26/12/2025
The Beauty of AHC Campus
The AHC is one of the best National Universities in Bangladesh. It has a large as well as a beautiful campus. So stay with us & send photos of AHC campus.
26/12/2025
ফেইসবুক রিল, ইউটিউব শর্টস, আর টিকটক।
মেয়েদের এই ডিজিটাল বেশ্যাবৃত্তি বন্ধে সামাজিকভাবে শক্ত পদক্ষেপ না নিলে আমাদের ভবিষ্যৎ বিপজ্জনক দিকে মোড় নিবে।
আমি ইয়াংদের খুব সচেতনভাবে লক্ষ্য করি। এরা কিভাবে চলাফেরা করে, কী ভাবে সবই।
আমি বিশেষজ্ঞ না এই বিষয়ে ফলে আমার ভুল হতে পারে, তবে একটা নির্লজ্জ্য, মানসিকভাবে অসুস্থ, নার্সিস্ট আর পড়ালেখার সাথে ন্যুনতম সম্পর্কহীন একটা জেনারেশন গড়ে উঠছে। এটা যে কতটা বিপজ্জনক এটা ট্রুলি টের পাওয়া যাবে আর বছর দশেক পরে। বিলিভ মি।
নির্লজ্জ্যতা এই জেনারেশনের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
একটা জেনারেশনকে এইভাবে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যেতে দেখা বেদনাদায়ক।
বাবা মায়েরা, প্লিজ বাচ্চাদের দিকে নজর দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ওঠার আগে মোবাইল দিয়েন না। নিতান্তই প্রয়োজন হলে নিয়মিত মোবাইল চেক করেন। টিকটকের অ্যাকাউন্ট আছে কিনা, ফেইসবুকে কাদের সাথে কথা বলে, কী আপলোড করে, ইউটিউবে ভিডিও দিচ্ছে কিনা, খেয়াল রাখেন।
এগুলো করতে গেলে বাধা দিলে বাসা থেকে বের করে দেন। বিলিভ মি, দুইদিন পরে ফিরে আসবে। প্রয়োজনে গাছের ডাল ভেঙে সেটা দিয়ে পেটান। সব বিষয়ে কম্প্রোমাইজ করেন, তবে এগুলোর বিষয়ে নয়।
মেয়েদের ক্ষেত্রে অহেতুক মেইক আপ ও নারীবাদ আর ছেলেদের ক্ষেত্রে দোতলা করে কাটা চুল আর মটরসাইকেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবার আগে এই দুটো বিষয়ে নজর রাখেন। ছেলেদের ক্ষেত্রে মটরসাইকেল দিবেন বিশ্ববিদ্যালয় শেষ হবার পরে।
অভিজ্ঞতায় দেখেছি, গো-য়া মারা খাবার আগে আমার কথা সাধারণত মানুষ শোনে না। কালো মোটা আর দেখতে ভালো না এইজন্য। তবে এই কথাটা শোনেন। জীবনটা ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচান।
©
আমরা ভুলে গেছি এই খেলায় জেতার জন্য আইসিসির পারমিশন লাগে। সাকিব বুঝেই বলেছে যা বলার।
©
এত বছর ক্রিকেট খেলার পর,
এত বিপিএল, কোচিং, এত সফর, এত গুলো বিশ্বকাপ, এত সিরিজ
সব শেষে যদি আমাদের ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন এখন এই ২০২২ এ খেলার আগে জনসম্মুখে এসে বলে ইন্ডিয়াকে হারালে একটা আপসেট হবে!
তাহলে আসলেই এই ক্রিকেটের আর দরকার নাই।
এদেরকে না খেলিয়েই দেশে ফিরিয়ে নিয়ে সব নতুন করে আবার শুরু করুক।
এখন নেদারল্যান্ডও যে কারো সাথে মাঠে নামার আগে চোখে চোখ রাখে!
আয়ারল্যান্ড হুমকি দিয়ে খেলতে নামে!
এত বছর পরে এসে এসব কথা বলা ( যে মনস্তাত্ত্বিক কারনেই বলুক) দলের সাপোর্টারদের সাথে প্রতারণা করার মতই!
ক্লাস সেভেন এইটের একটা বাচ্চা,
সারাদিন ধরে যে উত্তেজনা বয়ে বেড়ায় দলের খেলা দেখবে বলে, সে আবেগকে রীতিমতো ছুড়ে ফেলা দেয়া!
এই ' আমি ছোট আমাকে মারবেন না ' ক্রিকেট সে কেনো ফলো করবে?
এই মিউ মিউ বাঘের কান্ড দেখবার জন্য কে ঘুম থেকে উঠবে!
©
এ সকল আয়োজন, এত ফুল, গম্ভীর সভা, পতাকা, ভুল বানান, গলা কাঁপা বক্তব্য, চোখের জল,
এসবে মোড়ানো সভা পরিত্যাগ করে,
মাননীয়রা যদি সহজ ভাষায়, একটা মাইক টেনে নিয়ে বলতেন,
এই পঞ্চাশ বছর বয়স্ক দেশটা আপনাদের সকলের।
সকলের একটাই পরিচয়, বাংলাদেশী।
এই দেশে, ছোট বড় নাই।
গরীব ধনি নাই।
ক্ষমতাবান, আমজনতা নাই।
নাই আদিবাসী, সংখ্যা গুরু, সংখ্যা লঘু।
সার্জেন্ট, বিচারক পুত্র নাই। যার দায় তার নিতে হবে।
অপরাধ মানে অপরাধ।
অন্যায় ফোন নাই, কোথাও লবিং নাই। রাজনৈতিক পা চাটা ভিসি নিয়োগ নাই। থিসিস চোর দেশের সবচেয়ে বড় চোর।
সকলের সকল কাজের জবাবদিহিতা আছে।
ফার্স্ট ক্লাস সেকন্ড ক্লাস বলে কোন অফিসার হয়না।
সকলেই রাষ্ট্রযন্ত্রের মামুলি কর্মচারী।
কারো স্যার শুনবার আগ্রহ, একটা চুড়ান্ত পোস্ট কলোনিয়াল অসভ্যতা।
তাহলেই হয়তো আমরা আবার একটা স্বপ্ন দেখার সাহস পেতাম।
তা হয়না!
মিথ্যা মিথ্যি বক্তব্য চলতেই থাকে।
বাটপারে, ক্ষমতায়, শ্রেণীতে শ্রেণীতে ঠোকর লাগতেই থাকে।
পৃথিবীর মানচিত্রের এক কোণায়, মৃত্যুর মুখে বুক চিতিয়ে জেগে উঠা দেশটা, অবহেলায় অনাদরে, ভুল শাসনে,
সত্যি সত্যি মরে যেতে থাকে।।
©Imran Kais
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চলমান বিধিনিষেধ ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে। তবে এই সময়ে মানুষকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে এবং মাস্ক পরিধানসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর অর্থ দাঁড়াল, এই সময়ে সবকিছুই চলতে পারবে।
ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত আবারও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ থাকবে। আজকের আদেশে সেই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে এখনকার বিধিনিষেধের মতোই সরকারি-বেসরকারি অফিস, গণপরিবহনসহ সকল যানবাহন বন্ধ এবং শপিংমল ও দোকানপাটও বন্ধ থাকবে। আর এর পাশাপাশি সব ধরনের শিল্প কলকারখানাও বন্ধ থাকবে। চলমান বিধিনিষেধে কলকারখানা খোলা রয়েছে।
©প্রথম আলো
কোনো একজন কিশোরকে ইসরায়েলি সেনা গুলি করে মারল, তখন তারা (পশ্চিমা মিডিয়া) শিরোনাম করবে, ‘সংঘর্ষে বালক নিহত’। এখানে বালকটিকে ‘ফিলিস্তিনি বালক’ বলা হবে না। নিহত হওয়ার আগে যে ‘সংঘর্ষ’ হয়েছিল, তার প্রমাণ হিসেবে বলা হবে, ‘ওই বালক পাথর ছুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছিল’। অনেক সময় ‘কিলড’ শব্দটি ব্যবহার না করে সেটিকে আরও মোলায়েম ভাষায় বলা হয়, ‘ডাই’য়িজ ফ্রম উন্ডস ইন বর্ডার আনরেস্ট’ (সীমান্ত উত্তেজনার সময় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা গেছে)। কিন্তু যখন কোনো ফিলিস্তিনি ছুরি দিয়ে ইসরায়েলের কাউকে আঘাত করে এবং সেই আঘাতে যদি সেই ইসরায়েলি নিহত হয়, তাহলে এসব বার্তা সংস্থার বর্ণনার ভাষা আমূল বদলে যাবে। সেই খবরের বারবার ‘স্ট্যাবস’, ‘কিলস’—এসব শব্দ ব্যবহৃত হতে থাকে।
©Prothom Alo
চীনা রকেটের ভাঙ্গা ১০০ ফুট অংশ ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে এটা আলাপ করতে করতে তারা লঞ্চে করে বরিশাল ফিরছে
হুট করে আলাপ উঠলো বিল গেইটসের ডিভোর্স নিয়ে
দুই পক্ষই গরম
একপক্ষ বিল গেইটসের পক্ষে আর একপক্ষের ভাষ্য মেলিন্ডা ভাবি ঠিকই করেছে
আমি মাঝে মাঝে বুঝে পাই না এই জাতিকে আল্লাহ্ কি দিয়ে বানিয়েছে
হ্যা সত্যি বলতে আমরা যেভাবে বেপরোয়া, তাতে আমাদের তো ১২টা বেজে যাওয়ার কথা অনেক আগেই
কিন্তু সেই তুলনায় কিছুই হচ্ছে না
গতকালকেও তো ভারতে আক্রান্ত হয়েছে নতুন করে ৪ লক্ষ আর মৃত্যু ৪ হাজারের মতো
আর আমরা লঞ্চে যায়গা না পেয়ে লঞ্চের রেলিং ধরে ঝুলতে ঝুলতে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছি
এর মধ্যে চলতি পথে শিওর ২/৩ টা পড়েও যাবে
“ওই লঞ্চ থামাও লঞ্চ থামাও… জয়নাল ভাই পইড়া গেসে”
লঞ্চ থামবে
মই ফেলিয়ে উঠানো হবে
ভেজা শরীর নিয়ে জয়নাল ভাই উঠে একটু লজ্জাও পাবে তার কারণে এতোগুলো মানুষের কষ্ট হলো
লঞ্চ আবার রওনা দিবে
একটু পরে আবার “ওই লঞ্চ থামাও লঞ্চ থামাও… ওই যে মেলিন্ডা ভাবির দেবর মোরশেদ ভাই পইরা গেসে”
… আমার মনে হয় করোনা সবাইকে এটাক করে না
করোনার একটা কিউটনেসের ফিল্টার আছে
সেই ফিল্টারের কারণে এই জাতি বেঁচে যাচ্ছে
তা না হলে তো হিসাব মিলে না
আজকেও বসুন্ধরা শপিং মলে ঢুকতে যেয়ে হুড়াহুড়িতে পায়ের নিচে চাপা পড়েছে ৪ জন
পাড়া খাওয়ার পরেও উঠে… শরীরটা ঝেরে… ৩ জন ল্যাংড়াতে ল্যাংড়াতে শপিং মলের ভিতরে ঢুকলেও সচেতন একজন ঠিকই পা মচকাইলো কিনা চেক করার জন্য এক্সরে করতে সমরিতা হাসপাতালে গিয়েছে
কিন্তু করোনা চেক করা উচিত নাকি, এটা মাথাতেও নাই
এই জাতিকে করোনা কিছু করতে পারবে না আমি শিওর
বা, শরীরে কোন ভাবে ঢুকলেও এটা ওয়ান ওয়ে এন্ট্রি
ঢুকলেও বের হতে পারবি না … সারা জীবন এই কিউটনেস অভার লোডেড শরীরে তোর যাবজ্জীবনের মতো আটকে থাকতে হবে
মাঝে মাঝে মানুষের পাড়া খাবি, মাঝে মাঝে লঞ্চ থেকে কীর্তনখোলা নদীতে ঝুপ করে পড়বি
বাট বাইর হইতে পারবি না বোতল ভুতের মতো
বিশ্ব একদিন ঠিকই রিসার্চ করে বের করবে এই করোনার টিকার নামই বাঙালী
এটা আমি আজ মোটামুটি শিওর।
©Arif R Hossain
টিভিতে আলিফ লায়লা চলছে,
ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে এক বাড়িতে আলিফ লায়লা দেখতে আসছি।
সেসময় নিজের বাসায় টিভি থাকাতো বহু দূরের কথা, এলাকায় টিভি ছিল হাতেগোণা কয়েক বাড়িতে,
আর বেশিরভাগ বাড়িতে ইলেক্ট্রিসিটিও ছিলনা।
টিভিগুলো চলত ব্যাটারি দিয়ে।
আলিফ লায়লা আমি আসার আগেই শুরু হয়ে গেছে,
"দেখ সব নতুন কাহিনী, মন ভরে...আলিফ লায়লা" সুচনা সংগীতটা মিস করে ফেলছি।
ওদিকে মাথায় টেনশন, বাবা কখন ঘুম থেকে জেগে আমাকে খোঁজ করে।
বাবা খাটে শুয়ে শুয়ে আমাদের পড়াচ্ছিলেন। আমরা সব ভাই বোন হারিকেন মাঝখানে রেখে গোল হয়ে মাটিতে পাটি বিছিয়ে পড়ছিলাম।
বৃষ্টি শুরু হতেই বাবার চোখ লেগে এল। আর আমিও দৌড় দিলাম।আমার মন পড়ে ছিল আলিফ লায়লায়।
আজ রিস্কটা নিতেই হত..
আজকে মালিকা হামিরার প্রাণপাখিকে সিন্দাবাদ তীর ছুড়ে মারবে।
সেটা এক্সাইটিং হবে নিশ্চই।
ওই বাড়ির ডেলায় দাঁড়িয়ে জানালা দিয়ে টিভি দেখছি, তারা একটু ফইন্নি আছে, কাউরে ভেতরে এলাউ করেনা।
আমি জানালায়.. এটা তারা টের পায়নায়।
বৃষ্টির কারণে ডেলা পিছলা হয়ে আছে।
আমি ব্যালেন্স ঠিক না রাখতে পেরে ধুপ করে পড়ে গেলাম।
ওরা টের পেয়ে টিভিটা অফ করে দিল।
সাক্ষাৎ অপমান।
জীবনে টিভি দেখতে আর ওই বাড়িতে যাইনি। এর কিছুদিন পর এলাকায় অন্য আরেকটা বাড়িতে টিভি কিনল, তারা চাচা হন সম্পর্কে।
এরপর আমরা বন্ধুরা সব সেখানে ভীড় করলাম।
তারা সাদরে আমাদের টিভি দেখতে জায়গা করে দিত। অনুষ্ঠান চলার সময় এটা সেটা খাওয়াত।
কি দারুণ ভাতৃত্ব, আন্তরিকতা, আর সৌহার্দ্য সে সময়ের মানুষে মানুষে..
আলিফ লায়লা, ম্যাকগাইভার, ওশান গার্ল, রুপনগর, অয়োময়, ছায়াছন্দ, টিম নাইট রাইডার, ইত্যাদি আর শুক্রবারের বাংলা ছবি,
কি দেখিনি আমরা?..
প্রতিটা দিন আমাদের এক একটা উৎসব যেন।
শুক্রবারে সিনেমার তিনটা বিরতিতে ৩৬ টা করে এড দিত। আমরা গুনতাম একটা একটা করে।
নন্দীনী প্রিন্ট শাড়ির বিজরী বরকত উল্যাহকে দিয়ে শুরু হত বিজ্ঞাপন, শেষ হত মৌ এর কেয়া সুপার লেমন সোপ দিয়ে।
আহা সে দিন!
ওই টিবি দেখতে গিয়ে সারা এলাকার মানুষের খবর পেয়ে যেতাম আমরা, এর বিপদ তার খুশি সব ই জানা হত।
আজ আমাদের নিজেদের ঘরে ঘরে দু তিনটা করে টিভি, কত উন্নত মানের ছবি, নাটক, এটা সেটা সেখানে..
অথচ ভুলকরেও সেদিকে তাকানো হয়না। নিজের রুমে বা নিজের আলয়ে আমরা সবাই মোবাইলেই বুদ হয়ে থাকি।
প্রুযুক্তি আর উন্নত জীবন আমাদেরকে কি ভুয়াবাজিতেই না লাগিয়ে দিল,
অসাধারণ সবকিছু কেড়ে নিয়ে আমাদের ডুবিয়ে দিল অসীম মরীচিকায়,
সীমাহীন আবেগহীনতায়, নিদারুণ একাকিত্বে আর ভয়ংকর স্বার্থপরতায়।
কে বলেছিল আমাদের এত এগিয়ে যেতে?
কারাই বা এমন অনুভূতিশুন্য করে দিল আমাদের?
কেউ কি ফিরিয়ে দিবে আমাদের সে নিখাদ ভালবাসা? সোনালী সময়?
দিবে কি কেউ???
© ওয়াজেদ মহান
করোনা পরিস্থিতির মধ্যে চলমান লকডাউন আবারও বাড়াল সরকার।
এই বিধিনিষেধ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
জেলার মধ্যে গণপরিবহন চলবে (৬ মে থেকে) । কিন্তু এক জেলা থেকে আরেক জেলায় গণপরিবহন বন্ধ থাকবে । এ ছাড়া ট্রেন ও যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ থাকবে । আর যেসব মার্কেটে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে না প্রয়োজনে সেই মার্কেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Bogura