ইন্না-লিল্লাহ!
যদি হেলিকপ্টার নিয়ে কোনো সাহায্য না আসে তাহলে কেউ দয়া করে লাশ সংগ্রহ করতে আসবেন না বলে নিচের লিখাটা পোষ্ট করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার এক বোন ।
হেলিকপ্টার ছাড়া ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরামের মানুষদের আর কোনোভাবেই রক্ষা করা যাবেনা।
প্রবল স্রোতের কারনে সেখানে কোনো নৌকা এবং স্পীড বোট যেতে পারছেনা।
সেনাবাহিনী এবং নৌবাহিনী তারা কেউই হেলিকপ্টার ছাড়া কিছুই করতে পারবেনা।
এই দুই উপজেলার প্রায় সকল ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। সবাই বাড়ির ছাদে অবস্থান করছে।আজকে রাতে লাশের বন্যা বয়ে যাবে।😭
সেনা, নৌ,বিহান বাহিনীর একযোগে কাজ করা উচিত।
হেলিকপ্টার ব্যবহার করা উচিত।
প্রধান উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, সংশিষ্ট উপদেষ্টা দ্রুত পদক্ষেপ নিন।
সাধারণরা অবশ্যই টাকা নির্ভরযোগ্য সংস্খা যেমন আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে দিন সাধ্যমত আর দুআ করুন।
MediMoy
Let's Crack Medical Admission Test With MediMoy
06/08/2024
আল্লাহ বলছেন, ‘হে ইমানদারগণ! তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যেসব দেব-দেবীর পূজা-উপাসনা করে, তোমরা তাদের গালি দিও না। যাতে করে তারা শিরক থেকে আরও অগ্রসর হয়ে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকে গালি দিয়ে না বসে।’ (আনআ’ম আয়াত, ১০৮)।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলমান যদি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করে কিংবা তাদের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আমি মুহাম্মাদ ওই মুসলমানের বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে লড়াই করবো। (সুনানে আবু দাউদ : ৩০৫২।)
প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিমকে হত্যাকারী জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ ৪০ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেই ওই ঘ্রাণ পাওয়া যাবে।’ (বুখারি : ৩১৬৬।)
যারা মন্দিরে ভাংচুর করেছেন বা যারা এইসব করলে অনেক নেকি পাওয়া যায় মনে করেন তাদের জন্য উপরোক্ত আয়াত এবং হাদিস।
খায়বার যুদ্ধে এক ব্যক্তি গণিমতের মাল থেকে কিছু একটা সরিয়ে রেখেছিল। পরে সে যখন মারা যায়, রাসূল সা. তার জানাযা পড়ালেন না। সাহাবীরা এতে খুব অবাক হলেন। কারণ, সেও তাদের মতো একজন মুজাহিদ ছিল।
নবিজি সা. তখন বলেন, "সে সম্পদ আত্মসাৎ করেছে।" সাহাবীরা তল্লাসি চালিয়ে দেখলো, আসলেই সে একটি রেশমি বস্ত্র আত্মসাৎ করেছিল। (তিরমিযী, মিশকাত, পৃ. ২৪২)
আরেক হাদীসে রাসূল (সা) সরাসরি বলেছেন, "নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে সম্পদ দখল করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য জাহান্নাম রয়েছে।" (বুখারী, মিশকাত হা/৩৯৯৫)।
অথচ আজকে আমরা অনেকেই বিজয়ের খুশিতে উল্লাসিত হতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করছি, লুট করছি। ভুলে যাচ্ছি রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করা কবিরা গুনাহ। এর ফলে কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি রয়েছে।
দ্বিতীয়ত, কেউ কেউ এই সময়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য অমুসলিমদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। এর ফলে ইসলাম এবং মুসলিমদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। অথচ হাদীসে এসেছে-
‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিককে (অন্যায়ভাবে) হত্যা করল, সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না, অথচ তার সুগন্ধ ৪০ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়।’ (বুখারী, হাদিস : ২৯৯৫)
বরং ঈমানের দাবী হচ্ছে, জনসাধারণের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। হাদীসে এসেছে, "যাকে মানুষ তাদের জান ও মালের জন্য নিরাপদ মনে করে সে-ই প্রকৃত মুমিন।" (তিরমিযী ২৬২৭)
তাহলে বিজয়ের খুশী কীভাবে প্রকাশ করা উচিত?
👉🏻 আল্লাহর প্রশংসাগাথায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করা। (সূরা নাসর)
👉🏻 শোকরানা নামাজ আদায় করা। ((জাদুল মাআদ)
👉🏻 বীর-শহীদদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। (তিরমিযী, হাদিস: ১৯৫৫)
👉🏻 কুরআন পাঠ করা এবং দুআ করা।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বোঝার তাওফীক দিক এবং বিজয়ের আনন্দ প্রকাশের সঠিক পন্থা অবলম্বনের তাওফীক দিক।
©️Wafilife
(Collected)
05/08/2024
গণভবন যে এভাবে রিকশায় চড়ে ঘুরতে বের হবে, কে জানতো?
অপরাধবোধ বলে আসলে কিছুই নাই। আমি শুধু শুধু ভাবতাম, পৃথিবীর সবার মাথার ভেতরটা বোধহয় আর দশটা স্বাভাবিক মানুষের মতো। আমি অযথাই অবাক হতাম এই ভেবে যে সব মানুষ বোধহয় অন্যায় কিংবা পাপের পর রাতে ঘুমাতে পারে না। আমি বোকার স্বর্গে বাস করতাম।
অপরাধ আর অন্যায় একটা নেশার মতো। যে করে, করতেই থাকে - কোনো রকম আফসোস হয় না তাদের। এরা সব পারে। রক্তমাখা হাত ধুয়ে গিয়ে ঐ হাত দিয়ে নিজের বাচ্চাকে আদর করতে পারে, লাশ মাড়িয়ে এসে আবার জায়নামাজে দাঁড়িয়ে যেতে পারে। এরা যে-ই গলা দিয়ে বলে, 'মেরেই তো ফেলছি, এখন কী করবা?', সেই একই গলা দিয়ে বাসায় গিয়ে ভাত খায়। এদের মুখে হাসি থাকে, রাতে নিশ্চিন্ত ঘুম হয়!
বিভেদের জন্য নয়, ভালোবাসার জায়গা থেকে বলছি। proud to be a বরিশাইল্লা!!
দূরে থেকে ভাল থাকার একমাত্র সম্বল তো হাসি🙂
বিপদে ভেঙে পড়ার আগে ভাবুন যে, আপনি এমন এক সত্ত্বার ইবাদাত করেন যিনি ইব্রাহীম আলাইহিস সালামকে জ্বলন্ত আগুন থেকে, ইউনুস আলাইহিস সালামকে অন্ধকার গভীর সমুদ্রের বুকে মাছের পেট থেকে, আইয়্যুব আলাইহিস সালামকে দুরারোগ্য মারণব্যাধি থেকে, ইউসুফ আলাইহিস সালামকে গভীর কূপ থেকে, মুসা আলাইহিস সালামকে ফেরাউন বাহিনীর হাত থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
রিযিকের ভয় আপনাকে তাড়িয়ে বেড়ালে ভাবুন, আপনি সেই মহামহিমের ইবাদাত করেন যিনি বনী ঈসরাঈলদের জন্য 'মান্না সালাওয়া' নামে আসমানী খাবার পাঠাতেন। মারঈয়াম আলাইহাস সালামের জন্য তিনিই ফেরেশতা মারফত খাবার তার কক্ষে পৌঁছে দিতেন।
যদি অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন, তাহলে স্মরণে নিমগ্ন হোন সেই রবের, যিনি জনমানবহীন উপত্যকায় অসহায় হাজরা আলাইহাস সালামের অনুনয় শুনে শিশু ইসমাঈলের পায়ের নিচ থেকে বের করে এনেছিলেন অবিরাম পানির ফুয়ারা। তিনিই নবি ইয়াকুব আলাইহিস সালামের বুকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পুত্র ইউসুফ আলাইহিস সালামকে। মুসা আলাইহিস সালামকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তার জন্মদাত্রীর কোলে।
সন্তান হচ্ছেনা বলে বিষাদগ্রস্ত?
যাকারিয়া আলাইহিস সালামের কথা ভাবুন তো। জীবন-সায়াহ্নে বসেও আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হোন নি তিনি, এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালাও তাকে নিরাশ করেন নি। তিনি কাউকেউ নিরাশ করেন না। একেবারে শেষ বয়সে বসে তিনি দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে সন্তান চাইলেন, এবং আল্লাহ তাকে সন্তান দিলেন।
'কেউ কথা রাখেনা' কে বললো? একজন ঠিক ঠিক কথা রাখেন। তার সাথেই কথা বলুন।
"একমাত্র কাফির ছাড়া অন্য কেউ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।" [সূরা ইউসুফ, ৮৭]
তিনি কাউকে নিরাশ করেন না। আল্লাহু-আকবার।
পৃথিবীতে মানুষ কী চায়
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি কী তা যদি মানুষ জানতো তাহলে মানুষের জীবন অনেক সুন্দর হতো। আমার বিবেচনায় মানুষ পার্থিব জীবনে যা চায় চূড়ান্ত পর্যায়ে মানুষ তা আর চায় না- এটাই মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি। আমি যা বললাম তার ন্যায্যতা চলুন যাচাই করি।
টাকা
———
আমরা সবাই টাকা চাই। এ জিনিসটির জন্য গড়পরতা মানুষ হেন কাজ নেই যা করে না। কিন্তু টাকা মানুষের জীবনের শেষ চাওয়া নয়। করোনার সময় দেখেছি এক বোতল অক্সিজেনের জন্য বা একটু আরামে শ্বাস নেবার জন্য মানুষ টাকাকে কাগজ জ্ঞান করেছে। জীবনের শেষ দৃশ্যে টাকা কেবলই কাগজ।
দৈহিক সৌন্দর্য
——————-
দৈহিক সৌন্দর্য মানুষের চোখকে প্রশান্তি দেয়। সাময়িক আকর্ষন জাগায়। কিন্তু তিক্ত ব্যবহার, অস্বচ্ছতা, অবিশ্বাস, পারস্পরিক আস্থাহীনতা, বার্ধক্য বা রোগ-শোক নানা কারণেই বাহ্যিক সৌন্দর্যের জাদু ফিকে হয়ে যায়। বরাবরই ভেতরের সৌন্দর্যের কাছে মৌলিক গুণহীন বাহ্যিক সৌন্দর্য নতজানু হয়েছে। তথাপি সিংহভাগ মানুষকে সাময়িক বাহ্যিক সৌন্দর্যের কাছে পরাহত হয়ে আপসোসের সায়রে ডুবতে দেখা যায়।
ক্ষমতা
———-
মানবজীবনে সবচেয়ে নড়বডে জিনিস হলো ক্ষমতা। সবচেয়ে ঠুনকো আর অক্ষম জিনিস হলো ক্ষমতা। কারণ ক্ষমতাকে সঠিক কাজে ব্যবহারের সক্ষমতা সকলের থাকে না। তথাপি সবাই ক্ষমতা চায়। ক্ষমতাবান লোকেরা অনেক ভীতু হয় কারণ ক্ষমতা হারানোর ভয় তাকে সবসময় তাড়া করে বেড়ায়। ক্ষমতা অনেক মানুষকেই জীবনে বেইজ্জতি উপহার দিয়েছে। তাই আখেরে মানুষ তার ক্ষমতাকে শাপ-শাপান্ত করেছে।
তাহলে প্রশ্ন আসে মানুষ তবে জীবনে কী চায়? মানুষের জীবনে চরম, পরম ও চূড়ান্ত চাওয়া কী?
জীবন সায়াহ্নে মৃত্যু শয্যায় কেউ কী কখনো বড় আমলা, এমপি-মন্ত্রী, ধনকুবের বা ফিল্মের নায়ক-নায়িকা হতে চেয়েছে? তার ব্যাংক ব্যালেন্সের স্বাস্থের খবর জানতে চেয়েছে? না। মানুষ জীবনের শেষ অংকে চায় প্রিয়জনের মায়াময় হাতের ছোঁয়া- চায় এক ফোটা ভালোবাসার অশ্রু। জীবন একটি ওয়ানওয়ে জার্নি। শেষটা যেন ট্রাজেডি না হয়। এখন পরস্পরকে ভালোবাসায় বিনিয়োগ করুন।
শেষ হাসিটা যেন আপনার হয়।
©️Md. Mahbubur Rahman (পেজটি Like, Follow করতে পারেন। লেখাটি চাইলে শেয়ার করতে পারেন)।
Newtonian Mechanics
https://youtu.be/kxJNDaGsPeA
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Sadar Road
Barishal
8200