24/06/2026
সরকারকে ধন্যবাদ। আশা করবো সরকার পর্যায়ক্রমে কওমি সনদ পূর্ণাঙ্গরূপে বাস্তবায়নের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এ ব্যাপারে কওমি মাদ্রাসার বোর্ডগুলোকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
ইসলাম দেশ ও মানবতা নিয়ে আমি কথা বলি
সত্যের পথে সংগ্রামী ভুমিকা আপনিও রাখুন 🫴
24/06/2026
সরকারকে ধন্যবাদ। আশা করবো সরকার পর্যায়ক্রমে কওমি সনদ পূর্ণাঙ্গরূপে বাস্তবায়নের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এ ব্যাপারে কওমি মাদ্রাসার বোর্ডগুলোকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
24/06/2026
ভাইরে ভাই! বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী সংসদ সদস্য মাহবুবা হাকিম বাজেটের ওপর মাত্র ৫ মিনিটের একটি বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু সেই অল্প সময়েই তিনি এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন, যা সত্যিই মনোযোগ কাড়ার মতো।
ইসলামের বিধান মেনে, শতভাগ শালীনতা বজায় রেখেও যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরামে নেতৃত্ব দেওয়া যায় এবং দেশের স্বার্থে শক্ত অবস্থান নেওয়া যায়—মাহবুবা হাকিম তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
দেশের অর্থনীতি, শিল্পখাত ও জনগণের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে তিনি বেশ কয়েকটি যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেছেন। সত্যি বলতে, তিনি অসাধারণভাবে কথা বলেন!
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের বীরদের কল্যাণে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে নিহতদের বিষয়ে বাজেটে কোনো উল্লেখ নেই। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশে সকল শহীদের মর্যাদা সমান হওয়া উচিত। তাই শাপলা চত্বরের নিহতদেরও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া বন্ড লাইসেন্স ছাড়াই শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানি এবং ৩০% ভ্যালু এডিশনের শর্ত প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এতে দেশীয় স্পিনিং, ডাইং ও ফিনিশিং শিল্প মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলে হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের দায় কে নেবে সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
তামাক ও অন্যান্য ক্ষতিকর মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও তিনি কথা বলেন। তার মতে, কঠোর নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে শুধুমাত্র কর আরোপের মাধ্যমে এসব পণ্যের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। বিশেষ করে বাজারের ৭৫% দখলে থাকা নিম্নমূল্যের সিগারেটের দাম মাত্র ২ টাকা বাড়ানো তরুণদের ধূমপান থেকে বিরত রাখতে যথেষ্ট নয়।
সংস্কৃতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সংস্কৃতির বা সুসংস্কৃতির বিরোধী নই; আমাদের আপত্তি কেবল অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে।”
শিক্ষা খাত নিয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তার মতে, শিক্ষা-বান্ধব বাজেটকে কার্যকর করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় চেতনার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের মানোন্নয়নের জন্যও পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রয়োজন।
জাতীয় সংসদে একজন নারী জনপ্রতিনিধিকে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস, পর্দা ও ব্যক্তিত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য রাখতে দেখা সত্যিই ভালো লেগেছে। 🥹🌻
সাইদী হ ত্যা সহ ১৫ বছরের সকল হ ত্যা র বিচার হবে বিএনপি সরকারের কোনো তালবাহানা চলবে না
#খেলাফত #বাংলাদেশ
জুলাই আন্দোলনের পর মুসলিম বঙ্গ যেমন ছিলো।
জুলাই আন্দোলনে বিজয় হওয়ার পর কালিমা যুক্ত সাদা-কালো পতাকা উড়িয়ে রাস্তায় আনন্দ উদযাপনে মেতে উঠে ছিলো দেশের স্বাধীন জনতা।
এখন কথা হচ্ছে জাশি ওয়ালারাকি সেই স্বৈরাচার তাড়ানো স্বাধীন জনতা কে দিল্লির দাস বলবে? যারা কিনা সদাসর্বদা দিল্লির বিরোধিতা করে।
জাশিরা কালিমার পতাকা দেখলে এতো ভয় পায় কেন?
তারা কোন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায় আসলে?
তারা কী পূর্নাঙ্গ ইসলাম মেনে ইসলামী রাজনীতি করেন?
জাশির ভাইদের ভালবেসে ইসলামের পূর্নাঙ্গ সংবিধান সম্পর্কে সচেতন করলে তারা কেনো আলেমদের বিরোধিতা করেন!?
জাশির ভাইদের এতো যোগ্যতা মেধা থাকা সর্তেও কেনো তারা মদিনার ইসলাম তাদের জীবনে পুর্নাঙ্গভাবে মেনে চলতে ব্যার্থ!?
প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ৩০ দিনের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার হবে।কিন্তু বিচার তো হলোই না, বরং আরো একটি ধর্ষণ, খুন উপহার পেলো বাংলাদেশ!
21/06/2026
এই ছবিটার জন্য একটা আগুন 🔥 ক্যাপশন চাই!
দেখি, কার ক্যাপশনটা সবচেয়ে ইউনিক হয়? 👇😍
21/06/2026
গাঁজাসহ ছিঁচকে অপরাধী গ্রেপ্তার হলে তাকে আদালতে হাজির করা হয় পেছন দিকে হাতকড়া পরিয়ে। মন্ত্রীকে গালি দিলে তাকে হাজির করা হয় হেলমেট আর বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে।
অথচ হাসিনা রেজিমের সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যাকারী, যে শুধু খুনের অর্ডারই দেয় নাই, নিজের হাতে এক্সিকিউট করেছে, তাকে হাজির করা হচ্ছে রাজকীয় স্টাইলে।
হেলমেট, জ্যাকেট তো দূরের কথা, হাতে হাতকড়াও নাই। হাসতে হাসতে, খোশ গল্প করতে করতে করতে নেমে আসছে। দেখে বোঝার কোনো উপায় নাই, সে কি আসামী, নাকি রাষ্ট্রপক্ষের তদন্তকারী কর্মকর্তা।
এই বিচারকে যদি কেউ বা*ল # বিচার বলে, তাহলে কি আদালত অবমাননা হবে?
Ngw
20/06/2026
Good Thinking...👍
19/06/2026
মেট্রোরেলে উনার পকেট কেটে ২৫,০০০ টাকা নিয়ে গেছে পকেটমার, ছেড়া পকেট ধরে উনি অসহায়ের মতো তাকিয়ে আছেন।
কাকে দোষ দিবেন, নিজের কপাল নাকি এই দেশ কে??
কয়েকটা বিশাল সংঘবদ্ধ চক্র মেট্রোরেলে সারাদিন মানুষের মোবাইল, মানিব্যাগ এবং পকেট কেটে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ প্রতিটা স্টেশনে অনেক পুলিশ এবং আনসার সদস্য সবসময় বসে থাকেন। প্রতিটা মেট্রোর বগিতে সিসি ক্যামেরা আছে।
তারপরও এদেরকে ধরা যাচ্ছে না কেন??