22/08/2016
মেডিকেলে আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ-৯
______________________________________
মেডিকেল পরীক্ষা শুরুর আগে ৩০,০০০ স্টুডেন্ট
বাদ হয়ে গিয়েছে।
আমি মোট পয়েন্ট ৯ এর বিপক্ষে। অনেক ছাত্র আজ কেচিং ছেড়ে দিল।
মেডিকেলে ৭ অক্টোবর, ডেন্টালে ৪ নভেম্বর
ভর্তি পরীক্ষা।
এবার মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তিতে � #�আলাদাভাবে� পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এমবিবিএসের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৭
অক্টোবর ও বিডিএসের (ডেন্টাল) পরীক্ষা ৪
নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া এবার ভর্তির আবেদনে এসএসসি ও
এইচএসসিতে মোট � #�জিপিএ� ৯ থাকতে হবে।
আগে আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা ছিল
জিপিএ-৮।
ইতোপূর্বে ভর্তি পরীক্ষা ২০০ নম্বরের হলেও এবার ভর্তি পরীক্ষা হবে ৩০০ নম্বরের।
এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে ২০০ ও ভর্তি
পরীক্ষার ১০০ মিলিয়ে মোট ৩০০ নম্বরের
ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে
প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। gpa স্কোর ধরা হয়েছে
SSC হল ৭৫
HSC হল ১২৫
আপনার gpa কে গুন করবেন ssc কে ১৫ এবং
HSC কে ২৫ দ্বারা যে সিস্টেমে gpa কাউন্ট করার নিয়ম করা
হচ্ছে। যাদের স্কোর কম তাদের বাঁশ দেওয়া
হচ্ছে।
� #�ইমপ্রুভ�: যারা ইমপ্রুভ বা গতবছর ফেল করে
এবছর পাশ করেছে। তারা মেডিকেলে আবেদন করতে পারবে
� #�প্রশ্ন�: প্রশ্ন কঠিন করা হবে
---------- স্বাস্থ সচিব
৪র্থ বিষয় সহ নাম্বার যোগ হবে .
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রোববার (২১ আগস্ট)
২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস
কোর্সে ভর্তির সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ
মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে ভর্তির
আবেদন ফি � #�এক� হাজার টাকা নির্ধারণ করা
হয়েছে। মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তিতে ন্যূনতম
যোগ্যতা জিপিএ-৯ নির্ধারণ করা নিয়ে
সভায় দীর্ঘ আলোচনা হয়। সভায় ন্যূনতম
যোগ্যতা জিপিএ-৯ নির্ধারণের যৌক্তিকতা
তুলে ধরে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মেডিকেল
অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান।
তিনি জানান, এইচএসসি ও সমমানের
পরীক্ষায় গত বছর ৪২ হাজার ৮৯৪ জন
জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছে ৫৮ হাজার
২৭৬ জন। দিন দিন জিপিএ-৫ পাওয়া
শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। মানসম্পন্ন চিকিৎসক তৈরি করতে হলে
আবেদনের যোগ্যতা বাড়াতে হবে।
যদিও বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন সদস্য এ
সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষের
আশঙ্কা প্রকাশ করে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে
আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ-৯ নির্ধারণের প্রস্তাব রাখেন।
তবে সভায় উপস্থিত বেশিরভাগ সদস্য ন্যূনতম
যোগ্যতা বৃদ্ধির পক্ষে মত দেন।
সভায় জানানো হয়, এমবিবিএস ও বিডিএস
পরীক্ষা একই দিনে হওয়ায় পরীক্ষার্থী
বেশি হয়, এতে ব্যবস্থাপনায় ঝামেলা হয়। এছাড়া এভাবে একসঙ্গে পরীক্ষা নেওয়ায়
সরকারি ডেন্টাল কলেজগুলো পর্যাপ্ত
শিক্ষার্থী পায় না।
এ অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর
আলাদা দিনে মেডিকেল ও ডেন্টালের
পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় সভায়। এবারও মেডিকেল ও ডেন্টালে এক ঘণ্টার ১০০
নম্বরের এমসিকিউ (টিকচিহ্ন) পরীক্ষা ও
এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের
(প্রাপ্ত জিপিএ ২০0 নম্বর হিসেবে
নির্ধারণ করে) উপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থী
ভর্তি করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় � #�পাস� নম্বর আগের মতোই ৪০ থাকছে।
গত ১৮ আগস্ট এইচএসসি (উচ্চ মাধ্যমিক) ও
সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।
এবার এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক
৭০ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে
এমবিবিএস কোর্সে ৩ হাজার ৭২৯টি আসন এবং
৬৪টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৬ হাজার
১৫৫টি আসন রয়েছে।
এছাড়া ছয়টি সরকারি ডেন্টাল কলেজ ও
মেডিকেল কলেগুলোর ডেন্টাল ইউনিট মিলিয়ে বিডিএস কোর্সে মোট ৬৩৫টি ও ২৪টি
বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটে এক
হাজার ৩৮৫টি আসন রয়েছে।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক পরিবার পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক
উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বিএমএ’র
সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান,
স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত
মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম
আজাদ, বেসরকারি ও সরকারি মেডিকেল কলেজের মালিক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।