Polytechnic Inspired

Polytechnic Inspired

Share

lets be honest!!!

21/09/2025
21/09/2025

সাবধান !!!

17/09/2025

জীবন যখন সংগ্রামের নাম

রাস্তায় বসানো ছোট্ট একটা দোকান। কয়েকটা বিস্কুট, চা ,পান, পানির বোতল,
এটাই তার তাদের সংসারের শক্তি, এটাই তার সন্তানের খাবার। দোকানের পাশেই মা আর সেখানেই তার নবজাতক সন্তান। সেখানেই হাসিমুখে খেলছে সে। পাশে বসা মেয়েটির চোখে বোঝা যাচ্ছে কতটা কঠিন সময় পেরিয়ে এসেছে তারা।

সংগ্রাম কাকে বলে, দায়িত্ব কাকে বলে। আমরা হয়তো অনেকেই সামান্য কষ্টে হাল ছেড়ে দিই, কিন্তু এই মা হাল ছাড়েননি। নিজের অসহায়তা নিয়েই সন্তানকে বাঁচানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

যদি পারেন, আশেপাশে থাকা এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান। হয়তো আপনার ছোট্ট সাহায্যই কোনো শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে পারে, কোনো মায়ের চোখের পানি মুছে দিতে পারে।

দয়া করে মানুষকে ভালোবাসুন, সহমর্মিতা দেখান। পৃথিবীকে সুন্দর করতে আমাদের প্রত্যেকেরই কিছু দায়িত্ব আছে।

#মানবতা #সহমর্মিতা #সংগ্রাম #মায়েরভালোবাসা

26/08/2025

#ডিম
ছোট্ট সাইজ, কিন্তু পাওয়ারফুল #সুপারফুড! 🥚

ভাবছেন, ডিম মানে শুধু ভাজি আর সেদ্ধ? ভুল করছেন!
ডিম হলো খাবারের জগতে সেই ছোট্ট হিরো, যাকে ডাক্তার, জিম ট্রেইনার আর মায়েরা—সবাই সমানভাবে সাপোর্ট করে।

🔥 কেন ডিম এত শক্তিশালী?

একটা ডিমেই আছে প্রায় ৬ গ্রাম #প্রোটিন – পেশি গঠনের জন্য দারুণ 💪

#ভিটামিন A, D, E, B12, #ক্যালসিয়াম, #আয়রন, #জিঙ্ক – শরীরের ফ্রি চার্জিং প্যাকেজ ⚡

চোখের জন্য #লুটেইন, মস্তিষ্কের জন্য #কোলিন – মানে দেখতেও তীক্ষ্ণ, ভাবতেও স্মার্ট 😉

ওজন কমাতে চান? ডিম পেট ভরে, ক্যালোরি কম – ডায়েটের পারফেক্ট সঙ্গী 🥗

💸 দাম?
এক টাকায় যদি “মিনি পাওয়ার ব্যাংক” কিনতে পারতেন, কিনতেন না?
ডিম ঠিক সেই পাওয়ার ব্যাংক – সস্তা, সহজলভ্য আর সর্বত্র পাওয়া যায়।

😂 তাই বলে বেশি খেয়ে আবার “আমি ডিম না মানুষ?” এমন ভাব ধরবেন না!
দিনে একটা ডিম যথেষ্ট আপনাকে ফিট, ফ্রেশ আর ফাইটার বানাতে।

👉 মনে রাখবেন, “ডিম খাওয়া মানেই শক্তি পাওয়া” – এটা বিজ্ঞাপনের লাইন না, একদম বৈজ্ঞানিক সত্যি!

Photos from Polytechnic Inspired's post 05/05/2025

???? ইউক্যালিপটাস গাছ কি অক্সিজেন গ্রহণ করে????

হ্যাঁ, ইউক্যালিপটাস গাছ (Eucalyptus) রাতের বেলা অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং দিনের বেলা কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ও অক্সিজেন ছাড়ে, যেমনটা বাকি সব সবুজ গাছপালা করে থাকে।

চলুন ব্যাপারটা সহজভাবে ঝিয়ে দেই:

🌞 দিনে:
গাছের ফটোসিনথেসিস (Photosynthesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
CO₂ নেয় এবং O₂ (অক্সিজেন) ছাড়ে।

ইউক্যালিপটাসও একইভাবে কাজ করে।

🌙 রাতে:
সূর্যালোক না থাকায় ফটোসিনথেসিস হয় না।

তখন গাছ শ্বাস-প্রশ্বাস (respiration) প্রক্রিয়ায়
O₂ নেয় এবং CO₂ ছাড়ে — মানে গাছ তখন মানুষের মতোই অক্সিজেন গ্রহণ করে।

✅ অতএব, হ্যাঁ — ইউক্যালিপটাস গাছ রাতের বেলা অক্সিজেন গ্রহণ করে। তবে এটা স্বাভাবিক এবং খুব বেশি পরিমাণে নয়।

⚠️ তবে একটা কথা মনে রাখবেন :
অনেকেই ভুলভাবে বলে থাকেন যে ইউক্যালিপটাস গাছ "বিপজ্জনক" বা
"অক্সিজেন খেয়ে ফেলে" — আসলে তা নয়। তবে ইউক্যালিপটাসের কিছু প্রজাতি:

পানি শোষণে বেশি দক্ষ,

আশেপাশে অন্য গাছকে প্রতিযোগিতার কারণে ক্ষতি করতে পারে।

07/10/2022

আমার একটা বাড়ি ছিল পদ্মা নদীর তীরে
সাত পুরুষের জনম গেছে খরকুটার এই নীড়ে

একটুখানি উঠোনে ছিল ছোট্ট ক টা ঘর
পাশেই ছিলো বাবা-মায়ের পুরনো কবর।

দক্ষিনে এক পুকুর ছিল কানায় কানায় জল
দখিন হাওয়ার ঢেউ গুলো তার করত টলমল।

হালের দুটো বলদ ছিল একটা দুধের গাই
ওরা যেন ছিল আমার ভাগ্নি এবং ভাই।

ঘরের মুখে ছিল দুটো লাল গোলাপের চারা
সারা বাড়ি থাকতো ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা

লাল পুঁইয়ের এক মাচা ছিল আঙ্গিনার এক পাশে
পুঁইয়ের ডগা দুলত সেথায় দক্ষিণা বাতাসে।

তাজমহলের রূপ ছিল মোর সবুজ-শ্যামল নীড়ে
আসতে যেতে পথের পথিক চাইত ফিরে ফিরে।

এই বাড়িতে তেমন সুখেই যাচ্ছিল দিন কেটে
যেমন সুখে শিশুরা সব ঘুমায় মায়ের পেটে।

আমার এ সুখ সইল না ঐ পদ্মা নদীর প্রাণে
বান ডেকে সে ঢেউ তুলে মোর বক্ষে আঘাত হানে।

ঘরবাড়ি সব ভাসিয়ে নিল ভাসালো দুই আঁখি
অশ্রু ছাড়া কিছুই সে মোর রাখল না আর বাকি।

কাল যেখানে ছিল আমার মাথা গোঁজার ঠাঁই
আজ সেখানে জলের খেলা আমার কিছুই নাই।

বাপ মা আমার ঘুমিয়ে ছিল কাল যে মাটির ঘরে
আজ সেখানে নদীর পানি রঙ্গে খেলা করে।

সাত পুরুষের স্মৃতির মতন নাই কো কিছুই আর
নদীর জলে ভাসছে তাদের গোর কবরের হাড়।

নদীর জলে হাড় পেলে কেউ বক্ষে তুলে নিও
গোর হারা মোর মায়েরে আবার দাফন করে দিও।

কাল যেখানে থাকত বাঁধা আমার বলদ গাভী
আজ সেখানে বানের জলে ভাসছে হাবিজাবি।

তদের সাথে যদিও আমার রক্ত বাঁধন নাই
তবুও ওরা ছিল আমার ভগ্নী এবং ভাই।

আমার সুখে হাসত ওরা কাঁদত আমার দুখে
নিজের বাছুর উপুস রেখে দুধ দিতে মোর মুখে।

হাসিমুখে আমার সাথে টানত ওরা হাল
ভাইয়ের মতোই সঙ্গ দিয়ে আসছে চিরকাল।

আমার এ সুখ হয়নি হজম পদ্মা নদীর চোখে
আঘাত করে আমাদের এই ভাই বাঁধনের বুকে।

হঠাৎ দেখি তার আঘাতে উঠোন গেছে ফেটে
প্রাণ বাঁচাতে দিলাম ওদের গলার দড়ি কেটে।

নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে সাত জনমের বাঁধন
অবাক চেয়ে শুনছি তাদের হাম্বা সুরের বাঁধন।

বিদায় কাঁদন কান্ধে ওরা আমার দিকে চাহি
আমিও কাঁদি কান্না ছাড়া কিচ্ছু করার নাহি।

জানিনা আজ কোথায় ওরা মরল না কি আছে
কোথায় পাব তাদের খবর সুধাই বা কার কাছে।

নদির জলে পাও যদি কেউ তিনটি বলদ গাই
বুঝে নিয়ো এরাই আমার হারানো বোন ভাই।

বিনয় করে বলছি তোমার পা জড়িয়ে ধরে
একটু তাদের থাকতে দিও তোমার গোয়াল ঘরে।

শিরোনাম:- নদীর পাড়ের বাড়ি।
লেখায় :- ফেরদৌস আহমেদ।
ছবি:-সংগৃহীত।

13/08/2022

তেলের ট্রাকের পিছনে লোহার শিকল ঝুলানো থাকে কেন?
ডিজেল, পেট্রোল বা যেকোনো তেল যখন ট্রাকে করে নেওয়া হয় তখন ট্রাকের ঝাঁকুনির ফলে তেল ট্যাংকের এদিক সেদিক দুলতে থাকে, যেমন ধরুন একটি বোতলে পানি নিয়ে সেটিকে ঝাঁকি দিলে পানি যেরকম গড়াগড়ি খেতে থাকে সেরকম তেলও ট্যাংকের ভিতর গড়াগড়ি খেতে থাকে। যার ফলে ট্যাংকের সাথে তেলের ঘর্ষণজনিত কারণে আধান (চার্জ) সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্ট আধানের ফলে তেল যে ট্যাংকে রাখা হয় সেখানে স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি হয়ে থাকে এবং যদি এমনটা হয় তাহলে পেট্রোলে আগুন ধরে যাবে। এই দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার জন্য ট্রাকের পিছনে ধাতব শিকল ঝুলিয়ে দেওয়া হয় যাতে উৎপন্ন তড়িৎ এই শিকলের মাধ্যমে ভূমিতে চলে যাবার পথ তৈরি হয়।

01/06/2022

হায় ভালোবাসি 💝

01/06/2022

সভ্যতার আদি বাহন ট্রেন, ট্রেন সম্পর্কে এখনও মানুষের আগ্রহের কোনো কমতি নেই। আমরা প্রায় সবাই লক্ষ্য করেছি ট্রেন ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকলেও এর ইঞ্জিন কখনো বন্ধ করা হয়না। অনেকের মতে প্রশ্ন জাগে কেন ট্রেনের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়না। আজ জানবো কেনো ট্রেণের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয় না সে সম্পর্কে।

ট্রেনের ইঞ্জিন বিভিন্ন প্রক্রিয়ার পর চালু করতে হয়। আর এই ইঞ্জিন কম পক্ষে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট সময় লাগে। এই সময়ে যদি হঠাৎ হলুদ বা সবুজ সিগনাল ছেড়ে যাবার জন্য দেয়া হয়, তাহলে তাৎক্ষণিক সময়ের মধ্যে সেই সিগনাল ছেড়ে যেতে পারে না ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে। তাতে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এজন্য ইঞ্জিন গুলো লাইনে থাকলে স্টার্ট বন্ধ করা হয় না।

ট্রেনের ইঞ্জিনগুলোতে এয়ার কম্প্রেসার ব্রেক থাকে। আর এই এয়ার কম্প্রেসার ব্রেক সঠিক কাজ করার জন্য বাতাস প্রেসার প্রয়োজন। আর ইঞ্জিন স্টার্ট না থাকলে এয়ার কম্প্রেসার কাজ করেনা। এয়ার কম্প্রেসার প্রয়োজন ব্রেকের সঠিক কাজ করার জন্য। আর এজন্য ট্রেন স্টেশনে পৌঁছানোর পরও ট্রেনের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয় না।

ট্রেনে ডিজেল ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে স্টার্ট করার জন্য সঠিক সময় পূর্ণ ব্যাটারী চার্জ থাকা প্রয়োজন হয়। যেহেতু ট্রেনের লাইট ও আনুষাঙ্গিক উপকরণের জন্য ব্যাটারির সাহায্যে হয়ে থাকে। তাই এইগুলো ব্যবহারের ফলে ব্যাটারির সঠিক চার্জ কম হয়।

আর সে কারণেই ডিজেল ইঞ্জিনগুলো অল্প সময়ের জন্য স্টার্ট বন্ধ করা হয় না। ডিজেল ইঞ্জিন স্টার্ট করার সময় তাপমাত্রা কে সর্বত্তম স্তরে করার জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ করতে হয়। তাই বারবার বন্ধ ও চালু করার ফলে অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ হবার জন্য ইঞ্জিন চালু অবস্থায় রাখা হয়।

তথ্যসূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ।

ভালো লাগলে লাইক দিবেন।

চাইলে সেয়ার করতে পারেন।

ধন্যবাদ।

03/11/2021

#মীনা

আমি স্কুল ভালোবাসি

Photos from Polytechnic Inspired's post 22/09/2021

সত্যি জানতে বাঁধা নয় ❤️

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Bogura