20/08/2025
ফখ্রুলের সাথে ব্রিটনি স্পিয়ারস আর শেক্সপিয়রের পোলার একটা মিল আসে। শেক্সপিয়রের পোলা ৭১ এ সেফ কাস্টডি তে চইলা গেসিলো আর ফখ্রুইল্লা ঝামেলা হইলেই ভিতরে হান্দাইয়া পড়সে প্রতিবার। ২ টাই এখন বীর। আর আমিও আমার বাবার মতো ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চা। ৯০ এ যখন মুক্তিযুদ্ধা সারটিফিকেট ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হইসিলো আব্বা আর নেয় নাই। আমি গুলি খাইসি কিন্তু চাকরি পাই নাই, সাহায্য পাই নাই। একটা হইসে ক্রীড়া উপদেশটা, র বাকিগুলি অনুদানের টাকা মাইরা দল খুলসে। আমার ভারসিটির ২ টা আদে। গাঞ্জা খাইয়া ভারসিটির পিছনে বইসা থাক্তো। এখনো একটা বিবিএ শেষ করতে পারে নাই ১১ বছরে। ও আবার বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে চাদা তুলে ভারসিটির পড়ার নামে। কারন গারড ওরে মাতলামি করার কারনে মারসিলো। আম্রাও ওর জন্য আন্দোলন করে একাকার কইরা ফালাইসিলাম। আর একটা সমন্নয়ক হইয়া ভারসিটির উপর মায়ার হাত বুলাইয়া ফিন এ মেজর নিয়া এখন এম বি এ তে ঢুক্সে। এখন গাড়িতে চলে। আর আগে গাঞ্জা কিনতে ওদের ২-৩ জন লাগতো। কারন দাম ছিলো ৫০০ টাকা। একা কিনতে পারতো না। চেহারা দেখলে বুঝতে পারবেন মাসে কতো গ্রাম গাঞ্জা খায়। ওরা পায় গাড়ি বাড়ি, আর আমরা গুলি খাইয়া পাই বঞ্চনা। আমার এই পোস্ট করতে ভয় লাগে মা। বাবা আরমি তে ছিলো। শিক্ষা দিসে ন্যায় কথা বলার। আর আগষ্টে গুলি খাইসি যেদিন তারপর থেকে ত এক্সট্রা টাইম কাটাইতেসি। কষ্ট এক্টাই। আমার মা। উনি ওনার সামী কে দেখসে দেশের জন্য যুদ্ধ করতে। দেখসে ওনার সামী দেশের জন্যে ৩৮ বছর চাকরি করতে। অনার ছেলেও দেশের জন্যে গুলি খাইসে। কিন্তু অনার জন্যে এই দেশ চিকিৎসা করার দায়িত্ব নেয় নি। দেয় নি ওনার ছেলেকে কোন চাকরি। আজ ক্যান্সার আর নষ্ট কিডনি নিয়ে উনি বিনা চিকিৎসায় ম্রিত্তুর প্রহর গুনছেন।
ধিক এই দেশকে। দিক এই দেশের দায়িত্বশীল পদের লোকদের। আমি আমার হক এর দাবি ছাড়বো না। এই দুনিয়ায় হয়তো আমার প্রাপ্য পাই নাই। পরের দুনিয়ায় আল্লাহর কাছে দাবি রাখলাম। আল্লাহ মাফ করবেন না।