ANZOM library and sky's edu learning skills child's to old

ANZOM library and sky's edu learning skills child's to old Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . Nur Hossain (Opu) (opu fure)

people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD.

1st, read, translation sending,যৌনতা শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া; কিন্তু সচেতনতা ও বিজ্ঞানসম্মত বোঝাপড়ার মাধ্যমে ম...
14/09/2026

1st, read, translation sending,যৌনতা শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া; কিন্তু সচেতনতা ও বিজ্ঞানসম্মত বোঝাপড়ার মাধ্যমে মানুষ তার শরীর ও শক্তিকে আরও পরিণতভাবে পরিচালনা করতে পারে।” — সদ্গুরু
বিশ্লেষণ এ
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
শরীর, যৌনতা ও সচেতনতা: শিক্ষা, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, গণিত ও অর্থনীতির আলোকে
“যৌনতা শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া; কিন্তু সচেতনতা ও বিজ্ঞানসম্মত বোঝাপড়ার মাধ্যমে মানুষ তার শরীর ও শক্তিকে আরও পরিণতভাবে পরিচালনা করতে পারে।”
উপরের ভাবনাকে কেন্দ্র করে যৌনতা ও শরীরকে লজ্জা বা কুসংস্কারের বিষয় না বানিয়ে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দায়িত্ববোধ ও আত্মনিয়ন্ত্রণের দৃষ্টিতে দেখা যায়।
📚 ১. শিক্ষামূলক বিশ্লেষণ
যৌনতা মানুষের জীববিজ্ঞান ও প্রজননস্বাস্থ্যের একটি স্বাভাবিক অংশ। তাই সঠিক বয়সে বৈজ্ঞানিক ও বয়স-উপযোগী যৌনশিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
শরীরের পরিবর্তন, বয়ঃসন্ধি, মাসিক, প্রজনন, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, সম্মতি ও ব্যক্তিগত সীমারেখা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ভুল ধারণা কমাতে পারে।
যৌনশিক্ষার উদ্দেশ্য যৌন আচরণ উৎসাহিত করা নয়; বরং নিরাপত্তা, দায়িত্ববোধ ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি করা।
ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে চিকিৎসক, নির্ভরযোগ্য শিক্ষামূলক উৎস ও বৈজ্ঞানিক তথ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
নিজের শরীর এবং অন্যের শরীর—দুটির প্রতিই সম্মান দেখানো সুস্থ সামাজিক শিক্ষার অংশ।
➗ ২. গাণিতিক বিশ্লেষণ
স্বাস্থ্যকে একটি সহজ মডেলে ভাবা যায়:
সুস্থতা = শারীরিক স্বাস্থ্য + মানসিক স্বাস্থ্য + জ্ঞান + নিরাপদ আচরণ + পর্যাপ্ত বিশ্রাম।
উদাহরণ হিসেবে প্রতিদিনের সময়কে ২৪ ঘণ্টা ধরে পরিকল্পনা করলে—ঘুম, পড়াশোনা/কাজ, শরীরচর্চা, পরিবার ও ব্যক্তিগত সময়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখা যায়।
ঝুঁকি বিশ্লেষণে একটি ধারণা ব্যবহার করা যায়:
ঝুঁকি = সম্ভাবনা × ক্ষতির মাত্রা।
যেমন, যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে ভুল তথ্যের সম্ভাবনা বেশি এবং তার সম্ভাব্য ক্ষতি গুরুতর হলে বিষয়টি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজনও বেশি।
গণিত এখানে যৌনতাকে “মাপার” বিষয় নয়; বরং ঝুঁকি, সময়, স্বাস্থ্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে যুক্তিসংগতভাবে বোঝার একটি পদ্ধতি।
🔬 ৩. Science বিশ্লেষণ
যৌন আকর্ষণ ও যৌন প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র, হরমোন ও রক্তসঞ্চালনসহ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যুক্ত।
টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরনসহ বিভিন্ন হরমোন শরীরের যৌন ও প্রজনন-সম্পর্কিত কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে।
যৌনস্বাস্থ্য শুধু প্রজননের বিষয় নয়; এর সঙ্গে মানসিক সুস্থতা, সম্পর্ক, আত্মসম্মান এবং নিরাপদ আচরণও সম্পর্কিত।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে কোনো ব্যক্তির যৌন আকাঙ্ক্ষা বা সক্ষমতা নিয়ে অযথা লজ্জা বা ভয় তৈরি করা স্বাস্থ্যকর নয়।
তবে “স্বাভাবিক” এবং “নিরাপদ”—এই দুটি বিষয় আলাদা। যেকোনো যৌন আচরণে সম্মতি, আইন, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করা প্রয়োজন।
🏥 ৪. মেডিকেল শিক্ষা
যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সমস্যা হলে অনুমান বা অনলাইন গুজবের ওপর নির্ভর না করে যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
যৌনবাহিত সংক্রমণ (STI) সম্পর্কে জ্ঞান, প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা এবং চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অস্বাভাবিক ব্যথা, ক্ষত, অস্বাভাবিক স্রাব, রক্তপাত, প্রস্রাবে জ্বালা বা যৌনস্বাস্থ্যের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
যৌনক্ষমতা বাড়ানোর নামে অজানা ওষুধ, হরমোন বা ভেজাল “শক্তিবর্ধক” ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে।
প্রজননস্বাস্থ্য রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ যৌন আচরণ, প্রয়োজনীয় টিকা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্বপূর্ণ।
যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলার সময় সঠিক তথ্য গোপন না করা চিকিৎসার মান উন্নত করে।
💰 ৫. অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ
সুস্থ শরীর ও সুস্থ সম্পর্ক ব্যক্তির কর্মক্ষমতা এবং জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করতে পারে।
যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে সংক্রমণ, অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ বা দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যসমস্যা তৈরি হলে চিকিৎসা ব্যয় ও কর্মঘণ্টার ক্ষতি হতে পারে।
তাই যৌনস্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের অর্থনৈতিক বিনিয়োগ হিসেবেও দেখা যায়।
ভেজাল যৌন-স্বাস্থ্য পণ্য ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে পারে।
বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা ও সঠিক তথ্য মানুষকে অপ্রয়োজনীয় খরচ এবং প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে পারে।
🧠 ৬. নিজেকে তৈরি করার উপায়
নিজের শরীর সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান অর্জন করুন।
যৌন আকাঙ্ক্ষাকে ভয় বা অপরাধবোধ দিয়ে নয়, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে পরিচালনা করুন।
ঘুম, পুষ্টিকর খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামকে জীবনযাপনের অংশ করুন।
পর্নোগ্রাফি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে বাস্তব যৌনসম্পর্কের নির্ভরযোগ্য শিক্ষার উৎস মনে করবেন না।
অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও ব্যক্তিগত সীমারেখাকে সর্বদা সম্মান করুন।
কোনো শারীরিক বা যৌনস্বাস্থ্য সমস্যা হলে লজ্জা না পেয়ে যোগ্য চিকিৎসকের সাহায্য নিন।
নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন—শিক্ষা, দক্ষতা, কর্মজীবন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও চরিত্র গঠনে সময় দিন।
আত্মনিয়ন্ত্রণ মানে অনুভূতিকে অস্বীকার করা নয়; বরং অনুভূতি বুঝে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়া।
শেষ পর্যন্ত শরীরকে বোঝা, বিজ্ঞানকে অনুসরণ করা এবং নিজের সিদ্ধান্তের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন হওয়াই পরিণত ব্যক্তিত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
@@₹$€£@***
খাল কেটে কুমির আনা একটা কথা কিন্তু খাল কেটে কুমির এনে বা পালান করে তা চামাড়া কেটে জুতা ব্যাগ মাংস দেশে বিদেশে বিক্রয়যোগ্য করলে অর্থনীতি সাবলম্বী হাওয়া যায়,তাই খাল কেটে কুমির আনা বা পালান করা খতি নয় জীবনের প্রত্যেকটি বিষয় তাই। -
Nur Fure,, opu fure

🐊 “খাল কেটে কুমির” — সমস্যা থেকে সম্পদ তৈরির দর্শন
“খাল কেটে কুমির আনা একটা কথা; কিন্তু খাল কেটে কুমির এনে বা পালন করে তার চামড়া দিয়ে জুতা-ব্যাগ, মাংসসহ বৈধ ও নিরাপদ পণ্য দেশে-বিদেশে বিক্রয়যোগ্য করলে অর্থনীতি স্বাবলম্বী হতে পারে। তাই খাল কেটে কুমির আনা বা পালন করা ক্ষতি নয়—জীবনের প্রত্যেকটি বিষয়ও তাই।”
— Nur Fure, Opu Fure
📚 ১. শিক্ষামূলক বিশ্লেষণ
প্রচলিত প্রবাদে “খাল কেটে কুমির আনা” বলতে নিজের হাতে বিপদ ডেকে আনার ধারণা বোঝানো হয়। কিন্তু আধুনিক শিক্ষা আমাদের শেখায়—কোনো বিষয়কে শুধু প্রচলিত ধারণা দিয়ে নয়, জ্ঞান, তথ্য ও ফলাফল দিয়ে বিচার করতে হবে।
একটি সম্ভাব্য ঝুঁকিকে সুযোগে পরিণত করতে প্রয়োজন পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা।
কুমির পালন যদি আইনসম্মত হয় এবং পরিবেশ ও প্রাণীকল্যাণের নিয়ম মেনে পরিচালিত হয়, তাহলে এটি কৃষি, চামড়াজাত পণ্য, গবেষণা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
শিক্ষার মূল শিক্ষা হলো: সমস্যা দেখেই পিছিয়ে না গিয়ে সমস্যাটির কারণ, সম্ভাবনা এবং সমাধান খুঁজে বের করা।
তবে কোনো অর্থনৈতিক লাভ মানুষের নিরাপত্তা, পরিবেশ বা প্রাণীকল্যাণের ক্ষতির বিনিময়ে হওয়া উচিত নয়।
➗ ২. গাণিতিক বিশ্লেষণ
এই দর্শনকে একটি সাধারণ অর্থনৈতিক সমীকরণে বোঝানো যায়:
মোট মূল্য = কাঁচামাল + প্রক্রিয়াজাতকরণ + দক্ষতা + প্রযুক্তি + বাজারমূল্য − মোট ব্যয় − ঝুঁকি।
ধরুন, একটি খামারে কুমির পালনে মোট খরচ হলো ১০০ টাকা এবং বৈধভাবে উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করে আয় হলো ১৫০ টাকা। তাহলে সরল হিসাবে উদ্বৃত্ত:
১৫০ − ১০০ = ৫০ টাকা।
কিন্তু বাস্তব অর্থনীতিতে শুধু বিক্রয়মূল্য নয়—খাদ্য, শ্রম, জমি, চিকিৎসা/ভেটেরিনারি ব্যয়, নিরাপত্তা, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আইনগত ব্যয়ও হিসাব করতে হবে।
তাই একটি প্রকল্পের সফলতা নির্ভর করে:
লাভের হার = (নিট লাভ ÷ মোট বিনিয়োগ) × ১০০।
অর্থাৎ আবেগ দিয়ে নয়, তথ্য ও হিসাব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
🔬 ৩. Science বিশ্লেষণ
কুমির একটি সরীসৃপ; তার বৃদ্ধি, খাদ্যাভ্যাস, প্রজনন, রোগপ্রতিরোধ এবং পরিবেশগত প্রয়োজন বৈজ্ঞানিকভাবে পরিচালনা করা যায়।
কুমিরের প্রজনন ও পালন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক গবেষণা খামার ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে পারে।
পানি, তাপমাত্রা, খাদ্য, জায়গা এবং প্রাণীর আচরণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে খামারে রোগ, মৃত্যু বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা চামড়াকে নিরাপদ ও বাজারযোগ্য পণ্যে রূপ দিতে নির্দিষ্ট শিল্পপ্রক্রিয়া প্রয়োজন।
মাংস খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে জীবাণু নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ, রান্না ও খাদ্যনিরাপত্তার বৈজ্ঞানিক নিয়ম অপরিহার্য।
অর্থাৎ বিজ্ঞান সম্ভাবনাকে বাস্তব উৎপাদনে রূপ দেওয়ার প্রযুক্তিগত ভিত্তি তৈরি করে।
🏥 ৪. মেডিকেল শিক্ষা
প্রাণী পালন ও মানুষের স্বাস্থ্য একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই খামার ব্যবস্থাপনায় জনস্বাস্থ্য ও প্রাণীস্বাস্থ্য দুটিই বিবেচনা করতে হবে।
প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমণযোগ্য রোগের ঝুঁকি থাকায় প্রশিক্ষিত কর্মী, পরিচ্ছন্নতা ও যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
কুমিরের মাংস বাজারজাত করলে খাদ্য নিরাপত্তা, সংরক্ষণ ও জীবাণু নিয়ন্ত্রণের নিয়ম অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
কাঁচা মাংস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য আলাদা রাখা এবং নিরাপদ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।
কোনো প্রাণীজাত পণ্য খাওয়ার আগে স্থানীয় খাদ্যনিরাপত্তা আইন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের নির্দেশনা বিবেচনা করা উচিত।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে।
💰 ৫. অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ
একটি প্রাণীকে শুধু প্রাণী হিসেবে দেখলে তার অর্থনৈতিক সম্ভাবনার একটি অংশই দেখা হয়; শিল্পের দৃষ্টিতে দেখলে কাঁচামাল থেকে মূল্য সংযোজনের সম্পূর্ণ শৃঙ্খল দেখা যায়।
কুমিরের চামড়া থেকে উচ্চমূল্যের জুতা, ব্যাগ ও অন্যান্য পণ্য তৈরি হতে পারে—যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বন্যপ্রাণী বিধি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নিয়ম অনুমোদন করে।
এতে খামারি, শ্রমিক, কারিগর, পরিবহনকারী, ডিজাইনার, ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।
কাঁচামাল সরাসরি বিক্রি করার পরিবর্তে দেশে প্রক্রিয়াজাত করে মূল্য সংযোজন করা গেলে অর্থনীতিতে বেশি আয় ধরে রাখা সম্ভব।
তবে বন্যপ্রাণী পাচার, অবৈধ শিকার বা অবৈধ চামড়া বাণিজ্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়; বরং এটি আইনগত ও পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করে।
তাই প্রকৃত অর্থনৈতিক মডেল হবে: বৈধ উৎপাদন + মূল্য সংযোজন + দক্ষতা + রপ্তানি + পরিবেশ সুরক্ষা।
🧠 ৬. নিজেকে তৈরি করার উপায়
প্রথমে প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্ন করুন, কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।
একটি সমস্যাকে দেখুন তিনভাবে—ঝুঁকি, সুযোগ এবং সমাধান।
গণিত শিখুন, যাতে আবেগের পরিবর্তে হিসাব করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
বিজ্ঞান শিখুন, যাতে কোনো কাজের কারণ ও ফলাফল বুঝতে পারেন।
আইন সম্পর্কে জানুন, কারণ ভালো ব্যবসাও আইন ভঙ্গ করলে টেকসই হয় না।
প্রযুক্তি ও বাজার সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করুন।
কোনো ধারণা বাস্তবায়নের আগে ব্যয়, লাভ, ঝুঁকি, পরিবেশ ও মানুষের নিরাপত্তা বিশ্লেষণ করুন।
ব্যর্থতাকে শুধু পরাজয় হিসেবে না দেখে তার কারণ বিশ্লেষণ করুন।
নিজের জ্ঞানকে বাস্তব দক্ষতায় রূপ দিন—কারণ জ্ঞান + দক্ষতা + নৈতিকতা = দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা।
🌱 কথা :-
“খাল কেটে কুমির” দর্শনের আধুনিক শিক্ষা হতে পারে—যে বিষয়কে আমরা প্রথমে বিপদ মনে করি, সঠিক জ্ঞান, বিজ্ঞান, আইন, ব্যবস্থাপনা ও মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে সেটিই কখনো সম্পদে পরিণত হতে পারে। কিন্তু সব সম্ভাবনাকে গ্রহণ করা যাবে না; যে উদ্যোগ মানুষের জীবন, পরিবেশ বা প্রাণীকল্যাণকে অগ্রাহ্য করে, সেটি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক সাফল্যও নয়। সত্যিকারের স্বাবলম্বিতা হলো ঝুঁকিকে বুঝে, সম্পদকে মূল্যবান করে এবং দায়িত্বের সঙ্গে সুযোগকে কাজে লাগানো।
@@¥¢£@
সেপ্টেম্বর ২০২৬ সপ্তাহ ধরে, বর্তমানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে
🇮🇳 ভারত / দক্ষিণ এশিয়া — ৪ সেপ্টেম্বর
সিনেমা
ভাষা/দেশ
মুক্তি
Mirzapur: The Movie
হিন্দি 🇮🇳
৪ সেপ্টেম্বর
Sardar 2
তামিল 🇮🇳
৪ সেপ্টেম্বর
Celtic Utopia
ইংরেজি/আয়ারল্যান্ড
৪ সেপ্টেম্বর
Romanchakam
মালয়ালম 🇮🇳
৪ সেপ্টেম্বর
Panjaa
ভারত
৪ সেপ্টেম্বর
Dharmasthala Niyojakavargam
কন্নড় 🇮🇳
৪ সেপ্টেম্বর
Lomu
ইংরেজি
৪ সেপ্টেম্বর
Super Nature
যুক্তরাজ্য 🇬🇧
৪ সেপ্টেম্বর
৪ সেপ্টেম্বরের ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক কয়েকটি সিনেমার মুক্তির তথ্য UK cinema calendar-এও দেখা যাচ্ছে। �
Digital Cinema Media
🇨🇳 চীন / 🇯🇵 জাপান / 🇰🇷 কোরিয়া
Once Upon a Time in the Middle East — চীনা সিনেমা; জাপানের ২০২৬ সালের release calendar-এও এটি তালিকাভুক্ত রয়েছে। �
IMDb
কোরিয়ান সিনেমার ক্ষেত্রে এই সপ্তাহে আন্তর্জাতিকভাবে বড় theatrical release-এর নির্ভরযোগ্য পূর্ণ তালিকা পাওয়া যাচ্ছে না; তাই অনুমান করে নাম দিচ্ছি না।
🇬🇧 ইউরোপ
Wild Horse Nine — Martin McDonagh-এর নতুন সিনেমা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ Venice Film Festival-এ debut করেছে। �
The Washington Post
এছাড়া যুক্তরাজ্যে ৪ সেপ্টেম্বর:
Super Nature
The Incomer
Late Fame
Celtic Utopia
Lomu
A Shaun the Sheep Movie: Farmageddon — re-release
৪ সেপ্টেম্বরের UK cinema release calendar-এ এগুলো তালিকাভুক্ত। �
Digital Cinema Media +1
🇹🇷 তুরস্ক / মধ্যপ্রাচ্য
তুরস্কের ৪ সেপ্টেম্বরের release calendar-এ Onslaught-সহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সিনেমা রয়েছে। �
IMDb
আরবি সিনেমার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জুলাই–অক্টোবর সময়ের বেশ কিছু নতুন চলচ্চিত্রের তালিকা পাওয়া যাচ্ছে, তবে এই নির্দিষ্ট সেপ্টেম্বর সপ্তাহের পূর্ণ Arabic theatrical list নির্ভরযোগ্যভাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। �
Motivate Val Morgan Cinema
@@
উপরের বাক্য গুলো আরও পড়তে জানতে খবরের কাগজ গুলো পড়ুন ইন্টারনেট সার্চ করুন পড়ুন দেখুন
@@ writer :-
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ is now spreading silently and in an organized way in society, destroying children, families, and human dignity. Pickpocketing, data theft, SIM misuse, and blackmail have increased in crowds, transport, markets, and online. Fake medical centers and forged certificates are causing people financial and mental harm. Labeling people who focus on religious practice or education as mentally ill is a form of crime. These crimes spread through society like a disease. Only through caution, verification, treatment in government hospitals, data protection, and social awareness is it possible to prevent these crimes.It was seen that you are a PG patient, or Dhaka medical and by showing you a local Abu Tabl doctor, they deceived you and disappeared with valuable documents, money, and gold.
belongings, double-check transactions, and report crimes to telecom helplines. Awareness in communities, schools, and religious institutions is vital. If any problem occurs, awareness should be spread among 20 to 60 people of different religions at the district level. Condolences to bereaved families, birthday wishes to celebrants, and if there is illness, a reminder for elderly people and children to take medicine before sleep.
Today, I express condolences to the families of those who have passed away; for their good deeds, they receive rightful love everywhere. Do not disturb from 10 AM to 8 PM during working hours; if there is any information, send a message. Do not disturb me at night at 11:54 PM, as it is sleep time. Best wishes to those celebrating their birthday.

1st, read, translation, sending @🚨 চমকে দেওয়া তথ্য! মার্কিন সামরিক গবেষণার জ্ঞানেই কি চীনের ‘রোবট কুকুর’ বিপ্লব—Unitree...
19/08/2026

1st, read, translation, sending @🚨 চমকে দেওয়া তথ্য! মার্কিন সামরিক গবেষণার জ্ঞানেই কি চীনের ‘রোবট কুকুর’ বিপ্লব—Unitree কীভাবে বিশ্ব প্রযুক্তির মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রকেই চ্যালেঞ্জ করছে? ***₹$€£৳**
চীনের Unitree Robotics-এর রোবট কুকুর এখন শুধু প্রযুক্তি প্রদর্শনের যন্ত্র নয়; এটি রোবোটিক্সে কীভাবে গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেন্সর, মোটর, ব্যাটারি ও সফটওয়্যার একসঙ্গে কাজ করে তার একটি বাস্তব উদাহরণ। ১৮ আগস্ট ২০২৬-এর Reuters প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, Unitree-এর সফল চার-পা বিশিষ্ট রোবটের চলাচল প্রযুক্তির সঙ্গে মার্কিন সামরিক অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে। তবে এটিকে সরাসরি “মার্কিন সামরিক রোবট কপি” বলা ঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট গবেষণার ফলাফল প্রকাশ্য ছিল এবং Unitree নিজস্ব প্রকৌশল, উৎপাদন ও পণ্যে সেগুলোকে উন্নত করেছে।
কীভাবে তৈরি হলো এই রোবট? প্রথম ভিত্তি হলো চার-পা বিশিষ্ট যান্ত্রিক কাঠামো। মানুষের পায়ের মতো এখানে চারটি পা থাকলেও প্রতিটি পায়ের জোড় বা joint স্বাধীনভাবে নড়তে পারে। Unitree Go2-এর ক্ষেত্রে কোম্পানি ১২টি অ্যালুমিনিয়াম-অ্যালয় precision joint motor ব্যবহারের কথা জানিয়েছে। এই মোটরগুলো পায়ের hip, thigh ও calf অংশকে নির্দিষ্ট কোণে ঘোরায়। ফলে রোবট হাঁটা, দৌড়ানো, বাঁক নেওয়া, শরীর নিচু করা এবং অসম মাটিতে ভারসাম্য রাখার মতো কাজ করতে পারে।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো actuator বা motor-drive ব্যবস্থা। শুধু মোটর থাকলেই রোবট হাঁটতে পারে না; প্রতিটি joint-এ কত শক্তি প্রয়োগ হবে, কত দ্রুত ঘুরবে এবং পা মাটিতে কখন স্পর্শ করবে—এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। Reuters-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন Army-funded Robotics Collaborative Technology Alliance-এর গবেষণায় ভারী কেন্দ্রীয় gearbox বাদ দিয়ে পায়ের মধ্যে motor স্থাপনের মতো নকশাগত অগ্রগতি হয়েছিল। এই ধরনের বিন্যাস রোবটকে পরিবেশ বুঝে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সুবিধা দেয়।
তৃতীয় স্তর হলো সেন্সর। Unitree Go2-তে 4D LiDAR L2 ব্যবহারের কথা কোম্পানি জানিয়েছে। এটি চারপাশের পরিবেশের দূরত্ব ও কাঠামো শনাক্ত করে এবং বাধা এড়িয়ে চলতে সাহায্য করে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, LiDAR-এর পাশাপাশি ক্যামেরা, depth camera এবং বিভিন্ন navigation radar-ও আনুষঙ্গিকভাবে ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ রোবটের “চোখ” একটিমাত্র ক্যামেরা নয়; বিভিন্ন সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্য একত্র করে আশপাশের পরিবেশের একটি বৈদ্যুতিন ধারণা তৈরি করা হয়।
চতুর্থ অংশ হলো onboard computer বা computing module। সেন্সর থেকে তথ্য পাওয়ার পর কম্পিউটিং সিস্টেমকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়—কোথায় পা রাখা নিরাপদ, কোন দিকে শরীরের ভারসাম্য সরাতে হবে, কখন গতি কমাতে হবে এবং বাধা এলে কীভাবে পথ পরিবর্তন করতে হবে। এই কাজের সঙ্গে motion-control software, perception algorithm এবং AI-based decision system যুক্ত হতে পারে। তাই রোবটের বুদ্ধিমত্তা শুধু হার্ডওয়্যারে নয়; সফটওয়্যারই হার্ডওয়্যারকে সমন্বিত করে।
পঞ্চম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো battery এবং Battery Management System বা BMS। Unitree-এর তথ্য অনুযায়ী, Go2-এর ব্যাটারিতে উচ্চক্ষমতার battery cell এবং নিজস্ব BMS রয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাটারির rated voltage 29.6V এবং capacity 8000mAh বা 236.8Wh। BMS অতিরিক্ত চার্জ, অতিরিক্ত discharge, অতিরিক্ত তাপমাত্রা, short circuit এবং charging current-এর মতো ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ফলে মোটর ও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়।
ষষ্ঠ অংশ হলো chassis বা মূল দেহ। Go2-এর দেহে aluminium alloy এবং high-strength engineering plastic ব্যবহারের কথা Unitree জানিয়েছে। এই কাঠামোকে একই সঙ্গে হালকা, শক্ত এবং চলাচলের উপযোগী রাখতে হয়। Go2-এর ওজন ব্যাটারিসহ প্রায় ১৫ কেজি এবং কোম্পানি প্রায় ৫ মিটার/সেকেন্ড পর্যন্ত পরীক্ষামূলক সর্বোচ্চ গতি উল্লেখ করেছে।
এরপর আসে communication system। Wi-Fi 6, Bluetooth ও 4G-এর মতো সংযোগব্যবস্থা রোবটকে অ্যাপ, রিমোট কন্ট্রোল, নেটওয়ার্ক বা অন্যান্য ডিভাইসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। OTA বা over-the-air software update থাকায় নতুন সফটওয়্যার বৈশিষ্ট্যও দূর থেকে যুক্ত করা যায়।
সবশেষে আছে পায়ের foot-end, controller, wiring, cooling, lighting এবং বিভিন্ন expansion interface। কিছু সংস্করণে high-computing module, depth camera, 3D navigation radar, tracking module বা robotic arm যোগ করা যায়। ফলে একই মূল প্ল্যাটফর্ম গবেষণা, শিক্ষা, শিল্প পরিদর্শন, নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ বা পরীক্ষামূলক কাজে ভিন্নভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।
এই প্রযুক্তির পেছনের ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ। Reuters-এর তথ্য অনুযায়ী, U.S. Army-এর Robotics Collaborative Technology Alliance ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গবেষণায় অর্থায়ন করেছিল। MIT-এর Mini Cheetah এবং University of Pennsylvania-এর গবেষণায় actuator, dynamic movement ও legged locomotion-এর মতো বিষয় এগিয়ে যায়। এসব গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ায় পরে রোবোটিক্স সম্প্রদায় তা অধ্যয়ন করতে পারে। Unitree-এর প্রতিষ্ঠাতা Wang Xingxing-এর কাজেও MIT-এর Cheetah গবেষণার উল্লেখ ছিল বলে Reuters জানিয়েছে। তাই “কপি” বলার চেয়ে গবেষণা থেকে প্রযুক্তিগত শিক্ষা নিয়ে নিজস্ব প্রকৌশলে বাণিজ্যিক রোবট তৈরি বলা বেশি নির্ভুল।
রোবটের হাঁটার প্রক্রিয়াটিও সমন্বিত। LiDAR ও ক্যামেরা পরিবেশের তথ্য সংগ্রহ করে; কম্পিউটার সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে; control algorithm শরীরের ভারসাম্য ও পায়ের অবস্থান নির্ধারণ করে; এরপর প্রতিটি joint motor-কে প্রয়োজনীয় torque ও movement-এর নির্দেশ দেওয়া হয়। কোনো পা পিছলে গেলে বা মাটি অসম হলে controller দ্রুত motor-এর শক্তি বদলে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। এই sensor-computer-motor feedback loop-ই রোবট কুকুরের হাঁটা ও দৌড়ানোর রহস্য।
Unitree-এর সাফল্যের আসল রহস্য তাই একটি যন্ত্রাংশে নয়—মোটর, gearbox/reducer, sensor, battery, computer, control software, communication এবং mechanical design-এর সমন্বয়ে। Reuters বলছে, Unitree গত বছর ১৮,০০০-এর বেশি quadruped এবং ৫,৫০০-এর বেশি humanoid বিক্রি করেছে বলে কোম্পানির নথিতে উল্লেখ আছে। ১৯ আগস্ট ২০২৬-এ কোম্পানিটি সাংহাইয়ের STAR Market-এ তালিকাভুক্ত হয়ে প্রথম দিনেই ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি দেখিয়েছে।
এই গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ভবিষ্যতের রোবট তৈরি শুধু একটি উন্নত motor বানানোর প্রতিযোগিতা নয়। গবেষণাকে দ্রুত পণ্যে রূপান্তর, কম খরচে উৎপাদন, সেন্সর ও AI-এর সমন্বয়, শক্তিশালী supply chain এবং বিশ্ববাজারে পৌঁছানোর ক্ষমতাই প্রতিযোগিতার মূল। Unitree-এর রোবট কুকুর সেই পরিবর্তনের দৃশ্যমান উদাহরণ—যেখানে বহু বছরের গবেষণা শেষ পর্যন্ত একটি চলমান, ভারসাম্যপূর্ণ এবং বাণিজ্যিক রোবটে রূপ নিয়েছে।
***₹₹$€£৳**
Writing
চীনের রোবট শিল্পের উত্থান এখন শুধু প্রযুক্তির সাফল্যের গল্প নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ভবিষ্যৎ শিল্পশক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সামরিক-প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হয়ে উঠেছে। এর কেন্দ্রে উঠে এসেছে চীনের Unitree Robotics—একটি প্রতিষ্ঠান, যা তুলনামূলক কম দামে উন্নত চার-পা বিশিষ্ট রোবট ও মানবাকৃতির রোবট বাজারে এনে বিশ্বজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তবে Unitree-এর সাফল্যকে শুধু “চীনা প্রযুক্তির নিজস্ব উদ্ভাবন” অথবা “মার্কিন প্রযুক্তি কপি” হিসেবে দেখলে পুরো ঘটনাটি বোঝা যাবে না।
Reuters-এর ১৮ আগস্ট ২০২৬-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, চার-পা বিশিষ্ট রোবটের যে মৌলিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আজ বাণিজ্যিক পণ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, তার একটি অংশ মার্কিন সামরিক অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার মাধ্যমে এগিয়েছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা DARPA-এর অর্থায়নে Boston Dynamics-এর BigDog প্রকল্পে ভারসাম্য, চলাচল, সেন্সর ও দুর্গম এলাকায় রোবট পরিচালনার মতো প্রযুক্তি উন্নত করা হয়েছিল। পরে U.S. Army Research Laboratory-এর Robotics Collaborative Technology Alliance-ও সংশ্লিষ্ট গবেষণায় অর্থায়ন করে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসব গবেষণার অনেক ফলাফল গোপন সামরিক প্রযুক্তি হিসেবে আটকে থাকেনি; গবেষণাপত্র, অ্যালগরিদম ও প্রযুক্তিগত ধারণার বড় অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে গবেষক ও কোম্পানিগুলো সেগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। Unitree-এর প্রতিষ্ঠাতা Wang Xingxing নিজেও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় চার-পা বিশিষ্ট রোবট XDog তৈরি করেছিলেন এবং পরে ২০১৬ সালে Unitree প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানির নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, তারা মোটর, কন্ট্রোলার, যান্ত্রিক কাঠামো এবং নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিজেরাই উন্নয়ন করেছে।
Unitree-এর প্রকৃত সাফল্য তাই শুধু কোনো একটি গবেষণা থেকে প্রযুক্তি নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রকাশ্য বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে দ্রুত পণ্য বানানো, উৎপাদন খরচ কমানো এবং বড় পরিসরে বাজারজাত করার সক্ষমতাই তাদের শক্তির বড় কারণ। Go1, Go2, B1 ও B2-এর মতো রোবটের মাধ্যমে কোম্পানিটি গবেষণাগারের প্রযুক্তিকে তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তর করেছে। Unitree-এর B2-এর ক্ষেত্রে কোম্পানি ৬ মিটার/সেকেন্ড গতি, ৪০ কেজি ধারাবাহিক বহনক্ষমতা এবং দীর্ঘ সময় চলার সক্ষমতার কথা জানিয়েছে।
এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে রোবোটিক্সের মৌলিক গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছে। DARPA-এর BigDog প্রকল্প তার একটি উদাহরণ। কিন্তু গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া এবং সেই গবেষণাকে বৃহৎ শিল্পে রূপান্তর করা এক বিষয় নয়। Reuters-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চীন শিল্পনীতি, উৎপাদন অবকাঠামো, সরবরাহ-শৃঙ্খল এবং সরকারি সহায়তার মাধ্যমে গবেষণাকে দ্রুত বাণিজ্যিক উৎপাদনে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রোবট কোম্পানিকে তুলনামূলক বেশি উৎপাদন ব্যয় ও সীমিত manufacturing capacity-এর সঙ্গে লড়তে হচ্ছে।
চীনের এই অগ্রগতি এখন সামরিক ক্ষেত্রেও আলোচনার বিষয়। ২০২৪ সালে U.S.-China Economic and Security Review Commission-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের সামরিক মহড়ায় Unitree-এর B1 ধরনের চার-পা বিশিষ্ট রোবটকে অস্ত্র বহন করতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে মার্কিন কংগ্রেসের ২০২৬ সালের শুনানিতেও Unitree এবং চীনা রোবট প্রযুক্তির সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তবে এখানেও সতর্কতা প্রয়োজন। Unitree নিজেকে বাণিজ্যিক রোবট নির্মাতা হিসেবে উপস্থাপন করে এবং তাদের ওয়েবসাইটে শিল্প, শিক্ষা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন বেসামরিক ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো নির্দিষ্ট Unitree পণ্যের প্রতিটি প্রযুক্তি সরাসরি মার্কিন সামরিক প্রকল্প থেকে এসেছে—এমন দাবি প্রমাণ ছাড়া করা ঠিক হবে না। বরং বলা যায়, একটি বৃহৎ প্রযুক্তিগত ecosystem-এর জ্ঞান ও গবেষণা—যার কিছু অংশ মার্কিন সামরিক অর্থায়নে বিকশিত হয়েছিল—পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে পৌঁছেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে Unitree-এর দ্রুত বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের কারণে। ২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট Unitree-এর শেয়ার সাংহাইয়ের STAR Market-এ লেনদেন শুরু করে এবং প্রথম দিনেই শেয়ারের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। AP-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোম্পানিটি IPO-এর মাধ্যমে প্রায় ৬.১ বিলিয়ন ইউয়ান সংগ্রহ করেছে এবং ২০২৫ সালে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ইউয়ান রাজস্ব করেছে; এর ৪০ শতাংশের বেশি বিদেশি বাজার থেকে এসেছে।
এই ঘটনা দেখিয়ে দেয়, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় শুধু কে প্রথম গবেষণা করেছে—সেটিই শেষ কথা নয়। কে দ্রুত উৎপাদন করতে পারে, কে কম খরচে বিশ্ববাজারে পৌঁছাতে পারে, কে সরবরাহ-শৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং কে গবেষণাকে শিল্পশক্তিতে পরিণত করতে পারে—এসব বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
চীন যদি গবেষণা, সরকারি শিল্পনীতি, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং বৃহৎ উৎপাদনব্যবস্থাকে একই কাঠামোর মধ্যে কাজে লাগাতে পারে, তাহলে রোবোটিক্সে তার সুবিধা আরও বাড়তে পারে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—নিজেদের মৌলিক গবেষণার শ্রেষ্ঠত্বকে আবারও শক্তিশালী manufacturing ecosystem, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা।
অতএব Unitree-এর গল্পকে শুধু একটি “রোবট কুকুরের” গল্প হিসেবে দেখা উচিত নয়। এটি দেখাচ্ছে, ভবিষ্যতের প্রযুক্তি-যুদ্ধে গবেষণা, শিল্পনীতি, উৎপাদনক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সামরিক প্রযুক্তি পরস্পরের সঙ্গে কতটা ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। যুক্তরাষ্ট্র যে প্রযুক্তির মৌলিক ভিত্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, চীন সেই জ্ঞানকে বৃহৎ উৎপাদন ও বাজারের শক্তির সঙ্গে যুক্ত করে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে—এটাই বর্তমান প্রতিযোগিতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
***এ ধরনের প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের এগিয়ে আসা উচিত
---অবশ্যই—এ ধরনের প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের এখনই পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে আসা উচিত। তবে শুধু রোবট কিনে ব্যবহার নয়; বাংলাদেশকে নিজস্ব গবেষণা, যন্ত্রাংশ উৎপাদন, সফটওয়্যার ও AI সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
বাংলাদেশের সম্ভাবনা যে আছে, তার বাস্তব প্রমাণও ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের University Rover Challenge-এ UIU-এর Mars Rover Team বিশ্বে তৃতীয় এবং এশিয়ায় প্রথম হয়েছে। �
UITM +1
BUET-এ Institute of Robotics and Automation (IRAB) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য 4IR প্রযুক্তিতে দেশীয় দক্ষতা, গবেষণা ও উদ্ভাবন বৃদ্ধি করা। �
BUET BRTC
বাংলাদেশের কী করা উচিত?
Quadruped robot—রোবট কুকুরের নিজস্ব প্রোটোটাইপ তৈরি।
Motor ও actuator—বিদেশ থেকে পুরোপুরি আমদানির বদলে ধীরে ধীরে দেশেই উৎপাদন।
Sensor technology—LiDAR, camera, IMU, radar ও GPS-এর সমন্বিত ব্যবহার।
AI ও autonomous navigation—রোবটকে নিজে পরিবেশ বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা দেওয়া।
Battery ও power management—উন্নত ব্যাটারি এবং BMS নিয়ে গবেষণা।
বাংলাদেশি software ও control algorithm তৈরি করা।
কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিল্প ও উদ্ধারকাজে রোবটের ব্যবহার বাড়ানো।
বিশ্ববিদ্যালয়–সরকার–শিল্পপ্রতিষ্ঠানের যৌথ Robotics R&D Fund গঠন করা।
শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় Robotics Challenge ও prototype funding চালু করা।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নিজস্ব “Bangla Robot Platform” তৈরি করা।
২০২৬ সালে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে robotics-এর কার্যক্রমও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। যেমন EWU National RoboFest-এ ৬০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১,৪০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারী ছিল। �
EWU Robotics Club +1
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: Unitree-এর মতো কোম্পানির সাফল্য থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা হওয়া উচিত—শুধু ভালো গবেষণা করলেই হবে না; গবেষণাকে কম খরচের দেশীয় পণ্য, উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশ যদি এখন থেকেই AI + Robotics + Electronics + Mechanical Engineering + Battery Technology-কে একসঙ্গে এগিয়ে নিতে পারে, তাহলে আগামী দশকে শুধু রোবট ব্যবহারকারী নয়, রোবট নির্মাতা দেশ হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে।
@@@ writer :
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ is now spreading silently and in an organized way in society, destroying children, families, and human dignity. Pickpocketing, data theft, SIM misuse, and blackmail have increased in crowds, transport, markets, and online. Fake medical centers and forged certificates are causing people financial and mental harm. Labeling people who focus on religious practice or education as mentally ill is a form of crime. These crimes spread through society like a disease. Only through caution, verification, treatment in government hospitals, data protection, and social awareness is it possible to prevent these crimes.It was seen that you are a PG patient, or Dhaka medical and by showing you a local Abu Tabl doctor, they deceived you and disappeared with valuable documents, money, and gold.
belongings, double-check transactions, and report crimes to telecom helplines. Awareness in communities, schools, and religious institutions is vital. If any problem occurs, awareness should be spread among 20 to 60 people of different religions at the district level. Condolences to bereaved families, birthday wishes to celebrants, and if there is illness, a reminder for elderly people and children to take medicine before sleep.
Today, I express condolences to the families of those who have passed away; for their good deeds, they receive rightful love everywhere. Do not disturb from 10 AM to 8 PM during working hours; if there is any information, send a message. Do not disturb me at night at 11:54 PM, as it is sleep time. Best wishes to those celebrating their birthday.
@@@

1st, read, translation, sending “সত্যিকারের উন্নতি তখনই, যখন প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে দ্রুত করে, কিন্তু মানবিকতা আমাদের হ...
18/08/2026

1st, read, translation, sending “সত্যিকারের উন্নতি তখনই, যখন প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে দ্রুত করে, কিন্তু মানবিকতা আমাদের হৃদয়কে আরও গভীর করে।”
“তোমার শরীর শুধু বেঁচে থাকার একটি মাধ্যম নয়; এটি তোমার সচেতনতা, শক্তি ও সম্ভাবনাকে প্রকাশ করার একটি জীবন্ত উপকরণ। শরীরকে সম্মান করো, যত্ন নাও—কারণ সুস্থ শরীরেই সচেতন মন তার সর্বোচ্চ প্রকাশ খুঁজে পায়।”
১. শিক্ষামূলক বিশ্লেষণ — @¥¥€¢£$@**
সত্যিকারের শিক্ষা শুধু তথ্য মুখস্থ করা নয়; জ্ঞানকে মানবিক কাজে ব্যবহার করাই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য।
প্রযুক্তি মানুষকে দ্রুত তথ্য, যোগাযোগ ও কাজের সুযোগ দেয়।
কিন্তু প্রযুক্তির ব্যবহার যদি সহমর্মিতা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ কমিয়ে দেয়, তাহলে উন্নতি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
শিক্ষার মাধ্যমে মানুষকে প্রযুক্তির সুবিধা এবং মানবিক মূল্যবোধ—দুটিই শেখাতে হবে।
শরীরও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ; সুস্থ শরীর মনোযোগ, স্মরণশক্তি ও কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, ব্যায়াম ও মানসিক বিশ্রামের গুরুত্ব বোঝানো দরকার।
শরীরকে অবহেলা করলে দীর্ঘমেয়াদে পড়াশোনা ও কর্মজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তাই আধুনিক শিক্ষা হওয়া উচিত জ্ঞান + প্রযুক্তি + স্বাস্থ্য + নৈতিকতা + মানবিকতা-এর সমন্বয়।
প্রকৃত শিক্ষিত ব্যক্তি শুধু নিজের উন্নতি করে না; সে সমাজের কল্যাণেও অবদান রাখে।
২. গাণিতিক বিশ্লেষণ —
বিষয়টিকে একটি সহজ গাণিতিক মডেল দিয়ে বোঝানো যায়।
ধরা যাক, ব্যক্তিগত উন্নতি = জ্ঞান + প্রযুক্তি + স্বাস্থ্য + মানবিকতা।
শুধু প্রযুক্তি বৃদ্ধি পেলে উন্নতির একটি অংশ বাড়বে, কিন্তু মানবিকতা কমলে সামগ্রিক ভারসাম্য নষ্ট হবে।
উদাহরণ: প্রযুক্তি = ৮০, স্বাস্থ্য = ৭০, জ্ঞান = ৮০, মানবিকতা = ৩০।
চারটির গড় = (৮০+৭০+৮০+৩০) ÷ ৪ = ৬৫।
অর্থাৎ প্রযুক্তিগত দক্ষতা বেশি হলেও মানবিকতার ঘাটতি মোট উন্নতির মান কমিয়ে দেয়।
আবার প্রযুক্তি = ৮০, স্বাস্থ্য = ৮০, জ্ঞান = ৮০, মানবিকতা = ৮০ হলে গড় = ৮০।
একইভাবে শরীর ও মনের সম্পর্ককে একটি সমীকরণে দেখা যায়: কর্মক্ষমতা ≈ স্বাস্থ্য × মনোযোগ।
স্বাস্থ্য দুর্বল হলে মনোযোগও কমতে পারে।
তাই উন্নয়নকে শুধু অর্থ বা প্রযুক্তির সংখ্যা দিয়ে মাপা উচিত নয়।
ভারসাম্যপূর্ণ সূচক তৈরি করলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের প্রকৃত অগ্রগতি তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে বোঝা যায়।
৩. Science বা বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ — ১৪০ শব্দ
বিজ্ঞান দেখায়, মানুষের শরীর ও মস্তিষ্ক আলাদা কোনো ব্যবস্থা নয়; তারা পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন, পুষ্টি, পানি ও বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম শরীরের সামগ্রিক সক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
পর্যাপ্ত ঘুম শেখা, স্মৃতি ও মনোযোগের মতো মানসিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রযুক্তি মানুষের কাজের গতি বাড়াতে পারে এবং তথ্য পাওয়া সহজ করে।
তবে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে থাকা, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বা অনিয়মিত ঘুমের মতো আচরণ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পথে বাধা হতে পারে।
তাই প্রযুক্তিকে মানুষের বিকল্প হিসেবে নয়, মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধির উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।
বিজ্ঞানভিত্তিক জীবনযাপনে প্রয়োজন নিয়মিত চলাফেরা, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক বিশ্রাম।
অর্থাৎ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি + বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্যচর্চা + মানবিক মূল্যবোধ একসঙ্গে থাকলেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
৪. মনোবিজ্ঞান বিশ্লেষণ —
মানুষের মন শরীরের অবস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, ঘুমের অভাব বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
অন্যদিকে নিয়মিত শারীরিক যত্ন নিজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।
নিজের শরীরকে সম্মান করা আত্মমর্যাদা ও আত্মসচেতনতার অংশ।
প্রযুক্তি দ্রুত যোগাযোগের সুযোগ দিলেও অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মনোযোগ বিভক্ত করতে পারে।
তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমা ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ।
মানবিকতা মানুষের সামাজিক সংযোগ, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে।
অন্যের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা সম্পর্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তির জন্য নিজের অনুভূতি বোঝা, বিশ্রাম নেওয়া, প্রয়োজন হলে সাহায্য চাওয়া এবং ইতিবাচক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
তাই উন্নত জীবন মানে শুধু দ্রুত কাজ নয়; সচেতন মন, সুস্থ শরীর এবং অর্থপূর্ণ সম্পর্কও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৫. মেডিকেল শিক্ষা বিশ্লেষণ — ১৪০ শব্দ
মেডিকেল শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—শরীরকে অবহেলা না করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যচর্চায় গুরুত্ব দেওয়া।
শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকা রোগ দ্রুত শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা স্বাস্থ্য রক্ষার মৌলিক উপাদান।
নিজের ইচ্ছায় ওষুধ গ্রহণ না করে প্রয়োজনে যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
প্রযুক্তি স্বাস্থ্যসেবায় তথ্য, যোগাযোগ, পরীক্ষা ও রোগ পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে ইন্টারনেটের তথ্যকে সরাসরি চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
শরীরের কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসা মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।
স্বাস্থ্যশিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু রোগের চিকিৎসা নয়; রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি করাও এর অংশ।
তাই সচেতন মানুষ নিজের শরীরকে সম্মান করবে, নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুসরণ করবে এবং প্রয়োজনে পেশাদার চিকিৎসা নেবে।
৬. উপায় বিশ্লেষণ —
১. প্রযুক্তিকে উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে ব্যবহার: প্রযুক্তি যেন সময় বাঁচায়, কিন্তু মানুষের সম্পর্ক ও চিন্তার সময় সম্পূর্ণ দখল না করে।
২. দৈনিক স্বাস্থ্যরুটিন: নিয়মিত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং শারীরিক কার্যক্রমকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করা।
৩. মানসিক বিশ্রাম: কাজ ও পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্রাম, বিনোদন এবং নিজের সঙ্গে সময় কাটানো।
৪. স্ক্রিন ব্যবহারে ভারসাম্য: অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং কমিয়ে শেখা, কাজ ও যোগাযোগের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
৫. মানবিক আচরণ: পরিবারের সদস্য, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও প্রতিবেশীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সম্মান করা।
৬. তথ্য যাচাই: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান বা অর্থনৈতিক তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস বা প্রচার না করা।
৭. নিয়মিত আত্মমূল্যায়ন: সপ্তাহে অন্তত একবার নিজের ঘুম, কাজ, স্বাস্থ্য, মানসিক চাপ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে নজর দেওয়া।
৮. জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি: নতুন প্রযুক্তি শেখার পাশাপাশি নৈতিকতা, যোগাযোগ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করা।
৯. পেশাদার সহায়তা: স্বাস্থ্য বা মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া।
১০. মানবিক প্রযুক্তি: এমন প্রযুক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া, যা মানুষের সময়, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করে।
মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—দ্রুত জীবন নয়, উন্নত ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন।
৭. অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ —
অর্থনীতিতে প্রযুক্তি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে, সময় কমাতে পারে এবং একই সম্পদ দিয়ে বেশি কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবসার লেনদেন ও তথ্যপ্রবাহ দ্রুত করেছে।
সুস্থ কর্মী সাধারণত নিয়মিতভাবে কাজ করার সক্ষমতা ধরে রাখতে পারেন, ফলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা ও মানবসম্পদের মূল্য বাড়তে পারে।
বিপরীতে অসুস্থতা, অতিরিক্ত কর্মচাপ ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়াতে পারে।
তাই স্বাস্থ্যকে শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবেও বিবেচনা করা যায়।
মানবিক কর্মপরিবেশ কর্মীদের আস্থা, সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের পাশাপাশি কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও কল্যাণেও বিনিয়োগ করা দরকার।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রকৃত লক্ষ্য শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়; মানুষের জীবনমানও উন্নত করা।
তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক মডেল হবে—প্রযুক্তি + দক্ষতা + স্বাস্থ্য + মানবিক কর্মপরিবেশ = টেকসই উৎপাদনশীলতা।
৮. ব্যবসায়িক বিশ্লেষণ — ২
১. প্রযুক্তি ব্যবসার গতি বাড়ায়: অটোমেশন, ডিজিটাল পেমেন্ট, অনলাইন যোগাযোগ ও তথ্য বিশ্লেষণ ব্যবসার সময় ও পরিচালন ব্যয় কমাতে পারে।
২. মানবিকতা গ্রাহকের আস্থা তৈরি করে: শুধু দ্রুত সেবা নয়, গ্রাহকের সমস্যা মনোযোগ দিয়ে বোঝা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি করে।
৩. কর্মীদের স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ: সুস্থ কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখতে পারেন। তাই নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪. প্রযুক্তি ও মানুষকে প্রতিদ্বন্দ্বী না বানানো: প্রযুক্তি কর্মীদের কাজ সহজ করবে; মানুষের সৃজনশীলতা, বিচারবোধ ও সম্পর্ক তৈরির ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া উচিত নয়।
৫. গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যবসা: প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি বাস্তব সমস্যার মানবিক সমাধান দিতে হবে।
৬. তথ্যের নৈতিক ব্যবহার: গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রাখা ব্যবসায়িক বিশ্বাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৭. কর্মীদের প্রশিক্ষণ: নতুন প্রযুক্তি চালু করার আগে কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিলে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ হয়।
৮. স্বাস্থ্যবান কর্মসংস্কৃতি: অতিরিক্ত চাপকে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের মডেল না বানিয়ে যুক্তিসংগত কাজের পরিবেশ তৈরি করা দরকার।
৯. ব্যবসায়িক মূল্য: ভালো প্রযুক্তি সময় বাঁচায়; ভালো ব্যবস্থাপনা সম্পদ বাঁচায়; মানবিকতা গ্রাহক ও কর্মীর আস্থা ধরে রাখে।
১০. দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য: ব্যবসার লক্ষ্য শুধু দ্রুত মুনাফা নয়—গ্রাহকের আস্থা, কর্মীর সক্ষমতা, সামাজিক দায়িত্ব এবং টেকসই মুনাফা নিশ্চিত করা।
মূল শিক্ষা: প্রযুক্তি ব্যবসাকে দ্রুত করে, কিন্তু মানবিকতা ব্যবসাকে দীর্ঘস্থায়ী করে।
@@***
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ is now spreading silently and in an organized way in society, destroying children, families, and human dignity. Pickpocketing, data theft, SIM misuse, and blackmail have increased in crowds, transport, markets, and online. Fake medical centers and forged certificates are causing people financial and mental harm. Labeling people who focus on religious practice or education as mentally ill is a form of crime. These crimes spread through society like a disease. Only through caution, verification, treatment in government hospitals, data protection, and social awareness is it possible to prevent these crimes.It was seen that you are a PG patient, or Dhaka medical and by showing you a local Abu Tabl doctor, they deceived you and disappeared with valuable documents, money, and gold.
belongings, double-check transactions, and report crimes to telecom helplines. Awareness in communities, schools, and religious institutions is vital. If any problem occurs, awareness should be spread among 20 to 60 people of different religions at the district level. Condolences to bereaved families, birthday wishes to celebrants, and if there is illness, a reminder for elderly people and children to take medicine before sleep.
Today, I express condolences to the families of those who have passed away; for their good deeds, they receive rightful love everywhere. Do not disturb from 10 AM to 8 PM during working hours; if there is any information, send a message. Do not disturb me at night at 11:54 PM, as it is sleep time. Best wishes to those celebrating their birthday.

Address

Barisal City
Barishal
1800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ANZOM library and sky's edu learning skills child's to old posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share