স্বপ্ন গুচ্ছ - Your Mentor

স্বপ্ন গুচ্ছ - Your Mentor

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from স্বপ্ন গুচ্ছ - Your Mentor, Educational consultant, University of Barisal, Karnakati, Barishal.

28/04/2026

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি বেশকিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে। একটানা কেউ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে ব্যাপারটা সন্দেহজনক দেখাতে পারে, এই ধারণা আমার আছে। আমি তারপরেও দাঁড়িয়ে আছি। কারণ দুনিয়ার মানুষ কি ভাবলো না ভাবলো, এইসব নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আমি মানুষটা মোটেও সন্দেহজনক কিছু করতে আসিনি।

'আপনি কে?'

ভুড়ি ভাসিয়ে মোটা গলায় একলোক আমাকে এই প্রশ্ন করলো। আমি লোকটার দিকে তাকালাম। উনার শরীরের আকারের সাথে ভুড়ির সাইজ ব্যালেন্স হয়নি। খুবই অদ্ভুত দেখাচ্ছে। ভুড়ি যে আমার নাই, তা না। আমারও ভুড়ি আছে। তবে এতটা ব্যালেন্সহীন না।

'কি ব্যাপার, কথা বলেন না কেন?'

'জ্বি একটা জরুরি কাজে এসেছি।'

'এপয়েন্টমেন্ট আছে?'

'জ্বি না। এপয়েন্টমেন্ট নেই বলেই বাইরে দাঁড়িয়ে আপনার সাথে কথা বলছি।'

'এপয়েন্টমেন্ট ছাড়া ভিতরে কোনও মানুষ এলাও না। গেট থেকে সরে দাঁড়ান।'

'ছোট্ট একটা কাজ করতে আসছি। ওটা করেই চলে যাবো।'

'আমাকে বলেন কি কাজ। তারপর দেখি কি করা যায়।'

লোকের একধাক্কায় এমন সাহায্য করার মনমানসিকতা তৈরি হয়ে যাবে, এইটা ধারণার বাইরে ছিলো। পরে উপলব্ধি হলো, এই লোক হালকা টাকাপয়সা খসানোর চেষ্টা করবে একটু পরে। এখন মুরগি ম্যারিনেট শুরু করেছে, সময়মতো পিছন দিয়ে শিক ঢুকাবে কাবাব বানানোর জন্য।

'জলদি বলেন, এই রোদের মধ্যে দাঁড়ায় কথা বলতে ভাল্লাগে না।'

'আসলে হয়েছে কি, আমার না ফেসবুকে মনেটাইজেশন অন হয়ে গেছে।'

'কি অন হয়ে গেছে?'

'এইতো আপনি বুঝতে পারছেন না... আপনি অন্য কাউকে পাঠান, তার সাথে ডিল করি। ইয়াং কাউকে পাঠাবেন।'

'না না ভাই, আমাকে বুঝান, আমি বুঝবো। ভাই, কিছু মনে না করলে আমরা একটু বসি? ওইসাইডে যাই, রাস্তার ধারে একটা মিষ্টির দোকান আছে, এসিওয়ালা। ওই দোকানে বসে কথা বলি।'

লোকটা খুব আদরের সাথে আমাকে পাশের এক মিষ্টির দোকানে নিয়ে গেলেন। তারপর বরফঠান্ডা আনারের ড্রিংক কিনে দিলেন। হুটহাট এতো খাতির দেখে ভালোই লাগলো। আরও ভালো লাগলো এই দেখে যে, মিষ্টির দোকানে মিষ্টির পাশাপাশি অন্যান্য আইটেমও পাওয়া যাচ্ছে দেখে।

'তো ভাই, আপনার কি অন হয়ে গেছে বললেন?'

'মনেটাইজেশন।'

'এইটা কি?'

'মানে টাকাপয়সা আসবে এমন একটা মাধ্যম হয়ে গেছে আরকি।'

'আলহামদুলিল্লাহ! টাকাপয়সা আসবে এইটা তো খুশির সংবাদ!'

'জ্বি।'

'তো কেমন টাকাপয়সা আসবে?'

'ওটা তো ভাই ডলারের রেটের উপর নির্ভর করছে। আসলে প্রতিদিন ডলারের দাম যেভাবে উঠানামা করে, এক্সাক্ট টাকার নাম্বারটা বলা কঠিন।'

'ভাই আপনি আর কিছু খাবেন? একটা মিনি বার্গার অর্ডার দেই? অনেকক্ষণ দাঁড়ায় ছিলেন, ক্ষুধাটুধা লাগসে নিশ্চয়!'

'না না ভাই আমি ঠিক আছি, থ্যাংক্স। কাজের কথা বলি, কাজের কথা না বললে আমার ভালো লাগে না।'

'জ্বি অবশ্যই। বলেন ভাই।'

'প্রধানমন্ত্রী যেই হারে সব ইস্যুতে ফ্রি কার্ড দিয়ে বেড়াচ্ছেন, আমাকে যদি একটা ডুয়েল কারেন্সির ডেবিট কার্ড ম্যানেজ করে দিতেন, আমার জন্য উপকার হতো আরকি।'

'ডুয়াল কারেন্সি... এইটা কি প্রধানমন্ত্রীরে ছাড়া হবে না এমন কিছু?'

'উনাকে ছাড়া হবে না তা নয়। এইটা অনেকেই করতে পারবে। তবে প্রধানমন্ত্রী এখন একটু কার্ডসংক্রান্ত জিনিস দ্রুত প্রোভাইড করছেন। উনি যদি এই কার্ডটাও ম্যানেজ করে দেন, আমি আপনাকে খুশি করে দিবো।'

ভুড়িওয়ালা যেভাবে কৃতজ্ঞতার হাসি দিলো, সেই হাসি দেখে আমার মন হালকা হয়ে গেলো। এভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সর্বশেষ কে আমার সামনে এভাবে হেসেছিলো? অকৃতজ্ঞের পৃথিবীতে এই হাসির যে কি মূল্য, তা কি মানুষ জানে?

'স্যার, আপনি এখানে বসেন। আমি ভিতর থেকে একটু খবর নিয়ে আসি। আপনি আমাকে একটা কাগজে একটু ডিটেইল লিখে দেন, কি কার্ড, কেমন কার্ড, জিনিসপত্র কবে লাগবে এমন। আমি না আসা পর্যন্ত আপনার যা খাওয়ার ইচ্ছা হয় খান, বিল দিয়েন না। বিল দিলে আমি যেই লজ্জাটা পাবো, সেই লজ্জা কবরে যাওয়া অব্দি লাঘব হবে না। আমার জন্য এইটুকু কইরেন।'

ভুড়িওয়ালা ব্যক্তি দোকানের কর্মচারীকে কাগজ কলম দিতে বললেন। কাগজ কলম পাওয়ার পর সেখানে ইংরেজিতে লিখলাম, 'Duel Currency card needed for Meta Monetization. Hurry.' 'Hurry' লিখার পর সেইটার উপর কয়েকবার কলম চালিয়ে শব্দটাকে বোল্ড ফরম্যাটের লুক দিলাম। ভুড়িওয়ালা ব্যক্তি কাগজ নিয়ে কৃতজ্ঞতার হাসি ফ্যাকফ্যাক করে হাসতে হাসতে চলে গেলেন। যাওয়ার আগে, ক্যাশিয়ারকে বলে গেলেন আমি যা খেতে চাই, তাই যেন দেয়া হয়। উনি এসে বিল পরিশোধ করবেন।

লোকটা চলে যাওয়ার পর, মিষ্টির দোকানের ক্যাশ কাউন্টারে থাকা একটা ছেলে আমার পাশে এসে দাঁড়ালো।

'স্যার আপনি কি উনার সাথে মশকরা করলেন?'

'এমন কেন মনে হলো?'

'ডেবিট কার্ড দিবো ব্যাংক। আপনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কার্ড নিতে চলে আসলেন, উনাকে ভুজংভাজং বুঝাইলেন। উনি কি বুঝলেন না বুঝলেন জানি না, তবে আমার মনে হইলো আপনি মশকরা করলেন।'

'ডেবিট কার্ডের কনসেপ্ট বুঝে না এমন লোক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। আর কনসেপ্টও বুঝে, মশকরাও বুঝে, এমন একটা স্মার্ট ছেলে মিষ্টির দোকানে ক্যাশিয়ার। এটা মশকরা না? পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় মশকরা হচ্ছে। এটা অস্বাভাবিক কিছু না।'

বিকাল হয়ে গেছে। মিষ্টি বাতাস বইছে ঢাকার বুকে। কিছুদিন তীব্র তাপদাহের পর এমন মিষ্টি বাতাসে ঘুমিয়ে যেতে ইচ্ছে করে। আজ রাতে আরাম করে ঘুমাবো। ভুড়িওয়ালা ব্যক্তির 'টাকা দিয়া লজ্জা দিবেন না' অনুরোধ রক্ষা করতে বাসার জন্য ২ কেজি সন্দেশ আর ৬ টা আনারের ড্রিংকের ক্যান নিয়ে যাচ্ছি। আনারের ড্রিংকটা আমার বেশ ভালো লেগেছে।
© আবির আহম্মেদ পিয়াস ভাইয়া 💝🥰

© Collected by Md Raju Sheikh 💝

28/04/2026

হজ্জ যাত্রীদের জন্য বিশেষ গেট 💝 বিষয়টি কেমন লাগছে

27/04/2026

উপস্থিত ছিলেন শুধু কি তিনিই? চমেৎকার ফলক 🤩

27/04/2026

বাংলাদেশ পুলিশের বরাদ্দকৃত এই রেসন সামগ্রী সম্পর্কে কি আগে বিস্তারিত জানতে?

26/04/2026

বড় নেতাদের এমন একটা বক্তব্য থাকে না, যেটা বছরের পর বছর কাউকে হাইলাইট করে? হাসনাত আবদুল্লাহ আজ সংসদ অধিবেশনে সেই বক্তব্যটা দিয়ে ফেললেন।

উনি শুরু করেছেন এভাবে, আবার আমরা আগের সংস্কৃতিতে ফিরে যাচ্ছি। যেখানে প্রতিমন্ত্রীর সমালোচনা করলে তুলে নিয়ে আসা হচ্ছে, হুইপের সমালোচনা করলে তুলে নিয়ে আসা হচ্ছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী স্যাটায়ার প্রমোট করেন, সেখানে মত প্রকাশের জন্য এই সংসদ গঠনের পর এখন পর্যন্ত ৯ জনকে তুলে এনেছে সরকারি বাহিনী। আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই৷

এরপর খুবই ক্যাচি কয়েকটা লাইন ইউজ করেছেন হাসনাত। বলেছেন, আওয়ামী আমলেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল, তবে সেটা সহমত প্রকাশের স্বাধীনতা। আমরা দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই। আমরা এইখানে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করতে চাই। আমরা আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাকস্পেস ব্যবহার করতে চাই না।

নারী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় তুলে ধরেছেন। বলেছেন, এখন সিলেক্টিভ নারী বিরোধিতা করা হচ্ছে। পলিটিক্যালি এলিট কাউকে নিয়ে কিছু বললে, সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, বলা হচ্ছে এটা নোংরামি। কিন্তু পলিটিক্যালি এলিট নয়, এমন নারীদের স্ল্যাটশেমিং করা হলেও সেটাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

ক্যাম্পাসে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনের সাম্প্রতিক আচরণ নিয়ে বলেছেন, আমরা যখন ক্যাম্পাসে ছিলাম, তখন তৎকালীন সরকারী ছাত্র সংগঠন গেস্টরুম-গণরুম চালু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ইউজ করত। আবার সেই গেস্টরুম-গণরুম কালচার চালু করার প্রয়াস দেখা যাচ্ছে।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন, ছাত্র রাজনীতির রিয়ালিটি। বলেছেন, আমরা দেখি ক্ষমতাসীন যারা আছে, তারা তাদের সন্তানদের বিদেশে রেখে, নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত করে, আর মধ্যবিত্তের সন্তানদের ক্যারিয়ার ঝুঁকিতে ফেলে ক্ষমতালিপ্স রাজনীতিবিদরা নিজেদের পাটাতন শক্ত করে।

সংষ্কার ইস্যুতে বলেন, জুলাই যো'দ্ধা'দে'র কাছে মুখ দেখানোর মতো অবস্থা নেই। আজ যদি ২০০৯-১৪ এর সংসদ হত, তাহলে এখানে উল্লেখ করা সংষ্কারের একটারও বিপক্ষে থাকত না তৎকালীন বিরোধীদল বিএনপি।

সংষ্কার নিয়ে বিএনপির টালবাহানারও কড়া সমালোচনা করেছেন। বলেছেন, মানবাধিকার কমিশন বাতিল করা হলো, বলা হচ্ছে আরো শক্তিশালী করে উপস্থাপন করা হবে। পুলিশ কমিশন বাতিল করা হলো, একই কথা বলে। কিন্তু সত্যি সত্যি যদি সরকারের ওয়েল ইনটেনশন থাকত, তাহলে এগুলো প্রথমে সংসদে পাশ করতো, এরপর সংশোধন করতো।

এরপর বলেছেন, আমি আপনাদের সবাইকে আহ্বান করবো, প্রজন্মের ভাষাকে অনুধাবন করুন। এই সংসদে আমরা যারা আছি, তারা বাংলাদেশের সবথেকে সুবিধাভোগী লোকজন। এখানে বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না। এই চেয়ার জনবিচ্ছিন্নতা তৈরি করে।

এর পরে বিভাজনের রাজনীতি নিয়ে বলেছেন, আমরা বিভাজনের রাজনতি করলে সেটা থেকে বিএনপি, জামাত বা এনসিপি উপকৃত হবে না। হবে জুলাইয়ের পরাজিত শক্তি। এজন্য বিভাজনে একটা রেডলাইন থাকা দরকার। সরকার দল থেকে একটা রাজনৈতিক দলকে নির্মূল করার আহ্বান কখনোই ভালো কিছু বয়ে আনবে না। আমরা পলিসির জায়গা থেকে এগ্রি, ডিসএগ্রি করবো। কিন্তু দমন, পীড়ন, বিনাশ নির্মূলের রাজনীতি আবার চালু করলে কেউ সুবিধা পাবে না।

দারুণ বক্তব্য, এক্সিলেন্ট! ওয়েল রিটেন স্ক্রিপ্ট, সাথে একস্ট্রা অর্ডিনারী ডেলিভারি। ওয়ান অব দ্যা বেস্ট!©
© Hasnat Abdullah ভাইয়া শুভকামনা রইল 💐💝

©Collected by Md Raju Sheikh 💝

26/04/2026

গুপ্ত বংশের ইতিহাস, একটু চোখ বুলিয়ে নাও 🥰

26/04/2026

আপার ডায়ালগ টা কি মনে আছে আপনাদের?

26/04/2026

ক্রোয়েশিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের পর নিজের জেট বিমান এবং মন্ত্রীদের ব্যবহৃত ৩৯টি বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করে দিয়েছিলেন এবং মন্ত্রীদেরকে তাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে জনগণের সমস্যা খুঁজে বের করতে ও তাদের বাড়িতে অফিস স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উচ্চশিক্ষিত স্নাতক, যিনি তাঁর বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব ১.২ কিলোমিটার, যা তিনি পায়ে হেঁটে অতিক্রম করতেন। তিনি বাড়ি থেকে অফিসে নিজের খাবার নিয়ে আসতেন।

তিনি বিদেশি ঋণ নিতে অস্বীকার করেছেন এবং নিজের বেতন দেশের একজন সাধারণ শ্রমিকের সমান করেছেন।

© খবরটি প্রচার করেছে আমেরিকান সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট।
® Collected by Md Raju Sheikh 💝 💖

25/04/2026

বিশ্বের অদ্ভুত ইউনিভার্সিটি এডমিশন টেস্ট আজ

---------------------------------------------------

আজ ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ মহান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

---------------------------------------------------
আসন সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টি।

আবেদন নিশ্চায়ন করেছে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ জন।

(অর্থাৎ সিটের সমান ভর্তি পরীক্ষার্থী)

গতকাল পর্যন্ত প্রবেশপত্র ইস্যু ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫১৯ জন।

(অর্থাৎ আসন সংখ্যার চেয়ে প্রতিযোগী ২০ হাজার কম)
----------------------------------------------------

এই অদ্ভুত ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টরা অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ সুবিধা পায়না। অন্যদিকে ইউনিভার্সিটি তার আয়ের হাজার কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দেয়।

-----------------------------------------------------

ইউনিভার্সিটির স্টাডি সেন্টারের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা কোন প্রশাসনিক পদে যেতে পারেনা। আর যারা প্রশাসনিক পদে যায়, তারা জানেও না মাঠের বাস্তবতা আর কি কি সমস্যা হচ্ছে।

-----------------------------------------------------
© রবিউল আলম লুইপা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আপনার মতামত কি?

25/04/2026

তোমার অবস্থা কেমন?

24/04/2026

তোমার এলাকায় কত ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে, ততবার ধন্যবাদ জানাও 🤩

24/04/2026

👉শেখায় বিনিয়োগ করুন, আয় হবে সারাজীবন

আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন আমরা টাকা খরচ করার আগে হাজারবার ভাবি, কিন্তু সময় নষ্ট করার আগে একবারও ভাবি না? অথচ বাস্তবতা হলো, টাকা হারালে আবার আয় করা যায়… কিন্তু সময় হারালে তা আর কখনো ফিরে আসে না। আর এই সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যবহার হলো শেখায় বিনিয়োগ করা।
শেখা মানে শুধু ডিগ্রি নয়। শেখা মানে নিজের সম্ভাবনাকে প্রতিদিন একটু একটু করে বড় করা। এমন এক সম্পদ তৈরি করা, যা কেউ চুরি করতে পারে না, কমে না, বরং সময়ের সাথে সুদে-আসলে বাড়তে থাকে।

👉কেন শেখা সবচেয়ে লাভজনক বিনিয়োগ?
ভাবুন তো একটা নতুন স্কিল শিখতে আপনি ৬ মাস সময় দিলেন। সেই স্কিল যদি আপনাকে পরবর্তী ৩০ বছর আয় করতে সাহায্য করে?

এই হিসাবটা কোনো ব্যাংক, কোনো ব্যবসা, কোনো সম্পত্তি আপনাকে দিতে পারবে না।শেখা আসলে একবারের খরচ, আজীবনের আয়।
বাস্তব জীবনের গল্প আমাদের আশেপাশেই এমন মানুষ আছে কেউ একসময় শুধু মোবাইল ব্যবহার করত, আজ সে ডিজাইন করে আয় করছে।কেউ ইংরেজি বলতে ভয় পেত, আজ সে বিদেশি ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করছে।কেউ কম্পিউটার চালাতেই জানত না, আজ সে অনলাইনে নিজের ব্যবসা চালাচ্ছে।তাদের জীবন বদলেছে ভাগ্যের কারণে না… শেখার সিদ্ধান্তের কারণে।
শেখা মানে আত্মবিশ্বাস

যখন আপনি নতুন কিছু শিখেন, তখন শুধু টাকা নয় আপনার ভিতরে জন্ম নেয় আত্মবিশ্বাস, স্বাধীনতা, আর নিজের উপর ভরসা।আপনি বুঝতে শুরু করেন:

“আমি চাইলে পারি।”
এই অনুভূতিটাই আসল সম্পদ।কোথা থেকে শুরু করবেন?
বড় কিছু দিয়ে শুরু করতে হবে না।প্রতিদিন ৩০ মিনিটই যথেষ্ট।
একটা বই।একটা কোর্স।একটা নতুন দক্ষতা।একটা নতুন অভ্যাস।ছোট ছোট শেখাগুলো একসময় বড় পরিবর্তন তৈরি করে।

আজ আপনি যদি শেখায় সময় দেন, আগামীকাল সময় আপনাকে পুরস্কৃত করবে।আজ আপনি যদি নিজেকে উন্নত করেন, ভবিষ্যৎ আপনাকে মূল্য দেবে।মনে রাখুন,টাকায় আপনি জীবন চালাতে পারবেন।

কিন্তু শেখা আপনাকে জীবন বদলাতে সাহায্য করবে।আজ থেকেই শুরু করুন।কারণ শেখায় বিনিয়োগ করলে, আয় হবে সারাজীবন। ✨
© Collected by Md Raju Sheikh 💝

Want your school to be the top-listed School/college in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Culinary Team

Attire

Telephone

Address


University Of Barisal, Karnakati
Barishal
8200