০১)শতভাগ নকলহীন,নৈতিক ও তাকওয়ার পরিবেশ মাদ্রাসাগুলোতে আগে জরুরী।
০২)কেরআন ও বিশুদ্ধ সুন্নাহর সাথে ইংরেজী,গনিত, আইসিটি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ের সমন্বয়ে একটা সিলেবাস প্রণয়ণ এবং সেই অনুযায়ী দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা নামের পাশে ড.লেখার থেকে অনেক বেশি জরুরী।
০৩)প্রথম দুটি কাজ সফলভাবে করার পর অজস্র জাল,জইফ হাদিস ও মনগড়া ফিকহের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে গবেষনাও কম জরুরী নয়।
Belal Khan
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Belal Khan, Tutor/Teacher, Mirukhali, Mothbaria, Barishal.
ফজরের জামাত শুরু ৫.১৫ তে আর সূর্যোদয় ৫.৩২ এ।মাযহাবের কট্টর অনুসারী ইমাম!
অন্য ১০ জনের মত নিজের দ্বীন সম্পর্কে মিনিমাম না জেনেই গরু-ছাগলের মত ধর্মের নামে মুখস্ত জীবন -যাপনই এ সমাজে শ্রেয়!বিশুদ্ধ দ্বীন সম্পর্কে যত জানবে তত অবাক হবে,বাকরুদ্ধ হবে...রাসূল স: এর সালাতের সাথে এ এক অসহ্য মশকরা!!!
আজ থেকে ১২০০+ বছর পূর্বে ইমাম আহমেদ ইবনে হাম্বল প্রায় ১০০ মসজিদের সালাত পর্যবেক্ষণ করে বলেছিলেন,তোমাদের সালাতের সাথে রাসূল: এর সালাতের কোন মিল নাই।তিনি যদি আমাদের সালাত দেখতেন মহান আল্লাহ ই ভালো জানেন কি বলতেন!
মানুষ যদি শুধু তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও আমলগুলো ওহীর জ্ঞান(কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ) সাথে যাচাই-বাছাই করে নিতো তাহলে কোন যুগে কোন মানুষ পথভ্রষ্ট হতো না।যুগে যুগে মানুষ পথভ্রষ্ট হয়েছে ওহীর জ্ঞানের সাথে না মিলিয়ে এবং যাচাই-বাছাই না করে হুজুর,পীর, দরবেশ,ইমামদের কথা অন্ধভাবে মেনে নেয়ার কারণে।
উল্লেখ্য,কোন যুগেই ওহীর জ্ঞানের কথা যাচাই-বাছাই করাকে মহান আল্লাহ কঠিন করেননি এবং বিষয়টির গুরুত্ব বুঝানোর জন্য মহান আল্লাহ এই একই কথা কোরআনে একই সূরায় ৪ বার বললেন(সূরা ক্বামার,১৭,২২,৩২,৪০) অথচ আল্লাহ একবার বললেই আমাদের জন্য তা বিশ্বাস করা ফরজ হয়ে যায়।
শত শত মা-বোন বাজার করছে কিন্তু এদের ফরজ সালাত পড়ার জন্য কোন মসজিদে জায়গা নেই,ফলে সালাত পড়ার ইচ্ছা থাকলেও এরা পরিবেশের অভাবে সালাত পড়তে পারেনা।
সকল মহিলাই যে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে আসছে অবশ্যই বিষয়টা এমন নয়।কারো পরিবারে পুরুষ হয়তো দেশের বাইরে থাকে,কোন মায়ের হয়তো কোন ছেলে নেই এবং স্বামীও মৃত এরকম বহু যৌক্তিক কারনেঔ তো মা-বোনরা বাহিরে আসে।
অথচ তাহারা ফতোয়া দিয়ে রাখছে যে মহিলারা মসজিদে আসলে ফেতনা ছড়াবে।জুমার সালাত ও ঈদের সালাতে মহিলাদের অংশগ্রহণের জন্য রাসূল স: এর উপদেশের তো ধারে-কাছেও নেই আমাদের আলেম সম্প্রদায়।
সমাজ থেকে শিরক,বিদআত,কুসংস্কার দূর করতে হলে প্রত্যেক মসজিদে মহিলাদের জন্য সালাতের পরিবেশ করা খুবই জরুরী।নিয়মিত পাচ ওয়াক্ত সালাত মসজিদে এসে পড়া জরুরী না হলেও জরুরী প্রয়োজনে ফরজ সালাত পড়ার পরিবেশ ও জুমা ও ঈদের খুতবার জন্য তাদের মসজিদে আসা সময়ের অন্যতম জরুরী বিষয়।
একটা পরিবারে মা-বোন যদি বিশুদ্ধ দ্বীন না বুঝে তাহলে পরিবার থেকে সমাজ,সমাজ থেকে রাষ্ট্র দ্রুতই কুসংস্কারাপন্ন হয়ে পড়ে
আজকে মিরুখালীতে বা মঠবাড়িয়ায় আছেন এমন সকল পুরুষকে দাওয়াত দিচ্ছি জুমার সালাত পড়ার জন্য "গাবতলা জলেখা মুন্সী বাড়ী মসজিদে" জুমার সালাত পড়তে আসেন[অবশ্যই ১২.৩০ এর পূর্বে আসার চেষ্টা করবেন]
02/03/2024
কৃতজ্ঞতার প্রতি কৃতজ্ঞ
মহান আল্লাহর রহমতে এখন থেকে প্রচলিত তিন খুতবার(বসে আলোচনা সহ)জুমার সালাত না পড়ার চেষ্টা করবো।
দুই খুতবার বিশুদ্ধ জুমার সালাত পড়া হয় এমন মসজিদ যত দূরেই হোক না কেন সেখানে যাবো এবং আয়ত্বের মধ্যে না পেলে প্রয়োজনে শুধু জোহরের সালাত পড়বো।শিরক্ ও বিদআতের সাথে কোন আপোষ নয়,ইংশাআল্লাহ।
I have reached 300 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉
মহান আল্লাহ বলেনঃ-"কিয়ামতের দিন বিচারের জন্য প্রত্যেককে তার নেতার সাথে ডাকা হবে"(সূরা বনী ঈসরাইল,আয়াত-৭১)।সুবহানআল্লাহ! কতটা বাস্তব সম্মত কোরআনের প্রতিটি আয়াত!
প্রত্যেকটা জালিম,দুর্নীতিবাজ ও লোভী নেতা হয়ে ওঠে একদল অন্ধভক্ত,দলবাজ,চামচা ও নির্বোধ সমর্থকের অন্ধভাবে সমর্থনের কারণে।সুতরাং অন্ধ দলবাজ বা সমর্থকের সমর্থন পেয়ে নেতা হয়ে যত অপকর্ম করবে তার জন্য ঐ সমর্থক সমানভাবে দায়ী।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যদি এরকম কিছু অন্ধ দলবাজ, মুরিদ,চামচা,নির্বোধ,ধান্ধাবাজ না পেতো তাহলে...
➤জালিমরা কখনোই জালিম হওয়ার সুযোগ পেতোনা। ➤দুর্নীতিবাজরা কখনোই দুর্নীতিবাজ হওয়ার সুযোগ পেতোনা।
➤ক্ষমতালোভীরা কখনোই ক্ষমতার স্বাদ পেতোনা।
#প্রসঙ্গ_ফিলিস্তিন(নিজভূমে পরবাসী এবং জিহাদ)
রাসূল স: প্রথম দিকে বদর যুদ্ধ(ইসলামের প্রথম যুদ্ধ) করতে চান নি।কারণ ইসলাম যুদ্ধ করার জন্য আসেনি।
কিন্তু কাফের-মুশরিকদের অত্যাচারে অসহায় সাহাবীদের নিয়ে নিজ জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হয়েও যখন জানতে পারেন প্রতিনিয়ত মক্কায় রেখে আসা পরিবার-পরিজনদের কাফেররা অত্যাচার- নির্যাতন করছে তখন মহান আল্লাহর নির্দেশে রাসূল স: যুদ্ধে সম্মতি দিলেন।এ যুদ্ধ ছিলো পৃথিবী থেকে সকল অন্যায় ও অবিচারের মূলোৎপাটন করা।
সারা বিশ্ব থেকে বিতারিত ইহুদীদের ১৯৪৭ সালে ফিলিস্তানের মুসলমিরা করুণা করে নিজ ভূমিতে থাকতে দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ সেই ইহুদীরাই প্রতিনিয়ত হত্যা-নির্যাতন করে যখন নিজ মাতৃভূমি দখল করতে চায় তখন তাদের বিরুদ্ধে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করা হামাস ও হিজবুল্লাহকে যারা সন্ত্রাসী সংগঠন বলে তারা মানুষ রুপী হায়না এবং সকল অপরাধের সমর্থক।
সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য করা যুদ্ধকে জিহাদ বলে আর যারা জিহাদকে সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ বলে তারা শয়তানের প্রকাশ্যে দোসর।
মহান আল্লাহ অবশ্যই মজলুমদের সাহায্য করবেন।
মানুষের অসহায়ত্ব বুঝতে মানুষ হওয়া জরুরী।মসজিদের গেটে ও বাজারের আশে-পাশে মানবিক নজর রাখুন।এদের সংখ্যা নেহাতই কম নয়...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Mirukhali, Mothbaria
Barishal
8431