নিয়ামতি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়/Niamati Adarsha Secondary School

নিয়ামতি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়/Niamati Adarsha Secondary School

Share

শিক্ষাই জাতীর মেরুদণ্ড ।

30/08/2022

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা ২০০৯ অনুসারে-

১। অভিভাবক কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর পিতা বা মাতা বা তাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অন্য কোন ব্যক্তি। নারী শিক্ষার্থী বিবাহিত হলে তার স্বামী যিনি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী নন।

২। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্থ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পাঠদানের জন্য বোর্ড হতে প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্ত বা স্বীকৃতি প্রাপ্ত কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তা যে নামেই অভিহিত হউক।

৩। দাতা অর্থ এরূপ ব্যক্তি- মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্যান্য বিদ্যমান গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষের অন্তত ১৮০ দিন আগে উক্ত প্রতিষ্ঠানে বা চেকের মাধ্যমে এককালীন ২০০০০ টাকা দান করেছেন। ঢাকা মহানগরী হলে এককালীন ২০০০০০ টাকা। আজীবন দাতা হলে ঢাকা মহানগরীতে এককালীন নগদ বা চেকে ৬০০০০০ টাকা এবং ঢাকা মহানগরীর বাইরে ২০০০০০ টাকা দান করতে হবে ।

৪। প্রতিষ্ঠাতা অর্থ মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে এককালীন নগদ বা চেকে অন্যূন ১০০০০০০ টাকা বা সমমানের সম্পত্তি দান করেছেন।

৫। মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর যে কোন শ্রেণি পাঠদানের জন্য বোর্ড হতে প্রাথমিক অনুমতি বা স্বীকৃতি প্রাপ্ত কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

৬। শিক্ষক বলতে মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূর্ণকালীন শিক্ষাদানের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা প্রদর্শক বা শরীরচর্চা শিক্ষক।

৭। প্রতিষ্ঠান প্রধান বলতে মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব প্রাপ্ত কোন শিক্ষক তিনি যে পদবিতেই অভিহিত করা হউক।

৮। ম্যানেজিং কমিটির গঠন- ১জন সভাপতি, সকল শিক্ষকের মধ্যে ভোটে ২ জন সাধারণ শিক্ষক (শর্ত প্রাথমিক স্তর থাকলে ভোটে ১জন মাধ্যমিক+ ১জন প্রাথমিক শিক্ষক), সকল মহিলা শিক্ষকদের মধ্যে ভোটে ১জন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক, ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ভোটে নির্বাচিত ৪জন অভিভাবক সদস্য ( শর্ত প্রাথমিক স্তর যুক্ত থাকলে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত অভিভাবকদের ভোটে মাধ্যমিকে ২জন+ ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত অভিভাবকদের ভোটে ২জন ), ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ভোটে ১জন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক, ভোটে ১জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ভোটে ১জন দাতা সদস্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ১জন সদস্য সচিব, ১জন কোঅপ্ট সদস্য স্থানীয় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি ম্যানেজিং কমিটির ১ম সভায় উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনে কোঅপ্ট। কোন শিক্ষক বা শিক্ষক শ্রেণীর সদস্য ম্যনেজিং কমিটিতে সভাপতি হতে পারবেনা। কোন শ্রেণীর সদস্য পদে প্রার্থী পাওয়া না গেলে তা শূন্য থাকবে।তা বাদ দিয়েই কমিটি গঠন করতে হবে।

৯। সভাপতি নির্বাচন- অন্যান্য সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন হবার অনধিক ৭ দিনের মধ্যে সভাপতি নির্বাচনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান সদস্যদের নিয়ে সভার আয়োজন করবেন।উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করবেন সভাপতি পদে প্রতিযোগী নয় এমন একজন সদস্য। উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে সভাপতি হবেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, অবসর প্রাপ্ত ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা,জনপ্রতিনিধি। ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ১ম সভা থেকে পরবর্তী ২ বছর। ১ম সভা না হওয়া পর্যন্ত আগের কমিটি দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।

১০। ১জন প্রতিষ্ঠাতা আজীবন ভোঁটার থাকবেন।তার মৃত্যুতে তার উত্তরাধিকারী ভোটাধিকার প্রাপ্ত হবেন না। ১জন আজীবন দাতা সদস্য আজীবন ভোটাধিকার থাকবেন।তার মৃত্যুতে তার উত্তরাধিকারী ভোটাধিকার প্রাপ্ত হবেন না। অন্য দাতারা যে মেয়াদে দান করেছেন সেমেয়াদের জন্য কার্যকর থাকবে। একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক কেবল ১জন ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন।

১১। সদস্য হতে অযোগ্যতা- অপ্রকিতিস্থ, বাংলাদেশের নাগরিক না, ফৌজদারি দণ্ডে দণ্ডিত, বিদেশী নাগরিকত্ব গ্রহণ, রাষ্ট্রের ধ্বংসাত্মক কর্মে নিয়োজিত। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা সদস্য নির্বাচিত হবার পর কর্মচারী নিযুক্ত হলে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিস্থানে সুনাম নষ্ট হয় এমন কাজে যুক্ত থাকলে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও লিখিতভাবে অবহিত না করে পরপর তিন সভায় অনুপস্থিত থাকলে।

১২। ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হবার ৮০ দিন পূর্বে প্রতিষ্ঠান প্রধান সকল শ্রেণীর সদস্য পদের জন্য পৃথক খসড়া ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে অনুমোদনের জন্য সভায় উপস্থাপন করবেন। ম্যানেজিং কমিটির সভা অনুষ্ঠানের তারিখে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবককে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদিত খসড়া ভোটার তালিকা পরবর্তী কার্যদিবসে প্রত্যেক শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনাতে ব্যবস্থা করবেন। সকলের অবহতির জন্য তার এক কপি নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দিবেন। শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনানো ও নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ বলে গণ্য হবে। ভোটার তালিকায় আপত্তি থাকলে ৫ কার্যদিবসে প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট লিখিত আপত্তি জানাবে। আপত্তি দাখিলকারী দাবি করলে প্রতিষ্ঠান প্রধান এরূপ আপত্তি আবেদনের লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার করবেন। আপত্তি আবেদন প্রাপ্তি সময়সীমা শেষ হবার পরবর্তী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ম্যানেজিং কমিটি উহার সভায় সকল আপত্তি নিষ্পত্তি পূর্বক ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে অনুমদন করবে।যা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হিসেবে গণ্য হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরবর্তী কার্যদিবসে প্রত্যেক শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনাতে ব্যবস্থা করবেন। সকলের অবহতির জন্য তার এক কপি নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দিবেন ও ৩দিন সেখানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবেন।

১৩। ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হবার ৩০ দিন পূর্বে ম্যানেজিং কমিটি গঠনে সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের আবেদনের প্রেক্ষিতে অনধিক ৭ দিনের মধ্যে ১জন ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তাকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ইউএনও নিয়োগ দিবেন।

১৪। প্রিসাইডিং অফিসার তফসিল দিবেন- মনোনয়ন পত্র জমাদানের জন্য ৩ টি কার্যদিবস। মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিন হতে পরবর্তী ৩ দিনের মধ্যে মনোনয়ন পত্র বাছাই এর জন্য একটি দিন। মনোনয়ন পত্র বাছাই এর পরবর্তী ৩ দিনের মধ্যে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের জন্য একটি দিন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের দিন হতে অন্তত দশ(১০) দিন পরের একটি দিন। সকল শ্রেণীর সদস্য পদে নির্বাচন একযোগে ও একই সময়ে। প্রিসাইডিং অফিসার তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মনোনয়ন পত্র জমাদানের স্থান ও সময় উল্লেখ করবেন। সব শ্রেণীর সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র জমাদানের আহবান জানিয়ে নিজ অফিসে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। তার ২ টি অনুলিপি প্রতিষ্ঠান প্রধানকে দিবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান বিজ্ঞপ্তি প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেক শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনাবেন।বিজ্ঞপ্তির ১টি অনুলিপি সকলের অবহতির জন্য নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দিবেন এবং ১ কপি প্রতিষ্ঠানের নথিতে সংরক্ষণ করবেন।

১৫। কোন শ্রেণীর যে কোন ভোটার সেই শ্রেণীর সদস্য পদের নির্বাচনের জন্য উক্ত শ্রেণীর সদস্য হবার যোগ্য একজন প্রার্থীর নাম প্রস্তাব বা সমর্থন করতে পারবেন। শর্ত কোন শ্রেণীর ভোটার সংখ্যা তিন জনের কম হলে সেই ক্ষেত্রে কোন প্রস্তাবক বা সমর্থক প্রয়োজন হবে না। কোন ব্যক্তি এক সঙ্গে দুইটি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেনা। কোন শিক্ষক কোন শিক্ষার্থীর অভিভাবক হলে অভিভাবক শ্রেণীর সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেনা। প্রিসাইডিং অফিসার তুচ্ছ কারনে মনোনয়ন পত্র বাতিল করবেন না। কেউ আপত্তি তুললে তা বিবেচনা করে তুচ্ছ ত্রুতি সংশোধনে তাৎক্ষণিক প্রার্থীকে সুযোগ দিবেন। কোন মনোনয়ন পত্র বাতিল করলে তার কারণ সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করবেন। কোন মনোনয়ন পত্র প্রিসাইডিং অফিসার দ্বারা বাতিল হলে ম্যানেজিং কমিটিরকোন সদস্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে ইউএনওর নিকট পরবর্তী ২ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল দায়েরের ২ দিনের মধ্যে শুনানি বা সংক্ষিপ্ত তদন্ত্রের মাধ্যমে আপিল নিষ্পত্তি করবে। ইহাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে। প্রিসাইডিং অফিসার ফরম-৩ এ বৈধ প্রার্থী তালিকা তার অফিসে ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে টাঙ্গাবেন। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে প্রার্থীতা পরিহার লিখিত নোটিশ প্রদান করে পারবে। যদি কোন শ্রেণীর সদস্য পদে উক্ত শ্রেণি বা সমসংখ্যক বা তদাপেক্ষা কম সংখ্যক বৈধ প্রার্থী থাকে তাহলেপ্রিসাইডিং অফিসার সেই প্রার্থীকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। ভোট গ্রহণ ১০ টা- ৪ টা পর্যন্ত। ফরম ৪ অনুযায়ী ব্যালটে ভোট নিতে হবে। ব্যালটে মুড়ি পত্রে নম্বর থাকবে কিন্তু ভোটারের অংশে টা থাকবেনা। ভোট গ্রহণ আরম্ভের ১৫ মিনিট আগে সকলের সামনে ব্যালট বক্স সীলগালা করতে হবে।

১৬। ব্যালট প্রদানের পূর্বে ভোটার তালিকায় ভোটারের নামের পাসে টিক দিয়ে ব্যালটের পিছনে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে। ব্যালটে মুড়ি পত্রে ভোটার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিবেন। ভোটার নির্ধারিত স্থানে গিয়ে নামের পাসে ক্রস চিহ্ন দিয়ে ভাঁজ করে প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে বাক্সে ফেলবে। প্রিসাইডিং অফিসার ফরম ৫ এ ফলাফল সংরক্ষণ করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন। বাতিল ব্যালট পেপার- ক্রস না থাকে বা বোঝা না যায় কাকে দিয়েছে, একাধিক ক্রস থাকলে, সীলমোহর বা প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর না থাকলে। বৈধ বা বাতিল ব্যালট পেপার আলাদা খামে উপরে লিখে সিলগালা করে সংরক্ষণ করবেন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হস্তান্তর করবেন দুই বছর সংরক্ষণ করবেন । কোন শ্রেণীর সদস্য পদে সমান ভোট পড়লে তাৎক্ষণিক লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রিসাইডিং অফিসার নির্বাচন কালীন সকল বিষয়ে তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

১৭। নির্বাচনী প্রচারণায় সাড়ে পাঁচ বাই সাড়ে আট ইঞ্চি সাদা কালো লিফলেট ছাড়া অন্য খাতে ব্যয় করা যাবেনা। নির্বাচনী ক্যাম্প করা যাবেনা। মিছিল,জনসভা, অভিভাবক সভা, শোভাযাত্রা, লাউডস্পিকার,গাড়িবহর করা যাবেনা। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সভাপতি নির্বাচনের অনধিক ৩ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত ব্যক্তি গণের নাম ঠিকানা ফলাফল কপি প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরকৃত, সভাপতি নির্বাচনের কার্যবিবরণী সত্যায়িত কপি কমিটি অনুমোদনের জন্য বোর্ডে প্রেরণ করবে। বোর্ড পরে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করবে।

১৮। প্রজ্ঞাপনজারীর পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ম্যানেজিং কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠান করতে হবে। প্রতি ৩ মাসে ১বার সভা করতে হবে তবে প্রয়োজনে যতবার দরকার ততবার করতে পারবে। সদস্য সচিব সভাপতির সাথে আলোচনা করে সভার স্থান,সময়, আলোচ্য সুচি নির্ধারণ করবেন। সভার ৭ দিন আগে সভার বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। আলোচ্য সুচি বহির্ভূত কোন বিষয় সিধান্ত গ্রহণে উপস্থিত দুই তৃতীয়াংশ সদসের সম্মতির প্রয়োজন। শিক্ষক বা কর্মচারী নিয়োগ বা অপসারণে বা বরখাস্ত করণে আলোচ্য সুচি বহির্ভূত থাকলে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যাবেনা। ২৪ ঘণ্টার বিশেষ নোটিশে ১টি আলোচ্য সুচী নিয়ে আলোচনা করা যাবে। সভাপতি সভা পরিচালনা করবেন, তার অনুপস্থিতিতে সদস্য সচিব ও শিক্ষক সদস্য ব্যাতিত উপস্থিত অন্য সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনে কোন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

Copyright from:
-লায়ন মোঃ নিলয় পারভেজ
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
আলমাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ ।

20/07/2022

্শ_শিক্ষকের_দায়িত্ব_ও_কর্তব্যঃ-
** শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের ও মানুষ গড়ার কারখানা । একটি কারখানা পরিচালনার জন্য কারিগর,যন্ত্রপাতি/মেশিন,কাঁচামাল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় । কিন্তু একদল অদক্ষ-অনভিজ্ঞ কারিগর,পুরানো মেশিন ও নিন্মমানের কাঁচামাল দ্বারা উৎপাদিত মাল মানসম্মত হয় না । ফলে ঐ কারখানায় উৎপাদিত মাল বাজারে বিক্রি হয় না । ঠিক তেমনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক,শিক্ষার্থী, শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষার পরিবেশ ।তাই বলা যায়- শিক্ষকগন দক্ষ কারিগর,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল কারখানা আর শিক্ষার্থীগন হল কাঁচামাল এবং উৎপাদিত মাল হল সুশিক্ষিত আদর্শ দেশ প্রেমিক নাগরিক । শিক্ষাদান ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় শিক্ষকগন প্রধান চালিকা শক্তি । শিক্ষকগনের মান যতউন্নত প্রতিষ্ঠানের মান তত উন্নত । পেশাগত জ্ঞান,সততা,নিষ্ঠা,সময়ানুবর্তিতা, নিয়মানুবর্তিতা ও আন্তরিকতা একজন আদর্শ শিক্ষকের বড় গুন । আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষকের কাজ ফুল বাগানের মালির কাজ । সুচারারুপ শিশুর লালন,পোষণ ও রক্ষণের কাজ হল শিক্ষকের।
একজন আদর্শ শিক্ষকের কতিপয় দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নে আলোচনা করা হলঃ–
১। শিক্ষকতাকে নিছক চাকরী ও পেশা হিসেবে মূল্যায়ন না করে সমাজ সেবা ও ইবাদত হিসাবে মানবসম্পদ উন্নয়নের কারিগর রুপে নিজকে মূল্যায়ন করা উচিৎ ।
২। মানুষের দেয়া আমানত কলিজার টুকরা সন্তান কে স্বীয় সন্তান মনে করে শিক্ষা দেয়া উচিৎ । অযত্ন, অবহেলায় তাদেরকে জাতীর বোঝা বানানোর মহাপাপ থেকে নিজকে রক্ষা করা কর্তব্য ।
৩। আইন-শৃংখলা পরিপন্থী,রাষ্ট্রবিরোধী বা অনৈতিক ও অসামাজিক কাজে জড়িত হওয়া উচিৎ নয়।
৪। একজন শিক্ষক সততা, স্বচ্ছতা, সময়ানুবর্তিতা, নিয়মানুবর্তিতা, আন্তরিকতা, কর্তব্যপরায়ণতা ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন ।
৫। পরীক্ষা পরিচালনা, বিজ্ঞান গবেষণাগার সংগঠন এবং অন্যান্য কর্মকান্ডে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবেন ।
৬। ধর্মীয় অনুশাসন পূর্ণাঙ্গভাবে অনুশীলন করবেন এবং শিক্ষার্থীদের এ ব্যপারে উৎসাহিত করবেন ।
৭। প্রতি সপ্তাহে আধ্যক্ষ/সুপার কমপক্ষে ০৮ পিরিয়ড,উপাধ্যক্ষ/সহসুপার ১২/১৮ পিরিয়ড, মুহাদ্দিস,সহ অধ্যাপক ১৮/২৪ পিরিয়ড, প্রভাষক ২৪/২৮ পিরিয়ড এবং সহকারীশিক্ষকগন ২৮/৩২ পিরিয়ড শ্রেণীকার্যক্রমে পাঠদান করবেন ।
৮। মাদরাসার স্বার্থের পরিপন্থী কোন কার্যকলাপে জড়িত হওয়া সমুচিন নয় ।
৯। ক্লাশে অনিয়মিত উপস্থিতি,কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকা এবং অবৈধভাবে ছুটি বর্ধিত করে পেশাগত অসদাচরণ করা যাবে না।
১০। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ছাত্র-শিক্ষকের একটি অংশকে অপর অংশের বিরুদ্ধে উস্কে দেয়া অমার্জনীয় অপরাধ ।
১১। মাদরাসার অর্থ ও সম্পদ অবৈধভাবে ব্যবহার এবং ক্ষমতার অপপ্রয়োগ নিন্দনীয় ।
১২। অধ্যক্ষ/সুপার,জিবি/এমএমসি কর্তৃক গৃহীত যৌক্তিক সিদ্ধান্ত অমান্য করা যাবেনা ।
১৩।একজনশিক্ষক হবেনখোদাভীরু ,নিষ্ঠাবান, দায়িত্বসচেতন, আমানতদার, সামাজিক, মিষ্টভাষী, রুচিশীল, নিরহংকারী, অধ্যবসায়ী, গভেষক ও আত্মপ্রত্যয়ী ।
১৪। কারিকুলাম, সিলেবাস ও ক্লাশরুটিন অনুযায়ী পাঠ টীকা তৈরীর মাধ্যমে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে বার্ষিক পরিকল্পনা ভিত্তিক আত্মপ্রত্যয় সহকারে পাঠদান করবেন ।
১৫। শ্রেণিকক্ষে যথা সময়ে উপস্থিতি ও নির্ধারিত সময় শেষে প্রস্থানের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখবেন
১৬। হ্রদয়গ্রাহী উপমা-উদ্ধৃতির মাধ্যমে উপস্থাপিত পাঠকে শিক্ষার্থীদের নিকট বোধগম্য করে তুলতে হবে যাতে দুর্বল শিক্ষার্থীর জন্য ও উপলব্দি করা সহজ হয়ে উঠে ।
১৭। সোহাগভরা উপদেশ ও আন্তরিকতাপূর্ণ শাসনের মাধ্যমে শ্রেণী কক্ষের শৃংখলা পরিবেশ বজায় রাখতে সদা তৎপর থাকতে হবে ।
১৮। সকল শিক্ষার্থীর প্রতি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে কল্যাণকামীর ভূমিকায় ব্রতি হওয়া বাঞ্চনীয় ।
১৯। নিজকে সবজান্তা মনে না করে সব সময় জ্ঞান বৃদ্ধিতে তৎপর এবং শ্রেণীকক্ষে নিজকে সজীব রাখতে হবে ।
২০। অনুপস্থিত বা পাঠে অমনযোগী ছাত্রদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা । প্রয়োজনে ছাত্রের বাড়ি গিয়ে তার ব্যাপারে অভিভাবকের সাথে আলোচনা করা ।
২১। শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত সুপ্ত মেধা ও সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশে সাহায্য করা ।
২২। কর্মজগতে অংশগ্রহন বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের জন্য দক্ষ জনশক্তি রুপে শিক্ষার্থীদেরকে তৈরী করা ।
২৩। উচ্চ শিক্ষার জন্য উপযুক্ত করে তৈরী করা। সর্বোপরি ব্যক্তিত্ব ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশপ্রেমিক সুনাগরিক রুপে তৈরী করা ।
২৪। পাঠ্য পুস্তকের যথাযথ যোগ্যতা সৃষ্টির সাথে সাথে পরীক্ষায় নকলবিহীন উন্নত ফলাফল লাভের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদেরকে প্রস্তুত করতে দৃঢ় প্রত্যয়ী হতে হবে ।
২৫। পুঁথিগত বিদ্যায় পারদর্শী করে গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরকে উত্তম চরিত্রের অধিকারী করে গঠন করতে বদ্ধ পরিকর হতে হবে ।
২৬। মাদরাসার সার্বিক উন্নতিতে অধ্যক্ষ/সুপারকে আন্তরিকতার সাথে সহযোগিতা করতে হবে ।
২৭। একজন শিক্ষক সর্বদা নিয়োগ শর্ত পূরণে তৎপর ও সক্রিয় থাকবেন ।
২৮। সহকর্মীদের সাথে সহমর্মিতামূলক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে ।
২৯। সন্দেহমূলক ধারণার ভিত্তিতে দায়িত্ব সম্পাদন প্রতারণার শামিল বলে ইহা সম্পূর্ণরুপে পরিহার করতে হবে ।
৩০। মাদরাসার নিয়ম শৃংখলা ও প্রশাসনিক শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পরস্পর সমালোচনা, বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা ও কোন্দল পরিহার করে ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সচেষ্ট হতে হবে ।
৩১। স্ব-স্ব দায়িত্ব বহির্ভূত ,প্রশাসনিক সংরক্ষিত ও গোপন বিষয়ে অহেতুক অনধিকার চর্চা পরিহার করতে হবে ।
৩২। অপরের নিকট অধ্যক্ষ/সুপার, সহকর্মী ও কর্মচারীদের দোষ ত্রুটি প্রকাশ না করে প্রশংসনীয় দিকগুলো তুলে ধরতে হবে ।
৩৩। একান্ত প্রয়োজনে ব্যক্তিগত আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দোষ ত্রুটি সংশোধনের আন্তরিক প্রয়াস চালাতে হবে ।
৩৪। শ্রেণী কক্ষে ছাত্র-শিক্ষককে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে ।
৩৫। মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরী করে সকল শিক্ষককে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে ।
৩৬। প্রাত্যহিক সমাবেশে সকল শিক্ষক উপস্থিত থাকতে হবে ।
৩৭। আধুনিক শিক্ষক নিজে শিক্ষার্থীকে কোন জ্ঞানদান করেন না বরং তিনি শিক্ষার্থীকেজ্ঞান অর্জনে সাহায্য করেন মাত্র। শিক্ষার্থী যাতে বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান শিখতে এবং আবশ্যক কৌশলগুলি আয়ত্ব করতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
৩৮। একজন আদর্শ শিক্ষক তার অর্জিত জ্ঞান ও মেধা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের নানাহ সন্ত্রাসবাদ, জংগীবাদ ,মাদকতা, অপরাধ, অবক্ষয় ইত্যাদি প্রতিরোধে দূরদর্শিতা ও বিচক্ষনতার পরিচয় দিবেন।
৩৯। একজন আদর্শ শিক্ষক সমাজে বসবাসরত অন্যান্য প্রতিবেশীদের আপদে-বিপদে, রোগে-শোকে, দূর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে নিজকে ব্যাপৃত রেখে সামর্থানুযায়ী সহযোগিতা ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করবেন।
৪০। নিরক্ষরতা জতীর অভিশাপ। নিরক্ষরতা জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিরাট অন্তরায়। শিক্ষার প্রসার ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। একজন আদর্শ শিক্ষক “গণশিক্ষা”অধিকতর প্রচলনের মাধ্যমে জাতীকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে পারেন।
৪১। আমাদের গোটা সমাজ ব্যবস্থা নানাহ কুসংস্কারে নিমজ্জিত যা সমাজ উন্নয়নের অন্তরায়। একজন আদর্শ শিক্ষক সমাজের কুসংস্কার দূর করার জন্য জনগনকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।
৪২। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। আজকের শিক্ষার্থী যাতে আগামীকাল রাষ্ট্রের যোগ্য নাগরিক হয়ে উঠতে পারে সেজন্য তাদেরকে প্রস্তুত করার দায়িত্ব একজন আদর্শ শিক্ষকের।

Photos from নিয়ামতি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়/Niamati Adarsha Secondary School's post 04/09/2020

অত্র বিদ্যালয়ের প্রাত্তন ছাত্র/ছাত্রী'রা সবাই যুক্ত হোন !
এই রকম ফ্রেমে আসতে চাইলেঃ
আপনার নাম, পাশের সাল, বর্তমান পেশা, বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার (মেয়েদের মোবাইল নাম্বার লেখার প্রয়োজন নেই তার পরিবর্তে বৈবাহিক অবস্থা লিখতে হবে) লিখে এই গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/NASS.AlumniStudentsCommunityGroup/ পোষ্ট করুন সাথে অবশ্যই ফ্রেম উপযোগী একটা সুন্দর ছবি যুক্ত করবেন ।

সকলের জন্য সুভ কামনা রইলো ।

বিঃদ্রঃ বিদ্যালয়ের প্রাত্তন ছাত্র/ছাত্রী ছাড়া কেহ গ্রুপে না আসার অনুরোধ রইলো ।

Want your school to be the top-listed School/college in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Niamati
Barishal
8432

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00