ইতিহাসের গল্প

ইতিহাসের গল্প যে ইতিহাস আপনি জানেন না....

এই ঘটনার আসলে কোন ব্যাখ্যা হয় না 😓ঘটনা বরিশালের বামরাইল বন্দরের বাজারে। সেখানে রাতে একজন সিচকে চোর ধরা পরে, জনগণ উত্তম ম...
26/09/2026

এই ঘটনার আসলে কোন ব্যাখ্যা হয় না 😓

ঘটনা বরিশালের বামরাইল বন্দরের বাজারে। সেখানে রাতে একজন সিচকে চোর ধরা পরে, জনগণ উত্তম মাধ্যম দিয়ে তাকে একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশে ফোন দেয়া হয়, পুলিশ আসার অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।

ভোরের আলো ফোটার আগেই খবর চারিদিকে জানাজানি হয়ে যায়, খবর পেয়ে ছুটে আসে তার ৮/৯ বছরের মেয়ে।

এসে দেখে বাবার অবস্থা গুরুতর, দুর্বল হয়ে বসে আছে। তাকে ঘিরে রয়েছে ক্ষিপ্ত উৎসুক জনতা।

মেয়ে প্রথমে বাবার কাছে যায়, কিছুক্ষণ কান্না করে, শরীরে যেখানে যেখানে আঘাত করা হয়েছে সেসব জায়গা মুছে দেয়।

এরপর যা ঘটে তা সবার মন কেরে নেয়।

মেয়েটি মনে করছে যে, তার বাবার ক্ষুধা লেগেছে। তাই পাশের একটি দোকানে গিয়ে একটা পাউরুটি 🍞 ও একটি চা কিনে নিয়ে আসে।

এরপর বাবার সামনে বসে চায়ের কাপে রুটি ভিজিয়ে ভিজিয়ে বাবার মুখে তুলে দেয়। বাবা লজ্জায় মাথা উঁচু করতে পারে না।

ছোট্ট মেয়ের এমন মায়াবী কাণ্ড উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে, সবাই চোরকে বলে খা রুটি খা, ছোট্ট মেয়েটা দিচ্ছে খা, আর মারব না।

পরবর্তীতে চোরটি রুটি খাওয়া শুরু করে, আর হাত পা বাঁধা অর্ধমৃত বাবার মুখে রুটি তুলে দিতে থাকে তার অবুঝ মেয়ে। সে এক অদ্ভুত মায়াবী দৃশ্য।

#বাবা #কন্যা

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়েছিল ক্লড এআই!ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর চালানো হা...
26/09/2026

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়েছিল ক্লড এআই!

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর চালানো হামলার পেছনের এক চরম চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সাধারণ গোয়েন্দা নজরদারি ফাঁকি দিয়ে বাঙ্কারের অতল গভীরে থাকা সত্ত্বেও তাঁর নিখুঁত অবস্থান আর পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ করেছে এআই ল্যাব Anthropic এর বিখ্যাত মডেল 'Claude'!

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং সামরিক প্ল্যাটফর্মে অত্যন্ত ক্লাসিফাইড ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল ক্লডের বিশেষ সরকারি সংস্করণ। হাজার হাজার গোপন ফার্সি নথিপত্র, রেডিও সিগন্যাল আর নজরদারি ক্যামেরার ডেটা চোখের পলকে বিশ্লেষণ করে খামেনির সঠিক অবস্থান ও উপস্থিতি নিশ্চিত করেছিল এই সিস্টেম।

মানুষ যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তথ্য মেলাতে গিয়ে দ্বিধায় পড়ত, সেখানে এআই সেকেন্ডের ভগ্নাংশে সব ক্লিয়ার করে টার্গেটিং টিমকে সবুজ সংকেত দেয়।

এই খবর সামনে আসতেই বিশ্বজুড়ে সামরিক এআই ব্যবহারের নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। এআই এখন আর শুধু ছবি আঁকা বা লেখালেখির সফটওয়্যার নয়, যুদ্ধের ময়দানে কে বাঁচবে আর কে মরবে সেই জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্তেও ঢুকে পড়েছে!

২৪ বছরের একটি রাজহাঁস, এখনও ডিম দেয় ও বাচ্চা ফোটায়।রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রসাদপাড়া গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলামের একটি ...
25/09/2026

২৪ বছরের একটি রাজহাঁস, এখনও ডিম দেয় ও বাচ্চা ফোটায়।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রসাদপাড়া গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলামের একটি রাজহাঁসের বয়স পরিবারের ২৪ বছর ৩ মাস। তাদের দাবি অনুযায়ী এই হাঁসটি তাদের ১৯ বছরের মেয়ের চেয়েও প্রায় ৫ বছরের বড়। জন্মগতভাবে এর একটি পাখা উল্টো হলেও দীর্ঘ এই সময়ে হাঁসটি সুস্থভাবে বেঁচে আছে এবং নিয়মিত ডিম দিয়ে বাচ্চা ফুটিয়েছে।

বুড়ি হাঁস নামে পরিচিত এই রাজহাঁসটি বছরে এখনো কয়েক দফা ডিম দেয়। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে বিক্রি করে পরিবারটি ভালো আয় করে। ছয় মাস বয়স হলে বাচ্চার দাম ভালো পাওয়া যায়। তারা জানান এইবছরে ১৭ টি বাচ্চা ফুটিয়েছিলো, যদিও সবকটি মারা গেছে অন্যথায় ৩৪ হাজার টাকা আয় করা যেতো। এছাড়াও হাঁসটিকে বাড়ির লক্ষ্মী উল্লেখ করে তারা বলেন, কৃষিকাজ করে বছরে যা আয় হয়, হাঁসটির বাচ্চা বিক্রি করেও সেই রকম আয় হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক জালাল উদ্দিন সরদার জানান, সাধারণত রাজহাঁসের গড় আয়ু ১০-১২ বছর এবং প্রজননক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে ৫-৬ বছর। তাই সত্যিই যদি হাঁসটির বয়স ২৪ বছর হয়ে থাকে, তাহলে এটি গবেষণার বিষয় হতে পারে।

#গল্প #তথ্য

শিশুরা যেমন পৃথিবীর ছবি আঁকে, তেমনই এক পৃথিবীর বাস্তব ছবি আঁকলো ভারতের গজনডোবা অঞ্চলের তিস্তা নদীর কয়েকজন জেলে।স্রোতে ভে...
22/09/2026

শিশুরা যেমন পৃথিবীর ছবি আঁকে, তেমনই এক পৃথিবীর বাস্তব ছবি আঁকলো ভারতের গজনডোবা অঞ্চলের তিস্তা নদীর কয়েকজন জেলে।

স্রোতে ভেসে যাওয়া ছোট্ট হাতি শাবককে উদ্ধার করে নিয়ে এলো পশ্চিম বঙ্গের বন বিভাগের কাছে। সবাই মিলে বাচ্চাকে ফেরত দিল মায়ের কাছে!

আপনি যখন শিশু ছিলেন, এমনই তো ছবি আঁকতেন স্কুলের বেঞ্চে বসে? কিন্তু বড় হবার পর, বড় বড় অফিসার হবার পর হয়তো ছোটবেলার আঁকা সেই ছবির কথা ভুলে যান!

মনে করুন স্বপ্নগুলো। নিজ ক্ষমতায় বাস্তবে আঁকুন এমনই ছবি।

ছবিতে যাকে দেখছেন, তিনি ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী আম্বানি পরিবারের ছোট পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট। কোটি কোটি টাকার মালিক হয়...
22/09/2026

ছবিতে যাকে দেখছেন, তিনি ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী আম্বানি পরিবারের ছোট পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট। কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েও, কোনো কৃত্রিম ফিল্টার বা ভারী মেকআপ ছাড়াই তিনি ক্যামেরার সামনে এসেছেন। ওনার ত্বকের এই স্বাভাবিক রূপ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, নিখুঁত না হওয়াটাই আসলে মানুষের আসল রূপ।

ব্রণ, লোমকূপ (pores) কিংবা ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচার থাকাটা একদমই সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটা বিষয় এমনকি যারা অনেক ধনী কিংবা বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত, তাদের ত্বকেও এমনটা হতে পারে। টাকা দিয়ে হয়তো পৃথিবীর অনেক দামি দামি জিনিস কেনা সম্ভব, কিন্তু স্থায়ীভাবে দাগহীন ও নিখুঁত ত্বক বোধহয় টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব নয়। তাই সেলিব্রেটি বা তারকাদের ত্বক সবসময় কাঁচের মতো চকচকে আর নিখুঁত থাকবে এই অবাস্তব আশা করাটা এবার বন্ধ করুন।

শুধুমাত্র আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে অতিরিক্ত মগ্ন থাকবেন না। মনে রাখবেন, গায়ের চামড়ার উজ্জ্বলতা একদিন কমে যাবে, কিন্তু আপনার ভেতরের ভালো মানুষটি, আপনার মনের সুন্দর রূপটি সারাজীবন থেকে যাবে। বাহ্যিক রূপের পাশাপাশি নিজের ভেতরের সৌন্দর্য ও মনের যত্ন নিতে শিখুন। নিজেকে তার আসল রূপে ভালোবাসার মাঝেই লুকিয়ে আছে আসল আত্মবিশ্বাস। ❤️

আহ!জীবন....................................... শুনলাম মেয়েরা নাকি বাবা ভক্ত হয় কিন্তু এই ঘটনা শুনে অবাক হলাম! লোকটার নাম...
22/09/2026

আহ!জীবন....................................... শুনলাম মেয়েরা নাকি বাবা ভক্ত হয় কিন্তু এই ঘটনা শুনে অবাক হলাম! লোকটার নাম মুন্নাফ মোল্লা। নিতান্ত গরিব মানুষ। বাড়ি টাঙ্গাইলে। মির্জাপুর থানার বানাইল গ্রামে। স্ত্রী নেই। বাসায় একা থাকেন ভদ্রলোক।

তার কোনো ছেলে নেই। তিনটি মেয়ে। সবাইকে বিয়ে দিয়েছে। টাকা-পয়সা খরচ করেছেন। এখন তারা স্বামীর সংসারে থাকে।

মেয়েদের শশুর বাড়ি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তিনি তার একখণ্ড জমি বিক্রি করে ২০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন মেয়েদের জন্য।জমি বিক্রির পুরো টাকাই দিয়েছেন আদরের মেয়েদের।



কিছুদিন পরে মুন্নাফ মিয়া অসুস্থ হন। চিকিৎসা প্রয়োজন, কিন্তু টাকা নেই। তিনি মেয়েদের দ্বারস্থ হন। কিন্তু মেয়েরা তাকে কোনো টাকা দিতে পারেনি। তার চিকিৎসা আর 'হয়নি।

মুন্নাফ মিয়া বাড়িতে একাই থাকে। একাকী কষ্ট হত, কিন্তু কিছু করার ছিল না। তার সময় কাটতে চাইত না। বসে বসে তাই মৃ'*ত্যুর প্রহর গুণত।

একসময় ঠিকই তার মৃ'*ত্যু হলো। কিন্তু কেউ জানল না। তার মেয়েরাও না। এতদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, কিন্তু কেউ খবর নিলো না।

প্রতিবেশীরা বেশ কয়েকদিন পরে খবর পেল বিশ্রী গন্ধে। ঘর ভেঙে বাস্তবতা দেখতে পেল। ততক্ষণে লাশ পঁচে-গলে গেছে। মহা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

মেয়েদেরকে আবার খবর দেওয়া হলো।এবারো তারা কেউ এলো না।এলাকাবাসী রাতেই লা'শ দাফনের ব্যবস্থা করল। মেয়েরা এলো লাশ দাফনের পরেরদিন, বাকী সম্পত্তি বুঝে নিতে।

আল্লাহ যেন সবাইকে নাফরমান ছেলেমেয়ে থেকে হেফাজতে রাখেন আমীন।

২০ বছর ধরে উড়ে চলা সেই ঈগল… কিন্তু কখনো সমুদ্র পাড়ি দেয়নি🦅টানা দুই দশক ধরে এই মহিমান্বিত ঈগলটির গতিবিধি তার পিঠে লাগানো ...
22/09/2026

২০ বছর ধরে উড়ে চলা সেই ঈগল… কিন্তু কখনো সমুদ্র পাড়ি দেয়নি🦅
টানা দুই দশক ধরে এই মহিমান্বিত ঈগলটির গতিবিধি তার পিঠে লাগানো একটি ছোট GPS ডিভাইসের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। তার ডানা মরুভূমি, পাহাড় ও বিস্তীর্ণ সমভূমির ওপর দিয়ে উড়ে বেড়িয়েছে—এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে।

কিন্তু পুরো ঘটনাটির সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় ছিল তার ভ্রমণের মানচিত্রে পাওয়া একটি তথ্য। ২০ বছর ধরে উড়লেও ঈগলটি কখনো সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেনি। সে সবসময় উপকূলের কাছাকাছি ঘুরে বেড়িয়েছে এবং স্থলভাগের সন্ধান করেছে—যেন বিশাল সমুদ্রই তার কাছে একটি অদৃশ্য সীমানা।

এই আচরণ গবেষকদের বিস্মিত করেছিল।

এটা কি তার বেঁচে থাকার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি ছিল? নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল?!!!

জাপানিজ পাইলটরা আত্মঘাতী বিমান হামলার ( কামিকাজে)  সময় এমন আনন্দের সাথে উড্ডয়ন করতো যাতে মনে হতো তারা বনভোজনে যাচ্ছেন । ...
22/09/2026

জাপানিজ পাইলটরা আত্মঘাতী বিমান হামলার ( কামিকাজে) সময় এমন আনন্দের সাথে উড্ডয়ন করতো যাতে মনে হতো তারা বনভোজনে যাচ্ছেন ।

তাদের ধর্ম ( শিন্টোইজম) অনুসারে সম্রাট ঈশ্বরের বংশধর । সুতরাং সম্রাটের আদেশ পালন করতে গিয়ে মারা গেলে সরাসরি স্বর্গে পৌছাবে ।

বিশ্বজুড়ে এখন ২০২৬ সাল, অথচ ইথিওপিয়ায় ১১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে ২০১৯ সাল! অবাক করার মতো হলেও এটি কোনো ভুল নয়, ইথিওপিয়া প্...
21/09/2026

বিশ্বজুড়ে এখন ২০২৬ সাল, অথচ ইথিওপিয়ায় ১১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে ২০১৯ সাল! অবাক করার মতো হলেও এটি কোনো ভুল নয়, ইথিওপিয়া প্রায় ১ হাজার ৫০০ বছরের পুরোনো নিজস্ব ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে।

ইথিওপিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে সাধারণত ৭ থেকে ৮ বছর পিছিয়ে। এই ক্যালেন্ডারে ১২টি মাস ৩০ দিন করে, আর শেষের ১৩তম মাসে থাকে ৫ দিন, তবে অধিবর্ষে হয় ৬ দিন।

শুধু বছর নয়, সময় গণনার নিয়মও আলাদা। সেখানে দিন শুরু হয় সূর্যোদয়ের সময়, অর্থাৎ সকাল ৬টা বা ৭টার দিকে। তাদের হিসাবে সকাল ৭টা হলো দিনের প্রথম ঘণ্টা।

তবে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, ব্যবসা ও স্কুলের কাজে ইথিওপিয়ায় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারও ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ একই সঙ্গে দুটি ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মানিয়ে চলেন দেশটির মানুষ।

ইথিওপিয়ানদের কাছে এটি শুধু সময় গণনার পদ্ধতি নয়, বরং তাদের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ।

#তথ্যলিপি #তথ্য #ইতিহাস

একটু পানি দাও"  --শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগে ফয়সালের আকুতিতে ও মন গলেনি পা*ষ*ন্ডদের!😥আহা! কোন দেশে বাস করছি আমরা! চো-র সন...
16/09/2026

একটু পানি দাও" --শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগে ফয়সালের আকুতিতে ও মন গলেনি পা*ষ*ন্ডদের!😥

আহা! কোন দেশে বাস করছি আমরা! চো-র সন্দেহে নি*র্ম*ম নি*র্যা*তন করে নিরপরাধ একজন মানুষ কে হ*ত্যা করা হলো! 😥

মৃ* ত্যুর আগে এই যুবকের অ*সহায় চাহনি বলে দেয়, হয়তো সে একটু বাঁ*চতে চেয়েছিল! হয়তো বলার চেষ্টা করছিল আমি চু*রি করিনি,আমাকে বাঁচাও!হয়তো মৃ** ত্যু র আগেও ৮ মাসের অ*ন্তঃ*স্থতার স্ত্রীর কথা, চার বছরের ছেলের কথা মনে করছিল ফয়সাল! 😭

শুধুমাত্র স*ন্দেহের বসে মা*রধ*রের শিকার হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে ২৭ বছর বয়সে এক যুবক! যখন তিনি মা**রা যাচ্ছিলেন, চারপাশের মানুষজন তাকে সাহায্য না করে উল্টো ছবি তুলতে ভিডিও করতে ব্যস্ত ছিল!
এই অল্প বয়সে মৃ*ত্যু! একটা পরিবার শেষ করে দিলো নিমিষেই 😢

ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারের মহেশখালীতে! ছেলেটির নাম মোহাম্মদ ফয়সাল!
একটি ভিডিওতে দেখা যায় ছেলেটির হা*ত পা পিছনে বে**ধে পিঠের উপরে ইট দিয়ে কয়েকজন সজরে কি*ল ঘু*ষি মা*রছে! এভাবে এক সময় মৃ*ত্যু হয় ছেলেটির!

আমার কথা হচ্ছে ছেলেটি সত্যি সত্যি যদি চু**-রি করে থাকে! তাহলে দেশে আইন আছে! আদালত আছে! বিচার আছে!তারা ছেলেটির বি*চার করতো! এভাবে প্রাণে মে**রে ফেল কিভাবে ন্যায় বিচার হলো!

এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত আছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শা*স্তির ব্যবস্থা করতে হবে! না হলে এরকম স*ন্দে*হের কারনে হাজারো নি*রীহ মানুষ প্রাণ হারাবে কিছু অ*মানুষের হাতে!😓

আইন কিসের জন্য তৈরি হয়েছে জানতে চাই! যদি আইনে তোমাদের হাতে তুলে নিবা তাহলে এই আইন থেকে লাভ কি! যারা যারা ফয়সালকে এভাবে শেষ করে দিয়েছে তারা খুবই অল্প বয়সী যুবক ছিলো অথচ আশপাশের মানুষ পাশে এসে দাড়ালো না! থানায় কল দিলো না!এদের প্রতিটি মানুষকে আইনের আওতায় আনা হউক এটাই আমাদের জোর দাবি ✊✅



Address

Barishal

Telephone

+8801710155422

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইতিহাসের গল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to ইতিহাসের গল্প:

Shortcuts

Share

Category