28/12/2020
How to add payoneer in fiverr account || New video || New Process
How to add payoneer in fiverr account || New video || New Process ► You just need to log in to your Fiverr account, open the Selling menu, and click on Earni...
27/10/2020
Alhamdulillah, i am very happy
30/09/2020
ইন্সটাগ্রামে সফল হওয়ার টিপস
ইন্সটাগ্রাম এমন একটি সোশ্যাল মিডিয়া যা খুব দ্রুত একটি টপ লেভেলের সোশ্যাল মিডিয়াতে পরিনত হয়েছে। এই সোশ্যাল মিডিয়াতে ফলোয়ারা এঙ্গেজও হয় অনেক দ্রুত। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ইন্সটাগ্রামকে ব্যবহার না করা একটি বড় ধরনের বোকামী।
ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে শুধু ইন্সটাগ্রামে পোষ্ট করলেই মার্কেটিং এ সফলতা পাওয়া যাবে না। ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম বা কৌশল অবলম্বন করতে হবে। ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং এ সফল হওয়ার ৫ টি গুরুত্বপূর্ন পদ্ধতি নিয়ে আজ লিখব।
অবশ্যই একটি স্ট্র্যাটেজি অবলম্বন করুনঃ
ইন্সটাগ্রামে ব্যবহারকারীরা খুব দ্রুত পোষ্ট করে এবং ইচ্ছেমত যেকোন ছবি পোষ্ট করে। কিন্তু যখন আপনি একজন মার্কেটার আপনার পণ্য মার্কেটিং করার জন্য পোষ্ট করবেন তখন অবশ্যই প্রতিটি পোষ্ট কোন স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে বা কৌশল অনুসারে পোষ্ট করবেন। ভালো ফলাফল পেতে আপনার পোষ্টে সৃজনশীলতা রাখতে হবে। যাতে ফলোয়ারা আপনার সৃজনশীলতা দেখে আকৃষ্ট হতে পারে। তাহলে সেই পোষ্ট দ্রুত অন্যের কাছে পৌচ্ছে যাবে এবং এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পাবে। স্ট্র্যাটেজি অনেক ধরণের হতে পারে, যেমন- আপনি কি উদ্দেশে পোষ্ট করছেন, ব্রান্ডিং অথবা বিক্রয় মূল উদ্দেশ্য, কাদের জন্য পোষ্ট করছেন, প্রতিদিন কয়টা পোষ্ট হবে, কোন সময়ে পোষ্ট হবে, ছবির ডিজাইন কেমন হবে, মার্কেটিং কিভাবে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।
আপনার অডিয়েন্স কে জানুনঃ
ইন্সটাগ্রামের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি হল আপনার কি পোষ্ট করা উচিত। আপনি যদি জানতে চান আপনার কি পোষ্ট করা উচিত, কি পোষ্টের মাধ্যমে আপনি বেশি বেশি লাইক শেয়ার পাবেন তাহলে সর্ব প্রথম আপনার অডিয়েন্সকে চিনুন।
দেখুন কোন ফলোয়ার গুলো বেশি এঙ্গেজ হয়, কোন কন্টেন্ট গুলোতে সবচেয়ে বেশি এঙ্গেজমেন্ট হয়েছে এবং কেন হয়েছে। এই রকম সকল তথ্য গুলো বিশ্লেষণ করলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ধরনের কন্টেন্ট আপনার শেয়ার করা উচিত।
হ্যাস( #) ট্যাগ ব্যবহার করুনঃ
হ্যাস( #) ট্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক মানুষকে পোষ্ট দেখানো এবং অরগানিকভাবে অডিয়েন্স বৃদ্ধি করার একটি জনপ্রিয় এবং প্রমানিত পদ্ধতি। তাই সকল মার্কেটারই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। হ্যাসট্যাগ ব্যবহারের আগে আপনাকে কিছু জনপ্রিয় হ্যাসট্যাগ সংগ্রহ করতে হবে আপনার মার্কেট/প্রোডাক্ট/সার্ভিস সম্পর্কিত। হ্যাসট্যাগ খোজার ক্ষেত্রে যেকোন জনপ্রিয় হ্যাসট্যাগ ব্যবহার না করে আপনার কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করেন। সার্চের সাথে সাথে দেখতে পারবেন জনপ্রিয়তা অনুসারে হ্যাসট্যাগ গুলো। সেখান থেকে হ্যাসট্যাগ নিয়ে পোষ্টে ব্যবহার করুন।
প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণঃ
প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ করা ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন। বিশেষ করে যখন নতুন ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং শুরু করবেন তখন এটা করা উচিত। প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে তা হলঃ
কি ধরনের ছবি বা ভিডিও প্রতিযোগিরা শেয়ার করে।
কোন হ্যাস( #) ট্যাগ ব্যবহার করে।
তারা কখন পোষ্ট করে।
তারা কাকে ফলো করে।
কিভাবে তারা তাদের ক্যাপশন তৈরি করে।
অনেকে প্রতিযোগিদের সরাসরি কপি করে যা মার্কেটিং দীর্ঘ সময়ের জন্য কোন সফলতা নিয়ে আসে না। চেষ্টা করুন তাদের কপি না করতে। তাদের থেকে ধারনা নিয়ে নিজের মত করে স্ট্রেটেজি তৈরি করতে।
এঙ্গেজমেন্টঃ
ইন্সটাগ্রামে সফল হওয়ার সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ন চাবি হল এঙ্গেজ থাকা। তাই আপনাকে বিভিন্ন ভাবে এঙ্গেজ থাকতে হবে। চেষ্টা করুন ফলোয়ারদের প্রতিটি কমেন্টে উত্তর দিতে। উত্তর বা সাড়া দেওয়ার মাধ্যমে ফলোয়ারদের সাথে অনেক বেশি এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করতে শুধু আপনার পোষ্টে উত্তর দিলে হবে না। বিভিন্ন টার্গেটেড ফলোয়ারদের ছবিতে কমেন্ট করতে হবে, লাইক দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখবেন অপ্রাসঙ্গিক কোন ছবি তে লাইক দিবেন না। তাহলে ব্রান্ড প্রচার হবে না।
এই কাজ গুলো ছোট এবং খুবই কম সময় লাগে কিন্তু এই কাজ গুলো দ্বারা অনেক এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। তাই এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য অবশ্যই করা উচিত। কারণ এঙ্গেজমেন্ট ছাড়া ইন্সটাগ্রাম কেন কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে সফল হওয়া সম্ভব নয়।
06/09/2020
হোস্টিং ব্যান্ডউইথ কি?
ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) বলতে প্রতি সেকেন্ডে বা প্রতি একক সময়ে নির্ধারিত ডাটা (Data) Transfer হারকে বুঝায়। ব্যান্ডউইথ এর হিসাব করা হয় BPS (বিট পার সেকেন্ড) হিসেবে। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডাটা ট্রান্সফার হচ্ছে তার পরিমান হলো ব্যান্ডউইথ।
আর হোস্টিং ব্যান্ডউইথ হচ্ছে কোন একটি সার্ভার থেকে প্রত্যেক ইউজারের কম্পিউটারে প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু পরিমান ডাটা ট্রান্সফার হবে।
17/08/2020
#কেন_উদ্দোক্তা_হবেন
------------------------------------
দিল্লিতে একজন সমুচা বিক্রেতা ছিলেন।তার দোকানের সামনে একটি বড় কোম্পানির অফিস ছিল। একদিন এক ম্যানেজার ওই দোকানে সমুচা খেতে আসলেন। সমুচা খেতে খেতে প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি খুব সুন্দর করে দোকানটা সাজিয়েছো, সিস্টেমগুলো ভালো, সুন্দর এডমিনিস্ট্রেশন, সুন্দর প্ল্যানিং তোমার। তুমি আমাদের মতো চাকরি করলেও তো পারো। সমুচা বিক্রি করে সময় নষ্ট করছো কেন?’ সমুচাওয়ালা হাসিমাখা মুখে বলল, ‘স্যার আমার কাজটা আপনার থেকে ভালোই মনে হয়। আজ থেকে ১০ বছর আগে আমি সমুচা বিক্রি করতাম টুকরিতে। তখন আমার আয় ছিল মাসে ১ হাজার রুপি। হয়তো তখন আপনার বেতন ছিল ১০ হাজার রুপি। আজ ১০ বছর পর আমার আয় ১ লাখ আবার কোনও কোনও মাসে ১ লাখেরও বেশি, আর আপনার এখন বেতন হয়তো এখন ১ লাখ। তাহলে আপনার থেকে আমার কাজটা বেশি ভালো না? আমার পরে এই ব্যবসা আমার ছেলে দেখবে। সে সাজানো একটা ব্যবসা পাবে, কিন্তু আপনার ছেলেমেয়ে কি আপনার মতো পজিশন পাবে? আমি শূন্য থেকে শুরু করেছি কিন্তু আমার ছেলেমেয়েরা শূন্য থেকে শুরু করবে না। চাকরিজীবীগণের ছেলেমেয়েদের শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে। আপনি চাইলেও আপনার পজিশনে আপনার ছেলেমেয়েকে বসাতে পারবেন না। আপনি ১০ বছর আগে যে কষ্টটা করেছেন, আপনার ছেলেমেয়েদেরও একই কষ্ট করতে হবে। আমার ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ গুছিয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব, আর তাই আমি এই ব্যবসা করেছি, যা আপনি পারেন নাই।’
লোকটা কথাগুলো শুনে ৫০ রুপি বিল পরিশোধ করে চলে গেল।
কিন্তু আমরা কাজ কে ছোট করে দেখার কারণে সঠিকভাবে উদ্দোক্তা হয়ে উঠতে পারছি না।
না হয় আপনি আকিজ গ্রুপের কথা চিন্তা করে দেখেন।
শেখ আকিজ উদ্দীন মাত্র ১৩ বছর বয়সেই ১৯৪২ সালে নিজ গ্রাম খুলনার ফুলতলার মধ্যডাঙ্গা ছেড়ে জীবিকার অন্বেষণে বেরিয়ে পড়েন। মাত্র ১৬ টাকা হাতে নিয়ে ট্রেনে চেপে বসেন দুরন্ত এ কিশোর। কলকাতায় পাইকারি বাজার থেকে কমলা লেবু কিনে হাওড়া ব্রিজে ফেরি করা শুরু করেন। সেই থেকে শুরু।
কিন্তু আজকে তিনি নাই তাঁর পরবর্তী তারছেলেরা সেটা ভোগ করছে।
কিন্তু আমাদের দেশে বিএ,এমএ পাস করে কেউ উদ্যোক্তা হওয়ার পথে যেতে চাইছে না। তবে হ্যাঁ, শুরুতেই যদি বড় কোন কোম্পানির মালিক বানিয়ে দেওয়া হয়,তবে সবাই সেটা করতে এক পায়ে খাঁড়া। আমাদের মনে রাখা উচিত, কেউ কিন্তু এক লাফ দিয়ে ২ হাজার কোটি টাকার টার্নওভার করা কোম্পানির মালিক হননি। আস্তে আস্তে করে সবাই হয়।
তাই একটা প্রবাদ আছে সফলতা কখনো এমনি এমনি আপনাকে ধরা দিবে না।
11/08/2020
বর্তমানে সবচাইতে বেশি নজরে আসা প্রশ্নের মধ্যে এটাও একটা
" আমি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই কিভাবে করবো?"
আজকে আলোচনা করব এই টপিকটা নিয়েই ।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান? ওকে ভালো কথা । তবে আপনার কাছে সর্বপ্রথম যে প্রশ্নটা আমি করব সেটা হলো " আপনি ইংরেজিতে কেমন?" দয়া করে আমাকে বলবেন না যে, "আমি ইংরেজিতে মোটামুটি পারি" এটা কোনো উত্তর এর মধ্যে পড়ে না ।
আচ্ছা যাই হোক, এতো জব থাকতেও কেন ফ্রিল্যান্সিং করতে চান? যদি উত্তর হয় বেশি টাকা কামানো বা এই ধরণের কিছু তাহলে আপনাকে অনুরোধ করব এসব ভুলে যান । কেন ভুলে যেতে বলছি আপনাকে শুনুন তাহলে, আমাদের গ্রুপে অনেকেই দেখবেন কমেন্টে সিডি/ডিভিডি/ইউডিমি/লিন্ডা/ইউটিউব এর ফ্রি কিছু কোর্স বিক্রি করে বেড়াচ্ছে। তাদের হেড লাইন গুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন আমি আপনাকে বেশি টাকা কামানোর চিন্তা মাথা থেকে বের করে দিতে বলেছিলাম । যাইহোক, মূল কথা ফিরে আসা যাক।
মূল ব্যাপারে যাওয়ার আগে চলুন যেনে নেওয়া যাক
ফ্রিল্যান্সিং কি?
একদম ইজি ভাবে বললে, ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি মাধ্যম বা উপায়, যার মাধ্যম আপনারা অনলাইনে কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন। ধরুণ, আপনি কোনো প্রাইভেট কম্পানিতে জব করতে গেছেন । আপনাকে সকাল ৮-১০টার মধ্যে অফিসে প্রবেশ করতে হবে । এবং বের হতে হবে রাত ৮-১০টায় । কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এ এই ব্যাপারটা ধরাবাধা নেই । তবে যদি কোনো ইমার্জেন্সি ট্যাস্ক হয় তাহলে ২-৩ দিন ঘুম নাও হতে পারে । কারণ আমার এমন হয়েছে মাঝে মধ্যে। যাইহোক, ফ্রিল্যান্সিং করে স্বনির্ভর (self-employed) হওয়া যায় । তাই, ফ্রিল্যান্সিং বা ফ্রিল্যান্স এর মানেই হলো স্বাধীন ভাবে কাজ করা বা মুক্তপেশা। এটাও এক ধরণের ব্যবসার সাথে তুলনা করলে ভুল হবে না। ফ্রিল্যান্সিং প্রথম শুরু হয়েছিলো ১৯৯৮ সালের দিকে। অনলাইনে একটা মার্কেটপ্লেস খোলা হয়েছিলো, সেখান থেকেই বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের শুরু। ব্যাপারটা বেশ মজাদার। ধরাবাধা অফিস টাইম নেই, যখন ইচ্ছে কাজ করলেই হলো! এই কাজ হতে পারে বিভিন্ন রকম। ওয়েব ডিজাইনিং থেকে শুরু করে গ্রাফিক ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, বিষয়ভিত্তিক আর্টিকেল লেখা বা ডাটা এন্ট্রি হতে পারে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়।
এখানে দুই পক্ষ থাকেন। ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার। ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে বিভিন্ন কাজ দিয়ে থাকেন, আর একটা নির্দিষ্ট সময়ের (যেটি ফ্রিল্যান্সারের ইচ্ছেমতো নির্ধারণ করা হয়) মধ্যে কাজ শেষ করে ক্লায়েন্টকে পাঠিয়ে দিতে হয়। ক্লায়েন্টের সাথে কাজ শুরুর আগেই চুক্তি করা হয় পারিশ্রমিক নিয়ে। কাজ হয়ে গেলে, ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়। ব্যস, হয়ে গেল একটি সফল ফ্রিল্যান্সিং! (সংগৃহীত)
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান?
প্রথমে আপনি যে বিষয়টি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে চান, সে বিষয়ে ছোটখাটো একজন এক্সপার্ট হয়ে যেতে হবে আপনাকে। আপনি যদি কয়েকটি বিষয়ে দক্ষ হন, তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বেশি কাজ পাবেন। এখানে বেশিরভাগ ক্লায়েন্টই অবাঙ্গালী হয়ে থাকেন। তাই তাদের সাথে যোগাযোগের জন্যে ইংরেজি ভাষাটা বেশ ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, যতো অভিজ্ঞতা, কাজ পাবার সম্ভাবনা ততো বেশি।
কোথায় কাজ করবো?
এতক্ষণে অনেকের মনেই হয়তো প্রশ্ন জাগছে, ‘”সবই বুঝলাম, কিন্তু এই ক্লায়েন্ট-ফ্রিল্যান্সার লেনদেনের ব্যাপারটা হবে কোথায়?” এই ‘ব্যাপারটা’ হবে মার্কেটপ্লেসে। না, এটি কিন্তু কাঁচাবাজার কিংবা পাইকারি বাজার নয়। এটি সম্পুর্নই অনলাইন নির্ভর একটি মার্কেট যার মাধ্যমে ক্লায়েন্টরা খুঁজে পান ফ্রিল্যান্সারদের। মার্কেটপ্লেসে পুরো ব্যাপারটা ঘটে সুসংগঠিত একটা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
প্রথমে ক্লায়েন্ট বা ক্লায়েন্টরা মার্কেটপ্লেসে আসেন। সেখানে তারা ফ্রিল্যান্সারদের করা বিভিন্ন বিড পর্যালোচনা করে দেখেন। একজন ফ্রিল্যান্সার তার করা বিডে বলে দেয় যে সে কাজটি কত সময়ের মধ্যে করে দিতে পারবে আর কতো পারিশ্রমিক লাগবে। ক্লায়েন্ট তারপর সব বিড থেকে যেটিকে সবচেয়ে যোগ্য মনে করবেন, সেটিই গ্রহণ করবেন। তারপর ফ্রিল্যান্সারদের সাথে যোগাযোগ করে ক্লায়েন্ট কাজের ব্যাপারে সবকিছু সম্পন্ন করেন। কাজ শেষ হয়ে গেলে বিভিন্ন উপায়ে অর্থ পরিশোধ করে দেয়া হয়। (সংগৃহীত)
কোনো কিছু জানার থাকলে কমেন্টস করতে পারেন । আগামী পর্বে কি নিয়ে পোস্ট দেখতে চান কমেন্ট করে জানা।
আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান দিতে পারবো । ধন্যবাদ।
#হ্যাপি_ফ্রিল্যান্সিং
28/07/2020
ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে কি কি লাগবে?
নিচের ৫টি শিখলে তুমি একজন ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবে!👇
1) html
2) CSS
3) javascript /JQuery
4) Bootstrap
5) PSD to html
👉1)html - আপনাকে প্রথমে html শিখতে হবে ওয়েব সাইট এর মার্কআপ করার জন্যে। আনুমানিক প্রায়(৭/৮)দিন সময় লাগতে পারে।
👉2)CSS - এটা দিয়ে ওয়েব সাইটের ডিজাইন করা হয়। নানা ধরনের কালার, ফ্রন্ট ইত্যাদি ব্যবহার করে সুন্দর ও চমৎকার ডিজাইন করা যায়। যদি এটা শিখে ফেলেন তাহলে একটা স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট তৈরী করতে পারবে। আনুমানিক (২০/২৫) দিন সময় লাগতে পারে।
👉3)Javascript -যখন ব্রাউজার নানা ধারনের লেখা ছবি ইত্যাদি ওপাশ থেকে এপাশ- ডানে থেকে বামে, এনিমেশন ইত্যাদি দেখা তাই javascript দিয়ে তৈরী।
javascript হচ্ছে একটা programming language. এটা বেসিক শিখতে অনেক সময় লেগে পারে (২-৩) মাস। তার পরিবর্তিতে jQuery শিখা যাবে।jQuery হচ্ছে javascript এর লাইব্রেরি।
👉4)Bootstrap -এটা হচ্ছে একটি জনপ্রিয় framework. bootstrap শিখে অল্প সময়ের মাজে রেস্পন্সিব ওয়েবসাইট ডিজাইন তৈরী করা যায়।
👉5)PSD to html - PSD হচ্ছে Photoshop design.
যেমন ক্লায়েন্ট তোমায় একটা PSD ফাইল দিবে সেটা দেখে কোডিং করে ডিজাইন করতে হয়।
"এই ৫টি ধারাবাহিক ভাবে শিখলে একজন ডিজাইনার হতে পারবে।আর সৃজনশীল থাকতে হবে"।
26/07/2020
There is no shortcut way to success
25/07/2020
নিচে উল্লেখিত দুইটি খারাপ দিক যদি আপনার মাঝে না থাকে তাহলে আজকে থেকেই নতুন কিছু শেখা শুরু করে দিনঃ
কেন অধিকাংশ মানুষজন কখনো অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারে না দুইটি প্রধান কারণ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
১) কুইক মানিঃ প্রতিদিন ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশী সার্চ করা হয় "কিভাবে খুব দ্রুত টাকা ইনকাম করা যায়"। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ সার্চ করে থাকে সহজে টাকা ইনকাম করার সূত্র জানার জন্য। কিন্তু চিরন্তন সত্য হচ্ছে অনলাইনে সহজে ইনকাম করার কোন পথ নেই।
গত কয়েক বছর ধরে আমি কাজ করছি কিন্তু সহজে ইনকাম করার কোন ম্যাজিক সূত্র এখনো খুঁজে পেলাম না। আপনাদের যদি কারোও জানা থাকে কমেন্ট করে শেয়ার করতে পারেন :)
আপনি যদি কিছু টাকা ব্যাংকে ফিক্সড করে রাখেন সেটি থেকে প্রফিট আসবে একটি নির্দিষ্ট সময় পরে। ব্যাংকে রাখলেই টাকা দিগুণ বা তিনগুন হয়ে যাবেনা।
অনলাইনে ইনকাম করাটা তেমনি প্রথমে আপনাকে ধীরে ধীরে নির্দিষ্ট সময় ব্যয় করে নিজেকে তৈরি করতে হবে। নিজেকে তৈরি করা বলতে কোন একটি বিষয়ে আপনাকে খুব ভালো করে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
শিক্ষণীয় বিষয়ঃ অল্প সময়ে অনলাইন থেকে কোটি কোটি টাকা ইনকাম করার চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে আজকে থেকে সময় নিয়ে ভালো করে পড়াশুনা করে প্রথমে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলুন।
২) শিখতে চায় না, শুধু ইনকাম করতে চায়ঃ কিছু মানুষ মনে করে তারা সবকিছু জানে। অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য ছোট ছোট বিষয় থেকে শুরু করে প্রতিটি স্টেপ আপনাকে সঠিক এবং বিস্তারিত ভাবে জানতে হবে। সঠিকভাবে না জেনে যদি আপনি ১০ বছরও চেষ্টা করেন কোন কাজ হবে না।
মনে করেন, ৬ মাস রাত দিন পরিশ্রম করে আপনি কোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করলেন। এখন মার্কেটপ্লেসে ক্লাইন্টদের সাথে আপনি কাজ করার জন্য চেষ্টা করছেন। যদি ১ম অথবা ২য় মাস চেষ্টা করে আপনি কাজ না পান কোনভাবেই হাল ছাড়া যাবে না। ধৈর্য ধরে আরও কাজ শিখতে হবে এবং কাজ পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
অনলাইন থেকে আমার প্রথম ইনকাম হয় ৪ মাসেরও বেশী সময় চেষ্টা করার পর। যদি আমি ধৈর্য ধরে চেষ্টা না করতাম কখনো অনলাইনে নিজের ভালো একটি অবস্থান তৈরি করা সম্ভব হতো না।
শিক্ষণীয় বিষয়ঃ ভালো করে কাজ শিখে কোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করুন এবং ইনকাম করার জন্য অবশ্যই চেষ্টা করবেন কিন্তু ইনকাম হোক বা না হোক শেখাটা কখনো বন্ধ করা যাবে না।
আপনার মাঝে যদি অল্প সময়ে ইনকাম করতে চাওয়ার প্রবণতা এবং কষ্ট করে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় শেখার মানসিকতা না থাকে তাহলে প্রথমে অবশ্যই আপনার এই মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। নিজের চিন্তাভাবনা যদি পরিবর্তন না করেন খুব শিগ্রই আপনি হতাশ হবেন।
আপনার শেখার ইচ্ছে থাকলে কোন কিছুই আপনাকে আটকিয়ে রাখতে পারবে না।
পড়ে যদি ভালো লাগে মন চাইলে পোস্টটি শেয়ার করে দিয়েন। শেয়ার করতেই হবে ব্যাপারটা এমন না যদি মন চায় তাহলে করবেন আর কি 😌
23/07/2020
“আমি ১ বছর আগে কিছু জানতাম না,
কিন্তু এখন আমি সফল ফ্রিল্যান্সার।”
“আমি কিছুদিন হচ্ছে লোকাল বাসে দাড়ায় দাড়ায় যাইতাম,
এখন আমি এসি কারে আরাম করে যাই।”
চেনা চেনা লাগতেছে কথাগুলো?
আশা করি চিনবেন। বাংলাদেশে এবং আমাদের আশে পাশে দেশগুলাতে এখন অনলাইন কোর্স নিয়ে শুরু হয়েছে কিছু অসাধু ব্যবসা। সাথে শুরু হয়েছে কিছু ভুয়া গুরুদের উত্থান। কি করে এরা?
তারা মার্কেটিং করে শুধু একটি বিষয় বলে। তারা বিষয়টি আপনার কাছে এমনভাবে উপস্থাপন করবে যেন তারা এমন একটি শর্টকাট জানে যা আপনি জানলে আপনি ও তাদের মত লাখপতি-কোটিপতি হয়ে যেতে পারবেন। মূলত তারা তাদের লাইফস্টাইল মার্কেটিং করে। তারা আপনাকে তাদের বাড়ি, তাদের গাড়ি ইত্যাদি লাক্সারি জিনিস এসব দেখাবে এবং আপনাকে বলবে আপনি ও ওদের মত সফল হতে চান কিনা? উত্তর চান? এর জন্য আপনাকে ফ্রি(কয়েকটা সূচনা ভিডিও) দেখাবে, এর পর আপনাকে মেম্বারশিপ বা নির্দিষ্ট কোন এমাউন্ট দিয়ে দিতে হবে বাকি ভিডিও গুলা বা পরবর্তী কোর্সে আগানোর জন্য।
কিন্তু তারা কি কাজ করে? তারা কিভাবে এত টাকার মালিক হল? তারা কেনই বা আপনাকে শর্টকাটে বড়লোক বানাতে চাই? তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কি?
আসলে তারা কোন কাজ করে না! তারা কোন স্পেসিফিক কাজে প্রফেশনাল না। তারা মূলত কোর্স বানায়, যা খুবি নিম্নমানের হয় বা খুব বেসিক লেভেল এর কিছু যা আপনি একটু সময় দিলে নিজে নিজে শিখে নিতে পারবেন। আর তারা লেখক না হওয়া সত্বেও বই লিখে এবং তা বিক্রি করে। অনেক সময় ফ্রি ই-বুক (পিডিএফ) ও দিবে কিন্তু তা হবে কয়েক পৃষ্টার। পুরো বই নিতে হলে হার্ডকপি নেওয়া লাগবে।
তারা মোটিবেশনাল ভিডিও বানায়। যেগুলা আপনাকে একটু হালকা ডোপামিন দিবে। তারা মূলত আপনাকে তাদের কোর্সের প্রোডাক্ট বানায়। তারা একটি ইমোশনাল গল্প বলে আপনাকে ওদের বিশ্বাস করাবে। আপনি এই আশায় থাকেন যে এই কোর্সটা করলে আমি লাখপতি। এই কোর্সে এ হয়ত এমন কিছু আছে যা খুব মূল্যবান। তারা আসলে জিনিসটা কে এমন ভাবে মার্কেটিং করে যাতে আপনি এইভাবে ভাবেন।
তাদের অতিরিক্ত কন্টেন্ট দেখার কারণে আপনি হয়ে যান ওদের ফ্যান। এইখান থেকে শুরু। আপনাকে একবার আটকে ফেলা গেলে হল। এখন আপনি উনাদের বই কিনবেন, কোর্স কিনবেন, টি-শার্ট কিনবেন। আপনি গরিব হতে থাকেন আর ওরা ধনী। আর ওরা এভাবেই টাকা ইনকাম করে। তারা আপনাকে মূলত কিছু শিখাতে চাচ্ছে না তারা চাচ্ছে কোর্স এর নাম দিয়ে আপনার থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে।
সতর্ক থাকেন এসব ভুয়া গুরু থেকে। একটু খোজ নিয়ে দেখেন যার থেকে যে কাজ শিখার জন্য কোর্স নিচ্ছেন সে কি আসলেই সে কাজ জানে? জানলে ও সে কি সে কাজে এক্সপার্ট? তার ইতিহাস কি? শুধু মুখরোচক কিছু কথা আর মোটিবেশনাল ভিডিও দেখে ফ্যান হয়ে যাইয়েন না। যাচাই করুন।
আসসালামু-আলাইকুম।
20/07/2020
ফ্রিল্যান্সিং ও একটি কম্পিউটার।
অনেক দিন আগের কথা, জীবনের প্রথম কম্পিউটার কেনার আগে দুই বৎসর প্রস্তুতি লেগে গেলো! ভাবা যায়? কোনটা কিনবো কোনটা ভালো কোনটা খারাপ এই করতে করতে অবশেষে কম্পিউটার কেনা হলো তো দেখা যাচ্ছে এইটা হচ্ছে না ঐটা হচ্ছে না, অনেক বড় একটা বাশ খেলাম। ওই সময় কম্পিউটার মানেই ছিল বিশাল ব্যাপার। যাই হউক আজকে একটা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে হাজির হলাম।
অনেকের প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সিং করতে ল্যাপটপ না ডেস্কটপ কিনবো?
মস্ত বড় একটা টেনশনের নাম ! আপনার সুবিধামওতো আপনি যে কোনো একটি কিনতে পারেন কোনো সমস্যা নেই। বর্তমান সময়ে ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপের তেমন একটা পার্থক্য নেই, ভাবছেন আমি এই কি বলছি ? হ্যাঁ ভাই আমি সত্যিই বলছি। ডেস্কটপে যে সকল কফিগারেশন আছে সেই কনফিগারেশন ল্যাপটপেও আছে।
অনেকেই বলেন ভিডিও ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ডেক্সটপ ভাল, আসলে এমন কোন কথা নেই যে ডেক্সটপ ভিডিও ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের ভাল লেপটপ ভাল না। আমার আসলে কম বাজেটের মধ্যে অনেক ভাল ডেক্সটপ কনফিগারেশন পেয়ে যাই তাই বলে থাকি ডেক্সটপ ভাল। যেমন একটি ভাল মানের ডেক্সটপ ৪০-৫০ হাজার দিয়ে নেয়া সম্ভব কিন্তু আমি যদি সেমই কনফিগারেশন ল্যাপটপ কিনতে চাই তাহলে ১ লাখের কাছাকাছি খরচ হবে, তাই আমরা এই মানের ল্যাপটপ না কিনে ডেস্কটপ কিনি আর বলি ভিডিও ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ডেক্সটপই ভাল। আসলে দুটোরই অনেক পজিটিভ নেগেটিভ বিষয় আছে। তবে আমার মতে ভিডিও ও গ্রাফিক্স ডিজাইনে স্পিডে কাজ করতে চাইলে ৬০ হাজার ৮০ হাজার বা এক লাখের মধ্যে লেপটপ কেনেন বাজেট ৫০ হাজারের নিচে হলে ডেক্সটপ কেনেন। অনেক ফ্রীলান্সার গ্রফিক্স ডিজাইনার Mac-book Pro ব্যাবহার করেন, এটিও কিন্তু একটি ল্যাপটপ যা জেনারেল ডেস্কটপ থেকে বেশি ভাল পারফরম্যান্স দেয়।
তাই এই বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। আপনি যেটাই কেনেন না কেন আসল ব্যাপার হচ্ছে কনফিগারেশন।