লাখেরাজ কসবা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

লাখেরাজ কসবা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

Share

It's one of the top primary school in Gournadi. It's always brings glorious results. Established in 1951.

10/06/2023

রসগোল্লার ইংরেজি নাম কী?
এটির আসল উত্তর ছিল: রসগোল্লার ইংরেজি নাম কি?

মিষ্টির মধ্যে বাঙ্গালীদের মনে সবচেয়ে প্রিয় খাবার হলো রসগোল্লা।
তবে বাঙ্গালীদের 99% মানুষ রসগোল্লার ইংরেজি শব্দ জানেনা ।

আপনি যদি বাঙালি হয়ে থাকেন তাহলে রসগোল্লার নাম শুনেননি বা রসগোল্লা কোনো সময় খাননি সে ব্যাপারটা আমাদেরকে খুবই অবাক করবে। বাঙালি আর রসগোল্লা কে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা হয়। অর্থাৎ বাঙালির সুখ-দুঃখ সব কিছু নিয়েই রসগোল্লা। বাঙালির জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে রসগোল্লা।

রসগোল্লার ইংরেজি শব্দ হলো "সিরাপ ফিল্ড রোল" (Syrup filled roll) তবে গুগলে রসগোল্লা কে Resgulla বলা হয়। তো বন্ধুরা এবার যদি কেউ আপনাকে এরকম প্রশ্ন করে আপনাকে জব্দ করতে চায়, তাহলে আপনি তার মুখের উপর এর উত্তরটা দিয়ে দিতে পারবেন। তো বন্ধুরা রসগোল্লার ইংরেজি শব্দটি আপনার কাছে কেমন লাগলো তা কমেন্ট এ জানাতে পারেন আর কোনো প্রশ্ন থাকলেও কমেন্ট এ জানাবেন।

10/06/2023

'আমি বললাম: আমার অনেক স্বপ্ন আছে
যেগুলো বাস্তবে পূরণ করতে চাই!

আল্লাহ বললেন:
"আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দিবো।"
[আল মু'মিন ৪০:৬০]'

11/06/2022

জ্যামিতির সকল সংজ্ঞা

বিন্দু, রেখা, তল

১। স্থান কাকে বলে?
উত্তরঃ একটি নির্দিষ্ট আকারের বস্তু যতটুকু জায়গা দখল করে তাকে ঐ বস্তুর স্থান বলে।

২। রেখা কাকে বলে?

উত্তরঃ যার দৈর্ঘ্য আছে কিন্তু, প্রস্থ ও বেধ বা উচ্চতা নেই তাকে রেখা (line) বলে। রেখার কোন প্রান্ত বিন্দু নেই।
৩। সরলরেখা কাকে বলে?

উত্তরঃ যে রেখা এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে যেতে কোন দিক পরিবর্তন করে না অর্থাৎ সোজাসুজি চলে তাকে সরলরেখা (Straight Line) বলে।

৪। বক্ররেখা কাকে বলে?

উত্তরঃ যে রেখা এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে যেতে দিক পরিবর্তন করে অর্থাৎ আঁকাবাঁকা চলে তাকে বক্ররেখা বলে।

৫। রশ্মি কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি কোন রেখাংশের একটি প্রান্তবিন্দুর অবস্থান ঠিক রেখে অপর প্রান্তবিন্দুটি ইচ্ছেমত বাড়ানো যায়, তবে তাকে রশ্মি (Ray)বলে।

৬। বিন্দু কাকে বলে?

উত্তরঃ যার শুধু অবস্থান আছে কিন্তু দৈর্ঘ্য,প্রস্থ ও বেধ বা উচ্চতা কিছুই নেই তাকে বিন্দু বলে। বিন্দুকে শূণ্য মাত্রার সত্ত্বা ধরা হয়।

অথবা, যার শুধু অবস্থান আছে কিন্তু দৈর্ঘ্য,প্রস্থ ও বেধ বা উচ্চতা কিছুই নেই তাকে বিন্দু বলে।

৭। রেখাংশ কাকে বলে?

উত্তরঃ প্রকৃতপক্ষে রেখা হল কতগুলো বিন্দুর সমষ্টি। রেখার সীমাবদ্ধ অংশকে রেখাংশ (Parts of line)বলে।

৮। তল কাকে বলে?

উত্তরঃ যার শুধু দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে কিন্তু বেধ নেই তাকে তল বলে। অথবা, ঘন বস্তুর উপরিভাগকে তল বলে।

৯। লম্ব কাকে বলে?

উত্তরঃ একই রেখার উপর দুটি সন্নিহিত কোণ পরস্পর ৯০ ডিগ্রী বা সমকোণ হলে, সমকোণের বাহু দুটি পরস্পরের উপর লম্ব।

১০। সমান্তরাল রেখা কাকে বলে?

উত্তরঃ একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।

১১। ছেদক কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।

কোণ
১২। কোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি দুইটি সরলরেখা পরস্পরের সাথে কোনো বিন্দুতে মিলিত হয়, তবে মিলন বিন্দুতে কোণ উৎপন্ন হয়। দুটি সরলরেখা তির্যকভাবে পরস্পরের সাথে মিলিত হলে মিলিত বিন্দুতে কোণ উৎপন্ন হয়।

১৩। সূক্ষ্মকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ এক সমকোণ (90 ডিগ্রী) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে।

১৪। স্থূলকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।

১৫। সমকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ = 90 ডিগ্রী

১৬। প্রবৃদ্ধকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360 > x > 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ কোণ।

১৭। সরলকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ দু’টি সরল রেখা পরস্পর বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ দুই সমকোণের সমান বা 180 ডিগ্রী।

১৮। বিপ্রতীপকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের একটিকে তার বিপরীত কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে।

১৯। সম্পূরককোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ দু’টি কোণের সমষ্টি 180 ডিগ্রী বা দুই সমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে

২০। পূরককোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 ডিগ্রী হলে একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে
২১। একান্তরকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাদেরকে একে অপরের একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।

২২। অনুরূপকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের সাথে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।

২৩। সন্নিহিতকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।

ত্রিভুজ
২৪। ত্রিভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।

২৫। সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90 ডিগ্রী ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।

২৬। স্থূলকোণীত্রিভূজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।

২৭। সমকোণী ত্রিভূজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।

২৮। লম্বকেন্দ্র কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)।

২৯। সমবাহু ত্রিভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুই সমান তাকে সমবাহু ত্রিভুজ বলে।

৩০। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে ত্রিভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান এবং অপর বাহুটি অসমান তাকে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলে।

৩১। বিষমবাহু ত্রিভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুই পরস্পর অসমান তাকে বিষোমবাহু ত্রিভুজ বলে।

৩২। অতিভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণের বিপরীত বাহুর নাম অতিভুজ। পিথাগোরাসের বিখ্যাত উপপাদ্য অনুযায়ী সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের বর্গ এর সমকোণ-সংলগ্ন দুই বাহুর বর্গের যোগফলের সমান।

৩৩। অন্তঃস্থ কোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের অভ্যন্তরস্থ কোনগুলিকে অন্তঃস্থ কোণ বলে। ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি ১৮০°।

৩৪। বহিঃস্থ কোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের বাহুগুলিকে বর্ধিত করলে যে কোণগুলি পাওয়া যায়, তাদেরকে বহিঃস্থ কোণ বলে। । যেকোন বহিঃস্থ কোণ এর অন্তঃস্থ বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।

৩৫। মধ্যমা কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের কোন শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত আঁকা রেখাকে বলা হয় ত্রিভুজটির একটি মধ্যমা। ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা একই বিন্দুতে ছেদ করে এবং এটি প্রতিটি মধ্যমার শীর্ষবিন্দু থেকে দুই-তৃতীয়াংশ দূরত্বে অবস্থিত।

৩৬। ত্রিভুজের উচ্চতা কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের কোন শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বকে ঐ ত্রিভুজের উচ্চতা বলে।

৩৭। সর্বসম ত্রিভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ দুইটি ত্রিভুজকে সর্বসম বলা হয় যদি এগুলি নিচের তিনটি শর্তের সেটের যেকোনটি পূরণ করে:

(১) একটি ত্রিভুজের এক বাহু ও দুইটি কোণ অন্যটির অনুরূপ বাহু ও দুইটি কোণের সমান;

(২) কোন একটি ত্রিভুজের দুই বাহু এবং এদের অন্তর্ভুক্ত কোণ অন্য ত্রিভুজটির দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণের সমান; অথবা

(৩) একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহু অপর ত্রিভুজের তিন বাহুর সমান। যদি একই সমতলে অবস্থিত দুইটি ত্রিভুজকে নিখুঁতভাবে একটির উপর আরেকটিকে বসিয়ে দেয়া যায়, তবে তারা সরাসরি সর্বসম। আর যদি বসানোর আগে একটিকে উল্টে নিতে হয়, তবে ত্রিভুজ দুটি বিপরীতভাবে সর্বসম।

৩৮। সদৃশ ত্রিভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি দুইটি ত্রিভুজের একটির সবগুলি কোণ অন্যটির সবগুলি কোণের সমান হয়, তবে তাদেরকে সদৃশ ত্রিভুজ বলা হয় এবং এদের অনুরূপ বাহুগুলি সমানুপাতিক হয়।

৩৯। অন্তঃকেন্দ্র কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো সমবিন্দু । এ বিন্দুই ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।

৪০। পরিকেন্দ্র কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয় সমবিন্দু। এই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।

৪১। ভরকেন্দ্র কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । এই বিন্দুকে ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র বলে।

৪২। লম্ববিন্দু কাকে বলে?

উত্তরঃ ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। এই বিন্দুকে ত্রিভুজের লম্ববিন্দু বলে।
চতুর্ভুজ
৪৩। চতুর্ভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভুজ বলে।

৪৪। কর্ণ কাকে বলে?

উত্তরঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।

৪৫। সামান্তরিক কাকে বলে?

উত্তরঃ যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান (কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়) , তাকে সামান্তরিক বলে।

৪৬। আয়তক্ষেত্র কাকে বলে?

উত্তরঃ যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।

৪৭। বর্গক্ষেত্র কাকে বলে?

উত্তরঃ যে চতুর্ভুজের চারটি বাহুই পরস্পর সমান এবং কোণগুলো সমকোণ তাকে বর্গক্ষেত্র বলে।

৪৮। রম্বস কাকে বলে?

উত্তরঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়

৪৯। ট্রাপিজিয়াম কাকে বলে?

উত্তরঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান, তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে।

৫০। সুষম বহুভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।

বৃত্ত
৫১। বৃত্ত কাকে বলে?

উত্তরঃ একই সমতলে অবস্থিত একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে সমদুরবর্তী সকল বিন্দু দ্বারা গঠিত সুষম আবদ্ধ বক্রাকার চিত্রকে বৃত্ত বলে

৫২। কেন্দ্র কাকে বলে?

উত্তরঃ যে নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে বৃত্তের পরিধির উপর সকল বিন্দুর দূরত্ব সমান সেই বিন্দুকে কেন্দ্র বলে।

৫৩। ব্যাসার্ধ কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধির উপর যেকোনো বিন্দুর দূরত্ব কে ব্যাসার্ধ বলে।

৫৪। জ্যা কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের পরিধির উপর যেই কোন দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশ কে জ্যা বলে।

৫৫। ব্যাস কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের কেন্দ্রগামী জ্যাকে ব্যাস বলে।

৫৬। পরিধি কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের সীমান্ত বরাবর দৈর্ঘ্যকে পরিধি বলে।

৫৭। বৃত্তচাপ কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের যেকোনো দুটি বিন্দুর মধ্যে পরিধির অংশকে চাপ বলে।

৫৮। অর্ধ-বৃত্তচাপ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য পরিধির অর্ধেক তাকে অর্ধবৃত্ত বলে।

৫৯। বৃত্তাংশ কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের একটি জ্যা ও একটি চাপ দ্বারা গঠিত অংশকে বৃত্তাংশ বলে।

৬০। বৃত্তকলা কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের দুইটি ব্যাসার্ধ ও একটি চাপ দ্বারা গঠিত অঞ্চলকে বৃত্তকলা বলে।

৬১। বৃত্তস্থকোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃত্তের দুটি জ্যা পরস্পর কে বৃত্তের উপর কোন বিন্দুতে ছেদ করলে এদের মধ্যবর্তী কোণকে বৃত্তস্থ কোণ বা বৃত্তে অন্তর্লিখিত কোন বলে।

৬২। কেন্দ্রস্থ কোণ কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি কোণের শীর্ষবিন্দু কোন বৃত্তের কেন্দ্রে অবস্থিত হলে কোণটিকে ঐ বৃত্তের একটি কেন্দ্রস্থ কোণ বলা হয়।

৬৩। বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে চতুর্ভুজের চারটি শীর্ষবিন্দু বৃত্তের উপর অবস্থিত হয় সেই চতুর্ভুজকে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ বলে।

৬৪। স্পর্শক কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে সরলরেখাটিকে বৃত্তের স্পর্শক বলা হয়।

Also read :গণিতের সূত্র | পর্বঃ ৩ | পরিমিতি অধ্যায়ের সূত্র | Formulas for Mensuration
৬৫। সাধারণ স্পর্শক কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি সরলরেখা যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয় তবে উক্ত রেখাটিকে সাধারণ স্পর্শক বলা হয়।

৬৬। পরিবৃত্ত কাকে বলে?

উত্তরঃ তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।

৬৭। পরিকেন্দ্র কাকে বলে?

উত্তরঃ পরিবৃত্তের কেন্দ্র কে পরিকেন্দ্র বলে।

কনিক
৬৮। কনিক কাকে বলে?

উত্তরঃ কার্তেসীয় সমতলে একটি নির্দিষ্ট বিন্দু ও একটি নির্দিষ্ট সরলরেখা থেকে যে সব বিন্দুর দূরত্বের অনুপাত একটি ধ্রুবক, তাদের সেই একটি সঞ্চারপথ এবং তাকে কনিক বলা হয় ।

৬৯। উপবৃত্ত কাকে বলে?

উত্তরঃ উপবৃত্ত হলো কতকগুলো বিন্দুর সমন্বয়ে গঠিত এমন একটি সমতলীয় বদ্ধ বক্ররেখা যেন ঐ বক্ররেখার উপর অবস্থিত যে কোন বিন্দু হতে দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দুর দুরত্বের সমষ্টি সব সময়ই একটি নির্দিষ্ট ধ্রূবক। প্রতিটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে উপবৃত্তের ফোকাস বা উপকেন্দ্র বলে। যেহেতু এমন দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দু রয়েছে, তাই উপবৃত্তের ফোকাস বা উপকেন্দ্র দুইটি। ফোকাস বিন্দু দুইটির মধ্যবর্তী দুরত্বকে ফোকাস দুরত্ব বলে। উপকেন্দ্র বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশের মধ্যবিন্দুই হলো উপবৃত্তের কেন্দ্র।

৭০। অধিবৃত্ত কাকে বলে?

অধিবৃত্ত হলো কতকগুলো বিন্দুর সমন্বয়ে গঠিত এমন একটি সমতলীয় খোলা বক্ররেখা যেন ঐ বক্ররেখার উপর যেকোন বিন্দু হতে একটি নির্দিষ্ট বিন্দু এবং একটি নির্দিষ্ট রেখা উভয়েরই দুরত্ব সমান। নির্দিষ্ট বিন্দুটিকে বলা হয় অধিবৃত্তের উপকেন্দ্র বা ফোকাস এবং নির্দিষ্ট রেখাটিকে বলা হয় অধিবৃত্তের দ্বিকাক্ষ।

পরাবৃত্ত
৭১। পরাবৃত্ত কাকে বলে?

উত্তরঃ পরাবৃত্ত হলো কতকগুলো বিন্দুর সমন্বয়ে গঠিত এমন দুইটি সমতলীয় খোলা বক্ররেখা যেন ঐ বক্ররেখা দুইটির অভ্যন্তরস্থ দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দু হতে প্রতিটি বক্ররেখার উপর অবস্থিত যেকোন একটি বিন্দুর দুরত্বের পার্থক্যের পরম মান সবসময়ই একটি নির্দিষ্ট ধ্রূবকের সমান। প্রতিটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে ফোকাস বা উপকেন্দ্র বলে। যেহেতু এমন দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দু রয়েছে, তাই পরাবৃত্তের উপকেন্দ্র দুইটি। উপকেন্দ্রদ্বয়ের সংযোজক রেখাংশের মধ্যবিন্দুকে পরাবৃত্তের কেন্দ্র বলে। দ্বিমাত্রিক জগতে পরাবৃত্ত হলো একই সমতলে অবস্থিত দুইটি প্রতিসাম্য বক্ররেখা বা একটি বক্ররেখা আরেকটির আয়না প্রতিচ্ছবি।

৭২। পরাবৃত্তের ফোকাস বা উপকেন্দ্র কাকে বলে?

উত্তরঃ ফোকাস বা উপকেন্দ্র হলো পরাবৃত্ত বক্ররেখার অভ্যন্তরস্থ এমন দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দু যাদের থেকে পরাবৃত্ত বক্ররেখা দুইটির যেকোন একটির উপর যেকোন বিন্দুর দুরত্বের পার্থক্যের পরম মান একটি নির্দিষ্ট ধ্রূবক।

৭৩। পরাবৃত্তের কেন্দ্র কাকে বলে?

পরাবৃত্তের উপকেন্দ্র দুইটির সংযোজক রেখাংশের মধ্যবিন্দুকে পরাবৃত্তের কেন্দ্র বলে। অন্যভাবে বললে, পরাবৃত্তের বৃহৎ অক্ষ ও ক্ষুদ্র অক্ষের ছেদ বিন্দুকে কেন্দ্র বলে। তাছাড়া এই কেন্দ্র বিন্দুতে অক্ষদ্বয় পরস্পর সমকোণে মিলিত হয়।

৭৪। পরাবৃত্তের বৃহৎ অক্ষ কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃহৎ অক্ষ হলো উপকেন্দ্রদ্বয় দিয়ে অতিক্রমকারী সরলরেখা। পরাবৃত্তের বৃহৎ অক্ষ আবার প্রতিসাম্য রেখা বলে পরিচিত। বৃহৎ অক্ষের দৈর্ঘ্য হলো 2a. সুতরাং, অর্ধ বৃহৎ অক্ষের দৈর্ঘ্য হলো a.

৭৫। পরাবৃত্তের শীর্ষ কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃহৎ অক্ষ পরাবৃত্তকে যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে শীর্ষ বিন্দু বলে। অন্যভাবে বললে, উপকেন্দ্রদ্বয়ের সংযোজক রেখাংশ পরাবৃত্ত বক্ররেখা দুইটিকে যে দুইটি বিন্দুতে ছেদ করে তাদেরকে শীর্ষ বিন্দু বলে। কেন্দ্র থেকে যেকোন শীর্ষ বিন্দুর দুরত্ব $a$ যা অর্ধ বৃহৎ অক্ষের দুরত্বের সমান।

৭৬। পরাবৃত্তের অসীম তট কাকে বলে?

উত্তরঃ অসীম তট হলো কেন্দ্রগামী এমন একটি সরলরেখা যা পরাবৃত্তের বক্ররেখাকে কখনও ছেদ করবে না।

৭৭। পরাবৃত্তের ফোকাস দুরত্ব বা উপকেন্দ্রিক দুরত্ব কাকে বলে?

উত্তরঃ কেন্দ্র থেকে যেকোন ফোকাস বা উপকেন্দ্রের দুরত্বকে ফোকাস দুরত্ব বা উপকেন্দ্রিক দুরত্ব বলে।

৭৮। পরাবৃত্তের উপকেন্দ্রিকতা কাকে বলে?

উত্তরঃ ফোকাস দুরত্ব ও অর্ধ বৃহৎ অক্ষের দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে উপকেন্দ্রিকতা বলে। এটিকে e দ্বারা সূচিত করা হয়। যদি পরাবৃত্তের ফোকাস দুরত্ব c এবং অর্ধ বৃহৎ অক্ষের দৈর্ঘ্য a হয়, তাহলে উপকেন্দ্রিকতা e = ca পরাবৃত্তের উপকেন্দ্রিকতা সবসময় এক অপেক্ষা বড় অর্থাৎ e > 1.

৭৯। পরাবৃত্তের দ্বিকাক্ষ বা নিয়ামক কাকে বলে?

উত্তরঃ দ্বিকাক্ষ বা নিয়ামক হলো কেন্দ্র হতে a2c একক দুরত্বে অবস্থিত বৃহৎ অক্ষের উপর লম্ব একটি সরলরেখা যেখানে a ও c হলো যথাক্রমে অর্ধ বৃহৎ অক্ষের দৈর্ঘ্য ও ফোকাস দুরত্ব। একটি পরাবৃত্তের এরূপ দুইটি দ্বিকাক্ষ থাকে।

৮০। পরাবৃত্তের উপকেন্দ্রিক লম্ব কাকে বলে?

উত্তরঃ বৃহৎ অক্ষের উপর লম্ব এবং যেকোন উপকেন্দ্রগামী জ্যাকে উপকেন্দ্রিক লম্ব বলে। অন্যভাবে বলা যায়, উপকেন্দ্রিক লম্ব হলো বৃহৎ অক্ষের উপর লম্ব এবং উপকেন্দ্রগামী এমন একটি রেখাংশ যার প্রান্তবিন্দুদ্বয় পরাবৃত্তের বক্ররেখার উপর অবস্থিত। এটি উপকেন্দ্রগামী একটি বিশেষ জ্যা। আবার এটি উপকেন্দ্রগামী একটি অনন্য জ্যা যা বৃহৎ অক্ষ বা প্রতিসাম্য অক্ষ দ্বারা সমদ্বিখণ্ডিত হয়।

অন্যান্য
৮১। গোলক কাকে বলে?

উত্তরঃ দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।

৮২। ঘনবস্তু কাকে বলে?

উত্তরঃ তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে ঘনবস্তু বলে।

৮৩। ঘনক কাকে বলে?

উত্তরঃ আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।

৮৪। কোণক কাকে বলে?

উত্তরঃ কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে

৮৫। সিলিন্ডার বা বেলন কাকে বলে?

একটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলন বলে ।
collected: wisilife

~~শেয়ার করে রেখে দিন আপনার টাইমলাইনে

22/04/2022

লাইলাতুল ক্বদরের বিশেষ দুআ:
________

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি যদি জানতে পারি যে, কোন রাতটি লাইলাতুল ক্বদর ; তাহলে তখন কোন দুআটি পাঠ করব? তিনি বললেন, তুমি বল,

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّى

"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুয়্যুন তুহিব্বুল আ'ফ ওয়া ফা'ফু আ'ন্নী।"
অর্থ - “হে আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল। আপনি ক্ষমা করতে ভালবাসেন। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।” [তিরমিযী, ইবনে মাযাহ]

05/11/2021

আলহামদুলিল্লাহ...!🙂🥀

দুবাইয়ের প্রিন্স বাংলাদেশের হাফেজ তরিকুল ইসলাম কে ৬০ লক্ষ টাকা পুরুস্কার তুলে দিচ্ছেন কারন সে বাংলাদেশের হয়ে ১০৩ টি দেশকে হারিয়ে প্রথম স্হান অর্জন করেছে।
পক্ষান্তরে দুনাইয়ে বাংলাদেশের ১১ জন ক্রিকেটার মিলে ৫ টি ম্যাচ হেরে খালি হাতে দেশে ফিরছে।

দুবাইয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা থাকবে দুইভাবে।

বাংলােশের আমার প্রিয় ছাত্র হাফেজ তরিকুল ইসলাম একাই ১০৩ টি দেশকে হারিয়েছে।
আর ১১ জন মিলে ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ৫ টি ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ।

খেলোয়াড়রা ম্যাচ জিতলে পায় গাড়ী-বাড়ীসহ আরো কত কিছু, পক্ষান্তরে হাফেজে কুরআনগণ ১০৩ টি দেশকে হারিয়ে বাংলাদেশকে বার বার বিজয়ী করে লাল সবুজের দেশকে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরছে। কিন্তু হাফেজে কুরআনদেরকে গাড়ী বাড়ীতো দুরের কথা সরকারীভাবে সংবর্ধনার ব্যাবস্থা ও করা হয়না।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা একটি ম্যাচ জিততে না পারলেও এয়ারপোর্টে তারা আসলে সাংবাদিকদের অভাব থাকবেনা।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েও এয়ারপোর্টে এসে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা তো দূরের কথা সাংবাদিক ভাইদেরও খুঁজে পাওয়া যায় না।

(একজন হাফেজে কুরআনও বাংলাদেশী নাগরিক
আর একজন খেলোয়ারও বাংলাদেশী নাগরিক,
তাহলে দুজনের সাথে দুরকমের আচরণ কেন?)

✍Neshar Ahammed - নেছার আহমাদ

https://www.facebook.com/neshar.info/posts/424484145799817

24/02/2021

🔲সূরা ইখলাস,
🔹সূরা নাস,
🔸সূরা ফালাক,
🔹সূরা কাফিরুন
এই ৪ টি সুরার প্রতিদিনের আমলঃ'চার কুল' নামে পরিচত..
পবিত্র কুরআনের ৪টি সূরা যথাঃ সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস,
এই ৪টি সূরা খুবই ফজিলতপূর্ণ,আসুন হাদীসের আলোকে উক্ত সূরা সমূহের ফজিলত জেনে নিইঃ

🌹✅১- "সূরা কাফিরূনের" ফযীলত,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন যে ব্যক্তি একবার ‘সূরা কাফিরূন পড়বে তার জন্য এক চতুর্থাংশ কুরআনের সওয়াব লেখা হবে।
(তিরমিযী , হাদীস নং ২৮৯৩)

🔲🔹রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেছেন যে ব্যক্তি ঘুমানোর সময় সূরা কাফিরূন পড়বে সে শিরক থেকে মুক্তি পাবে।
(সুনানে আবূ দাউদ,
হাদীস নং ৫০৫৫)

🌹🔲২- "সূরা ইখলাসের" ফজিলত⬇
🔹রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন যে ব্যক্তি ‘কুল হুঅল্লাহু আহাদ’(অর্থাৎ সূরা ইখলাস) ১০ বার পাঠ করবে, আল্লাহ্ সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতে এক মহল নির্মাণ করবেন।
(মুসনাদে আহমদ, সিলসিলাহ
সহিহাহ, সহিহ আল জামে
আস-সগির ৬৪৭২)

🔸রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেছেন,“সূরা ইখলাস কুরআনের এক
তৃতীয়াংশের সমতুল্য”(অর্থাৎ, এই সূরা পড়লে এক তৃতীয়াংশের কুরআন পড়ার
সমান নেকী অর্জিত হয়।)
(সহীহুল বুখারি ৫০১৫)

🔲🌹৩- "সূরা ফালাক" ও🌹৪- "সূরা নাস"
এর ফজীলতঃ🔹⬇

🔹রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন এ সূরা দু’টি তুলনাহীন। আর রসূলুল্লাহ (সাঃ) প্রত্যেক নামাযের পর উক্ত সূরা দু’টি
পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
(তিরমিযী, হাদীস নং
২৯০২ ও ২৯০৩)

🔹রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেছেন যে কোনো বিপাদাপদ থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থণা করার জন্য এ দু’টি সূরার ন্যায় আর
কোন সূরা নেই।
(সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং ১৪৬৩)

05/02/2021

কসবা মসজিদ

কসবা মসজিদটি গৌরনদী উপজেলাধীন কসবা গ্রামে অবস্থিত নয় গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদটি বাগের হাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের অনুরুপ বর্গাকারে নির্মিত এ মসজিদের পরিমাপ ১১.৬৮ মিটার ×১১.৬৮ মিটার এবং দেয়াল গুলো ২.১৮ মিটার চওড়া।
মসজিদের সম্মুখ ভাগ ফুল ও অন্যান্য নকসায় ভরপুর। মসজিদের চার কোনে চারটি গোলাকার টারেক রয়েছে। টারেক গুলো রেখায় আলংকৃত। মসজিদের উল্লেখ যোগ্য বৈশিষ্ট হল। কার্নিশ গুলো বর্গকারে নির্মিত। উত্তর ও দক্ষিন দিকে একটি খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ আছে। পূর্ব দিকে মসজিদের ভিতরে প্রবেশের জন্য তিনটি পথ রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মেহরাব আছে।

মসজিদটি দেখে মনে হয় ইহা পঞ্চদশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময় খানজাহান রহঃ এর আমলে নির্মিত।স্থানীয়ভাবে এটি আল্লাহর সমজিদ নামে পরিচিত ।

bn.wikipedia.org/wiki/কসবা_মসজিদ

www.barisalpedia.net.bd/barisalpedia/index.php?title=কসবা_মসজিদ,_গৌরনদী

05/02/2021

হযরত মল্লিক দূত কুমার শাহ রাঃ এর মাজার

হযরত মল্লিক দূত কুমার পীর সাহেব রাঃ এর মাজার শরীফ গৌরনদী উপজেলাধীন লাখেরাজ কসবা গ্রামে অবস্থিত। মাজারটি আরবের ইয়েমেনের বাদশাহর দ্বিতীয় পুত্র বাদশা জাহাঙ্গীরের আমলে স্থাপিত। মাজার সংলগ্ন উত্তর পার্শে একটি মসজিদ রয়েছে। এই উপমহাদেশে তিনি মূলত ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। তার আমলে কসবা গ্রামের খাজনা মওকুফ করেছেন বলে বলে গ্রামটির নাম হয়েছে লাখেরাজ কসবা। স্থানীয় ভাবে জনা যায় যে, তিনি বাঘের পিঠে চরে বেরাতেন এবং গাভীগুলো সেচ্ছায় তাকে দুত পান করাতেন ।

কিভাবে যাওয়া যায়:টরকী বন্দর বাস স্ট্যান্ড নেমে হেটে যাওয়া যায় ।

http://www.barisal.gov.bd/site/tourist_spot/512f2378-1796-11e7-9461

05/02/2021

গৌরনদীতে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত
NewsBarisal.com
প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০১৯

বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী লাখেরাজ কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও মেধা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্টান বুধবার স্কুল মাঠে অনুষ্টিত হয়।

বিকেলে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্টান স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জাকি রিপন সরদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফয়সল জামিল। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর কাউন্সিলর কাজী তৌফিক ইকবাল স্বজল,

গৌরনদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার যথাক্রমে বদিউজ্জামান, এসএম বজলুর করীম, আব্দুল মন্নান মিয়া, নারিরা আফরিন, চাঁদশী ঈশ্বর চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক কাজী আসাদুজ্জামান,

পৌর কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ শাহজাহান বেপারী, টরকী বন্দর আদর্শ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব কবির উদ্দিন মাঝি, উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি সেলিম আহম্মেদ, সাধারন সম্পাদক কুতুব উদ্দিন,

উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমাজের সাধারন সম্পাদক সুদাম পাল, সহ-সম্পাদক এইচএম জাকির হোসেন, মোঃ বোরহান উদ্দিন, সুব্রত পাল, জাকির হোসেন প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন হাওলাদার, মন্দ্রিরা রানী পাল, কামরুল ইসলাম, নুর নাহার, হুসনে আরা বেগম, সহকারী শিক্ষক আবুল খায়ের,

স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন সরদার, রুবেল খান, রায়হান সরদারসহ বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ। শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

https://newsbarisal.com/?p=33225

05/02/2021

অটোপাসে বরিশাল বোর্ডে জিপিএ-৫ বেড়েছে ৫ গুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে পরীক্ষাবিহীন এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল বোর্ডে শতভাগ পাস করেছে। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে প্রায় ৫ গুন। গত বছর এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক হাজার ২০১ জন। আর এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে পাঁচ হাজার ৫৬৮ জন শিক্ষার্থী। তবে পরীক্ষাবিহীন ফলাফল পেয়ে খুব একটা খুশি নন তুলনামূলক মেধাবী শিক্ষার্থীরা। আর বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘোষিত ফলাফলে কেউ হতাশ হবেন না।

শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার পরীক্ষা ছাড়া এসএসসি, জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের গড় মূল্যায়ন করা হয়েছে। শনিবার (৩০জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১১ টায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ড এর পরীা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন সাংবাদিকদের হাতে পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছিলো ৬৮ হাজার ৯২০ জন। যাদের প্রত্যেকেই পাস করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে পাঁচ হাজার ৫৬৮ জন। গতবার জিপিএ-৫ ছিলো এক হাজার ২০১ জন। আর ২০১৮ সালে ৬৭০ জন। গতবারের থেকে এবার জিপিএ-৫ এর সংখ্যা চার হাজার ৬৬৭টি বেশি।

এ ব্যাপারে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন বলেন, এবারের ফলাফলে কেউ হতাশ হবে না বলে আশা রাখি। তবুও ফলাফলের ব্যাপারে কারো আপত্তি থাকলে টেলিটকের মাধ্যমে রিভিউ করার সুযোগ আছে সাতদিনের মধ্যে।

উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের পর এবারই পরীক্ষাবিহীন সকল শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের কারণে ১৯৭১ সালে সকল পরিক্ষার্থীকে অটোপাস করানো হয়েছিল।

newsbarisal.com/?p=104181

05/02/2021

গৌরনদীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ | DailyNatunDiganto.Com

dailynatundiganto.com/গৌরনদীতে-শিক্ষার্থীদের-ম/

05/02/2021

গৌরনদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কারে সরকারি বরাদ্দের কোটি কোটি টাকা লোপাট
প্রথম পর্ব

বরিশালের গৌরনদী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কারে সরকারি বরাদ্দের অর্থ প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,শিক্ষক ও একাধীক দপ্তরের যোগসাজসে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অনুসন্ধানী ধারাবাহিক রিপোর্টের প্রথম পর্ব।
আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাম মাত্র সংস্কার কাজ করে কয়েকজন শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফয়সাল জামিলের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ লোপাটের মহাউৎসব চলছে। তালিকাভূক্ত কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টিনসেড ঘর ক্ষতিগ্রস্তের কথা উল্লেখ করা হলেও সরেজমিনে কোন টিনসেড ঘর পাওয়া যায়নি। এমনকি শিক্ষা অফিসারের সাথে দুর্নীতির সক্ষতা না থাকায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল বরাদ্ধই পায়নি। অনেক শিক্ষক চাকুরির সুবাদে বাদ্য হচ্ছেন শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্নীতির সহযোগী হতে। নির্ভরযোগ্য সুত্র মতে শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারী একাধীক দপ্তর ফ্রি স্টাইল দুর্নীতি করেও রহস্যজনক ভাবে পার পেয়ে যাচ্ছেন। কেঁচো খুরতে সাপ বেড়িয়ে যাওয়ার মত এ দুর্নীতি থামাতে দুর্নীতিদমন কমিশন সহ সরকারের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল।





জানাগেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করেন। সে অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় গুলো সংস্কারের জন্য ২০১৯-২০ অর্থ বছরের আওতায় উপজেলার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সমরসিংহ, লাখেরাজ কসবা, টরকীর চর, ইল্লা, নরসিংহলপট্টি, দক্ষিন বিল্বগ্রাম, উত্তর রামসিদ্দি, উত্তর চাঁদশী, কাঁঠালতলী, মিয়ারচর, জয়শুরকাঠি, সাহেবেরচর, দক্ষিণ হোসনাবাদ, উত্তর পালরদী,কান্ডপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকূলে দেড়লাখ টাকা করে সর্বমোট ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

সরেজমিন স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় থাকা টরকীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টি পাকা ভবন রয়েছে। এর একটি ভবনের নির্মাণ কাজ গত বছর সম্পন্ন হয়েছে। এরমধ্যে কোনটিই আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। অথচ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ওই বিদ্যালয়টিকে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় দেখিয়ে সংস্কারের জন্য দেড়লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামরুল হাছান বলেন, পুরানো ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার কারণে বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে ছাদে প্যাটেনস্টোন করা হয়েছে।
বেজগাতি মৈস্তারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২টি পাকা ভবন রয়েছে। এরমধ্যে কোনটিই আম্পানে ক্ষতিগ্র্স্ত হয়নি। অথচ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ওই বিদ্যালয়টিকে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তের তালিকাভূক্ত করে সরকারি অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। এমনকি ওই বিদ্যালয়ে কোন টিনের ঘর না থাকা সত্তেও প্রতিবেদনে একটি টিনের ঘর ক্ষতিগ্রস্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিদ্যালয়ে দেড়লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোন কাজ করা হয়নি। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্পনা রানী জানান, বিদ্যালয়টিতে পূর্বে টিনসেড ঘর ছিলো। ৩ বছর পূর্বে নতুন পাকা ভবন নির্মাণ হয়েছে। বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করা হয়নি। তবে বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে নতুন করে একটি টিনের ঘর নির্মাণ করা হবে। একই ভাবে ইল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সরমসিংহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আম্পানে কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ওই বিদ্যালয়ে কোন টিনসেড ঘর দেখা যায়নি।

একাধিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় থাকায় লাখেরাজ কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সমরসিংহ, টরকীর চর, ইল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অধিকাংশ বিদ্যালয় নামেমাত্র সংস্কার কাজ করে বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন।
উত্তর পালরদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। অথচ ্ওই স্কুলে আম্পানে কোন ক্ষতিগ্রস্তর প্রমান পাওয়া যায়নি। ্ওই স্কুল কমিটির সভাপতি ছালাম মিয়া জানান তারা বরাদ্ধের দের লাখ টাকার মধ্যে হাতে পেয়েছেন ১লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং কাজ করেছেন । একই ভাবে দক্ষিন বিল্বগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিমল কর বলেন বরাদ্ধকৃত ১লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুকুলে তারা পেয়েছেন ১ লাক ২৩ হাজার টাকা সেখান থেকেও শিক্ষা অফিসকে বাড়তি ৫হাজার টাকা দেয়া হয়েছে উৎকোচ। বাকী টাকা নাকি ভ্যাট হিসেবে কাটা হয়েছে। কিন্ত সরকারী বিধি অনুসারে এসব বরাদ্ধে সারে সাত পার্সেন্ট ভ্যাট কাটা হয়।
উপজেলা সদরের দক্ষীন বিজয়পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফিরোজ সিকদার জানান,আম্পানে স্কুলের একটি ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি ভবনের উপর গাছ পরে আছে অথচ আমাদের স্কুলে কোন বরাদ্ধ আমরা পাইনি। শিক্ষা অফিস থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দুরে হরিসোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিলন খলিফা জানালেন তার স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোন বরাদ্ধ নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এখাধীক শিক্ষক জানান মহান পেশায় এসে বিলের জন্য ২হাজার ৫শ টাকা উৎকোচ দেয়া লাগল। সুত্রটি আরো জানায় এ বছর ৩৫ জন নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকের প্রত্যেককে বিলের জন্য ২৫শ টাকা করে উৎকোচ দেয়া লাগছে শিক্ষা কর্মকর্তাকে। শিক্ষা কর্মকর্তার ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন শিক্ষক মুখ খুললে তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করা হয়। যে কারনে প্রকাশ্যে কেহ এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে মূখ খুলতে চান না। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রতি বছর বিভিন্নখাতে সরকারি বিভিন্ন বরাদ্ধের অর্থ লোপাটের এক মহা উৎসব চলছে। এ গুলি দেখার কেহ নাই। অফিসের সামনে ”প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতি মুক্ত” সাইন বোর্ড লাগিয়ে নির্বিগ্নে দুর্নীতি করা হচ্ছে।
সুত্রমতে শিক্ষা অফিসের দুর্নীতির মহা উৎসবের ঘটনাটি এলাকায় চাউর হয়ে যাওয়ায় কয়েকজন শিক্ষক প্রতিনিধি ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য প্রভাবশালীদের দারস্ত হচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক জানান, মূলত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে যে সব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সখ্যতা ও সু-সম্পর্ক রয়েছে, সে সব বিদ্যালয় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকাভূক্ত করে বরাদ্দসহ সব রকম সরকারী সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়। কয়েকটি বিদ্যালয়ের প্রথান শিক্ষকরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে আতাত করে জুন ক্লেজিংয়ে বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষা অফিসার ফয়সাল জামীল করোনার আগে এক যোগে ২৪টি স্কুলে পাঠদান বন্ধ রেখে বনভোজনে গিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পরেছিলেন।
গৌরনদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফয়সাল জামিলের বক্তব্য নিতে একাধীকবার মুঠো ফোনে কল দিলেও তিনি ফোন রিসিপ করেননি। তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোন জবাব দেননি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন এ বিষয়ে আমি কোন অভিযোগ পাইনি, যদি কেহ অভিযোগ করে এবং তদন্ত সাপেক্ষ প্রমান পেলে কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
বরিশাল জেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবদুল লতিফ মজুমদার বলেন এ বিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি, তবে সুনিদৃষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ বিভাগীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
(আগামি পর্বে গৌরনদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোটিকোটি টাকা লোপাট ২য় পর্ব)

/www.sabuzbangla.com/topics/18080

Want your school to be the top-listed School/college in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Gournadi
Barishal