"করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য "
1. Novel Corona Virus এর সংক্রমণে ফ্লুর মতো উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হয় তার নাম- COVID-19
2. করোনা ভাইরাসের অনেকগুলো প্রজাতির মধ্যে মানবদেহে রোগ সৃষ্টি করে- 7 টি প্রজাতি
3. করোনা ভাইরাসের 7ম প্রজাতির নাম- 2019 Novel Corona Virus (2019-nCOV)
4. বর্তমানে এই ভাইরাসটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে- SARS-COV-2
5.করোনা অর্থ- পুষ্প মুকুট
6. PPE এর পূর্ণরূপ- Personal Protective Equipment
7. IEDCR এর পূর্ণরূপ- Institute of Epidemiology Disease Control and Research
8. করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রথম শনাক্ত হয়- 31 শে ডিসেম্বর, 2019। চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে।
9 . করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম ব্যক্তির নাম- ওয়েই গুইশিয়ান
10 . চীনের প্রেসিডেন্ট প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে জনযুদ্ধ ঘোষণা করে- 6 ফেব্রুয়ারি
11. COVID-19 নামক আউটব্রেককে Public Health Emergency of International Concern ( PHEIC) হিসেবে ঘোষণা করা হয়- 2020 সালের 30 জানুয়ারি
12 . বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা COVID-19 কে বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে ঘোষণা করে- 11 মার্চ, 2020।
13. বাংলাদেশে প্রথম COVID-19 শনাক্ত হয়- 8 ই মার্চ, 2020।
14. বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু হয়- 18 মার্চ, 2020।
15. ইউরোপের প্রথম করোনামুক্ত দেশ- স্লোভেনিয়া ।
16. ব্রিটেনে পরীক্ষামূলক ভাবে মানবদেহে প্রথম COVID- 19 ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়- 23 এপ্রিল।
17. বাংলাদেশের প্রথম রেডজোন এলাকা- কক্সবাজার পৌর এলাকা ।
18. GAVI ( The Global Alliance for Vaccines and Immunization) এর বৈশ্বিক টিকা সম্মেলন 2020 অনুষ্ঠিত হয়- লন্ড
Confidence Coaching Centre
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Confidence Coaching Centre, Education, Agailjhara, Barishal.
শুধুমাত্র ব্রিটিশদের সাথে মিল রেখে নয় , বরং বিশ্বের আরো অন্যন্য জাতির সাথে মিলিয়ে ব্যাপক গবেষনা করে এই শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করা জরুরী । সরকারকে ধন্যবাদ ।।
শিক্ষাস্তরের ব্যাপক পরিবর্তন আসছে
HSC পরীক্ষা হবে দুইবার! ফার্স্ট ইয়ারের পর একবার! সেকেন্ড ইয়ারের পর একবার!
* ১ম থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা থাকবে না। হবে স্কুল পারফর্মেন্স অনুযায়ী মূল্যায়ন।
* ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত অভিন্ন বই হবে ১০টি। সব শিক্ষার্থীকে একই বই পড়তে হবে। বইগুলো বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ধর্ম, জীবন ও জীবিকা, স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি।
* এসএসসি পরীক্ষা হবে শুধু ১০ম শ্রেণির পাঠ্যসূচি অনুযায়ী। (৯ম+১০ম বাদ)
* একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শাখা বিভক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে।
*একাদশে বাংলা, ইংরেজি ও তথ্য-প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক। অপশনাল থাকবে বিজ্ঞান/কলা/ব্যবসার তিনটি বিষয়। (যেমন পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও গণিতের মধ্যে যেকোনো তিনটি। তবে এর সাথে আর্টসের একটি বিষয় নেয়ারও সুযোগ থাকতে পারে।)
বিজ্ঞানের ছাত্র আবশ্যিক বাংলা, ইংলিশ ও আইসিটির সাথে বিজ্ঞানের পদার্থ-রসায়ন নিয়ে আরেকটি আর্টসের বিষয় (যেমন পৌরনীতি) নিতে পারবে!
* এইচএসসি হবে দুইটি পাবলিক পরীক্ষা। একাদশে ছয়টি পার্ট, দ্বাদশের শেষে বারোটি পার্ট।
*একাদশ দ্বাদশের বইগুলো হবে তিনপত্রের। যেমন পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পত্র।
পর্যায়ক্রমে আগামীবছর থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে। সময়ের চাহিদায় উপযুক্ত করে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে এই নতুন ধারার শিক্ষাস্তর ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল!!!
-
▶ কারক ৬ প্রকার:
১. কর্তৃকারক
২. কর্মকারক
৩. করণকারক
৪. সম্প্রদান কারক
৫. অপাদান কারক
৬. অধিকরণ কারক
...................................
১। কর্তৃকারক: যে কাজ করে সেই কর্তা বা কর্তকারক।
যেমন: আমি ভাত খাই।
বালকেরা মাঠে ফুটবল খেলছে। এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তা বা কর্তৃকারক।
কে ভাত খায়?
উত্তর হচ্ছে আমি।
কারা ফুটবল খেলছে?
উত্তর হচ্ছে-বালকেরা।
তাহলে আমি এবং বালকেরা হচ্ছে কর্তৃকারক।
২। কর্মকারক: কর্তা যাকে অবলম্বন করে কার্য সম্পাদন করে সেটাই কর্ম বা কর্মকারক।
যেমন: আমি ভাত খাই।
হাবিব সোহলকে মেরেছে।
এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘ কি’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া সেটিই কর্ম বা কর্মকারক।
আমি কি খাই?
উত্তর হচ্ছে-ভাত।
হাবিব কাকে মেরেছে?
উত্তর হচ্ছে-সোহেলকে।
৩। করণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণ বুঝায়।
যেমন: নীরা কলম দিয়ে লেখে।
সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়। এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘ কীসের দ্বারা’ বা ‘কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই করণ কারক।
নীরা কীসের দ্বারা লেখে?
উত্তর হচ্ছে-কলম ।
কী উপায়ে বা কোন উপায়ে কীর্তিমান হওয়া যায়?
উত্তর হচ্ছে-সাধনায়।
৪। সম্প্রদান কারক: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা অর্চনা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়। স্বত্ব ত্যাগ না করলে কর্মকারক।
যেমন: ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।
গুরুজনে কর নতি। মনে রাখার উপায় হচ্ছে-কর্মকারকের মত কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে রে উত্তর পাওয়া যায়।
তবে এখানে স্বত্ব থাকবেনা। যেমন মানুষ ভিক্ষারীকে দান করে কোন স্বত্ব ছাড়াই যাকে বলে নি:শর্ত ভাবে। আবার গুরুজনকে মানুষ সম্মান করে কোন স্বার্থ ছাড়াই।
৫। অপাদান কারক: হতে, থেকে বুঝালে অপাদান কারক হবে।
যেমন: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
পাপে বিরত হও।
এখাছে কোথা থেকে পাতা পড়ে?
উত্তর হচ্ছে-গাছ ।
কি হতে বিরত হও?
উত্তর হচ্ছে – পাপ ।
৬। অধিকরণ কারক: ক্রিয়ার সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
যেমন: আমরা রোজ স্কুলে যাই।
প্রভাতে সূর্য ওঠে।
মনে রাখার উপায় হচ্ছে-
কোথায় এবং কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।
আমরা রোজ কোথায় যাই?
উত্তর হচ্ছে-স্কুলে। আর স্কুল একটি স্থান।
কখন সূর্য ওঠে?
উত্তর হচ্ছে-প্রভাতে। আর প্রভাত একটি কাল বা সময়।
বিভক্তি মনে রাখার উপায়:
.
বাংলায় বিভক্তি সাত প্রকার।
প্রথমা বিভক্তি: অ এবং ০ ।
দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে এবং রে ।
তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া এবং কর্তৃক ।
চতুথী বিভক্তি: দ্বিতীয়া বিভক্তির মত তবে নিমিত্ত বা জন্য বুঝাবে।
পঞ্চমী বিভক্তি: হতে, থেকে এবং চেয়ে ।
ষষ্ঠী বিভক্তি: র এবং এর ।
সপ্তমী বিভক্তি: এ, য় ,তে থাকে ৷
কলমে মডেল তৈরি করেও চাক্ষুষ প্রমাণ করে ফেলা যায় -
(a+b)^3 = a^3 + 3.a^2.b + 3.a.b^2 + b^3
আমরা বিশ্বাস করি পড়ালেখাকে কেবল কাগজের পাতায় আটকে না রেখে চিন্তাজগতের খোরাক বানাতে পারলেই কেবল আমরা শিক্ষার সত্যিকারের সুফল পাব। তাই আমাদের প্রচেষ্টা চলছে... আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের জায়গা থেকে।
আমাদের সবার প্রচেষ্টায় - পরিবর্তন আসবেই!
>>> মৌলিক সংখ্যা সমূহ জেনে নিই
১। হিমালয়ের কন্যা বলা হয় – পঞ্চগড়কে।
2। বাংলাদেশের আমাজান বলা হয় – রাতারগুল
বন,সিলেটকে ।
৩। কোন গাছকে সূর্য কন্যা বলা হয় – তুলা গাছকে।
৪। প্রকৃতির কন্যা বলা হয় – জাফলং,সিলেটকে।
৫। সৌন্দর্যের লীলাভূমি বলা হয় – রাঙামাটিকে।
৬। রাঙামাটির ছাদ বলা হয় – সাজেক ভ্যালিকে।
৭। পাহাড়ি কন্যা বলা হয় – বান্দরবানকে।
৮। প্রাচ্যের ডান্ডি বলা হয় – নারায়নগঞ্জকে।
৯। বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয় – চট্টগ্রামকে।
১০। ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয় – সিলেটকে।
১১। ১২ আউলিয়ার দেশ বলা হয় – চট্টগ্রামকে।
১২। শীতল পানির ঝর্ণা অবস্থিত – কক্সবাজার।
১৩। গরম পানির ঝর্ণা অবস্থিত – সীতাকুণ্ড।
১৪। বাংলার ভেনিস/ বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয় –
বরিশালকে।
১৫। দ্বীপের রাণী বলা হয় – ভোলাকে।
১৬। প্রকৃতির রাণী বলা হয় – খাগড়াছড়িকে।
১৭। ময়মনসিংহ বিভাগের ক্ষুদ্রতম জেলা – শেরপুর।
১৮। বাংলাদেশের ফুসফুস বলা হয় – সুন্দরবনকে।
১৯। বলিশিরা ভ্যালি’ অবস্থিত – মৌলভীবাজার
জেলায়।
২০। হালদা ভ্যালি অবস্থিত – খাগড়াছড়ি।
২১। “”নাপিত খালি ভ্যালি”” অবস্থিত – কক্সবাজার।
২২। সাঙ্গু ভ্যালি অবস্থিত – চট্টগ্রাম।
২৩। মাইনমুখী ভ্যালি অবস্থিত – রাঙামাটি জেলায়।
২৪। কাপ্তাই লেকে প্লাবিত রাঙামাটির উপত্যকা কে
বলে — ভেঙ্গি ভ্যালি।
গণিতের বেসিক থেকে কিছু প্রশ্ন। তাই যারা গণিত নিয়ে খুব চিন্তায় থাকেন তারা এই বিষয়গুলো ভালো করে লক্ষ্য রাখুন।
(১) একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি?
– ৬ সমকোণ
(২) একটি সুষম ষড়ভুজের অন্ত:কোণগুলোর সমষ্টি
– ৭২০ ডিগ্রি
(৩) বৃত্তের ব্যাস তিনগুন বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায়
– ৯গুন
(৪) কোন ত্রিভুজের বাহুগুলোর লম্বদ্বিখন্ড যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে বলে
– অন্ত:কেন্দ্র
(৫) স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধ এবং স্পর্শকের অন্তর্ভুক্ত কোণ–
– ৯০ ডিগ্রী
(১) তিন কোণ দেওয়া থাকলে যে সকল ত্রিভুজ আঁকা যায় তাদের বলে
– সদৃশ ত্রিভুজ
(২) ত্রিভুজের যে কোনো বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টি
– দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তম
(৩) কোন ত্রিভুজের একটি বাহু উভয় দিকে বর্ধিত করায় উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণগুলি সমান হলে , ত্রিভুজটি
– সমদ্বিবাহু
(৪) ২৫৩ ডিগ্রি কোণকে কী কোণ বলে ?
– প্রবৃদ্ধ কোণ
(৫) একটি সরলরেখার সাথে আর একটি রেখাংশ মিলিত হয়ে যে দু,টি সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয় তাদের সমষ্টি
– ১৮০ ডিগ্রি
(১) জ্যা’ শব্দের অর্থ কি?
– ভূমি
(২) দুটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ হলে একটিকে অপরটির কি বলে?
– সম্পূরক কোণ
(৩) একটি সরলরেখার সাথে অপর একটি রেখাংশ মিলিত যে দুটি সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয়, তাদের সমষ্টি হবে
– দুই সমকোণ(১৮০°)
(৪)
– 65°
(৫) দুটি পূরক কোণের সমষ্টি কত?
– ৯০°
(৬) সম্পূরক কোণের মান কত?
– ১৮০°
(১) কোন ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি
– ৩৬০ ডিগ্রী
(২) সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩,৪ সেমি হলে, অতিভুজের মান কত?
– ৫ সে.মি
(৩) সামন্তরিকের বিপরীত কোণেরঅর্ন্তদ্বিখন্ডকদ্বয়
– পরস্পর সমান্তরাল
(৪) একটি বর্গক্ষেত্রের এক বাহু অপর একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমার সমান হলে , বর্গক্ষেত্র দু.টির কর্ণের অনুপাত কত?
– ৪:১
(৫) রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিকন্ডিত করলে তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ
– ৯০ ডিগ্রী
বৃত্ত সম্পর্কিত তথ্য
(১) পূর্ণ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য কে বলা হয়?
– পরিধি
(২) বৃত্তের পরিধির সূত্র
– 2πr
(৩) পরিধির যেকোন অংশকে বলা হয়
– চাপ
(৪) পরিধির যেকোন দুই বিন্দুর সংযোগ সরলরেখাকে বলা হয়
– জ্যা( বৃত্তের ব্যাস হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা)
(৫) বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যা-ই
– ব্যাস
(৬) কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে বলা হয়
– ব্যাসার্ধ
বৃত্ত সম্পর্কিত কিছু ধারণাঃ
(১) একই সরলরেখায় অবস্থিত তিনটি বিন্দুর মধ্য দিয়ে কোন বৃত্ত আকা যায়না।
(২) দুটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে ৩টি বৃত্ত আকা যায়।
(৩) একটি বৃত্তের যেকোন দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাকে জ্যা বলা হয়।
(৪) বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাতকে π বলে।
(৫) বৃত্তের কেন্দ্র থেকে কোন বিন্দুর দুরত্বকে ওই বৃত্তের ব্যাসার্ধ বলে।
(৬) বৃত্তের সমান সমান জ্যা কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী।
(৭) বৃত্তের দুটি জ্যায়ের মধ্যে কেন্দ্রের নিকটতম জ্যাটি অপর জ্যা অপেক্ষা বড়।
(৮) বৃত্তের ব্যাসই বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা।
(৯) বৃত্তের যে কোন জ্যা এর লম্বদ্বিখণ্ডক কেন্দ্রগামী।
(১০) কোন বৃত্তের ৩টি সমান জ্যা একই বিন্দুতে ছেদ করলে ওই বিন্দুটি বৃত্তের কেন্দ্রে অবস্থিত হবে।
(১১) অর্ধবৃত্তস্থ কোন এক সমকোণ।
▬►কুকুরের ঘ্রাণ শক্তি মানুষের
চেয়ে ২৮,০০০ গুণ বেশি।
▬►প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই
সবচেয়ে বেশি ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা)।
▬►একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত খায়।
▬►মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার
উড়তে পারে।
▬►পুরুষ ব্যাঙই
বর্ষকালে ডাকে,আরnতা শুনে কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ।
▬►হামিং বার্ড পাখি পিছনের
দিকে উড়তে পারে।
▬►গিরগিট একই সময়ে তার চোখ দুটি দুই
দিকেই নাড়তে পারে।
▬►টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম পাড়ে।
০১) কিসের সাহায্যে সমুদ্রের ও কুয়াশার
গভীরতা নির্ণয় করা হয়?
উত্তর : প্রতিধ্বনির সাহায্যে।
০২) সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ
কত?
উত্তর : ৭৬ সে.মি.।
০৩) সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি
পরিমাণে হয় কোন আলোতে?
উত্তর : লাল আলোতে।
০৪) পৃথিবী তৈরির প্রধান উপাদান কী?
উত্তর : অক্সিজেন (৪৫.৪৬%), সিলিকন
(২৭.৬১)।
০৫) “ভূ-ত্বকে” কোন উপাদান সবচেয়ে
কম?
উত্তর : সোডিয়াম।
০৬) কত তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব
সবচেয়ে বেশি?
উত্তর : ৪ ডিগ্রি সে.গ্রে.।
০৭) কোন রঙের আলোতে বিচ্যুতি
সবচেয়ে কম?
উত্তর : লাল।
০৮) মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নবযান কোনটি?
উত্তর : ভাইকিং।
০৯) “ভূ-পৃষ্ঠে” কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি
আছে?
উত্তর : অ্যালুমিনিয়াম।
১০) “ভূ-কম্প” পরিমাপের যন্ত্রের নাম
কী?
উত্তর : সিসমোগ্রাফ
১১) “ব্যাঙের ছাতা” কোন শ্রেণির
উদ্ভিদ?
উত্তর : ছত্রাক।
১২) নিচের কোনগুলো একবীজ পত্রী
উদ্ভিদ?
উত্তর : ভুট্টা, নারিকেল, গম।
১৩) ব্যাঙের হৃৎপিণ্ডে কতটি প্রকোষ্ঠ
থাকে?
উত্তর : ৩টি।
১৪) কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা
বেশি?
উত্তর : কালো।
১৫) হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে কোনটি?
উত্তর : ফসফরাস।
১৬) তাপে কোন ভিটামিন নষ্ট হয়?
উত্তর : ভিটামিন ‘সি’।
১৭) সংকর ধাতু ব্রোঞ্জের উপাদান কী?
উত্তর : তামা ও টিন।
১৮) আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম
কী?
উত্তর : লুব্ধক।
১৯) মহাকর্ষ শক্তি দ্বারা একত্রে
গ্রোথিত এক বিরাট নক্ষত্রমণ্ডলীকে কী
বলে?
উত্তর : গ্যালাক্সি বলে।
২০) "ধ্রুবতারা" কোথায় দেখা যায়?
উত্তর : উত্তর-গোলার্ধে।
২১) "রবিশস্য" বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : শীতকালীন শস্য।
২২) রক্তে “কোলেস্টেরলের” পরিমাণ
বেড়ে গেলে কী খাওয়া উচিত নয়?
উত্তর : খাসির মাংস।
২৩) ভূমিকম্পের কম্পনের বেগ
সর্বাপেক্ষা বেশি কোথায়?
উত্তর : উপকেন্দ্রে।
২৪) “কচুরীপানা” পানিতে ভাসে কেন?
উত্তর : কাণ্ড ফাঁপা বলে।
২৫) কোনটির উপর বাংলাদেশ অবস্থিত?
উত্তর : ট্রপিক অফ ক্যান্সার
(কর্কটক্রান্তিরেখা)।
২৬) শিমের বিচি কোন ধরনের খাদ্য?
উত্তর : আমিষ।
২৭) “নাইট্রোজেন” এর প্রধান উৎস কী?
উত্তর : বায়ু।
২৮.) “শৈবাল” কোন জাতীয় উদ্ভিদ?
উত্তর : স্বভোজী।
২৯) পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির হৃৎপিণ্ডের ওজন
কত?
উত্তর : ৩০০ গ্রাম।
৩০) দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে
সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় কত তারিখে?
উত্তর : ২১ জুনে (এই দিনকে অপসূর বলে)
*****লেখাটা খুব গুরুত্ব পূর্ণ********
স্টিভ জবস যখন মারা যান তখন এ্যাপলের ব্যাংক একাউন্টে জমা ছিলো ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশী। টেকনোলজির এই প্রফেট বা রাজপূত্র মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে একেবারে অন্তিম মুহুর্তে জীবন সম্পর্কে কিছু অসাধারণ কথা বলেছিলেন-
যা জাপানি, চায়নীজ, হিন্দি, উর্দু, আরবী, স্প্যানিশ, পর্তুগীজ, রুশ সহ প্রায় আঠারোটি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। শুধু তাই নয়- শিশুদের মানসিক উৎকর্ষতা বিধান এবং তাদের সুন্দর মনন গঠনের লক্ষে একাধিক ভাষায় স্টিভ জবসের এই অমর কথাগুলো সহ উনার জীবনী বিভিন্ন দেশের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।)
কথাগুলি নিম্নরূপ :
বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমি সাফল্যের একেবারে সর্বোচ্চ চুড়োয় আরোহণ করেছি।যা আপনাদের কাছে সাফল্যের এক অনুপম দৃষ্টান্ত।কিন্তু,এ কথা ধ্রুব সত্য কাজের বাইরে আমার সামান্যই আনন্দ ছিলো। সম্পদের প্রলোভনে বিভোর ছিলাম সারা জীবন। আজ মৃত্যুশয্যায় শুয়ে যখন জীবনটাকে দেখি-তখন আমার মনে হয়, আমার সব সম্মান, খ্যাতি আর অর্জিত সম্পদ আসন্ন মৃত্যুর সামনে একেবারেই ম্লান, তুচ্ছ আর অর্থহীন।এ্যাপলের বিশাল সাম্রাজ্য আমার নিয়ন্ত্রনে ছিলো-কিন্তু মৃত্যু আজ আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তি কবরের বিছানায় শুয়ে আছে সেটা আদৌ কোনো বড় ব্যাপার না। প্রতি রাতে নিজের বিছানায় শুয়ার আগে আমি কি করলাম -সেটাই আসল ব্যাপার। অন্ধকার রাতে জীবনরক্ষাকারী মেশিনের সবুজ বাতিগুলোর দিকে চেয়ে আমার বুকের গহীনে হাহাকার করে ওঠে। মেশিনের শব্দের ভিতরে আমি নিকটবর্তী মৃত্যু দেবতার নিঃশ্বাস অনুভব করতে পারি। অনুধাবন করতে পারি-শুধু সম্পদ না, সম্পদের সাথে সম্পর্কহীন জিনিসেরও মানুষের অন্বেষণ করা উচিত।
বেকুবের মতো সম্পদ আহরণই সবকিছুই নয়- আরো অনেককিছু মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।আর তা হলো- মানুষের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করা,সৌন্দর্য্য উপলব্ধি করা আর তারুণ্যে একটি সুন্দর স্বপ্ন নিজের হৃদয়ে লালন করা। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটলেই মানুষ আমার মতো এক ভ্রান্ত মানুষে পরিণত হতে পারে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবার হৃদয়ে ভালবাসা অনুভব করার জ্ঞান দিয়েছেন।কেবলমাত্র এই নশ্বর দুনিয়ায় সম্পদের মোহে জড়িয়ে পড়ার জন্য নয়। এই যে মৃত্যু শয্যায় শুয়ে আছি।কই, সব সম্পদতো এই বিছানায় নিয়ে আসতে পারিনি। শুধু আজ সাথে আছে ভালোবাসা, প্রেম, মায়া, মমতার স্ম্বতিগুলোই । এগুলোই শুধু সাথে থেকে সাহস যোগাবে , আলোর পথ দেখাবে। ভালোবাসা পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে আছে- সম্পদ না খুঁজে ভালোবাসাও খোঁজে নিতে হয়। সম্পদ কভু শান্তি আনেনা।মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ আর ভালোবাসাই শান্তি আনে।পৃথিবীটাকে দেখো। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটে হাহাকার করলে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবে না…
পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী বিছানা কি জানেন? তাহলো- হাসপাতালের মৃত্য শয্যা। আপনাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আপনি একজন গাড়ি চালক রাখতে পারেন। আপনার নিযুক্ত কর্মচারীরা আপনার জন্য অনেক টাকাই আয় করে দিবে।কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় সত্য গোটা পৃথিবী চষে, পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়ে দিলেও একজন মানুষও পাবেন না যে আপনার রোগ বয়ে বেড়াবে।
এত টাকা পয়সা করে কি হবে ???
বৈষয়িক যে কোনো জিনিস হারালে আপনি পাবেন। কিন্তু একটা জিনিসই হারালে আর পাওয়া যায়না তা হলো মানুষের জীবন। মানুষ যখন অপারেশান থিয়েটারে যায় তখন সে কেবলি অনুধাবন করে- কেন জীবনের মূল্যটা আগে বুঝিনি!! জীবনের যে স্টেজেই আপনি আজ থাকুন না কেন- ,মৃত্যু পর্দা আপনার জীবনের সামনে হাজির হবেই। সাঙ্গ হবে জীবন। তাই, এই নশ্বর জীবনের পরিসমাপ্তির আগে পরিবারের জন্য, আপনজনের জন্য, বন্ধুদের জন্য হৃদয়ে সবসময় ভালোবাসা রাখুন। নিজের জীবনটাকে ভালোবাসুন। ঠিক নিজের মতো করে অন্যকেও ভালোবাসুন।
( সংগৃহীত)
যে কোন পরীক্ষায় ৫-১০ টা থাকবে ইনশাআল্লাহ ।
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ বাংলা উপন্যাস – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
✬ বাংলা সনেট – মাইকেল মধূ সূদন দত্ত
✬ আধুনিক বাংলা নাটক – মাইকেল মধূ সূদন দত্ত
✬ বাংলা গদ্য সাহিত্য – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
✬ বাংলা ছোট গল্প – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ গদ্য ছন্দ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ মুক্ত ছন্দ – কাজী নজরুল ইসলাম
✬ আধুনিক বাংলা কবিতা – জীবনান্দ দাশ
✬ চলিত রীতিতে গদ্যের জনক – প্রমথ চৌধুরী
ইংরেজি সাহিত্য
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ইংরেজি উপন্যাস – হেনরি ফিল্ডিং
✬ ইংরেজি প্রবন্ধ ও গদ্য – ফ্রান্সিস বেকন
✬ ইংরেজি রূপকথা – হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান অ্যান্ডারসন
✬ ইংরেজি ট্রাজেডি – ক্রিস্টোফার মারলো
✬ ইংরেজি সনেট – স্যার থমাস ওয়াট
✬ আধুনিক ইংরেজি কবিতা – জিওফ্রে চসার
✬ আধুনিক ইংরেজি সাহিত্য – জর্জ বার্নাডশ
বিশ্ব সাহিত্য সংস্কৃত
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ সনেট – পেত্রাক
✬ সায়েন্স ফিকশন – মেরি শ্যালি
✬ যাত্রা – ক্লাওডিও মন্টে ভারডি
✬ রুশ সাহিত্য – ম্যক্সিম গোরকি
✬ চলচিত্র – এডওয়ার্ড মিউব্রিজ ।
✬ বাংলাদেশ চলচিত্র – আব্দুল জব্বার খান
✬ আধুনিক নৃত্য – ইসাডেরা
✬ পশ্চিমা সঙ্গীত – জোহান সেবাস্তেন বস
✬ উপমহাদেশে সুরসঙ্গীত – ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান
✬ রেনেসীয় চিত্রকলা – জিওট্টো
✬ আধুনিক কার্টুন – উইলিয়াম হোগারথ
✬ আধুনিক সার্কাস – ফিলিপ অ্যাস্টলে
গণিত
▔▔▔▔▔
✬ সংখ্যাতত্ত্ব – পিথাগোরাস
✬ গণনা – চার্লস ব্যাবেজ
✬ জ্যামিতি – ইউক্লিড
✬ বীজ গণিত ও অ্যালগারিদম –আল-খাওয়ারিজম
✬ ক্যালকুলাস – ভাসকরা
✬ ত্রিকোণমিতি – হিপ্পার চাস
✬ স্থিতিবিদ্যা – আর্কিমিডিস
✬ গতিবিদ্যা – গ্যালিলিও
পদার্থ বিদ্যা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ পদার্থ বিদ্যা – আইজ্যাক নিউটন
✬ আধুনিক পদার্থ বিদ্যা – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ পারমানবিক পদার্থ বিদ্যা – আরনেস্ট রাদারফোর্ড
✬ আলোক বিদ্যা – জগদীশ চন্দ্র বসু
✬ তেজস্ক্রিয়তা – হেনরি বেরকল
✬ পারমানবিক বোমা – যে রবার্ট ওপেনহাইমার
✬ হাইড্রোজেন বোমা – এডওয়ার্ড টেলার
✬ কোয়ান্টাম তত্ত্ব – ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
✬ আপেক্ষিক তত্ত্ব – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ টেলিফোন – আলেকজান্ডার গ্রাহাম
✬ বাষ্প ইঞ্জিন – থমাস নিউকোমেন
✬ মোটর গাড়ি – কার্ল বেঞ্জ
✬ আধুনিক টায়ার – জন বয়রড ডানলফ
✬ রেডিও – লি ডি ফরেস্ট
✬ আধুনিক টেলিভিশন – অ্যালেন বি ডুমেন্ট
✬ সেমি কন্ডাক্টর – জ্যাক কিলবি
✬ আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি – সাইরাস ফিল্ড
কম্পিউটার বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ কম্পিউটার – চার্লস ব্যাবেজ
✬ আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান – এলান ম্যাথাসন
ডুরিং
✬ পার্সোনাল কম্পিউটার – আনড্রে থাই টুরং
✬ WWW (World Web Wide) – টিম বারনাস লি
✬ ই–মেইল – রে টমলিনসন
✬ ইন্টারনেট – ভিন্টন জি কারফ
✬ ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন – এলান এমটাজ
✬ ভিডিও গেমস – নোলেন বুশনেল
✬ অ্যানিমেশন – ওয়াল্ট জিডনি
✬ ভিজুয়েল বেসিক – এলান কুপার
✬ জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ – জেমস গসলিং
✬ উইকিপিডিয়া – জিমি ওয়েলস
রসায়ন বিদ্যা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ রসায়ন বিদ্যা – জাবের ইবনে হাইয়ান
✬ আধুনিক রসায়ন বিদ্যা – অ্যান্টনি লরেন্ট
ল্যাভসেসিয়ে
✬ জৈব রসায়ন – ফ্রেডারিক উইলার
✬ পরমাণুবাদ – ডেমোক্রিটাস
✬ পর্যায় সারণি – দিমিত্রি মেন্ডেলিপ
জীব বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ জীববিদ্যা ও প্রাণীবিদ্যা – এরিস্টটল
✬ উদ্ভিদ বিদ্যা – থিওফ্রাস্টাস
✬ বিবর্তন জীববিদ্যা – চার্লস ডারউইন
✬ জীবের নামকরণ বিদ্যা – ক্যারোলাস লিনিয়াস
✬ বংশগতি বিদ্যা – গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
✬ রক্ত সংবহনবিদ্যা – উইলিয়াম হার্ডে
✬ আধুনিক কোষতত্ত্ব – সোয়ান ও হাইডেন
✬ রোগ জীবাণু তত্ত্ব – লুই পাস্তুর
✬ বাস্তু সংস্থান – উইজেন উডাম
✬ প্রাণ শক্তি – জে জে বার্জেলিয়াম
চিকিৎসা বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ চিকিৎসা বিদ্যা ও ওষুদ – হিপক্রেটাস
✬ আধুনিক ওষুদ – ইবনে সিনা
✬ অ্যানাটমি – হেরোফিলাস
✬ আধুনিক সার্জারি – জাই ডি চাওলিয়েক
✬ প্লাস্টিক সার্জারি – সাসরুটা
✬ অস্থি সার্জারি – লরেন্স বলভেন
✬ হোমিও শাস্র – ডঃ স্যামুয়েল হ্যানিমেন
ভূগোল ও ইতিহাস
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ভূগোল – ইরাটস স্থনিস
✬ খনিজ বিদ্যা – জর্জ এগ্রিকোলা
✬ আধুনিক ভূবিদ্যা – জেমস হ্যাটন
✬ আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা – গ্যালেলিও গ্যালিলি
✬ ইতিহাস – হেরোডেটাস
✬ আধুনিক ইতিহাস – থুকি ডাইসিস
✬ ইসলামের ইতিহাস – আল–মাসুদি
অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ অর্থনীতি – এডাম স্মিথ
✬ আধুনিক অর্থনীতি – পল স্যামুয়েলসন
✬ ইউরো মুদ্রা – রবার্ট মেন্ডেল
✬ ব্যবস্থাপনা – পিটার ড্রকার
✬ আধুনিক ব্যবস্থাপনা – লিলিয়ান মোলার গিলবাথ
রাষ্ট্রবিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ রাষ্ট্রবিজ্ঞান – এরিস্টটল
✬ আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান – নিকোলো
ম্যাকেয়াভেলি
✬ গণতন্ত্র – এরিস্টটল
✬ আধুনিক গণতন্ত্র – জন লক
✬ আমলাতন্ত্র – মাক্স বেবার
✬ আধুনিক জার্মান – প্রিন্স অটভান বিসমার্ক
✬ বিশ্ব গ্রাম ধারণা – মার্শাল ম্যাকলুহান
✬ ব্যক্তি ধারনা- জন স্টুয়াট মিল
ধর্ম ও তত্ত্ব
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ মুসলিম জাতি – ইব্রাহীম (আঃ)
✬ ফিকাহ সাস্র – ইমাম আবু হানিফা
✬ বৌদ্ধ ধর্ম – গৌতম বুদ্ধ
✬ ইহুদি ধর্ম – মর্স
✬ ফ্যাসিজম – মুসলিনি
✬ কম্যুনিজম – কার্ল মার্ক্স
✬ অস্তিত্ববাদ – সরেন কিয়ারকগার্ড
✬ দ্বি–জাতি তত্ত্ব – মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ
জ্ঞানবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ক্রিকেট – ডব্লিও জি গ্রেস
✬ ফুটবল – এবনেজার মরলে
✬ বিজ্ঞান – থ্যালিস
✬ আধুনিক বিজ্ঞান – রজারবেকন
✬ মৃত্তিকা বিজ্ঞান – জ্যাসিলি ডকুচেব
✬ কৃষি বিজ্ঞান – জোন্সেটাল
✬ মৎস্য বিজ্ঞান – পেটার আর্টেডি
✬ সুপ্রজনন বিজ্ঞান – গ্রেগর মেনডেল
✬ গ্যাস বিজ্ঞান – সেসিবিয়াস
✬ আলোকচিত্র বিদ্যা – লুইস ডাগুইরে
✬ প্রত্নবিদ্যা – থমাস জেফারসন
✬ স্থাপত্য বিদ্যা – জন ভন নিউম্যান
✬ আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা – লর্ড মেকেলে
✬ সমাজ বিজ্ঞান – অগাস্ট ক্যোঁৎ
✬ সমাজ কর্ম – জন এডামস
জীবনের সুন্দর একটি হিসাব দেখুন, বুঝুন এবং চিন্তা করুন।
যদি A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X, Y, Z = 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26
অর্থাৎ A to Z এর মান যদি এমনভাবে ধরি যেখানে : A=1, B=2, C=3, D=4, E=5, F=6, G=7, H=8, I=9, J=10, K=11, L=12, M=13, N=14, O=15, P=16, Q=17, R=18, S=19, T=20, U=21, V=22, W=23, X=24, Y=25, Z=26
তাহলে,,,
*Hard Work:*
H+A+R+D+W+O+R+K= 8+1+18+4+23+15+18+11= *98%*
*Knowledge:*
K+N+O+W+L+E+D++E=
11+14+15+23+12+5+4+7+5= *96%*
*Luck:*
L+U+C+K=
12+21+3+11= *47%*
অর্থাৎ এদের কোনোটাই 100% স্কোর করতে পারে না, তাহলে সেটা কী যা 100% স্কোর করতে পারে???
*Money??* না, এটা *72%*
*Leadership??* না, এটা *97%*
তাহলে??
সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব, যদি আমাদের থাকে একটা পারফেক্ট *Attitude* বা দৃষ্টিভঙ্গি হ্যা, একমাত্র *Attitude* ই আমাদের জীবনকে করতে পারে *100%* সফল......
A+T+T+I+T+U+D+E=
1+20+20+9+20+21+4+5
*100%*
*সুতরাং দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Agailjhara
Barishal
8232