Md Shemon Ahmmed

Md Shemon Ahmmed

Share

সরকারি নাজির আখতার অনার্স কলেজ, সোনাত?

18/02/2026

~ব্রেকিং~
রমজানে স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে নিম্ন মাধ্যমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

18/02/2026

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে।
রোজা শুরু আগামীকাল বৃহস্পতিবার।
রমাদান মুবারাক 🌙

17/02/2026

চাঁদ দেখা যায়নি, ওমান-মালয়েশিয়ায় বৃহস্পতিবার রোজা শুরু

16/02/2026

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি লিখিতভাবে এই আসন ছেড়ে দিয়েছেন। ইসিতে চিঠি

16/02/2026

~সদ্যপ্রাপ্ত~
রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ–স্থগিত করা হয়েছে।

13/02/2026

🔥🔥 হ্যাঁ ভোটের বিজয়ে দেশের চাবি হিসেবে যা যা পেতে যাচ্ছে জনগণ!

বিশাল জনসমর্থন নিয়ে ঐতিহাসিক গণভোটে জয়লাভ করেছে নতুন ‘জুলাই সনদ’। এই বিজয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের চাবিকাঠি এখন সরাসরি জনগণের হাতে চলে এসেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানে আসতে যাচ্ছে ৪৭টি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এই নতুন ব্যবস্থা কেবল কাগজের দলিল নয়, বরং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করার এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। নতুন সরকার এই প্রতিশ্রুতিগুলো পালনে বাধ্য থাকবে, কারণ সংশোধিত সংবিধানে নাগরিক অধিকার হরণের পথ চিরতরে বন্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জুলাই সনদে ৪৭টি সাংবিধানিক সংশোধনের প্রস্তাব ছিলো। এর মধ্যে প্রথমটি হলো বাংলার পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রচলিত সব মাতৃভাষা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পাবে। এরপর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি আসছে নাগরিকের পরিচয়ে। “বাঙালি” নয়, নাগরিকের জাতীয়তা হবে “বাংলাদেশী”।

সংবিধান বদলাতে হলে আর শুধু সাধারণ ভোটে হবে না। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, নিচের কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ আর ওপরের কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন লাগবে। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বদলাতে লাগবে গণভোট।

সংবিধানের মূলনীতিতেও আসবে বড় বদল। আগের চার নীতির জায়গায় আসবে সামাজিক সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। ধর্মনিরপেক্ষতার মানে ধরা হবে, সব ধর্মের মানুষ যেন মর্যাদার সঙ্গে একসঙ্গে থাকতে পারে।

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার অধিকারের পাশাপাশি কোনো সরকার বন্ধ করতে পারবে না ইন্টারনেট সেবা।
জরুরি অবস্থা জারি করতে শুধু প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নয়, মন্ত্রিসভা আর বিরোধী দলের নেতাদের সম্মতিও লাগবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে। গুরুত্বপূর্ণ কমিশনের প্রধানদের নিয়োগে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা স্বাধীন থাকবে। তাকে অপসারণে লাগবে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট। কোনো অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে হলে লাগবে ভুক্তভোগীর পরিবারের সম্মতি। এছাড়া এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার চালু হবে, তবে গঠিত হবে শাসক দল ও দুই বিরোধী দলের ঐকমত্যে।

সংসদ হবে দুই কক্ষের। উচ্চকক্ষে থাকবে ১০০ আসন, যা আনুপাতিক ভোটে বণ্টিত হবে। নিম্নকক্ষে নারীদের সংরক্ষিত আসন বাড়িয়ে ধাপে ধাপে ১০০ করা হবে। ডেপুটি স্পিকার আসবেন বিরোধী দল থেকে। সংসদে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্যরা ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন।

বড় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চুক্তি করতে হলে দুই কক্ষের অনুমোদন লাগবে। নির্বাচনী সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের বদলে সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির হাতে যাবে। নির্বাচন কমিশন আর শুধু একপক্ষের সিদ্ধান্তে গঠিত হবে না। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে কমিশন গঠন হবে। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে। আপিল বিভাগে কতজন বিচারপতি লাগবে, সেটা ঠিক করবেন প্রধান বিচারপতি। আর হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতাও থাকবে তার হাতেই।

বিচার বিভাগকে পুরোপুরি স্বাধীন করার কথা বলা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চ বসবে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করা হবে। অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের নিয়ন্ত্রণও থাকবে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে।

ন্যায়পাল নিয়োগেও একাধিক পক্ষের অংশগ্রহণ থাকবে—স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিরোধী দল ও দ্বিতীয় বিরোধী দলের নেতা এবং আপিল বিভাগের বিচারপতিরা মিলেই তদারকি করবেন। পাবলিক সার্ভিস কমিশন, মহা-হিসাব নিরীক্ষক, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে। সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন একটি অনুচ্ছেদ যোগ করার প্রস্তাবও আছে।

জনপ্রশাসনে বড় রদবদল আনার জন্য গঠন করা হবে স্থায়ী ও স্বাধীন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। বর্তমান পিএসসিকে ভাগ করে সাধারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এই তিন ভাগে বিভক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি নতুন করে কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রস্তাবও

জুলাই সনদে ৪৭টি সাংবিধানিক সংশোধনের প্রস্তাব ছিলো। এর মধ্যে প্রথমটি হলো বাংলার পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রচলিত সব মাতৃভাষা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পাবে। এরপর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি আসছে নাগরিকের পরিচয়ে। “বাঙালি” নয়, নাগরিকের জাতীয়তা হবে “বাংলাদেশী”।

সংবিধান বদলাতে হলে আর শুধু সাধারণ ভোটে হবে না। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, নিচের কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ আর ওপরের কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন লাগবে। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বদলাতে লাগবে গণভোট।

সংবিধানের মূলনীতিতেও আসবে বড় বদল। আগের চার নীতির জায়গায় আসবে সামাজিক সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। ধর্মনিরপেক্ষতার মানে ধরা হবে, সব ধর্মের মানুষ যেন মর্যাদার সঙ্গে একসঙ্গে থাকতে পারে।

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার অধিকারের পাশাপাশি কোনো সরকার বন্ধ করতে পারবে না ইন্টারনেট সেবা।

জরুরি অবস্থা জারি করতে শুধু প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নয়, মন্ত্রিসভা আর বিরোধী দলের নেতাদের সম্মতিও লাগবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে। গুরুত্বপূর্ণ কমিশনের প্রধানদের নিয়োগে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা স্বাধীন থাকবে। তাকে অপসারণে লাগবে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট। কোনো অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে হলে লাগবে ভুক্তভোগীর পরিবারের সম্মতি। এছাড়া এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার চালু হবে, তবে গঠিত হবে শাসক দল ও দুই বিরোধী দলের ঐকমত্যে।

সংসদ হবে দুই কক্ষের। উচ্চকক্ষে থাকবে ১০০ আসন, যা আনুপাতিক ভোটে বণ্টিত হবে। নিম্নকক্ষে নারীদের সংরক্ষিত আসন বাড়িয়ে ধাপে ধাপে ১০০ করা হবে। ডেপুটি স্পিকার আসবেন বিরোধী দল থেকে। সংসদে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্যরা ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন।

বড় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চুক্তি করতে হলে দুই কক্ষের অনুমোদন লাগবে। নির্বাচনী সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের বদলে সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির হাতে যাবে। নির্বাচন কমিশন আর শুধু একপক্ষের সিদ্ধান্তে গঠিত হবে না। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে কমিশন গঠন হবে। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে। আপিল বিভাগে কতজন বিচারপতি লাগবে, সেটা ঠিক করবেন প্রধান বিচারপতি। আর হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতাও থাকবে তার হাতেই।

বিচার বিভাগকে পুরোপুরি স্বাধীন করার কথা বলা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চ বসবে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করা হবে। অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের নিয়ন্ত্রণও থাকবে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে।

ন্যায়পাল নিয়োগেও একাধিক পক্ষের অংশগ্রহণ থাকবে—স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিরোধী দল ও দ্বিতীয় বিরোধী দলের নেতা এবং আপিল বিভাগের বিচারপতিরা মিলেই তদারকি করবেন। পাবলিক সার্ভিস কমিশন, মহা-হিসাব নিরীক্ষক, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে। সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন একটি অনুচ্ছেদ যোগ করার প্রস্তাবও আছে।

জনপ্রশাসনে বড় রদবদল আনার জন্য গঠন করা হবে স্থায়ী ও স্বাধীন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। বর্তমান পিএসসিকে ভাগ করে সাধারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এই তিন ভাগে বিভক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি নতুন করে কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে।
কপি পোস্ট। ©️

13/02/2026

বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি হলেন হান্নান মাসুদ।
এইচএসসি ব্যাচ ২০১৯

13/02/2026

বিকাশ, নগদ রকেটে
মোবাইল ব্যাংকিং লিমিট তুলে নিয়েছে BB।
টাকা পাঠানোর আর বাধা নেই

11/02/2026

রাত পোহালেই ভোট। আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।

08/02/2026

৪৬ তম বি.সি.এস. পরীক্ষা-২০২২ এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে

29/01/2026

আগামীকাল ৩০ জানুয়ারি সকাল ১০:০০টায় ৫০তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

28/01/2026

৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা– স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস সাকিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Bogura
5826

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00