22/11/2025
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Udayon Islamic Foundation, Educational Research Center, Barisal.
উদয়ন ইসলামিক ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক জীবন ও সমাজ গঠন করা এবং বিশুদ্ধ ইলমের প্রচার ও বিস্তার উদয়ন ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর অন্যতম লক্ষ্য।
22/11/2025
22/11/2025
দুনিয়ার সফলতার পেছনে আমরা বাংলা, ইংরেজি, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অর্থনীতি, বিজনেস স্টাডিজ সব সাবজেক্ট পড়ি। কিন্তু আল্লাহর কথাগুলো বোঝার জন্য কী করি?
বিশ্বাস করুন, ক্লাস ফাইভ থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটি শেষ করা পর্যন্ত যতগুলো সাবজেক্ট আমাদের পড়তে হয় তার তুলনায় আরবি ভাষা শেখাটা খুব কঠিন কিছু না।
আমরা দুনিয়ার সফলতার জন্য এত কিছু পড়েছি। কিন্তু যে ভাষাটা শিখলে আমরা আল্লাহর এবং রাসূল ﷺ এর বলা কথাগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারব সে ভাষাটা শেখার পেছনে আমাদের প্রচেষ্টা কতটুকু?
আল্লাহ আমাদের যে মেধাটা দিয়েছেন সেটা কিন্তু একটা নিয়ামত। আর আল্লাহ অবশ্যই আমাদেরকে আমাদের নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন [তাকাসুর, ১০২:৮]
জীবনটা কীভাবে পার করেছি এ ব্যাপারেও আল্লাহ আমাদের জিজ্ঞেস করবেন। সেদিন যদি জিজ্ঞেস করেন, তোমার মেধা দিয়ে তুমি এত কিছু করেছো, আমার কথাগুলো বোঝার জন্য কী করেছো?
আমরা কি সেদিনের উত্তরের জন্য প্রস্তুত?
22/11/2025
22/11/2025
মহান আল্লাহ বলেন, হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো। নিশ্চয় কিয়ামতের প্রকম্পন এক ভয়ংকর ব্যাপার [সূরা হাজ্জ-১]।
তোমরা কি নিশ্চিত আছ যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ ভূমিকে ধ্বসিয়ে দিবেননা, আর ওটা আকস্মিকভাবে থর থর করে কাঁপতে থাকবে? [সূরা আল মূলক-১৬]
ভূমিকম্পের মাত্রা আরেকটু বেশি হলেই হয়তো আমাদের অনেকের জীবনের শেষ দিন হতো আজ।
আজকে ভূমিকম্প অনেক বড় সতর্কবার্তা রেখে গেল আমাদের জন্য।
আসুন, বিলম্ব না করে আল্লাহর দিকে সমর্পিত হই। তাওবা করি। প্রস্তুত হই।
এবং আপনাদের সন্তানদের ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। জাযাকাল্লাহ।
04/06/2025
✳️ইতিহাস সাক্ষী এই মানব রচিত চার মাজহাব ১)হানাফি (২)শাফী, (৩)মালীকি, (৪) হাম্বলী মাজহাব মুসলিমদের শুধু বিভক্তি করেছে। মক্কার মতো পবিত্র স্থানে এই মাজহাবের অনুসারীরা জামায়াতে একসাথে সালাত আদায় করতো না।
সব মাজহাবের অনুসারীরাই আলাদা আলাদা করে সালাত করতো যা ইসলামের মধ্যে হারাম , এই বদ-মাজহাবীরাই মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য নষ্ট করেছে।
📗আল্লাহ তায়ালা বলেন :
আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং দলে দলে বিভক্ত হয়ো না। (Aal-e-Imran ৩:১০৩)।
📗আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন :
ٱتَّبِعُوا۟ مَآ أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَۗ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ
তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা অনুসরণ কর এবং তাকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরণ করো না। তোমরা সামান্যই উপদেশ গ্রহণ কর। ("Al-A'raf ৭:৩)
👉চার মাযহাব সম্পর্কে রাসুল সা: এর ভবিষ্যৎবাণী:
চার মাযহাব VS সরল পথ।
حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، قَالَ سَمِعْتُ مُجَالِدًا، يَذْكُرُ عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَخَطَّ خَطًّا وَخَطَّ خَطَّيْنِ عَنْ يَمِينِهِ وَخَطَّ خَطَّيْنِ عَنْ يَسَارِهِ ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ فِي الْخَطِّ الأَوْسَطِ فَقَالَ " هَذَا سَبِيلُ اللَّهِ " . ثُمَّ تَلاَ هَذِهِ الآيَةَ {وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلاَ تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ} .
জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি একটি সরল রেখা টানলেন এবং তাঁর ডান দিকে দু’টি সরল রেখা টানলেন এবং বাম দিকেও দু’টি সরল রেখা টানলেন। অতঃপর তিনি মধ্যবর্তী রেখার উপর তাঁর হাত রেখে বলেনঃ এটা আল্লাহ্র রাস্তা। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলওয়াত করেন (অনুবাদ) : ‘'এবং এ পথই আমার সরল পথ। অতএব তোমরা এ পথেরই অনুসরণ করো এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করো না, অন্যথায় তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। (সূরাহ আনআম ৬:১৫৪)।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ১১)
03/04/2025
"মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়" ভর্তি ও আবেদন পদ্ধতি:
"মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়" সৌদি আরবের মদিনা শহরে অবস্থিত একটি প্রখ্যাত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ইসলামি শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়'টির ব্যাপারেই বলা হয়:
الجامعة التي لا تغيب عنها الشمس
অর্থাৎ, এটি এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যার সূর্য অস্ত যায়না।
ইতিহাস:
১৯৬১ সালে বাদশাহ সঊদ বিন আব্দুল আযীয-এর রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় এটি একটি অনুষদ ও ৮৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২২,০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন, যারা বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
প্রোগ্রাম এবং অনুষদঃ
বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন অনুষদের মাধ্যমে স্নাতক, স্নাতোকত্তর ও ডক্টরেট পর্যায়ে শিক্ষা প্রদান করে। শিক্ষার্থীরা শারীয়াহ, কুরআন, হাদীস, আরবি ভাষা, দাওয়াহ সহ অন্যান্য ইসলামি বিষয় এবং সাধারণ বিষয়েও উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন।
বৃত্তির সুবিধা:
বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে, যাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করতে পারেন।
স্কলারশিপ গ্রহণকারী ছাত্রদের মাসিক ৮৪০ সৌদি রিয়াল (প্রায় ২৬ হাজার টাকা) দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো টিউশন ফি নেই, এবং বিনামূল্যে থাকা ও চিকিৎসার সুবিধা রয়েছে। ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা নামমাত্র মূল্যে। এছাড়াও, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্যামিলি ভিসার সুবিধাও রয়েছে (এক্ষেত্রে ফেরতযোগ্য নগদ অর্থ জামানত রাখতে হয়)।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর প্রায় তিন মাস গ্রীষ্মকালীন ছুটি, দেশে আসা-যাওয়ার জন্য টিকিট (বছরে একবার), এবং প্রস্তুতি ভাতা প্রদান করা হয়। মসজিদে নববীতে প্রতিদিন বিকেলে যাওয়া-আসার জন্য ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদন পদ্ধতি:
আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পোর্টালে আবেদন করা গেলেও বর্তমানে সৌদি আরবের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সৌদির সকল ইউনিভার্সিটির জন্য গুচ্ছ পদ্ধতিতে একত্রে আবেদন করতে হয়। এখানে সর্বোচ্চ ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় চয়েস করা যায়।
২০২৫ সালের আবেদন ডেডলাইন:
১লা মে থেকে ১৪ই জুন পর্যন্ত।
বি:দ্র: মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় যদি প্রথম চয়েসে না রাখা হয়, তবে তারা সাধারণত সিলেকশন করে না। এজন্য অবশ্যই মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম চয়েসে রাখুন।
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেতে হলে:
মূল একাডেমিক সনদের পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু ডকুমেন্ট অর্জন করা জরুরি। যেমন: কুরআন হিফয্ করা, মুতুন মুখস্থ করা, আরবি-ইংরেজি ভাষার সার্টিফিকেট। এসব অবশ্যই বৈধভাবে অর্জন করুন। অনলাইনে পরীক্ষা ছাড়াই টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট কিনবেন না। এটি ধর্মীয়ভাবে গুনাহের কাজ এবং স্কলারশিপ কমিটি যদি জাল সনদ ধরে ফেলে, তবে সৌদি স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা চিরকাল জন্য বন্ধ হয়ে যাবে।
আসন্ন মন্ত্রনালয়ের আবেদন প্রক্রিয়ায় মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে আপনার প্রথম চয়েস। আল্লাহ সকলের মনের আশা পূর্ণ করুন, আমিন। H.M. Bashir Udayon Islamic Academy
28/10/2024
হুদায়বিয়ার সন্ধি
হুদায়বিয়ার সন্ধি
হুদাইবিয়ার সন্ধি (আরবি: صلح الحديبية), ষষ্ঠ হিজরীর জ্বিলকদ মাসে (মার্চের ৬২৮ খ্রীষ্টাব্দে) মদিনা শহরবাসী এবং কুরাইশ গোত্রের মধ্যে সম্পাদিত একটি ঐতিহাসিক সন্ধিচুক্তি। এই সন্ধিচুক্তিটি দশ বছর শান্তি প্রতিষ্ঠিত করে এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) পরের বছর হজ্জের সময় মক্কার দিকে আসতে অনুমোদন করে।
হিজরী ৬ষ্ঠ সালে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এই যে, নবী (ﷺ) চৌদ্দশত সাহাবী নিয়ে উমরাহ করার জন্য মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। প্রথমে কুরাইশদের খবরাখবর সংগ্রহ করার জন্য একজন গোয়েন্দা মক্কায় পাঠালেন। উসফান নামক স্থানে পৌঁছে তিনি জানতে পারলেন যে, কুরাইশরা যুদ্ধের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। তিনি আরও জানতে পারলেন যে, কুরাইশরা তাকে কাবার কাছেই পৌঁছাতে দিবেন না এবং তাঁর সাথে তারা প্রচন্ড লড়াইয়ে লিপ্ত হবে। নবী (ﷺ) সাহাবীদের সাথে পরামর্শে বসলেন। আবু বকর (রাঃ) এর পরামর্শ ছিল, কুরাইশদেরকে কোন প্রকার ছাড় দেয়া যাবেনা। তারা যদি রাস্তায় আটকিয়ে দেয়, তাহলে প্রয়োজনে তাদের সাথে যুদ্ধ করা হবে। রাসূল (ﷺ) আবু বকরের এই মতকেই পছন্দ করলেন এবং সামনে অগ্রসর হতে থাকলেন। হুদায়বিয়া নামক স্থানে পৌঁছে নবী (ﷺ) উসমান (রাঃ) কে এই খবর দেয়ার জন্য মক্কায় পাঠালেন যে, আমরা যুদ্ধ করার জন্য মক্কায় আসছিনা। উমরাহ পালন করাই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। সুতরাং আমাদের পথ ছেড়ে দাও। কিন্তু কুরাইশরা এই কথার মোটেই মূল্যায়ন করলোনা। তারা বললো-আমরা তোমার কথা শুনলাম। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে সন্ধির ব্যাপারে আলোচনা শুরু হলো। আলোচনা সামনে অগ্রসর হচ্ছিল। এক পর্যায়ে সন্ধির পরিবর্তে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলো। উভয় পক্ষের লোকেরা পরস্পর তীর ও পাথর নিক্ষেপে লিপ্ত হলো। এই পর্যায়ে নবী (ﷺ) এর কাছে খবর পৌঁছল যে, কুরাইশরা উসমান (রাঃ) কে হত্যা করে ফেলেছে। মুসলমানেরা এই খবর শুনে রাগন্বিত হলেন এবং প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন। তারা একটি গাছের নীচে একত্রিত হয়ে রাসূল (ﷺ) এর হাতে এই মর্মে বায়আত নিলেন যে, তারা যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং কোনক্রমেই এই হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ না নিয়ে মদ্বীনায় ফেরত যাবেন না। কিন্তু একটু পরেই সহীহ-সালামতে উসমান (রাঃ) মক্কা হতে ফেরত আসলেন। উসমান (রাঃ) এর আগমণে পরিস্থিতি শান্ত হলো। পুনরায় নতুন করে সন্ধির ব্যাপারে আলোচনা শুরু হলো। আলোচনা-পর্যালোচনা শেষে নিম্নে বর্ণিত শর্তে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সন্ধি চুক্তি রচিত হলো। ইসলামের ইতিহাসে এটি হুদায়বিয়ার সন্ধি নামে পরিচিত।
হুদায়বিয়ার সন্ধির প্রধান প্রধান শর্তগুলো ছিল এই-
মদ্বীনার মুসলমান ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে দীর্ঘ দশ বছর পর্যন্ত সকল প্রকার যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ থাকবে।
এই বছর মুসলমানেরা উমরাহ না করেই মদ্বীনায় ফেরত যাবেন।
আগামী বছর তারা মক্কায় আগমণ করতে পারবেন। এ সময় তারা সাথে তীর ও বর্শা আনতে পারবেন না। আত্মরক্ষার জন্য শুধু কোষবদ্ধ তলোয়ার সাথে রাখতে পারবে।
মক্কায় তারা কেবল তিন দিন অবস্থান করতে পারবেন। তিন দিন পার হওয়ার সাথে সাথে মক্কা থেকে বের হয়ে চলে যেতে হবে।
এই দশ বছরের মধ্যে মক্কার কোন লোক যদি মুসলমান হয়ে মদ্বীনায় আশ্রয় নেয় তাহলে মদ্বীনাবাসীগণ তাকে আশ্রয় দিবে না। পক্ষান্তরে মদ্বীনার কোন লোক যদি মক্কায় চলে আসে তাহলে মক্কাবাসীগণ তাকে মদ্বীনায় ফেরত দিবে না।
চুক্তির এই শেষ শর্তটি মেনে নেওয়া মুসলমানদের জন্য খুবই কঠিন ছিল। তারা নবী (ﷺ) এর কাছে বলতে লাগলেনঃ হে আল্লাহর নবী! আমরা কি এই শর্তটিও মেনে নিব? নবী (ﷺ) বললেন- তাদের যে লোক মুসলমান হয়ে আমাদের কাছে চলে আসবে, আমরা তাকে তাদের নিকট ফেরত দিব। আল্লাহ তা‘আলা তার কোন না কোন ব্যবস্থা করবেন।
চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর নবী (ﷺ) মুসলমানদেরকে আদেশ দিলেন যে, তোমরা দাঁড়িয়ে যাও, কুরবানী করে ফেল এবং মাথা মুন্ডন করে ফেল।
হুদায়বিয়ার সন্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:
এই সন্ধির পর মক্কার খোযাআ গোত্র নবী (ﷺ) এর সাথে যোগ দিল আর বনী বকর কুরাইশদের পক্ষ নিল।
হুদায়বিয়ার বছর এই হুকুম নাযিল হল যে, ইহরাম অবস্থায় কেউ যদি অসুবিধার কারণে মাথা কামাতে বাধ্য হয়, তাহলে তাকে ফিদইয়া স্বরূপ তিন দিন সিয়াম রাখতে হবে, অথবা সাদকাহ করতে হবে অথবা একটি কুরবানী করতে হবে। বিধানটি নাযিল হয়েছিল কা’ব বিন উজরাকে কেন্দ্র করে।
এই সন্ধির ঘটনায় নবী (ﷺ) মাথা মুন্ডনকারীদের জন্য তিনবার এবং চুল খাটোকারীদের জন্য একবার দু’আ করেছেন।
এই ঘটনার সময় দশ জনের পক্ষ হতে একটি উট এবং সাতজনের পক্ষ হতে একটি গরু কুরবানী বৈধ হওয়ার বিধান জানা যায়।
এই ঘটনায় সূরা ফাতিহা নাযিল হয়।
রাসূল (ﷺ) যখন মদ্বীনায় ফেরত আসলেন, তখন একদল মু’মিন মহিলা আগমণ করলেন। আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে নিষেধ করলেন। এর মাধ্যমে মহিলাদেরকে ফেরত পাঠানোর বিধান মানসুখ (রহিত) হয়ে যায়। আবার কেউ বলেছেন- এ বিষয়ে কুরআনের মাধ্যমে সুন্নাতকে খাস করা হয়েছে। এ মতটি খুব শক্তিশালী। আবার কেউ কেউ বলেছেন- শুধু পুরুষদেরকেই ফেরত দেয়ার ব্যাপারে চুক্তি হয়েছিল। তবে মুশরিকরা উভয় শ্রেণীর ক্ষেত্রেই শর্তটি কার্যকর রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ্ তা‘আলা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উদয়ন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বন্যার্তদের সহযোগিতার উদ্দেশ্যে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আপনিও উক্ত সেবামূলক কাজে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিতে পারেন। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার জন্য “নিবন্ধন করুন”। নিবন্ধন সম্পন্ন করতে যা লাগবে:
নাম
ই-মেইল
মোবাইল
বাবার নাম
মায়ের নাম
ঠিকানা
24/08/2024
24/08/2024
ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জসহ বন্যায় প্লাবিত জনপদের দূর্গত মানুষের জন্য আমাদের এই উদ্যোগ;
H.M. Bashir