05/06/2026
আমরা যে ভাত খাই, সেই চালে আর্সেনিক আর ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে।
দুইটাই কার্সিনোজেন, মানে ফিউচারে আমাদের ক্যান্সার বাঁধানোর জন্য যথেষ্ট।
ভাবতেসেন, ভাত খাব না, ভাত গরীবদের খাবার?
মাছ মাংস খেয়ে প্রোটিন বেজড লাইফ লিড করবেন?
সেই মাছ মাংসতে পাওয়া গেছে এন্টিবায়োটিক। শুধু মাছ মাংস খাইয়াই মরে যাওয়া পসিবল।
হুট করে দেখবেন ডাক্তার আবিষ্কার কইরা বসবে, আপনার শরীরে আর এন্টিবায়োটিক কাজ করতেসে না।
আপনি সচেতন মানুষ। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনদিন এন্টিবায়োটিক খান নাই। বাট শুধু গরু ছাগল আর মুরগির মাংস খেয়েই আপনার সেই এন্টিবায়োটিকের অভাব পূরণ হয়ে গেছে।
ফল মূল খাবেন? ফল মূলে কিটনাশকের পরিমাণ পাওয়া গেছে ৩৫% আর শাক সবজিতে পাওয়া গেছে ৫০%।
মশলা আর হলুদের গুড়াতে পর্যন্ত ৫০% ভেজাল।
বাচ্চাদের গুড়া দুধ, জুস আর চিপসের মধ্যেও কার্সিনোজেন পাওয়া গেছে।
মানে একেবারে ছোটবেলা থেকে বড় বেলা পর্যন্ত ক্যানসার হওয়ার সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে।
এখনই প্রায় প্রতিটা এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলিতে একজন বা দুইজন করে ক্যান্সারের রোগী আছেই।
আর ২০ বছর পর প্রতিটা ফ্যামিলিতে দুই জন করে ক্যান্সারের রোগী থাকার কথা।
তখন আমরা কই যাব?
ভাবছেন মরলে শান্তি?
না। মরলেও শান্তি নাই।
কারণ গোসলের সময় যে গোলাপ জল ইউজ করা হয়, সেই গোলাপ জলেও ভেজাল পাওয়া গেছে।
এ এমনই এক জাহান্নাম, যেই জাহান্নাম মৃত লাশকে পর্যন্ত রেহাই দেয় নাই।
সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, আমরা এই পুরো ব্যাপারটা মেনে নিয়েছি। কোথাও এটা নিয়ে কোন আলাপ আলোচনা নাই।
ফেসবুকে আসলেই দেখবেন, বনলতা এক্সপ্রেস মুভি দেশের কত বড় ক্ষতি করে দিচ্ছে সেই আলাপ।
অথচ আপনার দেশের ব্যবসায়ীরা বিষ পুশ করে করে আপনাকে মেরে ফেলতেসে, সেইটা কেউ দেখবে না।
আমাদের আছে হরেক রকমের চেতনা। চেতনা ৭১, চেতনা ২৪। আরও অনেক আছে।
সারাদিন কে রাজাকার, কে মুক্তিযোদ্ধা ইভেন নেতারা পর্যন্ত এসব নিয়ে পড়ে আছে।
অথচ আমাদের খাবার যে এখনো পর্যন্ত বিষের হাত থেকে স্বাধীন হইতে পারে নাই, এই লজ্জার ভারটা কে নিবেন, বলেন।
ইসলাম ইসলাম করে ফেনা তুলে ফেলেন। হুজুরদের শিডিউল পাওয়া যায় না। ওয়াজে বসলেই খালি মেয়ে আর মেয়ে। মেয়ের মাথায় হিজাব কই, মেয়ে তোর ওড়না কই,
কই আজ পর্যন্ত একজন হুজুর কি বলেছেন?
যে ২০ বছর পর মাথায় ওড়না দেওয়ার জন্য এনাফ চুল আমাদের কারো মাথায় থাকবে না?
একটা পুরো দেশের সমস্ত স্টেক হোল্ডাররা মিলে একমত হইসে যে পুরা পপুলেশনকে ক্যান্সার দিয়ে মেরে ফেলবে।
নইলে এত ভয়ংকর ব্যাপারে সবাই চুপ কেন?
জঙ্গি, সন্ত্রাসী বা হাসিনার সাথে এদের পার্থক্য কী?
হাসিনা আর আওয়ামী লীগ ২০ দিনে ২০০০ লোক মারছিল।
সুযোগ পাইলে ১০ কোটি লোকই মারত।
আর এই ব্যবসায়ীরা ২০ বছর ধরে আমাদের ২০ কোটি মানুষকে ক্যান্সার দিয়ে মেরে ফেলার পথে আছে।
হাসিনা, আওয়ামী লীগ বা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যদি সরকারি দল, বিরোধী দল এক হইতে পারে,
এই খাদ্য সন্ত্রাস আর ভেজালের বিরুদ্ধে কেন হইতে পারবে না?
একটা দেশের বাচ্চাদের গুড়া দুধ, ওষুধ থেকে শুরু করে চাল, ডাল, ফলে পর্যন্ত ভেজাল দেওয়া হয়, দুই পয়সা বেশি লাভ করার জন্য বাচ্চাদের শরীরে ক্যান্সার ঢুকাইতেও আমাদের হাত কাঁপে না?
©
দেশের প্রত্যকটি জনগনের এসবের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা উচিত!⚠️