অনলাইন ভার্সিটি অ্যাডমিশন কোর্সে ভর্তি চলছে ।
Rakib's Varsity English Campus
An online based educational institution
নতুন মানবন্টনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া আগের চেয়ে আরো সহজ হয়েছে এবার 😍
😍ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন প্যাটার্ন 😍
আগের তুলনায় এই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া আরো বেশি সহজ হবে...
ঢাবির মানবন্টন টা আগে দেখি...
☑ এসএসসি,এইচএসসি রেজাল্ট ২০
☑ এমসিকিউ ৪০
☑ রিটেন ৪০..
🌺রেজাল্ট- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার নূন্যতম যে যোগ্যতা মানে ৭/৭.৫ যার আছে তার ও নাম্বার ২০ এর মধ্যে ১০+ থাকবে। ( যেভাবেই হিসাব করুক না কেন)
আর যাদের রেজাল্ট মোটামুটি মানে ৮/৮.৫০ + তাদের স্কোর ১৪+ হবে।
🌺এমসিকিউঃ বাংলা-ইংরেজি-সাধারণ জ্ঞান তিন সাব্জেক্টে মিলে যদি ৪০ টি এমসিকিউ আসে তাহলে ইংরেজি থেকে ১৫ টি আসতে পারে, বাকি দুই সাবজেক্ট ( বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান মিলে আসবে ২৫ টা) ..
👉👉 এত হিউজ টপিক থেকে ১৫ টি প্রশ্ন বেছে নিতে বললে অবশ্যই টিচাররা হিট বা কমন টপিক গুলোই বেছে নিবে।
আদতে এমসিকিউয়ে নাম্বার কমার কারণে সিলেবাসটায় ছোট হয়েছে।
🌺 রিটেনে ৪০ নাম্বার দেখে অনেকেরই মাথাব্যথা। কিন্তু আমি যদি বলি রিটেনে গতবছরের প্রশ্নের প্যাটার্নের কোন চেইঞ্জ হবেনা।
➤ মানে গতবারই ত ৪৫ ছিল৷ এইবার শুধু ৫ নাম্বার কমেছে । মানে এর জন্য হয়তো কুয়েশ্চনে একটা টপিক কম হবে।
৫ নাম্বারের জন্য ত আর ৪৫ নাম্বার বা আগের বছরের পুরো প্যাটার্ন চেইঞ্জ হবেনা।
যারা রিটেন প্রশ্ন টা দেখেছ, তারা হয়তো বলতে পারবে রিটেনে একটু মেইন মেইন টপিক গুলো পড়লেই কত সহজেই নাম্বার তুলা সম্ভব।
🌺জাতীয় প্রশ্ন চান্স পেতে কত নাম্বার লাগবে?
➤ এ বছর প্রশ্ন সহজ হলে চান্স পেতে ৬৩+ নাম্বার লাগবে।
➤ প্রশ্ন কঠিন হলে ৫৫+ নাম্বার পেলেই চান্স হবে।
🌺নাম্বার পাওয়ার সহজ হিসাব --
☑ রেজাল্টে - ১৫
☑ এমসিকিউয়ে - ২০
☑ রিটেনে - ৩০
কি ভাইয়া/ আপু ৬৫ নাম্বারের গড় হিসাব ত দেখিয়ে দিলাম?
এখনো ভয় পাবে?
এখনো ভাববে তুমি পারবে না ??
👉👉তোমাদের সর্বোচ্চ রেসপন্স পেলে সামনের পোষ্টে ইংরেজিতে রিটেনে কিভাবে ভালো করতে পারবে বা কি কি আসবে ঐটা নিয়ে পর্যালোচনা করে একটা পোষ্ট করার চেষ্টা করবো, কার কার লাগবে? কমেন্টে জানাও।
23/03/2020
কোঁটচাদপুর, ঝিনাইদহ Ordeal এর সফলতা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এ চান্স।
এবার জমবে খেলা ঠাকুরগাঁও এ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইয়েরা আসতেছে তোমার শহরে তোমার ভার্সিটির স্বপ্নকে সত্যি করতে।ভার্সিটি ভর্তির জন্য সেরা প্রস্তুতি নাও ঠাকুরগাঁও Ordeal এ।
22/03/2020
যেকোনো দুর্যোগ প্রতিরোধের জন্য এর পূর্ববর্তী সময়ে সাবধানতা অবলম্বন করা সবার নৈতিক বা সামাজিক দায়িত্ব ও বলা যায়। তবে কয়েকটা তথাকথিত সামাজিক সচেতনতা আমাদের জন্য নেতিবাচক ব্যাপার ই বয়ে আনতে পারে। যথাঃ
১. এই ভাইরাসের ব্যাপারে না জেনে অযথা ফেসবুক স্ট্যাটাস বা যৌক্তিক সোর্সহীন কথা, লেখা বা অন্য মানুষের স্ট্যাটাস শেয়ার করা।এই ব্যাপারটা পুরো বাংলাদেশে ঘটছে বিশেষত বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে যেখানে স্বল্পশিক্ষিত বা নির্বোধ মানুষের আগাগোনাই বেশি।
২. এর প্রতিষেধক নিয়ে অযাচিত কথাবার্তা বা পরামর্শ। যেমন- অমুক ধর্মের মানুষের জন্য এটা বেশি হচ্ছে, তারা অমুক ধর্মতে চলে আসুক নতুবা মরার পর শাস্তি পাবে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে-আপনি নিজের ধর্মের কাজ কতটুকু করেন যে, আপনি সিউর হচ্ছেন এই ভাইরাস আপনাকে ধরবেনা।
৩. যেকোনো রোগ -দুর্যোগই সৃষ্টিকর্তা থেকে আসা। তবে এটা বিশেষ অঞ্চল বা ধর্মের মানুষদের জন্য আসছে এটা বলা বোধহয় কান্ডজ্ঞানহীন। তার চেয়ে বছং এটুকু হয়তো আমরা মনে করতে পারি যে, সব দেশে আর ধর্মেই কিছু কালে বেশি আস্পর্ধার পরিবেশ সৃষ্টি তৈরী হয় যখন প্রকৃতি হয়তো প্রতিশোধ নেয়।
৪. গুজব ছড়িয়ে খাদ্য মজুদ করার কালচার ভাইরাল করলে ব্যাপারটাতে অন্তত এই মহামারীর সময় স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পর্যন্ত নাখোশ হবে। কারণ, একটু চিন্তা করে দেখেন, আপনার দেশের খাদ্য তো কোথাও চলে যাচ্ছে না। তাই অযথা ব্যবসায়ীদের বেশি লাভ করার একটা পরিবেশ তৈরী করে দিয়ে সংকট যেমন বাড়াছেন তেমনি একটা ভয়ের পরিবেশ ও তৈরী করে চলেছেন।
৫. আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন তো, যারা গরিব, খাদ্য মজুদ করার অর্থ যাদের নেই তাদের চোখের সামনে খাদ্যের অভাবে মরতে দেখবেন, আপনার মজুদকৃত খাদ্য দিবেন -যদি এমন ই হয় তাহলে আপনি কি সত্যিই মানুষ? যে মানুষটা নিজে ধান উৎপাদন করে টাকার জন্য আপনার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে তার ঘামের ফসল তাদের মৃতদৃশ্য দেখেও আপনি বাঁচতে চান?
৬. বাংলাদেশে ফেসবুকে গুজবী স্ট্যাটাস দেওয়া ডাক্তার, পীর, নেতা, ফেসবুক পোস্ট এডিটর, ভন্ড আর দালালদের সংখ্যা বেড়ে গেছে।কারণ, সঠিক তথ্য না জেনে শুধুমাত্র নিরেট নির্বুদ্ধিতা, স্বল্প জ্ঞান, ব্যবসায়ীক স্বার্থ বা লোক দেখানো সচেতনকারী সাজানোর জন্য এসব করছে।
৭. এই রোগ যেমন বিশেষ ধর্মের মানুষের বা দেশের জন্য না তেমনি শুধুমাত্র বয়স্কদের মারতে আসেনি। দেশ বা বয়সভেদে ঝুঁকির মাত্রাটা কম-এই একটু। তাই গুজব ছড়ায়েন না, অনুরোধ রইল।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা কেমন হচ্ছে পড়াশোনা তোমাদের শেষ সময়ে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Bogura