Sheikh Mufti Alauddin

Sheikh Mufti Alauddin তোমাকে যা কিছু দেওয়া হয়েছে,অহংকার ক?

শায়েখ আলবানী সাহেবের আসল রুপ - (পর্ব_১)_________________________আরব বিশ্বে ও বর্তমানদুনিয়ায় আহলে হাদিস মতবাদবিস্তারের রু...
18/09/2022

শায়েখ আলবানী সাহেবের আসল রুপ - (পর্ব_১)_________________________
আরব বিশ্বে ও বর্তমান
দুনিয়ায় আহলে হাদিস মতবাদ
বিস্তারের রুপকার শায়খ নাসিরুদ্দিন
আলবানী{মৃত ১৯৯৯ইং}রাসুলের
সাহিহ হাদিস বিকৃত করে মুসলিমদের
বিভক্ত করার অন্যতম নায়ক তিনি।
তার ব্যাপারে উম্মাতের ২ টি দল
১টি মূর্খদের
[যারা আলবানী সাহেবের অন্ধভক্ত ও
পক্ষে] আরেকটি বিজ্ঞ স্কলারদের
[আলেমদের-যারা তার বিপক্ষে]।
সাহিহ হাদিসকে যাঈফ আর যাঈফ
হাদিসকে সাহি বলাই তার
পেশা ছিল[আল্লাহ মাফ করুক আমিন]।
তার বিরুদ্ধে উপমহাদেশ ও আরব
বিশ্ব সহ বহু মুহাদ্দিস ও ওলামাগন
উপযুক্ত প্রমান ও দলিল সহকারে বহু
কিতাবাদি লিখেছেন তন্মদ্ধে ৫০
টি উল্লেখযোগ্য কিতাব।তার পরিচয়
সম্পর্কে তার ভক্তবৃন্দ ও কথিত কিছু
অনুবাদক উল্লেখ করেছে কিন্তু
এটা যে,প্রমানিত শাইখ
আলবানী একাডেমীক ভাবে কোন
ডিগ্রী পায়নি।আল্লামা রাফিকুল
ইসলাম মাদানি[দা,বা]বলেন,
মদিনা ইউনিভার্সিটি পড়া কালিন
তাদের এক উস্তাদ ড.আনিস তাহের
ইন্দোনেশী ২ সপ্তাহ
ব্যাপী আলবানী জিবনীর
আলোচনা করেছেন
সেখানে তিনি বলেন”শায়খ
আলবানী নিজে নিজে প্রচুর
অধ্যয়ন ,গবেষণা করতেন।
এটা জানা কথা কুরান ,সাহিহ হাদিস
ও সালফে সালফে সালেহিনদের
আলোকে এমন উস্তাদ বিহীন
নিজে নিজে অধ্যয়ন ,গবেষণা কারী ব্যক্তি নিজেও
গোমরাহ হয় অপরকেও গোমরাহ করে।
এর জন্যেই তার
লিখা প্রতিটি কিতাবেই অসংখ্য ভুল
ভ্রান্তি,বাড়াবা
ড়ি,দুর্বলতা,স্ববিরোধিতা,আর
কল্পনা প্রসূত মনগড়া মতবাদে ভরপুর।
তিনি যেই হাদিস কে ও তার
সনদকে ১বার সাহিহ বলত ঠিক ঐ
সন্দকে অন্য হাদিসের মতনে জঈফ
বা মাওযু বলত এই জন্য যে ঐ
মতনটি আহলে হাদিসদের আকিদার
বিপরীত।আর হাদিস সাহি জাঈফ
নির্ণয়ের
ক্ষেত্রে তিনি মুহাদ্দিসদের কোন
উসূলই মানত না।তার
সিলসিলা সাহিহা ও জঈফায় অসংখ্য
ভুল আছে।”সিফাতুস সালাতিন
নাবি”[বাংলায় রাসুলাল্লাহর
নামায] সহকারে বহু গ্রন্থে তিনি
ভুল ও মিথ্যা রেফারেঞ্চ
দিয়ে ইলমে নাববীর খিয়ানত
করেছেন।আর এই বইটির
দ্বারা তিনি ১৪০০ বছর পর
উম্মাতকে পৃথক করতে সক্ষম হয়েছে ।
আল্লাহ তাকে মাফ করুক আর
আমাদেরকে তার
ফিতনা হতে হিফাযাত করুক আমিন।
আরব বিশ্বের একজন
নামকরা মুহাদ্দিস শায়খ মাহমুদ
সাঈদ মামদুহ তার আল বানীর
বিরুদ্ধে লিখিত গ্রন্থ”আল
ইত্তেজাহাতুল হাদিসিয়্যা”কিত
াবে লিখেন-”আলবানীর
বাড়ি সিরিয়ার আলবানীইয়া নামক
স্থানে।তার বাবা নুহ নাজাতি একজন
আদর্শ মানব। আলবানীর বাবা ছিল
একজন দক্ষ হানাফি আলেমে।ছেলের
[আলবানীর]বিতর্কজনিত
আচরনে পিতা ধৈর্যের বাধ
ভেঙ্গে তাকে ত্যাজ্য পুত্র
করে কিছুটা নাযাত পায়।আর জঙ্গন
মুক্তি পেল
আলবানীকে সিরিয়া থেকে বের করে।
এরপর সে চেপে বসে সৌদি জনতার
ঘাড়ে।রাজতন্ত্রের ভয়ে আতংকিত
আলেম সমাজের মাঝে তার নতুন
মতবাদ ছড়াতে আরো দারুন সূযোগ পেল।
তবে এক পর্যায়ে তাদের[ সৌদির]ঘুম
ভাঙ্গে।সবাই সোচ্চার হয় তাঁদের
দীর্ঘ কালের শায়খ-আলবানীর
বিরুদ্ধে।১৯৯১
সালে সরকারী নির্দেশে শায়খ ২৪
ঘন্টার মধ্যে পবিত্র
আরবভুমি ছেড়ে জর্ডানে গিয়ে আত্মরক্ষা পায়।
আমরণ তিনি সেখানেই
ছিলেন।”এছাড়াও তিনি তার অনেক
খারাপ রিপোর্ট আছে তিনি যাকে নয়
তাকেই গনহারে কাফের,মুনাফিক,গ
োমরাহ মুশরিক,বেদাতি,মিথ্যুক
ইত্যাদি বলতেন।যদি ঐ লোক তার
মতবাদের বাইরে কথা বলতেন।
এতে তার পাষণ্ড আত্মা একটুও
কাঁপতো না।ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল
[রাহ]কেও তিনি বেদাতি,আর ইমাম
বুখারিকে একটি তাফসিরের জন্য
তিনি তার
ফাতওয়ায়ে আলবানিতে কাফের
বলতে লজ্জাবোধ করে নি, বিখ্যাত
মুহাদ্দিস আল্লামা আব্দুল ফাত্তাহ আবু
গুদ্দাহ[রাহ]এর
নামকে বিকৃতি করে তাকে বলত”গুদ্দাতুল
বাইর[উটের প্লেগ রোগ]”এছাড়াও
বলত”[হে গুদ্দাহ ]তোর হাত ধ্বংস
হোক ”এমন
করে তিনি সবাইকে অভিশাপ করতেন
অথচ রাসুলুল্লাহ সাহিহ
হাদিসে[খামাখা] অভিসম্পাত
কারীকে ধিক জানিয়েছে।তার
বিরুদ্ধে বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ও
উলামা গনের রেফারেঞ্চ সহ দলিল
ভিত্তিক আলোচনা ইনশাআল্লাহ
দেওয়া হবে অপেক্ষা করুন।উল্লেক্ষ্য
যে কথা গুলো আমরা ব্যক্তিগত
স্বার্থের
কারনে বলছি না উম্মাতকে তার কিছু
ফিতনা হতে রক্ষার
স্বার্থে ইখলাসের সাথে।নাসীরুদ্দিন আলবানী ইমাম
বুখারী (রহ.) কে গোমরাহ এব কাফের
বলেছে।
http://www.al-hasany.com/vb/showthread.php?t=7708
ﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﻳﻀﻠﻞ ﻭﻳﻜﻔﺮ ﺍﻹﻣﺎﻡ
ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ !!
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ
ﻋﻠﻰ ﺍﺷﺮﻑ ﺍﻟﻤﺮﺳﻠﻴﻦ ﺳﻴﺪﻧﺎ
ﻭﺣﺒﻴﺒﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ
ﻭﺳﻠﻢ .
ﺍﻧﻈﺮﻭﺍ ﻛﻴﻒ ﺍﻥ ﺍﻟﻮﻫﺎﺑﻴﺔ
ﻣﺠﺪﺩﺍ ﺗﺨﺎﻟﻒ ﺍﻫﻞ ﺍﻟﺴﻨﺔ
ﻭﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ ﻭﺗﻜﻔﺮ ﻋﻠﻤﺎﺀ ﺍﻫﻞ
ﺍﻟﺴﻨﺔ ﻭﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ .
ﻓﻘﺪ ﺫﻛﺮ ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﺬﻱ ﺗﻌﺘﺪ ﺑﻪ
ﺍﻟﻔﺮﻗﺔ ﺍﻟﻮﻫﺎﺑﻴﺔ ﻓﻲ ﻛﺘﺎﺑﻪ
ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺻﻔﺤﺔ 523 ﺍ
ﻥ ﺗﺄﻭﻳﻞ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻓﻲ ﺳﻮﺭﺓ
ﺍﻟﻘﺼﺺ ) ﻛﻞ ﺷﻲﺀ ﻫﺎﻟﻚ ﺍﻻ
ﻭﺟﻬﻪ ( ﺑﺎﻟﻤﻠﻚ, ﻗﺎﻝ ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻥ
ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻻ ﻳﻘﻮﻝ ﺑﻪ ﻣﺆﻣﻦ
ﻣﺴﻠﻢ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻥ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ
ﻫﻮ ﻋﻴﻦ ﺍﻟﺘﻌﻄﻴﻞ .
ﺗﺠﺪ ﺍﻟﻜﻼﻡ ﻓﻲ ﻃﺒﻌﺘﻴﻦ ﻣﻦ
ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ, ﺍﻟﻨﺴﺨﺔ ﺍﻻﻭﻟﻰ
ﻫﻲ ﻣﻦ ﺩﺍﺭ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ ﺍﻟﻴﻤﺎﻣﺔ
ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ ﺻﻔﺤﺔ 1788 ﻭ
ﺍﻟﻨﺴﺨﺔ ﺍﻟﺜﺎﻧﻴﺔ ﻓﻲ ﺭﺍﺑﻂ ﻧﺴﺨﺘﻪ
ﺍﻟﻤﻮﺿﻮﻉ ﻫﻨﺎ ﻭ ﺟﻤﻴﻊ ﺍﻟﻨﺴﺦ
ﺗﺤﺘﻮﻱ ﻋﻠﻰ ﻧﻔﺲ ﺍﻟﻜﻼﻡ .
ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺘﻔﺴﻴﺮ
ﺗﻔﺴﻴﺮ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻘﺼﺺ ﺻﻔﺤﺔ
1788 ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ ﻣﻄﺒﻌﺔ ﺍﺑﻦ
ﻛﺜﻴﺮ ﺍﻟﻴﻤﺎﻣﺔ ﺍﻟﻄﺒﻌﺔ ﺍﻟﺜﺎﻟﺜﺔ
ﺑﻴﺮﻭﺕ:::::
ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺑﻬﺬﺍ ﻳﻜﻮﻥ ﻛﻔّﺮ ﻣﻦ ﺃﻭّﻝ
ﻫﺬﻩ ﺍﻵﻳﺔ ﺑﻬﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻓﺈﺫﻥ
ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻋﻨﺪﻩ ﻛﺎﻓﺮ ﻷﻥ ﻧﺴﺦ
ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻛﻠﻬﺎ ﻣﺘﻔﻘﺔ ﻋﻠﻰ ﻫﺬﺍ
ﻭﻻ ﻳﺴﺘﻄﻴﻊ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺃﻥ ﻳُﺜﺒﺖ
ﻧﺴﺨﺔ ﺧﺎﻟﻴﺔ ﻋﻦ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ
ﻟﻜﻨﻪ ﻳُﻜﺎﺑﺮ ﻫﺮﺑﺎ ﻣﻤﺎ ﻳﺘﻮﻗﻌﻪ ,
ﻓﻤﺜﻠﻪ ﻛﻤﺜﻞ ﻣﻦ ﺃﺭﺍﺩ ﺃﻥ ﻳﻐﻄﻲ
ﺍﻟﺸﻤﺲ ﺑﻜﻔﻪ ﻓﻲ ﻳﻮﻡ ﺻﺤﻮ
ﺭﺍﺑﻌﺔ ﺍﻟﻨﻬﺎﺭ. ﺛﻢ ﻟﻴﺲ ﻫﺬﺍ
ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻣﻤﺎ ﺍﻧﻔﺮﺩ ﺑﻪ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ
ﺑﻞ ﺃﻭّﻝ ﺳﻔﻴﺎﻥ ﺍﻟﺜﻮﺭﻱ ﺭﺿﻲ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻫﺬﻩ ﺍﻵﻳﺔ}: ﻛُﻞُّ ﺷَﻰْﺀٍ
ﻫَﺎﻟِﻚٌ ﺇِﻻَّ ﻭَﺟْﻬَﻪُ { )88 ( ﺑﻘﻮﻟﻪ:
} ﻣﺎ ﺃﺭﻳﺪ ﺑﻪ ﻭﺟﻬﻪ.{ ﺗﻔﺴﻴﺮ
ﺳﻮﺭﻩ ﺍﻟﻘﺼﺺ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ
ﺛﻢ ﺇﻥ ﺗﺄﻭﻳﻞ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻟﻬﺬﻩ ﺍﻵﻳﺔ
ﺛﺎﺑﺖ ﻋﻨﻪ, ﻓﻘﺪ ﻗﺎﻝ ﻓﻲ ﺃﻭﻝ
ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻘﺼﺺ ﻣﺎ ﻧﺼﻪ}: ﻛُﻞُّ
ﺷَﻰْﺀٍ ﻫَﺎﻟِﻚٌ ﺇِﻻَّ ﻭَﺟْﻬَﻪُ { )8 8 (
]ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻘﺼﺺ [ ﺇﻻ ﻣﻠﻜﻪ,
ﻭﻳﻘﺎﻝ: ﺇﻻ ﻣﺎ ﺃُﺭﻳﺪ ﺑﻪ ﻭﺟﻪ ﺍﻟﻠﻪ{
ﺍﻧﺘﻬﻰ ﺑﺤﺮﻭﻓﻪ. ﻓﺈﻧﻜﺎﺭ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ
ﻟﺬﻟﻚ ﺩﻟﻴﻞ ﺟﻬﻠﻪ ﻓﻜﻴﻒ ﻳﺪﻋﻲ
ﺃﺻﺤﺎﺑﻪ ﺑﺄﻧﻪ ﺣﺎﻓﻆ ﻣﺤﺪﺙ,
ﺳﺒﺤﺎﻧﻚ ﺭﺑﻨﺎ ﻫﺬﺍ ﺑﻬﺘﺎﻥ ﻋﻈﻴﻢ.
ﺃﻣﺎ ﻗﻮﻟﻪ ﺑﺄﻥ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻻ
ﻳﻘﻮﻟﻪ ﻣﺴﻠﻢ ﻣﺆﻣﻦ ﻷﻧﻪ ﻋﻠﻰ
ﺯﻋﻤﻪ ﻳﻜﻮﻥ ﻣﻦ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﺘﻌﻄﻴﻞ
ﺍﻟﻀﺎﻟﻴﻦ, ﻓﻴﻜﻮﻥ ﻗﺪ ﺭﻣﻲ ﺟﻞ
ﻋﻠﻤﺎﺀ ﺍﻻﻣﺔ ﺑﺎﻟﺘﻌﻄﻴﻞ ﻭﻣﻨﻬﻢ
ﺍﻻﻣﺎﻡ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﻳﻜﻔﺮ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻭﻓﻲ
ﻛﺘﺐ ﺍﻟﺴﻨﺔ – ﺍﻟﻤﺮﻛﺰ ﺍﻻﻋﻼﻣﻲ
ﻟﻤﻜﺘﺐ ﺍﻟﻤﺮﺟﻊ ﺍﻟﺪﻳﻨﻲ ﺍﻟﻌﺮﺍﻗﻲ
ﺍﻟﻌﺮﺑﻲ ﺁﻳﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻝ
http://www.al-hasany.com
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﻳﻜﻔﺮ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻭﻓﻲ
ﻛﺘﺐ ﺍﻟﺴﻨﺔ ﺍﻻﺭﺍﺀ ﺍﻟﺸﺎﺫﺓ
ﻟﻌﻠﻤﺎﺀ ﺍﻟﺘﻜﻔﻴﺮ
আল্বানির ফাত ওয়া এর ৫২৩
পেজ টি পরুন পেয়ে যাবেন। ﻓﻘﺪ ﺫﻛﺮ
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﺬﻱ ﺗﻌﺘﺪ ﺑﻪ ﺍﻟﻔﺮﻗﺔ
ﺍﻟﻮﻫﺎﺑﻴﺔ ﻓﻲ ﻛﺘﺎﺑﻪ ﻓﺘﺎﻭﻯ
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺻﻔﺤﺔ 523 ﺍ
শায়খ আলবানীর ভুল ত্রুতি গুলোর
ফিহিরিস্তি
আরব,মধ্যপ্রাচ্য ও উপমহাদেশ সহ
বিশ্বের বহু উলামাগন লিখেছেন।
তিনি হাদীস যাচাই
বাছাইয়ে হাদীস শাস্ত্রের বিজ্ঞ
ব্যক্তিবর্গ ও তাদের প্রনীত
মূলনীতির পরোয়া না করে নিজ
মতাদর্শকে প্রাধান্য দেয়ার
চেষ্টা করেছেন। একারণে বিচক্ষন
উলামায়ে কেরামের নিকট
হাদীসের মান
নির্ধারনে আলবানী সাহেবের
গবেষনায় অনেক ক্ষেত্রে মতবিরোধ
হয়েছে, এমন
কি হাদীস গবেষনার জগতের বিজ্ঞ
উলামাগন আলবানী সাহেবের
ভূলত্রুটি একত্র করে ৫০
টির অধিক পুস্তক রচনা করেছেন।
তাম্মধ্যে
১। তানাফুজাতে আলবানী-
গ্রন্থকারঃ- হাসান ইবনে আলী আস
সাক্কাফ,
প্রকাশনায়ঃ-দারুল ইমাম বিন নবুবী-
(উমাম- উর্দুন) এবং
২। তানবীহুল মুসলিম
ইলা তাযাদ্দী আলবানী-গ্রন্থকারঃ-
মাহমুদ সাইদ মামদুহ-
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবা-আল ইমাম
শাফী-(রিয়াদ-সৌদী)
বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য।আরবের
বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও বহু গ্রন্থের
নির্ভরযোগ্য
গবেষক,আল্লামা শায়খ মুহাম্মাদ
আওয়ামা তার রচিত”আছারুল
হাদিস”কিতাবের ৫১ নং
পৃষ্ঠায় লিখেন”-ﻣﻊ ﺍﻥ ﻫﺬﺍﺍﻟﺮﺟﻞ
ﻟﻴﺲ ﻟﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﻴﻮﺥ ﺍﻻ ﺷﻴﺦ
ﻭﺍﺣﺪ ﻣﻦ ﻋﻠﻤﺎﺀ ﺣﻠﺐ ﺑﺎ
ﻻﺟﺎﺯﺕ
ﻻﺑﺎﻟﺘﻠﻘﻲ ﻭﻻﺧﺬ ﻭﺍﻟﻤﺼﺎﺣﺒﺖ
ﻭﺍﻟﻤﻼﺯﻣﺖ”অর্থ-” এই ব্যক্তির
[আলবানীর ] তো কোন শিক্ষক
নেই।সিরিয়ার হালবের জনৈক
ব্যক্তি তাকে হাদিস চর্চার মাত্র
অনুমতি দেন।তবে তার কাছেও
নিয়মিত লিখাপড়া করেন নি।”বিশ্ব
বরেণ্য মুহাদ্দিস মাও.হাবিবুর
রাহমান আযমী[রাহ]তার
”গ্রন্থﺍﻻﻟﺒﺎﻥﻱ ﺷﺬﻭﺫﻩ ﻭ
ﺍﺧﻄﺎﺅﻩ ]”আলবানীর ভুলভ্রান্তি ও
বিচিত্র মতবাদের দস্তান]-এ
”লিখেনঃ
ﻭﺍﻟﻠﻪ ﻻ ﻳﻌﺮﻑ ﻣﺎ ﻳﻌﺮﻑ ﺍﺣﺪ
ﺍﻟﻄﻠﺒﺔ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻳﺸﺘﻐﻠﻮﻥ ﺑﺪﺭﺍﺳﺔ
ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﻓﻲ ﻋﺎﻣﺔ
ﻣﺪﺍﺭﺳﻨﺎ”আল্লাহর
কসম সেই শায়খ আলবানী হাদিস
সম্পর্কে এতটুকু জ্ঞান রাখেনা যতটুকু
যা আমাদের
মাদ্রাসাগুলোতে অধ্যয়নরত
ছাত্ররা জানে।”মাও.হাবিবুর
রাহমান আযমী[রাহ]তার
”গ্রন্থﺍﻻﻟﺒﺎﻥﻱ
ﺷﺬﻭﺫﻩ ﻭ ﺍﺧﻄﺎﺅﻩ”৩ খন্ডে শায়খ
আলবানীর জ্ঞানের পরিধি ও তার
বিচিত্র মতবাদ দলিল ও
সত্য প্রমান সহকারে তুলে ধরেছেন।
২ খন্ডে বিভক্ত ১টি বই
তানাফুজাতে আলবানী-
গ্রন্থকারঃ- হাসান ইবনে আলী আস
সাক্কাফ,প্রকাশনায়ঃ-দারুল ইমাম
বিন নবুবী- (উমাম-
উর্দুন) এতে লিখক শায়খ
আলবানী যেসব ক্ষেত্রে ভুল
করেছে তার একটা বিশাল তালিকা
দলিলসহ প্রদান করেছেন।
তিনি অনেক সহীহ হাদীসকে যঈফ
এবং যঈফ হাদীসকে সহীহ
বলেছেন।
প্রথমে আমরা দেখব নাসিরুদ্দিন
আলবানী সাহেব কিভাবে সহীহ
হাদিসকে যঈফ বলেছেন ,
তার উদাহরন :
আবু হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে বর্নিত
রাসুল (সাঃ) বলেনঃ- যখন তোমাদের
কেহ রাত্রিতে নামাযের
জন্য দাড়ায়, তখন সে যেন সংক্ষিপ্ত
ভাবে দুই রাকাতের মাধ্যেমে আপন
নামাযকে শুরু করে।
হাদীসটিকে ইমাম মুসলিম (রহঃ)
স্বীয়গ্রন্থ সহীহ মুসলিম (১/৫৩২)
পৃষ্টায় উল্লেখ করেন । এ
ছাড়াও আল ইহসান
ফি তাকরিবে সহীহ ইবনে হিববান-
(৬/৩৪০) আল মুসনাদ লিল ইমাম
আহমাদ ইবনে হাম্বল-(৯/১২৯)
শরহুস সুন্নাহ লিল ইমাম
বগবীতে (৪/১৭) উল্লেখ করা
হয়েছে।
হাদীসটিকে যুগ শ্রেষ্ট হাদীস
গবেষকগন গবেষনার মাধ্যমে বিশুদ্ধ
হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
তম্মেধ্যে উল্লেখ যোগ্য ,
আল্লামা শুয়াইব আরনাউত (রহঃ)
মুসনাদ লিল ইমাম আহমাদ
(১৫/৯৮)-
ইমাম বগবী (রহঃ) স্বীয় কিতাব
শরহুস সুন্নাতে (৪/১৭)
হামজা আহমাদ যাইন (রহঃ) মুসনাদ
লিল ইমাম আহমাদে (৯/১২৯)
বিশুদ্ধ হাদীস বলে
ঘোষনা করেছেন।
উল্লেখিত
হাদীসটিকে আলবানী সাহেব স্বীয়
কিতাব ‘‘যইফুজ জামে ও যিয়াদাহ’’
নামক গ্রন্থে
(১/২১৩-) উল্লেখ করে বলেন,
হাদীসটিকে ইমাম মুসলিম (রহঃ)
এবং ইমাম আহমাদ (রহঃ)
আবু হুরাইরা (রাঃ) এর
সুত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদীসটি (যঈফ) মর্জাদার দীক
দিয়ে দুর্বল।
এবার আমরা দেখব নাসিরুদ্দিন
আলবানী সাহেব কিভাবে যঈফ
হাদিসকে সহীহ বলেছেন ,
তার উদাহরন :
হযরত উমায়ের ইবনে সাইদ (রাঃ)
সূত্রে বর্ণিত হাদীস তিনি বলেন
তোমরা মোয়াবিয়া (রাঃ)
কে ভাল ভাবেই স্বরণ কর, কেন
না আমি রাসুল (সাঃ)
থেকে শুনেছি রাসুল (সাঃ) বলেছেন
হে আল্লাহ
তুমি মোয়াবিয়াকে হেদায়েত দাও।
(সুনানে তিরমিজি-৫/৬৪৫)
হাদীসটিকে আলবানী সাহেব সহীহ
সাব্যস্হ করে স্বীয় কিতাব সহীহ
সুনানে তিরমিজি
(৩/২৩২) তে উল্লেখ করেছেন। অথচ
হাদীসটির সূত্রের উপর গবেষনার
দ্বারা দেখা যায়
হাদীসটি মানগত ভাবে অত্যন্ত
দুর্বল।
সূত্রের একজন রাবী-আমর ইবনে ওকেদ
ইনার ব্যাপারে উলামাদের বক্তব্য,
১। হাফেজ ইবনে হাজার (রহঃ) বলেন
(মাতরুক) ইনি পরিত্যাজ্য।
(তাকরিব-আত তাহজীব-৪২৮পৃঃ)
২। ইমাম বুখারি ও তিরমিজি (রহঃ)
বলেন (মুনকারুল হাদীস) ইনি এমন
রাবী যাদের হাদীস
গ্রহন করা হয় না।
৩। আল্লামা মারওয়ান (রহঃ) বলেন
(কাজ্জাব) মিথ্যাবাদী।
৪। ইমাম নাসায়ী,দারাকুতনী,
এবং ইমাম বুবকানী (রহঃ) এনারা এই
রাবীর ব্যাপারে একমত
হয়ে বলেন (মাতরুকুল হাদীস)
ইনি এমন রাবী যাদের হাদীস
পরিত্যাজ্য। (তাহজীবত
তাহজীব (৮/৯৮)
সূত্রের রাবী আমর ইবনে ওকেদ
সম্পর্কে উল্লেখিত ইমামদের
বক্তব্যের দ্বারা একথা সুস্পষ্ট
হল হাদীসটি কোন অর্থেই সহীহ
হতে পারে না।
এমন কি আলবানী সাহেব এই
রাবীকে দুর্বল সাব্যস্ত করে ওনার
কিতাব ‘‘জয়ীফা’’ তে
(২/৩৪১) উল্লেখ করেছেন।
স্বয়ং তিরমিজি (রহঃ) উল্লেখিত
হাদীসটি (যঈফ) দুর্বল হিসেবে
ইংগীত করে স্বীয় কিতাব
সুনানে তিরমিজিতে (৫/৬৪৫)
বর্ণনার শেষে বলেন, আমর ইবনে
ওকেদ দুর্বল রাবীদের অন্তর ভুক্ত।
3. আলবানী সাহেব একই
রাবীকে কখনও সিকাহ বা গ্রহনযোগ্য
এবং অন্যসময় যঈফ বা
অগ্রহনযোগ্য বলেছেন। এ
বিষয়টি ওনার গবেষনার জগতের ভূল
ত্রুটির অন্যতম একটি অংশ
। উদাহরন স্বরুপ
একটি ঘটনা নিম্নে তুলে ধরা হল।
আবু উমামা (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণিত
রাসুল (সাঃ) এরশাদ করেন
তোমরা মুমিন ব্যক্তির
অন্তদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাক,
কেননা সে আল্লহ তা’লা নূরের
দ্বারা দৃষ্টি করে থাকেন। (মুজামুল
আওসাত-৩/৪৪৫)
উল্লেখিত হাদীসটির সূত্রের এক জন
রাবী হলেন আবু সালেহ আব্দুল্লহ
ইবনে- সালেহ ।
হাদীসটি আলবানী সাহেবের
মতাদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার
কারনে তিনি আবু সালেহ
আব্দুল্লাহ ইবনে সালেহকে দুর্বল
আখ্যায়িত করে হাদীসটি অগ্রহনযোগ্য
হিসাবে স্বীয় কিতাব
‘‘সিলসিলাতুল আহাদীস আজ যইফাতু
মওযুয়া,, (৪/২৯৯) তে উল্লেখ
করেছেন।
অথচ আবু সালেহ আব্দুল্লাহ
ইবনে সালেহ-এই একই রাবীর
মাধ্যমে ইমাম তিরমিজি (রহঃ)
স্বীয় কিতাব
সুনানে তিরমিজিতে ইবনে মুররা (রাঃ)এর
সূত্রে হাদীস উল্লেখ করেছেন রাসুল
(সাঃ) বলেন হুসাইন আমার থেকে আর
আমি হুসাইনের থেকে-,
যে ব্যক্তি হুসাইনকে
ভালবাসে সে আল্লাহ
তা’লাকে ভালবাসে। হুসাইন আমার
পরবর্তি-বংশধর।
সূনানে তিরমিজি-(৫/৬১৮)
হাদীসটিকে আলবানী সাহেব সহীহ
হিসাবে স্বীয় কিতাব সিলসিলাতুল
আহাদিস আস সহীহা
(৩/২২৯) তে উল্লেখ করেন।
এবং বলেন হাদীসটির সনদ উৎকৃষ্ট
মানের আবু আব্দুল্লা ইবনে
সালেহ এর ব্যপারে দুর্বলতার যেই
কথা রয়েছে তাহা কোন ক্ষতিকারক
নয়।
উপরের উদাহরন
দ্বারা আমরা বুঝতে পারলাম , একই
রাবী আবু সালেহ আব্দুল্লাহ ইবনে
সালেহকে আলবানী সাহেব কখনও
দুর্বল আবার কখনও গ্রহনযোগ্য
প্রমানিত
করেছেন।তানাফুজাতে আলবানী-
গ্রন্থকারঃ- হাসান ইবনে আলী আস
সাক্কাফ ২য় খন্ডের
শেষে লিখেন”শায়খ আলবানীর
স্ববিরোধী মতামত ও ভুলত্রুটির
ফিরিস্তি লিখক[হাসান ইবনে
আলী আস সাক্কাফ]হাজার হাজার
রয়েছে যা পরবর্তীতে প্রকাশ
করা হবে
ইনশাআল্লাহ।”এভাবে আরবের বিজ্ঞ
আলেম শায়খ মাহমুদ সাঈদ মামদূহ
প্রণীত ৬ ভলিয়মে
লিখিত বিশাল কিতাব”ﺍﻟﺘﻌﺮﻳﻒ
ﺑﺎﻭﻫﺎﻡ ﻣﻦ ﻗﺴﻢ ﺍﻟﺴﻨﻦ ﺍﻟﻲ
ﺻﺤﻴﺢ ﻭ ﺿﻌﻴﻒ]”আলবানী যে
সুনান-হাদিসের কিতাবকে সাহিহ ও
জঈফ ২ ভাগে বিভক্ত করেছেন তার
ভুলভ্রান্তির
পরিচয়]।শায়খ আব্দুল্লাহ বিন
সিদ্দীক আল গুমারী কতৃক প্রণীত-
ﺍﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻤﻘﻨﻊ ﻓﻲ ﺍﻟﺮﺩ ﻋﻠﻲ
ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﻤﺒﺘﺪﻉ]”নতুন মতবাদের
প্রবর্তক আলবানীর সন্তুষ্টজনক
প্রতিউত্তর]। ইনশাল্লাহ পড়ের
পোস্টে আরও দলিল ও প্রমান পেশ
করা হবে শায়খ নাছিরুদ্দিন
আলবানী সাহেবের ভুল
প্রসঙ্গে।তার বিরুদ্ধে বিশিষ্ট
মুহাদ্দিস ও উলামা গনের রেফারেঞ্চ
সহ দলিল ভিত্তিক আলোচনা
ইনশাআল্লাহ
দেওয়া হবে অপেক্ষা করুন।

Today's the best Photo 🌿❤💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚.......Beautiful
18/09/2022

Today's the best Photo 🌿❤
💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚.......Beautiful









কন্যাসন্তান সৌভাগ্যের নিদর্শন_____________________________আল্লাহ তায়ালা মানুষকে দুই ভাগে সৃষ্টি করেছেন। পুরুষ আর নারী। এ...
16/09/2022

কন্যাসন্তান সৌভাগ্যের নিদর্শন
_____________________________
আল্লাহ তায়ালা মানুষকে দুই ভাগে সৃষ্টি করেছেন। পুরুষ আর নারী। এভাবে সৃষ্টি করা তার প্রগাঢ় হিকমার নিদর্শন। তিনি কাউকে কন্যাসন্তান দান করেন, আবার কাউকে পুত্রসন্তান।আবার কাউকে উভয়টিই দান করেন। কাউকে আবার কোন সন্তানই দেন না।

এটি পুরোটাই মহান স্রষ্টার ইচ্ছাধীন। কন্যা সন্তান এবং পুত্র সন্তান উভয়ই আল্লাহর দান।
দুঃখজনকভাবে আমাদের সমাজের পরিলক্ষিত হয় যে,যখন পুত্র সন্তান জন্মলাভ করে তখন খুব আনন্দ প্রকাশ করে উৎসাহের সঙ্গে মিষ্টি বিতরণ করে পুত্র সন্তান হওয়ার সংবাদ প্রচার করা হয়। তার লালন-পালনের ক্ষেত্রে বিশেষ আন্তরিকতা প্রকাশ পায়।

পক্ষান্তরে কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণে কোন খুশি প্রকাশ করেনা। কারো সঙ্গে কন্যাসন্তান হওয়ার আলোচনাটুকু করতেও লজ্জাবোধ করেন অনেকেই। অনেক সময় কন্যাসন্তান হওয়ায় স্ত্রীর উপর স্বামী এবং তার পরিবারের সদস্যরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিরূপ আচরণ করেন।

এমনকি অলক্ষী বলে হেয় করে বেচারী কন্যা-জননীকে অপমানিত করেন অনেকে। অথচ এটা মহিলার ইচ্ছাধীন কোনো বিষয় নয়। বরং এসব আল্লাহরই ইচ্ছাধীন।

এদিকে ইঙ্গিত করে মহান আল্লাহ তা’য়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন: আসমান ও জমিনের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন...।( সুরা শুরা, আয়াত-৪৯)

কোরআনের শিক্ষার এ বোধটুকু একজন মুসলমানের বিবেকে থাকা উচিত। কোন মুসলমানের জন্য এধরনের কাজ সম্পূর্ণ নাজায়েজ এবং গুনাহের কাজ। এমনকি আল্লাহ তাআলার সৃষ্টি জ্ঞানের উপর আপত্তি করার নামান্তর। এটা জাহিলি যুগের কাফিরদের কর্মপন্থা।

প্রাক ইসলামী যুগে আরবে কন্যা জন্মলাভ হওয়াকে নিজের জন্য অপমানের বিষয় মনে করা হতো। ইসলাম এ কুপ্রথার অবসান ঘটিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়া’লা বলেন: তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের ‘সুসংবাদ’ দেয়া হয় তার মুখ কালো হয়ে যায় এবং অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়। (সূরা নাহল, আয়াত-৫৮,৫৯)।

কন্যাসন্তান মহান আল্লাহ তা’য়ালার পক্ষ থেকে মাতা-পিতার জন্য একটি বিশেষ নেয়ামত। কন্যাসন্তানকে অশুভ মনে করা কাফেরদের বদ স্বভাব।কন্যাসন্তানকে অপছন্দ করা খাঁটি মুমিনের পরিচয় নয়। কন্যাসন্তান অশুভ বা অকল্যাণকর নয়, বরং কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়া সৌভাগ্যের নিদর্শন।

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ওই স্ত্রী স্বামীর জন্য অধিক বরকতময় যার দেনমোহরের পরিমাণ কম হয় এবং যার প্রথম সন্তান হয় মেয়ে। তাই কোন মুসলমানের এই প্রথার সঙ্গে কোনরূপ সামঞ্জস্য থাকা উচিত নয়।

কন্যাসন্তানে কোনরূপ অসন্তোষ প্রকাশ পরিহার করা উচিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যেমন কন্যাসন্তানকে আল্লাহর রহমত বলেছেন এবং কন্যাসন্তানের প্রতি যে ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন এটা আমাদের আদর্শ ।তার অনুসরণ আমাদের কর্তব্য।

ইসলামের শিক্ষা হলো, কন্যাসন্তান জন্ম নিলে আনন্দ প্রকাশ করা। কেননা কন্যা জন্মের সংবাদকে পবিত্র কোরআনে ‘সুসংবাদ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। আর সুসংবাদ শুনে মানুষ আনন্দ প্রকাশ করে এটাই স্বাভাবিক।

তাছাড়া কন্যাসন্তান জন্মানোয় নিজেকে ছোট, অপমানিত মনে করা কাফেরদের কর্মপন্থা। তাই মুসলমানদের উচিত,অধিক আনন্দ প্রকাশের মাধ্যমে কাফেরদের এ নিকৃষ্ট রীতির বিলুপ্তি ঘটানো।

আমির খানের সাথে মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের সাহ্মাতকারঘৃণা নয় ,ভালোবাসা বিলিয়ে দিন**********************মাওলানা তারিক জা...
16/09/2022

আমির খানের সাথে মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের সাহ্মাতকার
ঘৃণা নয় ,ভালোবাসা বিলিয়ে দিন
**********************
মাওলানা তারিক জামিল
উপমহাদেশের একজন প্রসিদ্ধ
মুবাল্লিগ ও খ্যাতনামা আলেমে দীন। ইলমের পাশাপাশি আল্লাহ তায়ালা তাকে বক্তৃতা ও কথাবার্তা বলার বিদ্যাকৌশলও দান করেছেন। দাওয়াত ও তাবলিগের ইখলাসপূর্ণ মেহনতের ফলে গোটা মুসলিম বিশ্বে তিনি পরিচিত। অসাধারণ বক্তিতার অধিকারী এ কিংবদন্তিতুল্য আলেম দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতে নিরলস
শ্রম ও মেধা ব্যয় করে যাচ্ছেন।
মাওলানা ১ জানুয়ারি, ১৯৫৩ সালে পাঞ্জাবের মিয়াচুন্নুতে জন্মগ্রহণ করেন। লাহোরের কিং এডওয়ার্ড মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে ডাক্তারি
(এমবিবিএস) পড়তে পড়তে তার
জীবনের মোড় ঘুরে যায়। তিনি
শেষবর্ষে লাহোরের রায়ব্রেন্ড
জামিয়া আরাবিয়াতে গিয়ে ইসলামী শিক্ষা অর্জন শুরু করেন। পরিশেষে এমন মুবাল্লিগ হলেন যে, শুধু অমুসলিমরাই তার কাছে ইসলামের দীক্ষা নিয়ে সৌভাগ্য অর্জন করছে না, বরং মুসলমানদেরকেও তিনি
‘মুসলমান’ বানাচ্ছেন। তারই পরশে বিখ্যাত গায়ক জুনাইদ জামশেদ ছাড়া বিখ্যাত ক্রিকেটার ইনজামামুল হক, সাকলাইন মুশতাক, মুশতাক আহমদ ও
সাঈদ আনোয়ার গ্রামারে ভরপুর জীবন থাকা সত্ত্বেও নিজেদের সময়কে দীনের জন্য ব্যয় করা শুরু করেছেন। এমনকি পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেট
দলের ইউসুফ ইয়োহানা নামে পরিচিতি খেলোয়ার তার ধর্ম ত্যাগ করে দীন ইসলাম গ্রহণ করে মুহাম্মদ ইউসুফ হয়ে গেছেন। মাওলানা তারিক জামিলের
দাওয়াতী মেহনতের বদৌলতে তারা আজ দীনের দায়ীতে পরিণত হয়েছেন। এ সবই দাওয়াত ও তাবলীগের সুফল। মাওলানা তারিক জামিলের একটি বয়ানের কিছু অংশ বেশ কিছুদিন যাবত
সোশ্যাল মিডিয়াতে খুবই প্রচার
হচ্ছে। ভারতের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির
খ্যাতনামা অভিনেতা আমির খানের সাথে মাওলানা তারিক জামিলের সাক্ষাতের বিষয়টি বয়ানের এ অংশটুকুতে আলোচিত হয়েছে। মাওলানার সাথে আমির খানের সাক্ষাৎ হয়েছিল পবিত্রভূমি মক্কায়। ২০১২ সালে আমির খান তার মাকে নিয়ে (বলা উচিত মায়ের সাথে) পবিত্র হজ্জ করতে সৌদী আরব যান। সে বছর মাওলানা তারিক জামিল,
জুনাইদ জামশীদ এবং বিখ্যাত
ক্রিকেটার শহিদ আফ্রিদিও হজ্জ করতে সৌদী আরব যান। সেখানেই তাদের একে অপরের সাথে পরিচয় ঘটে। মাওলানা তারিক জামিল নায়ক আমির
খানের সাথে তার সাক্ষাৎকারের
ঘটনাটি এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ –
আমির খানের সাথে আমার সাক্ষাৎ ঘটলে তার সাথে দীনের কোন কথা বলিনি। সেই সাক্ষাৎকারে তৈরী হয়েছে মুহাব্বত। একটা হৃদ্যতার সম্পর্ক তৈরী হয়েছে সেই সাক্ষাৎকারে। যার কারণে আজও আমির খানের পক্ষ থেকে মেসেজ আসে। আমির
খানের বক্তব্য হচ্ছে, ‘আমি জীবনে কখনো কারো দ্বারা প্রভাবিত হইনি।
আপনিই প্রথম ব্যক্তি, যার দ্বারা
আমি প্রভাবিত ।আমি তার উপর কোন জাদু করিনি। শুধু হৃদয় থেকে তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছি। আল্লাহ তায়ালার অশেষ
মেহেরবানিতে অনেক কষ্টের পর তার সাথে আমার সাক্ষাতের পথ তৈরী হয়। কেননা আমরা একে অন্যকে চিনতাম না। জানতাম না। তার সাথে সাক্ষাতের কোন সুযোগই পাচ্ছিলাম না। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা শহিদ আফ্রিদির মাধ্যমে এ সাক্ষাৎকার সহজ
করে দেন। তার সাথে আমার
সাক্ষাতের সুযোগ ঘটল। এ জন্য আমাকে মাত্র আধা ঘণ্টার জন্য সময় দেয়া হলো। সবোর্চ্চ পৌনে এক ঘণ্টা আমার জন্য সময় বরাদ্দ করা হলো। যখন সাক্ষাৎ
করতে গেলাম, তখন আমির খানের চেহারায় ছিল ভয়ের ছাপ- না জানি মাওলানা বলে বসেন, এ আপনি কী করছেন? সবই তো হারাম করছেন, নাচছেন, গাইছেন। তাড়াতাড়ি তওবা
করুন। নতুবা এখনই আপনার জন্য দোজখের ফয়সালা হয়ে যাবে। এ কারণে আমির খান বেশ শঙ্কায় ছিলেন। মাওলানা তারিক জামিল তার বয়ানে বলেন, আমার একটা সময় কেটেছে কলেজে। সে সময় তাবলীগের সাথে আমার কোন সম্পর্ক ছিল না। স্কুল ও
কলেজ জীবনে আমি খুব ভালো গায়ক ছিলাম। সবকিছুই করতাম। সাক্ষাতের সময় আমির খান থতমত খেয়ে যান। আমি তার ঘরে বসেই তার সাথে সিনেমার আলাপ শুরু করে দিলাম। আমি
খেয়াল করলাম ১৯৬০ সাল থেকে ১৯৭২ সালের মাঝামাঝি সময়ের সিনেমা সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি, তিনি ততটুকু জানেন না। তো তার উপর
আমার জানার প্রভাব দেখা গেল।
কেননা এটা তার লাইনের জ্ঞান। সে তো হয়রান-পেরেশান হয়ে গেল- ওয়াজ তো হচ্ছে না। কখনও দিলীপ কুমার নিয়ে তো কখনও রাজকুমার নিয়ে আলোচনা। আবার কখনও চলল মদনমোহন নিয়ে আলোচনা। এভাবে আধা ঘণ্টার সময়
এমননিতেই পার হয়ে গেল। আমরা খাবার টেবিলে ছিলাম। আলোচনা পঞ্চাশ মিনিট পর্যন্ত চললো। আমরা খাবার টেবিল থেকে উঠে অন্যত্র বসলাম। ততক্ষণে আমির খানের সকল
ভয় দূর হয়ে গেছে। আমি বললাম, আমির ভাই, আমরা হজ্জ করতে এসেছি। যদি অনুমতি দেন, তাহলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হজ্জের কাহিনী শুনাতে পারি।আমির খান বললেন ,হ্যা অবশ্যই । এরপর আরও
সোয়া ঘণ্টা সময় নিয়ে কথা বললাম। আমির খান এক মুহূর্তের জন্যও বিরক্তি প্রকাশ করেন নি। নড়াচড়াও করেন নি। এটা ছিল তার ভালোবাসা ও আবেগের
বহিঃপ্রকাশ। আমরা অনেকেই আগেই ফতওয়া দেওয়া শুরু করে দিই। এটা আমার পছন্দ হয়নি। দুই ঘণ্টা পর আমির খান আমাদের বিদায় জানাতে নিচে
পর্যন্ত নেমে এলেন। যেখানে তিনি
সময় দিচ্ছিলেন না, অনেক কষ্ট করে আধা ঘণ্টা সময়ের অনুমতি মিললো। অথচ দুই ঘণ্টা সময় দেয়ার পরও তিনি শুধু বিদায় জানাননি, বরং নিচ পর্যন্ত
নেমে এলেন। এটা ছিল তার হৃদয়ে
জায়গা করে নেওয়ার নিদর্শন।
যাই হোক, বিদায় মুহূর্তে আমি তাকে বললাম,আমরা কি হজ্জের পরে আরও একবার সাক্ষাৎ করতে পারি । তিনি জবাব দিলেন, অবশ্যই হবে। কিন্তু পরবর্তীতে একদিন তার কাছ থেকে বার্তা এল, ক্ষমা চাচ্ছি, আমি মক্কা থেকে মদীনায় চলে এসেছি। আমি বললাম, কোন সমস্যা নেই। আমি
মদীনায় চলে আসছি। অথচ এর আগেই আমি মদীনার নির্ধারিত সফর শেষ করে এসেছি। আমির খান বললেন, আপনি ১৪ নভেম্বর চলে আসেন। আপনার জন্য
বিকাল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সময় বরাদ্দ করা হলো।
আমি জুনাইদ জামশেদ ও আরও একজনকে নিয়ে আমির খানের সাথে সাক্ষাতের জন্য মদীনায়
রওনা দিলাম। সোয়া ৪টায় আমাদের আলাপ শুরু হলো।
চললো টানা সোয়া ১০টা পর্যন্ত। দুই ঘণ্টার জায়গায় ছয় ঘণ্টা আলাপ চললো ।তার পরও
আমির খানের মন চাচ্ছিল না যে, আমরা সেখান থেকে উঠি ।
হজ্জের সফরের পর আমি একদিন
রায়ব্রেন্ড ইজতেমাতে আছি। এমন সময় এক বিশাল পরীক্ষার সম্মুখীন হলাম। আমার মোবাইলে আমির খানের মেসেজ এলো ।তিনি বললেন – আমার নতুন সিনেমা “তালাশ” আসছে। তার সফলতার জন্য দোয়া করবেন। এক্ষেত্রে তার জবাবও দিতে
হবে, আবার দোয়াও করা যাবে না। মেসেজটি যখন আসে, তখন আমার সামনে দশ-বারোজন আলেম বসেছিলেন। তাদের জিজ্ঞাসা করলাম, কী করব
এখন ?তারা বললেন, ভাই,
এটা তোমার ময়দান। তুমিই
জান কী করতে হবে। এরপর
আমি সারাদিন এটা নিয়ে ভাবলাম। পরের দিনও চলে
যাচ্ছে। আসরের সময় ওজু করছি- এমন সময় আল্লাহ তায়ালা আমার মাথায় একটা বিষয় ঢেলে দিলেন। আমি
আমির খানকে মেসেজ পাঠালাম- আমির ভাই, সৃষ্টিশীল মেধা আল্লাহ তায়ালা কাউকে কাউকে দান করেন। আপনার সাথে আমার যতটুকু সময় কেটেছে, আমি অনুভব করেছি, আপনি একজন সৃষ্টিশীল মানুষ। আর সৃষ্টিশীল মানুষ কখনো সফলতা এবং ব্যর্থতার পরওয়া করেন না।
বরং তিনি শুধু কাজ করেই যান।
মেসেজ পাঠানো মাত্র তার জবাব এলো – আপনি ঠিকই বলেছেন।
আমির খান সর্বদা ফোন করার আগে এসএমএস-এর মাধ্যমে জেনে নেন, কথা বলা যাবে কিনা। কখনো মাওলানা নিজে কল করেন, কখনো এসএমএস-এর
মাধ্যমে হ্যাঁ বলে দেন। একবার আমির খানকে এসএমএস করার পরই তার কল এলো। আমির খান বললেন, আমি দিল্লিতে। যখন আপনার মেসেজ আসে তখন
আমি দিল্লি কনফারেন্সে ছিলাম।
এখন বাইরে এসে আপনাকে কল দিলাম। এ কথার ফাঁকেই আমির খান বললেন, মাওলানা, আপনার দোয়ার বরকতে সিনেমাটি সফল হয়েছে। বয়ানের শেষে মাওলানা তারিক জামিল হেসে বলেন, আমি আবার কখন তার জন্য দোয়া
করলাম ?
পরিশেষে তিনি বললেন,
ভাইয়েরা আমার, ভালোবাসা বিলিয়ে দিন। ঘৃণা তো অনেক ছড়িয়ে পড়েছে।
মাওলানা তারিক জামিল তার জ্ঞান ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে বিখ্যাত সিনেমা অভিনেতাকে দূরে ঠেলে না দিয়ে বরং ভালোবাসার খাঁচায় বন্দী
করেছেন। সহিংসতার মাধ্যমে
মানুষের মন জয় করা যায় না।
ভালোবাসা দিয়েই মানুষের মনে স্থান করে নিতে হয়।

জীবনের কিছু বাস্তবতা,,,১. জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা নামাজে অমনোযোগী,,,২. জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ নফসকে নিয়ন্ত্রণ রাখ...
16/09/2022

জীবনের কিছু বাস্তবতা,,,

১. জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা নামাজে অমনোযোগী,,,
২. জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ নফসকে নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা,,,
৩. জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল নিজেকে পাপী মনে না করা,,,
৪. জীবনের সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় অন্যের দোষ চর্চা করা,,,
৫. জীবনের সবচেয়ে বড় মূর্খতার কাজ অন্যকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বিশ্বাস করা,,,
৬. জীবনের সবচেয়ে বড় নিকৃষ্টতম বিষয় অ‌‌ন্যের সাফল্যে হিংসা করা,,,
৭. জীবনের সবচেয়ে অযোগ্য কাজ নিজের অবস্থান নিয়ে অহংকার করা,,,
৮. জীবনের সবচেয়ে অসফলতা হচ্ছে একজন মুসলিম হয়ে কুর‌আনের অর্থ না জানা,,,

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফীক দান করুন, আমিন।

Today's best photo ❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤
16/09/2022

Today's best photo ❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤







Today's the best Photo 🌿🥰💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚.... beautiful  
16/09/2022

Today's the best Photo 🌿🥰
💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚.... beautiful


16/09/2022

কি অপরূপ অবারিত প্রকৃতি,,
কি মনমুগ্ধ কুরআনের ধ্বনি,,
আমার নয়ন জুড়ে যায়
আমার মন ভরে যায়।।

Today's Best Photo ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
15/09/2022

Today's Best Photo ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️






Address

Bhatara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheikh Mufti Alauddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Sheikh Mufti Alauddin:

Shortcuts

Share