10/03/2024
হিন্দু ধর্মে গো-মাংস খাওয়া বৈধ। হিন্দুদের আদি ধর্মগ্রন্থগুলোতে এর ভূরি ভূরি প্রমাণ মেলে।
ঋগ্বেদে আছে, 'তারা গরু রন্ধন করে,আর তুমি তা আহার করো'।ঋগ্বেদ: ১০/২৮/৩০
অন্যত্র বলা হয়েছে, 'ইন্দ্রপূজারীদের জন্য স্বাস্থ্যবান গরু রান্না করো '।প্রাগুক্ত:১০/২৭/৩০
অন্যত্র বলা হয়েছে, 'ইন্দ্র বলেন,আমার জন্য ১৫টি বলদ রান্না করো, আমি তা খেয়ে স্বাস্থ্যবান হব '।প্রাগুক্ত:১০/৮৬/১৪
আরও যেসব স্হানে গরুর মাংস খাওয়া বৈধ বলা হয়েছে :
ক.মনুষমৃত্রী অধ্যায় ৫, শ্লোক নম্বর যথাক্রমে ৩০,৩১, ৩৯, ৪০,
খ.ঋগ্বেদ অধ্যায় ৮৫, শ্লোক নম্বর ১৩,
গ.মহাভারত আনুষাণ পর্ব শ্লোক নম্বর ৮৮
ঘ.গরু-বৃষের মাংস (বেদ:১/১৬৪/৪৩)
ঙ.মহিষের মাংস(বেদ:৫/২৯/৮)
চ.অজের মাংস খাওয়া হতো(বেদ:১/১৬২/৩)
আরও বলা হয়েছে, পরস্বিনী গাভী মানুষের ভজনীয়(বেদ:৪/১/৬)।গো-হ'ত্যা স্থানে গাভীগণ হ'ত্যা হত(বেদ:১০/৮৯/১৪)
উপনিষদে বলা হয়েছে :বেদজ্ঞান লাভ করতে হলে,স্বাস্থ্যবান সন্তান লাভ করতে হলে ষাঁড়ের মাংস খাওয়া জরুরি। (সূত্র :বেদ;২য় প্রকাশ,পৃ:১৩,৬৭;হরফ প্রকাশনী,কলিকাতা)
বুদ্ধ যুগের আগে হিন্দুরা প্রচুর গো-মাংস খেত।স্বয়ং ব্যাসঋষী বলেছেন,'রন্তিদেবির যজ্ঞে একদিন পাচক ব্রাহ্মণগণ চি'ৎকার করে ভোজনকারীদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বললেন, "মহাশয়গণ!অদ্য অধিক মাংস ভক্ষণ করবেন না,কারণ অদ্য অতি অল্পই গো-হ'ত্যা করা হয়েছে ;কেবলমাত্র ২১ হাজার গো-হ'ত্যা করা হয়েছে " (সাহিত্য সংহিতা : ৩য়খন্ড,পৃষ্ঠা -৪৭৬)
বৌদ্ধযুগের পূর্ব পর্যন্ত হিন্দুরা যে প্রচুর গরুর গোশত খেত ডা.রাজেন্দ্র প্রসাদ প্রণীত Beef in Anicient India গ্রন্হে,স্বামী ভূমানন্দ রচিত 'সোসংগীত', 'সোহং সংহিতা', 'সোহং স্বামী' গ্রন্থগুলোতে,আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের 'জাতি গঠনে বাধা' গ্রন্থে উল্লেখ আছে।
বৌদ্ধ যুগের পূর্বে হিন্দুদের রেওয়াজ ছিল,মধু ও গো-মাংস না খাওয়ালে তখন অতিথি আপ্যায়নই অপূর্ণ থেকে যেত।
এবার প্রশ্ন আসে,এতসব প্রমাণ থাকতেও কেন হিন্দুরা গো-মাংস ভক্ষণ করে না?বলা চলে -কুসংস্কারাচ্ছন্নতা আর সাম্প্রদায়িকতা জিইয়ে রাখার মহৎ চেষ্টা।
ভারতে গো-হত্যা নিষিদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি সংস্থা(ইউএসডিএ)কর্তৃক ২০২৩ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছরও ব্রাজিলকে দ্বিতীয় স্থানে রেখে গরুর মাংস রফতানিতে শীর্ষ স্থানটি নিজের জন্যই রেখে দিলো ভারত।
বৈশ্বিক গো-মাংস রফতানির ২৩.৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে ভারত।২০১৪সালে দেশটির এ বাজার ছিল ৪.৮ বিলিয়ন ডলারের। গতবছরের আগের বছর বাসমতি চাল রফতানি করে যে আয় করে,তার চেয়ে গরুর মাংস রফতানি করে বেশি আয় করে দেশটি।
এবার বলুন,গো-রক্ষা নীতি কোথায়?
তাছাড়া অন্য ধর্মের কেউ গরুর মাংস খেলে হিন্দু ভাইদের আঁতে ঘা লাগাটা অসমীচীন। যেমনভাবে অসমীচীন একজন হিন্দু শূকর খেলে কোনো মুসলিমের তাকে বা'ধা দেওয়া।
গরু আমাদের অনেক উপকার করে,এই যুক্তিতে যদি গো-হ'ত্যা নি'ষিদ্ধ করার চেষ্টা চালানো হয়,তবে প্রথমেই গাছ কা'টা নি'ষিদ্ধ করে দিতে হবে।জীবনধারণের নামে অবলা প্রাণীদের হত্যাও বন্ধ করে দিতে হবে।তারপর না খেয়ে মানুষকে ম'রতে হবে ।
হিন্দু ধর্মে গো মাংস খাওয়া বৈধ। হিন্দুদের আদি ধর্মগ্রন্থগুলোতে এর ভূরি ভূরি প্রমাণ মেলে।
ঋগ্বেদে আছে, 'তারা গরু রন্ধন করে,আর তুমি তা আহার করো'।ঋগ্বেদ: ১০/২৮/৩০
অন্যত্র বলা হয়েছে, 'ইন্দ্রপূজারীদের জন্য স্বাস্থ্যবান গরু রান্না করো '।প্রাগুক্ত:১০/২৭/৩০
অন্যত্র বলা হয়েছে, 'ইন্দ্র বলেন,আমার জন্য ১৫টি বলদ রান্না করো, আমি তা খেয়ে স্বাস্থ্যবান হব '।প্রাগুক্ত:১০/৮৬/১৪
আরও যেসব স্হানে গরুর মাংস খাওয়া বৈধ বলা হয়েছে :
ক.মনুষমৃত্রী অধ্যায় ৫, শ্লোক নম্বর যথাক্রমে ৩০,৩১, ৩৯, ৪০,
খ.ঋগ্বেদ অধ্যায় ৮৫, শ্লোক নম্বর ১৩,
গ.মহাভারত আনুষাণ পর্ব শ্লোক নম্বর ৮৮
ঘ.গরু-বৃষের মাংস (বেদ:১/১৬৪/৪৩)
ঙ.মহিষের মাংস(বেদ:৫/২৯/৮)
চ.অজের মাংস খাওয়া হতো(বেদ:১/১৬২/৩)
আরও বলা হয়েছে, পরস্বিনী গাভী মানুষের ভজনীয়(বেদ:৪/১/৬)।গো-হ'ত্যা স্থানে গাভীগণ হ'ত্যা হত(বেদ:১০/৮৯/১৪)
উপনিষদে বলা হয়েছে :বেদজ্ঞান লাভ করতে হলে,স্বাস্থ্যবান সন্তান লাভ করতে হলে ষাঁড়ের মাংস খাওয়া জরুরি। (সূত্র :বেদ;২য় প্রকাশ,পৃ:১৩,৬৭;হরফ প্রকাশনী,কলিকাতা)
বুদ্ধ যুগের আগে হিন্দুরা প্রচুর গো-মাংস খেত।স্বয়ং ব্যাসঋষী বলেছেন,'রন্তিদেবির যজ্ঞে একদিন পাচক ব্রাহ্মণগণ চি'ৎকার করে ভোজনকারীদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বললেন, "মহাশয়গণ!অদ্য অধিক মাংস ভক্ষণ করবেন না,কারণ অদ্য অতি অল্পই গো-হ'ত্যা করা হয়েছে ;কেবলমাত্র ২১ হাজার গো-হ'ত্যা করা হয়েছে " (সাহিত্য সংহিতা : ৩য়খন্ড,পৃষ্ঠা -৪৭৬)
বৌদ্ধযুগের পূর্ব পর্যন্ত হিন্দুরা যে প্রচুর গরুর গোশত খেত ডা.রাজেন্দ্র প্রসাদ প্রণীত Beef in Anicient India গ্রন্হে,স্বামী ভূমানন্দ রচিত 'সোসংগীত', 'সোহং সংহিতা', 'সোহং স্বামী' গ্রন্থগুলোতে,আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের 'জাতি গঠনে বাধা' গ্রন্থে উল্লেখ আছে।
বৌদ্ধ যুগের পূর্বে হিন্দুদের রেওয়াজ ছিল,মধু ও গো-মাংস না খাওয়ালে তখন অতিথি আপ্যায়নই অপূর্ণ থেকে যেত।
এবার প্রশ্ন আসে,এতসব প্রমাণ থাকতেও কেন হিন্দুরা গো-মাংস ভক্ষণ করে না?বলা চলে -কুসংস্কারাচ্ছন্নতা আর সাম্প্রদায়িকতা জিইয়ে রাখার মহৎ চেষ্টা।
ভারতে গো-হত্যা নিষিদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি সংস্থা(ইউএসডিএ)কর্তৃক ২০২৩ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছরও ব্রাজিলকে দ্বিতীয় স্থানে রেখে গরুর মাংস রফতানিতে শীর্ষ স্থানটি নিজের জন্যই রেখে দিলো ভারত।
বৈশ্বিক গো-মাংস রফতানির ২৩.৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে ভারত।২০১৪সালে দেশটির এ বাজার ছিল ৪.৮ বিলিয়ন ডলারের। গতবছরের আগের বছর বাসমতি চাল রফতানি করে যে আয় করে,তার চেয়ে গরুর মাংস রফতানি করে বেশি আয় করে দেশটি।
এবার বলুন,গো-রক্ষা নীতি কোথায়?
তাছাড়া অন্য ধর্মের কেউ গরুর মাংস খেলে হিন্দু ভাইদের আঁতে ঘা লাগাটা অসমীচীন। যেমনভাবে অসমীচীন একজন হিন্দু শূকর খেলে কোনো মুসলিমের তাকে বা'ধা দেওয়া।
গরু আমাদের অনেক উপকার করে,এই যুক্তিতে যদি গো-হ'ত্যা নি'ষিদ্ধ করার চেষ্টা চালানো হয়,তবে প্রথমেই গাছ কা'টা নি'ষিদ্ধ করে দিতে হবে।জীবনধারণের নামে অবলা প্রাণীদের হত্যাও বন্ধ করে দিতে হবে।তারপর না খেয়ে মানুষকে ম'রতে হবে ।