28/01/2024
আমি চাইলে একটি বিষয়কে নেগেটিভ বা পজেটিভ ভাবে চিন্তা করতেই পারি । কিন্তু বিষয়টি যখন সম্পূর্নরূপে আমার বিশ্বাস বা আমার আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তখন আমি চাইলেই হয়তো সেই নেগেটিভকে পজেটিভ ভাবে চিন্তা করতে পারবোনা । ( তবে এটা সত্যিকার অর্থেই কোনো চাহিদা বা বেনিফিট ছাড়া যারা করতে পারে আসলেই তারা মহৎ ব্যাক্তি )
নিজ কল্পনাগুলো কতটুকু বাস্তবসম্মত সেটা আগে ভেবে দেখা উচিত । কারো কাছে শোনা মাত্রই সেটাকে বিশ্বাস করে নিজের মত প্রকাশ করা এটা অনর্থক একটি কাজ । হোক তা মিডিয়া সমাজে বা প্রাকটিকাল সমাজে । নিজের মতামতকে এতটা সস্তা করে ফেললে তা দিনদিন পঁচে যেতে থাকবে যার গ্রহনযোগ্যতা এক সময় শূন্যের কোঠায় নেমে আসতে পারে ।
সবারই নিজস্ব চিন্তা থাকতে পারে , নিজস্ব আদর্শ থাকতে পারে । আপনার আমার কারোর ই সেটিকে ভুল মনে করার অধিকার নেই । এটি যার যার নিজস্ব চিন্তা থেকে উদ্ভূত।
( তবে আমি ন্যায় বা অন্যায়ের কথা বলছিনা । কারন এটি রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত যা আপনাকে উক্ত রাষ্ট্রের নাগরিক হতে মান্য করতেই হবে ) । আমরা একই মাতার গর্ভের সন্তান হলেও আমাদের প্রত্যেকের জেনেটিক ভিন্নতা রয়েছে । সুতরাং আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই ভিন্নতা, আলাদা বিন্যাস তা হোক আদর্শগত বিন্যাস বা চিন্তাশীলতার বিন্যাস এটি থাকবেই । প্রয়োজন হচ্ছে এই চিন্তা সমাজের কতটুকু উপকারে আসবে সেটাকে খতিয়ে দেখা । কিন্তু আমরা নিজের প্রায়োরিটিই আগে দিয়ে ফেলি । আমার কি লাভ , ক্ষতি ।
পরিশেষে আমার বলার একটি ই কথা , মানুষ হয়ে জন্মে এই সামাজিক বিভেদ, রাজনৈতিক বিভেদ এগুলো শুধুমাত্রই আমাদের এই প্রতিহিংসা মূলক চিন্তার জায়গা থেকেই আদর্শগত পরিবর্তন চলে আসে । এই বিভেদ ভুলে মানুষ হিসেবে একসাথে বেঁচে থাকি । সুন্দর পৃথিবী গড়ি সুন্দর সমাজ গড়ার কারিগর হই । পৃথিবী বেঁচে থাক বহুকাল । 💚