18/10/2024
হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিল দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা নির্দেশ জারি করেছিল, 'যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা রৌরব নামক নরকে যাবে।' ওই সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি নির্যাতিত বাঙালিদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারি নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয়ের মাধ্যম সেই দিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সঙ্গে মুক্ত হয়েছিল বাঙ্গালিদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।
ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, 'মুসলমান সম্রাটরা বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।' অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, 'যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এ দেশে আরও কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকত, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।'
মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্যচর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশের যোগ্যতা অর্জন করে।
বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা যুগে যুগে আরও হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবি ও ফারসি শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্যচর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়—বাংলা ভাষার সঙ্গে মুসলমানদের কোনো সম্পর্ক নেই।
মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন মাজিদ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছেন। অথচ ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু আগে ১৮০৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা ভাষায় কুরআন মাজিদের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমিরুদ্দিন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ খ্রিষ্টাব্দে মৌলবি নাঈমুদ্দিন পূরো কুরআনের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।
সুত্র: ১৯৯৫, পৃ. ৩২, বাংলাপিডিয়া
(Collected)
10/10/2024
শিশুকে শেখাবেন কারো বাসায় বেড়াতে গেলে দুনিয়ার জিনিস যেন না হাতায়।
দেয়ালে যেন না আকে।
সব খেলনা নিয়ে দখল করে যেন বসে না থাকে।
এসব এক বছর থেকেই একটু করে করে শিখাবেন দেখবেন well trained হয়ে যাবে।
পরদা ধরে ঝুলা একদম মানা করবেন। আপনি কারো বাসায় গেলে বিরক্তির কারন না হয়ে আনন্দের কারন হোন।
যাদের বাসায় যাবেন তারা অনেক শৌখিন তাদের জিনিস গুলা আপনার শিশুর কারনে ন'ষ্ট হোক তা নিশ্চই আপনার কাম্য নয়।
সোফা থেকে যেন লাফ না দেয়।
না গেলে না যান তাদের সুন্দর জিনিস গুলা নষ্ট করবেন না।
এক জায়গায় আড্ডা দিতে থাকবেন না।
যাদের বাসায় গেছেন দেখবেন ওদের বাচ্চা খুব ডানপিঠে।
আপনার বাচ্চা শান্ত দেখে মাথায় বালি বা হাতে মা'রতে পারে। যদি দেখেন মায়ের কোন ভ্রুক্ষেপ নাই, অবস্থা বেগতিক দেখলে সোজা চলে আসবেন। কাউকে বলার দরকার নেই। আর যাবেন না।
সবাই বাচ্চা পছন্দ করে, অ'সহ্য বাচ্চা কেউ পছন্দ করে না।
তাই ঘর থেকেই শুরু হোক হাতে খড়ি।
আপনার বাচ্চা কারো বাসায় দেয়ালে আকলে সরি বলতে বলবেন।
উল্টা নিজে দোষ ডাকবেন না। পরে ঘোড়া বেয়াদব হবে।
মারামারি করলে নিজের সন্তানের পক্ষ না নিয়ে দুই পক্ষকেই শান্ত করুন।
আপনার ছোট ছোট এ গুন গুলোই আপনার শিশুকে খুব মিশুক ভদ্র করে গড়ে তুলবে।
খাবার ভালো বা বড় টুকরোটা নিজের শিশুকে দিবেন না। সবাইকে দিয়ে যা থাকবে সেটাই দিবেন।
চলাফেরায় আভিজাত্য গড়ে তুলবেন। ছুচো বানাবেন না।
কেউ খেতে দিলেও সব খেয়ে উজার করতে দিবেন না। কিছু চোখের খিদা মেটাতে হয় না।
কেউ টাকা গোনার সময় যেন না তাকায়,
কেউ খানা খাবার সময় যেন না তাকায় শিখাবেন।
না শিখলেও নরম গলায় বার বার বলবেন। সেট হয়ে যাবে একসময়।
লেখাঃ সংগৃহীত
10/10/2024
ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!
১ – বিজ্ঞান কিছুদিন আগে জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
২ – বিজ্ঞান মাত্র দুশো বছর আগে জেনেছে
চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষ পথে ভেসে চলে... সূরা
আম্বিয়া ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৩ – সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪ নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছে; মানুষের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।
৪ - ‘ বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় মাত্র
চল্লিশ বছর আগে। সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৫ – পানি চক্রের কথা বিজ্ঞান জেনেছে বেশি দিন হয় নি... সূরা যুমার ২১ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৬ – বিজ্ঞান এই সেদিন জেনেছে লবণাক্ত পানি ও মিষ্ঠি পানি একসাথে মিশ্রিত হয় না। সূরা ফুরকানের ২৫ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৭ – ইসলাম আমাদেরকে ডান দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত করেছে; বিজ্ঞান এখন বলছে ডান দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব থেকে ভাল থাকে।
৮ – বিজ্ঞান এখন আমাদের জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত দেহ কবর দেয়, এদের বাজার পদ্ধতি আছে। কুরআনের সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮ নং আয়াতে এই বিষয়ে ধারণা দেয়।
৯ – ইসলাম মদ পানকে হারাম করেছে , চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর।
১০ – ইসলাম শুকরের মাংসকে হারাম করেছে। বিজ্ঞান আজ বলছে শুকরের মাংস লিভার, হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
১১- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন এর ব্যাপারে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১ নং আয়াতে কুরআন এই বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।
১২ - মানুষের জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব সম্পর্কে
বিজ্ঞান জেনেছে এই কদিন আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০ বছর আগে।
১৩ - ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান আজ জেনেছে
পুরুষই ( শিশু ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে) তা নির্ধারণ করে। ভাবা জায়... কুরআন এই কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর আগে।
( সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত, সূরা
কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯ নং আয়াত)
১৪ - একটি শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন সে আগে কানে শোনার যোগ্যতা পায় তারপর পায় চোখে দেখার। ভাবা যায়?
১৪০০ বছর আগের এক পৃথিবীতে ভ্রুনের বেড়ে ওঠার স্তর গুলো নিয়ে কুরআন বিস্তর আলোচনা করে। যা আজ প্রমাণিত !
( সূরা সাজদাহ আয়াত নং ৯ , ৭৬ এবং সূরা ইনসান আয়াত নং ২ )
১৫ – পৃথিবী দেখতে কেমন? এক সময় মানুষ মনে করত পৃথিবী লম্বাটে, কেউ ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা, সমান্তরাল... কোরআন ১৪০০ বছর আগে জানিয়ে
গেছে পৃথিবী দেখতে অনেকটা উট পাখির ডিমের মত গোলাকার।
১৬ – পৃথিবীতে রাত এবং দিন বাড়া এবং কমার রহস্য মানুষ জেনেছে দুশ বছর আগে। সূরা লুকমানের ২৯ নং আয়াতে কুরআন এই কথা জানিয়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে !!
.....আমাদের সমস্যা হল আমরা সব কিছুই জানি... যারা নাস্তিক তারাও জানে... পার্থক্য টা হল ' বোধ' যেমন ধরুন একজন নেশাকর জানে যে নেশা করলেই তার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, যে ছেলে বাবা কে খুন
করেছে সে জানে যে এই মানুষটি তাকে জন্ম
দিয়েছে... সব জেনে শুনেই আমরা সব থেকে খারাপ কাজ গুলো করি... ব্যাপারটা অজ্ঞানতার না ব্যাপারটা ' বোধ' এর।
.. আপনার এই বোধটা থাকতে হবে
--- সবার কাছে অনুরোধ শেয়ার করতে ভুলবেন না প্লিজ,কারন এটা আপনার পবিত্র দ্বায়িত্ব। আল্লাহ্ বলেন.. ঐ ব্যাক্তির কথার চেয়ে কার কথা উওম যে নিজে সৎকর্ম করে এবং অন্যকে সৎকর্মের জন্য আহবান করে।____ সূরা হা-মিম সিজদাহ্--(৩৩)......। নবী সা.বলেন. আমার পরে সবচেয়ে বড় দানশীল ব্যাক্তি তিনি,যে কোন বিষয়ে জানলো এবং অন্যকে তা জানালো.....( বায়হাকী)(সংগৃহীত)
04/10/2024
গাড়ি যদি পর্দা দিয়ে ঢাকতে চান তাহলে ঠিকমতো ঢাকবেন। পর্দা দিয়ে ঢাকার পর যেন গাড়ির অবকাঠামো না ফুটে ওঠে। ভিতরের গাড়ির সাইজ, মডেল, কালার কোন কিছুই যেন বোঝা না যায়।
পর্দা কালারবিহীন কালো, নরমাল এবং অধিক পার্ট যুক্ত ও ঢিলেঢালা হলে ভালো যেন গাড়ি চোররা কিছুতেই বুঝতে না পারে ভিতরে কি গাড়ি আছে। মোটকথা এমনভাবে পর্দা দিয়ে ঢাকবেন যেন নিজের গাড়ি নিজে দেখলেও যেন সহজে আন্দাজ করতে না পারেন।
©️
18/06/2023
One of our director's profile...
06/10/2022
রিমাইন্ডার পোস্টঃ
এ্যাডভোকেটশিপ পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Enroll Aid Law Academy তে #বিকালের_শিফটে সম্পুর্ন নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু হচ্ছে।
MCQ নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু হবে আজ শুক্রবার অর্থাৎ (৭/১০/২০২২) তারিখ থেকে।
♦️♦️♦️ ক্লাসঃ
👉 #শুক্রবার এবং #শনিবার
👉 বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায়
যারা ইতোমধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন তারা এবং যারা ভর্তি হতে ইচ্ছুক তারাও অংশ নিতে পারেন নতুন ব্যাচের ক্লাসে।
ধন্যবাদান্তে,
মো.জাহিদুর রহমান রাজীব
(প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক)
Enroll Aid Law Academy
যোগাযোগঃ খান ভিলা, মায়াকাণনের বিপরীতে, হাসপাতাল রোড, নতুন বাজার টেম্পু স্ট্যান্ড, বরিশাল।
☎️ 01712502303
☎️ 01671367277
25/09/2022
এ্যাডভোকেটশিপ পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Enroll Aid Law Academy তে #বিকালের_শিফটে সম্পুর্ন নতুন ব্যাচে ভর্তি চলছে!
MCQ নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু হবে আগামী #অক্টোবর মাসের ১ম শুক্রবার অর্থাৎ (৭/১০/২০২২) তারিখ থেকে।
♦️♦️♦️ ক্লাসঃ
👉 #শুক্রবার এবং #শনিবার
👉 বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায়
সময় ক্ষেপণ না করে দ্রুত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহবান জানানো যাচ্ছে। কারন, "First come, first serve" ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম চলছে। (আসন সংখ্যা সীমিত)
ধন্যবাদান্তে,
মো.জাহিদুর রহমান রাজীব
(প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক)
Enroll Aid Law Academy
যোগাযোগঃ খান ভিলা, মায়াকাণনের বিপরীতে, হাসপাতাল রোড, নতুন বাজার টেম্পু স্ট্যান্ড, বরিশাল।
☎️ 01712502303
☎️ 01671367277