29/06/2026
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
বাংলা প্রথম পত্র
গদ্য : গন্তব্য কাবুল
১. ভূমিকা ও পটভূমি :
বিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক ও বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলী-র কালজয়ী ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’ (১৯৪৮)। এই গ্রন্থের শুরুর অংশটিই মূলত ‘গন্তব্য কাবুল’ নামে পরিচিত। ১৯২৮ সালে লেখক আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের কৃষিবিজ্ঞান কলেজে ইংরেজি ও ফরাসি ভাষার অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিতে যান। কলকাতা থেকে কাবুল পর্যন্ত দীর্ঘ, রোমাঞ্চকর এবং বিপদসংকুল যাত্রার নিখুঁত, হাস্যরসাত্মক এবং মনস্তাত্ত্বিক বিবরণই এই রচনার মূল উপজীব্য।
২. যাত্রার সূচনা ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব :
গল্পের শুরুতেই লেখকের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার এক চমৎকার বিবরণ পাওয়া যায়। কলকাতা তথা হাওড়া স্টেশন থেকে যখন ট্রেন ছাড়ল, তখন লেখকের মনে কাজ করছিল এক তীব্র দোলাচল। একদিকে চেনা স্বদেশ, চেনা মানুষ এবং চিরচেনা সংস্কৃতিকে পেছনে ফেলে আসার বেদনা; অন্যদিকে এক অজানা, যুদ্ধংদেহী এবং রুক্ষ সংস্কৃতির দেশে যাওয়ার তীব্র কৌতূহল ও চাপা ভয়। লেখকের ভাষায়, এই যাত্রা কেবল ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করা ছিল না, এটি ছিল এক সম্পূর্ণ ভিন্ন জগতে প্রবেশ করার মানসিক প্রস্তুতি।
৩. পেশোয়ার আগমন এবং শেখ আহম্মদ আলির আতিথেয়তা :
কলকাতা থেকে দীর্ঘ ট্রেন যাত্রা শেষে লেখক তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের শেষ স্টেশন পেশোয়ারে পৌঁছান। পেশোয়ার ছিল কাবুলে ঢোকার প্রধান প্রবেশদ্বার।
শেখ আহম্মদ আলি :
পেশোয়ারে লেখককে অভ্যর্থনা জানান তাঁর পূর্বপরিচিত এবং অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি শেখ আহম্মদ আলি। তিনি লেখককে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান এবং কাবুলের দুর্গম যাত্রার আগে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম ও রসদ জোগাতে সাহায্য করেন।
সীমান্তের পরিবেশ: পেশোয়ারের পরিবেশেই লেখক প্রথম অনুভব করেন যে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জনপদে পা রেখেছেন, যেখানে মানুষের শারীরিক গঠন, ভাষা (পশতু/ফারসি) এবং জীবনযাত্রা ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা।
৪. ট্রেনে ইংরেজ সহযাত্রী (ফিরিঙ্গি) ও হাস্যরসাত্মক সংঘাত :
যাত্রাপথের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর কামরায় এক ব্রিটিশ বা ইংরেজ সামরিক কর্মকর্তার সাথে লেখকের সহাবস্থানের চমৎকার ও কৌতুকপূর্ণ বিবরণ।
পোশাকের বিভ্রাট : লেখক তাঁর ইউরোপীয় পোশাক এবং আভিজাত্যের কারণে ওই ইংরেজ কর্মকর্তার কাছে একজন উচ্চপদস্থ সামরিক ব্যক্তি বা গুরুত্বপূর্ণ কেউ বলে ভ্রম তৈরি করেছিলেন।
খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিতর্ক : কামরায় বসে ইংরেজ সহযাত্রীটির সাথে লেখকের প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি, বিশেষ করে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে গভীর কিন্তু অত্যন্ত রসাত্মক বিতর্ক হয়। ইংরেজদের কৃত্রিম শিষ্টাচার এবং বাঙালির রসনা বিলাসের এই তুলনা মুজতবা আলীর স্বভাবসুলভ রসবোধের এক অনন্য নিদর্শন।
৫. খাইবার গিরিপথের দুর্গমতা ও ভৌগোলিক বর্ণনা :
পেশোয়ার ছাড়িয়ে আফগানিস্তানের সীমান্তে পৌঁছাতে লেখককে অতিক্রম করতে হয়েছিল ঐতিহাসিকভাবে বিখ্যাত ও বিপজ্জনক খাইবার গিরিপথ।
প্রকৃতির রুক্ষতা : খাইবার পাসের দুই পাশের আকাশছোঁয়া পাহাড়, ধূসর পাথর, তীব্র ধূলিঝড় এবং প্রচণ্ড উত্তাপের বর্ণনা লেখক দিয়েছেন। এই রুক্ষ প্রকৃতিই যেখানকার মানুষদের এত কঠোর ও লড়াকু করে তুলেছে, তা লেখক অনুধাবন করেন।
নিরাপত্তার কড়াকড়ি : তৎকালীন সময়ে খাইবার পাস দিয়ে যাতায়াত করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নির্দিষ্ট সময়ের পর উপজাতীয়দের (Tribal) আক্রমণের ভয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হতো। লেখক এই রোমাঞ্চকর ও থমথমে পরিস্থিতির এক জীবন্ত চিত্র এঁকেছেন।
৬. কাবুলে প্রবেশ ও আফগান সংস্কৃতির উন্মোচন :
সমস্ত বাধা-বিপত্তি এবং দীর্ঘ ক্লান্তিকর পথ পেরিয়ে লেখক যখন অবশেষে কাবুলে পৌঁছান, তখন তাঁর সামনে উন্মোচিত হয় এক নতুন পৃথিবী।
আবহাওয়া ও প্রকৃতি : কাবুলের শুষ্ক কিন্তু মনোরম আবহাওয়া, চারপাশের বরফাবৃত পাহাড় এবং আঙুর-ডালিমের বাগান লেখককে মুগ্ধ করে।
মানুষের চরিত্র : লেখক দেখেন, বাইরে থেকে যে আফগানদের চরম উগ্র বা হিংস্র মনে করা হয়, ভেতরে তারা অত্যন্ত সরল, বিশ্বস্ত এবং অতিথিপরায়ণ। অতিথির সুরক্ষার জন্য তারা নিজের জীবন বাজি রাখতেও দ্বিধা করে না।
আবদুর রহমান প্রসঙ্গ : কাবুলে পৌঁছানোর পর লেখকের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র 'আবদুর রহমান' (তাঁদের গৃহভৃত্য) এর আগমন ঘটে, যার বিশাল শরীর এবং অসামান্য সেবা করার মানসিকতা এই ভ্রমণকাহিনির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
৭. রচনার শৈল্পিক ও সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যরম্য ও পাণ্ডিত্যের মিশ্রণ:
সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তিনি অতি গম্ভীর বিষয়কেও হাসির ছলে বলতে পারেন। ‘গন্তব্য কাবুল’-এ ইতিহাস, ভূগোল ও সমাজতত্ত্বের গভীর আলোচনা এসেছে অত্যন্ত সহজ ও চটুল ভাষায়।
বহুভাষী উদ্ধৃতি : লেখক তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে লেখার মাঝে মাঝে ফারসি শ্লোক, ইংরেজি প্রবাদ এবং সংস্কৃত উদৃতির চমৎকার ব্যবহার করেছেন, যা লেখার গুণগত মানকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি : লেখকের কোনো ঔপনিবেশিক বা সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ছিল না। তিনি কাবুলের রুক্ষ প্রকৃতির ভেতরের কোমল ও মানবিক রূপটিকে পরম মমতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।
"গন্তব্য কাবুল" গদ্যটির সারাংশ -
সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘গন্তব্য কাবুল’ একটি ভ্রমণভিত্তিক রচনা হলেও, এটি মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব, সংস্কৃতি এবং বিশ্বজনীন ভালোবাসার এক অনন্য দলিল। চেনা জগত ছেড়ে অচেনা রুক্ষ পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মানসিক দ্বন্দ্ব ও তার জয়গান এখানে ফুটে উঠেছে। আপাত রুক্ষ প্রকৃতির আড়ালে আফগান সমাজের সরলতা ও আতিথেয়তা, লেখকের উদার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ধরা পড়েছে।
খাইবার গিরিপথের কঠিন ভূগোল এখানকার মানুষদের কঠোর পরিশ্রমী করে তুললেও, লেখক তাদের অকৃত্রিম ভালোবাসার রূপটিই তুলে ধরেছেন। দূর প্রবাসেও মানুষের আন্তরিকতা ও ভালোবাসার টানে যে ভৌগোলিক দূরত্ব মুছে যায়, তা এই রচনার মূল বার্তা। পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের আচরণের পার্থক্য এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির কৌতুকপূর্ণ সংঘাতের মধ্য দিয়ে লেখক বিশ্বজনীন সম্প্রীতির কথা বলেছেন। পরিশেষে, হাস্যরসের মাধ্যমে অতি সাধারণ মানুষের মধ্যেও যে গভীর মানবিকতা ও বিশ্বস্ততা থাকে, তার জয়গান গেয়েছেন লেখক।
‘গন্তব্য কাবুল’ থেকে পরীক্ষায় আসার মতো কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কোটেশন নিচে দেওয়া হলো :
১. মানুষের মনস্তত্ত্ব ও স্বদেশপ্রেম সংক্রান্ত কোটেশন -
"মানুষের মন বড় বিচিত্র; চেনা জগত ছেড়ে যখন সে অচেনা পথে পা বাড়ায়, তখন তার বুকের ভেতর একটা চাপা কান্না আর এক অজানা রোমাঞ্চ একসঙ্গে দোলা দেয়।"
তাৎপর্য:
কলকাতা ছাড়ার মুহূর্তে লেখকের মনের ভেতরের দ্বন্দ্ব ও একাকিত্বের অনুভূতি এই লাইনে প্রকাশ পেয়েছে।
২. ট্রেনের ইংরেজ সহযাত্রী (ফিরিঙ্গি) ও হাস্যরস প্রসঙ্গ -
"সাহেব ভাবলেন আমি হয়তো কোনো রাজপুত্র কিংবা ছদ্মবেশী বড় কোনো হর্তাকর্তা। পোশাকের মহিমা একেই বলে!"
তাৎপর্য:
ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর কামরায় লেখকের ইউরোপীয় পোশাক দেখে ইংরেজ সহযাত্রীর ভুল ধারণার ওপর করা একটি চমৎকার রম্য মন্তব্য।
"কাঁটা-চামচ দিয়ে খাওয়াটা একটা আর্ট হতে পারে, কিন্তু আঙুল দিয়ে মাখিয়ে খাওয়ার ভেতর যে স্বর্গীয় তৃপ্তি আছে, তা কোনো ফিরিঙ্গি কোনোদিন বুঝবে না।"
তাৎপর্য:
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের খাদ্যাভ্যাস এবং কৃত্রিম শিষ্টাচারের তুলনায় বাঙালির রসনা বিলাসের সহজ সরল রূপটি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
৩. খাইবার গিরিপথ ও প্রকৃতির রুক্ষতা -
"এ যেন বিধাতার এক অদ্ভুত সৃষ্টি—চারিদিকে শুধু ধূসর পাথর আর আকাশছোঁয়া পাহাড়, যেখানে প্রকৃতির কোনো দয়া নেই, আছে শুধু রুক্ষতার আস্ফালন।"
তাৎপর্য:
আফগানিস্তানের প্রবেশদ্বার খাইবার গিরিপথের অত্যন্ত কঠিন, দুর্গম ও থমথমে ভৌগোলিক পরিবেশের নিখুঁত বিবরণ এটি।
৪. আফগান চরিত্র ও আতিথেয়তা সংক্রান্ত কোটেশন -
"বাইরে থেকে এদের দেখে মনে হয় যেন পাথরের চেয়েও কঠিন, কিন্তু ভেতরে প্রবেশ করলে দেখা যায় এদের মনটা আঙুরের মতোই নরম আর মিষ্টি।"
তাৎপর্য:
কাবুলের পাঠান বা আফগান মানুষদের বাহ্যিক কঠোরতা এবং ভেতরের অসম্ভব আতিথেয়তা ও সরলতার এক অপূর্ব তুলনা।
"আফগানরা অতিথিকে ভগবান বা ঈশ্বরের রূপ মনে করে। অতিথিকে রক্ষা করার জন্য তারা নিজের জীবন দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে না।"
তাৎপর্য:
পাঠানদের চরম বিশ্বস্ততা এবং মেহমানদারির সংস্কৃতির ওপর লেখকের একটি গভীর পর্যবেক্ষণ।
৫. বিশ্বজনীন মানবিকতা (মূলভাব সংক্রান্ত) -
"ভৌগোলিক সীমানা মানুষকে আলাদা করতে পারে, কিন্তু মানুষের ভেতরের আতিথেয়তা আর ভালোবাসার ভাষা পৃথিবীর সবখানেই এক।"
তাৎপর্য:
পুরো রচনার মূল দর্শন এটি। লেখক বুঝিয়েছেন যে ভাষা ও সংস্কৃতির অমিল থাকলেও মানুষের হৃদয়ের বন্ধন সার্বজনীন।
৬. পেশোয়ার ও পাঠান চরিত্র -
"পেশোয়ারে পা দিয়েই বুঝলাম, এ এক অন্য পৃথিবী। এখানকার মানুষ যেমন দীর্ঘদেহী, তাদের কণ্ঠস্বরও তেমনি বজ্রের মতো গম্ভীর।"
তাৎপর্য:
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের মানুষের শারীরিক গঠন ও ব্যক্তিত্বের প্রথম অভিঘাত লেখক এখানে তুলে ধরেছেন।
"পাঠানের রাগ যেমন চণ্ড, তার ভালোবাসাও তেমনি অন্ধ।"
তাৎপর্য:
আফগান বা পাঠান চরিত্রের তীব্র আবেগ—তা সে ক্রোধ হোক বা বন্ধুত্ব—তার একটি বাস্তব চিত্র এই লাইনে ফুটে উঠেছে।
৭. সংস্কৃতি ও জীবনবোধের তুলনা -
"সাহেবদের সভ্যতা ঘড়ির কাঁটায় বাঁধা, আর প্রাচ্যের জীবন চলে মনের সুখে, প্রকৃতির নিয়মে।"
তাৎপর্য:
ইউরোপীয়দের যান্ত্রিক সময়ানুবর্তিতা এবং প্রাচ্যের মানুষের সহজ-সরল, বাঁধনহারা জীবনযাত্রার একটি চমৎকার তুলনামূলক রম্য উক্তি।
"যাদের নিজের কোনো ইতিহাস নেই, তারাই অন্যের ইতিহাসকে ধূলিসাৎ করতে সবচেয়ে বেশি আনন্দ পায়।"
তাৎপর্য:
খাইবার গিরিপথের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ এবং ঔপনিবেশিক শক্তির আগ্রাসী মনোভাবের প্রতি লেখকের একটি প্রচ্ছন্ন শ্লেষ।
৮. খাইবার গিরিপথ ও যাত্রাপথের রোমাঞ্চ -
"পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে যেন আদিম হিংস্রতা লুকিয়ে আছে; একটু অসাবধান হলেই খাইবার পাসের এই পাথরগুলোই মানুষের কবর হয়ে উঠতে পারে।"
তাৎপর্য:
খাইবার গিরিপথের চরম বিপদসংকুল পরিবেশ এবং উপজাতীয়দের (Tribal) আকস্মিক আক্রমণের চাপা আতঙ্ককে লেখক এই লাইনে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৯. কাবুলের আতিথেয়তা ও মানুষের সরলতা -
"যে হাত রাইফেল চালাতে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী, সেই হাতই যখন আপ্যায়নের জন্য আঙুরের থালা এগিয়ে দেয়, তখন মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা দ্বিগুণ হয়ে যায়।"
তাৎপর্য:
পাঠানদের যুদ্ধপ্রিয় রূপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কোমল ও আন্তরিক আতিথেয়তার এক অপূর্ব বৈপরীত্যের বর্ণনা।
"কাবুলের বাজারে যখন ফারসি ভাষার গুঞ্জন শুনলাম, মনে হলো আমি কোনো অচেনা দেশে আসিনি, এসেছি এক প্রাচীন কাব্যের পাতায়।"
তাৎপর্য:
বহুভাষাবিদ লেখক মুজতবা আলীর ফারসি ভাষার প্রতি অনুরাগ এবং কাবুলের সাংস্কৃতিক আবহাওয়ার প্রতি তাঁর মুগ্ধতা এখানে প্রকাশ পেয়েছে।
✍️ অভিজিৎ ঘোষ
(Founder of ইজি লার্নিং)