Department Of Bangla

Department Of Bangla বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সাহিত্যিকদে?

এক ব্যাংকার আত্মীয়কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেমন চলছে জীবন? দীর্ঘশ্বাস ফেলে তিনি বলেছিলেন, টাকা তো অনেক কামাই, কিন্তু নিজের ...
13/10/2025

এক ব্যাংকার আত্মীয়কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেমন চলছে জীবন? দীর্ঘশ্বাস ফেলে তিনি বলেছিলেন, টাকা তো অনেক কামাই, কিন্তু নিজের জীবনটা কোথায়? সকাল আটটা থেকে রাত আটটা অবধি খাটার পর আরাম করার অবসর কখন পাই?
সভ্যতার উত্তরণের নামে জীবনটাকে কুরুক্ষেত্র বানানোর যে প্রক্রিয়া সেটা যে শুরু হয়েছিল সেই কৃষি বিপ্লবের সময় তা জানতে পারলাম ‘সেপিয়েন্সঃ এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ হিউম্যানকাইন্ড’ পড়ার সময়। এখানে একটা অধ্যায়ের নাম লাক্সারি ট্র্যাপ। জীবনকে আরেকটু সুন্দর করার জন্য, আরেকটু আরাম আয়েশে থাকার জন্য খাটুনি খানিকটা বাড়িয়ে দেয়া এবং এই বাড়িয়ে দেয়া খাটুনি থেকে কখনোই মুক্তি না পাওয়ার নামই লাক্সারি ট্র্যাপ।
আমাদের পূর্বপুরুষরা খাবার সংগ্রহ থেকে যখন খাবার চাষে মনোযোগ দিলেন, তারা ভেবেছিলেন এক জায়গায় থেকে অনেক খাবার উৎপাদন করা গেলে একটু নিশ্চিন্তে থাকা যাবে। বসে বসে আরাম আয়েশ করা যাবে। সেই লক্ষ্যে তারা সকাল সন্ধ্যা খাটলেন। ফসল এলো প্রচুর, কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলহানির অনিশ্চয়তা থেকেই গেল আগের মতো। অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে আরো বেশী খাটুনি, যাতে উৎপাদন বাড়ে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বছর বছর সন্তান জন্মদান, তাদেরকে সেই কৃষিকাজে নিযুক্ত করা। এই বর্ধিত মুখ যে উদ্ধৃত্ত খাবার খেয়ে ফেলছে, সেই হিসাবটা করতে ভুলে গিয়েছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষেরা।
ফলে আগে বনে বাদাড়ে ঘুরে ফিরে সংগৃহীত খাবারে যাদের চলে যেত; আরাম, আয়েশ, অবসর মিলত অনেক, তারাই এখন খাটছেন সকাল-সন্ধ্যা। জমি চাষ, রোপন, আগাছা বাছাই, সেচ দেয়া, ফসল কাটা, ঝাড়াই বাছাই এসবই চলতে থাকল বছর জুড়ে। সেই প্রত্যাশিত আরাম-আয়েশ, নিশ্চয়তা আর আসল না! তাই আবার আরো খানিকটা বাড়িয়ে খাটুনি।
আমাদের পেছনে এখন অসংখ্য মোটিভেশন রকেট ইঞ্জিনের মতো লেগে আছে। খাটো, পরিশ্রম করো, বেশি বেশি আয় করো, উপরে যাও। আমরা অসংখ্য যন্ত্র আবিষ্কার করেছি জীবনকে সহজ করার জন্য, সময় বাঁচানোর জন্য। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি ইত্যাদি। তো এসব যন্ত্র আমাদের যে সময়টুকু বাঁচিয়ে দিচ্ছে, সেই সময়টুকু কই? আমাদের অবসর নাই কেন? আমাদেরকে একটা ছোট্ট জীবনের জন্য সকাল আটটা থেকে রাত আটটা অবধি খাটতে হচ্ছে কেন?
প্রতিটি প্রজন্মের পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের খাটুনির পরিমান বাড়ছে।আমাদের দাদারা যতটা সময় অফিস করতেন, বাবারা করেছেন তার চেয়ে বেশি, আমরা খাটছি আরো বেশি, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আরো বেশি খাটবে। আমরা আটকে গেছি লাক্সারি ট্র্যাপে। আমাদের পূর্বপুরুষদের সেই হিসাবের ভুল, সেই কৃষি বিপ্লব নামের ভুল, তারপর অনন্তকাল ধরে আমরা খেটে যাব।
সেই জেলে আর ব্যবসায়ীর গল্প আমরা হয়ত অনেকেই জানি। এক দ্বীপের এক জেলে নিজের নৌকায় করে সকালে সাগরে মাছ ধরে, কিছু নিজের জন্য রাখে, বাকীটা বিক্রি করে সংসার চালায়। দুপুরে ঘুমায়, বিকালে ছেলের সাথে সাগরপাড়ে খেলতে যায়। রাতে জোছনা বিলাস করে।
একদিন সেই দ্বীপে বেড়াতে আসা এক কোটিপতি ব্যবসায়ীর সাথে জেলের দেখা হল। সেই ব্যবসায়ী জেলেকে একটা মোটিভেশনাল স্পিচ দিয়ে দিল।
- তুমি আরো বেশি বেশি মাছ ধরছো না কেন?
জেলে জিজ্ঞেস করে, বেশি মাছ ধরে কী হবে?
ব্যবসায়ী বলে, তাতে করে তোমার আরো অনেক বেশী আয় হবে, আরো বড় জাল, আরো বড় নৌকা, আরো বেশী মাছ আরো বেশী আয়। বড় শহরে তোমার অফিস হবে, বড় ফ্ল্যাটে থাকবা। ছুটি কাটাতে যাবা কোন এক দ্বীপে। মাছ ধরবা, ছেলের সাথে খেলবা, রাতে জোছনা বিলাস করবা।....
জেলে উত্তর দিল, আমি এখন তো সেটাই করছি। মাছ ধরছি, ছেলের সাথে খেলছি, রাতে জোছনা দেখছি।
গল্পের সেই জেলে হয়তো লাক্সারি ট্র্যাপ থেকে বেরিয়ে এসেছিল। আমাদের বেরুনোর পথ কই!
@

 #প্রয়োজনেই_প্রিয়জনকথা গুলো না জানলে; জীবনে আপনাকে চরম মূল্য দিতে হবে_১। প্রিয়জনের কাছে মূল্যহীন হয়ে গেলে নিজে থেকেই...
12/08/2025

#প্রয়োজনেই_প্রিয়জন

কথা গুলো না জানলে;
জীবনে আপনাকে চরম মূল্য দিতে হবে_
১। প্রিয়জনের কাছে মূল্যহীন হয়ে গেলে নিজে থেকেই সরে আসুন। ভিতরে সাময়িক যন্ত্রণা হলেও এটা অনেক সম্মানের।
২। যদি বুঝতে পারেন, কেউ হতাশায় ভুগছে, তাকে জ্ঞান বা উপদেশ দিতে যাবেন না। সে কী বলতে চায়, সেটা শুনুন। এই সময় মানুষ উপদেশ শুনতে চায় না, সে চায় আগে তার ভেতরের কথাগুলো কেউ মন দিয়ে শুনুক।
৩। কাউকে অকারণে কষ্ট দেবেন না। এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে ইচ্ছাকৃত অন্যায় করে নিজেকে জয়ী ভেবে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন—সে হয়তো প্রতিবাদ করবে না। কিন্তু তার নীরবতা, কষ্ট থেকে উঠে আসা দীর্ঘশ্বাস আপনার সঙ্গে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নেবে।
৪। অন্যের চোখে ভালো সাজার জন্য নিজের ভালো লাগাগুলো বিসর্জন দেবেন না। যে আপনাকে আপনার মতো করে গ্রহণ করতে পারে না, তার কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার চেয়ে একা থাকাই ভালো।
৫। যা হাতছাড়া হয়ে গেছে, তা নিয়ে কখনো আফসোস করবেন না।
৬। বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবির দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কাউকে ছোট করে দেখবেন না। তাহলে আপনি-ই ছোট হয়ে যাবেন।
৭। নিজের অবস্থান নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের আত্মবিশ্বাসী বা অহংকারী হবেন না। কারণ, সময় যখন বদলায়, উত্তাল সাগরও শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে যায়।
৮। সমালোচনাকারীদের সঙ্গে যুদ্ধ করে নিজের সময় ও শক্তির অপচয় করবেন না। নিজেকে উন্নত করুন—তারা এমনিতেই চুপ হয়ে যাবে।
৯। গাধার সঙ্গে তর্ক করতে বা গাধাকে কিছু শেখাতে যাবেন না। গাধার পিঠে ধর্মগ্রন্থের বোঝা চাপালেও গাধা গাধাই থাকে।
১০। ভুল জায়গায় আত্মত্যাগ (sacrifice) আর ভুল মানুষের সঙ্গে সমঝোতা (compromise) আপনাকে না দেবে সুখ, না দেবে সফলতা।
১১। আপনাকে ডোবানোর ইচ্ছা নিয়ে কিছু লোক বসে আছে—যাদেরকে সাঁতারটা আপনিই শিখিয়েছিলেন।
১২। মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে।
১৩। পরের ক্ষতি করার নেশা যদি কাউকে একবার পেয়ে বসে, নিজের অস্তিত্ব ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তার হুঁশ ফেরে না।
১৪। জীবন মানেই গাড়ি, বাড়ি বা ভালো বেতনের চাকরি নয়। আপনি জানাশোনা অনেককেই পাবেন, যাদের জীবন সম্পর্কে জ্ঞান অসম্পূর্ণ—কিন্তু ঠিকই ভালো বেতনের চাকরি পেয়ে গেছে।
১৫। সন্তানের জন্য বেশি বেশি সম্পদ জমা না করে, সন্তানকেই সম্পদ বানিয়ে ফেলুন। একজন আদর্শ সন্তান আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
১৬। পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো—আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। আপনি কার কাছে কতদিন গুরুত্ব পাবেন? মূলত এটা নির্ভর করে, আপনি তাদের প্রয়োজন কতদিন পর্যন্ত মেটাতে পারবেন। যতদিন তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারবেন, ঠিক ততদিনই আপনি তাদের কাছে গুরুত্ব পাবেন। অর্থাৎ, যদিও অপ্রিয়, তবুও সত্য—“প্রয়োজনেই প্রিয়জন।”
তাই মানুষ চিনতে শিখুন। প্রয়োজনে একা বাঁচুন, তবুও নিজে ভালো থাকুন। মনে রাখবেন, একা থাকলে হয়তো মানুষের কষ্ট হয়—কিন্তু কেউ মরে যায় না।
Collected

জীবন এক অদ্ভুত যুদ্ধ! যত বয়স বাড়বে, তত বেশি করে এই সত্যটা টের পাবেন। এই যুদ্ধ আবার ফেয়ারও না। চোখের সামনে দেখবেন কেউ অ...
15/04/2025

জীবন এক অদ্ভুত যুদ্ধ! যত বয়স বাড়বে, তত বেশি করে এই সত্যটা টের পাবেন। এই যুদ্ধ আবার ফেয়ারও না।

চোখের সামনে দেখবেন কেউ অসাধারণ ব্রেন নিয়ে জন্মেছে, পরীক্ষার আগের রাতে বইয়ের পাতা উল্টিয়ে ফাটাফাটি রেজাল্ট করছে, আর আপনি দিনের পর দিন পাগলের মতো পড়ছেন, কিন্তু লাভ হচ্ছে না।

এর মাঝে দেখবেন, অর্থ প্রাচুর্যে ভরা পরিবারে কারো কারো জন্ম। কোনো কিছুর অভাব নাই তার। আর আপনার সেমিস্টার ফি জোগাড় করতে গিয়ে আপনার বাবার ঘাম ছুটে যায়। তখন পৃথিবীর উপর অভিমান হবে অনেক। কিন্তু ওই যে বললাম, জীবনের যুদ্ধটা ফেয়ার না।

আপনার চেয়ে খারাপ রেজাল্ট নিয়ে কারো লাখ টাকার চাকরি হয়ে যাবে। হয়তো ওই ইন্টারভিউটা তার ভালো হয়েছিল, হয়তো রেফারেন্স ছিল, হয়তো স্কিল ছিল — জানি না, হবে কিছু একটা! স্টার্টআপ দিয়ে কোটি টাকা ভ্যালুয়েশনের কোম্পানি হবে কারো কারো। ইউটিউবারের বা ফেসবুকারের লাখ লাখ টাকা দেখে আপনার ক্যারিয়ার চয়েজ নিয়ে প্রশ্ন জাগবে প্রতিদিন।

কারো কারো বছরে বছরে প্রোমোশন হবে, কেউ কেউ নিউইয়র্কে পিএইচডি শেষ করে লাইফ ইভেন্ট দিবে। অন্যদিকে, ব্যবসায় লস খেয়ে লোন শোধ করতে না পেরে জেলের ভাত খাবে কেউ কেউ। শত চেষ্টায়ও চাকরি মিলবে না কারো কারো — বাইশটা ইন্টারভিউ দেওয়ার পর তার মনে হবে, জীবনের চেয়ে নিষ্ঠুর কিছু আর নেই।

আপনি চাইলে সারাদিন অন্যের সাথে নিজের তুলনা করতে পারেন। জীবনযুদ্ধে যে এগিয়ে গেল, তার কথা ভাবলে আফসোস ছাড়া কিছুই হবে না। হিসাব মিলাতে পারবেন না আপনি। ভাগ্য, মেধা, স্কিল, পরিশ্রম, নিয়তি — এত এত ভ্যারিয়েবল নিয়ে জীবনের সমীকরণ মেলানো যায় না।

ভালো থাকার কোনো শেষ নেই। যার কোনো ঠাঁই নাই, সে একটা ঘর চায়। বাসে ঝুলতে থাকা মানুষটা একটা গাড়ির স্বপ্ন দেখে আর সেডান গাড়িতে চড়া মানুষটা এসইউভি কারের ক্যাটালগ উল্টেপাল্টে দেখে। এসইউভির মানুষটা আবার দুই হাজার স্কয়ার ফিটের অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজে।

ভালো থাকার যুদ্ধটা এরকমই। একটা সীমাহীন অসম দৌড় প্রতিযোগিতা, যার কোনো ফিনিশিং লাইন নাই। শুধুই ছুটতে থাকা, ছুটতেই থাকা, প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্ত!

©

ভুল করে কেউ এভারেস্ট জয় করে ফেলে না। আন্দাজে দাগায় কেউ বিসিএস এ টিকে যায় না। হুট্ করে কেউ হায়ার স্টাডি এর স্কলারশিপ পেয়ে...
06/09/2024

ভুল করে কেউ এভারেস্ট জয় করে ফেলে না। আন্দাজে দাগায় কেউ বিসিএস এ টিকে যায় না। হুট্ করে কেউ হায়ার স্টাডি এর স্কলারশিপ পেয়ে যায় না। দুই-তিন সপ্তাহ পড়ে কেউ ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে যাবে না। কারণ প্রেস্টিজিয়াস কোন কিছুই সহজ না। সহজ কোন কিছুই প্রেস্টিজিয়াস না।

সেজন্যই লাইফটাকে সিরিয়াসলি চেইঞ্জ করতে চাইলে, লাইফের একটা সময়, প্রেস্টিজিয়াস একটা গোল সেট করে পাগলা কুত্তার মতো খাটতে হবে। সবকিছু থেকে নিজেকে ডিসকানেক্ট করে বন্ধ ঘরে সাধনা চালাতে হবে। হিট মুভি, হট নিউজ, ফাটাফাটি খেলা, কাটাকাটি ভাইরাল, এগুলা এক একটা ডিস্ট্রাকশন। টার্গেট এচিভ না হওয়া পর্যন্ত এগুলাকে কন্ট্রোল করতে হবে, ইগনোর করতে হবে। লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে একরোখা হতে হবে। ক্রেজি লেভেলের হার্ডওয়ার্ক করতে হবে।
যেদিন ফল খাইতে চাইবে, সেইদিন মাটিতে বীজ লাগালে কাজ হবে না। কারণ একরাতে বীজ থেকে গাছ হয়ে ফল দিবে না। একরাতে কেউ বিগিনার লেভেল থেকে এক্সপার্ট হয়ে যাবে না। আধা বেলা গুঁতা মেরে, একটা জিনিসে ভালো হয়ে যেতে পারবে না। কোন কিছুতে ভালো হতে হলে: লেগে থাকতে হবে। সাধনা করতে হবে। এফোর্ট দিতে হবে। লাইফে গ্যাঞ্জাম, ঝামেলা, সমস্যা আসবেই। হুট করে ইস্যু এসে হিসু করে দিবেই। সেগুলাকে ম্যানেজ করে, পাশ কাটিয়ে, সম্ভব হলে ইগনোর করে নিজের টার্গেটে এফোর্ট দিতে পারলেই-- একটা সময় পর: কম হোক, বেশি হোক: কিছু না কিছু একটা হবে।
এইটা সারা জীবন এর ফর্মুলা না। সারাজীবন, ক্রেজি লেভেলের হার্ডওয়ার্ক চালিয়ে যাওয়া পসিবল না। তবে, জাস্ট ছয়টা মাস বা একটা বছর এ নিজের ভার্সন আপগ্রেড করার জন্য, নিজেকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য, পরবর্তী মিশন/টার্গেট/ড্রিমটা এচিভ করার জন্য--কিছুদিন ক্রেজি হতেই হবে। কারণ, টপক্লাস এফোর্ট না দিলে, টপক্লাস এচিভমেন্ট আসবে না। সারা জীবন অন্যের গোল দেয়া কিংবা অন্যদের গোল খাওয়া সেলিব্রেট করে নিজের পেট ভরবে না। নিজের এচিভমেন্ট সেলিব্রেট করতে চাইলে: প্রথমে এফোর্ট, তারপর এচিভমেন্ট, এরপর এনজয়।
সেজন্যই লাইফের ছোট একটা সময়- প্রতিটা দিন, প্রতিটা ঘন্টা, প্রতিটা মুহূর্তের জন্য খুঁতখুঁতে হতে হবে। সিলেক্টিভ হতে হবে। লাইফে এন্টারটেইনমেন্ট, ফ্রেন্ডশিপ, আড্ডা, সিনেমা, খেলা দেখার দরকার আছে। তবে এগুলা কখনোই তোমার লাইফের ৮০% বা ১০০% হতে পারে না। তাহলে লাইফের ৮০% টার্গেটই এচিভ হবে না। কারণ তুমি তোমার ফিউচারকে যেভাবে ইগনোর করবে, প্রোকাস্টিনেট করবে, পাশ কাটাবে। তোমার ফিউচারও তোমাকে একজাক্টলি সেভাবে ফাঁকি দিয়ে অন্যের ঘাড়ে ঝুলে পড়বে।

(If you want to shine like a sun, first burn like a sun.-- A. P. J. Abdul Kalam)
©

02/09/2024
আর্ট হইল শিক্কিত মানুষের ব্যাপার,,,,  আমাদের মতো গরিবেরা এটা বুঝে না,,,
02/09/2024

আর্ট হইল শিক্কিত মানুষের ব্যাপার,,,, আমাদের মতো গরিবেরা এটা বুঝে না,,,

পরিশ্রম vs মেধা
30/08/2024

পরিশ্রম vs মেধা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার কৌশল,,,
30/08/2024

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার কৌশল,,,

Address

Bhairab Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department Of Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category