শ্রীনগর উচ্চ বিদ্যালয়, ভৈরব

শ্রীনগর উচ্চ বিদ্যালয়, ভৈরব this page is about sreenagar high school & peoples of sreenagar

24/04/2020

বোতলারপাড় মডেল
গ্রামশক্তি জাগালে গ্রামই বাঁচাবে
তুহিন ওয়াদুদ
২৪ এপ্রিল ২০২০, ০৯:০২
আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২০, ০৯:১৮


গ্রামশক্তি
গ্রামশক্তি
রাতের অন্ধকারে ওরা বেরিয়েছে। কুড়িগ্রামের রাজারহাটের বোতলার পাড় গ্রাম। ঘুটঘুটে অন্ধকারে অটোরিকশা ঘুরছে বাড়ি বাড়ি। ঠিক বাড়ি না, বাড়ি থেকে দূরে থামে। খাদ্যের থলে হাতে কয়েকজন গিয়ে গোপনে দিয়ে আসে। অর্থ জোগানো হয়েছে কিন্তু প্রকাশ্যে। ২২ এপ্রিল রাতে প্রথম ১০৭টি বাড়িতে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়। অর্থদাতার তালিকা বাড়ছে, বাড়ছে সহায়তা পাওয়া মানুষের তালিকাও। তরুণদের পণ, বোতলারপাড়ে কেউ যাতে না খেয়ে না থাকে। শুধু এক মাসের জন্য নয়, তাঁদের পরিকল্পনা অনাগত দিনের জন্যও। জনস্বাস্থ্য সচেতনতাও তাঁদের কাজের অংশ।

শুরু হয়েছে সবজি চাষ। শাক হতে লাগে ২০ থেকে ২৫ দিন, পেঁপে ৫০ দিনে খাওয়া যায়। রাস্তার দুই ধারে লাগানো হবে অরহড় ডালের গাছ। এতে নতুন করা রাস্তাও সুরক্ষা পাবে। ধান উঠলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধান সংগ্রহ করা হবে। এই ধান চাতালে দিলে তারা চাল দিয়ে দেবে। সেই চাল খাদ্যসহায়তায় বিতরিত হবে মেম্বরদেরও জড়িত করা হচ্ছে তালিকা তৈরির জন্য।

কুড়িগ্রাম দেশের দরিদ্রতম জেলা, রাজারহাট দরিদ্রদের মধ্যে দরিদ্রতর। যাঁরা পারছেন তাঁরা দিচ্ছেন, আর দিচ্ছেন শহরে থাকা ওই গ্রামের মানুষেরা। তাঁরা হয়তো গ্রামে খুব কম আসেন, কিন্তু গ্রামের কাজে লাগতে পেরে সার্থক বোধ করছেন। একজন তো বললেন, যত দিন বেতন পাব, আমি দিয়ে যাব। দরিদ্র জেলার দরিদ্র একটি গ্রাম যদি এভাবে তার সব প্রতিবেশীর দায়িত্ব নিতে পারে, তুলনায় যেসব জেলা সমৃদ্ধ, সেখানে তো আরও অনেক কাজ হওয়ার কথা। সেই পথই দেখাচ্ছেন বোতলারপাড় গ্রামের তরুণেরা। আন্তরিকতার এই শক্তিকে বলে সামাজিক পুঁজি। উত্তরবঙ্গে এই পুঁজি এখনো ব্যাপক।

‘বোতলার পাড় সুরক্ষা কমিটি’
আমাদের এ উদ্যোগের সাংগঠনিক রূপ ‘বোতলার পাড় সুরক্ষা কমিটি’। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহাবুল ইসলাম এর আহ্বায়ক, ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম সদস্যসচিব। অন্য সব কর্মী সেই কমিটির সদস্য। রংপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক আপেল মিত্র সার্বক্ষণিক সহায়তায় আছেন। কমিটির ছেলেরা গ্রামে কোথাও জটলা–আড্ডা দেখলে বুঝিয়ে বলছেন। গ্রামের প্রবেশপথেও আছে তাঁদের নজর। ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ থেকে যাঁরা আসছেন, তাঁরা যাতে বাড়িতেই থাকেন, সেদিকে খবর রাখছেন।

অসহায় ও সামর্থ্যবানদের তালিকা প্রণয়ন
পাড়াভিত্তিক তরুণেরা নিজ নিজ পাড়ার ঘরের খবর জানেন। অসহায়দের তালিকার পাশাপাশি সামর্থ্যবানদের তালিকাও এখন তাঁদের হাতে। কয়েক দিন পরই ধান কাটা শুরু হবে। অভাবীদের মধ্যে যাঁরা ধান কাটার কাজে থাকবেন, তাঁদের নাম তালিকা থেকে সাময়িক বাদ রাখব। আবার যখন দরকার, তখন তাঁদের সহায়তা দেব। পরিবারের সদস্য অনুপাতে সহায়তা দেওয়া হবে। দরকার না থাকলে তাঁরাও আপাতত বাদ থাকবেন। সরকারি ত্রাণের সঙ্গে এই সহায়তা সমন্বয় করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনীসহ সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো চাইলে এই গ্রামের প্রকৃত চিত্র কমিটির মাধ্যমে জানতে পারবে।

গ্রামশক্তি
গ্রামশক্তি
অর্থ সংগ্রহ
সামর্থ্যবানদের তালিকা ধরে আমি এবং ওই গ্রামের বাসিন্দা রংপুর অঞ্চলের বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির সহকারী আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কষিবিদ নুরুজ্জামান দুজন মিলে অনেকের কাছে ফোন করেছি আর্থিক সহায়তা চেয়ে। একজনও না করেননি। প্রত্যেকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। শুধু একবার দিলেই হবে না। যত দিন সমস্যা দূর না হবে, তত দিন এটা চালিয়ে যেতে হবে। কলেজশিক্ষক রেজাউল করিম, বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা রাকিব সিদ্দিকী, সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল লতিফ, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা নায়েব আলী, বাংলাদেশ পুলিশের সার্জেন্ট রাশেদুল ইসলাম, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী রাশেদুজ্জামানসহ যাঁদের কাছে ফোন করেছি, তাঁরা সবাই আগ্রহ নিয়ে অর্থ প্রদান চালু রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কয়েক দিন পর ঘরে ঘরে ধান উঠবে। অবস্থ বুঝে আমরা গৃহস্থদের থেকেও ধান নেব।

সবজিচাষের শুরু
গ্রামে যেন সামান্য জমিও অনাবাদি পড়ে না থাকে, সে বিষয়েও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। আমরা সংগঠন থেকে বীজ রোপণের ব্যবস্থা করছি। সংকট দীর্ঘায়িত হলে যেন গ্রামেই যথেষ্ট সবজি মজুত থাকে। আমরা এক-দেড় হাজার পেঁপের চারা, এক থেকে দেড় হাজার মরিচের চারা, পর্যাপ্ত সবজি, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন শাক, অরহর ডাল চাষের উদ্যোগ নিয়েছি। এই বীজ এবং চারার জন্য ফোন করেছিলাম রাজার হাট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পদক রাজজীবন কুণ্ডুকে। তিনি শুনে উদ্যোগের প্রশংসা করে বললেন যত টাকা লাগে তিনি দেবেন। আমাদের এই উদ্যোগের কথা শুনে বোতলারপাড় গ্রামে বাসিন্দা বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা নায়েব আলী বললেন, ‘আমি খাদ্যসহায়তার জন্য যতদিন টাকা দিতে হয় দেব। গ্রামে আমার একটি জমি আছে সেখানে তোমরা প্রয়োজনমতো সবজি চাষ করো গরিবদের জন্য।’

মুঠোফোনেই সব যোগাযোগ
যুগটাই মুঠোফোনের। তাই সভা আহ্বানেরও খুব প্রয়োজন হচ্ছে না। আমরা যেটুকু কাজ করেছি, তা সভা না করেই। গ্রামে যে দু-চারজন একসঙ্গে হচ্ছেন, তাঁরাও বিধি মেনে কাজ করছেন। আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে সার্বক্ষণিক। আমরা অর্থ সংগ্রহের জন্য একটি বিকাশ নম্বর ঠিক করেছি। সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে কাজটি পরিচালিত হয়, সেদিকটিতে মনোযোগ দিয়েছি।

নিম্নমধ্যবিত্তদের জন্য করণীয়
করোনা সংকটে অনেক বড় বিপদে পড়বে নিম্নœমধ্যবিত্ত মানুষ। এই মানুষদের খবর নিকটজনদের মাধ্যমেই জানতে হবে। নয়তো এই বিপদে পড়া মানুষদের চেনা যাবে না। যদি গ্রাম গ্রামের সহায়ক শক্তি হয়ে উঠতে পারে, তাহলে এই সংকট থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ ও সম্ভব হবে।

দেশব্যাপী আহ্বান
সারা দেশ গ্রাম দিয়ে গ্রামের সমস্যা দূর করার উদ্যোগ নিতে পারলে দ্রুতই ফল পেতে পারি। মাত্র তিন দিনেই বদলে যেত পারে সার দেশের চিত্র। গ্রামের একজন মানুষও ত্রাণের দাবিতে সড়কে নেমে আসবে না। এ কথা ঠিক, সরকারকেই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই সঙ্গে গ্রামে গ্রামে যদি এ রকম উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব হয়, তাহলে আমরা বড় বিপদও পাড়ি দিতে পারব। গ্রামের সাধারণ মানুষ হয়তো চিকিৎসাসেবা দিতে পারবে না। কিন্তু যাতে সহজেই চিকিৎসা পেতে পারে, যাতে রোগ না ছড়ায়, যাতে গ্রাবাসী আতঙ্কিত না হয়, যাতে ক্ষুধার মতো অভিশাপ গ্রাস না করে, সেই কাজে তো এগিয়ে আসতে পারবে। বিশেষত ক্ষুধা দূরীকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে। অভাব-অনটনে চুরি-ডাকাতিসহ অনেক সামাজিক অপরাধ রোধেও এ উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

মানুষই জিতবে
যখন অসহায় মানুষের ত্রাণের টাকা চুরি হচ্ছে ঠিক তখনি কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার বোতলার পাড় গ্রাম একটা দৃষ্টান্ত। আমরা মনে করি এই দৃষ্টান্ত সারা দেশের মানুষের গ্রহণ করা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। দেশের সবচেয়ে গরিব জেলার একটি গ্রাম যদি নিজ গ্রামের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো সাহস করতে পারে, তাহলে দেশের আর সব উন্নত জেলার গ্রামগুলো কেন পারবে না? আমরা মনে করি দেশের সব গ্রাম এই পথ অনুসরণ করলে কাজ অত্যন্ত সহজ হয়ে উঠবে।

তুহিন ওয়াদুদ: শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এবং পরিচালক, রিভারাইন পিপল

31/03/2020

আসসালামু আলাইকুম।
প্রিয় শ্রীনগরবাসী আপনারা সবাই জানেন করোনা ভাইরাস নামক এক ভয়ঙ্কর মহামারী বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্তের তালিকায় কোন দেশ নেই, তা খুঁজতে এখন রীতিমতো গলদঘর্ম হতে হবে। মহামারি ঠেকাতে নানা উদ্যোগ চলছে। এই রোগ যাতে সবার মাঝে ছড়াতে না পারে তার জন্য বাংলাদেশ সরকারও প্রতিটা মানুষকে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করতে বলেছেন। যাতে করে কেউ যদি আক্রান্ত হয়েও থাকে সেটা অন্যদের মধ্যে যেন ছড়াতে না পারে এবং আমরা খুব সহজেই এই করোনাকে প্রতিরোধ করতে পারি। কিন্তু সমস্যা হল অন্য জায়গাতে। দেখা গেছে যারা আমরা দিন আনে দিনে খায় শ্রমজীবী মানুষ আজ তারা সবচেয়ে বেশি বিপদে। তারা না পারছে বাইরে বের হতে, না পারছে রোজগার করতে, না পারছে নিজের পরিবারের সবার মুখে খাদ্য তুলে দিতে; না পারছে কাউকে দুঃখের কথা বলতে। এই সকল মানুষদের সাহায্যের জন্য আমাদের সমাজে যাদের সামর্থ্য আছে আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন। আপনারা যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে একজন অসহায় মানুষকেও সাহায্য করুন তাহলে দেখবেন যে আমাদের গ্রামের যে মানুষগুলো দিনে দিনে খায়, যারা আসলেই অসহায় বন্দী এবং মানবেতর জীবনযাপন করছে তাদের একটু হলেও উপকার হবে। আপনাদের একটুখানি সাহায্য একটা পরিবারের সবার মুখে হাসি ফোটাতে পারে, সবাইকে না খেয়ে থাকা থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনাদের ভাই বন্ধু প্রতিবেশী হিসেবে আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন আপনারা এগিয়ে আসুন। আপনাদের যার যতটুকু সাধ্য আছে, তার মধ্য থেকে আপনারা ন্যূনতম সাহায্য করুন। আমাদের গ্রামের মানুষের চিন্তা আপনাকে আর আমাকেই করতে হবে। আপনি যদি চিন্তা না করেন অন্য কেউ করবে না। আপনার বিপদের সময় আপনার প্রতিবেশীই এগিয়ে আসবে। যার যতটুকু সামর্থ্য আছে ততটুকু দিয়েই আমাদের অসহায় প্রতিবেশীকে সাহায্য করুন।সেটা একজন হোক। সবাই এগিয়ে আসুন, একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন সমাজের মানবেতর জীবন যাপন করা মানুষগুলোর দিকে।
নিশ্চয়ই আল্লাহ আপদেরকে তার উত্তম প্রতিদান দিবেন। আল্লাহ আমাদের ধৈর্য বাড়িয়ে দিক, আমাদের সবাইকে নিরাপদ রাখুক, সুস্থ রাখুক, সুন্দর রাখুক।
আমিন, আমিন, আমিন।

ডা. আফজাল হোসেন

17/08/2019

যা কাজ পাও তাই করো, চাকরি, ব্যবসা, অফিসিয়াল, নন অফিসিয়াল,সেলস ম্যান, সেলস অফিসার, মার্কেটিং অফিসার, ফ্লোর ইনচার্জ, সার্বেয়ার, স্টোর কীপার, ফিল্ড অফিসার, কালেকশান অফিসার, গার্মেন্টসের কিউসি,টীম মেম্বার থেকে শুরু করে সব কাজ। চাকরি দরকার, চেয়ার না।

কাজ করলে গা ভেঙ্গে যায়না। ইজ্জত ও যায়না। যাদের লজ্জার ভয়ে তুমি এসব কাজ ছোট করে দেখছো, তারা তুমি দুপুরে উপুস করে আছো এটা জানবেও না। তারা তোমারে খাওয়ায় না পড়ায়?

খালি পরামর্শ আর উপদেশ। এইটা কইরো না, হেইটা কইরো না। কিরে ভাই, আমি পানের দোকান করলে আপনার কি? পরামর্শ প্রবণ গোটা জাতি..

কাজে কোন 'না' নেই। যাই পাও তাই করো। কর্মই ধর্ম। আর কর্মই ধর্ম করতে গেলে তোমার চর্ম হতে হবে পুরো। একেবারে মোটা চামড়া। পাতলা চামড়ার জন্য এই দুনিয়া না৷ এখানে কথা শুনতে হবে, গালি শুনতে প্রস্তুত থাকা লাগবে।

পানের দোকান দাও, যদিও এতে তোমার গুস্টির জাত চলে যাবে। ইজ্জত ধুলোয় মিশে যাবে। CNG চালাও। মাত্র ৪৫০ টাকা দৈনিক জমা। মাসে আয় প্রায় ৩০০০০/-। ভাবা যায়? অবশ্য এতে তোমার পরিবারের সম্মান হানি হবে৷ তোমার গোস্টিতে কেউ বউ ও দিবে না!

আরে আজব। বিয়ে করতে চাইলে সমস্যা, অবৈধ প্রেমে বাঁধা নেই! না খেয়ে মরলে খোঁজ নেই। CNG চালালে অচ্যুত! অলরেডি পাঠাও উবার তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। পোলাপান এখন আয়ের বহু পথ খুঁজে নিয়েছে৷ তারা ফুড পান্ডায় পিৎজা সাপ্লাই দিয়ে কমিশন নেয়। তাতে তদের বেজ্জতি হয়নি।

অত ভাবনার কিছু নেই। যা খুশি করো। শরবত বিক্রি করো, এখন দারুণ সিজন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান শহরে রুহ আফজা ফ্লেভরের শরবত বিক্রি করতেন। ভারতের নরেন্দ্র মোদি রেল স্টেসানে চা বিক্রি করতেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার বিক্রি করতেন বাদাম।

যাদের তুমি শরম পাচ্ছ, আর দশ বছর পর নিজেই নিজের কাছে লজ্জা পাবা। তারা তোমার কোন উপকারেই আসেনি। লোহার জাহাজ পানিতে ভাসানো হবে জেনে এলাকার লোকজন (সম্ভবত যে সি পেরিয়ারকে) ঢিল মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। অথচ, সেটাই হয়ে গেল সভ্যতার বিশাল আবিস্কার।

যারা হাসে, তারা নেংটি ইঁদুরের মত আজীবনই হাসবে। তাদের ধারণা একটাই, ধুর পোলাটারে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।

নিজের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দাও। স্বপ্ন টাকে জিইয়ে রাখো। অনেকে পাগল ডাকবে। আমার ধারণা কিছুটা পাগলা টাইপের হলেই ভালো। সারা জীবন ফার্স্ট হয়ে যাওয়া ছেলেটাকে SSC ক্লাসে ফেল করতে দেখেছি। ব্যাক বেঞ্চারকে বিশাল প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে দেখেছি। মোটর গ্যারাজে আজই কাজ শুরু করে দাও, শরম পাওয়া ছেলেটার চাইতে দশ বছর এগিয়ে থাকবে তুমি। পড়ালেখা করতে করতে আতেঁল হয়ে যাবার পক্ষে আমি না। এক্সট্রা অর্ডিনারী ব্রেন থাকলে এই পোস্ট তোমার জন্যে না। এভারেজ মেধার তরুণদের নিয়ে কথা হচ্ছে৷ এভারেজ মেধাবীরা কেডিএস, কে এস আর এম, ওয়েল গ্রুপের মালিক হতে পেরেছে। টপার মেধাবীরা সেখানে চাকরি করছে।

এসো তারুণ্যে জাগি, লজ্জাটাকে শিঁকেই তুলে বাঁচি
আগামীর পৃথিবীটা তোমার জন্যে অপেক্ষা করছে।

কার্টেসিঃ সুশান্ত পাল ভাইয়া ❤

06/05/2018

ভৈরবের ঐতিহ্যবাহী শ্রীনগর উচ্চ বিদ্যালয় এর
এস.এস.সি রেজাল্ট।।।।
পাশের হার : ৮১.১১%
জিপিএ ৫ : ১৫ জন ( ২ জন গোল্ডেন A+)

22/06/2017

"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নী।"
অর্থ: হে আল্লাহ আপনি অসীম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করাই আপনি পছন্দ করেন অতএব, আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিন।

22/11/2016

শ্রীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত অভিভাবক কমিটিকে শুভেচ্ছা

আজকের জঙ্গীবাদ বিরোধী  মানববন্দনের কিছু অংশ......
01/08/2016

আজকের জঙ্গীবাদ বিরোধী মানববন্দনের কিছু অংশ......

শরত শুভ্রতালুন্দিয়া ব্রিজ থেকেছবি : ashikul alam
31/07/2016

শরত শুভ্রতা

লুন্দিয়া ব্রিজ থেকে
ছবি : ashikul alam

16/07/2016
রাকিব বয়স ২৫ বছর । নরসুন্দরের কাছে চুল কাটার পর একটু ঘাড়-পিঠ মালিশ করে নেয় ৫-১০ মিনিট। বিনিময়ে তাকে কিছু বকশিশ দেয়। একদি...
13/07/2016

রাকিব বয়স ২৫ বছর । নরসুন্দরের কাছে চুল কাটার পর একটু ঘাড়-পিঠ মালিশ করে নেয় ৫-১০ মিনিট। বিনিময়ে তাকে কিছু বকশিশ দেয়। একদিন ঘাড় মালিশ করার সময় কট করে একটা আওয়াজ হয়, একটু সামান্য ব্যথাও করে উঠেছিল। কিন্তু ছেলেটি অতটা গ্রাহ্য করেনি। দু-এক দিন পর সে ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করতে লাগল। ক্রমে ব্যথা বাড়ছে। মা ভাবলেন,হয়তো উল্টাপাল্টাভাবে শোয়ার জন্য ঘাড়ে ব্যথা হয়েছে। মা প্রতিদিন বালিশ রোদে দিতে লাগলেন, ঘাড়ে গরম কাপড় দিয়ে সেঁক দিতে শুরু করলেন। কিন্তু কিছুতেই ব্যথা কম হচ্ছে না; বরং দিনদিন বাড়ছেই। একপর্যায়ে ব্যথা হাতের মধ্য আঙ্গুল পর্যন্ত আসতে শুরু করল। ব্যথার জন্য ঘাড় নাড়ানোও তার জন্য কষ্টকর হয়ে উঠল। শেষ পর্য়ন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে, চিকিৎসক পরীক্ষা করে বললেন, সারভাইক্যাল ডিস্ক প্রলেপস হয়েছে ।

ঘাড়ের এম আর আই (ম্যাগনেটিক রিজোনেন্স ইমেজিং) ও নার্ভ কনডাকশন স্টাডি পরীক্ষা করে সেটি প্রমাণিত হলো। মেরুদণ্ডের দু্টি হাড়ের মধ্যে এক ধরনের ডিস্ক থাকে সেখান থেকে স্মায়ুগুলো বের হয়ে এসে আমাদের হাতে ছড়িয়ে পড়ে। যখন কোন কারণে ওই ডিস্ক সরে যেয়ে স্মায়ুর উপর চাপ দেয় তখন ব্যথা ঘাড় থেকে হাতের দিকে আসে এটাকে সারভাইক্যাল ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রলেপস বলে ।

এক্ষেত্রে চিকিৎসা হল ঔষধের পাশাপাশি সম্পূর্ণ বিশ্রাম অর্থাৎ হাটাচলা বা মুভমেন্ট করা যাবে না, এমন অবস্থায় ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।
এক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ২-৪ সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি থেকে দিনে ২-৩ বার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হয়। এটাতে অবস্থার উন্নতি না হলে অপারেশনও লাগতে পারে।

আলোচ্য বালকটির এই সমস্যাটি কেন হলো ? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, নরসুন্দর ঘাড়- পিঠ মালিশ করে বিভিন্ন ভঙ্গিমায়ে কোন কোন সময় মাথার ওপর চাপ দেয়, কখনো ঘাড় বাঁ দিকে ও ডান দিকে কাত করে। এসব মালিশ ঘাড়ের জন্য খুবই ক্ষতিকর । এতে ঘাড়ের স্মায়ুতে চাপ পড়ার আশঙ্কা থাকে।

পরামর্শঃ
* সেলুনে গিয়ে কখনো ঘাড় বা মাথা মালিশ করাবেন না।
* ঘাড় কখনো খুব বেশি পেছনে বা পাশে কাত করতে দেবেন না। এতে হঠাৎ করে
সারভাইক্যাল ডিস্ক প্রলেপস হতে যেতে পারে ।
(Copied from BCS Health Cadre)

Address

BhairabBazar
Bhairab Bazar
2350

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রীনগর উচ্চ বিদ্যালয়, ভৈরব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share