30/08/2022
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা ২০০৯ অনুসারে-
১। অভিভাবক কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর পিতা বা মাতা বা তাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অন্য কোন ব্যক্তি। নারী শিক্ষার্থী বিবাহিত হলে তার স্বামী যিনি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী নন।
২। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্থ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পাঠদানের জন্য বোর্ড হতে প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্ত বা স্বীকৃতি প্রাপ্ত কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তা যে নামেই অভিহিত হউক।
৩। দাতা অর্থ এরূপ ব্যক্তি- মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্যান্য বিদ্যমান গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষের অন্তত ১৮০ দিন আগে উক্ত প্রতিষ্ঠানে বা চেকের মাধ্যমে এককালীন ২০০০০ টাকা দান করেছেন। ঢাকা মহানগরী হলে এককালীন ২০০০০০ টাকা। আজীবন দাতা হলে ঢাকা মহানগরীতে এককালীন নগদ বা চেকে ৬০০০০০ টাকা এবং ঢাকা মহানগরীর বাইরে ২০০০০০ টাকা দান করতে হবে ।
৪। প্রতিষ্ঠাতা অর্থ মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে এককালীন নগদ বা চেকে অন্যূন ১০০০০০০ টাকা বা সমমানের সম্পত্তি দান করেছেন।
৫। মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর যে কোন শ্রেণি পাঠদানের জন্য বোর্ড হতে প্রাথমিক অনুমতি বা স্বীকৃতি প্রাপ্ত কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
৬। শিক্ষক বলতে মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূর্ণকালীন শিক্ষাদানের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা প্রদর্শক বা শরীরচর্চা শিক্ষক।
৭। প্রতিষ্ঠান প্রধান বলতে মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব প্রাপ্ত কোন শিক্ষক তিনি যে পদবিতেই অভিহিত করা হউক।
৮। ম্যানেজিং কমিটির গঠন- ১জন সভাপতি, সকল শিক্ষকের মধ্যে ভোটে ২ জন সাধারণ শিক্ষক (শর্ত প্রাথমিক স্তর থাকলে ভোটে ১জন মাধ্যমিক+ ১জন প্রাথমিক শিক্ষক), সকল মহিলা শিক্ষকদের মধ্যে ভোটে ১জন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক, ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ভোটে নির্বাচিত ৪জন অভিভাবক সদস্য ( শর্ত প্রাথমিক স্তর যুক্ত থাকলে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত অভিভাবকদের ভোটে মাধ্যমিকে ২জন+ ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত অভিভাবকদের ভোটে ২জন ), ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ভোটে ১জন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক, ভোটে ১জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ভোটে ১জন দাতা সদস্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ১জন সদস্য সচিব, ১জন কোঅপ্ট সদস্য স্থানীয় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি ম্যানেজিং কমিটির ১ম সভায় উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনে কোঅপ্ট। কোন শিক্ষক বা শিক্ষক শ্রেণীর সদস্য ম্যনেজিং কমিটিতে সভাপতি হতে পারবেনা। কোন শ্রেণীর সদস্য পদে প্রার্থী পাওয়া না গেলে তা শূন্য থাকবে।তা বাদ দিয়েই কমিটি গঠন করতে হবে।
৯। সভাপতি নির্বাচন- অন্যান্য সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন হবার অনধিক ৭ দিনের মধ্যে সভাপতি নির্বাচনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান সদস্যদের নিয়ে সভার আয়োজন করবেন।উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করবেন সভাপতি পদে প্রতিযোগী নয় এমন একজন সদস্য। উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে সভাপতি হবেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, অবসর প্রাপ্ত ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা,জনপ্রতিনিধি। ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ১ম সভা থেকে পরবর্তী ২ বছর। ১ম সভা না হওয়া পর্যন্ত আগের কমিটি দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
১০। ১জন প্রতিষ্ঠাতা আজীবন ভোঁটার থাকবেন।তার মৃত্যুতে তার উত্তরাধিকারী ভোটাধিকার প্রাপ্ত হবেন না। ১জন আজীবন দাতা সদস্য আজীবন ভোটাধিকার থাকবেন।তার মৃত্যুতে তার উত্তরাধিকারী ভোটাধিকার প্রাপ্ত হবেন না। অন্য দাতারা যে মেয়াদে দান করেছেন সেমেয়াদের জন্য কার্যকর থাকবে। একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক কেবল ১জন ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন।
১১। সদস্য হতে অযোগ্যতা- অপ্রকিতিস্থ, বাংলাদেশের নাগরিক না, ফৌজদারি দণ্ডে দণ্ডিত, বিদেশী নাগরিকত্ব গ্রহণ, রাষ্ট্রের ধ্বংসাত্মক কর্মে নিয়োজিত। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা সদস্য নির্বাচিত হবার পর কর্মচারী নিযুক্ত হলে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিস্থানে সুনাম নষ্ট হয় এমন কাজে যুক্ত থাকলে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও লিখিতভাবে অবহিত না করে পরপর তিন সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
১২। ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হবার ৮০ দিন পূর্বে প্রতিষ্ঠান প্রধান সকল শ্রেণীর সদস্য পদের জন্য পৃথক খসড়া ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে অনুমোদনের জন্য সভায় উপস্থাপন করবেন। ম্যানেজিং কমিটির সভা অনুষ্ঠানের তারিখে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবককে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদিত খসড়া ভোটার তালিকা পরবর্তী কার্যদিবসে প্রত্যেক শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনাতে ব্যবস্থা করবেন। সকলের অবহতির জন্য তার এক কপি নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দিবেন। শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনানো ও নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ বলে গণ্য হবে। ভোটার তালিকায় আপত্তি থাকলে ৫ কার্যদিবসে প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট লিখিত আপত্তি জানাবে। আপত্তি দাখিলকারী দাবি করলে প্রতিষ্ঠান প্রধান এরূপ আপত্তি আবেদনের লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার করবেন। আপত্তি আবেদন প্রাপ্তি সময়সীমা শেষ হবার পরবর্তী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ম্যানেজিং কমিটি উহার সভায় সকল আপত্তি নিষ্পত্তি পূর্বক ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে অনুমদন করবে।যা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হিসেবে গণ্য হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরবর্তী কার্যদিবসে প্রত্যেক শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনাতে ব্যবস্থা করবেন। সকলের অবহতির জন্য তার এক কপি নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দিবেন ও ৩দিন সেখানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবেন।
১৩। ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হবার ৩০ দিন পূর্বে ম্যানেজিং কমিটি গঠনে সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের আবেদনের প্রেক্ষিতে অনধিক ৭ দিনের মধ্যে ১জন ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তাকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ইউএনও নিয়োগ দিবেন।
১৪। প্রিসাইডিং অফিসার তফসিল দিবেন- মনোনয়ন পত্র জমাদানের জন্য ৩ টি কার্যদিবস। মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিন হতে পরবর্তী ৩ দিনের মধ্যে মনোনয়ন পত্র বাছাই এর জন্য একটি দিন। মনোনয়ন পত্র বাছাই এর পরবর্তী ৩ দিনের মধ্যে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের জন্য একটি দিন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের দিন হতে অন্তত দশ(১০) দিন পরের একটি দিন। সকল শ্রেণীর সদস্য পদে নির্বাচন একযোগে ও একই সময়ে। প্রিসাইডিং অফিসার তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মনোনয়ন পত্র জমাদানের স্থান ও সময় উল্লেখ করবেন। সব শ্রেণীর সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র জমাদানের আহবান জানিয়ে নিজ অফিসে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। তার ২ টি অনুলিপি প্রতিষ্ঠান প্রধানকে দিবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান বিজ্ঞপ্তি প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেক শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ করে শুনাবেন।বিজ্ঞপ্তির ১টি অনুলিপি সকলের অবহতির জন্য নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দিবেন এবং ১ কপি প্রতিষ্ঠানের নথিতে সংরক্ষণ করবেন।
১৫। কোন শ্রেণীর যে কোন ভোটার সেই শ্রেণীর সদস্য পদের নির্বাচনের জন্য উক্ত শ্রেণীর সদস্য হবার যোগ্য একজন প্রার্থীর নাম প্রস্তাব বা সমর্থন করতে পারবেন। শর্ত কোন শ্রেণীর ভোটার সংখ্যা তিন জনের কম হলে সেই ক্ষেত্রে কোন প্রস্তাবক বা সমর্থক প্রয়োজন হবে না। কোন ব্যক্তি এক সঙ্গে দুইটি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেনা। কোন শিক্ষক কোন শিক্ষার্থীর অভিভাবক হলে অভিভাবক শ্রেণীর সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেনা। প্রিসাইডিং অফিসার তুচ্ছ কারনে মনোনয়ন পত্র বাতিল করবেন না। কেউ আপত্তি তুললে তা বিবেচনা করে তুচ্ছ ত্রুতি সংশোধনে তাৎক্ষণিক প্রার্থীকে সুযোগ দিবেন। কোন মনোনয়ন পত্র বাতিল করলে তার কারণ সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করবেন। কোন মনোনয়ন পত্র প্রিসাইডিং অফিসার দ্বারা বাতিল হলে ম্যানেজিং কমিটিরকোন সদস্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে ইউএনওর নিকট পরবর্তী ২ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল দায়েরের ২ দিনের মধ্যে শুনানি বা সংক্ষিপ্ত তদন্ত্রের মাধ্যমে আপিল নিষ্পত্তি করবে। ইহাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে। প্রিসাইডিং অফিসার ফরম-৩ এ বৈধ প্রার্থী তালিকা তার অফিসে ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে টাঙ্গাবেন। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে প্রার্থীতা পরিহার লিখিত নোটিশ প্রদান করে পারবে। যদি কোন শ্রেণীর সদস্য পদে উক্ত শ্রেণি বা সমসংখ্যক বা তদাপেক্ষা কম সংখ্যক বৈধ প্রার্থী থাকে তাহলেপ্রিসাইডিং অফিসার সেই প্রার্থীকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। ভোট গ্রহণ ১০ টা- ৪ টা পর্যন্ত। ফরম ৪ অনুযায়ী ব্যালটে ভোট নিতে হবে। ব্যালটে মুড়ি পত্রে নম্বর থাকবে কিন্তু ভোটারের অংশে টা থাকবেনা। ভোট গ্রহণ আরম্ভের ১৫ মিনিট আগে সকলের সামনে ব্যালট বক্স সীলগালা করতে হবে।
১৬। ব্যালট প্রদানের পূর্বে ভোটার তালিকায় ভোটারের নামের পাসে টিক দিয়ে ব্যালটের পিছনে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর থাকতে হবে। ব্যালটে মুড়ি পত্রে ভোটার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিবেন। ভোটার নির্ধারিত স্থানে গিয়ে নামের পাসে ক্রস চিহ্ন দিয়ে ভাঁজ করে প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে বাক্সে ফেলবে। প্রিসাইডিং অফিসার ফরম ৫ এ ফলাফল সংরক্ষণ করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন। বাতিল ব্যালট পেপার- ক্রস না থাকে বা বোঝা না যায় কাকে দিয়েছে, একাধিক ক্রস থাকলে, সীলমোহর বা প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর না থাকলে। বৈধ বা বাতিল ব্যালট পেপার আলাদা খামে উপরে লিখে সিলগালা করে সংরক্ষণ করবেন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হস্তান্তর করবেন দুই বছর সংরক্ষণ করবেন । কোন শ্রেণীর সদস্য পদে সমান ভোট পড়লে তাৎক্ষণিক লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রিসাইডিং অফিসার নির্বাচন কালীন সকল বিষয়ে তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
১৭। নির্বাচনী প্রচারণায় সাড়ে পাঁচ বাই সাড়ে আট ইঞ্চি সাদা কালো লিফলেট ছাড়া অন্য খাতে ব্যয় করা যাবেনা। নির্বাচনী ক্যাম্প করা যাবেনা। মিছিল,জনসভা, অভিভাবক সভা, শোভাযাত্রা, লাউডস্পিকার,গাড়িবহর করা যাবেনা। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সভাপতি নির্বাচনের অনধিক ৩ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত ব্যক্তি গণের নাম ঠিকানা ফলাফল কপি প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরকৃত, সভাপতি নির্বাচনের কার্যবিবরণী সত্যায়িত কপি কমিটি অনুমোদনের জন্য বোর্ডে প্রেরণ করবে। বোর্ড পরে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করবে।
১৮। প্রজ্ঞাপনজারীর পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ম্যানেজিং কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠান করতে হবে। প্রতি ৩ মাসে ১বার সভা করতে হবে তবে প্রয়োজনে যতবার দরকার ততবার করতে পারবে। সদস্য সচিব সভাপতির সাথে আলোচনা করে সভার স্থান,সময়, আলোচ্য সুচি নির্ধারণ করবেন। সভার ৭ দিন আগে সভার বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। আলোচ্য সুচি বহির্ভূত কোন বিষয় সিধান্ত গ্রহণে উপস্থিত দুই তৃতীয়াংশ সদসের সম্মতির প্রয়োজন। শিক্ষক বা কর্মচারী নিয়োগ বা অপসারণে বা বরখাস্ত করণে আলোচ্য সুচি বহির্ভূত থাকলে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যাবেনা। ২৪ ঘণ্টার বিশেষ নোটিশে ১টি আলোচ্য সুচী নিয়ে আলোচনা করা যাবে। সভাপতি সভা পরিচালনা করবেন, তার অনুপস্থিতিতে সদস্য সচিব ও শিক্ষক সদস্য ব্যাতিত উপস্থিত অন্য সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনে কোন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
Copyright from:
-লায়ন মোঃ নিলয় পারভেজ
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
আলমাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ ।
05/09/2020
04/09/2020