Kalika Prashad

Kalika Prashad Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kalika Prashad, Kalika Prashad Bus Stand, Bhairab Town.

16/10/2023
কালিকা প্রসাদের সকলকে জানাই ইদ উল আযহার শুভেচ্ছা। ইদ মোবারক।
31/07/2020

কালিকা প্রসাদের সকলকে জানাই ইদ উল আযহার শুভেচ্ছা। ইদ মোবারক।

28/06/2020

Just see the video

24/06/2020

Bhairab, Narsingdi & Brahmanbariar language e fuuny video.

22/06/2020

এক নজরে ভৈরব উপজেলার দর্শনীয় স্থানগুলো,,,ও পরিচিতি।

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার আয়তন ১২১.৭৩ বর্গ কি.মি.।উপজেলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব দিকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা, পূর্ব ও উত্তরপূর্ব দিকে সরাইল উপজেলা, উত্তরে বাজিতপুর,পশ্চিমে কুলিয়ারচর ও নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা, পশ্চিম দক্ষিণ কোণে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা। ভৈরবকে মেঘনা- ব্রক্ষপুএ বিধৌত অঞ্জল বলা হয়।

#নামকরণঃ
মেঘনা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের মিলনস্থলে অষ্টাদশ শতাব্দীতে জেগে উঠা বালুরচর বর্তমানে জনপদ ভৈরব। চরাঞ্চল ও জলাভূমিতে উলু-খাগড়ারর বন জন্মানোর কারণে স্থানটির প্রথম নাম হয় উলুকান্দি। এলাকাটি ভাগলপুর দেওয়ানদের জমিদারীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। নবীনগর উপজেলা বিটঘরের দেওয়ান ভৈরব চন্দ্র রায় ভাগলপুরের জমিদার দেওয়ান সৈয়দ আহমদ রেজা এর কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়ে উলুকান্দি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জনবসতি শুরু করেন। জনবসতির পাশাপাশি একটি বাজার গড়ে উঠে। দেওয়ান ভৈরব চন্দ্র রায় তাঁর মা’র নামে বাজারটির নাম দেন কমলগঞ্জ প্রকাশ্যে ভৈরব বাজার।
#প্রধান_নদী_সমূহঃ
মেঘনা,পুরনো ব্রম্মপুত্র(প্রায় মৃত)।
#ভৈরব_শহরঃ
ভৈরব শহরটি মেঘনা নদির তীরে অবস্থিত। শহরটি পৌরশহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালে। এই পৌরসভার আয়তন ১৫.৩১বর্গ কিমি এবং লোকসংখা ১,১৮,৯৯২;পুরুষ ৫১.৯২%,মহিলা ৪৮.০৮%।এ শহরে ১২টি রয়েছে। শহরের স্বাক্ষরতার হার ৩৯.৩৭%।

#সুখ্যাত প্রতিষ্ঠানঃ জগন্নাথ পুর পুরাতন প্রাথমিক বিদ্যালয়,, ভৈরব কে বি পাইলট হাই স্কুল,, হাজী আসমত কলেজ,ছনছাড়া এতিমখানা,রিয়াজুল ইসলাম পাবলিক লাইব্রেরি বাঁশগাড়ি।
মসজিদ ৩১৮টি,,মাজার ৪০টি,,মন্দির ১৫টি। শিক্ষার গড় হার ৪২.০৭%,,পুরুষ ৫৯.৬%,,মহিলা ৫০.৩'%.।
#হাটবাজার ৩৬টি,,স্টেডিয়াম ১টি,,পুলিশ স্টেশন ৫টি,,পাঠাগার ১৫টি,,ডাকবাংলা ৪টি,এতিমখানা ৫টি,,,ব্যাংক প্রায় ৩২টি,,বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ১৯টি,,রেল জংশন ২টি,,নৌ বন্দর ১টি,,আশ্রয় প্রকল্প ১টি,,প্রেক্ষাগৃহ ২টি,,ফায়ার স্টেশন ২টি,,
# # #বিশ্ববিদ্যালয় ১টি,,কলেজ ৮টি,,,হাইস্কুল ২১টি,,মাদ্রাসা ৯টি,,সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯০টি,,বেসরকারি ১৮টি,,কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ ২টি,,সমাজকল্যাণ প্রশিক্ষণ কেন্দ ১টি,,কিন্টার গার্ডেন ৭০টি,,শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ ১টি,,মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল প্রশিক্ষণ কেন্দ ১টি,,সিমেন্ট কারখানা ১টি,, বিসিক শিল্প নগরী ১টি প্রস্তাবিত,,পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ ৫টি,,,উপস্বাস্থ্যকেন্দ ২টি,,কমিউনিটি ক্লিনিক ৭টি,,রেলওয়ে হাসপাতাল ১টি,,,বেসরকারি ক্লিনিক ৯টি,,, ইত্যাদি।
#শিল্পকারখানা ;জুট মিল ১টি,,তারকাটা মিল২টি,,কুটির শিল্প ও জুতার কারখানা ৪২০০,,কাসার ৪০টি,,,কুমার ৭টি,,,স্বর্ণকার ১৫৩টি।
#প্রধান রপ্তানি দ্রব্য:মাছ,,কয়েল,,লোহা,,বিড়ি,,জুতা,,বিস্কুট,, গামছা,,সাবান,,সেমাই,, বাঁশ ও বিভিন্ন কৃষিপণ্য ইত্যাদি।
#জনসংখ্যা:: ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী উপজেলা জনসংখ্যা :২৯৮৩০৯জন..পুরুষ ১৪৬৬২৮,,,নারী,১৫১৩৮০ জন।পৌরসভা ১১৮৯৯২জন,,পুরুষ ৬০২৮৪জন,,নারী ৫৮৭০৮জন। মুসলিম ৯৫.২৮%,,হিন্দু ৪.৭১%,,বৌদ্ধ ০.০১%,,খিষ্টান ০.০৮%,,অন্যান্য ০.০৮%।
#প্রধান পেশা:কৃষি ৩৩.৫৮%,,ব্যবসা ২২.৮৩%,,,চাকুরী ১৫.০৫%,,পরিবহণ ৫.৮০%,,মৎস ২.৮৩%,,,হকার ২.৩৯%।
#চাষযোগ্য জমি;৯৫৯০.৮৬ হেক্টর,,পতিত জমি ৫৮হেক্টর,,এক ফসলি জমি৫৮.৫৪%.।
#যোগাযোগ :পাকা রাস্তা ২২৭.২২কিলোমিটার,, কাঁচা রাস্তা ১২৫.২১ কিলোমিটার,, রেলপথ ১২.২৭কিলোমিটার,,, নৌপথ ১৬নটিক্যাল।
বিলুপ্ত সনাতন বাহন:পালকি,,পালতোলা নৌকা।

#উল্লেখ্যযোগ্য_স্থাপনাঃ
১. ভৈরব রেল সেতু (শহীদ আব্দুল হালিম রেলওয়ে সেতু)
২. বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু (সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতু)
৩. দুর্জয়, ভৈরব (দুর্জয় স্মৃতি ভাস্কর্য)
৪. পানাউল্লার চরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য (পানাউল্লারচর বধ্য ভূমিতে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য)
৫) জিল্লুর রহমান রেলসেতু ও পুরাতন বক্ষপুএ নদের সেতু।
#প্রশাসনঃ
ভৈরব ফাঁড়ি থানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭৩:সালে।
ভৈরব থানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫জুন ১৯০৬ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম গেজেটের মাধ্যমে এবং উপজেলায় পরিনত হয় ১৫ এপ্রিল ১৯৮৩ সালে।
১৯২৪ সালে সাদেকপুর,আগানগর,শিমুলকান্দি,ভৈরব,কালিকা প্রাসাদ,গজারিয়া, ইত্যাদি ইউনিয়ন বোর্ড গঠিত হয়।এবং ১৯৫৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভৈরব ইউনিয়ন কে পৌরসভায় রুপান্তর করা হয়,এবং শিবপুর আলাদা ইউনিয়ন বোর্ড গঠিত হয়,২০০০ সালে সাদেকপুর ইউনিয়ন ভেঙে শ্রীনগর ইউনিয়ন গঠিত হয়।
ভৈরব উপজেলায় ২৪টি মহল্লা,, ৩২টি মৌজা,,৮৪টি গ্রাম,,, ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে।

#ব্যক্তিত্ব::ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সমাজতাত্ত্বিক নেতা কমরেড রেবতী মোহন বর্মণ,,ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান,,, আগরতলা ষড়যন্ত্রের অন্যতম অভিযুক্ত আসামী স্বাধীনতা পুরষ্কার প্রাপ্ত কমান্ডার আব্দুর রউফ নারী নেত্রী শহীদ আইভি রহমান ও বিসিবি সভাপতি মাননীয় এমপি আলহাজ্ব নাজমুল হাসান পাপন ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযুদ্ধা প্রিমিয়াম ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ডা: এইচ বি এম ইকবাল।

#ঐতিহাসিক_ঘটনাবলীঃ
১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় এই উপজেলার হালগারাতে পাক আর্মিরা ৩০০ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে।মুক্তিযুদ্ধে গেজেটভুক্ত ৪৪০জন সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ১২জন শহীদ হয়েছে।

#সৈয়দ_নজরুল_ইসলাম_সেতু
ঢাকা-চট্রগ্রাম রেলপথে মেঘনা নদীর উপর নির্মিত ঐতিহ্যবাহী ‘‘ভৈরব রেল সেতু’’ এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ‘‘বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু’’ এর মধ্যবর্তি স্থানে মেঘনার তীরে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন উপযোগী পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে। মেঘনার বুকে দাঁড়িয়ে থাকা জোড়া সেতুর চারপাশের নৈসর্গিক দৃশ্য, কৃষ্ণজলের তরঙ্গরাজি, সারিবদ্ধ মালবাহী কার্গো, বিরামহীন যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক নৌযান, নীল আকাশে ভেসে বেড়ানো বিভিন্ন প্রজাতির পাখির দৃশ্য দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। সবুজ বৃক্ষরাজি এবং নদীর ঢালে বিছানো পাথর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে অনেকাংশে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত প্রবাহমান মুক্ত বাতাসের এ এলাকাটি ভৈরবসহ আশে পাশের লোকজনকে দিন দিন আকৃষ্ট করছে। অঘোষিত এক দর্শনীয় স্থান হয়ে দাঁড়িছে এলাকাটি। এ স্থানের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করার জন্য প্রতিদিন সকাল, বিকাল ও সন্ধ্যায় সব বয়সের নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতী, শিশুদের কোলাহলে এলাকটি মুখরিত থাকে। কর্মজীবি মানুষ ক্লান্তি দূর করতে স্থানটি বেছে নিয়েছেন। পরিবার পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এখানে আসেন।। নদীর তীরে, গাছের নীচে, বিছানো পাথড়ে বসে আড্ডায় মেতে উঠেন অনেকে। প্রতিদিন মিলন মেলায় পরিণত হয় এলাকাটি। পশ্চিম প্রান্তে সমৃদ্ধ বন্দর নগরী ভৈরব, পূর্ব প্রান্তে আশুগঞ্জে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জিয়া সার কারখানা। দিনের শেষে রাত নেমে আসার সাথে সাথে ভৈরব এবং আশগঞ্জ বন্দরের বৈদ্যুতিক বাতি এলাকাটি ভিন্ন সৌন্দর্য বর্ধন করছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৩.৯০ একর ভূমি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। উক্ত স্থানে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপিত হলে রাস্তার পাশে এবং নদীর তীরে বনায়ন, শিশু পার্ক, পিকনিক স্পট, সুইমিং পুল, হোটেল-মোটেল, রেস্ট হাউজ, কনফারেন্স রুম নির্মাণ, যাদুঘর স্থাপন, স্পীডবোটে নৌভ্রমণ এর ব্যবস্থা পর্যটন কেন্দ্রে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
কিভাবে যাওয়া যায়: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব দূর্জয় মোড় থেকে রিক্সাযোগে সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং রাজা ৬ষ্ঠ জর্জ রেল সেতু (মেঘনা রেলসেতু) এবং নীচের মধ্যবর্তী স্থানে যাওয়া যায়।

#দুর্জয়_স্মৃতি_ভাস্কর্য
কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলায় দুর্জয় মোড়ে অবস্থিত “দুর্জয় ভৈরব” নামক ভাস্কর্যটি। এটি মহান মুক্তিযোদ্ধের একটি স্মৃতি ভাস্কর্য। এই ভাস্কর্যটির শুভ উদ্ভোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি আলহাজ্ব মো: জিল্লুর রহমান। তিনি এ ভাস্কর্য টি উদ্ভোধন করেন ১৩ জুলাই ২০০৯ খ্রি:, বাংলা ২৯ আষাঢ় ১৪১৬ বঙ্গাব্দ।
১৯৭১ সালে পাকহানাদার বাহিনীর হাতে ভৈরব উপজেলার শাহাদাৎ বরণকারী ১২ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে একটি নাম ফলক উন্মোচন করা হয়। নাম ফলকটি ইংরেজি ২৮ জানুয়ারি ২০১২ খ্রি: উন্মোচন করেন কিশোরগঞ্জ ৬ (ভৈরব-কুলিয়াচর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব নাজমুল হাসান পাপন। নির্মাণে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভৈরব এবং ব্যবস্থাপনায় উপজেলা প্রশাসন ভৈরব কিশোরগঞ্জ

#স্মৃতিসৌধ
৩নং শিমুলকান্দি ইউনিয়নের অন্যতম দর্শনীয় স্হান হলো শিমুলকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে অবস্হিত অপূর্ব এক "স্মৃতিসৌধ"। যাহা নিমার্ণ করা হয়েছিল ২০০২ সালে।
কিভাবে যাওয়া যায়: ভৈরব দূর্জয় মোড় হইতে সিএনজি বা অটো রিকসা যোগে উত্তর পূর্বাঞ্চলের দিকে ৩নং শিমুলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ এর সংলগ্ন শিমুলকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এক অপূর্ব "স্মৃতিসৌধ" অবস্হিত।

#পানাউল্লাহর_চর_বধ্যভূমি
১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বরবর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী এখানে অসংখ্য লোককে হত্যা করে। তাদরে স্মৃতির স্মরণে এখানে একটি স্মৃতি সৌধ নিমার্ণ করা হয়।
কিভাবে যাওয়া যায়: ভৈরব বাসস্ট্যান্ড হতে অটোরিক্সা বা সিএনজি যোগে শম্ভুপুর বাজারে নামতে হবে। পরে হাতের বাম পাশে রিক্সা যোগে ১.০০ কি.মি যেতে হবে।

#নাটালের_মোড় :
মেঘনা নদীর উপর নির্মিত সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর আগে টুল প্লাজা এবং নাটাল ইআর হাউজের মোড়ই নাটালের মোড়।

#বৃদ্ধ_বট_বৃক্ষ
ভৈরব উপজেলার ১নং সাদেকপুর ইউনিয়নের রসুলপুর পূর্বপাড়ার মাঠে কালের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে এই বৃদ্ধ বট বৃক্ষ । শত বছর ধরে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে এই বৃক্ষটি ।
কিভাবে যাওয়া যায়: ভৈরব বাসস্ট্যান্ড থেকে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে যাওয়া যায়। বৃদ্ধ বট বৃক্ষ দর্শনে জন্য সিএনজি ‍দিয়ে বাসস্ট্যান্ট থেকে বর্তমান ০১/০১/২০১৭ এ ভাড়া = ৪৫/- টাকা।
#কিছু দর্শনীয় জায়গা,,,
কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের কিছু গুরুত্বপূন স্থান রয়েছে যা দেখার জন্য বিভিন্ন গ্রামের লোকজন স্থান দেখে আনন্দ পায়।সিরাজ পাগলার মাজার,,,পুরাতন বক্ষপুএ নদীর বিশাল মাঠ,,
সাদেকপুর ইউনিয়ন চর জাগা মেন্দীপুর,,
আগানগর ইউনিয়ন এর শীতলপাটি ব্রিজ।
ভৈরব এর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সৈতু
গজারিয়া ইউনিয়ন এর জিল্লুর রহমান সৈতু।
গোছামারার স্টিল এর ব্রিজ ও পালকী কফি হাউজ ইত্যাদি।
#তথ্যসূত্র : উপজেলা উন্নয়ন প্রোফাইল ২০১৮.
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস-ভৈরব ও বাংলা পিডিয়া।

Address

Kalika Prashad Bus Stand
Bhairab Town
2350

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kalika Prashad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share