16/10/2021
ছবিতে আলীবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা এর সাথে যে ভদ্রমহিলাকে দেখা যাচ্ছে তিনি টং ওয়েনহং। টং ১৬ বছর আগে যখন রিসিপ্শনিস্ট হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তখন জ্যাক তাঁকে তাঁর কোম্পানীর ০.২% শেয়ার দিয়ে বলেছিলেন যে এর মূল্য ১০০ মিলিয়নের সমতুল্য হবে যখন আলীবাবা ভবিষ্যতে পাবলিক কোম্পানীতে রূপান্তরিত হবে।
তাই জ্যাক তাঁকে কোম্পানী বদল না করে আলীবাবার সাথে থাকতে বলেছিলেন। টং বছরের পর বছর অপেক্ষার পরেও আলীবাবা পাবলিক কোম্পানীতে রূপান্তরিত হলোনা। তখন সে ২০০৪ সালে জ্যাক কে জিজ্ঞাসা করলো এ ব্যাপারে এবং জ্যাক উত্তর দিলো "শীঘ্রই হবে"। সে আবারো ২০০৬ এ জিজ্ঞাসা করলো এবং জ্যাক একই উত্তর দিলো "শীঘ্রই হবে"। যাই হোক! টং কখনই এটা হতে দেখলোনা এবং কখনই তার ১০০ মিলিয়ন পাওয়া হবে না ধরে নিল। কিন্তু তখনো মনের বিশ্বাস ও হারালো না। লেগেই রইল।
অতপর, সেপ্টেম্বর ২০১৪ তে, দি নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে যখন আলীবাবা অবশেষে পাবলিক কোম্পানীতে রূপান্তরিত হলো তখন এটার মূল্য ছিলো প্রায় ২৪৫.৭ বিলিয়নের সমতুল্য।
টং তখন ফর্মার সিনিয়র রিসিপশানিস্ট ছিলেন ( বর্তমানে আলীবাবার ভাইস প্রেসিডেন্ট) এবং ত॒ৎক্ষণাৎ তার ০.২% শেয়ারের মূল্য হয়ে গেল ৩২০ মিলিয়ন সমতুল্যের।
্রশ্ন_হচ্ছে ঃ-
আপনি কি একটি কোম্পানীতে ১৪ টি বছর থাকতে পারবেন?
এটা জেনেও যে প্রতিষ্ঠাতা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে কোম্পানীটাকে একটা প্লাটফর্মে নেওয়ার জন্য?
তখনো কি আপনার অভিযোগ করাটা মানায়?
সফল হওয়ার জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরতেই হবে, কখনই স্বল্প সময়ে লাভবান হওয়ার জন্য অধৈর্য হলে চলবেনা।
কথায় আছেঃ-
Loyalty isn't grey. It's black and white.
হয় আপনি বিশ্বস্ত অথবা আপনি একেবারেই বিশ্বস্ত নন। সবাইকে এটা বুঝতে হবে। আপনার নিজের প্রয়োজনে বিশ্বস্ত থাকবেন আর প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে বিশ্বস্ততাও শেষ হয়ে যাবে এটা মোটেই কাম্য নয়।
30/07/2021
৪ বন্ধু মিলে ১টা পেট্রোল পাম্প দিল।কিন্তু তারা একটা কাস্টমারও পেলনা!!!!
কারন, পেট্রোল পাম্পটা ছিল এক তলার উপরে!
এবার তারা ঐ জায়গায়
একটা রেস্টুরেন্ট খুলল । কিন্তু এবারও তারা কোন কাস্টমার পেলনা!!
কারন,তারা পেট্রোল পাম্প এর
সাইনবোর্ডটা খুলে নাই!!!!
এবার তারা ৪ জন
মিলে একটা ট্যাক্সি কিনলো । কিন্তু এবারও তারা কোন যাত্রী পেলোনা!!
কারন,২ বন্ধু সামনে আর ২ বন্ধু
পিছনে বসে যাত্রী খুজতে ছিল!!! যাত্রী বসবে কই??
কিছুদিন পর তাদের ট্যাক্সি নষ্ট হয়ে গেল!!! তারা ৪ জন ট্যাক্সি ধাক্কা দিতে লাগল, কিন্তু
ট্যাক্সি তার জায়গা থেকে একটুও নড়ল না!!!
কারন ২ জন পিছন দিয়ে ঠেলতে ছিল আর ২ জন সামনে দিয়ে!!
মোরালঃ
পুঁজি আর জনবল থাকলেই সবাই সফল হতে পারে না।সফল হতে হলে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হয়। অন্যেরা ভাল ব্যবসা করছে আমাকেও এই ব্যবসা করতে হবে এমন ভাবনা না ভেবে যে ব্যবসা করবো সেই ব্যবসা সম্পর্কে ভাল মন্দ জেনে ব্যবসায় নামা উচিত।
Tech BULL Solution
Silicon institute of IT-SIIT
11/06/2021
মনে আছে তো, সেই বিতর্কের ভিডিও !
রেবেকা শফি। এক সময় ঢাকার ধানমিন্ডতে থাকতেন। তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম করা অধ্যাপক আর মা অধ্যাপিকা। রেবেকা এখন জেনেটিকস নিয়ে পোস্ট ডক্টোরাল রিসার্চ করছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
১৯৯৩-৯৪ সালে স্কুলের একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে বক্তব্য রাখেন রেবেকা। তার ছোট বেলার সেই ভিডিও নিয়ে রীতিমত হৈচৈ পড়ে গেছে।
সেই ১৫ বছরের শফি এখন অনেক বড়।২৬ বছর আগের সেই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন রেবেকা শফি।
এতোদিন Women Empowerment শুনেছেন, এখন দেখেন EMPOWERED Woman!
রেবেকা শাফীর ডিগ্রিসমূহঃ
✔ Physics Undergrad (GPA 4.00) - Cal Tech
✔ Master’s Astrophysics - Harvard
✔ PhD – Harvard (On Black hole Spin!)
✔ Teaching Assistant, Post Doc RA, Swartz Fellow in Comp Neuroscience – Harvard Center of Brain Science
✔ Post Doc Fellow – Broad Inst at MIT and Harvard
✔ Post Doc Fellow – Harvard Med School
✔ Winner of US$ 200,000 grant to study “Measure of Black hole Spin”
✔ Best TV Debater – Bangladesh Television
ইনি আগে Physics নিয়ে পড়তেন, এখন তার interest হচ্ছে Biology! কাজ করছেন neuroscience আর genetics এর intersection নিয়ে Harvard Medical School এ!তার কিছু আর্টিকেল ও Google scholer
এ প্রকাশিত হয়।
কে বলে মেয়েরা STEM field এ কাজ করতে পারে না, কে বলে বাঙ্গালী মেয়েরা অন্য সবার চেয়ে পেছানো? অনেকে বলবেন তারা exceptional! হ্যাঁ হতে পারে। কিন্তু মানুষ তো।
আজকে তিনি সফল 😍
হোক ছেলে কিংবা মেয়ে! নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন ও চেষ্টা করে যান সফলতা আসবেই একদিন।
&
এডিশন সোর্সঃ ইন্টারনেট
“আপনি আপনার ক্ষমতার ব্যাপারে অজ্ঞ, যখন বুঝতে পারবেন আপনার ক্ষমতার পরিধি তখন সকল কিছু ভেদ করে পৌঁছে যাবেন কাঙ্খিত লক্ষে”
08/06/2021
উপহার যত সামান্যই হোক সেটা গ্রহন করা ভদ্রতা আর সৌজন্যবোধের পরিচয়
কেনিয়া মাত্র ১২ টন খাদ্যশস্য ভারতকে সাহায্য পাঠানোয়, সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু পোষ্ট দেখে খুব অবাক হলাম। 'ভিখারী', 'ভিখমাঙ্গা', 'গরীব' ইত্যাদি বলে কেনিয়াকে সম্বোধন করা হচ্ছে!
সকলে আমেরিকার নাম তো অবশ্যই শুনেছেন। ম্যানহাটন, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নামও সবার শোনা এবং ওসামা বিন লাদেনের নামটাও সকলের জানা। তবে যেটা সকলের জানা নেই সেটা হল ইনোসাইন গ্রামের কথা, এই গ্রামটি পড়ে কেনিয়া এবং তানজানিয়া বর্ডারের কাছে, এখানকার জনজাতি কে বলা হয় মাসাই। আমেরিকার উপর ৯/১১র হামলার কথা এদের কাছে পৌঁছাতে কয়েক মাস লেগে যায়। এই খবর তাদের কাছে তখনই পৌঁছায় যখন কিমেলি নোয়ামা নামের একটি মেডিক্যাল স্টুডেন্ট ছুটিতে বাড়ি ফেরে। নোয়ামি স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্রী ছিলেন এবং ঐ গ্রামের পাশের একটি কসবা অঞ্চলে বাস করতেন। নোয়ামা তার চোখে দেখা ৯/১১ ঘটনার বিবরণ মাসাইদের শোনান।
মাসাইরা আমেরিকার এই দূঃখে সমব্যাথি হয় এবং ঐ মেডিক্যাল স্টুডেন্টের মাধ্যমে একটি চিঠি কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্হিত আমেরিকার দূতাবাসে পৌঁছায়। ঐ চিঠি পড়ে দূতাবাসের ডেপুটি চিফ উইলিয়াম ব্রাকিং প্রথমে বিমানে তারপর বেশ কয়েক মাইল ভাঙাচোরা রাস্তা অতিক্রম করে মাসাই জনজাতিদের গ্রামে পৌঁছান।
গ্রামে পৌঁছে উইলিয়াম ব্রাকিং দেখেন গ্রামের লোকজন একত্রিত হয়েছেন এবং ১৪ টি গরু সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো আছে। একজন বয়স্ক ব্যক্তি গরুর দড়ি ব্রাকিংএর হাতে দিয়ে একটি ফলক বা লেখার দিকে দিকে তাকাতে ইশারা করেন, ঐ ফলকে লেখা ছিল "এই দূঃখের সময়ে আমরা আমেরিকার পাশে আছি এবং আমেরিকার মানুষকে সাহায্য করার জন্য ১৪টি গরু দান করছি"। হ্যাঁ, সেই চিঠিটা পড়ে পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী দেশের রাজদূত হাজার মাইল অতিক্রম করে ১৪টি গরুর দান নিতে গেছিলেন।
ঐ গরু আমেরিকাতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি আইনি বাধা এবং গরুর ট্রন্সপোর্টিঙের অসুবিধার কারনে। গরুগুলো বিক্রি করে মাসাই দের আভূষন ৯/১১র মেমোরিয়াল মিউজিয়ামে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এই বিষয়টি যখন আমেরিকার সাধারণ মানুষরা জানতে পারে তখন কি হয়? হুল্লোড় শুরু হয়ে যায়, তারা জেদ ধরে আভূষন নয় ঐ গরুই চাই। নানা ইমেল এবং বহু অনলাইন পিটিশন সাইন করা হয়, নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে গরুগুলো দেশে আনা হয়।
আমেরিকাবাসিরা মাসাই ও কেনিয়ার এই অভূতপূর্ব ভালোবাসা ও সমবেদনার জন্য তাদের কাছে কৃতজ্ঞ ভাবে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানায়।
১২ টন শষ্য কৃতজ্ঞ হয়ে স্বীকার করুন এবং ভাবুন এরকম পরিস্থিতি কেন তৈরি হল। দান নয় দানীর হৃদয় দেখুন, তাকে শ্রদ্ধা করুন।
(সংগৃহীত)
25/10/2020
ভোলা জেলায় শিক্ষিত বেকার বা নিজে কিছু করার প্রবল ইচ্ছা আছে এমন ভদ্র নাগরিকদের আওয়াজ দেওয়ার অনুরোধ রইল!!কি করা যাবে জানি না কিন্তু তাদের জন্য কিছু একটা করতে পারব,বিফলে মূল্যফেরত শর্তে!! বিদ্রুঃঅবশ্যই চাহিদার উপর নির্ভর করবে স্বপ্নে পাওয়া এ তাবিজ বিক্রয় করব কিনা,হাদিয়া খুবই সামান্য!!হাত তুলতে লজ্জা পেলে নির্ভয়ে ইনবক্সে নক করতে পারেন।বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন Silicon institute of IT-SIIT
ধন্যবাদ দান্তে
Farhan Chowdhury
Professional Graphics, Animation and Video Editor
Experience: over 5 years in real workflow offline & online
Phone: +8801711241914
Email: [email protected]
14/09/2020
ঘটনাটি নাইজেরিয়ায় একটি ব্যাংকের “
ব্যাংকের ম্যানেজার ব্যাংকার নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ব্যাংকে প্রবেশের পথে উক্ত ব্যাংকে কর্মরত সিকিউরিটি গার্ড অত্যন্ত বিনয়ের স্বরে বলল স্যার আমি গ্র্যাজয়েট আমাকে কি উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়া যায় । ব্যাংক ম্যানেজার তার আচরন ও আত্মবিশ্বাস দেখে পরীক্ষার সুযোগ করে দিলেন এবং সিকিউরিটি গার্ড লোকটি প্রথম হলেন । প্রথম ছবিটি ম্যানেজার সাহেব শুক্রবার দিন সর্বশেষ সিকিউরিটি গার্ডের সাথে তুললেন এবং পরের ছবিটি সোমবার যখন সে ব্যাংকার তখন সহকর্মী হিসেবে তুললেন ।এজন্য উচিত জীবনে কিছু হওয়ার জন্য র করার জন্য নিজের দক্ষতা অজন করা !কাজ এবং পড়াশুনা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে খুব ই জরুরী ! আমাদের দেশে হলে তো দমক দিয়ে বসিয়ে রাখতো !অবশেষে আমাদের প্রত্যেক এর মনে রাখা উচিত মানুষ মানুষের জন্য !জীবন জীবিকার জন্য !কাকে কখন কোথায় কাজে লাগে বলা যায় না !
আল্লাহ কার জন্য কি রেখেছেন তা কেউ জানি না শুধু বিশ্বাস রাখুন! A.s.b #
কপি পোস্ট
30/08/2020
হতাশ হবেন না.......
বারাক ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নেন তখন তার বয়স ৫৫ বছর।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তার বয়স ৬৯ বছর।
ঢাকায় যখন সকাল ৬ টা বাজে, লন্ডনে তখন রাত ১২ টা।
সময়ের হিসেবে লন্ডন, ঢাকার থেকে ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে..
এতে কিন্তু প্রমাণ হয় না যে, লন্ডন ঢাকার থেকে স্লো (slow)!
পৃথিবীর সবকিছু আপন গতিতে এবং নিজ সময় অনুযায়ী চলে।
কেউ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২২ বছর বয়সে..
কিন্তু চাকরি পেতে আরো ৫ বছর লেগে যায়।
আবার কেউ ২৭ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করে পরের দিনই চাকরি পেয়ে যান!
অনেকে ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে, মারা যান ৫০ বছর বয়সে।
আবার অনেকে ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে, মারা যান ৯০ বছরে।
কেউ ৩৩ বয়সে এখনও সিঙ্গেল,
আবার কেউ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন!
মনে হতেই পারে, পরিচিতদের মধ্যে আপনার থেকে কেউ অনেক এগিয়ে আছেন,
আবার কেউ আছেন অনেক পিছিয়ে।
কিন্তু আপনার ধারনা ভুল..
প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন।
আগে থাকাদের হিংসা না করে, পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা না করে,
সব সময় শান্ত থাকুন।
আপনি এগিয়েও নেই, পিছিয়েও নেই!
আপনার পথ আপনার, অন্যের পথ অন্যের।
শুধু সময়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিশ্রম করে যান..
একদিন সফল হবেন।🙂
(সংগ্রহ)🙂
26/07/2020
#বুয়েট পাস এমন একজনকে জানি যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই।
#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে জানি যার বউ, দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে।তার জীবনে সফলতা পূর্ণতা সবই ছিলো কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি।
#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, লেখা পড়া শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু??
#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও।
#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি।শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।
#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।
#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। "সফলতা মানেই চাকরী " বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।
#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলো.... বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ। আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম? সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু এ কথা তার কাছে হাস্যকর।
আসলেই জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক-জন!!
সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার রুস্তম পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!! শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!! আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না। আমরা কখনো পরিপূর্নভাবে সুখীও হতে পারি না।।
বাস্তবতাগুলো বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না।
একটু সুখের জন্যে অনেক কিছুর দরকার নেই শুধুমাত্র মনটা একটু ভালো করুন, সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেকে সপে দিন, আর কাউকে ঠকাবেন না।
সুখী হবেন অবশ্যই।
সংগৃহীত।