্দের ব্যখ্যা ও উদাহরণ দিয়ে থাকি, ব্যাকরণের প্রতিটি নিয়ম বুঝিয়ে পড়াই। কারণ যতক্ষণ না বুঝবে, ততক্ষণ ইংরেজি নিজের হবে না।

✔ ছোট ছোট ক্লাস, সকলের প্রতি সমান মনোযোগঃ প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতা আলাদা। আমরা সেটা চিহ্নিত করে ব্যক্তিগতভাবে গাইড করি।

✔ পরীক্ষা নয়, নিয়মিত অনুশীলনঃ সাপ্তাহিক ও মাসিক মূল্যায়নের মাধ্যমে আমরা দেখি সে কতটা এগোচ্ছে। মার্কসের চেয়েও important—সে ভুল থেকে কতটা শিখতে পারছে।

🏡 একটু পরিচিত ঠিকানা, কিন্তু নতুন করে শেখার আয়োজন

নাটাইপাড়া, বগুড়া—যেখানে স্থানীয় এবং আশেপাশের শিক্ষার্থীরা নির্ভাবনায় আসতে পারে। শহরের কাছাকাছি, অথচ কোলাহলমুক্ত।

আপনার সন্তান হয়তো এখনই ভালো করছে। কিন্তু আমরা চাই, সে শুধু ভালো না—নিজের সামর্থ্যটাকে পুরোপুরি চিনতে পারুক।

একটি ফোন কলই শুরু হতে পারে ইংরেজি শেখার ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার।

📞 যোগাযোগ করুনঃ ০১৭১৭-১৭৫৪৩৬
📧 ইমেইলঃ [email protected]
📺 ইউটিউবে শেখার ভিডিওঃ youtube.com/-ELL

**Togor's English Learning Platform**
*একাডেমিক ইংরেজি শেখার সঠিক ঠিকানা*

#একাডেমিক_ইংরেজি #ইংলিশ_গ্রামার #এইচএসসি_ইংরেজি #এসএসসি #বগুড়া #নাটাইপাড়া

06/03/2025

connectors

Photos from Togor's English Language Lab's post 08/07/2024

সর্বশেষ এসএসসি পরীক্ষা হবে এবার। এসএসসি-২০২৫। টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে নভেম্বরে। টেস্টের প্রস্তুতির জন্য অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ইংরেজী বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা টেস্ট পরীক্ষার আগে পর্যন্ত জোর দিচ্ছি কন্টেকচুয়াল গ্রামার (৬০ মার্ক্স) ফার্স্ট ও সেকেন্ড পেপারের রাইটিং (৯০ মার্ক্স) ও টেক্সট বইয়ের (৫০ মার্ক্স) সীন/আনসীন পেসেজগুলোর উপর। তারই ধারাবাহিকতায় বরাবরের মতই এবারো তৈরী করা হয়েছে ক্লাস পরিকল্পনা। এটাচসড করা জেপিইজি ফাইলটি টেস্ট পূর্ববর্তী সেই রুটিন।

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Bou Bazzar, Nataipara
Bogura
5800