জাগুয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন

জাগুয়া ব্লাড  ফাউন্ডেশন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জাগুয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন, জাগুয়া, Barishal.

12/01/2018

দয়াকরে নিচের নিয়মগুলে মেনে পোষ্ট করুন:-
১.রোগির সমস্যা,
২.রক্তের গ্রুপ ও কত ব্যাগ লাগবে,
৩.হসপিটালের নাম ও ঠিকানা,ব্লক/ওয়ার্ড,কেবিন/বেড নাম্বার,কত তলায়,(হসপিটালে এ্যাডমিন না থাকলে,বহি:বিভাগ লিখবেন)
৪.কোন দিন এবং কোন সময়ের মধ্যে লাগবে।
৫.মোবাইল নাম্বার এবং যার নাম্বার দিবেন তিনি রোগির কি হন।
৬.রক্তের ব্যবস্থা হলে অবশ্যই পোষ্ট এর নিচে রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে লিখে কমেন্টস করবেন।
৭.রক্তের জন্য কোন মেম্বার পোষ্ট করলে,বিস্তারিত না লিখে পোষ্ট করবেন না,বিস্তরিত জানার জন্য প্রয়োজনে তাদের মোবাইলে কল আথবা মিস কল দিয়া বিস্তারিত জেনে পোস্ট করুন।
৮.আপনাদের কাছে কেউ রক্তের জন্য আবেদন করলে তার নাম,রক্তের গ্রুপ ও ঠিকানা জেনে নিবেন এবং লিখে রাখবেন।
৯. আর পারলে বাংলাতে পোষ্ট করার চেষ্টা করবেন।

08/01/2018

মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য"এই স্লোগানকে কেন্দ্র করেই তৈরি করা হলো আমাদের এই জাগুয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন পেজ।মানুষ হচ্ছে সৃষ্টির সেরা জীব।আর তাই আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে এই সেরা জীবের সেবা বা সাহায্য করা।প্রতি বছর রক্তের অভাবে অসংখ মানুষ মারা যায়।আমরা যদি এই পেজের কল্যানে অন্তত একটি মানুষের ও জীবন ফিরিয়ে দিতে পারি তবেই আমাদের চেষ্টা স্বার্থক হবে।কাজেই আসুন আমরা সকলে নিজে রক্তদান করি এবং অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করি

05/01/2018

# গুরুত্ব_পূর্ন_পোস্ট_অন্যদের_শেয়ার_করে_জানিয়ে_দিন
একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে
গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে
তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন
এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না। সবকিছু
ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও
মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময়
জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে
জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার
সময় তিনি মারা গেলেন। মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো- তিনি অনুষ্ঠান
চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন,
কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে
থাকতেন। সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়,
সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা
পড়ে ফেলুন। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে
স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে
সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে
কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের
মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...........
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!.............
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের
অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার
রোগীর যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই
হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের
জীবনে। সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়,..........
সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ..........
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন।
উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে
দুইহাত উপরে তুলতে বলুন। এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে).......... সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে,.........
রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে,
অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের
লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। যদি আমরা সবাই-ই এই ইজি
ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও
প্রিয়জনদেরও শেখান..!!
collected

03/01/2018

রক্তের প্রয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করতে হবে।প্রতিটা মানুষের জন্য যখন জার রক্ত দরকার হবে তার জন্য সৎভাবে চেস্টা চালিয়ে জেতে হবে।নিজ বাড়ী থেকে শুরু করে ।পার্শ্ববর্তি এলাকার প্রতিটা মানুষের রক্তের গ্রুপ জানতে হবে।প্রতিটা মানুষ কে রক্ত দেয়ার জন্য উৎসাহিত করতে হবে।প্রতিটা মানুষের মধ্যে সাহষ সঞ্চয় করতে হবে।প্রতিটা মানুষ কে মানূষের সেবায় নিয়োজিত রাখার জন্য চেস্টা চালিয়ে জেতে হবে।আমরা জারা সংগঠনের সাথে থাকবো ।সবার মতামত নিয়া সৎ ভাবে কাজ করার মনোবল তৈরি করতে হবে।

25/12/2017

রক্তদান নিয়ে ১০০ টি স্লোগান---
১. “তুচ্ছ নয় রক্তদান,
বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ”
২. “রক্ত দিলে হয়না ক্ষতি,
জাগ্রত করে মানবিক অনুভুতি”
৩. “জীবন বাঁচাতে সহযোগীতা করতে চান,
তাহলে মুমূর্ষ রোগীকে করুন- রক্তদান”
৪. “প্রস্তুত থাকে যদি কমপক্ষে ২ জন রক্তদাতা,
থাকবে গর্ভবতি মায়ের প্রাণের নিশ্চয়তা"
৫. “আমার রক্তে যদি সহযোগিতা করে- মুমূর্ষ রোগীর
প্রাণ,
তাহলে আমি কেন করবোনা স্বেচ্ছায় রক্তদান?”
৬. “যদি হই রক্তদাতা,
জয় করবো মানবতা”
৭. “হোক আজ একটি পণ
রক্ত দিয়ে বাঁচাতে সহায়তা করবো রোগীর জীবন”
৮. “মানবতার টানে,
ভয় নেই রক্তদানে”
৯. “আপনার এক ব্যাগ রক্তদান,
বাঁচাতে সহযোগিতা করবে মুমূর্ষ রোগীর প্রাণ”
১০. “ব্যয় করি কিছু সময়,
রক্ত দিয়ে করবো মোরা মানবতার জয়”
১১. “যদি করেন নিয়মিত রক্ত-দান,
রক্তের অভাবে ঝরবেনা একটিও প্রাণ”
১২. “স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন,
মুমূর্ষ রোগীর মুখে হাঁসি ফোটান”
১৩. “প্রতিবার রক্ত দিতে গিয়ে-একজন রক্তদাতা,
বিনাখরচে যাচাই করতে পারে-সার্বিক সুস্থতা”
১৪. “সুস্থ থাকলে করুন রক্তদান,
হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কমান”
১৫. “Phone-book এ নামের সাথে রক্তের গ্রুপ সেভ
রাখলে,
প্রয়োজনের সময় খুব সহজেই রক্তদাতা মিলে”
১৬. “স্বেচ্ছায় অসহায় রোগীকে রক্ত দিলে,
কোরআনের মতে- সমগ্র জাতীর জীবন বাঁচানোর
সওয়াব মিলে”
১৭. “যারা নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর রক্ত দিবে,
তাদের দেহে BLOOD CELL সৃষ্টি বৃদ্ধি পাবে”
১৮. “দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চান,
তাহলে স্বেচ্ছায় করুন- রক্তদান”
১৯. “পৃথিবীর সবোর্চ্চ সেবা করতে চান,
তাহলে মুমূর্ষ রোগীকে করুন- রক্তদান”
২০. “যারা নিয়মিত রক্ত দিবে,
তাদের রক্তের- কোলেস্টেরল কমবে”
২ ১. “স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন,
সামাজিক অঙ্গীকার পালন করুন”
২২. “মনের ভয়কে দূর করুন,
স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন”
২৩. “কোন থ্যালাসেমিয়া রোগী যদি হয় আপনজন,
তাহলে আগে থেকেই রক্তদাতা প্রস্তুত রাখুন”
২৪. ”মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদিলে,
মানসিক তৃপ্তি মিলে”
২৫. “একজন রক্তদানকারী,
নিঃসন্দেহে সে পরোপকারী”
২৬. “যারা নিয়মিত রক্ত দিবে,
তাদের ক্যান্সারের ঝুকি কমবে”
২৭. “মুমূর্ষ রোগীকে স্বেচ্ছায় রক্ত দিবো,
দালালদের ব্যবসা বন্ধ করবো"
২৮. “রক্ত চাই রক্তদাতার,
দোয়া চাই সকলের”
২৯. “জরুরি রক্তের প্রয়োজনের সময়,
যে কোন গ্রুপই সহজলভ্য নয়”
৩০. “আমার রক্ত আমি দিবো,
অসহায় রোগীকে দিবো”
৩১. “জাতি ধর্ম ও দল নির্বিশেষে,
রক্ত দিবো হেসে হেসে”
৩২. “করিবো মুমূর্ষ রোগীকে রক্তদান,
গাইবো মানবতার জয় গান”
৩৩. “মুমূর্ষ রোগীর প্রাণের টানে,
এগিয়ে আসুন রক্তদানে”
৩৪. “রক্তদাতার সাথে যোগাযোগ রাখুন,
পুনরায় রক্তদানে উৎসাহিত করুন”
৩৫. “কৃত্রিম রক্ত তৈরি করা হয়নি সম্ভব,
প্রয়োজনের সময় দিতে হবে যেকোন মানব”
৩৬. “যদি আপনার বয়স হয় আঠারো,
তাহলে আজই করুন রক্তদানের শুরু”
৩৭. “গর্ভবতির জন্য- ২ জন রক্তদাতা রেডি রাখবো,
রক্তের অভাবে গর্ভবতি মাকে মরতে নাহি দিবো”
৩৮. “রক্তদাতাদের মতো মহৎ মানুষ আছে দেখে,
অসহায় রোগীরা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে”
৩৯. “রক্তদানে কোন অজুহাত নয়,
সময় এবং দূরত্ব কিছু নয়”
৪০. “এমন একদিন আসবে,
যেদিন রক্তদাতারা রোগী খুঁজবে”
৪১. “আর নয় মিথ্যে অজুহাত,
জীবন বাঁচাতে রক্ত দিয়ে বাড়াই হাত”
৪২. “আমরা পেরেছি, আমরাই পারবো;
রক্ত দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়াবো”
৪৩. “রোজা রেখে রমজানে,
থেমে থাকবোনা রক্তদানে”
৪৪. “যদি প্রকৃত বন্ধু হতে চাও,
তাহলে মুমূর্ষ রোগীকে রক্ত দাও”
৪৫. “আপনি রক্তদান করে নিজে হাঁসুন,
রোগীর পরিবারকেও হাঁসিখুশি রাখুন”
৪৬. “ঝড়-বৃষ্টি ও তুফান,
থামাতে পারবেনা রক্তদান”
৪৭. “বর্তমানে অসংখ্য রক্তদাতা আছে,
রক্তদানের সময় হলে রোগী খুঁজে”
৪৮. “আপনার রক্তে বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ,
যদি সঠিক সময়ে হয় রোগীকে রক্তদান”
৪৯. “মুমূর্ষ রোগীকে দান করি রক্ত,
যাহা আমাদেরই নৈতিক দায়িত্ব”
৫০. "যদি বৃদ্ধি করতে পারি সচেতনতা
তাহলে বাড়বে রক্তদানের প্রবণতা”
৫১. “যদি কাটাতে পারি সামান্য সুঁইয়ের ভয়,
দিতে পারবো মানবতার আসল পরিচয়”
৫২. “মুমূর্ষ রোগীকে বিপদের মুখে ঠেলে দিবোনা,
স্ক্রিনিং টেষ্ট ও ক্রসমেসিং ব্যতিত রক্ত দিবোনা”
৫৩. “রক্তদান কি- তখনই বুঝবেন,
যখন- আপনজনের হয় প্রয়োজন”
৫৪. “যদি রক্তদানে নাহি থাকে যোগ্যতা,
তাহলে করে দিবো রক্তদাতার ব্যবস্থা”
৫৫. “মানুষের ভালোবাসা পেতে চান,
তাহলে অসহায়কে করুন- রক্তদান”
৫৬. “রক্তদানের ডাক- মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিবো,
অসহায় রোগীদের- মুখে হাসি ফুটাবো”
৫৭. “রক্তদানের যোগ্যতা থাকিলে রক্ত দিবো,
মুমূর্ষ রোগীকে বাঁচার স্বপ্ন দেখাবো”
৫৮. “মুমূর্ষ রোগীকে রক্তদান করি,
অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করি”
৫৯. “আত্মাকে তৃপ্তি দিতে চান,
মুমূর্ষ রোগীকে করুন রক্তদান”
৬০. "মুমূর্ষ রোগীর জীবনের আহবানে,
এগিয়ে আসুন স্বেচ্ছায় রক্তদানে”
৬১. "নারী-পুরুষ কোন ভেদাভেদ নাই,
যোগ্যতা থাকিলে রক্তদানে বাধা নাই”
৬২. “পরিবারের সবার মন থেকে রক্তদানে ভুল ধারনা
ভেঙ্গে দিবো,
তাদের থেকেই পরবর্তিতে রক্তদানে উৎসাহ পাবো”
৬৩. “রক্তদানের নাহি ভয়,
নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি হয়”
৬৪. “পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার দিতে চান,
তাহলে অসহায় রোগীকে করুন রক্তদান”
৬৫. “একটি ন্যায্য ডিগ্রী- মানবতা,
পাবে সেই যে- রক্তদাতা”
৬৬. “ধন্য সেইজন,
যে করে রক্তদান”
৬৭. “রক্তদান করতে গেলে কিছু সময় ও টাকা খরচ হবে,
বিনিময়ে আপনার উছিলায় একটি জীবন রক্ষা পাবে”
৬৮. “এমন কোন মানুষ বলতে পারবেনা,
তাদের আত্মীয়দের রক্তের প্রয়োজন হবেনা”
৬৯. “মুমূর্ষ রোগীদের আশার আলো জ্বালান,
স্বেচ্ছায় করুন রক্তদান”
৭০. “আমার রক্তদাতা বন্ধুরা আছে বলে,
রক্তের জন্য চিন্তা করিনা বললেই চলে”
৭১. “যাদের মধ্যে বিরাজ করে মানবতা,
তাদের মধ্যে অন্যতম হল রক্তদাতা”
৭২. “মানুষের জীবন অনেক মূল্যবান,
তাই অসহায় রোগীকে করি রক্তদান”
৭৩. “পাবো অপরিসীম সম্মান,
করিলে স্বেচ্ছায় রক্তদান”
৭৪. “এক্সিডেন্টের রোগীদের জন্য খুব দ্রুত
রক্তের প্রয়োজন হয়,
তাই আশে-পাশের সবার রক্তের গ্রুপ জেনে রাখলে
ভালো হয়”
৭৫. “যেদিন প্রতিটি ঘরে অন্তত ১ জন রক্তদাতা থাকবে,
ইনশআল্লাহ্ রক্তের অভাবে আর কেউ নাহি মরবে”
৭৬. “নিঃস্বার্থ ভাবে কোন কাজ করতে চান,
অসহায় রোগীকে স্বেচ্ছায় করুন রক্তদান”
৭৭. “অপরিসীম ভালোবাসা পাবো,
অসহায় রোগীকে রক্ত দিবো”
৭৮. “রক্তের বিকল্প কিছু নাই,
এসো রক্তদানে এগিয়ে যাই"
৭৯. “পরিচিত বা অপরিচিত যেই হোক,
স্বেচ্ছায় রক্তদান হোক সর্বাত্মক”
৮০. “পারস্পরিক রক্তের বন্ধনে,
এগিয়ে আসুন রক্তের আহবানে”
৮১. “মানবতার কল্যাণে,
এগিয়ে আসুন রক্তদানে”
৮২. “ধনী-গরিব, মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে;
রক্তের প্রয়োজনে আমরা আছি অসহায়দের পাশে”
৮৩. ”বিয়ের আগে হবু স্ত্রী এবং হবু স্বামীর রক্তের
হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রফোরেসিস পরীক্ষা করে
নিলে,
বিয়ের পরে থ্যালাসেমিয়া রোগ থেকে রক্ষা পাবে
তাদের সন্তান জন্ম নিলে”
৮৪. “কারো রক্তের প্রয়োজন হলে বসে থাকলে
চলবেনা,
আপনার বিপদের দিনে মানুষের অভাব হবেনা”
৮৫. “রক্তদানের কার্যক্রম বেশি বেশি প্রচার করুন,
অন্যদেরকেও রক্তদানে উৎসাহ প্রদান করুন”
৮৬. “রক্তদানে পূণ্য বাড়ে, বাড়ে মনের জোড়;
রক্তদানে এগিয়ে আসুন নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর”
৮৭. “যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রক্তদান কার্যক্রমে
এগিয়ে আসতো,
তাহলে এই দেশে রক্তের অভাবে একটি প্রাণও ঝরে
নাহি পরতো”
৮৮. “রক্ত দিয়ে নিজের সুস্থ্যতা যাচাই করুন,
অন্যকে সুস্থ্য হতে সহযোগীতা করুন”
৮৯. “এক ব্যাগ রক্ত, সেতো অমূল্য রতন;
বাঁচাতে সহযোগিতা করে- একটি জীবন”
৯০. “রক্তের বিকল্প- কোন কিছু নাই;
তাই, এসো রক্তদানে এগিয়ে যাই”
৯১. “রক্তদানে ভয় না পেয়ে হাতটা দিন বাড়িয়ে,
রক্তদান মহান দান; সব দানকে ছাড়িয়ে”
৯২. “অসহায় রোগীকে-- রক্তদান;
সেতো পৃথিবীর সর্বসেরা দান”
৯৩. “রক্তদানের মতো মহৎ কাজে নিজেকে নিয়োজিত
করি;
পাশাপাশি অন্যদেরকেও উৎসাহ প্রদান করি”
৯৪. “নিয়মিত রক্তদান করুন,
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন”
৯৫. “অসহায় রোগীকে নিয়মিত রক্তদান করুন,
শরীরে আয়রনের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখুন”
৯৬. “কারো রক্তে যদি বাঁচাতে সহযোগিতা করে মুমূর্ষ
রোগীর প্রাণ;
সেই রক্তদাতা ব্যক্তিতো পৃথিবীর সবচেয়ে বড়
সৌভাগ্যবান”
৯৭. “অসহায় রোগীকে রক্তদানে এগিয়ে আসুন,
সাম্প্রদায়িকতা ভুলে মানবতাকে ভালবাসুন”
৯৮. “অসহায়কে স্বেচ্ছায় রক্তদানে হইওনা কৃপণ;
তোমার রক্তে বাঁচাতে পারে একটি জীবন”
৯৯. “রক্তদানে যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষরা যদি অন্ততো
তাদের জন্মদিনে রক্ত দিতো;
তাহলে রক্তের অভাবে এই বাংলাদেশে কোন মুমূর্ষ
রোগী নাহি মরতো”
১০০ ”রক্তদানের পাশাপাশি আশে-পাশের মানুষগুলোকেও
রক্তদানে উৎসাহি করুন;
অসহায় মুমূর্ষ রোগীদের রক্তের ব্যবস্থা করে
জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করুন”

18/12/2017

রক্ত দান সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা সবার জানা প্রয়োজনঃ

প্রত্যেক রক্তদাতাই একজন বীর'। ১৯০১ সালে অস্ট্রিয়ান কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার রক্তের বিভিন্ন গ্রুপ আবিষ্কারের পরই শুরু হয় রক্তদান। তখন পর্যন্ত জানা যায়নি যে, ভিন্ন গ্রুপের রক্ত শরীরে নিলে মৃত্যু হতে পারে। ল্যান্ডস্টেইনার প্রথম আবিষ্কার করেন যে দাতা ও গ্রহীতার রক্ত একই গ্রুপের না হলে গ্রহীতার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। ১৯৩০ সালে এই আবিষ্কারের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান। এর পরই শুরু হয় নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন। এখন প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে প্রায় তিন কোটি ২০ লাখ লোক রক্তদান করে থাকে। কিন্তু রক্তের প্রয়োজন আরো বেশি। কেউ যখন স্বেচ্ছায় নিজ রক্ত অন্য কারো স্বার্থে দান করে তখন তাকে রক্তদান বলে। এ কারণে রক্তদাতার অবশ্যই সম্মতির প্রয়োজন । কিন্তু অনেকেই রক্ত দিতে ভয় ও দ্বিধায় ভোগেন। রক্তদান নিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্নও আছে। মনের সকল ভয়, দ্বিধা ও প্রশ্ন দূর করতে কষ্ট করে দীর্ঘ এ পোষ্টটি পড়ার অনুরোধ।
☞ কাউকে রক্ত দানের কথা বললেই বেশির ভাগ মানুষই সর্ব প্রখম যে দ্বিধায় ভোগেন তা হচ্ছে, আমি যদি এখন রক্ত দেই তাহলে পরে যদি আমার আত্নীয়দের হঠাৎ রক্তের প্রয়োজন হয় তাহলে কই পাবো???
বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় ৬০ লক্ষ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন পড়ে। যার মধ্যে ২৪% আসে স্বেচ্ছা রক্তদানকারীদের কাছে থেকে। নিকটাত্মীয়কে রক্তদান করে ৬২%, আর বাকিটা আসে পেশাদার ডোনারদের কাছ থেকে।
আমাদের দেশে সাধারণত কারো রক্তের প্রয়োজন হলে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয়রা রক্ত দান করে থাকেন। কিন্তু এর ফলে রক্ত গ্রহনকারীর নুন্যতম হলেও 'ট্রান্সফিউশন এ্যাসোসিয়েট গ্রাফ্ট ভার্সাস হোস্ট ডিজিজ' নামে এক মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হবার ঝুকি থেকে যায়!
১৯৬৫ সালে 'ট্রান্সফিউশন এ্যাসোসিয়েট গ্রাফ্ট ভার্সাস হোস্ট ডিজিজ' রোগটি সর্বপ্রথম আলোচনায় আসে। রক্ত দাতার রক্তের লিম্ফোসাইট গ্রহীতা এ রোগে আক্রান্ত হন। ফলে রক্ত গ্রহীতার দেহের চামড়া, লিভার, গ্যাস্ট্রোইনন্টেস্টিনাল ট্রাক্ট এবং বোনম্যারো'র স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা ব্যহত হয়।
যদিও সচারাচর পরিবারের সদস্যরা রক্ত দিলেই রক্ত গ্রহীতা 'ট্রান্সফিউশন এ্যাসোসিয়েট গ্রাফ্ট ভার্সাস হোস্ট ডিজিজ' এ আক্রান্ত হন না। কারণ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রক্ত দাতার 'লিম্ফোসাইট' গুলো রক্ত গ্রহনকারীর 'ইমিউনো সিস্টেম' দ্বারা ধ্বংস হয়ে যায়। তবে নিন্মোক্ত দুটি ক্ষেত্রে এটি ধ্বংস করতে পারেনা।
১. যদি রক্ত গ্রহীতার 'ইমিউনো সিস্টেম' ঠিকমত কাজ না করে।
২. যদি একটি নির্দিষ্ট প্রকার অংশ বিশেষ এইচ এল এ রক্তদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে মিলে যায়।
পরামর্শঃ
যেহেতু 'গ্রাফ্ট ভার্সাস হোস্ট ডিজিজ' এ আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর হার শতকরা ৮০-৯০ ভাগ, তাই রক্তের সর্ম্পকের কারো রক্ত দান না করাই ভাল, যদিও এ সমস্যাটি খুব কম হ্মেত্রেই ঘটে থাকে। আজ যদি আপনি একজনকে রক্তদান করুন ইনশাহ্আল্লাহ্ আপনার আপনার পরিচিতদের প্রয়োজনেও আরেকজন এগিয়ে আসবে। রক্ত দান করে তার সাথে সুসম্পর্ক রাখুন, মানুষকে রক্ত দানে উৎসাহিত করুন, ইনশাহ্আল্লাহ্ রক্তের অভাবে প্রান হরাবে না কেউ।
☞ অধিকাংশ মানুষ মনে করে B+ve গরুর রক্ত, ইহা খুবই সহজ লভ্য, তাই আমার তা না দিলেও চলবে, আসলে কি তাই???
পৃথিবীতে যত মেরুদন্ডী প্রাণী আছে তাদের সকলেরই রক্ত সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে রাসায়নিক গঠনের পার্থক্য থাকায় কোন প্রাণীর রক্ত অন্য কোন প্রাণীরই অনুরূপ নয়।
প্রথমেই আসা যাক রক্তের গ্রুপ কি? রক্তের গ্রুপ হল রক্তের লোহিত কণিকায় অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি যা বংশগতভাবে নির্দিষ্ট। এই অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণের গ্রুপিং সিস্টেম প্রবর্তন করা হয়েছে।
মানুষের ক্ষেত্রে ABO সিস্টেম ও Rh সিস্টেম বিশ্বজুড়ে প্রচলিত। এই দুই সিস্টেম অনুযায়ী A, B, O ও AB এই চার ধরনের রক্তের গ্রুপের প্রতিটির (+) ও (-) অ্যান্টিজেন আছে। এই মোট ৮ ধরনের রক্ত মানুষের শরীরে পাওয়া যায়।
গরুর বেলায় A, B, C, F,J, L, M, R, S, T ও Z এই ১১ টি প্রধান রক্তের গ্রুপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে শুধুমাত্র B গ্রুপেরই ৬০ টির উপরে অ্যান্টিজেন আছে। এছাড়াও আরও কিছু অপ্রধান গ্রুপের রক্তে আছে যেগুলো সচরাচর পাওয়া যায় না। এজন্য গরুর রক্ত মানুষ তো দূরের কথা এক গরু থেকে অন্য গরুতেই সঞ্চালন করা দূরুহ ব্যাপার।
এখন বলছি কেন B+ve কে গরুর রক্ত বলা হয়? আমাদের এশিয়া মহাদেশে B+ve গ্রুপধারী মানুষের সংখ্যা অন্য যে কোন গ্রুপধারীর চেয়ে বেশি। ফলে কাউকে যদি রক্তের গ্রুপ জিজ্ঞাসা করা হয় তাহলে উত্তর B+ve হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এজন্য হয়তোবা B+ve কে গরুর রক্ত বলা হয়। তবে এশিয়ায় B+ve ধারীর সংখ্যা প্রায় ৩০% হলেও ইউরোপ বা আমেরিকায় তা মাত্র ১০%। তাই আমাদের দেশে B+ve রক্তধারী মানুষ যেমন বেশি এর রুগী সংখ্যাও বেশি। তাই B+ve রক্তের প্রয়োজনকে অবহেলা না করে সমান গুরুত্ব দিয়ে রক্ত দানে এগিয়ে আসুন।
☞ রক্ত দান সম্পর্কিত যত প্রশ্ন ও উত্তরঃ
1. রক্ত দানের সঠিক বয়স কত?
✔ ১৮ থেকে ৬০ বছরবয়সী সুস্থ সবল মানুষ রক্ত দিতে পারবে।
2. রক্ত দান কি নিরাপদ ?
✔ ছেলেদের শরীরের ওজনের কেজি প্রতি ৭৬ মিলি লিটার এবং মেয়েদের শরীরে ওজনের কেজি প্রতি ৬৬ মিলিলিটার রক্ত থাকে। উভয়ের ক্ষেত্রেই ৫০ মিলিলিটার রক্ত সংবহনের কাজে লাগে, বাকিটা উদ্বৃত্ত থেকে যায়। অর্থাৎ,
ছেলেদের উদ্বৃত্ত রক্তের পরিমাণ = (৭৬-৫০) = কেজি প্রতি ২৬ মিলিলিটার
মেয়েদের উদ্বৃত্ত রক্তের পরিমাণ = (৬৬-৫০) = কেজি প্রতি ১৬ মিলিলিটার
ফলে ৫০ কেজি ওজনের একটি ছেলের শরীরে উদ্বৃত্ত রক্তের পরিমাণ = (৫০ x ২৬) = ১৩০০ মিলিলিটার
এবং একটি মেয়ের শরীরে উদ্বৃত্ত রক্তের পরিমাণ = (৫০ x ১৬) = ৮০০ মিলিলিটার
স্বেচ্ছায় রক্তদানে একজন দাতার কাছ থেকে ৩৮০ থেকে ৪০০ মিলিলিটার রক্ত সংগ্রহ করা হয় যা তার শরীরে থাকা মোট রক্তের ১০ ভাগের ১ ভাগ এবং উদ্বৃত্ত রক্তের অর্ধেক বা তারও কম। এ কারণে অধিকাংশ রক্তদাতা রক্তদানের পর তেমন কিছুই অনুভব করেন না এবং এটি সম্পূর্ন নিরাপদ। যে পরিমাণ রক্তের তরল অংশ নেয়া হয় সেই পরিমাণ তরল অংশ মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই আবার আগের মতো হয়ে যায়। তাই রক্ত দান করা সম্পূর্ন নিরাপদ।
3. রক্ত দানের কি কোন সাইড এফেক্ট আছে ?
✔ না রক্ত দানের কোন সাইড এফেক্ট নাই।
4. রক্ত দানে কতটুকু রক্ত নেওয়া হয় ?
✔ আপনার শরীর থেকে প্রায় ৩৮০-৪০০মি.লি. রক্ত নেওয়া হয়।
5. কতদিন পর পর রক্ত দান করা যায় ?
✔ ৩ মাস পর পর আপনি রক্ত দান করতে পারেন। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মত অনুযায়ী, একজনসুস্থ্য পুরুষ ৩ মাস ও নারী ৪ মাস অন্তর রক্তদান করতে পারবেন।
6. রক্ত দান করতে কত সময় লাগে ?
✔ ৫ থেকে ৭ মিনিট, সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সময় লাগে। বিশ্রাম এবং অন্যান্য সময় ধরলে সব মিলিয়ে ১ ঘন্টা লাগতে পারে।
7. রক্ত দান করতে ব্যাথা লাগে কি?
✔ জ্বী না। রক্ত দানের সময় আপনি ব্যথা পাবেন না।
8. রক্ত দানের ফলে আমি কি অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারি ?
✔খুব অল্প সংখ্যক মানুষ রক্ত দান করলে ঞ্জান হারাতে পারে। যেহেতু রক্ত নেবার কাজটি একজন ডাক্তার করে থাকেন সেহেতু অসুস্থ হয়ে পড়ার কোন ভয়ই নেই। তবে রক্ত দান করার পর অবশ্যই বিশ্রাম নিবেন।
9. কিভাবে রক্ত নেওয়া হয় ?
✔ প্রথমে বাম হাত থেকে আধা সিরিজ রক্ত নেওয়া হয়, ক্রস ম্যাচিং ও অন্যান্য পরীক্ষা করার জন্য। তারপর আপনার ডান হাতের বাহুতে একটি সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত নেওয়ার ব্যাবস্থা করা হয়। নিডিলটি ঢোকানোর সময় সামান্য ব্যথা লাগে। তারপর আর ব্যথা লাগবে না। আপনার রক্ত একটি নলের মাধ্যমে স্যালাইনের মত একটি ব্যাগে সহজেই জমা হয়ে যায়।
10. রক্ত দানের জন্য সর্বনিম্ন ওজন কতটুকু ?
✔ এটা যদিও রক্তদাতার উচ্চতার ওপর নির্ভর করে তবে রক্তদাতার দেহের ওজন সর্বনিম্ন মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪৭ কেজি এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫০ কেজি বা এর বেশি হতে হবে। তবে প্লাটিল্যাট লাগলে ওজন কমপক্ষে ৫৫ কেজি হতে হবে, ছেলে/মেয়ে ।
11. রক্ত দানের পর আমার হাত ফুলে বা রক্ত জমাট বেঁধে বা ইনফেকশন হতে পারে কি?
✔ হাতের যেখান থেকে রক্ত নেয়া হয়েছে সেখানে ম্যসেজ করবেন না। ফুলে যাওয়া, জমাট বাধা বা ইনফেকশনের সম্ভবনা নেই বললেই চলে।
12. এলকোহল (মদ) খাবার পর রক্ত দান করা যায় কি?
✔ না। রক্ত দেবার আগের ২৪ ঘন্টার মধ্যে এলকোহল পান করলে রক্ত দান করা যাবে না। পান করার ২৪ ঘণ্টা পর রক্ত দিতে পারেন।
13. ধূমপায়ীব্যাক্তি কিরক্তদান করতে পারবেন?
✔ ধূমপানে নিকোটিন সেবনের মাধ্যমে ফুসফুস বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্তহয়, কিন্তু সেবনকৃত নিকোটিনের খুব ক্ষুদ্র অংশ রক্তে মিশে, কোষে নিকোটিনের পরিমান মাইক্রোগ্রামে থাকে,কিন্তু রক্তে তা থাকে ন্যানো গ্রামে, যা টিস্যুর চেয়ে হাজার গুন কম, তাই ধূমপায়ী ব্যাক্তি নিঃসংকোচে রক্তদান করতে পারবেন।
14. এন্টিবায়টিক ওষুধ খাওয়া অবস্থায় রক্ত দান করা যাবে কি ?
✔ না। এন্টিবায়োটিক খাবার অন্তত ৭ দিন পর এবং সম্পূর্ণ সুস্থ হলে তারপর রক্ত দান করা যাবে।
15. ব্লাড প্রেশারের রোগী রক্ত দান করতে পারবেন কি? Excuses never save a life Blood Donation Does
✔ হ্যাঁ। যদি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে আপনি রক্ত দান করতে পারেন।
16. শিশু বুকের দুধ খায়, এ অবস্থায় রক্ত দান করা যাবে?
✔ না। যখন শিশু শুধুমাত্র বুকের দুধ পান করে তখন রক্ত দান করা যাবে না।
17. শিশুর জন্মের কতদিন পর মা রক্ত-দান করতে পারেন?
✔ শিশুর জন্মের ১৫ মাস পর মা রক্তদান করতে পারেন।
18. সর্দি লাগা/জ্বর থাকা অবস্থায় রক্ত দান করা যাবে?
✔ ঠান্ডা বা সর্দি লাগা অবস্থায় যেহেতু একটি জীবানু সংক্রামন থাকে সেহেতু রক্ত দান
করা যাবে না।
19. জন্ম নিয়ন্ত্রন পিল খাবার সময় রক্ত দান করা যাবে কি?
✔ হ্যা। জন্ম নিয়ন্ত্রন পিল খাবার সময় রক্ত দান করা যাবে।
20. ডায়বেটিক রোগী রক্ত দান করতে পারেন?
✔ না। যে সমস্ত ডায়াবেটিক রোগী ইনসুলিন গ্রহন করেন তাদের রক্ত দান না করাই ভালো। তবে বিশেষ প্রয়োজনে তারা রক্ত দান করতে পারেন। তবে খাবার নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ব্লাডে গ্লুকোজ স্বাভাবিক থাকেল রক্ত দিতে পারেব
21. রোগের ভ্যাকসিন নেবার পর রক্ত দান করা যাবে?
✔ না। ভ্যাকসিন নেবার অন্তত ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত রক্ত দান করা যাবে না। তবে এটা ভ্যাকসিনের ধরনের উপর নির্ভরশীল। এ ব্যপারে রক্ত দানের পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরী।
22. রক্ত দানের আগে আমার কি করা উচিত ?
✔ আগের রাতে ভাল ভাবে ঘুমান। সকালে ভাল নাস্তা করুন। ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় (চা, কফি) খাবেন না। বেশী চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন না। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্লাটিলেট দাতাদের মনে রাখতে হবে, বিগত ২ দিনের মধ্যে এসপিরিন নিয়েছেন কিনা। নিয়ে থাকলে ডোনেশন না করাই উত্তম।
23. রক্ত দানের সময় কি করা উচিত?
✔ আটোসাটো পোষাক পরবেন না। সব রকম দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন। রক্তদান শেষে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।
24. রক্ত দানের পর কি করা উচিত ?
✔ রক্ত দানের পর পর্যাপ্ত তরল পান করুন অন্তত ৪ গ্লাস (স্যালাইন, ফলের রস)। ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত ভারী কাজ করবেন না। মাথা ঘুরলে শুয়ে পড়ুন এবং (পায়ের নীচে একটি বালিশ দিয়ে) পা মাথার চেয়ে উচুতে রাখুন। দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন। ধুমপান করবেন না ৫ ঘণ্টা।
☞ যারা রক্ত দিতে পারবেন না
☞যেসব রোগ থাকলে রক্তদাতাকে সারা জীবন রক্ত দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবেঃ
অন্তঃসত্বানারী রক্ত দিতে পারেবন না, ক্যান্সার, হৃদরোগ, বাতজ্বর, উচ্চ ও নিম্ন রক্তচাপ, রক্তক্ষরণ জনিত সমস্যা, অকারণে ওজন কমতে থাকা, ইনসুলিন নিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হেপাটাইটিস বি এবং সি, ক্রনিক নেফ্রাইটিসে আক্রান্ত, এইডস সংক্রমিত, বিপজ্জনক আচরণে অভ্যস্ত, যকৃতের রোগী, নালিহীন গ্রন্থি আক্রান্ত রোগী, সিজোফ্রেনিয়া (মানসিক ভারসাম্যহীন), সিফিলিস(যৌনরোগ)
, কুষ্ঠ বা শ্বেতী রোগীরা, সিরিঞ্জের মাধ্যমে মাদক নিলে, লেপ্রসি, মৃগী রোগী, হাঁপানি, পলিসাইথেমিয়া ভেরা, প্রভৃতি রোগ থাকলে।
☞ সাময়ীকভাবে যারা রক্ত দিতে পারবেন নাঃ
গর্ভপাত হলে- ছয় মাসের জন্য, বুকের দুধ খাওয়ানো মা ১৫ মাসের জন্য (শিশুর জন্মের পর থেকে), মেয়েদের মেয়েলী সমস্যা চলাকালীন সময়, ডায়িরয়ায় ৩ সপ্তাহ পর, বসন্তের হ্মেত্রে সুস্থ হওয়ার কমপেহ্মে ৬ মাস পর, যহ্মার হ্মেত্রে পূর্ন মাত্রায় ওষধ সবনের ২ বছর পর, চর্ম রোগ জনিত সমস্যায় রক্ত নালী আক্রান্ত না হলে সে রক্ত দিতে পারেব, রক্ত গ্রহণকারী ছয় মাসের জন্য, ১ বছরের মধ্যে সার্জারি হওয়া, টাট্টোমার্কধারী- ছয় মাসের জন্য, চিকিৎসা সম্পন্ন ম্যালেরিয়া রোগী- তিন মাসের জন্য (এনডেমিক এরিয়ায়), টাইফয়েডে আক্রান্ত রোগী- ১ বছরের জন্য (রোগমুক্তির পর), হেপাটাইটিস এ, ই সুস্থ হওয়ার ৬ মাস পর, বিভিন্ন টিকা গস্খহণকারী- ৩০ দিনের জন্য, রেবিস ভ্যাকসিন- ১ বছরের জন্য (টিকা নেয়ার পর), হেপাটাইটিস ইমিউনগোবিউলিন- ১বছরের জন্য।
☞ সর্বপরি, নিয়মিত রক্ত দান করুন। অনেকে রক্ত দিতে দ্বিধায় ভোগেন। এর কারণ রক্তদানের পদ্ধতি ও পরবর্তী প্রভাব সম্পর্কে অজ্ঞতা ও অযথা ভীতি। প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী প্রতি তিন মাস অন্তর নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে রক্তদান করতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব তো পরেই না বরং নিয়মিত রক্তদানের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমনঃ-
► রক্ত দানের সময় হেপাটাইসিস বি, সি,সিফিলিস, ম্যলেরিয়া এবং এইডস এই ৫টি রোগের স্ক্রিনিং রিপোর্ট পাওয়া যাবেবিনামূল্যে, যা তাকে আশ্বস্ত করেতার সুস্থতা সম্পর্কে, যেটা সাধারন মানের কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কমপহ্মে কয়েক হাজার টাকা খরচ হবে।
Keep calm & Donate Blood
► রক্তেযদি লৌহের পরিমাণ বেশি থাকে তাহলে কোলেস্টেরলের অক্সিডেশনের পরিমাণ বেড়ে যায় ও ধমনী ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার ফলশ্রুতিতে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত রক্তদিলে দেহে এই লৌহের পরিমাণ কমে যা হৃদরোগের ঝুঁকিকেও কমিয়ে দেয় কার্যকরীভাবে।
► মিলার-কিস্টোন ব্লাডসেন্টারের একগবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত রক্তদিলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। বিশেষ করে ফুসফুস, লিভার, কোলন, পাকস্থলী ওগলার ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্ষেত্রে অনেক কম বলে দেখা গেছে।
► ৪০০মিলিলিটার রক্ত দান করলে রক্ত দাতার দেহ থেকে ৫৭০ ক্যলোরি শক্তি হ্ময় হয়, তাতে রক্তে শর্করার পরিমান স্বাভাবিক থাকে যা ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমায়।
► নিয়মিত রক্তদানে দাতার শরীরের কিছু ভালো পরিবর্তন সাধিত হয়। কোনো দুর্ঘটনাজনিত কারণে দাতার শরীর থেকে কিছু রক্তপাত হলেও তার কোনো সমস্যা হয় না!
► প্রতি ৪ মাস অন্তর রক্ত দিলে দেহে নতুন Blood Cell তৈরীর প্রণোদনা সৃষ্টি হয়। এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুণ বেড়ে যায়।
► রক্তদান করার সাথে সাথে আমাদের শরীরের মধ্যে অবস্থিত অস্থিমজ্জা (Bone Marrow) নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্ত দান করার মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায় আর লোহিত কণিকার ঘাটতি পূরণ হতে সময় লাগে ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ। আর এই পুরো প্রক্রিয়া আসলে শরীরের সার্বিক সুস্থতা, প্রাণবন্ততা আর কর্মক্ষমতাকেই বাড়িয়ে দেয়।
► মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান করে আপনি পাবেন মানসিক তৃপ্তি।
► কোনো সেন্টারে একবার রক্তদান করলে ওই সেন্টার দাতার প্রয়োজনে যেকোনো সময় রক্ত সরবরাহ করে থাকে।
► রক্তদানের মাধ্যমে মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ বাড়ে।
► রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।’ ঋগ্বেদে বলা হয়েছে ‘নিঃশর্ত দানের জন্যে রয়েছে চমৎকার পুরস্কার। তারা লাভ করে আশীর্বাদধন্য দীর্ঘজীবন ও অমরত্ব।’ (ঋগবেদঃ ১/১২৫/৬)।
☞ সবশেষ সবার প্রতি একটি প্রশ্ন রক্ত দানের এসব অজুহাত আর ভয়ের কাছে আপনি পরাজিত হবেন নাকি এসব অজুহাত আর ভয়কে আপনি রক্ত দানের মাধ্যমে পরাজিত করবেন???

11/12/2017

আমার B +
আপনার???
লোকেশনসহ ফোন নম্বর কমেন্টস অথবা ইনবক্স করুন।
রোগীর জরুরী রক্তের প্রয়োজনে আপনার সাথে যোগাযোগ করা হবে।
রক্তদিন জীবন বাঁচান।
জাগুয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন

04/12/2017

রক্ত দিন জীবন বাচান মানবতার সেবায় এগিয় আসুন

জাগুয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন

26/11/2017

রক্ত কোন পন্য নয়।
রক্ত কিনতে পাওয়া যায় না.
রক্ত মানুষের ত্যাগ.
রক্ত মানুষের ভালবাসার উপহার.
রক্ত নব জীবন এর অক্সিজেন.
আসুন সবাই রক্ত দান করি.
জীবন বাঁচাতে অবদান রাখি.

24/11/2017

রক্তদান:-

রক্তদান হল কোন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের স্বেচ্ছায় রক্ত দেবার প্রক্রিয়া। এই দান করা রক্ত পরিসঞ্চালন করা হয় অথবা অংশীকরণের মাধ্যমে ঔষধে পরিণত করা হয়।

উন্নত দেশে বেশিরভাগ রক্তদাতাই হলেন স্বেচ্ছায় রক্তদাতা, যারা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে রক্তদান করেন। দরিদ্র দেশগুলোতে এ ধরণের প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছায় রক্তদাতার সংখ্যা বেশ কম, বেশিরভাগ রক্তদাতাই কেবল তাদের পরিচিতজনদের প্রয়োজনে রক্তদান করে থাকেন। বেশির ভাগ রক্তদাতাই সমাজসেবামূলক কাজ হিসেবে রক্তদান করেন, তবে কিছু মানুষ পেশাদার রক্তদাতা, অর্থাৎ তারা অর্থ বা কোন ভাতার বিনিময়ে রক্তদান করে থাকেন। আবার রক্তদাতা তার ভবিষ্যত প্রয়োজনে রক্ত পেতে পারেন। রক্তদান অপেক্ষাকৃত নিরাপদ, তবে কিছু রক্তদাতার যে জায়গায় সূঁচ প্রবেশ করানো হয় সেখানে কালশিরে পড়ে, আবার কেউ কেউ রক্তদানের পর দুর্বলতা অনুভব করেন।

সম্ভাব্য রক্তদাতার রক্ত ব্যবহার যে সব কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে তার সবকিছুই পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় এমন রোগ (যেমন এইচআইভি ও ভাইরাল হেপাটাইটিস) এর পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত। রক্তদাতাকে তার চিকিৎসার ইতিহাস জিজ্ঞাসা করা হয় এবং তার একটি সংক্ষিপ্ত শারীরিক পরীক্ষা করা হয় তা নিশ্চিত করার জন্যে যে রক্তদান তার শরীরের জন্যে ক্ষতিকর হবে না। একজন রক্তদাতা কতদিন পরপর রক্তদান করতে পারবেন তা নির্ভর করে তিনি কী দান করছেন তার ওপর এবং যে দেশে রক্তদান সম্পন্ন হচ্ছে সে দেশের আইনের উপর । তবে প্রতি চারমাস অন্তর অর্থাৎ ১২০ দিন পর পর মানবদেহে নতুন রক্ত তৈরি হয়।

গৃহীত রক্তের পরিমাণ ও পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণতঃ ৫০০ মিলিলিটার (অথবা প্রায় ১ ইউএস পাইন্ট)সম্পূর্ণ রক্ত নেওয়া হয়। পরিসঞ্চালনে ব্যবহৃত বেশির ভাগ রক্ত উপাদানই অল্প আয়ু বিশিষ্ট, এবং এ কারণে অপরিবর্তিত সরবরাহ নিশ্চিত করা একটি সবসময়কার সমস্যা।

Address

জাগুয়া
Barishal

Telephone

+8801729264433

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাগুয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share