HSC STUDY POINT

HSC STUDY POINT

Share

A page of education aid for the students of class six to HSC.

12/07/2025

বিস্তারিত জানতে কল করুন

31/03/2025
05/03/2025

With Monir6.3 – I'm on a streak! I've been a top fan for 3 months in a row. 🎉

01/03/2025

নতুন দলের প্রথম দিনে ৪ টা জিনিস জোশ লাগছে।

০.পার্টির নাম ঘোষণা করেছেন একজন শহীদের বোন।

১.মঞ্চে কোন চেয়ার ছিলো না। সবাই হাটুগেড়ে বসেছিলো। ঠিক আন্দোলনের মতো। মেসেজটা পরিষ্কার, এই দলে কোন একক নেতা নাই। পারিবারিক নেতা নাই। এইখানে অনেকজন নেতা আছেন।

২. হাসনাত আব্দুল্লাহ আজকেও ঐ সবুজ জার্সি পরে মঞ্চে উঠেছিলেন। এইটা তাঁর ট্রেডমার্ক। যেই জার্সি পরে তিনি আন্দোলন করেছেন, সেই গেটআপ নিয়েই রাজনীতির মঞ্চে উঠাটা সিম্বোলিক। এইটা কাকতালীয় না।

৩. মাথায় লাল সবুজ পতাকা জড়িয়ে নাহিদ ইসলাম স্লোগান তুললেন, ক্ষমতা না জনতা? জনতা, জনতা। একদিন আগে ক্ষমতা ছেড়ে জনতার কাতারে নেমে আসা একজন নেতার মুখে এই স্লোগান যে কতটা সুন্দর ছিলো, বলে বোঝানো যাবে না!!

22/02/2025

আজকের সারাদিনের জন্য কর্মস্থল রেডি....

18/02/2025

আমিও তো এটাই বলি...

17/02/2025

আমি মনে করি, পরিবারের প্রতিটি সদস্যের বিশেষ করে টিনেজারদের উচিৎ ড. ইউনূসের দেশি বিদেশি বিভিন্ন স্থানে দেয়া ভাষণ ,বক্তৃতা ও টিভি ইন্টারভিউ গুলো মনোযোগ সহকারে শোনা এবং তার জীবনী পড়া।

এই মানুষটি খুবেই অপটিমিসটিক।এই ব্যক্তি সারা পৃথিবীতে অনুপ্রেরণা বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।তার কথাগুলো প্রচন্ড শক্তি যোগায়। যেন মনে হয় সবকিছুই সম্ভব এবং তিনি তা দেখিয়ে দিয়েছেন একের পর এক।বাংলাদেশ নিয়ে তার হাজারো ভিশন আছে যে ভিশনগুলো আমাদের কল্পনার জগতেরও বাইরে। তার প্রতিটি ভিশনই বাস্তবসম্মত এবং অর্জনযোগ্য।হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ন্যায় দেশটাকে সত্যিকারের বাসযোগ্য একটা বাংলাদেশ গড়ার জন্যে ড. ইউনূস দেশে বিদেশে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন দেশি বিদেশি হাজারো চক্রান্তের মধ্যেও।

ফ্যাসিস্ট হাসিনা এই ব্যক্তিটিকে আমাদের সবার কাছ থেকে এতো বছর আড়াল করে রেখেছে। এখন সময় এসেছে এই ব্যক্তিটিকে বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশের নির্মাণে কাজে লাগানো।

আজ রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন সম্মেলনে আয়োজিত সভায় ড. ইউনূস ৩০ মিনিটের বক্তৃতায় জনবহুল ছোট এই বাংলাদেশটা নিয়ে তিনি কতো অপার সম্ভবনার কথা বললেন।

তার পুরো ৩০ মিনিটের কথাগুলো শুনে বারবার মনে হচ্ছিল কেন আমরা এই ব্যক্তিটিকে আরো আগে পেলাম না!

©সংগৃহীত
ছবি: গুগল মামা

13/02/2025

ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ফোনে ঘুম ভাঙলো। ইন্টারন্যাশনাল কল। বুক ধক করে উঠে। অসময়ে ইন্টারন্যাশনাল কল মানেই দুঃসংবাদ!
ফোন রিসিভ করলাম। ওপাশ থেকে সুইডিশ উচ্চারনে ইংলিশ শোনা গেল। মেয়েলি কন্ঠ।
“হ্যালো, মঞ্জুর চৌধুরী বলছেন?”
“জ্বি।”
“আমি সুজানা স্মিথ, নোবেল কমিটি থেকে বলছি।”
“কি বেল থেকে বলছেন?”
“নোবেল। ইউ নো, ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার, যা পেলে মানুষ ধন্য হয়ে যায়।”
“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেন আর ড ইউনুস যেটা পেয়েছেন, সেটা?”
“জ্বি।”
“শেখ হাসিনা যেটা পাননি, সেই নোবেল?”
“এইতো ধরতে পেরেছো।”
“ফোন রাখ গাঞ্জাখোর!”
ধমক দিয়ে ফোন রেখে দিলাম। নোবেল কমিটি আমার কাছে ফোন করবে কোন সুখে? নিশ্চই স্ক্যাম। বলবে, “তোমাকে আমরা নোবেল দিব, কিন্তু সেজন্য ফি হিসেবে পাঁচ হাজার ডলার এডভান্স দিতে হবে।”
আজকাল এইসব স্ক্যামারের যন্ত্রনায় অপরিচিত নাম্বারের ফোন কল ধরতে ইচ্ছা করেনা।
সাথে সাথে আবার ফোন বেজে উঠলো, “হ্যালো, তুমি মনে হয় বিশ্বাস করছো না। আমরা সত্যি নোবেল কমিটি থেকে ফোন করেছি। তোমার বিশেষ সাহায্য প্রয়োজন।”
“কি সাহায্য?” যদিও বিশ্বাস করিনি, তবু মুখ ফস্কে বেরিয়ে এলো।
“তোমাদের দেশের এক বিজ্ঞানীকে খুঁজে বের করতে হবে। ফিজিক্স শাখায় ওকে এ বছরের নোবেল দেয়া হবে। ওর যুগান্তকারী আবিষ্কারকে রেকগনাইজ করে নোবেল কমিটি ধন্য হতে চায়।”
মাথা চুলকে বুঝার চেষ্টা করলাম কোন বিজ্ঞানী কি আবিষ্কার করে ফেলেছে যে আজকে নোবেল কমিটি ওকে খুঁজছে?
“আমি কিভাবে তোমাদের সাহায্য করবো?”
“আমরা তোমার দেশের অনেক ফেসবুক ইউজারের সাথেই যোগাযোগ করছি। এলগরিদম ব্যবহার করে তোমার নামও আমরা খুঁজে পেয়েছি। রেজাল্ট বলছে যে তোমার নিউজফিডে একটা থিওরি খুব শেয়ার হচ্ছে। নিউটনের গ্র্যাভিটি আবিষ্কারের পর এটাই বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার। ফিজিক্সের মোড় ঘুরিয়ে দিবে। আমরা সেই থিওরির আবিষ্কারককেই খুঁজছি। হয়তো তুমি আমাদের সাহায্য করতে পারবে।”
আমি চুপ করে আছি বলে মহিলা বলল, “তুমি নিউটনের ল গুলো জানোতো?”
“না, আমি সায়েন্সের স্টুডেন্ট। পরে একাউন্টিংয়ে এসেছি। ল নিয়ে পড়াশোনা করি নাই।”
মহিলা একটু থমকে গেল। তারপর হাসতে হাসতে বলল, “তোমার রসবোধ আছে। হাহাহা। আই লাইক ইট। এখন আমাকে বল যে “ইলেকট্রিক চেয়ার মেটালের তৈরী হয়না, কাঠের হতে হয়। নাহলে ফ্লোরে দাঁড়ানো আশেপাশের সবাই শক খায়।” - এই বৈজ্ঞানিক থিওরি কে আবিষ্কার করেছে?”
খাইছে! বলে কি মহিলা!
আমি বললাম, “তুমি নিশ্চিত এমন থিওরি কেউ আবিষ্কার করেছে?”
“অবশ্যই। বাঙালিদের সোশ্যাল মিডিয়া ভরে গেছে এই থিওরিতে। এবং যারাই পোস্ট করছে, তারাই দাবি করছে অপর পক্ষ মূর্খ। ড ইউনূসের আয়নাঘর নাটকের স্ক্রিপ্ট অতি দুর্বল এবং কোন মূর্খ সেটা লিখেছে। এই সামান্য বৈজ্ঞানিক লজিকের ব্যাপারেও যার জ্ঞান নেই! এ নিয়ে খুউব হাসি তামাশা করছে!”
আমার মাথা চক্কর দিয়ে উঠলো।
“হোলি কাউ! বলো কি!”
“অবশ্যই! একটু আগে মিস্টার স্টিভেন ওয়েইনবার্গ আমাদের অফিসে ফোন করে এই কথা বললেন। তিনি নিজেও মূর্খের ক্যাটাগরিতে পড়ে গেছেন বলে একটু মর্মাহত হয়েছেন।”
“উনি একা না, আমিও একই কাতারে পড়েছি। দাঁড়াও, আমি দেখি কি করতে পারি।”
ফোন রেখে গভীর ভাবনায় পড়ে গেলাম। আমার এখনও মনে আছে প্রাইমারি স্কুলের বিজ্ঞান বইয়ে পড়েছি প্লাস্টিক ও কাঠের মতন সিমেন্টের ফ্লোরও বিদ্যুৎ অপরিবাহী। যদি না তাতে পানি ছড়ানো হয়, যদি না সেটা ভেজা বা স্যাতস্যাতে হয়, তাহলে তা দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে না।
ক্লাস নাইনে উঠে ফিজিক্স নিলাম, সেই বইয়েও একই কথাই লেখা ছিল। আরেকটু ডিটেইলে। সিমেন্ট সাধারণত একটি **অপরিবাহী (ইনসুলেটর)** পদার্থ। এর মানে হল এটি বিদ্যুতের প্রবাহকে সহজে অনুমতি দেয় না। সিমেন্টের গঠনগত বৈশিষ্ট্য এবং এর মধ্যে বিদ্যমান উপাদানগুলি বিদ্যুতের প্রবাহকে বাধা দেয়।
এইচএসসির ফিজিক্সেও দেখি একই কথা লেখা ছিল। ওমা, ইউনিভার্সিটিতে উঠে ফিজিক্স নিয়েছি, সেই বইয়েও লেখা যে সিমেন্টে প্রধানত সিলিকেট এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ থাকে, যা বিদ্যুতের জন্য উচ্চ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও, সিমেন্ট শুষ্ক অবস্থায় থাকলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা আরও কমে যায়। তবে, যদি সিমেন্ট ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে হয়, তাহলে এর মধ্যে বিদ্যুৎ কিছুটা প্রবাহিত হতে পারে, কারণ জল বিদ্যুতের একটি ভাল পরিবাহী। কিন্তু সাধারণভাবে শুষ্ক সিমেন্টের ফ্লোর বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় না।
এই বৈশিষ্ট্যের কারণে সিমেন্টকে বিল্ডিং নির্মাণে নিরাপদ এবং উপযুক্ত পদার্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
তা বাংলাদেশের বিজ্ঞানী এমন বিদ্যুৎ আবিষ্কার করে ফেলেছে যা লোহার চেয়ার থেকে সিমেন্টের শুকনো ফ্লোর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আশেপাশের সবাইকেই ঝাকানাকা শক দেয়? কে এই মহান বিজ্ঞানী? এই কারণেই ওকে নোবেল কমিটি খুঁজছে!
আমার জীবনের যাবতীয় পড়াশোনা মিথ্যা প্রমাণিত হলো? বাপ্পারাজের মতন বলতে ইচ্ছা করছে, “এ আমি বিশ্বাস করিনাআআআআআ!”
আবার অন্যদিকে খুশিও লাগছে। দেশের বিজ্ঞানী ফিজিক্সে নোবেল পাবে! আঃ! কি আনন্দ!
তা আপনারা যদি সেই বিজ্ঞানীর নাম ঠিকানা একটু জানাতেন, আমার বিশেষ উপকার হতো। ভদ্রমহিলা এখনও ফোন ধরে আছেন। ইন্টারন্যাশনাল কলে বিল উঠছে।

©কালেক্টেড

13/02/2025

এইটাই তো আসল কথা...

10/02/2025

World of Happiness

You guys can follow this page for cute cute pictures.

Want your school to be the top-listed School/college in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Lutfur Rahman Sarak
Barishal
8200