18/02/2024
প্রিয় HSC-2024 পরীক্ষার্থী বন্ধুরা,
নিজেকে চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করার উৎকৃষ্ট সময় এখনই। বোর্ড পরীক্ষার পূর্বে বিষয়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি অর্জন, পরীক্ষাভীতি দূরীকরণ এবং খুঁটিনাটি ভুলগুলো শুধরে নিয়ে বোর্ড পরীক্ষার জন্য নিজেদেরকে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে Engineers Earth এর আয়োজন- “HSC Model Test 2024 ”।
শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কোর্সটিতে যা যা থাকছে_
💥২ পর্বে অধ্যায়ভিত্তিক ২৬ টি পরীক্ষা।
💥প্রতিটি পরীক্ষার সলভ শিট প্রদান।
💥ফাইনাল মডেল টেস্ট।(বোর্ড অনুরূপ)
🎯 পরীক্ষা শুরুর তারিখ:১৫ই মার্চ ২০২৪।
🕜 পরীক্ষা সময় : ১০.৩০-১২.০০
✅ ৫ই মার্চ পর্যন্ত ১০০০/- ছাড়ে ভর্তি চলছে...
19/09/2023
কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৩🥰
05/06/2023
ছাত্রজীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধের গাণিতিক সমীকরণঃ
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা বা মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাকে বলা হয় ছাত্রজীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ যাকে আমরা বলে থাকি জীবন যুদ্ধ। কেননা এই যুদ্ধ ভবিষ্যৎ জীবনে সফল্যের নিয়ামক হিসেবে কাজ করে, খুলে দেয় অগণিত পথ। কিন্তু একজন ছাত্র চাইলেই সেই যুদ্ধে অংশ নিতে পারেনা। HSC Exam এ পাশ করার পর এই পরীক্ষায় অংশ নেয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা হলেও আগেকার আমলনামা (ফলাফলের) উপর নির্ভর করে একেক জায়গায় একেক জন অংশগ্রহণ করতে পারে।সবাই সব ভর্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেনা যদি তার যোগ্যতা না হয়...
ভাবলে অবাক লাগে একেতো যুদ্ধ করবো তার উপর কত কন্ডিশন তাইনা...
আসলে বিষয়টা হলো-
“A dream does not become reality through magic; it takes sweat, determination, and hard work.”
“No matter how hard you work, someone else is working harder.”
আচ্ছা এবার গাণিতিকভাবে দেখা যাক, ভর্তি নামক যুদ্ধে অংশ নিতে আমাদের কি প্রয়োজন-
আমরা যদি যুদ্ধে অংশ নিতে চাই তাহলে, এস.এস.সি. পরিক্ষার আমলনামা (ফলাফল) এবং এইচ.এস.সি পরিক্ষার আমলনামা(ফলাফল) মিলিয়ে সর্বমোট GPA ১০ (SSC ৫ + HSC ৫) এর ভেতর কমপক্ষে GPA ৮.৫০ এর উপর পেতে হবে। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এর থেকে কমেও হয়, আবার কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এর থেকে বেশি প্রয়োজন হয়,বেশিরভাগ সময় সেটা ঐ বছরের পরীক্ষার ফলাফলের উপর নির্ভর করে। আবার কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় মোট ৯.৫০ এর উপর লাগে।
এতো গেল অংশগ্রহণ করার যোগ্যতার কথা, এবার একটু যুদ্ধ সম্পর্কে বলি। আসলে এই যুদ্ধটা অন্যসকল যুদ্ধ থেকে একটু ভিন্ন। এখানে কাউকে শারীরিক ভাবে মেরে ফেলতে হয়না। এই যুদ্ধ এমন এক যুদ্ধ যেখানে প্রস্তুত হতে হয় মানসিক ভাবে। এই যুদ্ধের প্রধান হাতিয়ার হলো আত্মবিশ্বাস। আপনাকে আপনার মেধা মানসিকতা আর আত্মবিশ্বাস দিয়ে অন্য অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্বপ্ন,আত্মবিশ্বাস ভেঙ্গে আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে হবে। ০.১০ এর জন্যে আপনি যুদ্ধে পরাজিত হতে পারেন, ভেঙ্গে যেতে পারে আপনার স্বপ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে একজন যুদ্ধাকে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৫৫ বা ৬০ জনকে টপকিয়ে এগিয়ে যেতে হবে (বিশ্ববিদ্যালয় অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন হয়)। মেডিকেলের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা আরো বেশি।
কিন্তু সবচেয়ে বড় হতাশার কথা হল আপনি কোন ৫০ বা ৬০ বা তার থেকে বেশি জনকে টপকাবেন তার নির্দিষ্ট কোন তালিকা নেই। তারমানে দাঁড়ায় আপনাকে সকলকে টপকানোর প্রিপারেশন নিয়ে যুদ্ধে যেতে হবে। আপনাকে আপনার স্বপ্ন বাস্তব করতে হবে। আপনাকে আপনার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হবে। মনে বিশ্বাস রাখতে হবে যে, যুদ্ধ থেকে একজন যদি জয়ী হয়ে ফিরে সেটা আপনি, অবশ্যয় সেটা আপনাকেই হতে হবে।
এবার চলুন যুদ্ধে জয়ের কিছু ফাঁকফোকর দেখে আসি, আসলে এই যুদ্ধটা একটা চলমান যুদ্ধ (৪বছরের ও বেশি), যার সম্পর্কে একজন শিক্ষার্থী জানতে পারে কেবল তখন,যখন তার না জানা উত্তম। কারন তখন জানতে পেরে অনেকে হতাশায় ডুবে যায়। ইশ্ যদি আগে জানতে পারতাম। আসলে আপনি জানেন না সেটা আপনার দোষ। যারা যুদ্ধে জয়ী হয় তারা ঠিকই জেনে আসে। তাই আপানকেও আগে থেকেই জানতে হবে।
এই যুদ্ধটাকে চলমান বলা হয় কারন,এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি. এই দুইটা পরীক্ষায় আমাদের ফলাফল এই যুদ্ধে একটা বিরাট প্রভাব ফেলে। এই যুদ্ধের অর্ধেক (৫০%) নির্ভর করে এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি. এর আমলনামার (ফলাফলের) উপর। তাই এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি. তে যারা এগিয়ে থাকে তারা যুদ্ধে এগিয়ে থাকে মানসিক ভাবে।
যুদ্ধ জয়ের ৫০% এর মধ্যে আবার দুইটা ভাগ। এস.এস.সি ফলাফল ৪০% এবং এইচ.এস.সি ফলাফল ৬০% মিলে যুদ্ধ জয়ের ৫০% হয়।
অর্থাৎ এস.এস.সি. এর ফলাফল কে ৪০% এ রূপান্তরিত করা হয়।এইচ.এস.সি. এর ফলাফলকে ৬০% এ রুপান্তরিত করা হয়।
এই দুইটা পরীক্ষার ফলাফলের যোগফলকে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলের সাথে যোগ করে মেধাক্রম অনুসারে সফলদের তালিকা দেয়া হয়।
গাণিতিক ভাবেঃ
গাণিতিক বিশ্লেষণ অনুসারে আমরা ছাত্রজীবনের “একাদশ–দ্বাদশ” শ্রেণীর সময়টুকু কে বলে থাকি যুদ্ধের সেনাপতি (ফলাফল এর মান ৬০%)। সে এমন একটা সেনাপতি যে একই সাথে মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করে। কেননা, ভর্তি যুদ্ধ হয় একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর সিলেবাসের উপর(মন্ত্রী)। আর কোন একটা যুদ্ধেমন্ত্রী ও সেনাপতির ভূমিকা আমাদের সকলেরই জানা। আপনার মন্ত্রী ও সেনাপতি যত শক্তিশালী হবে আপনি তত শক্তিশালী। মন্ত্রী ও সেনাপতির ট্রেনিং(দক্ষতা) যত উন্নত হবে,যুদ্ধে তত এগিয়ে থাকবেন এবং তাদের রণকৌশল (বেসিক কনসেপ্ট) যত উন্নত হবে আপনার যুদ্ধ জয়ের সম্বাবনা তত বেশি থাকবে।
যুদ্ধে পরাজয়ের কারনঃ
১। ভর্তি নামক যুদ্ধে অনেক মেধাবী (প্রায় ৪০% এর উপর) যুদ্ধা পরাজিত হয় কেবল মাত্র এস.এস.সি. ফলাফলের জন্য। অবাক হচ্ছেন! অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই সত্যি। আপনি একটু খেয়াল করে দেখবেন, এস.এস.সি. পরীক্ষায় A+ সংখ্যাটা এইচ.এস.সি. তে প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়। এর অন্যতম কারন এস.এস.সি. পরীক্ষার পর আমাদের শিক্ষার্থীদের উদাসীনতা। এটাকেই একমাত্র প্রধান কারন বলে আমরা মনে করি।
২। তাছাড়া অন্যতম আরও একটা কারন হল- আমাদের গতানুগতিক পড়াশোনা। আপনাকে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে টপকে, আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যের তুলনায় নিজেকে এগিয়ে রাখতে,আপনাকে অবশ্যয় অন্যের তুলনায় একটু ভিন্ন পথ অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু আমরা আমাদের নিজেদের মতামতকে উপেক্ষা করে অন্যরা যে রাস্তায় যায়, আমরা সেই রাস্তায় ছুটি। বিকল্প রাস্তার কথা ভেবেও দেখিনা। চিলে কান নিয়েছে একজন বলেছে আমরা সেটা শুনে চিলের পিছনে ছুটি কিন্তু কানে হাত দিয়ে দেখিনা কান আছে কিনা।
৩। এই যুদ্ধে পরাজয়ের আর একটি অন্যতম কারন হল- আমরা কেবল আমাদের আশপাশের যেমন-নিজের কলেজ বা পাসের কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে নিজেকে তুলনা করে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করি। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা হয় দেশব্যাপী সকল শিক্ষার্থী নিয়ে।
৪। এই যুদ্ধে পরাজয়ের আর একটি বড় কারন হল- শিক্ষার্থীদের যতাযত গাইডলাইন এর অভাব। আমাদের শিক্ষার্থীরা অমুক স্যার, তমুক স্যার করে করে অযতা সময় নষ্ট করে যার ফল খুবই তিক্ত হয়।
বিঃদ্রঃ মোট কথা ভর্তি নামক যুদ্ধের সাফল্যের ৮০% নির্ভর করে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ালেখার উপর। তাই এই সময়টার ১% ও যেন অপচয় না হয় সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। ভবিষ্যৎ তোমার তাই সঠিক সিদ্ধান্তটা তোমাকেই নিতে হবে।
Remember two things
“You get what you work for not what you wish for”
“All roads that lead to Success have to pass through hard work”
So let’s work hard, have fun, make history.
শুভ কামনায়-
Engineer’s Earth Academic & Admission Engineer's Earth Academic & Admission Care
01/06/2023
📣 Dear HSC Batch 25 ( Dynamic SSC-23 Batch)
💢 Our free class will start from 5th June
✌️You all are welcomed to be mesmerized.
For any Query: 016 44 47 7711
17/02/2023
পরীক্ষা হলো দুঃস্বপ্নের মতো, কিন্তু যখন তুমি এর জন্য পরিশ্রম করবে তার ফলাফলটা তোমার সামনে রূপকথার মতোই মনে হবে।পরীক্ষার ভয়, আর নয় আর নয়।”
👉SSC-23 ব্যাচের স্টুডেন্টদের জন্য 'SSC পরীক্ষার পূর্বে SSC পরীক্ষা' নামক মডেল টেস্ট প্রোগাম এখন ঝালকাঠিতে।
💢মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগের জন্য।
💢৩৫০০+ মার্কের ৩৬ টি পরীক্ষা।
💢প্রতিটি বিষয়ের উপর ৩ টি পরীক্ষা।
💢১২+ স্পেশাল ক্লাস।
💢মেধাতালিকায় প্রথম ২০ জনের জন্য আকর্ষণীয় উপহার।
💥প্রোগ্রাম শুরুঃ ২৫ই ফেব্রুয়ারী।💥
🏠Engineer's Earth Academic Care.
💥মহিলা কলেজের বিপরীতে পাশে,রীড রোড।
☎️01644477711, 01755706963
15/10/2022
📣 Dear HSC Batch 24(Legendary SSC-22 batch)
💢 Our free class will start tomorrow.
✌️You all are welcomed to be mesmerized.
13/09/2022
যদি হাল ছেড়ে না দাও তবে তোমার সুযোগ আছে।হাল ছেড়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।যে কোন ঝামেলা ছাড়াই জিতে সে বিজেতা। কিন্তু যে শত ঝামেলা সামলে জিতে যায় সে ইতিহাস রচয়িতা।
এস.এস.সি-২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা,
অনেক ঝামেলা আপনাদেরকে থামিয়ে দিতে চেয়েছে।পড়াশোনা ও মানুষিক অবস্থার উপর বিঘ্ন ঘটিয়েছে।তবে আপনারা হাল ছেড়ে দেন নি বরং সুযোগ তৈরী করেছেন।পরীক্ষা দুঃস্বপ্নের মতো হলেও আপনি যখন এর জন্য পরিশ্রম করবেন তার ফলাফলটা আপনার সামনে রূপকথার মতোই মনে হবে। আমি বিশ্বাস করি আপনাদের সফলতা রূপকথার মতো খুবই কাছাকাছি যা আপনাদের পরিশ্রম দিয়েই লেখা।❤️❤️
শুভকামনা রইলো সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য। দোয়া থাকবে যেন সবাই মা-বাবা, নিজ স্কুল ও শিক্ষকদের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন। পাশাপাশি সকলের সুস্থতা কামনা করছি।।
িবার।