18/09/2022
শায়েখ আলবানী সাহেবের আসল রুপ - (পর্ব_১)_________________________
আরব বিশ্বে ও বর্তমান
দুনিয়ায় আহলে হাদিস মতবাদ
বিস্তারের রুপকার শায়খ নাসিরুদ্দিন
আলবানী{মৃত ১৯৯৯ইং}রাসুলের
সাহিহ হাদিস বিকৃত করে মুসলিমদের
বিভক্ত করার অন্যতম নায়ক তিনি।
তার ব্যাপারে উম্মাতের ২ টি দল
১টি মূর্খদের
[যারা আলবানী সাহেবের অন্ধভক্ত ও
পক্ষে] আরেকটি বিজ্ঞ স্কলারদের
[আলেমদের-যারা তার বিপক্ষে]।
সাহিহ হাদিসকে যাঈফ আর যাঈফ
হাদিসকে সাহি বলাই তার
পেশা ছিল[আল্লাহ মাফ করুক আমিন]।
তার বিরুদ্ধে উপমহাদেশ ও আরব
বিশ্ব সহ বহু মুহাদ্দিস ও ওলামাগন
উপযুক্ত প্রমান ও দলিল সহকারে বহু
কিতাবাদি লিখেছেন তন্মদ্ধে ৫০
টি উল্লেখযোগ্য কিতাব।তার পরিচয়
সম্পর্কে তার ভক্তবৃন্দ ও কথিত কিছু
অনুবাদক উল্লেখ করেছে কিন্তু
এটা যে,প্রমানিত শাইখ
আলবানী একাডেমীক ভাবে কোন
ডিগ্রী পায়নি।আল্লামা রাফিকুল
ইসলাম মাদানি[দা,বা]বলেন,
মদিনা ইউনিভার্সিটি পড়া কালিন
তাদের এক উস্তাদ ড.আনিস তাহের
ইন্দোনেশী ২ সপ্তাহ
ব্যাপী আলবানী জিবনীর
আলোচনা করেছেন
সেখানে তিনি বলেন”শায়খ
আলবানী নিজে নিজে প্রচুর
অধ্যয়ন ,গবেষণা করতেন।
এটা জানা কথা কুরান ,সাহিহ হাদিস
ও সালফে সালফে সালেহিনদের
আলোকে এমন উস্তাদ বিহীন
নিজে নিজে অধ্যয়ন ,গবেষণা কারী ব্যক্তি নিজেও
গোমরাহ হয় অপরকেও গোমরাহ করে।
এর জন্যেই তার
লিখা প্রতিটি কিতাবেই অসংখ্য ভুল
ভ্রান্তি,বাড়াবা
ড়ি,দুর্বলতা,স্ববিরোধিতা,আর
কল্পনা প্রসূত মনগড়া মতবাদে ভরপুর।
তিনি যেই হাদিস কে ও তার
সনদকে ১বার সাহিহ বলত ঠিক ঐ
সন্দকে অন্য হাদিসের মতনে জঈফ
বা মাওযু বলত এই জন্য যে ঐ
মতনটি আহলে হাদিসদের আকিদার
বিপরীত।আর হাদিস সাহি জাঈফ
নির্ণয়ের
ক্ষেত্রে তিনি মুহাদ্দিসদের কোন
উসূলই মানত না।তার
সিলসিলা সাহিহা ও জঈফায় অসংখ্য
ভুল আছে।”সিফাতুস সালাতিন
নাবি”[বাংলায় রাসুলাল্লাহর
নামায] সহকারে বহু গ্রন্থে তিনি
ভুল ও মিথ্যা রেফারেঞ্চ
দিয়ে ইলমে নাববীর খিয়ানত
করেছেন।আর এই বইটির
দ্বারা তিনি ১৪০০ বছর পর
উম্মাতকে পৃথক করতে সক্ষম হয়েছে ।
আল্লাহ তাকে মাফ করুক আর
আমাদেরকে তার
ফিতনা হতে হিফাযাত করুক আমিন।
আরব বিশ্বের একজন
নামকরা মুহাদ্দিস শায়খ মাহমুদ
সাঈদ মামদুহ তার আল বানীর
বিরুদ্ধে লিখিত গ্রন্থ”আল
ইত্তেজাহাতুল হাদিসিয়্যা”কিত
াবে লিখেন-”আলবানীর
বাড়ি সিরিয়ার আলবানীইয়া নামক
স্থানে।তার বাবা নুহ নাজাতি একজন
আদর্শ মানব। আলবানীর বাবা ছিল
একজন দক্ষ হানাফি আলেমে।ছেলের
[আলবানীর]বিতর্কজনিত
আচরনে পিতা ধৈর্যের বাধ
ভেঙ্গে তাকে ত্যাজ্য পুত্র
করে কিছুটা নাযাত পায়।আর জঙ্গন
মুক্তি পেল
আলবানীকে সিরিয়া থেকে বের করে।
এরপর সে চেপে বসে সৌদি জনতার
ঘাড়ে।রাজতন্ত্রের ভয়ে আতংকিত
আলেম সমাজের মাঝে তার নতুন
মতবাদ ছড়াতে আরো দারুন সূযোগ পেল।
তবে এক পর্যায়ে তাদের[ সৌদির]ঘুম
ভাঙ্গে।সবাই সোচ্চার হয় তাঁদের
দীর্ঘ কালের শায়খ-আলবানীর
বিরুদ্ধে।১৯৯১
সালে সরকারী নির্দেশে শায়খ ২৪
ঘন্টার মধ্যে পবিত্র
আরবভুমি ছেড়ে জর্ডানে গিয়ে আত্মরক্ষা পায়।
আমরণ তিনি সেখানেই
ছিলেন।”এছাড়াও তিনি তার অনেক
খারাপ রিপোর্ট আছে তিনি যাকে নয়
তাকেই গনহারে কাফের,মুনাফিক,গ
োমরাহ মুশরিক,বেদাতি,মিথ্যুক
ইত্যাদি বলতেন।যদি ঐ লোক তার
মতবাদের বাইরে কথা বলতেন।
এতে তার পাষণ্ড আত্মা একটুও
কাঁপতো না।ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল
[রাহ]কেও তিনি বেদাতি,আর ইমাম
বুখারিকে একটি তাফসিরের জন্য
তিনি তার
ফাতওয়ায়ে আলবানিতে কাফের
বলতে লজ্জাবোধ করে নি, বিখ্যাত
মুহাদ্দিস আল্লামা আব্দুল ফাত্তাহ আবু
গুদ্দাহ[রাহ]এর
নামকে বিকৃতি করে তাকে বলত”গুদ্দাতুল
বাইর[উটের প্লেগ রোগ]”এছাড়াও
বলত”[হে গুদ্দাহ ]তোর হাত ধ্বংস
হোক ”এমন
করে তিনি সবাইকে অভিশাপ করতেন
অথচ রাসুলুল্লাহ সাহিহ
হাদিসে[খামাখা] অভিসম্পাত
কারীকে ধিক জানিয়েছে।তার
বিরুদ্ধে বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ও
উলামা গনের রেফারেঞ্চ সহ দলিল
ভিত্তিক আলোচনা ইনশাআল্লাহ
দেওয়া হবে অপেক্ষা করুন।উল্লেক্ষ্য
যে কথা গুলো আমরা ব্যক্তিগত
স্বার্থের
কারনে বলছি না উম্মাতকে তার কিছু
ফিতনা হতে রক্ষার
স্বার্থে ইখলাসের সাথে।নাসীরুদ্দিন আলবানী ইমাম
বুখারী (রহ.) কে গোমরাহ এব কাফের
বলেছে।
http://www.al-hasany.com/vb/showthread.php?t=7708
ﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﻳﻀﻠﻞ ﻭﻳﻜﻔﺮ ﺍﻹﻣﺎﻡ
ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ !!
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ
ﻋﻠﻰ ﺍﺷﺮﻑ ﺍﻟﻤﺮﺳﻠﻴﻦ ﺳﻴﺪﻧﺎ
ﻭﺣﺒﻴﺒﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ
ﻭﺳﻠﻢ .
ﺍﻧﻈﺮﻭﺍ ﻛﻴﻒ ﺍﻥ ﺍﻟﻮﻫﺎﺑﻴﺔ
ﻣﺠﺪﺩﺍ ﺗﺨﺎﻟﻒ ﺍﻫﻞ ﺍﻟﺴﻨﺔ
ﻭﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ ﻭﺗﻜﻔﺮ ﻋﻠﻤﺎﺀ ﺍﻫﻞ
ﺍﻟﺴﻨﺔ ﻭﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ .
ﻓﻘﺪ ﺫﻛﺮ ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﺬﻱ ﺗﻌﺘﺪ ﺑﻪ
ﺍﻟﻔﺮﻗﺔ ﺍﻟﻮﻫﺎﺑﻴﺔ ﻓﻲ ﻛﺘﺎﺑﻪ
ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺻﻔﺤﺔ 523 ﺍ
ﻥ ﺗﺄﻭﻳﻞ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻓﻲ ﺳﻮﺭﺓ
ﺍﻟﻘﺼﺺ ) ﻛﻞ ﺷﻲﺀ ﻫﺎﻟﻚ ﺍﻻ
ﻭﺟﻬﻪ ( ﺑﺎﻟﻤﻠﻚ, ﻗﺎﻝ ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻥ
ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻻ ﻳﻘﻮﻝ ﺑﻪ ﻣﺆﻣﻦ
ﻣﺴﻠﻢ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻥ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ
ﻫﻮ ﻋﻴﻦ ﺍﻟﺘﻌﻄﻴﻞ .
ﺗﺠﺪ ﺍﻟﻜﻼﻡ ﻓﻲ ﻃﺒﻌﺘﻴﻦ ﻣﻦ
ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ, ﺍﻟﻨﺴﺨﺔ ﺍﻻﻭﻟﻰ
ﻫﻲ ﻣﻦ ﺩﺍﺭ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ ﺍﻟﻴﻤﺎﻣﺔ
ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ ﺻﻔﺤﺔ 1788 ﻭ
ﺍﻟﻨﺴﺨﺔ ﺍﻟﺜﺎﻧﻴﺔ ﻓﻲ ﺭﺍﺑﻂ ﻧﺴﺨﺘﻪ
ﺍﻟﻤﻮﺿﻮﻉ ﻫﻨﺎ ﻭ ﺟﻤﻴﻊ ﺍﻟﻨﺴﺦ
ﺗﺤﺘﻮﻱ ﻋﻠﻰ ﻧﻔﺲ ﺍﻟﻜﻼﻡ .
ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺘﻔﺴﻴﺮ
ﺗﻔﺴﻴﺮ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻘﺼﺺ ﺻﻔﺤﺔ
1788 ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ ﻣﻄﺒﻌﺔ ﺍﺑﻦ
ﻛﺜﻴﺮ ﺍﻟﻴﻤﺎﻣﺔ ﺍﻟﻄﺒﻌﺔ ﺍﻟﺜﺎﻟﺜﺔ
ﺑﻴﺮﻭﺕ:::::
ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺑﻬﺬﺍ ﻳﻜﻮﻥ ﻛﻔّﺮ ﻣﻦ ﺃﻭّﻝ
ﻫﺬﻩ ﺍﻵﻳﺔ ﺑﻬﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻓﺈﺫﻥ
ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻋﻨﺪﻩ ﻛﺎﻓﺮ ﻷﻥ ﻧﺴﺦ
ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻛﻠﻬﺎ ﻣﺘﻔﻘﺔ ﻋﻠﻰ ﻫﺬﺍ
ﻭﻻ ﻳﺴﺘﻄﻴﻊ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺃﻥ ﻳُﺜﺒﺖ
ﻧﺴﺨﺔ ﺧﺎﻟﻴﺔ ﻋﻦ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ
ﻟﻜﻨﻪ ﻳُﻜﺎﺑﺮ ﻫﺮﺑﺎ ﻣﻤﺎ ﻳﺘﻮﻗﻌﻪ ,
ﻓﻤﺜﻠﻪ ﻛﻤﺜﻞ ﻣﻦ ﺃﺭﺍﺩ ﺃﻥ ﻳﻐﻄﻲ
ﺍﻟﺸﻤﺲ ﺑﻜﻔﻪ ﻓﻲ ﻳﻮﻡ ﺻﺤﻮ
ﺭﺍﺑﻌﺔ ﺍﻟﻨﻬﺎﺭ. ﺛﻢ ﻟﻴﺲ ﻫﺬﺍ
ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻣﻤﺎ ﺍﻧﻔﺮﺩ ﺑﻪ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ
ﺑﻞ ﺃﻭّﻝ ﺳﻔﻴﺎﻥ ﺍﻟﺜﻮﺭﻱ ﺭﺿﻲ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻫﺬﻩ ﺍﻵﻳﺔ}: ﻛُﻞُّ ﺷَﻰْﺀٍ
ﻫَﺎﻟِﻚٌ ﺇِﻻَّ ﻭَﺟْﻬَﻪُ { )88 ( ﺑﻘﻮﻟﻪ:
} ﻣﺎ ﺃﺭﻳﺪ ﺑﻪ ﻭﺟﻬﻪ.{ ﺗﻔﺴﻴﺮ
ﺳﻮﺭﻩ ﺍﻟﻘﺼﺺ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ
ﺛﻢ ﺇﻥ ﺗﺄﻭﻳﻞ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻟﻬﺬﻩ ﺍﻵﻳﺔ
ﺛﺎﺑﺖ ﻋﻨﻪ, ﻓﻘﺪ ﻗﺎﻝ ﻓﻲ ﺃﻭﻝ
ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻘﺼﺺ ﻣﺎ ﻧﺼﻪ}: ﻛُﻞُّ
ﺷَﻰْﺀٍ ﻫَﺎﻟِﻚٌ ﺇِﻻَّ ﻭَﺟْﻬَﻪُ { )8 8 (
]ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻘﺼﺺ [ ﺇﻻ ﻣﻠﻜﻪ,
ﻭﻳﻘﺎﻝ: ﺇﻻ ﻣﺎ ﺃُﺭﻳﺪ ﺑﻪ ﻭﺟﻪ ﺍﻟﻠﻪ{
ﺍﻧﺘﻬﻰ ﺑﺤﺮﻭﻓﻪ. ﻓﺈﻧﻜﺎﺭ ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ
ﻟﺬﻟﻚ ﺩﻟﻴﻞ ﺟﻬﻠﻪ ﻓﻜﻴﻒ ﻳﺪﻋﻲ
ﺃﺻﺤﺎﺑﻪ ﺑﺄﻧﻪ ﺣﺎﻓﻆ ﻣﺤﺪﺙ,
ﺳﺒﺤﺎﻧﻚ ﺭﺑﻨﺎ ﻫﺬﺍ ﺑﻬﺘﺎﻥ ﻋﻈﻴﻢ.
ﺃﻣﺎ ﻗﻮﻟﻪ ﺑﺄﻥ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺘﺄﻭﻳﻞ ﻻ
ﻳﻘﻮﻟﻪ ﻣﺴﻠﻢ ﻣﺆﻣﻦ ﻷﻧﻪ ﻋﻠﻰ
ﺯﻋﻤﻪ ﻳﻜﻮﻥ ﻣﻦ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﺘﻌﻄﻴﻞ
ﺍﻟﻀﺎﻟﻴﻦ, ﻓﻴﻜﻮﻥ ﻗﺪ ﺭﻣﻲ ﺟﻞ
ﻋﻠﻤﺎﺀ ﺍﻻﻣﺔ ﺑﺎﻟﺘﻌﻄﻴﻞ ﻭﻣﻨﻬﻢ
ﺍﻻﻣﺎﻡ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﻳﻜﻔﺮ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻭﻓﻲ
ﻛﺘﺐ ﺍﻟﺴﻨﺔ – ﺍﻟﻤﺮﻛﺰ ﺍﻻﻋﻼﻣﻲ
ﻟﻤﻜﺘﺐ ﺍﻟﻤﺮﺟﻊ ﺍﻟﺪﻳﻨﻲ ﺍﻟﻌﺮﺍﻗﻲ
ﺍﻟﻌﺮﺑﻲ ﺁﻳﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻝ
http://www.al-hasany.com
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﻳﻜﻔﺮ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻭﻓﻲ
ﻛﺘﺐ ﺍﻟﺴﻨﺔ ﺍﻻﺭﺍﺀ ﺍﻟﺸﺎﺫﺓ
ﻟﻌﻠﻤﺎﺀ ﺍﻟﺘﻜﻔﻴﺮ
আল্বানির ফাত ওয়া এর ৫২৩
পেজ টি পরুন পেয়ে যাবেন। ﻓﻘﺪ ﺫﻛﺮ
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﺬﻱ ﺗﻌﺘﺪ ﺑﻪ ﺍﻟﻔﺮﻗﺔ
ﺍﻟﻮﻫﺎﺑﻴﺔ ﻓﻲ ﻛﺘﺎﺑﻪ ﻓﺘﺎﻭﻯ
ﺍﻻﻟﺒﺎﻧﻲ ﺻﻔﺤﺔ 523 ﺍ
শায়খ আলবানীর ভুল ত্রুতি গুলোর
ফিহিরিস্তি
আরব,মধ্যপ্রাচ্য ও উপমহাদেশ সহ
বিশ্বের বহু উলামাগন লিখেছেন।
তিনি হাদীস যাচাই
বাছাইয়ে হাদীস শাস্ত্রের বিজ্ঞ
ব্যক্তিবর্গ ও তাদের প্রনীত
মূলনীতির পরোয়া না করে নিজ
মতাদর্শকে প্রাধান্য দেয়ার
চেষ্টা করেছেন। একারণে বিচক্ষন
উলামায়ে কেরামের নিকট
হাদীসের মান
নির্ধারনে আলবানী সাহেবের
গবেষনায় অনেক ক্ষেত্রে মতবিরোধ
হয়েছে, এমন
কি হাদীস গবেষনার জগতের বিজ্ঞ
উলামাগন আলবানী সাহেবের
ভূলত্রুটি একত্র করে ৫০
টির অধিক পুস্তক রচনা করেছেন।
তাম্মধ্যে
১। তানাফুজাতে আলবানী-
গ্রন্থকারঃ- হাসান ইবনে আলী আস
সাক্কাফ,
প্রকাশনায়ঃ-দারুল ইমাম বিন নবুবী-
(উমাম- উর্দুন) এবং
২। তানবীহুল মুসলিম
ইলা তাযাদ্দী আলবানী-গ্রন্থকারঃ-
মাহমুদ সাইদ মামদুহ-
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবা-আল ইমাম
শাফী-(রিয়াদ-সৌদী)
বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য।আরবের
বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও বহু গ্রন্থের
নির্ভরযোগ্য
গবেষক,আল্লামা শায়খ মুহাম্মাদ
আওয়ামা তার রচিত”আছারুল
হাদিস”কিতাবের ৫১ নং
পৃষ্ঠায় লিখেন”-ﻣﻊ ﺍﻥ ﻫﺬﺍﺍﻟﺮﺟﻞ
ﻟﻴﺲ ﻟﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﻴﻮﺥ ﺍﻻ ﺷﻴﺦ
ﻭﺍﺣﺪ ﻣﻦ ﻋﻠﻤﺎﺀ ﺣﻠﺐ ﺑﺎ
ﻻﺟﺎﺯﺕ
ﻻﺑﺎﻟﺘﻠﻘﻲ ﻭﻻﺧﺬ ﻭﺍﻟﻤﺼﺎﺣﺒﺖ
ﻭﺍﻟﻤﻼﺯﻣﺖ”অর্থ-” এই ব্যক্তির
[আলবানীর ] তো কোন শিক্ষক
নেই।সিরিয়ার হালবের জনৈক
ব্যক্তি তাকে হাদিস চর্চার মাত্র
অনুমতি দেন।তবে তার কাছেও
নিয়মিত লিখাপড়া করেন নি।”বিশ্ব
বরেণ্য মুহাদ্দিস মাও.হাবিবুর
রাহমান আযমী[রাহ]তার
”গ্রন্থﺍﻻﻟﺒﺎﻥﻱ ﺷﺬﻭﺫﻩ ﻭ
ﺍﺧﻄﺎﺅﻩ ]”আলবানীর ভুলভ্রান্তি ও
বিচিত্র মতবাদের দস্তান]-এ
”লিখেনঃ
ﻭﺍﻟﻠﻪ ﻻ ﻳﻌﺮﻑ ﻣﺎ ﻳﻌﺮﻑ ﺍﺣﺪ
ﺍﻟﻄﻠﺒﺔ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻳﺸﺘﻐﻠﻮﻥ ﺑﺪﺭﺍﺳﺔ
ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﻓﻲ ﻋﺎﻣﺔ
ﻣﺪﺍﺭﺳﻨﺎ”আল্লাহর
কসম সেই শায়খ আলবানী হাদিস
সম্পর্কে এতটুকু জ্ঞান রাখেনা যতটুকু
যা আমাদের
মাদ্রাসাগুলোতে অধ্যয়নরত
ছাত্ররা জানে।”মাও.হাবিবুর
রাহমান আযমী[রাহ]তার
”গ্রন্থﺍﻻﻟﺒﺎﻥﻱ
ﺷﺬﻭﺫﻩ ﻭ ﺍﺧﻄﺎﺅﻩ”৩ খন্ডে শায়খ
আলবানীর জ্ঞানের পরিধি ও তার
বিচিত্র মতবাদ দলিল ও
সত্য প্রমান সহকারে তুলে ধরেছেন।
২ খন্ডে বিভক্ত ১টি বই
তানাফুজাতে আলবানী-
গ্রন্থকারঃ- হাসান ইবনে আলী আস
সাক্কাফ,প্রকাশনায়ঃ-দারুল ইমাম
বিন নবুবী- (উমাম-
উর্দুন) এতে লিখক শায়খ
আলবানী যেসব ক্ষেত্রে ভুল
করেছে তার একটা বিশাল তালিকা
দলিলসহ প্রদান করেছেন।
তিনি অনেক সহীহ হাদীসকে যঈফ
এবং যঈফ হাদীসকে সহীহ
বলেছেন।
প্রথমে আমরা দেখব নাসিরুদ্দিন
আলবানী সাহেব কিভাবে সহীহ
হাদিসকে যঈফ বলেছেন ,
তার উদাহরন :
আবু হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে বর্নিত
রাসুল (সাঃ) বলেনঃ- যখন তোমাদের
কেহ রাত্রিতে নামাযের
জন্য দাড়ায়, তখন সে যেন সংক্ষিপ্ত
ভাবে দুই রাকাতের মাধ্যেমে আপন
নামাযকে শুরু করে।
হাদীসটিকে ইমাম মুসলিম (রহঃ)
স্বীয়গ্রন্থ সহীহ মুসলিম (১/৫৩২)
পৃষ্টায় উল্লেখ করেন । এ
ছাড়াও আল ইহসান
ফি তাকরিবে সহীহ ইবনে হিববান-
(৬/৩৪০) আল মুসনাদ লিল ইমাম
আহমাদ ইবনে হাম্বল-(৯/১২৯)
শরহুস সুন্নাহ লিল ইমাম
বগবীতে (৪/১৭) উল্লেখ করা
হয়েছে।
হাদীসটিকে যুগ শ্রেষ্ট হাদীস
গবেষকগন গবেষনার মাধ্যমে বিশুদ্ধ
হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
তম্মেধ্যে উল্লেখ যোগ্য ,
আল্লামা শুয়াইব আরনাউত (রহঃ)
মুসনাদ লিল ইমাম আহমাদ
(১৫/৯৮)-
ইমাম বগবী (রহঃ) স্বীয় কিতাব
শরহুস সুন্নাতে (৪/১৭)
হামজা আহমাদ যাইন (রহঃ) মুসনাদ
লিল ইমাম আহমাদে (৯/১২৯)
বিশুদ্ধ হাদীস বলে
ঘোষনা করেছেন।
উল্লেখিত
হাদীসটিকে আলবানী সাহেব স্বীয়
কিতাব ‘‘যইফুজ জামে ও যিয়াদাহ’’
নামক গ্রন্থে
(১/২১৩-) উল্লেখ করে বলেন,
হাদীসটিকে ইমাম মুসলিম (রহঃ)
এবং ইমাম আহমাদ (রহঃ)
আবু হুরাইরা (রাঃ) এর
সুত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদীসটি (যঈফ) মর্জাদার দীক
দিয়ে দুর্বল।
এবার আমরা দেখব নাসিরুদ্দিন
আলবানী সাহেব কিভাবে যঈফ
হাদিসকে সহীহ বলেছেন ,
তার উদাহরন :
হযরত উমায়ের ইবনে সাইদ (রাঃ)
সূত্রে বর্ণিত হাদীস তিনি বলেন
তোমরা মোয়াবিয়া (রাঃ)
কে ভাল ভাবেই স্বরণ কর, কেন
না আমি রাসুল (সাঃ)
থেকে শুনেছি রাসুল (সাঃ) বলেছেন
হে আল্লাহ
তুমি মোয়াবিয়াকে হেদায়েত দাও।
(সুনানে তিরমিজি-৫/৬৪৫)
হাদীসটিকে আলবানী সাহেব সহীহ
সাব্যস্হ করে স্বীয় কিতাব সহীহ
সুনানে তিরমিজি
(৩/২৩২) তে উল্লেখ করেছেন। অথচ
হাদীসটির সূত্রের উপর গবেষনার
দ্বারা দেখা যায়
হাদীসটি মানগত ভাবে অত্যন্ত
দুর্বল।
সূত্রের একজন রাবী-আমর ইবনে ওকেদ
ইনার ব্যাপারে উলামাদের বক্তব্য,
১। হাফেজ ইবনে হাজার (রহঃ) বলেন
(মাতরুক) ইনি পরিত্যাজ্য।
(তাকরিব-আত তাহজীব-৪২৮পৃঃ)
২। ইমাম বুখারি ও তিরমিজি (রহঃ)
বলেন (মুনকারুল হাদীস) ইনি এমন
রাবী যাদের হাদীস
গ্রহন করা হয় না।
৩। আল্লামা মারওয়ান (রহঃ) বলেন
(কাজ্জাব) মিথ্যাবাদী।
৪। ইমাম নাসায়ী,দারাকুতনী,
এবং ইমাম বুবকানী (রহঃ) এনারা এই
রাবীর ব্যাপারে একমত
হয়ে বলেন (মাতরুকুল হাদীস)
ইনি এমন রাবী যাদের হাদীস
পরিত্যাজ্য। (তাহজীবত
তাহজীব (৮/৯৮)
সূত্রের রাবী আমর ইবনে ওকেদ
সম্পর্কে উল্লেখিত ইমামদের
বক্তব্যের দ্বারা একথা সুস্পষ্ট
হল হাদীসটি কোন অর্থেই সহীহ
হতে পারে না।
এমন কি আলবানী সাহেব এই
রাবীকে দুর্বল সাব্যস্ত করে ওনার
কিতাব ‘‘জয়ীফা’’ তে
(২/৩৪১) উল্লেখ করেছেন।
স্বয়ং তিরমিজি (রহঃ) উল্লেখিত
হাদীসটি (যঈফ) দুর্বল হিসেবে
ইংগীত করে স্বীয় কিতাব
সুনানে তিরমিজিতে (৫/৬৪৫)
বর্ণনার শেষে বলেন, আমর ইবনে
ওকেদ দুর্বল রাবীদের অন্তর ভুক্ত।
3. আলবানী সাহেব একই
রাবীকে কখনও সিকাহ বা গ্রহনযোগ্য
এবং অন্যসময় যঈফ বা
অগ্রহনযোগ্য বলেছেন। এ
বিষয়টি ওনার গবেষনার জগতের ভূল
ত্রুটির অন্যতম একটি অংশ
। উদাহরন স্বরুপ
একটি ঘটনা নিম্নে তুলে ধরা হল।
আবু উমামা (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণিত
রাসুল (সাঃ) এরশাদ করেন
তোমরা মুমিন ব্যক্তির
অন্তদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাক,
কেননা সে আল্লহ তা’লা নূরের
দ্বারা দৃষ্টি করে থাকেন। (মুজামুল
আওসাত-৩/৪৪৫)
উল্লেখিত হাদীসটির সূত্রের এক জন
রাবী হলেন আবু সালেহ আব্দুল্লহ
ইবনে- সালেহ ।
হাদীসটি আলবানী সাহেবের
মতাদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার
কারনে তিনি আবু সালেহ
আব্দুল্লাহ ইবনে সালেহকে দুর্বল
আখ্যায়িত করে হাদীসটি অগ্রহনযোগ্য
হিসাবে স্বীয় কিতাব
‘‘সিলসিলাতুল আহাদীস আজ যইফাতু
মওযুয়া,, (৪/২৯৯) তে উল্লেখ
করেছেন।
অথচ আবু সালেহ আব্দুল্লাহ
ইবনে সালেহ-এই একই রাবীর
মাধ্যমে ইমাম তিরমিজি (রহঃ)
স্বীয় কিতাব
সুনানে তিরমিজিতে ইবনে মুররা (রাঃ)এর
সূত্রে হাদীস উল্লেখ করেছেন রাসুল
(সাঃ) বলেন হুসাইন আমার থেকে আর
আমি হুসাইনের থেকে-,
যে ব্যক্তি হুসাইনকে
ভালবাসে সে আল্লাহ
তা’লাকে ভালবাসে। হুসাইন আমার
পরবর্তি-বংশধর।
সূনানে তিরমিজি-(৫/৬১৮)
হাদীসটিকে আলবানী সাহেব সহীহ
হিসাবে স্বীয় কিতাব সিলসিলাতুল
আহাদিস আস সহীহা
(৩/২২৯) তে উল্লেখ করেন।
এবং বলেন হাদীসটির সনদ উৎকৃষ্ট
মানের আবু আব্দুল্লা ইবনে
সালেহ এর ব্যপারে দুর্বলতার যেই
কথা রয়েছে তাহা কোন ক্ষতিকারক
নয়।
উপরের উদাহরন
দ্বারা আমরা বুঝতে পারলাম , একই
রাবী আবু সালেহ আব্দুল্লাহ ইবনে
সালেহকে আলবানী সাহেব কখনও
দুর্বল আবার কখনও গ্রহনযোগ্য
প্রমানিত
করেছেন।তানাফুজাতে আলবানী-
গ্রন্থকারঃ- হাসান ইবনে আলী আস
সাক্কাফ ২য় খন্ডের
শেষে লিখেন”শায়খ আলবানীর
স্ববিরোধী মতামত ও ভুলত্রুটির
ফিরিস্তি লিখক[হাসান ইবনে
আলী আস সাক্কাফ]হাজার হাজার
রয়েছে যা পরবর্তীতে প্রকাশ
করা হবে
ইনশাআল্লাহ।”এভাবে আরবের বিজ্ঞ
আলেম শায়খ মাহমুদ সাঈদ মামদূহ
প্রণীত ৬ ভলিয়মে
লিখিত বিশাল কিতাব”ﺍﻟﺘﻌﺮﻳﻒ
ﺑﺎﻭﻫﺎﻡ ﻣﻦ ﻗﺴﻢ ﺍﻟﺴﻨﻦ ﺍﻟﻲ
ﺻﺤﻴﺢ ﻭ ﺿﻌﻴﻒ]”আলবানী যে
সুনান-হাদিসের কিতাবকে সাহিহ ও
জঈফ ২ ভাগে বিভক্ত করেছেন তার
ভুলভ্রান্তির
পরিচয়]।শায়খ আব্দুল্লাহ বিন
সিদ্দীক আল গুমারী কতৃক প্রণীত-
ﺍﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻤﻘﻨﻊ ﻓﻲ ﺍﻟﺮﺩ ﻋﻠﻲ
ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﻤﺒﺘﺪﻉ]”নতুন মতবাদের
প্রবর্তক আলবানীর সন্তুষ্টজনক
প্রতিউত্তর]। ইনশাল্লাহ পড়ের
পোস্টে আরও দলিল ও প্রমান পেশ
করা হবে শায়খ নাছিরুদ্দিন
আলবানী সাহেবের ভুল
প্রসঙ্গে।তার বিরুদ্ধে বিশিষ্ট
মুহাদ্দিস ও উলামা গনের রেফারেঞ্চ
সহ দলিল ভিত্তিক আলোচনা
ইনশাআল্লাহ
দেওয়া হবে অপেক্ষা করুন।