09/11/2021
এস.এস.সি ব্যাচ ২০২১ এর বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়ার মাহফিল।
This is page of PDB High School, Bheramara, Kushtia.
১৯৭৮ সালে ভেড়ামারা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগে তৎকালীন ব্যবস্থাপক মরহুম আনসার উদ্দীন এর সক্রিয় সহযোগিতায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবসিক এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমা
09/11/2021
এস.এস.সি ব্যাচ ২০২১ এর বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়ার মাহফিল।
01/08/2021
শোক সংবাদ!!
ভেড়ামারা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা #হুমায়রা_বেগম দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতার পরে আজ রাত আনুমানিক ১২ঃ৩৪ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন।ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আমরা গভীর ভাবে শোকাহত।মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। এই কঠিন পরিস্থিতিতে উনার পরিবার সুস্থ থাকে এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাত নসিব করেন এই দোয়া করবেন।
20/10/2020
Date:-18.10.20.
💖
08/10/2020
বিদায় অনুষ্ঠান এসএসসি ব্যাচ ২০০৫ এর একাংশ !
20/06/2020
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সহঃ শিক্ষক ( শরীর চর্চা)। ১২/১১/১৯৮৬ ইং তারিখে কর্ম জীবন শুরু। ১৯৯২ ইং হতে ১৯৯৫ ইং জুন পর্যন্ত বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড উচ্চ বিদ্যলয় শিকলবাহা, চট্রগ্রামে চাকুরি করেন।বিউবো মাঃ বিঃ ভেড়ামারা,কুষ্টিয়া থেকে ০৩/০৩/২০২০ ইং তারিখে অবসর গ্রহন করেন। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন সদা সহাস্যমুখ ও পরোপকারী।
দোয়া করি তার অবসর জীবন যে পরিবারের সাথে সুন্দর ও সুস্থতার সাথে কাটে।
18/06/2020
আজ (১৮/০৬/২০২০ইং) প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়রা বেগমের শেষ কর্মদিবস---
তিনি ২২/১২/১৯৮৭ইং তারিখে বিউবো মাধ্যমিক বিদ্যালয় মুনসুরাবাদ, চট্রগ্রামে চাকুরি জীবন শুরু করেন। ১৫/০৫/১৯৮৯ ইং তারিখে বদলী হয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যঃ বিদ্যাঃ ভেড়মারা,কুষ্টিয়া তে যোগদান করেন। ১৬/০৬/২০১৬ ইং তারিখে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন।
মহামারি করোনার জন্য স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ছাড়ায় শিক্ষকগন স্বল্প পরিসরে তার বিদায়ের আয়োজন করেন। দোয়া করি তিনি যেন অবসরজীবনে সুস্থ ও সুন্দর থাকে।
02/06/2020
#ব্যাচ_২০১৭ 🔥 💖
"শেষের পাতা"
শিশির ভেজা সকাল, মায়ের বকুনিতে ঘুম থেকে ওঠা হাতমুখ ধোয়া তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে অল্প একটু নাস্তা করেই মাকে বলা আম্মা গেলাম। সেই একই ড্রেস একই রাস্তা গন্তব্যটাও ভিন্ন নয়। কেউ হেটে কেউ সাইকেলে কেউবা বাবার বাইকে। ওই যে বললাম গন্তব্য একটাই সেটা স্কুল ছাড়া আর কিছু হবেনা নিশ্চয়।ক্লাসের তালায় বেগ ঝুলিয়ে রাখা,পেছনের দরজা দিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করা আরো যে কতো কি!দপ্তরি কাকা আসলেই সবাই মিলে ভীড় জমানো দেখি কে আগে ক্লাসে ঢুকতে পারে।
টিং টিং টিং টিং টিং!!
নিশ্চয় এটা পিটি ক্লাসের ঘন্টা। স্যারের ফুরুং ফুরুং করা বাশির শব্দে সবাই পিটি ক্লাস করার জন্য মাঠে যাওয়া, আসলেও কি সবাই যেতো ? কেউ কেউ আবার ফাকিও দিত। আমিও যে আলাদা তেমনটা নয়। এই ফাকি দেওয়ার জন্য কতো যে পিটুনি খেতে হয়েছে। কার হাতের পিটুনি নিশ্চয় বুঝে গেছেন।
স্যার একে একে পড়া ধরছেন। না পারলেই কঠোর শাস্তি। পিছের সিটে বসা আমি শুধু আল্লাহকে ডাকছি যে ঘন্টা বাজলেই এ জন্মের মতো বেচে যাবো। টিফিনের ঘন্টা না দিতেই ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে বকুলতলার আড্ডাটা কিন্তু আজও ভুলিনি। পলাশফুল দিয়ে মোরগ সাজাটা কিন্তু বেশ মজার ছিল। বকুলের বিচি দিয়ে বাশি বানানোটাও কিন্তু খারাপ ছিলনা। প্রেমের কড়িটাও এখান থেকেই ফুটেছিল। বন্ধুতে বন্ধুতে রেশারেশি, মারামারি, ঝগড়াঝাটি ভালোই ছিলো দিনগুলো। এভাবেই চলছিলো আমাদের জীবন।
হঠাৎ একদিন ক্লাসে ঢুকতেই দেখি সবার মন খারাপ। সবাই চুপচাপ বসে আছে কেউ স্যারের টেবিলে কেউবা বেঞ্চে। প্রতিদিন যারা এতো হৈচৈ করে তারা আজ চুপচাপ কেন। দুই-এক ধাপ এগোতেই মনে হলো যে আজকে তো আমাদের স্কুলের শেষদিন। কেমন জানি দম বন্ধ হয়ে আসতে লাগলো। ভালবাসাগুলোর দিকে তাকিয়ে আর ধরে রাখতে পারলামনা চোখের পানি। সবাই সবাইকে জরিয়ে ধরে কান্না শুরু করে দিলাম। কেউই আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। মানতে পারছিলামনা যে এই ভাবে স্কুল জীবন শেষ হয়ে যাবে। প্রকৃতির নিয়মটা কেন জানিনা অদ্ভুত মনে হচ্ছিলো। স্কুল জীবন নামক গল্পের শেষের পাতাটা বোধহয় এমনই বেদনাদায়ক হয়।
এভাবেই চলে যায় শত শত ব্যাচ। শুধু থেকে যায় সেই প্রিয় মানুষগুলোর নাম আর দেয়ালে আঁকা দুষ্টামি গুলো। তবে যেখানেই থাকুক যেভাবেই থাকুক ভালো থাকুক প্রিয় ভালবাসার বদমাইশগুলো।
“নাহি যেতে মন চায়,
তবু চলে যেতে হয়” 💕
25/04/2020
SSC Batch 2020
wish you good luck for the coming days
24/04/2020
It was our first handball team 🖤
22/04/2020
Proud to be PDBian ✊