জামিউল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসা

জামিউল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসা

Share

একটি দ্বীনি মারকাজ। যেখানে আল্লাহ্ এবং রাসুলের মহাব্বত শিক্ষা পাওয়া যায়।

Photos from জামিউল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসা's post 09/12/2025

লাল শাক 🥬🥬🎋

08/12/2025

কষ্ট পেলাম...

08/12/2025

একদা খলিফা আল মামুন এক অপরূপ সুন্দরী দাসী ক্রয় করলেন। মেয়েটি ছিল চাঁদের মতো সুন্দর, তার শরীর ছিল গোলাপের মতো কোমল এবং বুদ্ধিমত্তায় সে ছিল অনন্য।

এক রাতে খলিফা মামুন সেই দাসীর সাথে একান্ত সময় কাটানোর ইচ্ছা পোষণ করলেন। কিন্তু দাসীটি খলিফার ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলল এবং অনিহা প্রকাশ করল। এতে খলিফা ভীষণ রেগে গেলেন। রাগে তার মনে হলো তিনি তলোয়ার দিয়ে মেয়েটির মাথা দুই টুকরো করে ফেলবেন।

খলিফাকে উদ্যত দেখে দাসী বলল:
“জাঁহাপনা! আপনি চাইলে আপনার ধারালো তলোয়ার দিয়ে আমার মাথা কেটে ফেলতে পারেন, কিন্তু দয়া করে আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হবেন না।”

খলিফা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কেন? আমার কোন আচরণ তোমার খারাপ লেগেছে আমার কী দোষ?”

দাসী তখন অত্যন্ত সাহসের সাথে তেতো সত্যটি বলল:
“আপনি আমাকে মারুন বা কাটুন, তাতে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু আপনার মুখের দুর্গন্ধে আমি ভীষণ কষ্ট পাচ্ছি। তলোয়ারের আঘাত একবারই জান কবজ করে, কিন্তু মুখের দুর্গন্ধ প্রতি মুহূর্তে জান বের করে নেয়।”

একজন সাধারণ দাসীর মুখে এমন অপমানজনক কথা শুনে খলিফা প্রথমে খুব কষ্ট পেলেন এবং রেগে গেলেন। তিনি সারারাত ঘুমাতে পারলেন না।
কিন্তু খলিফা মামুন ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তিনি রাগ দমন করলেন এবং পরদিন সকালেই রাজ্যের বড় বড় চিকিৎসক ও হেকিমদের ডাকলেন। তিনি তাদের কাছে নিজের সমস্যার কথা খুলে বললেন এবং চিকিৎসা চাইলেন। চিকিৎসকরা তাকে বিভিন্ন ওষুধ দিলেন। চিকিৎসার ফলে তার মুখের দুর্গন্ধ দূর হলো এবং গোলাপের মতো সুবাস ফিরে এল।

সুস্থ হওয়ার পর খলিফা সেই দাসীকে আবার ডাকলেন। তবে এবার শাস্তির জন্য নয়, বরং তাকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু ও সহচর বানিয়ে নিলেন।

খলিফা বললেন:
“এই মেয়েটিই আমার প্রকৃত বন্ধু। কারণ, সে আমার দোষ ধরিয়ে দিয়েছে। অন্যরা আমার ভয়ে এই দোষ গোপন রেখেছিল, কিন্তু সে সত্য বলে আমাকে সংশোধন করেছে।”

গল্পের শেষে শেখ সাদী (রহ.) অত্যন্ত মূল্যবান কিছু উপদেশ দিয়েছেন:

১. যে তোমার দোষ মুখের ওপর বলে দেয় এবং বলে “তোমার পথে কাঁটা আছে”, সেই তোমার আসল শুভাকাঙ্ক্ষী। আর যে তোমার ভুল পথে চলা দেখেও বলে “তুমি ঠিক যাচ্ছ”, সে আসলে তোমার ওপর জুলুম করছে।

২. যদি কেউ তোমার দোষ না ধরে, তবে তুমি নিজের দোষগুলোকেও গুণ মনে করতে থাকবে। অজ্ঞতার কারণে নিজের ভুল বোঝা যায় না।

৩. মধুর মতো মিষ্টি কথা সবসময় উপকারী নয়। কখনো কখনো নিরাময়ের জন্য ‘তেতো ওষুধ’ (কটু সত্য) গেলার প্রয়োজন হয়। সা'দী বলছেন, আমার এই উপদেশগুলো ওষুধের মতো তেতো হতে পারে, কিন্তু আমি এতে জ্ঞানের মধু মিশিয়ে দিয়েছি যাতে তোমরা গ্রহণ করতে পারো।

📖 বোস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.

21/11/2025

মুসলমানদের জ্ঞান চুরি করেই গড়ে উঠেছে পাশ্চাত্য সভ্যতা

– সত্য ইতিহাসের এক অপহৃত অধ্যায়

আমরা যখন পাশ্চাত্য সভ্যতার কথায় মুগ্ধ হই, তার প্রগতি, প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানচর্চায় বিস্মিত হয়ে যাই—তখন অনেকেই ভুলে যাই, এর শিকড় কোথায়। ইতিহাসের গহীনে পা ফেললে আমরা দেখতে পাই, এই তথাকথিত আধুনিক সভ্যতার ভিত রচনা করেছিলেন মূলত মুসলিম জ্ঞানী-গুণীজনরা। অথচ সেই ইতিহাস আজ গোপন, বিকৃত, অথবা ছদ্মবেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

আলো ছড়িয়ে দেওয়া এক জাতি

খ্রিস্টীয় ৮ম থেকে ১৩শ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কে ইতিহাসবিদরা বলেন “ইসলামের স্বর্ণযুগ”। এই সময়টাতেই মুসলিম বিশ্বে উদ্ভব হয় জ্ঞানবিজ্ঞানের রেনেসাঁ—যা ইউরোপ তখন কল্পনাও করতে পারত না। বাগদাদ, কায়রো, কর্ডোভা, সামরকন্দ—এ সব ছিল জ্ঞানের রাজধানী। অ্যালজেব্রা, অপটিকস, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, দর্শন, ভূগোল—সবখানেই মুসলিম মনীষীরা রেখে গেছেন অমোচনীয় ছাপ।

তবে সেই আলো যে শুধু তাদের সমাজেই সীমাবদ্ধ ছিল তা নয়, বরং ইউরোপের অন্ধকার যুগে তারাই দিয়েছিল প্রথম আলোর স্পর্শ। কিন্তু ইতিহাসের নিষ্ঠুর রচয়িতারা সেই আলোর উৎসকে মুছে ফেলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

নাম পাল্টে ইতিহাস দখল

একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয় প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবীরা মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম ও আবিষ্কারগুলো নিজেদের নামে চালিয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম ইউরোপীয় রূপ দিয়ে পরিবর্ধিত করা হয়, যাতে তাঁদের আরব-মুসলিম পরিচয় অস্পষ্ট হয়ে যায়।

নিচে এর কিছু নিদর্শন তুলে ধরা হলো:

মূল নাম বিকৃত নাম (পশ্চিমা রূপ)

আল বাত্তানী -রেথেন (Rethen)
ইউসুফ আল-ঘুরী- জোসেফ টি. প্রিজড
আল রাজী- রাজম (Rhazes)
ইবনে সিনা- এভিসেনা (Avicenna)
ইবনে হাইশাম- হ্যাজেন (Alhazen)
ইবনে রুশদ- এভেরুন (Averroes)
খোয়ারেজমি -আলগরিদম (Algorithm)
যারকালী মারজাকেল
আল খাসিব -বুবাথের

জ্ঞান চুরির গোপন ঘাঁটি: টলেডো

দশম শতকে স্পেনের টলেডো শহর হয়ে উঠেছিল মুসলিম পাণ্ডুলিপি পাচার ও অনুবাদের কেন্দ্র। ইউরোপীয় ছাত্ররা দলবেঁধে আসত এই শহরে মুসলিম জ্ঞান আহরণ করতে। সেখান থেকে তা অনুবাদের নামে আত্মসাৎ করা হতো। ১২শ শতাব্দীর অনুবাদক গেরহার্ট ভন ক্রেমোনা একাই নব্বইটির মতো মুসলিম পাণ্ডুলিপি অনুবাদ করেন।

আরেক অনুবাদক প্লেটো ভন টিতোলী আল-বাত্তানীর জ্যোতির্বিদ্যার বই অনুবাদ করে নাম দেন Handbook of Astronomy, যা পরে টলেমির নামে পরিচিত হয়ে যায়। এভাবে বহু মুসলিম আবিষ্কার ও গবেষণা পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত হতে শুরু করে।

চক্রান্তের প্রমাণ : ইতিহাসবিদদের কলমে

বিশ্বখ্যাত ইতিহাসবিদরা এই চুরির ঘটনাকে ইতিহাসের অস্বীকারযোগ্য সত্য হিসেবে স্বীকার করেছেন। তাঁদের মতে:

> “মুসলিমরাই প্রথম গ্রিক জ্ঞানকে অনুবাদ করে নতুনভাবে ব্যাখ্যা দেন এবং ইউরোপকে তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। পাশ্চাত্য সভ্যতার ভিত্তিই এই আরবদের মাধ্যমেই স্থাপিত।”
— Gustav Lebon, George Sarton, Sir T. Arnold, Hitti, Draper, Briffault, Joseph Hell প্রমুখ

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য একজন গবেষক হলেন ড. ফুয়াদ সেজগিন (Fuat Sezgin)। তিনি ফ্রাঙ্কফুর্ট ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক এবং মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান নিয়ে এক জীবনের গবেষণা চালিয়েছেন। তিনি ইস্তাম্বুলের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে আবিষ্কার করেন প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার মুসলিম পাণ্ডুলিপি। তাঁর মতে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫০ লক্ষেরও বেশি আরবি বৈজ্ঞানিক পাণ্ডুলিপি ছড়িয়ে আছে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন Institute for the History of Arabic-Islamic Science, যা আজও মুসলিমদের গৌরবোজ্জ্বল অতীতের প্রামাণ্য দলিল।

ফুয়াদ সেজগিন বলেন:

> “যেভাবে মুসলিম বিজ্ঞানীদের কাজ চুরি করা হয়েছে, তা নিছক অনুবাদ নয়—এ এক পরিকল্পিত আত্মসাৎ।”

চুরি করা জ্ঞানের ওপর গড়া আধিপত্য

ইউরোপীয় আধিপত্য যুগে আরব পাণ্ডুলিপি অনুবাদকে নিষিদ্ধও করা হয়েছিল, যাতে আরবদের জ্ঞানকেই তাদের নামে চালানো যায়। পরে একে একে ফ্রান্সের কাস্ট্রেস, টোলাউজ, রেইমস ও প্যারিস; ইতালির ট্রাবজোন প্রভৃতি শহরে গড়ে ওঠে অনুবাদ ও বেনামে চালানোর গোপন কেন্দ্র।

এভাবে গড়ে ওঠে একটি অজানা ইতিহাস—যেখানে মুসলিমরা হয়ে গেল পরাধীন আর তাদের জ্ঞান হয়ে গেল পাশ্চাত্যের প্রভুত্বের অস্ত্র।

কেন জানা জরুরি?

আমাদের সন্তানেরা আজও পশ্চিমা পাঠ্যবইয়ে মুখস্থ করছে সেই জ্ঞান, যা আসলে তাদের পূর্বপুরুষদেরই সম্পদ ছিল। তারা জানেই না ‘Algorithm’ শব্দটা এসেছে মুসলিম গণিতবিদ খোয়ারেজমি থেকে, বা ‘Avicenna’ নামে পরিচিত ছিলেন আমাদের ইবনে সিনা।

এই ইতিহাস জানাটা শুধু গর্বের ব্যাপার নয়—এটা আমাদের অধিকার। ইতিহাসের অধিকার। সত্য প্রতিষ্ঠার অধিকার।

উপসংহার: ইতিহাসকে ফিরিয়ে আনুন

এই ইতিহাস আমাদের মুখস্ত করতে হবে না, হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন জানে, তারা কোনো অনুগ্রহে নয়, অধিকারেই জ্ঞানের উত্তরাধিকারী। তাই ইতিহাস জানুন, ছড়ান, আর সচেতন হোন—কারণ চুরি করা সত্যকে আবার নিজের করে তোলা এক ধরনের ন্যায়বিচার।

তথ্য:

1. Fuat Sezgin, Geschichte des Arabischen Schrifttums, Frankfurt University Archives

2. George Sarton, Introduction to the History of Science

3. Hitti, Philip K., History of the Arabs

4. Briffault, Robert, The Making of Humanity

5. Encyclopedia Britannica (ইবনে সিনা, আল বাত্তানী প্রভৃতি প্রবেশিকা)

6. Pickthall, M., Islam and the Modern World

7. Roger Bacon, Opus Majus

8. Documentary: 1001 Inventions and the Library of Secret

Photos from জামিউল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসা's post 17/05/2025

ভালো লাগে ফুল।

04/03/2025

নতুন কিছু আসলে অবজারভেশন করতে হয়।

দেখতে হয়। বুঝতে হয়।

নতুন সবকিছুই সুন্দর। নতুনের প্রতি একটা মায়া থাকে। একটু বেশিই টান থাকে।

একটা নতুম মোবাইলকে আমরা বেশিই যত্ন করি। দিন গড়াতে গড়াতে তার প্রতি আবেগ ও অনুভূতি কমতে থাকে। শেষে এসে বিরক্তি আর বিপত্তি বাড়ে।

হানিমুনের টাইমতো উপভোগ্য হয়। তবে সংসার জীবনের প্রতিটা সময়ই কি হানিমুন হানিমুন লাগে? না।

কথা আছে না- অভাব এসে দরজায় কড়া নাড়লে ভালবাসা জানালা দিয়ে পালায়।

এখন হয়তো নতুনদের হানিমুন টাইম দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারছেন না। তবে অভাবের সময়টাও মাথায় রাখতে হবে।

আপনি যত সহজ ভাবছেন ব্যাপারটা এতো সহজ না। সহজ হবেনা।

বিপ্লব হয় পাগলামি দিয়ে। টগবগে তরুণ দিয়ে। রক্ত আর পাগলামি দিয়ে শুধুই ভাঙা যায়, গড়া যায় না।

রাজনীতি মানে গড়ার পর্ব। গড়ার জন্য ভার, ব্যক্তিত্ব আর অভিজ্ঞতা দরকার। ভার, ব্যক্তিত্ব আর অভিজ্ঞতা না থাকলে আপনি শুধু ভাঙতেই থাকবেন গড়তে পারবেন না।

আমাদের লড়াই আদর্শের। নীতি ও আদর্শের ওপর আমরা রাজনীতি করি। কোন ঝড়, ফ্যান্টাসি অথবা সাময়িকী ভালোলাগা আমাকে আদর্শচূত করতে পারার কথা না।

লেখক
শরিফুল ইসলাম রিয়াদ
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।

19/09/2024

আমাদের মাদরাসায় একবার এসে ঘুরে যান।

19/09/2024

ছাত্ররা ছবক শুনা শুনি করতেছে।

18/09/2023

আপনার সন্তানকে
মাদরাসায় পাঠান।

11/05/2023

একটি বিবাহ ও একটি শিক্ষা ।

চলতি মে মাসের ২ তারীখে মঙ্গলবার বাদ মাগরিব মারকাযুদ্দাওয়ায় দেশের শীর্ষস্থানীয় দুইজন আলেমের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্কের সূচনা হলো । প্রথমজন মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ও দ্বিতীয় জন মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব , শাইখুল হাদীস মালিবাগ জামিয়া ঢাকা । এ সাংবাদ ইতিমধ্যে সকলের জানা ।

২৪ এপ্রিল মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব আমাকে এই বিবাহতে হাজির থাকার দাওয়াত দিয়েছেন । ২৫ এপ্রিলে মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব আমাকে এ বিবাহতে উপস্থিত থাকার কথা বলেছেন ।

শিক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে, দুইজনই দাওয়াতের সময় একে অপরের ব্যাপারে প্রায় একই মন্তব্য করেছেন ।
দুই হযরতের বক্তব্য ছিল কিছুটা এমন,
আমিতো আসলে তার মত বড় মানুষের সাথে আত্নীয় করার যোগ্য না তার মহাত্ম্য যে তিনি আমাকে আত্নীয় হিসাবে নির্বাচন করেছেন ।
ইলম একজন মানুষের ভিতরে কি পরিমান বিনয় সৃষ্টি করে এটা দেখে বিস্মিত হলাম ।
অথচ আমাদের সমাজের মানুষ বলে থাকে,
তিনি কি আমার যোগ্য ? আমি শুধু এক বিপদে পড়েই বা আমার ছেলের আগ্রহের কারনে তাকে আত্মীয় হিসেবে গ্রহণ করেছি । ইলম ও জাহালত মানুষের মধ্যে কি পরিমাণ পার্থক্য সৃষ্টি করে এটাই তার একটি উদাহরণ ।

তারা আমাদের আকাবিরদের যোগ্য উত্তরসূরী ।

থানভী রহ: - এর কাছে এক ব্যক্তি চিঠি লিখল,
হযরত আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাই কিন্তু আমার মুখে দাঁড়িনাই প্যান্ট - শার্ট পরি , তাই সংকোচবোধ করছি । হযরত বললেন, আপনি কিছু প্রকাশ্য গুনার সাথে জড়িত আমি কিছু গোপন গুনার সাথে জড়িত, তাই এক গুনাগার আরেক গুনাহগারের সাথে দেখা করতে পারে ।
ছয় মাস পরে লোকটা দেখা করতে আসলে হযরত বললেন আপনার চিঠির বর্ণনার সাথে তো আপনার সুরতের মিল নাই ? সে বলল, হযরত আপনার বিনয় আমার জীবনকে পরিবর্তন করে দিয়েছে ।
সত্যি আমাদের আকাবির আমাদের গর্ব ।

লিখেছেন মুহতারাম মাওলানা আব্দুল মজিদ হাফিযাহুল্লাহু তায়া’লা

21/03/2023

মাদ্রাসাতে গরিবের সন্তান বেশি পাওয়া যায় ধনীদের নয়, কিন্তু বৃদ্ধাশ্রমে ধনীদের মা-বাবা বেশি পাওয়া যায় গরিবের নয়।

19/03/2023
Want your school to be the top-listed School/college in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Barishal