Optimum online school

Optimum online school

Share

একজন ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার চেয়ে-প্রথমে একজন ভালো মানুষ হওয়া প্রয়োজন।

08/08/2025

আপনার মনে হতে পারে, তেলাপোকার কী দরকার ছিল? এরকম একটা কুৎসিত প্রাণী না বানালে হতো না?

প্রফেসর শ্রীনি, ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, একজন বিশ্বখ্যাত তেলাপোকা বিশেষজ্ঞ (হ্যাঁ, এধরনের বিশেষজ্ঞও আছে পৃথিবীতে), তিনি বের করেছেন যে, বেশিরভাগ তেলাপোকা পচন ধরা জিনিসপত্র খায়, যা নাইট্রোজেন আটকিয়ে রাখে।

যদি তেলাপোকা এগুলো না খেয়ে তাদের মলের সাথে মাটিতে নাইট্রোজেন ছেড়ে না দিত, তাহলে পৃথিবীর নাইট্রোজেন চক্রে বিপুল পরিমাণ নাইট্রোজেনের প্রবাহ ব্যাহত হতো, যা বনের গাছপালার জন্য বিরাট ক্ষতির কারণ হতো।

তেলাপোকা আছে দেখেই আজকে বন-জঙ্গলে এত গাছপালা বেঁচে আছে, আমরা বুক ভরে শ্বাস নিতে পারছি। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য যেমন অক্সিজেন দরকার, সেরকম নাইট্রোজেনও দরকার, কারণ নাইট্রোজেন প্রোটিন তৈরির জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।

প্রোটিন না হলে কোনো প্রাণ বেঁচে থাকতে পারবে না। শুধু তাই না, তেলাপোকা এমন কিছু নেই যা খায় না — আঠা, চর্বি, সাবান, চামড়া, চুল ইত্যাদি।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ২০০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে, সেই ডাইনোসরদের আমল থেকে, তেলাপোকার মতো একটি অত্যন্ত টেকসই প্রাণী দিয়ে রেখেছেন, প্রতিদিন প্রকৃতি থেকে বিপুল পরিমাণে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য, প্রকৃতিতে প্রাণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় নাইট্রোজেন চক্র ঠিক রাখার জন্য, গাছপালা টিকে থাকার জন্য।

“আসমান-জমিন এবং এ দুইটির মাঝে যা কিছু আছে সে সব আমি তামাশা করে সৃষ্টি করিনি।”

[সূরাহ আম্বিয়া, আয়াত : ১৬]

"নিশ্চয়ই আল্লাহ মাছি কিংবা তার চেয়েও ছোট কিছুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তারা জানে, নিশ্চয় তা তাদের রবের পক্ষ থেকে সত্য। আর যারা কুফরী করেছে তারা বলে, আল্লাহ এর মাধ্যমে উপমা দিয়ে কী চেয়েছেন? তিনি এ দিয়ে অনেককে পথভ্রষ্ট করেন এবং এ দিয়ে অনেককে হিদায়াত দেন। আর এর মাধ্যমে কেবল ফাসিকদেরকেই পথভ্রষ্ট করেন।"

[সূরাহ আল বাকারাহ, আয়াত : ২৬]

[ ডা. সাঈদ ]

পোস্ট - সংগৃহীত

22/11/2024

বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি পরামর্শ:

১. বই পড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।

২. পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।

৩. একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে।

৪. নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।

৫. জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।

৬. পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।

৭. একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।

৮. বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।

৯. পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।

১০. কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।

১১. যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।

১২. বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে অহেতুক পড়ে থাকেন।

১৩. সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।

১৪. ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।

১৫. একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।

১৬. বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয় সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।

১৭. বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।

১৮. একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।

১৯. কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।

২০. প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।

২১. বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।

২২. পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।

২৩. যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।

২৪. একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩ বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।

২৫. একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।

২৬. ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরিচে ঝাল বেশি হয়।

২৭. আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।

২৮. বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!

২৯. অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।

৩০. একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।

সকলের কাছে ক্ষমা ও দোয়া প্রত্যাশী।
সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

14/11/2024

হিমালয় পর্বতমালা বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশ্রেণী। এটি প্রায় ২,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২০০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার প্রশস্ত, উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে বিস্তৃত। এই বিশাল পর্বতমালা এশিয়ার পাঁচটি দেশের মধ্যে অবস্থিত এবং এটির শৃঙ্গগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু শৃঙ্গগুলোর মধ্যে গণ্য হয়।

ভৌগোলিক গঠন

হিমালয় তিনটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত:

1. গ্রেট হিমালয়: এই অঞ্চলটি সবচেয়ে উঁচু এবং এতে মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা, লোৎসে, এবং মাকালুর মতো শৃঙ্গ রয়েছে। মাউন্ট এভারেস্ট, যার উচ্চতা ৮,৮৪৯ মিটার, পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত।

2. মধ্য হিমালয়: এটি তুলনামূলকভাবে কম উঁচু, তবে এখানেও অনেক উঁচু শৃঙ্গ এবং উপত্যকা আছে। এই অঞ্চলে বিভিন্ন সুন্দর উপত্যকা এবং নদী প্রবাহিত হয়, যেমন কাশ্মীর উপত্যকা ও কাঠমাণ্ডু উপত্যকা।

3. বাইরের হিমালয়: এটির উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম, তবে এটি খুবই বিস্তৃত এবং এতে অনেক পাহাড়ি বনভূমি ও গিরিখাত রয়েছে।

টেকটোনিক প্লেটের প্রভাব

হিমালয় পর্বতমালার গঠন একটি জটিল প্রক্রিয়ার ফলাফল, যা প্রায় ৫০ মিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়েছিল। ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উপরে উঠতে শুরু করে, যা হিমালয়ের জন্ম দেয়। এই প্রক্রিয়াটি এখনো চলমান, যার ফলে পর্বতমালার উচ্চতা প্রতি বছর কয়েক মিলিমিটার করে বাড়ছে।

জীববৈচিত্র্য

হিমালয়ের ভৌগোলিক ও জলবায়ুর বৈচিত্র্যের কারণে এখানে বিস্তৃত জীববৈচিত্র্য পাওয়া যায়:

উদ্ভিদকুল: হিমালয়ে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা রয়েছে, যা উচ্চতা এবং জলবায়ুর ভিত্তিতে ভিন্ন ভিন্ন। নিম্ন উচ্চতায় চিরসবুজ বন এবং উপরে তুষারাবৃত অঞ্চল রয়েছে যেখানে লিকার এবং মোস পাওয়া যায়।

প্রাণীকুল: তুষার চিতা, লাল পান্ডা, হিমালয়ী কালো ভাল্লুক, এবং মস্ক হরিণের মতো বিরল প্রাণী হিমালয়ে বাস করে।

হিমালয়ের নদীগুলি

হিমালয় পর্বতমালা এশিয়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ নদীর উৎস, যেগুলো কয়েক মিলিয়ন মানুষের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয়। এর মধ্যে প্রধান নদীগুলি হলো:

গঙ্গা: ভারত ও বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।

যমুনা: গঙ্গার একটি প্রধান উপনদী (ভারত) এবং এটি ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখা (বাংলাদেশ)।

ব্রহ্মপুত্র: এটি তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের আসাম ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ইন্দাস: পাকিস্তানের প্রধান নদী।

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব

হিমালয় শুধু প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের জন্যই নয়, ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ:

হিন্দুধর্মে: হিমালয়কে দেবতা শিবের বাসস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কেদারনাথ, বদ্রিনাথ, এবং কৈলাস পর্বত হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান।

বৌদ্ধধর্মে: হিমালয়ে অনেক বৌদ্ধ মঠ রয়েছে, যেমন লাদাখ ও ভূটানের মঠগুলো।

জৈনধর্মে: অনেক জৈন তীর্থস্থান হিমালয় অঞ্চলে অবস্থিত।

পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ

হিমালয় পর্বতমালা আজ জলবায়ু পরিবর্তন, হিমবাহ গলন, বন উজাড়, এবং ভূমিকম্পের মতো বিভিন্ন পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। হিমবাহ গলনের কারণে নদীগুলোর পানি প্রবাহে পরিবর্তন আসছে, যা নিম্ন অববাহিকায় বসবাসরত মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে।

হিমালয় একটি অনন্য প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, যা সারা বিশ্বের মানুষের কাছে বিস্ময় ও সম্মানের প্রতীক। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ এবং সবচেয়ে নাটকীয় পর্বতমালা, যা আমাদের পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং জীবনযাত্রাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে চলেছে।

সকলের কাছে ক্ষমা ও দোয়া প্রত্যাশী।
সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

18/01/2024

🟣সকল আপুদের পোস্টটি পড়ার অনুরোধ রইলো••••

খাদিজা (রা:) ৪০ বছর বয়সে নবী (সা:) বিয়ে করেছিলেন এবং আল্লাহ তাকে ছয়টি সন্তানের মা হওয়ার তৌফিক দান করেছেন।

আয়েশা (রা:) ১১ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু আল্লাহ তাকে কোনো সন্তান দেননি।

মারিয়াম (রা:) কখনই বিয়ে করেননি এবং তিনি ছিলেন বিশ্বের নারীদের মধ্যে সেরা।

আসিয়া (আ:) সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ মানুষ ফিরাউনের স্ত্রী ছিলেন।

খাওলা (রা:) অন্যতম সাহাবীয়া ও ইসলামের যোদ্ধা ছিলেন কিন্তু তিনি কখনো বিয়ে করেননি!

"আল্লাহ পাক এসব জান্নাতি রমনীদের ভাগ্য একেকজনের একেক রকম ভাবে লিখেছিলেন, জাতির জন্য উদাহরণ সরূপ করেছেন।

আজ এই রমনীরা কোটি কোটি মুসলমানদের কাছে বিশেষ ভাবে সম্মানিত এবং প্রেমময় হয়েছেন, সময় সবকিছু দেখিয়েছে।

◾তাই আমার প্রিয় বোনেরা,
আপনার বয়স যতই হোক না কেন বা আপনার জীবন যতই কঠিন হোক না কেনো,আমাকে বলুন যে, মরিয়ম (রা:) কখনও বিবাহিত হয়নি বলে তাকে আপনি অবজ্ঞা করবেন?

◾আয়েশা (রা:) কখনও মা হননি, এই সত্যকে অবমাননা করবেন?

◾খাদিজা রাঃ ৪০ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন এবং নবী করীম (সা:) তার চেয়ে ছোট বলে কি এই সত্য অপ্রকাশিত ছিল ??

◾আসিয়া (রা:) যে অত্যাচারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তা কি তাকে হতাশ করেছিল?

না! এই সমস্ত মহিলারা তাদের বিশ্বাস এবং তাদের কাজ দ্বারা সর্বোচ্চ মর্যাদা অর্জন করেছেন।
সুতরাং আপনি যা-ই করছেন না কেন লোকেরা আপনাকে কী বলবে বা ভাববে তা নিয়ে আপনি কেন চিন্তা করবেন?

আপনি এখনও বিয়ে করেননি? আপনার এখনও সন্তান নেই? তাতে কি? এটি আপনার হাতে বা কারও হাতে নয়।এটা আল্লাহর হাতে!
মানুষের এসব কথায় কেন এত গুরুত্ব দিতে হবে?
আল্লাহ আপনার অস্তিত্বের পূর্বে আপনার ভাগ্য লিখেছিলেন।

কখনও ভুলে যাবেন না যে,এই জীবনটি একটি পরীক্ষা এবং আমরা এই পৃথিবীতে যা চাই তা আমাদের কখনও চিরকাল থাকবে না।প্রতিটি মানুষই দুনিয়াতে বিয়ে বা শিশু বা চাকরি বা দারিদ্র্যতা বা অন্য কোনও পরীক্ষার দ্বারা পরীক্ষিত হয়। তাই লোকের কথায় মন না দিয়ে আরও বেশি দ্বীনদার হওয়ার দিকে মনোনিবেশ করুন।
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹
অবশ্যই আপনার উজ্জ্বল সময় একদিন আসবে ইনশা আল্লাহ🤲
[ সংগ্রহীত ]

সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

18/01/2024

দুনিয়ার সুখঃ
১. মা-বাবা। ২.নেক স্বামী। ৩. নেক বিবি। ৪. নেক ছেলে মেয়ে।

আখেরাতের সুখঃ
১. ইলম। ২. পরহেজগারী। ৩. সদকা। ৪. নেক আমল।

শরীরের সুখঃ
১. কম খাওয়া। ২. কম ঘুমানো। ৩. কম কথা বলা। ৪. কম হাসা।

মনের সুখঃ
১. সবর। ২. জিকির ও তাসবীহ পাঠ করা। ৩. আল্লাহর শোকর আদায় করা। ৪. ভাবগাম্ভির্য থাকা।

ঈমানের স্বার্থকতাঃ
১. লজ্জা। ২. পাক পবিত্র থাকা। ৩. সত্যের সাথে থাকা। ৪. ইনসাফ করা।

যেসব কথায় আল্লাহ নারাজ হনঃ
১. পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্ন করা।
২. মা বাপের উপর কথা বলা।
৩. স্বামী অবাধ্য হওয়া এবং স্বামীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা। স্বামীর সাথে রাগ করে কথা না বলা, স্বামীর ভাল আদেশ মেনে না চলা।
৪. কারো সাথে প্র*তার*ণা, ছ*ল*না এবং মোনাফেকি করা।
৫. আজানের সময় কথা বলা আর কাজ করা।
৬. নামাজের পর দোয়া না করা।
৭. দাঁড়িয়ে পানি পান করা।
৮. গা*লা*গা*লি করা।
৯. হিং*সা রাখা।
১০. ঘরে মেহমান দেখে নারাজ হওয়া।
১১. চিরন্তন সত্যকে মিথ্যা প্রচার করা।
১২. ইসলামি শরীয়াহ অস্বীকার করা।
১৩. কারো সাথে তিন দিনের বেশী কথা বলা বন্ধ রাখা।
১৪. ওয়াক্ত মত সালাত আদায় না করা।

উপকারী কয়েকটি কথাঃ
→যদি খুশি পেতে চাও তাহলে সময়ে ইবাদত করো। যদি মুখের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে চাও তাহলে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ো।
→যদি হৃদয়ে প্রশান্তি পেতে চাও তাহলে , কুরআন তেলাওয়াত করো।
→যদি শরীর সুস্থ পেতে চাও তাহলে , রোজা রাখো।
→যদি মুসিবত থেকে বাঁচতে চাও তাহলে , ইস্তেগফার পড়ো।
→যদি ঘরে বরকত চাও তাহলে দুরুদ শরিফ পড়ো।
→যদি সব মুশকিল শেষ করতে চাও তাহলে , লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়ো।
→যদি দুঃখ থেকে নাজাত পেতে চাও তাহলে , দোয়া করো।

আল্লাহ পাক আমাদেরকে ভালো থাকার ও ভালো কাজের তওফীক দান করুন ।
-আমিন 🤲

সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

20/12/2023

🚩that means he told me the truth
তার মানে সে আমাকে সত্য বলেছে
🚩that means he didn't lie to me
তার মানে সে আমাকে মিথ্যা বলে নি
🚩that means they went to school yesterday
তার মানে তারাগতকাল স্কুলে গিয়েছিল
🚩that means we were wrong
তার মানে আমরা ভুল ছিলাম
🚩that means you won't sleep tonight
তার মানে আপনি আজ রাতে ঘুমাবেন না
🚩that means she didn't disturb you
তার মানে সে আপনাকে বিরক্ত করেনি
🚩that means you won't go for a walk
তার মানে আপনি ঘুরতে যাবেন না
🚩that means you didn't pray yesterday
তার মানে আপনি গতকাল নামাজ পড়েননি
🚩that means you can't speak in English properly
তার মানে আপনি ইংরেজিতে ঠিকমত কথা বলতে পারেন না
🚩that means you don't practice everyday
তার মানে আপনি প্রতিদিন অনুশীলন করেন না

সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

17/12/2023

মহান আল্লাহ আমাদের বোঝার ও মেনে চলার তাওফিক দান করুনঃ

11/12/2023

গভীর সমুদ্রে মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনুস (আঃ) জানতেন না মাছ তাঁকে হজম করতে না পেরে আবার তীরে ফিরিয়ে দিবে!

ঈমান বাঁচাতে দৌঁড় শুরু করার পরও ইউসুফ (আঃ) জানতেন না তাকে রক্ষায় দরজা খুলে যাবে!

ফিরাউন বাহিনীর আক্রমণ থেকে বাঁচতে মুসা (আঃ) সাগরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় জানতেন না সাগরের পানি দ্বিখণ্ডিত তাঁর জন্য মসৃণ পথ তৈরি হবে!

ইব্রাহীম (আঃ) জানতেন না প্রজ্বলিত আগুন তাঁর জন্য আরামদায়ক হয়ে যাবে!

কুরবানী করতে নিয়ে যাওয়ার সময় ইসমাঈল (আঃ) জানতেন না ধারালো ছুরি তাঁর গলায় আঁচড় পর্যন্ত বসাতে পারবে না!

আইয়ুব (আঃ) জানতেন না পোঁকায় খেয়ে ফেলা শরীর আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে!

তাঁরা প্রত্যকেই নিশ্চিত জানতেন তাঁদের একজন দয়াময় রব আছেন। আর রবের উপর ছিলো তাঁদের প্রত্যেকের পূর্ণ তাওয়াক্কুল। নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ) বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। আর তাই হয়েছিল।

মহান আল্লাহ আমাদেরও বিপদের সময় পরিপূর্ণ তাওয়াক্কুলের সাথে ধৈর্য্য ও তাঁরই নিয়ামতের প্রশংসা করার তাওফিক দান করুন।

সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

10/12/2023

ফ্যাক্টঃ আদম সন্তানদের একমাত্র মৃত্যু ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে ভরবে না।যেমনঃ

বিবাহিতঃ
সংসারে অশান্তি। তালাক দিয়ে সব মিটমাট করে ফেলতে ইচ্ছা করে।

অবিবাহিতঃ
সারাক্ষণ বিয়ের ভাবনায় দিন কাটে। সঙ্গীকে পাওয়ার স্বপ্নে বিভোর।

ধনীঃ
একটু শান্তি আর সুখের খোঁজ কোথা থেকে পাওয়া যায়, তা ভাবতে ভাবতে বিষন্নতায় ডুবে থাকা

গরীবঃ
আরও বেশি অর্থ উপার্জনের পথ খুঁজে ফেরা।

শিশুঃ
কবে যে বড় হবো? সবাই ছোট-ছোট বলে।

প্রাপ্তবয়স্কঃ
ইশ্! সেই শৈশবটাকে যদি আবার ফিরে পেতাম।

সন্তানপ্রাপ্তঃ
এইগুলোর যন্ত্রণায় জিবনটা শেষ হয়ে গেল। একটাও মানুষ হলো না। যাদের সন্তান নেই তারাই ভালো আছে।

নিঃসন্তানঃ
আল্লাহ্, পৃথিবীর যেকোন কিছুর বিনিময়ে আমাকে সন্তান দাও।

চাকুরীজীবিঃ
দিনভর এত খাটুনি আর ভালো লাগে না।

বেকারঃ
কবে যে একটা চাকুরী হবে।

সেলিব্রেটিঃ
মুখ লুকাতে ব্যস্ত।

সাধারণ ব্যাক্তিঃ
সেলিব্রেটি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর।

👉এই জগতে একমাত্র মৃত্যু ছাড়া মানুষের এই অসীম ইচ্ছা বা চাহিদা বা অপূর্ণতাকে দমানোর কোনো শক্তি নেই।

তাই আসুন যা আছে তাই নিয়ে সুখী হই-আলহামদুলিল্লাহ।

সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

03/12/2023

না হেরে কখনও জেতার আনন্দ পাবেন না।

যে কোনো মূহুর্তে যে কোনো বিষয়েই আপনাকে জিততে হবে বিষয়টি এমন না।

চুপ থাকুন-ভাবুন-তারপর উত্তর দিন-উত্তরটা হতে পারে-আপনার কাজ দিয়ে-সময় দিয়ে অথবা সফলতা দিয়ে।

তাতে সময় লাগুক ১ দিন ১ মাস ১ বছর অথবা কয়েক বছর।

সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

29/11/2023

নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী যোগ্যতার ৪টি উপাদান। যথা : ১. জ্ঞান ২. দক্ষতা ৩. দৃষ্টিভঙ্গি ৪. মূল্যবোধ।

1..জ্ঞান : গাড়ি চালানোর নিয়ম কানুন জানা হলো জ্ঞান।

2...দক্ষতা : গাড়ি ভালোভাবে চালাতে পারা হলো দক্ষতা।

3...দৃষ্টিভঙ্গি : সিগনালে গাড়ি নেই, সার্জেন্ট নেই আপনি নিয়ম মানবেন কি না এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি।

4...মূল্যবোধ : সবসময় নিয়ম মেনে গাড়ি চালানোর প্রতি মনোভাব তৈরি হওয়া এক ধরনের মূল্যবোধ।

5....যোগ্যতা : নিয়ম কানুন মেনে ভালোভাবে গাড়ি চালাতে পারা হচ্ছে যোগ্যতা।

সংগৃহীত

সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

27/11/2023

✪ I have to do - আমাকে করতে হবে।
✪ I have to go - আমাকে যেতে হবে।
✪ I have to play - আমাকে খেলতে হবে।
✪ I have to learn - আমাকে শিখতে হবে।
✪ I have to earn - আমাকে উপার্জন করতে হবে।
✪ It has to be done - এটা করতে হবে।
✪ Mina has to cook - মিনাকে রান্না করতে হবে।
✪ You have to be smart - তোমাকে স্মার্ট হতে হবে।
✪ I have to attend the seminar - আমাকে সেমিনারে উপস্থিত হতে হবে।
না বোধক করে চর্চা করাঃ
✪ I don’t have to do it - আমাকে এটা করতে হবে না।
✪ We don’t have to do it - আমাদেরকে এটা করতে হবে না।
✪ You don’t have to do it - তোমাকে এটা করতে হবে না।
✪ He doesn’t have to do it - তাকে এটা করতে হবে না।
প্রশ্ন বোধক করে চর্চা করাঃ
✪ Do I have to do it - আমাকে কি এটা করতে হবে ?
✪ Do you have to do it - তোমাকে কি এটা করতে হবে ?
✪ Does he have to do it - তাকে কি এটা করতে হবে ?
✪ Do they have to do it - তাদেরকে কি এটা করতে হবে ?
না বোধক-প্রশ্ন বোধক করে চর্চা করাঃ
✪ Don’t I have to do it - আমাকে কি এটা করতে হবে না ?
✪ Don’t we have to do it - আমাদেরকে কি এটা করতে হবে না ?
✪ Don’t you have to do it - তোমাকে কি এটা করতে হবে না ?
✪ Doesn’t he have to do it - তাকে কি এটা করতে হবে না ?
WHQ ব্যবহার করে চর্চা করাঃ
✪ Do I have to do it - আমাকে কি এটা করতে হবে ?
✪ Why do we have to do it - আমাদেরকে কেন এটা করতে হবে ?
✪ When do you have to do it - তোমাকে কখন এটা করতে হবে ?
✪ How do you have to do it - তোমাদেরকে কিভাবে এটা করতে হবে ?
✪ With whom does he have to do it - তাকে কার সাথে এটা করতে হবে ?
✪ How long do they have to do it - তাদেরকে কতক্ষণ ধরে এটা করতে হবে ?
✪ How often does Rony have to do it - রনিকে কত বার এটা করতে হবে ?

★Good luck to all love forever and ever-সকলের জন্য শুভকামনা চিরন্তন ভালোবাসা অবিরাম।

Want your school to be the top-listed School/college in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Bogura