02/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. কওমি মাদ্রাসার ১ম সাময়িক পরিক্ষার আজ ২য় দিনে বাংলা পরিক্ষা চলমান।
একটি ইসলামী আদর্শিক গবেষণা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।
02/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. কওমি মাদ্রাসার ১ম সাময়িক পরিক্ষার আজ ২য় দিনে বাংলা পরিক্ষা চলমান।
30/04/2026
আলহামদুলিল্লাহ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. কওমি মাদ্রাসার ১ম সাময়িক পরিক্ষার আজ ১ম দিন।
18/04/2026
প্রথম সাময়িক পরীক্ষার নোটিশ!
এই যে রমজান বিদায় নিচ্ছে এবং ঈদ আসছে, এখানে পুরো মুসলিম সমাজের ব্যস্ততা ও আওয়াজ কোন বিষয়কে উপলক্ষ্য করে? পুরোটাই দেখবেন বিনোদন, কেনাকাটা এসবকে কেন্দ্র করে।
কিন্তু রোজা ও ঈদের কি কোন রূহানিয়্যাত নেই? সেই আওয়াজটা কি মুসলিম সমাজে প্রতিধ্বনিত হয়?
রোজার উদ্দেশ্য ছিল তাকওয়ার গুণ অর্জন করা। পুরো মাস আল্লাহ আমাদের দ্বারা তাকওয়ার চর্চা করিয়েছেন। প্রবৃত্তি চাহিদা ও দাসত্বকে বারণ করার প্র্যাক্টিস করিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের বিগত দিনসমূহের গোনাহ মাফের ব্যবস্থা করেছেন এবং রোজার পরেও গোনাহ না করার জন্য দুটি প্রধান আত্মিক শক্তির অনুশীলন করিয়েছেন। তাকওয়া ও প্রবৃত্তির দাসত্বকে প্রত্যাখ্যান। এ দুটির শূন্যতাই সমস্ত গোনাহের মূল। যে এ দুটি গুণ অর্জন করেছে, সেই জান্নাতি মানুষ হতে পেরেছে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَاَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّہٖ وَنَہَی النَّفۡسَ عَنِ الۡہَوٰی فَاِنَّ الۡجَنَّۃَ ہِیَ الۡمَاۡوٰی
আর যে ব্যক্তি নিজ প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ভয় পোষণ করত এবং নিজেকে মন্দ চাহিদা হতে বিরত রাখত, জান্নাতই হবে তার ঠিকানা।
রমজান বিদায় নিচ্ছে, আমরা কি নিজেদের গোনাফ মাফ করাতে পেরেছি? আমরা কি রমজান পরবর্তী সময়ে গোনাহ না করার মত আত্মিক শক্তি লাভ করতে পেরেছি? তাকওয়া আর কুপ্রবৃত্তিকে প্রত্যাখ্যানের চেতনা কি আমাদের ভিতর এসেছে?
ঈদের মূল বাস্তবতাটা কি? কেন ঈদের এই আনন্দ? ইমাম ইবনে রজব হাম্বলি রহিমাহুল্লাহ বলেন,
ঈদুল ফিতরের দিন সমস্ত উম্মতের জন্য ঈদ ও আনন্দের দিন হওয়ার কারণ হল- ঐ দিন আল্লাহ তাআলা রোযাদারদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। ফলে যারা গোনাহগার তারাও নেককারদের দলে শামিল হয়ে যায়।... সুতরাং ঈদের দিন যাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় তার জন্য সেদিন ঈদ ও খুশির দিন আর ঐ দিন যে মুক্তি পায়নি তার জন্য সেদিন কান্না ও বিলাপের দিন। (লাতাইফুল মাআরিফ, পৃ. ২৩৭-২৩৮)
আমাদের আরেক সালাফ বলতেন,
যাকে অঞ্জলি ভরে দান করা হল, ঈদ তো তার জন্য নয়। ঈদ তো হল ঐ ব্যক্তির জন্য, যার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হল। (মুজামুস সাফার, আবু তাহের সিলাফী, পৃ. ৩০২)
মুসলিম সমাজে কি ঈদের এই বাস্তবতা ও রূহানিয়্যাতের উপলদ্ধি আছে? মোটেও না। প্রথমত আমরা রমজানের প্রস্থান ও ঈদের আগমনের কারণ, উদ্দেশ্য, অর্জন নিয়ে কোন হিসেবনিকেশই করি না। দ্বিতীয়ত যেই ঈদ এসেছে গোনাহ মাফের উপলক্ষ্য হিসেবে, সেই ঈদটাকেই আমরা বানিয়ে নিচ্ছি শত গোনাহের মোক্ষম উপলক্ষ্য। ফলে আমাদের ঈদ আর ঈদ থাকছে না, ওয়াঈদ হয়ে যাচ্ছে।
ঈদ আসছে। বৈধভাবে ঈদকে উৎযাপন করুন। আনন্দমুখর করে তুলুন। পাশাপাশি সিয়াম ও ঈদের যে রূহানিয়্যাত সেটার মুহাসাবাও জারি রাখুন।
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
ঈদ মোবারক
08/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. কওমি মাদরাসা ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
26/02/2026
মাদরাসার শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
রমজান প্রায় চলে এসেছে। আমাদের অনেকেরই রমজান নিয়ে অনেক কিছু করার পরিকল্পনা থাকে। রমজানের সময়টায় অনেক নেক কাজ করার আগ্রহ থাকাটা ভাল। এই আগ্রহ ও উদ্দীপনা ঈমানেরই পরিচায়ক।
কিছু মৌসুমে যেমন অনেক ব্যবসা করে নিতে হয়, রমজানটাও এমন আমলের মৌসুম। কিন্তু অধিকাংশের ক্ষেত্রেই যেটা দেখা যায়, অনেক পরিকল্পনার ভেতরে দিনশেষে কিছুই করা হয় না। পরিকল্পনাকে এমন ভারী বানিয়ে ফেলা হয় যে, সেই চাপে নূন্যতম কাজও বের হয়ে আসে না।
এজন্য প্রাথমিকভাবে তো মুমিন হিসেবে রমজান মাসটাকে অধিক আমলে কাটানোর প্রচেষ্টাই রাখা উচিত। তবে এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল, অল্প হলেও কিছু আমলকে টার্গেট বানিয়ে নেয়া। যেটা ধারাবাহিক চালিয়ে যাওয়া এবং প্রতিদন করা সম্ভব। হারাম থেকে বেঁচে থাকা, প্রতিদিন কুরআনের জন্য একটা সময় বরাদ্দ রাখা, দোয়ার জন্য স্পেশাল সময় বেছে নেয়া, সময়মত ও জামাতের সাথে নামাজ আদায় করা, অল্প সদাকা, রাতে তাহাজ্জুদ।
এগুলো খুবই স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মাঝেই সম্পাদন সম্ভব।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, রমজানটাকে কিছু নেক হ্যাবিট বা ভাল অভ্যাস গঠনের জন্য কাজে লাগানো। যেমন নামাজের অভ্যাসটা নিজের মাঝে নিয়ে আসা, অল্প হলেও প্রতিদিন কিছু সময় কুরআনের সাথে সময় কাটানোর অভ্যাস গঠন করা।
আর যারা পরিবারের দায়িত্বশীল আছেন, তারা অবশ্যই অধিনস্থ সদস্য, বিশেষভাবে নারীদের জন্য কাজের চাপ কমিয়ে আনবেন। তাদের জন্য সুযোগ তৈরি করবেন। সাংসারিক ও ঘরোয়া কাজের জন্য সুবিধাজনক ব্যবস্থা করবেন সামর্থ্য অনুযায়ী। এটিও সওয়াবের কাজ।
আর মা-বোনদের অনেকেরই রমজান মাসে সাংসারিক কাজেই সময় চলে যায়। এর মাঝেও অল্প কিছু বিষয়কে ধরে রাখার চেষ্টা করা। কুরআনের সাথে সময়, দোয়া আর নামাজ অন্তত এগুলো ঠিক রাখা। কাজের সময় যবান ও অন্তরে বিভিন্ন উপকারি যিকির চালু রাখা। আর সাংসারিক কাজগুলোও সওয়াবের নিয়তে করা।
ইফতার, সাহরি সহ খাবার তৈরির কাজেও সওয়াবের নিয়ত ও চিন্তা রাখা। ঘরের মানুষদের জন্য, বিশেষত রোজাদার ব্যক্তির জন্য খাবারের ব্যবস্থা করাও অনেক বড় সওয়াবের কাজ। অনেকেই এই কাজগুলো করে, কিন্তু অন্তরে সওয়াব ও পুরষ্কারের কোন অনুভূতি ও প্রেরণা থাকে না। এতে কাজের মান কমে যায়।
লেখা. ইফতেখার সিফাত
❝রমজান মুমিনের জন্য আত্মশুদ্ধির মাস❞
09/02/2026
"মধ্য-শা'বানের রজনী" মূলতঃ রামাদানেরই আগাম একটি বার্তা।
বরকতময় এ রাতের ফজিলত প্রমাণিত।
তবে এর চেয়েও অধিক ফজিলতের দিবস ও রজনী গুলোকে আমরা কদর করিনা। এটা আমাদের বঙ্গীয় মরমি হাইব্রিড চেতনার স্বরূপ।
আবার এ রজনীকে বিদআত সাব্যস্ত করা হলো আরেক হাইব্রিড নব্য সালাফীবাদ।
আমরা দুই হাইব্রিড চেতনার মাঝামাঝি।
আসুন! এ রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই,
আসুন! এ রাতের বিদআতগুলোকো না' বলি।
08/01/2026
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. কওমি মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের ক্লাস রুটিন -২০২৬ ইং।