29/10/2025
ZIS Tech & Teach
29/10/2025
27/05/2025
"স্মৃতি শক্তির বাদামে স্মৃতি হারালাম!"
ডাক্তার বললেন, "আপনার স্মরণশক্তি একটু দুর্বল হয়ে গেছে। রোজ সকালে ভিজানো বাদাম খাওয়া শুরু করুন। ধীরে ধীরে স্মৃতি ফিরে আসবে।"
আমি ভাবলাম, ব্যাস! এবার মনে থাকবে সব কিছু—টাকার হিসাব, স্ত্রীর জন্মদিন, এমনকি শ্বশুরবাড়ির মানুষদের নামও!
রাতে বড় আয়োজন করে এক বাটি বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রাখলাম। এমনভাবে রাখলাম যেন সকালে চোখ খুলেই খুঁজে পাই।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্ত্রীকে বলে রাখলাম, "দেখো, আমার নতুন স্মৃতির প্রথম দিন শুরু হচ্ছে কাল থেকে!"
ভোরে ঘুম ভাঙল পাখির ডাক আর মনে পড়া একটিমাত্র জিনিসে—"বাদাম!"
দৌড়ে উঠলাম, টেবিল দেখি, ফ্রিজ দেখি, রান্নাঘর দেখি—বাদাম নাই, বাটি নাই, আর স্মৃতিও নাই!
স্ত্রী জিজ্ঞেস করল, "কি খুঁজছো?"
আমি বললাম, "আমি আসলে খুঁজছি... মানে... বাদাম না বাটি... মানে... আমি আসলে খুঁজছি, আমি কি খুঁজছিলাম?"
স্ত্রী হেসে বলল, "তোমার স্মৃতিশক্তি ফিরে আসার আগেই মনে হয় বাদামগুলো হারিয়ে গেছে!"
তখন বুঝলাম, ডাক্তার শুধু বাদাম খেতে বললে হতো না—একটা GPS ট্যাগও দিয়ে দেওয়া দরকার ছিল!
৫০টি ফ্রি AI টুলস — আপনার কাজ হবে আরো সহজ, দ্রুত ও স্মার্ট!
আপনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ডিজাইনার, লেখক, ডেভেলপার কিংবা কনটেন্ট ক্রিয়েটর — এই AI টুলগুলো আপনার কাজের গতি বাড়াবে নিশ্চিত!
---
✍️ Content Writing & Editing
1. ChatGPT — প্রশ্ন করুন, উত্তর পান! লেখালেখি ও আইডিয়া জেনারেটরের জন্য সেরা।
2. Copy.ai — বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট আর ব্লগ লেখার AI সহকারী।
3. QuillBot — প্যারাফ্রেজ ও গ্রামার ঠিক করার জন্য অসাধারণ।
4. Writesonic — কনটেন্ট রাইটিং, ব্লগ আইডিয়া ও কপি জেনারেশন।
5. Jasper — প্রফেশনাল লেখালেখির জন্য শক্তিশালী AI।
---
🎨 Design & Image Generation
6. Canva Magic Design — AI দিয়ে প্রফেশনাল ডিজাইন কয়েক সেকেন্ডে।
7. DALL·E 2 — শুধু লিখুন, AI সেই অনুযায়ী ছবি বানিয়ে দেবে।
8. Midjourney — কল্পনাকে রূপ দিন ইমেজে।
9. Runway ML — ভিডিও কাটিং, রিমুভ ব্যাকগ্রাউন্ড, AI এডিটিং।
10. Krea — Creative AI ডিজাইনার, স্কেচ থেকে ইমেজ বানায়।
---
🎥 Video & Audio Editing
11. Pictory — টেক্সট থেকে ভিডিও তৈরি, ইউটিউবারদের জন্য পারফেক্ট।
12. Lumen5 — ব্লগ পোস্ট দিয়ে ভিডিও বানানো যায়।
13. Descript — অডিও এডিটিং টুল, টেক্সট লিখে ভিডিও কাটতে পারবেন।
14. Lalal.ai — গানের ভোকাল/ইন্সট্রুমেন্ট আলাদা করার জন্য।
15. Otter.ai — মিটিং, ক্লাসের ট্রান্সক্রিপশন অটোমেটিক।
---
👨💻 Coding & Development
16. GitHub Copilot — কোড লেখায় সহায়তা করে; প্রোগ্রামারের বেস্ট ফ্রেন্ড।
17. Tabnine — AI কোড সাজেশন, টাইপিং বাঁচায়।
18. AskCodi — কোড লেখা, প্রশ্ন-উত্তর, ডকুমেন্টেশন।
19. Mutable.ai — কোড দ্রুত রিফ্যাক্টর ও এক্সপ্লেনেশন।
20. Codium — কোডের বাগ ধরতে সহায়ক।
---
📊 Data & Analytics
21. Google Cloud AI — ডেটা বিশ্লেষণ, স্পিচ টু টেক্সট, অনুবাদ।
22. DataRobot — মেশিন লার্নিং মডেল সহজে তৈরি।
23. BigML — অ্যানালাইসিস ও প্রেডিকশন সহজ করে।
24. RapidMiner — ডেটা সায়েন্স টুলকিট।
25. H2O.ai — এন্টারপ্রাইজ লেভেল AI টুল।
---
📈 Marketing & SEO
26. Surfer SEO — কনটেন্ট অপটিমাইজেশনের জন্য AI বিশ্লেষণ।
27. AdCreative.ai — অটো জেনারেটেড বিজ্ঞাপনের জন্য।
28. Taplio — লিঙ্কডইন মার্কেটিং ও পোস্ট তৈরিতে সহায়ক।
29. MarketMuse — SEO-বান্ধব ব্লগের জন্য কন্টেন্ট প্ল্যান।
30. HubSpot AI — CRM, মার্কেটিং অটোমেশন।
---
⚙️ Productivity & Research
31. Fireflies.ai — মিটিং নোট ও ট্রান্সক্রিপশন।
32. Humata — ডকুমেন্ট বুঝতে সাহায্য করে।
33. Reclaim.ai — টাইম ম্যানেজমেন্ট স্মার্টলি।
34. Gamma — সহজে প্রেজেন্টেশন তৈরির AI টুল।
35. Claude — ChatGPT-এর মতো আরেকটি চ্যাটবট।
36. Perplexity — AI সার্চ ইঞ্জিন।
37. Consensus — বৈজ্ঞানিক গবেষণার সারাংশ পেতে।
38. ChatPDF — PDF পড়তে ও বোঝাতে AI সহায়তা।
39. Legal Robot — আইনি ডকুমেন্ট সহজ ভাষায় বুঝতে।
40. Beagle.ai — চুক্তি ও ডকুমেন্ট বিশ্লেষণ।
---
🎮 Creative & Fun Tools
41. AI Drum Generator — মিউজিকের ড্রাম বিট তৈরি।
42. AI Mind Mapper — আইডিয়া ম্যাপ তৈরির টুল।
43. Salad — গেম খেলেই ইনকাম ও কম্পিউটিং পাওয়ার শেয়ার।
44. LearChat — শিক্ষামূলক প্রশ্নোত্তর চ্যাটবট।
45. MusicHero — AI দিয়ে গান বানানো যায়।
---
✅ আরও কিছু অসাধারণ টুলস
46. Void Editor — কোডিং এবং টেক্সট এডিটর।
47. TTS Reader — টেক্সট থেকে স্পিচে কনভার্ট।
48. Be My Eyes — দৃষ্টিহীনদের লাইভ ভিডিও সহায়তা।
49. Scribble Diffusion — স্কেচ থেকে ছবিতে রূপান্তর।
50. Krea — কল্পনার ডিজাইন রিয়েল ইমেজে রূপ দেয়।
---
আপনার পছন্দের টুল কোনটি? কমেন্টে জানান!
আপডেট পেতে পেজে লাইক দিন।
[ ]
08/02/2025
The School of Athens:
রাফায়েল সাঞ্জিওর (Raphael) বিখ্যাত চিত্রকর্ম The School of Athens রেনেসাঁ যুগের অন্যতম সেরা শিল্পকর্ম। এটি ১৫০৯ থেকে ১৫১১ সালের মধ্যে পোপ জুলিয়াস II-এর নির্দেশে ভ্যাটিকানের অ্যাপোস্টলিক প্যালেসের স্টানজা ডেলা সেগনাতুরায় আঁকা হয়।
---
বিষয়বস্তু:
চিত্রকর্মটি প্রাচীন গ্রিক দর্শন, বিজ্ঞান এবং জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এখানে প্লেটো, অ্যারিস্টটলসহ অনেক বিখ্যাত দার্শনিক ও বিজ্ঞানীকে দেখানো হয়েছে।
প্লেটো ও অ্যারিস্টটল: চিত্রের কেন্দ্রস্থলে প্লেটো বাম দিকে আঙুল উঁচিয়ে আকাশের দিকে নির্দেশ করছেন, যা আদর্শগত ধারণার প্রতীক। পাশে অ্যারিস্টটল পৃথিবীর দিকে হাত রাখছেন, যা বাস্তবতার প্রতি তাঁর বিশ্বাস প্রকাশ করে।
রাফায়েল তাঁর The School of Athens চিত্রকর্মে মোট ৫৮ জন দার্শনিক, বিজ্ঞানী ও বুদ্ধিজীবীকে চিত্রিত করেছেন বলে ধারণা করা হয়। তবে তাদের সবার নাম নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
বিখ্যাত কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিত্ব:
1. প্লেটো: কেন্দ্রস্থলে, আকাশের দিকে আঙুল উঁচিয়ে আছেন (রাফায়েল তাঁর চেহারায় লিওনার্দো দা ভিঞ্চির ছাপ দিয়েছেন)।
2. অ্যারিস্টটল: প্লেটোর পাশে, পৃথিবীর দিকে হাত বাড়িয়ে আছেন।
3. সোক্রেটিস: বাঁ দিকে, তর্করত অবস্থায়।
4. পিথাগোরাস: নিচে বাঁ পাশে, একটি তক্তায় ত্রিভুজমিতি শিখাচ্ছেন।
5. ইউক্লিড: ডান দিকে, কম্পাস দিয়ে গণনা করছেন (সম্ভবত ব্রামান্তের চেহারায় আঁকা)।
6. জেনো ও পারমেনিদিস: প্লেটোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
7. ডায়োজেনিস: সিঁড়িতে শুয়ে আছেন।
8. হারাক্লিটাস: নিচে বসে ভাবনায় ডুবে আছেন (মাইকেলেঞ্জেলোর অনুকরণে আঁকা)।
9. প্লটিনাস: দার্শনিক হিসেবে ডান দিকে।
চিত্রে কল্পিত কিছু চরিত্রও রয়েছে, যাদের বাস্তব পরিচয় নেই। এটি রেনেসাঁ যুগের মানবতাবাদী চিন্তাধারার একটি অনন্য উদাহরণ।
23/08/2024
"সেভেন সিস্টার্স" হলো ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য।এই ৭ রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।এই সাতটি রাজ্য হল:
1. **আসাম (Assam)**
2. **অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh)**
3. **মণিপুর (Manipur)**
4. **মেঘালয় (Meghalaya)**
5. **মিজোরাম (Mizoram)**
6. **নাগাল্যান্ড (Nagaland)**
7. **ত্রিপুরা (Tripura)**
এই সাতটি রাজ্য পারস্পরিকভাবে সংযুক্ত এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে গভীর সম্পর্কযুক্ত। তারা মিলিতভাবে ভারতের "সেভেন সিস্টার্স" নামে পরিচিত।
10/08/2024
সাধারণত ২০ থেকে ২৫ বছর অর্থাৎ দুই যুগের মতো সময় ধরে একটি প্রজন্ম গড়ে ওঠে। যদিও তাদের শুরু ও শেষের বছরটি বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত হয়। প্রযুক্তিগত ক্রমবিবর্তন, বিশ্বায়ন ও সভ্যতার উন্নয়নও এ ক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেয়ারগিভার্স অব আমেরিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
তাহলে একনজরে একটু জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন প্রজন্মের নাম, তাদের জন্মের সময়সীমা ও বর্তমানে তাদের বয়সের মান।
গ্রেটেস্ট জেনারেশন বা মহত্তম প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯০১ থেকে ১৯২৭ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স অবশ্যই ৯৫ বছরের বেশি।
সাইলেন্ট জেনারেশন বা নীরব প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯২৮ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৭৯ থেকে ৯৪ বছর।
বেবি বুমার্স জেনারেশন: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৬০ থেকে ৭৮ বছর।
জেনারেশন এক্স: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৬৫ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৪৪ থেকে ৫৯ বছর।
জেনারেশন ওয়াই বা মিলেনিয়ালস বা সহস্রাব্দ প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। এবং এঁদের বর্তমান বয়স ২৮ থেকে ৪৩ বছর। এই প্রজন্মেরই যাঁদের জন্ম আবার ১৯৯০ সালের ভেতরে অর্থাৎ যাঁরা পুরো নব্বই দশকে তাঁদের শৈশব-কৈশোর পার করেছেন, তাদের বলা হয় নাইন্টিজ কিডস। এঁদের মা-বাবারা বেশির ভাগই বুমার্স ও জেনারেশন এক্সের সদস্য।
জেনারেশন জেড বা জেন-জি: এঁদের জন্মকাল ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ১২ থেকে ২৭ বছর। এঁদের মা-বাবারা মূলত জেনারেশন এক্স ও ওয়াইয়ের সদস্য।
জেনারেশন আলফা: এদের জন্মকাল আনুমানিক ২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং এদের বর্তমান বয়স ০ থেকে ১২ বছর। এঁদের মা-বাবারা আবার জেনারেশন ওয়াই বা সহস্রাব্দ প্রজন্মের সদস্য।
যদিও আলফা প্রজন্মের শেষ সময় এখনো নির্ধারিত হয়নি। এই প্রজন্ম এখনো শিশু এবং এদের আচরণগত বৈশিষ্ট্য ও পরিসংখ্যান এখনো সর্বব্যাপী প্রকাশিত নয়, কাজেই বলা যাচ্ছে না যে এই সময়কাল শেষ হবে কত সালে।
List of Generations [Year Wise]
1. Silent Generation (1928 – 1945):
2. Baby Boomers (1946 – 1964):
3. Generation X (1965 – 1980):
4. Millennials (1981 – 1996):
5. Generation Z (1997 – 2012):
6. Alpha Generation (2013 – Present):
Micro-Generations
1. Xennials (1977 – 1983):
2. Millennials (1994 – 2003):
Generational Impact on Culture and Society
Generational Gaps in the Workplace
Future Generations and Emerging Trends
তথ্যসূত্রঃ
সমকাল
geeksforgeeks.org
ছবিঃ ইন্টারনেট
12/06/2024
একদিন তুর্কীর বিখ্যাত কবি নাজিম হেকমেত তার বন্ধু বিখ্যাত চিত্রকর আবেদিন দিনোকে অনুরোধ করেছিলেন একটা সুখের ছবি আঁকার জন্য। আবেদিন দিনো তার বন্ধুর অনুরোধে এই ছবিটি এঁকে দেন। ভালো করে ছবিটি দেখুন, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখুন.. এক লহমায় মুছে যাবে সকল ভয়, ভীতি, হতাশা।
একটা ভাঙা খাটের ছোট বিছানায় শান্তিতে ঘুমাচ্ছে একটি বড় পরিবার। খাটের একটা পায়া নই, সেখানে দুটি ইট রাখা। জরাজীর্ণ বাড়ির ছাদের ফুটো থেকে পানি পড়ছে, ওখানে তাই ছাতা রাখা। বাড়ির কুকুরটিও বিছানায় শান্তিতে ঘুমায়। কপাটবিহীন জানালায় পাখি বসেছে। মুরগি শেয়ালে নেবারও দুর্ভাবনা নেই।
ছবি ও লেখাঃ সংগ্রহ
28/04/2024
ভাবা যায়?!😳 উনি বিখ্যাত লালসালু উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ!!
সারা জীবন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সাহেবের খোঁচা খোঁচা কাঁচা পাকা দাড়িগোফ!! খাদি পান্জাবি পরা কি চেহেরা মনে মনে ভাবলাম!! আর আজ কি দেখলাম!! আমি ভেবেই পাচ্ছি না এই সাহেব টাইপ মানুষ কিভাবে অজো গায়ের এত গভীর চরিত্রগুলো লেখায় তুলে আনতে পারলেন??!!!
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ,চল্লিশ দশকের লেখক। লালসালু,বহিপীর, চাঁদের অমাবস্যা,কাঁদো নদী কাঁদো এর জনক। ওয়ালীউল্লাহকে আপনি এমনিতে না চিনলেও পাঠ্যপুস্তকে লালসালুর নাম শোনেননি এমন হবে না। কি অসম্ভব রকম স্মার্ট ছিলেন এই মানুষটি দেখুন একটু। ওনার বেশীরভাগ উপন্যাস গ্রাম্য পটভূমিতে নাহয় মনস্তাত্ত্বিক। বিয়েও করেছিলেন একজন বিদেশিনীকে। সৃষ্টিকর্ম নিয়েই যার একগাদা কথা বলা যায়, সৃষ্টিকর্ম বাদেও সেই যুগে এমন হ্যান্ডসাম,স্মার্ট আর স্বাধীনচেতা মন মানসিকতার লেখক কল্পনা করা যায়?
সংগৃহীত
#কপি #ছবি #অকারনে
11/04/2024
প্যারিসের এক রেস্তোরাঁয় একবার এক সুন্দরী ভদ্রমহিলা এক স্প্যানিশ চিত্রশিল্পীকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন- উনি কি ১ মিনিটে তার ছবি এঁকে দিতে পারবে ?
সেই চিত্রশিল্পী ছবিটি আঁকার জন্য সময় নিলেন মাত্র ৩০ সেকেন্ড। সেই ভদ্রোহিলা ছবিটি নিয়ে যেতে চাইলে চিত্রশিল্পী সেটার মূল্য চাইলেন (যেটা স্বাভবিকের চেয়ে একটু বেশী মনে হচ্ছিল)।
মহিলাটি চমকে জিজ্ঞেস করলো- তুমি ৩০ সেকেন্ডের জন্য এতো টাকা চাইছ ?
সেই চিত্রশিল্পী জবাবে বলেন- ৩০ সেকেন্ডের কাজটার জন্য আমাকে ৩০ বছর সাধনা করতে হয়েছে। সেই সময়ের মূল্য কত হতে পারে?
# # #
ভুমিষ্ঠ হওয়ার পর ধাত্রী ভেবেছিলেন মৃতশিশুর জন্ম হয়েছে। এই কারণে ধাত্রী শিশুটিকে একটি টেবিলের উপর রেখে মায়ের সেবা-শুশ্রুষায় ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় শিশুটিকে টেবিলের উপর নিথর হয়ে পরে থাকতে দেখে তার কাকা এগিয়ে আসেন এবং তার মুখে থাকা সিগারেটের ধোঁয়া শিশুটির মুখে নিক্ষেপ করা মাত্রই শিশুটি নড়াচড়া দিয়ে উঠে। তার মা জানিয়েছেন শিশুকালে তার মুখে প্রথম উচ্চারিত শব্দ ছিল ‘পিজ’ ‘পিজ’! ‘পিজ’ আসলে ‘লাপিজ’ শব্দের শিশুতোষ সংক্ষিপ্ত উচ্চারণ। ‘লাপিজ’ অর্থ পেনসিল।
# # #
তাঁর খ্যাতিতে সবচেয়ে অবাক হয়েছিল তাঁর শিক্ষক, কারণ উনি তাঁকে মাত্র ১০ বছর বয়সে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছিলেন | কারন সেই ছাত্র বর্ণমালার কোনও অক্ষর মনে রাখতে পারত না, ৭ কে বলতেন উল্টো নাক !
# # #
স্পেন ছেড়ে যখন তিনি ফ্রান্সে আসেন তখন তাঁর পরনে ছিল স্পেনের গ্রাম্য পোশাক, শ্রমিকের। মুখে গ্রাম্য ভাষা। সারা জীবন তিনি তা ত্যাগ করেননি | চুল কাটাতে কখনও তিনি বাড়ির বাইরে যেতেন না। নিজেই নিজের চুল কাটতেন, দাড়ি কাটতেন, নখ কাটতেন। কিংবা বন্ধু-বান্ধবদের দিয়ে কাটিয়ে নিতেন। কারণ তাঁর স্প্যনিশ সংস্কার।এমন কি শেষ জীবনে বাড়িতে এসে একজন নাপিত তাঁর চুল, দাঁড়ি, নখ কেটে দিয়ে যেত l
তাঁর আচার-আচরনেও স্প্যানিশ রীতিনীতিই প্রকট হয়ে উঠত। একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ওলট-পালট করা শিল্পীর এইসব ব্যাপার-স্যাপার একেবারে অস্বাভাবিক না হলেও নজরে পড়ত। তিনি নিজেও বলতেন— ‘আমার শিল্পের প্রাথমিক প্রেরণা আমার গ্রাম এবং দেশের মানুষ।’
# # #
স্পেনের দুঃশাসক ফ্রাঙ্কোর দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সবসময়ই সরব ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে সোভিয়েত ইউনিয়নে যাবার জন্যে ফ্রাঙ্কো-সরকারের ছাড়পত্র নিতে হবে বলে তিনি আর সেখানে যাননি। উল্টো তিনি ফ্রাঙ্কোর শাসনকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘ফ্রাঙ্কোর কাছ থেকে কাগজ নেবার মতো ঘৃণ্য কাজ আমি করতে পারি না।' এমনই প্রতিবাদী ও নির্ভীক ছিলেন তিনি |
# # #
গোয়ের্নিকা, উত্তর স্পেনের শহরতলি। তখন স্পেনের গৃহযুদ্ধ চলছে। জার্মান বাহিনী বোমা ফেলল ছোট্ট শহরটির ওপর। চারদিকে ধ্বংসের ছবি। আর ধ্বংসের সেই ভয়াবহ চেহারা নিয়ে নিজের স্টুডিওতে ছবি আঁকা শুরু করলেন একজন শিল্পী। শোনা যায়, ছবির কাজ চলার সময় আচমকাই স্টুডিওতে হানা দেয় জার্মানরা। ছবি দেখিয়ে তারা প্রশ্ন করে, ‘কে করেছে?’ উত্তরও ছিটকে আসে, ‘তোমরা।’
চারদিকে ধ্বংসচিত্র, মানুষ চিৎকার করছে, এক মা আলো নিয়ে এগিয়ে আসছেন, কিউবিস্ট ধাঁচ ছবি জুড়ে। এটা তৈরির আগে ছবির মধ্যের বিভিন্ন এক্সপ্রেশনগুলোকে নিয়ে প্রায় দুশোর মতো স্কেচ করেছিলেন পিকাসো। তার অমর সৃষ্টিকর্ম ‘গোয়ের্নিকার’ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
এ ‘গোয়ের্নিকা’ সৃষ্টি হয়েছে যার হাতে তিনি আর কেউ নন, তিনি পাবলো পিকাসো।
দক্ষিন ফ্রান্সে থাকার সময় একবার পিকাসোর বন্ধুরা তাঁর বাড়িতে খেতে এসে দেখলো পিকাসোর ঘরে তাঁর নিজের আঁকা কোনও ছবি নেই। বন্ধুদের একজন জিজ্ঞাসা করলো, "তোমার আঁকা কোনও ছবি নেই কেন পাবলো, তুমি কি তোমার ছবি পছন্দ কর না?"
পিকাসোর জবাব, "বরং উল্টোটাই সত্য, আমি অনেক পছন্দ করি, কিন্তু পিকাসোর আঁকা ছবিগুলোর অনেক দাম, আমার কেনার সামর্থ নাই"।
তিনি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন যে, একটা সময় ছবি আঁকার জন্যে রং কেনার পয়সা ছিল না তার। পিকাসো তখন শুধু নীল রং দিয়েই ছবি আঁকতেন। তার এ সময়কে বলা হয় ‘ব্লু পিরিয়ড’। পিকাসো বলতেন, ‘আমার আবেগ কোনো রঙের অপেক্ষায় থাকে না। আমার যখন হলুদ রঙ থাকে না, তখন শুধু নীলেই আঁকতে পারি।’ মূলত নীল রঙে আঁকা পিকাসোর ছবিগুলো ধারণ করেছিল অন্য এক প্যারিসকে।
পাবলো পিকাসো তখন দারুণ জনপ্রিয় চিত্রশিল্পী। একদিন চার্লি চ্যাপলিন গেলেন পিকাসোর সঙ্গে দেখা করতে। বললেন, ‘আপনি কী করে ছবি আঁকেন, দেখতে এলাম।’
পিকাসো সাদরে অভ্যর্থনা জানিয়ে চার্লি চ্যাপলিনকে নিয়ে গেলেন তার স্টুডিওর মধ্যে। সেখানে তিনি একটা ছবি আঁকতে ব্যস্ত ছিলেন। চ্যাপলিন দাঁড়িয়ে আছেন আর পিকাসো নিমগ্ন হয়ে ছবি আঁকছেন। হঠাৎ তুলি থেকে খানিকটা রং ছিটকে গিয়ে পড়ল চার্লি চ্যাপলিনের সাদা জামায়। পিকাসো আঁতকে উঠে বললেন, ‘ওহ্, আমি খুবই দুঃখিত চার্লি! দাঁড়াও, আমি এক্ষুনি স্পিরিট নিয়ে এসে রংটা মুছে দিচ্ছি।’
চ্যাপলিন একবার তার জামাটার দিকে তাকান, তারপর হাসতে হাসতে বলেন, ‘কোনো দরকার নেই, তার চেয়ে আপনি বরং আমার প্যান্টের ওপর একটা সই দিয়ে দিন।’
পিকাসো ছিলেন সব রকম নির্যাতনের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠিত ধারনার বিরুদ্ধে। তবে ওই যে বলা হয়, তিনি ভেঙেছেন কেবল— এটা ঠিক না। যা কিছু ভেঙেছেন, তা গড়ার জন্যই। ভাঙার আনন্দে কোনও কিছু তিনি ভাঙেননি।
পাবলো পিকাসো, পৃথিবী যার আঁকার ক্যানভাস |
''শিল্পকলার উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মা থেকে দৈনন্দিন জীবনের ধুলা দূর করা ।'' - পাবলো পিকাসো
গত ৮ই এপ্রিল ছিল প্রয়াণ দিবস | শ্রদ্ধাঞ্জলি |
#সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Roy Road
Barishal
8200