প্রধান দাওয়াহ্

প্রধান দাওয়াহ্ লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুহাম্মাদুর রসূলুল্ল-হ্‌(সাঃ)
এসো দ্বীনের পথে, এসো ইসলামের আলোয়

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—মানুষের নিকট এমন একটি সময় আসবে, যখন জ্বলন্ত আগুনের স্ফুলিঙ্গ হাতের মুষ্ঠি...
07/11/2024

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—

মানুষের নিকট এমন একটি সময় আসবে, যখন জ্বলন্ত আগুনের স্ফুলিঙ্গ হাতের মুষ্ঠির মধ্যে রাখার মতই দ্বীন নিয়ে টিকে থাকা কঠিন হবে।

— তিরমিযী, হাদিস নং - ২২৬০

#সীরাহ

আল্লাহুমাগফিরলী
04/11/2024

আল্লাহুমাগফিরলী

আল্লাহ তায়া’লা অপচয়কারীদের ‘শয়তানে’র ভাই বলে সাব্যস্ত করেছেন পবিত্র ‘কোরআনে’। অহংকারের বশে, সামাজিক আভিজাত্য প্রতিষ্ঠা— ...
03/11/2024

আল্লাহ তায়া’লা অপচয়কারীদের ‘শয়তানে’র ভাই বলে সাব্যস্ত করেছেন পবিত্র ‘কোরআনে’। অহংকারের বশে, সামাজিক আভিজাত্য প্রতিষ্ঠা— প্রকাশের জন্য আমরা নানাভাবে অপচয় করে থাকি।

ট্যাপ খুলে রেখে পানির অপচয়, রুমে কেউ নেই তবু ফ্যান চালিয়ে রাখা, গ্যাসের চুলা অযথা জ্বালিয়ে রাখা এগুলোও অপচয়। সচেতন মুসলিম নদীর ধারে বসে অজু করার সময়ও নদী থেকে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করেন না, যদিও সেপানি আবার নদীতেই ফিরে যায়।

এর মানে এই নয় — অপচয় রোধ করতে গিয়ে কৃপণতা অবলম্বন করবে। মহান আল্লাহ কৃপণদের পছন্দ করেন না। অপচয় ত্যাগ করার অর্থ: মধ্যপন্থা অবলম্বন করা।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তুমি একেবারে ব্যয়কুণ্ঠ হয়ো না, আর একেবারে মুক্তহস্তও হয়ো না — তাহলে তুমি তিরস্কৃত, নিঃস্ব হয়ে বসে থাকবে।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ২৯)

অন্য আয়াতে তাঁর পছন্দের বান্দাদের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলে, ‘আর তারা যখন ব্যয় করে তখন অপব্যয় করে না এবং কার্পণ্যও করে না; বরং মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে।’ (সুরা : ফুরকান, আয়াত : ৬৭)

উল্লেখ্য, আল্লাহর অবাধ্যতায় (পাপকাজে) খরচ করা অপব্যয় এবং আল্লাহর পথে খরচ না করা কৃপণতা। আর আল্লাহর নির্দেশানুসারে ও তাঁর আনুগত্যের পথে খরচ করা হলো মধ্যপন্থা অবলম্বন করা। (ফাতহুল কাদির) অনুরূপ আবশ্যকীয় খরচে ও বৈধ খরচেও সীমা অতিক্রম করা অপব্যয় বলে গণ্য।

আল্লামা বরকুভি (রহ.) বলেন, ‘শয়তানের ভাই শয়তানের মতোই। এই পৃথিবীতে শয়তানের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো নাম নেই। এ হিসেবে অপচয়কারীকে শয়তানের ভাই আখ্যায়িত করার চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো বিশেষণ নেই।’ (আত-ত্বরিকতুল মুহাম্মদিয়্যা, পৃষ্ঠা : ১০৩)

মহান আল্লাহ সবাইকে মধ্যপন্থা অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আ—মিন।

25/10/2024

দরুদ পড়ুন : اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
(আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ)

জ্বীন ও মানুষ ছাড়া প্রতিটি প্রাণী শুক্রবার দিন ভোরের সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিয়ামতের ভয়ে ভীত থাকে।আবু দাউদ: ১০৪৬...
25/10/2024

জ্বীন ও মানুষ ছাড়া প্রতিটি প্রাণী শুক্রবার দিন ভোরের সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিয়ামতের ভয়ে ভীত থাকে।

আবু দাউদ: ১০৪৬
ILMAN Nafiya

23/10/2024

রাসূল ﷺ বলেন— আল্লাহ তার প্রতি দয়া দেখান না, যে মানুষের প্রতি দয়া দেখায় না। [সহীহ বুখারী : ৭৩৭৬]

তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো নাএবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না।• সূরা বাকারাহ্ •• আয়াত ৪২ •ILMAN Nafiya
22/10/2024

তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না
এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না।

• সূরা বাকারাহ্ •
• আয়াত ৪২ •
ILMAN Nafiya

দুনিয়াতে প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি ধর্ম মজুদ আছে। এই আড়াই হাজার ধর্মের মাঝে নিজেদের ঐশী কিতাব হাজির করতে পারে খুব অল্প সং...
24/09/2024

দুনিয়াতে প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি ধর্ম মজুদ আছে। এই আড়াই হাজার ধর্মের মাঝে নিজেদের ঐশী কিতাব হাজির করতে পারে খুব অল্প সংখ্যক ধর্ম। আবার, এই অল্প সংখ্যক ধর্মের মধ্যে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যার ঐশী কিতাব নাজিল হয়েছে ‘ইকরা’ তথা ‘পড়ো’ শব্দ দিয়ে।

পড়াশুনার সাথে ইসলামের রয়েছে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনকে এমন এক জাতির কাছে পাঠিয়েছেন যাদের ছিল জ্ঞানকে ধারণের বিস্ময়কর ক্ষমতা। শুধু তা-ই নয়, ভাষাবিজ্ঞানের যাবতীয় কলা ছিল রীতিমতো এদের নখদপর্ণে। এরা হাঁটতে বসতে কবিতা বলতো। কারণে অকারণে কবিতা বানাতো। দুঃখ সুখে কবিতা লিখতো। যুদ্ধ-বিগ্রহে কবিতা রচনা করতো।

আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দ’শ বছর আগে একটা জাতির মানুষ কুরআনের মতো এক সুবিশাল কিতাব ঠোঁটস্থ করে রেখেছে, রাসূলের মুখ নিঃসৃত লক্ষ লক্ষ হাদিসকে সনদসহ (কে বর্ণনা করেছে, কে কার কাছে জেনেছে/শুনেছে) বুকে গেঁথে রেখে সারা দুনিয়াময় ছড়িয়ে দিয়েছে—জ্ঞানের সাথে কীরকম অকল্পনীয় সম্পর্ক থাকলে এটা সম্ভব ভাবুন তো।

জ্ঞানের সাথে মুসলমানদের মিতালির এই সিলসিলা সারাটা জীবন চলমান ছিল। আজকের দিনে এই যে আমরা ইসলামি জ্ঞানের এতো শাখা-প্রশাখার সন্ধান জানি, এসব তো আসমান থেকে নাযিল হয়নি। আসমান থেকে শুধু কুরআনটাই নাযিল হওয়া। কুরআনকে সামনে রেখে ইসলামি জ্ঞানের বাদবাকি সমস্ত শাখা মানুষের হাত ধরে তৈরি।

ইসলামে জ্ঞানের কদর আছে বলেই আমরা ইমাম বোখারি রাহিমাহুল্লাহকে চিনি। চারটি প্রধান মাযহাবের ইমামদের যাবতীয় কাজ তো জ্ঞানকে কেন্দ্র করেই। ইমাম ইবন জারীর আত তাবারি, ইমাম মুসলিম, ইমাম নববী, ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ, ইবনুল কাইয়্যিম জাওযী সহ অসংখ্য জ্ঞান-পিপাসু মানুষের কাজ আর পরিশ্রমের বদৌলতে ইসলামে জ্ঞানের শাখা আজ বিকশিত এবং সুশোভিত।

কিন্তু, এই সমস্ত মানুষগুলো কি নিছক কাকতালীয়ভাবে তৈরি হওয়া? তাদের পেছনে তাদের পরিবার, তাদের বাবা-মায়েরা কি পরিশ্রম করেনি? একজন ইবনে তাইমিয়্যাহ রাহিমাহুল্লাহ কি হাওয়া থেকে তৈরি হয়? একজন ইমাম বোখারি কি স্রেফ নিজের গুণেই বিকশিত?

প্রতিটা সভ্যতা নির্মাণের নিউক্লিয়াস হলো—পরিবার। একটা শিশুকে তুলনা করা যায় ময়দার খামিরের সাথে। ময়দার খামির দিয়ে যেমন রুটি বানানো যায়, লুচি বানানো যায়, যেকোনো রকমের পিঠাও বানানো যায়, একটা শিশুকেও গড়ে নেওয়া যায় পরিকল্পনা মতো। তাকে যা শেখানো হয় সে তাই শেখে। তাকে যা দেখানো হয় সে তাই দেখে। তাকে যা বোঝানো হয় সে তাই বোঝে।

আমরা হয়তো আমাদের সন্তানকে ইমাম তাইমিয়্যাহ আর ইমাম বোখারী বানাতে পারবো না। কিন্তু তাকে একজন ভালো মুসলিম হিশেবে বড় করা, তাকে দ্বীনের পথে মানুষ করা, তাকে তাকওয়াবান, ইনসাফকারী এবং সর্বোপরি আল্লাহর দ্বীনের ওপর মানুষ করা তো প্রত্যেক বাবা-মা’র ফরয দায়িত্ব।

সোশ্যাল মিডিয়ার এই স্বর্ণযুগে আজ আমরা সেই দায়িত্ব পালনে কতোখানি মনোযোগি, তা কি নিজেদের একবার আমরা জিগ্যেস করবো? বাবার সামনে কম্পিউটার, মায়ের হাতে স্মার্টফোন, ছেলে মেয়েদেরদের হাতে ট্যাব। সবাই নিজ নিজ সোশ্যাল দুনিয়ায় বিভোর—এটা কি প্রতিটা মুসলিম পরিবারের দৈনন্দিন দৃশ্য নয়?

যে মোবাইল দিয়ে আজ আমরা বাচ্চাকে শান্ত করাচ্ছি, তার কান্না থামাচ্ছি, সেই মোবাইল যে একদিন আমাদেরকে কান্না করাতে পারে—ভবিষ্যতের সেই দৃশ্যটা নিয়ে আমরা কি একটু ভাবতে পারি?

বাচ্চাকে মোবাইল না দিলে সে বড়জোর একঘণ্টা কান্না করবে। সে বড়জোর দুই ঘণ্টা না খেয়ে থাকবে, সে বড়জোর একদিন মনমরা থাকবে। কিন্তু সে মারা যাবে না। তবে, যদি তাকে আপনি ফোন দিয়ে অভ্যস্ত করান, একটা বয়সে গিয়ে ফোনের অভাবে সে সত্যি সত্যিই মারা যেতে পারে। আজ খেলনা হিশেবে যেটা তার হাতে আমরা তুলে দিচ্ছি, একদিন সেটা তার জীবনের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর বস্তুতে পরিণত হতে পারে।

Address

Bhairab Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রধান দাওয়াহ্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share