21/11/2023
সশস্ত্র বাহিনী দিবসের শুভেচ্ছা ⚔️
২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস...
দেশ মাতৃকার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সকল
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি জানাই
গভীর শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from IQ-Gk & Defense Information, Education, Bogura.
21/11/2023
সশস্ত্র বাহিনী দিবসের শুভেচ্ছা ⚔️
২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস...
দেশ মাতৃকার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সকল
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি জানাই
গভীর শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন।
14/04/2023
♻️২৮৯ পদে NSI বা জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থাতে নিয়োগ প্রকাশিত হয়েছে।
♻️আগামী ৩০ এপ্রিল, ২০২৩ তারিখ হতে আবেদন শুরু হবে এবং শেষ হবে ১৫ মে ২০২৩।
শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে নূন্যতম এসএসসি পাশ থেকে সর্বোচ্চ স্নাতক ডিগ্রিধারী। (পদ অনুযায়ী)
বয়স লাগবে নূন্যতম ১৭ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। (পদ ও কোটা অনুযায়ী)
✅বিঃদ্রঃ ছেলে মেয়ে উভয়ে আবেদন করতে পারবেন সকল জেলা থেকে।
12/04/2023
✅কারা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ- ৩০/০৪
♻️কারা অধিদপ্তরের কারারক্ষী ও মহিলা কারারক্ষী পদে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ।
01/12/2022
♻️অবশেষে প্রকাশিত হয়ে গেল বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2022।
চাকরি দাতা প্রতিষ্ঠানঃ বাংলাদেশ পুুলিশ
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এসএসসি/সমমান পাশ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ থাকতে হবে ২.৫ পয়েন্ট।
অফিসিয়াল সাইটঃ https://www.police.gov.bd
আবেদনযোগ্য জেলাঃ সকল জেলা
চাকরির ধরনঃ সরকারি
পদের সংখ্যাঃ ৪০০০ জন
বয়স সীমাঃ ১৮-২০ বছর
আবেদনের শেষ সময়ঃ ২৮-১২-২০২২ ইং।
আবেদন করা যাবে অনলাইনে।
বয়সঃ আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বয়স ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে ১৮-২০ বছর হতে হবে। শুধু অবিবাহিত নারী ও পুরুষরা আবেদন করতে পারবেন।
ধন্যবাদ।
24/11/2022
ট্রেনিং শেষ করে ইউনিটে জয়েন করলো মাত্র কিছুদিন আগেই।
ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
"আল্লাহু তুমি তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করিও। তার পরিবারকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করো
🤲আমিন🤲 ।
সৈনিক মোঃ ইসলাম শেখ।
কুষ্টিয়া।
01/09/2022
.
Aj theke Bangladesh Airforce er Airman a apply suru hoise....jara apply korte chan...tara drutoi apply kore nin.
NB: personally kicu janar thakle inbox korun.
16/07/2022
সামরিক বাহিনীতে লিখিত ও ভাইবা পরিক্ষায় আসা কমন ২০ টি প্রশ্ন ও উত্তর। International Affairs | GK Test সামরিক বাহিনীতে লিখিত ও ভাইবা পরিক্ষায় আসার মতো কমন ২০ টি প্রশ্ন ও উত্তর। Written Exam preparation"IQ GK And Defence Information" চ্যানেলে আপনাকে স্...
15/07/2022
শেষ পর্যন্ত পড়ুন এবং জেনে রাখুন🙏
ইতিহাসের সবথেকে মর্মান্তিক ছবি😶😭
বিশ্বকে কাঁদিয়ে বিদায় নিয়েছিল ওমায়রা, দিয়ে গিয়েছিল ইতিহাসের সবথেকে মর্মান্তিক ছবিটি
১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর। কলম্বিয়ার মফঃস্বল শহর আর্মেরোর (Armero) আকাশ সকাল থেকেই ছিল মেঘলা। ঝেঁপে বৃষ্টি আসছিল মাঝে মাঝে। তখন বিকেল চারটে। বাবা আলভেরো ও ভাই আলভেইরোর সঙ্গে জমি থেকে তুলে আনা ধান গোলায় তুলছিল তেরো বছরের ফুটফুটে বালিকা ওমায়রা স্যাঞ্চেজ (Omayra Sánchez)। মা মারিয়া আলেইডা গিয়েছিলেন বাড়ি থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে থাকা কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায়। সেখানে তিনি নার্সের কাজ করেন।
হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে ভেসে এসেছিল ‘গুম’ ‘গুম’ আওয়াজ। চমকে উঠেছিল ওমায়রা। মেঘ ডাকার আওয়াজ ভেবে আবার মন দিয়েছিল কাজে। সব ধান গোলায় তুলে বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়িতে ফিরে এসেছিল ওমায়রা। কাকিমা মারিয়া আডেলার সঙ্গে রাতের খাবার তৈরির তোড়জোড় শুরু করেছিল।
যে শব্দকে মেঘের আওয়াজ ভেবেছিল ওমায়রা, আসলে সেটি ৭৯ বছর পর জেগে ওঠা নেভাডো ডেল রুইজ আগ্নেয়গিরির ( ১৭৫০০ ফুট) আড়মোড়া ভাঙার আওয়াজ। যে আগ্নেয়গিরিকে স্থানীয়রা চেনেন ‘ঘুমন্ত সিংহ’ নামে। ১৯৮৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসেও একবার উশখুশ করে উঠেছিল নেভাডো ডেল রুইজ আগ্নেয়গিরি। কলম্বিয়ার ইন্সটিটিউট অফ মাইনিং অ্যান্ড জিওলজি অক্টোবর মাসেই বানিয়ে দিয়েছিল আসন্ন ভয়াবহ বিপর্যয়ের একটি ম্যাপ। সেই ম্যাপে বলাও হয়েছিল সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ হতে চলেছে ওমায়রাদের আর্মেরো শহর। কান দেয়নি কলম্বিয়া সরকার।
ঘড়িতে তখন রাত ৯.০৯
বিকট আওয়াজে কেঁপে উঠেছিল আশেপাশের প্রায় একশো কিলোমিটার এলাকা। এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আর্মেরো শহর থেকে মাত্র ৪৮ কিলোমিটার দূরে থাকা নেভাডো ডেল রুইজের তুষারাচ্ছাদিত চূড়া। আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে বেরিয়ে এসেছিল উত্তপ্ত লাভার স্রোত। লাল ছাইয়ে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ।
ফুটন্ত লাভার উত্তাপে গলে গিয়েছিল আগ্নেয়গিরির চুড়ায় থাকা বরফ ও পাদদেশে থাকা হিমবাহগুলি। বিশাল জলরাশি তিনটে সর্বগ্রাসী ঢেউ তুলে, ঘন্টায় বাইশ কিলোমিটার গতিতে ছুটে চলেছিল গুয়ালি নদীর খাত ধরে। সঙ্গে নিয়ে চলেছিল হাজার হাজার বোল্ডার, পাথর, গাছ ও কাদা। ঢেউগুলি ছুটে চলেছিল চোদ্দটি জনপদের দিকে। প্রথম ও সবচেয়ে ভয়ঙ্কর আক্রমণটি হেনেছিল সামনে থাকা আর্মেরো শহরের ওপর।
কোটি কোটি টন কাদা, গাছ ও পাথর নিয়ে আসা প্রথম ঢেউটি, আঘাত হানার তিরিশ মিনিট আগেই অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল আর্মেরো। শহরবাসীদের কানে আসছিল রক্তজল করে দেওয়া কিছু আওয়াজ। কিন্তু কী হচ্ছে, কেউ কিছু বুঝতে পারছিল না। তাই টর্চ নিয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসেছিল হাজার হাজার মানুষ। বাবা, ভাই ও কাকিমার সঙ্গে বাড়ির ছাদে উঠে পড়েছিল ওমায়রা। অন্ধকারে জোনাকির মত ছোটাছুটি করতে থাকা টর্চগুলি ছাড়া অন্য কিছু নজরে আসছিল না ওমায়রার।
হঠাৎ একই সঙ্গে নিভে গিয়েছিল কয়েক হাজার টর্চ। আর্ত চিৎকার ভেসে এসেছিল চারদিক থেকে। শহরবাসীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই, আর্মেরোকে আঘাত করেছিল পাথর, গাছের গুঁড়ি বয়ে আনা কাদার প্রথম ঢেউটি। ওমায়রাদের বাড়ির ছাদের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কুড়ি ফুট উচ্চতার ঢেউটি ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ওমায়রার বাবা ও ভাইকে।
ভেঙে পড়া ছাদের বিম ও লোহার কাঠামোয় আটকে গিয়েছিল ওমায়রা ও কাকিমা আলেইডা। ওমায়রাকে বুকে আঁকড়ে ধরে ছিলেন কাকিমা। কিন্তু কাদার ঢেউ ক্রমশ গিলে নিতে শুরু করেছিল কাকিমাকে। কাদার স্রোতের নিচে তলিয়ে যেতে যেতে দুই হাত দিয়ে কাকিমা ধরে ফেলেছিলেন ওমায়রার পা দু’টি। ঘটনার আকস্মিকতায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল ওমায়রা।
বৃষ্টি শুরু হয়েছিল আবার। বৃষ্টির ছাট গায়ে লাগায় জ্ঞান ফিরে এসেছিল ওমায়রার। সে বুঝতে পেরেছিল, থিকথিকে কাদার মধ্যে গলা অবধি ডুবে আছে। কাদার নিচে কোথাও আটকে গিয়েছে হাত পা। চারদিকে থেকে ভেসে আসছিল আর্তনাদ। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে সে সব আর্তনাদও আর শোনা যাচ্ছিল না। বিধ্বস্ত আর্মেরোর বুকে নেমে এসেছিল শ্মশানের নীরবতা। সত্যিই আর্মেরো তখন মৃত্যুপুরী। কাদার নিচে শেষ ঘুমে ঘুমিয়ে পড়েছিল প্রায় পঁচিশ হাজার আর্মেরোবাসী।
কাদার ওপর জমতে শুরু করেছিল বৃষ্টির জল। সেই ছুঁয়েছিল গলা অবধি কাদায় গেঁথে থাকা ওমায়রার চিবুক। পাগলের মত চিৎকার করতে শুরু করেছিল ওমায়রা, “ও বাবা তুমি কোথায়?”,”ভাইরে তুই কই?”,”কাকিমা তুমি কোথায়? আমাকে বাঁচাও আমি যে তলিয়ে যাচ্ছি কাকিমা।” একসময় জল উঠে এসেছিল ওমায়রার নাকের কাছাকাছি। দুঃসাহসী ওমায়রা প্রায় অবিশ্বাস্যভাবে ডান হাতটা কাদা ও জঞ্জালের ভেতর থেকে মুক্ত করে নিয়েছিল। ডান হাত দিয়ে জঞ্জাল আঁকড়ে ভেসে থাকার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল রাতভর। নির্মম রাত এগিয়ে চলেছিল এক আশা জাগানিয়া ভোরের দিকে।
১৪ নভেম্বর,১৯৮৫
দুর্ঘটনার প্রায় দশ ঘন্টা পরে এসেছিল রেডক্রসের উদ্ধারকারী দল। উদ্ধারের কাজে হাত লাগিয়েছিল, বেঁচে যাওয়া স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে। গোটা আর্মেরো জুড়ে ছড়িয়ে ছিল কাদায় গেঁথে যাওয়া হতভাগ্য শহরবাসীদের শব। উদ্ধারকারী দলের গলার আওয়াজ পেয়ে, দেহের সর্বশক্তি একত্রিত করে ওমায়রা চিৎকার করে উঠেছিল, “আমাকে বাঁচাও”,”আমাকে বাঁচাও”।
মৃতের স্তুপে বালিকার গলার আওয়াজ পেয়ে চমকে উঠছিলেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যেরা। তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর দলটির এক সদস্য দেখতে পেয়েছিলেন ওমায়রাকে। হাত ধরে টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। প্রবল যন্ত্রণায় আর্ত চিৎকার করে উঠেছিল ওমায়রা। উদ্ধারকারীরা বুঝতে পেরেছিলেন, ওমেইরার পা আটকে গিয়েছে কাদার নিচে।
সারাটা দিন ধরে ওমায়রাকে ঘিরে থাকা কাদা, পাথর, কাঠ, টালি ও কংক্রিটের ভাঙা টুকরো সরিয়েছিলেন উদ্ধারকারীরা। মুক্ত করে ফেলেছিলেন ওমায়রার বাম হাত ও কোমর। কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও মুক্ত করা যায়নি পা দুটিকে। দেখা দিয়েছিল আর এক বিপত্তি। ওমায়রার চারপাশ থেকে জঞ্জাল সরানো মাত্রই গর্তটি ভরে যেতে শুরু করেছিল চারদিক থেকে ধেয়ে আসা জলে। আবার জলের নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করেছিল ওমায়রা। তাকে ভাসিয়ে রাখার জন্য বুকের নিচে পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাতাস ভরা টিউব। সামনে রাখা হয়েছিল লম্বা একটি ডাল। যাতে সে ডালটি ধরে ভেসে থাকতে পারে।
১৫ নভেম্বর, ১৯৮৫
দুর্ঘটনার ছত্রিশ ঘন্টা পর এক ডুবরী জলের নিচে গিয়েছিলেন। দেখেছিলেন এক শিউরে দেওয়া দৃশ্য। গলা অবধি জলে হাঁটু মুড়ে বসে আছে ওমায়রা। তার দুটি পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ পিষে দিয়েছে কংক্রিটের একটি বিম। পিষে যাওয়া পা দুটি চেপে ধরে আছেন এক মৃতা মহিলা (কাকিমা)। দ্রুত উঠে এসেছিল আতঙ্কিত ডুবরী।
ওয়াকি টকির মাধ্যমে উদ্ধারকারী দলটি বার বার একটি পাম্প ও গ্যাসকাটার পাঠানোর আবেদন জানিয়েছিল কলম্বিয়া সরকারের কাছে। কারণ বেলচা, স্ট্রেচার, গাঁইতি ছাড়া অন্য কোনও সরঞ্জাম ছিল না তাদের কাছে। হেলিকপ্টারে ঝুলিয়ে একটি বুলডোজার পাঠানোর আবেদনও করেছিল তারা। যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে আর্মেরোতে সেনা নামানোর কথাও বলেছিল উদ্ধারকারী দলটি। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি অমানবিক কলম্বিয়া সরকার। কারণ কলম্বিয়ার সেনারা তখন এম-নাইন্টিন গেরিলাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছিল রাজধানী বোগাটার আশেপাশে।
জারি হয়েছিল মৃত্যু পরোয়ানা
সব রকম চেষ্টা করেও ওমায়রাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হওয়া রেড ক্রস নিয়েছিল এক অবিশ্বাস্য সিদ্ধান্ত। কাদার নিচে আটকে থাকা ওমায়রার পা দুটি অপারেশনের মাধ্যমে বাদ দিয়ে ওমেইরাকে তুলে আনা হবে। প্রায় একঘন্টা ধরে আলোচনা করেছিলেন চিকিৎসকেরা। তারপর উদ্ধারকারী দলের নেতাকে চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, কাদা জলের নিচে গিয়ে এই অপারেশন করা সম্ভব নয়। তাছাড়া অপারেশন করলে নারকীয় যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে বালিকাটিকে।অপারেশন করে বাঁচানো যাবে না ওমায়রাকে। বিষাক্ত জলের কারণে গ্যাংগ্রিন হবেই।
তার থেকে বরং ওমায়রাকে উপহার দেওয়া হোক স্বাভাবিক মৃত্যু। পঞ্চাশ ঘন্টারও বেশি এক গলা কাদায় দাঁড়িয়ে আছে ফুটফুটে মেয়েটি। অস্বাভাবিক হারে কমতে শুরু করেছে তার শরীরের তাপমাত্রা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। প্রকৃতি নিজেই ব্যথাহীন মৃত্যু উপহার দেবে ওমায়রাকে। এই মর্মান্তিক সিদ্ধান্তই মেনে নিয়েছিলেন সবাই। যদিও তাঁরা জানতেন এক নির্মম ও যন্ত্রণাময় মৃত্যুই উপহার পেতে চলেছে ওমায়রা।
ওমায়রা জানত না তার মৃত্যু পরোয়ানায় সই হয়ে গিয়েছে। তাই বুঝি সে একবুক বাঁচার আশা নিয়ে গল্প শুরু করেছিল কলম্বিয়ার সাংবাদিক সান্টা মারিয়া বাররাগানের সঙ্গে। ওমেইরার পাশে সান্টা মারিয়া ঠায় বসেছিলেন, সেই ১৪ তারিখ সকাল থেকেই। তেরো বছরের বালিকাটির টিকে থাকার লড়াই দেখে ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন। টানা দুই দিন ধরে ওমেইরার সাথে গল্প করে, বালিকাটিকে অন্যমনস্ক রাখার চেষ্টা করে চলেছিলেন। মারিয়ার কাছে ওমায়রা খেতে চেয়েছিল মিষ্টি ও সফট ড্রিঙ্কস। অনেক দূর থেকে খাবার দুটি জোগাড় করে এনেছিলেন মারিয়া। মিটিয়েছিলেন ওমায়রার শেষ ইচ্ছা। এরই মাঝে ওমায়রার একটি ইন্টারভিউও নিয়েছিলেন সান্টা মারিয়া। যে ইন্টারভিউ থেকে বিশ্ব জেনেছিল ১৩ নভেম্বরের ভয়াবহ সেই রাতের কথা।
মৃত্যুকূপে জীবনের গান গাইছিল ওমায়রা (Omayra Sanchez)
গলা অবধি ডুবে থাকা ওমায়রা মারিয়াকে শুনিয়েছিল বেশ কয়েকটি গান। যে গানগুলি সে শিখেছিল তার মায়ের কাছে। সূর্য ওঠার গান, সবুজ মাঠে সোনার ফসল ফলানোর গান। চোখে জল চলে আসছিল মারিয়ার। তখনও বাঁচার আশা নিয়ে লড়তে থাকা ওমায়রা জানত না, তার জীবন সূর্য চিরতরে নিভিয়ে দিতে চলেছে তারই দেশের অমানবিক সরকার। নির্মম মৃত্যুর দিকে তাকে এক পা এক পা করে এগিয়ে দিচ্ছে বিবেকহীন সমাজ।
ফরাসি চিত্রসাংবাদিক ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ার এসেছিলেন বোগোটায়। পাঁচ ঘন্টা গাড়ি চালিয়ে, আড়াই ঘন্টা পায়ে হেঁটে ওমায়রার কাছে পৌঁছেছিলেন, ১৫ নভেম্বর রাতে। শক্তিশালী টর্চের আলো ফেলে রাখা হয়েছিল ওমায়রার ওপর। সবাইকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বার বার অনুরোধ করছিল ওমায়রা। সবাই তার পাশ থেকে সরে গেলে সে একটু ঘুমাতে পারবে।
সেদিন মাঝরাত থেকেই ভুল বকতে শুরু করেছিল ওমায়রা। জড়ানো গলায় সে বলেছিল, “দু’দিন আমি স্কুলে যাইনি। আমায় স্কুলে দিয়ে এসো। নাহলে অঙ্ক পরীক্ষা দিতে পারব না। একটা বছর নষ্ট হবে আমার।” ওমায়রার কথা শুনে, দূরে সরে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মারিয়া। সবাই আবার ঘিরে ধরেছিল ওমায়রাকে। কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন। কেউ কেউ চুমু খাচ্ছিলেন জলে ভিজে কাগজের মত সাদা হয়ে যাওয়া ঠাণ্ডা হাত দুটিতে।
মুক্তি মুক্তি মুক্তি
১৬ তারিখ সকাল থেকেই ক্রমশ ঝিমিয়ে পড়ছিল ওমায়রা। হারিয়েছিল কথা বলার শক্তি। তবু বাঁচার আশা ছাড়েনি। তাই বুঝি বার বার ডান হাতটা এগিয়ে দিচ্ছিল মারিয়ার দিকে। যেন সে বলতে চাইছিল, শেষবারের মত আমায় টেনে তোলার চেষ্টা করো না। মারিয়া লক্ষ্য করেছিলেন, ওমায়রার টানা টানা চোখ দুটিতে রক্ত জমতে শুরু করেছে। মুখের রঙ দ্রুত কালচে বাদামী হতে শুরু করেছে।
ওমায়রার জীবনের অন্তিম মুহূর্তগুলি ক্যামেরায় ধরে রাখছিলেন চিত্রসাংবাদিক ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ার। আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাটি অমানবিক মনে হতে পারে। কিন্তু বর্বর কলম্বিয়া সরকারের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য ক্যামেরা ছাড়া আর কোনও অস্ত্র ছিল না ফোর্নিয়ারের কাছে।
বেলা তখন দশটা। ওমায়রার মাথা পিছন দিকে হেলে গিয়েছিল। বড় বড় শ্বাস নিচ্ছিল ওমায়রা। রক্ত জমা চোখ দুটো ক্রমশ বন্ধ হয়ে আসছিল অসীম ক্লান্তিতে। সর্বশক্তি একত্রিত করে মৃত্যুকূপ থেকে শেষবারের মত বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল ওমায়রা। শেষবারের মত চোখ খুলে, সুন্দর এই পৃথিবীটাকে দেখে নিতে চেয়েছিল। ওমায়রার শেষ চাউনিও ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন ফোর্নিয়ার। যে চাউনিতে ছিল অপরিসীম ঘৃণা।
এরপর কোঁকড়া কালো চুলে ভর্তি ওমায়রার মাথাটা ডুবে গিয়েছিল জলের ভেতর। কেবল নাক মুখ ও একটি চোখ দেখা যাচ্ছিল ওপর থেকে। তখন ঘড়িতে সকাল ১০.০৫। শেষ হয়েছিল দুঃসাহসী ওমায়রার টানা ষাট ঘণ্টার লড়াই। অমানুষিক যন্ত্রণা নিয়ে নিজেকে চিরতরে মুক্ত করে নিয়েছিল সে। ওমায়রা স্যাঞ্চেজের নিথর শরীর ঢেকে দেওয়া হয়েছিল নীল সাদা চাদর দিয়ে।
ফ্র্যাঙ্ক ফোর্নিয়ারের তোলা ওমায়রার শেষ ছবিটি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল বিশ্ব। কলম্বিয়ার রাস্তায় রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষ তুলে ধরেছিলেন প্ল্যাকার্ড। সেগুলিতে লেখাছিল, “আগ্নেয়গিরি নয়, পঁচিশ হাজার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে অপদার্থ সরকার।”
ফুটফুটে ওমায়রা চির শান্তির দেশে চলে গিয়েছে সাইত্রিশ বছর আগে। কিন্তু জানেনকি, আজও সে উড়ে বেড়ায় পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরের আনাচে কানাচে। ঝোপে ঝাড়ে। পরীর মত ডানা মেলে। হ্যাঁ কথাটা সত্যি। ২০২০ সালে পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরে পাওয়া গিয়েছিল নতুন এক ঝিঁঝিপোকার প্রজাতি। ওমায়রাকে চিরকালের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে, বিজ্ঞানীরা প্রজাতিটির নামের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন ওমায়রার নাম। নতুন প্রজাতিটির নাম রাখা হয়েছিল ‘গিগাগ্রিলাস ওমায়রাই‘। আজও হয়ত প্রতি সন্ধ্যায়, পরিত্যক্ত আর্মেরো শহরে, রাতজাগা ঝিঁঝিপোকা হয়ে, কান্না ভেজা গলায় ওমেইরা চিৎকার করে চলেছে,”ও বাবা তুমি কোথায়?”,”ভাইরে তুই কই?”,”কাকিমা তুমি কোথায়? আমাকে বাঁচাও আমি যে তলিয়ে যাচ্ছি কাকিমা।”
29/06/2022
আজকের এই দিনে সাগরের বুকে চিরতরে হারিয়ে যান বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মেধাবী পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মান চৌধুরী...
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মান বিমানবাহিনী তথা বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া এক অমূল্য সম্পদ। মৃত্যু আগের মূহুর্ত পর্যন্ত সে তার কথা রেখেছেন।
তার সহপাঠীরা তাকে মজা করে বলত, ইনজেকশন ভালো করে শিখে নিতে, কখন কি হয়ে যায় তা তোহ বলা যায়না। কিন্তু প্রতিবারই একটি কথা বলত 'যাই হয়ে যাক না কেনো, আমি আমার এয়ারক্রাফট ছেড়ে আসব না' ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মান তার দেওয়া এই কথাটি রেখেছেন।
২০১৫ সালের আজকের এই দিনে ১১ টার কিছু পরে F-7MB মডেলের যুদ্ধবিমান নিয়ে আকাশে উড্ডয়ন করেন। এর কিছুক্ষন আগেই কথা হয় তার বোনের সাথে কথা হয়, তাকে জানান কিছু সময়ের মাঝেই তার ফ্লাইট। তার বোন ঘুম থেকে উঠেই দেখতে পান বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর।
৪০ মিনিট উড়ার পর হঠাৎ যুদ্ধবিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। তিনি বিমানটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং এর এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর কিছু সময় পরেও খবর পাওয়া যায় তার যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়ার পর কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী উদ্ধার টানা ১০ দিন অভিযান পরিচালনা করলেও আর পাওয়া যায়নি ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মানের মৃতদেহ পাওয়া । সাগরের অতলে চিরতরে হারিয়ে যান বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এই মেধাবী পাইলট।
তার কাছে হয়তো বেচে ফেরার উপায় ছিলো, তিনি পারতেন ইজেকশন করতে কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন জনগণের টাকায় কেনা এই যুদ্ধবিমান, সে অপচয় হতে দিবে না, চেষ্টা করে যাবেন শেষ পর্যন্ত। তিনি চেয়েছিলেন যুদ্ধবিমানকে ল্যান্ড করাতে, তিনি প্রথমবারে ব্যর্থ হন আর দ্বিতীয়বার চেষ্টা করার সুযোগ পাননি। আজ তার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী।
আজকের এই দিনে স্মরণ করছি জাতীর হারিয়ে যাওয়া এই শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুক।
20/06/2022
আমাদের চ্যানেলে নতুন ভিডিও আপলোড করা হয়েছে, এখুনি দেখে আসুন।
নৌবাহিনীর লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষায় বার বার আসা গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্ন(পার্ট-১)। Bangladesh Navy নৌবাহিনীর লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষায় বার বার আসা গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্ন(পার্ট-১)। Bangladesh Navy Written Exam Question"IQ GK And Defence Information" চ্যানেল....
05/06/2022
সীতাকুণ্ডে কন্টেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আহত শতাধিক, মানবিক বিপর্যয়ের আশংকা।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের একটি কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে এক পুলিশ কনস্টেবলের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আরও অন্তত নয়জন পুলিশ সদস্যসহ অনেকে আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের বাড়ি–ঘরের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ে।
সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কনস্টেবল তুহিনের পা বিচ্ছিন্নসহ আরও অন্তত পাঁচ কনস্টেবল, ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোতাহার হোসেন এবং শিল্প পুলিশের একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভাটিয়ারির বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন হাসপাতালে আহত অন্তত ২০ জনকে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত নয়টার দিকে বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুনের সূত্রপাত হয়। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কন্টেইনার থেকে অন্য কন্টেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একটি কন্টেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, স্থানীয় শ্রমিকসহ অনেকে আহত হন।
সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক প্রথম আলোকে বলেন, বিস্ফোরণে পুলিশের অন্তত ১০ সদস্যসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন। রাসায়নিকের কন্টেইনারে বিস্ফোরণের কারণে দুর্ঘটনাস্থলে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।
এই মুহুর্তে অসংখ্য এম্বুলেন্স জরুরি প্রয়োজন।
চট্টগ্রামের সবকটি সরকারী/ বেসরকারি হসপিটালের এম্বুলেন্স ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ হতে অতিদ্রুত সিতাকুন্ডে যেতে বলা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্যাপক রক্তের প্রয়োজনও হতে পারে।
স্হানীয়রা প্লিজ রক্তদানে চমেকে আসুন।
Collected for Help
25/05/2022
🇧🇩 ইতিমধ্যে বিজিবির ৯৯তম ব্যাচ এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ,,, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।🇧🇩
👉 পদের নামঃ সিপাহী
👉শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ- এসএসসি ৩.০০ এইচএসসি২.৫০
👉 আবেদন ফীঃ সারকুলার উল্লেখিত ১৫০৳
👉 আবেদন শুরুঃ ২৬ মে ২০২২
👉 আবেদন পদ্ধতিঃ এসএমএস এর মাধ্যমে
👉 বয়স : ১৮ থেকে ২৩ বছর পর্যন্ত
👉১২/১১/১৯৯৯ হতে ১১/১১/২০০৪ এর মধ্যে যাদের জন্ম শুধুমাত্র তারাই এই সারকুলারে আবেদন করতে পারবে।
👉 উচ্চতা পুরুষঃ- সর্বনিম্ন ৫ ফিট ৬ ইঞ্চি
👉 উচ্চতা নারীঃ- সর্বনিম্ন ৫ ফিট ২ ইঞ্চি
👉 বুকের মাপ পুরুষঃ- ৩০_৩২
👉 বুকের মাপ নারীঃ- ২৮ _ ৩০
#নারী_পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন
👉 আবেদনের শেষ তারিখঃ ০৪ জুন ২০২২।
🔰বিস্তারিত জানতে কমেন্ট করুন।
ধন্যবাদ।