02/02/2026
বাশঁখালীর অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও উচ্চ শিক্ষার পথে এগিয়ে যেতে তারা বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
▪️উচ্চ শিক্ষা সম্পর্কে সঠিক তথ্য ও দিকনির্দেশনার অভাব
▪️বিষয় নির্বাচন ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় অভিজ্ঞ পরামর্শকের ঘাটতি
▪️বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাব
▪️স্কলারশিপ ও আর্থিক সহায়তার সুযোগ সম্পর্কে অজ্ঞতা
▪️আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও প্রস্তুতির ঘাটতি
▪️গ্রাম/মফস্বল পর্যায়ে রোল মডেল ও মেন্টরের অভাব
এই অভাবগুলো শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয় এবং অনেক স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়।
এই অভাব পূরণে ডিবিএফ (DBF) কী করবে
এই বাস্তব সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করবে ডিবিএফ (DBF)। সংগঠনটি—
○ উচ্চ শিক্ষা ও ক্যারিয়ার নিয়ে নিয়মিত গাইডলাইন ও সেশন পরিচালনা করবে
○ বিষয় নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ব্যক্তিগত ও গ্রুপ মেন্টরশিপ দেবে
○ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি ও আবেদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে
আমি বিশ্বাস করি সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে বাশঁখালীর শিক্ষার্থীরাও জাতীয় পর্যায়ে সফল হতে পারবে। ডিবিএফ সেই পথ তৈরির দায়িত্ব নিতে চায়।আমরা চাই বাশঁখালীর শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যাক। তারা এগিয়ে গেলে এগিয়ে যাবে প্রিয় জন্মভূমি বাঁশখালী
জিহান মুহুরী (Zihan Mohory)
২০২৩-২০২৪ সেশন
টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ভলান্টিয়ার, ডিবিএফ।
02/02/2026
বাঁশখালী যেহেতু চট্রগ্রামের একদম প্রত্যন্ত অঞ্চলের মধ্যে একটি তাই সেখানে সব থেকে বড় সমস্যার একটি—"শিক্ষা" যেক্ষেত্রে যুগের আধুনিকায়নে সবখানে শিক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসলেও দুঃখজনকভাবে বাঁশখালীর শিক্ষার হার বা সফলতা প্রতিনিয়ত আশংকাজনকভাবে কমছে।
আমি নিজেও সেটা ফেইস করে আসছি তবে আমার মতে ভালো পড়ালেখার পাশাপাশি দরকার প্রোপার গাইডলাইন শিক্ষাক্ষেত্রে যেটা সবথেকে বেশিই গুরুত্বপূর্ণ বলা চলে। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পড়ালেখায় আগ্রহী বা ভালো হওয়া সত্ত্বেও লক্ষ্যবস্তু হতে পিছিয়ে পড়ে শুধুমাত্র ফলপ্রসূ গাইডলাইন এর অভাবে।
তবে গাইডলাইনের জায়গাটা উন্নত করতে তাহলে কী দরকার?
দরকার হলো "ডিবিএফ" এর মতো স্বতঃস্ফূর্ত সংগঠন যেখানে সবথেকে বেশি জোরদার করা হয় "গাইডলাইন" এর জায়গায়। সেক্ষেত্রে ডিবিএফ এর মাধ্যমে বাঁশখালীর শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশক হিসেবে থাকবে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে এসে শিক্ষায় যারা অভাবনীয় সফলতায় নিয়ে আসছেন।
আমি মনে করি ডিবিএফ-ই পারবে বাঁশখালীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌছে দিতে।
তাছমীম হোসাইন হৃদয়
২০২৪-২৫ সেশন
হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, ঢাবি।
ভলান্টিয়ার, ডিবিএফ।
25/01/2026
আসসালামু আলাইকুম।
আমি মিনহাজুল আবেদীন, বাঁশখালীতে অবস্থিত আলাওল ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
আমি ২০১৭ সালে আলাওল কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ম হই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর দেখেছি বাঁশখালীর স্থানীয় কলেজের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে না জানার কারণে পিছিয়ে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তাদের জানানো ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠা করি ডিবিএফ (Dream of a Better Future-DBF)।
আমাদের প্রচেষ্টা অংশ হিসেবে ৫বছর যাবৎ নিজেদের অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব, কাজ করেছি। এইচএসসিকথন, ঢাবিকথন, Building the Foundation of HSC (কর্মশালা) ইত্যাদির পাশাপাশি করোনাকালীন বিনামূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং থেকে ঢাবিতে ৩জন ও চবিতে ১জন ভর্তির সুযোগ পায়।
এছাড়াও ডিবিএফ এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জেনে অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
ডিবিএফ এর প্রধান উদ্দেশ্যঃ
বাঁশখালীর স্থানীয় কলেজে অধ্যয়নরত ও সমমান শিক্ষার্থীদের দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তির জন্য অনুপ্রাণিত করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়া।
কার্যাবলিঃ
○ দিকনির্দেশনামূলক অনুষ্ঠান।
○ বিষয়ভিত্তিক কর্মশালা।
○ কুইজ প্রতিযোগিতা।
○ ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহায়তা।
○ উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্য যেকোনো উদ্যোগ।
কিছুদিন বন্ধ থাকার পর পরিচিতজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধে ডিবিএফ এর কার্যক্রম আবারও নতুনভাবে শুরু করতে যাচ্ছি।
এই যাত্রার অংশ হিসেবে নিম্নোক্ত পদে Volunteer নিচ্ছি।
1. Volunteer (Academic)
2. Volunteer (Operations)
🔵 Academic সেকশনে পড়াশোনা নিয়ে কাজ করতে হবে। Operations সেকশনে ইভেন্ট অ্যারেঞ্জ করা, ফেসবুক পেজ ম্যানেজ করা, পোস্টার ডিজাইন— ইত্যাদি অর্থাৎ পড়াশোনা ছাড়া সব কাজ।
🔵 কেউ চাইলে একইসাথে Academic and Operations উভয় কাজ করতে পারবে।
🔵 Volunteer পদ ৩মাস মেয়াদী। ৩মাস পর কর্মদক্ষতা ও কাজের প্রতি আগ্রহ বিবেচনায় Instructor ও Executive পদে স্থায়ীভাবে পদায়ন করা হবে।
যোগ্যতাঃ
১. Volunteer (Academic) এর জন্য স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ১ম ও ২য় বর্ষের অর্থাৎ ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী হতে হবে।
২. Volunteer (Operations) এর জন্য অন্তত স্নাতক ১ম বর্ষে অধ্যয়নরত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে হবে।
আগ্রহীরা কমেন্টে দেওয়া লিংকে ফর্ম পূরণ করবেন। যেকোনো সমস্যায়/মতামত জানাতে হোয়াটসঅ্যাপ: 01570201739
সার্বিক তত্ত্বাবধানে:
মিনহাজুল আবেদীন
প্রতিষ্ঠাতা, ডিবিএফ।
https://forms.office.com/Pages/ResponsePage.aspx?id=DQSIkWdsW0yxEjajBLZtrQAAAAAAAAAAAAO__RGU-IhUQ0VFVUJETkhaQ1FQQkJPT1cxTFREWFkxSi4u
12/11/2025
অভিনন্দন ডিবিএফ এর সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা মিনহাজুল আবেদীন!
বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডার, ৪৯তম বিসিএস (সুপারিশপ্রাপ্ত)।
সিনিয়র অফিসার, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি (সুপারিশপ্রাপ্ত)।
10/07/2025
😍
এসএসসি'তে জিপিএ কম? গ্রামে পড়লে ভালো রেজাল্ট হয়না?
হতাশ হওয়ার কিছু নেই।
মিনহাজুল আবেদীন
1️⃣ জেএসসি জিপিএঃ ২.৭১
2️⃣ এসএসসি জিপিএঃ ৩.৯৪
বিদ্যালয়; ছনুয়া কাদেরীয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ছনুয়া, বাঁশখালী।
3️⃣ এইচএসসি জিপিএঃ ৫.০০ (গোল্ডেন এ প্লাস সহ চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১ম।)
কলেজঃ আলাওল ডিগ্রি কলেজ, বাঁশখালী।
4️⃣ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
16/07/2024
করোনার সময় ডিবিএফ পরিচালিত বিনামূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ৩জনের মধ্যে মোহাম্মদ ইউসুফ সবচেয়ে ভালো মেধাক্রম পাওয়া। সে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৪৩তম হয়ে বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে অধ্যয়নরত। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত লকডাউনের ১২ মাস বিনামূল্যে পড়িয়েছেন ডিবিএফ'এর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সে গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলায় সন্ত্রাসীদের পক্ষে হয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে। হামলায় শতশত সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বিনামূল্যে পড়িয়ে একজন সন্ত্রাসী তৈরি করায় ডিবিএফ অনুতপ্ত।
সন্ত্রাসীদের সামাজিকভাবে বয়কট করা হোক।
আইডি লিংক https://www.facebook.com/profile.php?id=100093088580902&mibextid=ZbWKwL
12/06/2023
"এত অসহযোগিতা ও সমস্যার মধ্যে, কোনো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ও দায়িত্বশীল লোক ছাড়া আমার আর ডিবিএফ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব না।
যারা এতদিন মেন্টালি সাপোর্ট দিয়েছেন তাঁদের ধন্যবাদ।"
ডিবিএফ এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামের কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার উৎসাহ যোগানো, দিকনির্দেশনা দেওয়া, তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা। আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি মনমানসিকতা ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তনের চেষ্টা করেছি, কোচিং করিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য নয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য ৫বছরে যে সচেতনতা গ্রামের কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি করতে পেরেছি তা উল্লেখযোগ্য।
আমাদের মূল উদ্দেশ্যের দিকনির্দেশনা সম্বলিত প্রোগ্রামের পাশাপাশি যখন সময় পেয়েছি তখন ছোট বা বড় পরিসরে ক্লাসের ব্যবস্থা করেছি। বিভিন্ন সমস্যার কারণে আমাদের আর সামনে এগিয়ে যাওয়া আর সম্ভব নয়। তার কিছু ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।
Scam No. 1:
২০১৯ঃ প্রতিষ্ঠার পরের বছর
আলাওল কলেজ ও নজির আহমেদ কলেজে ডিবিএফ এর পক্ষে দিকনির্দেশনামূলক ১ঘন্টার প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য অনুমতি নিয়েছি। প্রোগ্রাম পরিচালনায় থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী ও আমার (মিনহাজ) পরিচিত কিছু ফ্রেন্ড। প্রোগ্রাম শেষে শুনলাম সেখানে ডিবিএফ নিয়ে কোনো কথা হয়নি, বরং অন্য একটা বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টার নিয়ে কথা হয়েছে।
ফলাফলঃ একজন ঢাবিয়ান Out.
Scam No. 2:
২০১৯ সালে ছোট পরিসরে কোচিং করাই রমজানের ছুটিতে। এতে আমরা ৩জন ঢাবিয়ান ছিলাম। আমি প্রতিটি ক্লাস নিতে রমজানে ছনুয়া থেকে মিয়ার বাজার আসতাম। খরচের জন্য প্রতি স্টুডেন্ট ৩০০৳ করে দিয়েছিল যাতায়াত, ছাপা খরচ ও আনুষঙ্গিক খরচ। খরচের টাকাটা এক ঢাবিয়ান তুলেছিল। টাকাটা ওর কাছ থেকে বুঝে পাওয়ার জন্য মাসের পর মাস ওর রুমে রুমে ঘুরতে হয়েছে এবং এখনও ডিবিএফ তার থেকে টাকা পায়।
(এই পোস্ট টা দেওয়ার পর পাওনা টাকা দিয়ে দিয়েছে। তার কাছ থেকে ডিবিএফ আর টাকা পায়না। Edited at 10:56PM on 14/06/2023)
কোচিং-এ যাদের পড়িয়েছিলাম তারা পরিবার থেকে কোনো ধরনের মেন্টাল সাপোর্ট পায়নি পড়ার। অনেককে পড়ার সময় বাঁধা পর্যন্ত দিয়েছে।
ফলাফলঃ একজন ঢাবিয়ান Out এবং কোনো স্টুডেন্ট চান্স পায়নি।
Scam No. 3:
২০২০ সাল।
করোনার মধ্যে কেউ শহরে গিয়ে কোচিং করতে পারছেনা এবং আমরা বাঁশখালীতে ছিলাম। তাই কয়েকজন ঢাবিয়ানকে নিয়ে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে শুরু করি বিনামূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং। শুরু হয় মহা কর্মযজ্ঞ। ছনুয়া থেকে এসে ক্লাস নেওয়া, সারাদিন-রাত মোবাইলে টাইপ করে করে প্রশ্ন তৈরী করা......
এগুলো করতে করতে একসময় চোখ বন্ধ হয়ে যেত। শুধু ভাবতাম অনেক সম্ভাবনাময় মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভর করছে আমাদের উপর। সেটা ভেবে কখনোই নিজের উপর এসব কাজকে 'চাপ' মনে হয়নি।
প্রতিটি ক্লাসের উপর পরীক্ষা, বিষয় ভিত্তিক ৯৬টা এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষা, ৬০টা ফাইনাল মডেল টেস্ট এমসিকিউ পরীক্ষা ও লিখিত পরীক্ষা, এবং শীট সবকিছুই OPPO A1k দিয়েই করা। ফলস্বরূপ ৩জন স্টুডেন্ট ঢাবিতে ও ১জন চবিতে; মোট ৪জন চান্স পায়।
৪জনের মধ্যে ২জন থেকে আমার (আমাদের) প্রত্যাশা বেশি ছিল যে তারা চান্স পেয়ে ডিবিএফ এর হাল ধরবে। কারণ তারা মাস্ট চান্স পাবে এটা জেনেই কোচিংটা শুরু করেছওলা। বাকি ২জনের ১জন মূল কোচিংটা অন্য জায়গায় করেছিল এবং আরেকজন অনেক শেষ সময়ে এসে ভর্তির কল পেয়েছিল।
এদের নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাইনা শুধু ২টা কথা বলব।
১. একজন ঢাবিতে গিয়ে ঢাকার একটা বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের সংবর্ধনা নিতে গিয়ে ফেসবুকের স্টোরি দিয়েছে "From UCC to Dhaka University".
২. এরপর থেকে কারও সাথে আমার যোগাযোগ ছিলোনা।
Scam No. 4:
এইচএসসি ২০২২ শেষ হওয়ার পর ঢাবিকথন নামের একটা প্রোগ্রাম করেছিলাম। এরপর থেকে কিছু স্টুডেন্ট এর অনুরোধে অনলাইনে পরীক্ষা নিতাম। স্টুডেন্টরা চেয়েছিল তাই গত রমজানের ছুটিতে বাসায় গিয়ে কিছুদিন ক্লাস ও পরীক্ষা নিয়েছিলাম। একটা মানসম্মত প্রশ্ন করতে কি পরিমাণ সময় দেওয়া লাগে, ছনুয়া থেকে রমজান আর রোদের মধ্যে মিয়ার বাজার ক্লাস নিতে আসা কত পেইনফুল তা নিজে না করলে বুঝবেননা কেউ। তাহলে কেন করেছিলাম? কারণ স্টুডেন্টরা চেয়েছিল এবং ওদের মধ্যে নিশ্চিত চান্স পাওয়ার মতো যোগ্য অনেক স্টুডেন্ট ছিল।
ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সময় অনেক আবেদনই করেনি। সবচেয়ে ভালো স্টুডেন্টটাও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেনি, বাকিদের কথা নাই বললাম। ভর্তিযোগ্য ইউনিটে আবেদন না করা, পরীক্ষা না দেয়া..... এসব নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে গেছে।
কয়েকটা কথা সামারাইজ করিঃ
১. আমি যত উদ্যোগ নিয়েছি ততবার যাদের জন্য নিয়েছি তাদের কাছে থেকে কমিটমেন্ট নিয়েছি, তাদের মধ্যে সফল হওয়ার মতো কেউ আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়েছি এবং আমার সাথে যারা কাজ করবে তাদেরও কমিটমেন্ট নিয়েছি এবং আজ পর্যন্ত তা কেউ রাখেনি।
২. কখনও ডিবিএফ এর জন্য অনুদান নিইনি। ৫বছর নিজের টাকা খরচ করেছি। বড় প্রোগ্রামের সময় অংশগ্রহণকারীদের থেকে খরচ নিয়েছি যা মূল খরচের চেয়ে সবসময়ই কম ছিলো।
৩. ডিবিএফ যা করে তা সমসময়ই চ্যালেঞ্জিং কাজ এবং অন্য যেকোনো সামাজিক সংগঠন বা কোচিং থেকেও আলাদা। এসএসসি/এইচএসসি পড়ানো বা এ-প্লাস পাওয়া যত সহজ (বা কঠিন) একটা স্টুডেন্টকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি যোগ্য করে তোলা অনেক চ্যালেঞ্জিং। যেভাবেই হোক প্রতিটা ব্যাচকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত (কম-বেশি) পরিশ্রম করেছি।
এত অসহযোগিতা ও সমস্যার মধ্যে, কোনো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ও দায়িত্বশীল লোক ছাড়া আমার আর ডিবিএফ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব না।
যারা এতদিন মেন্টালি সাপোর্ট দিয়েছেন তাঁদের ধন্যবাদ।
10/05/2023
চবিতে ভর্তিচ্ছু বাঁশখালীর পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস!!!
৬ষ্ঠ বারের মত দৈনিক পূর্বদেশ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সিআইপির সৌজন্যে ও বাঁশখালী স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্যোগ ও পরিচালনায়
বাঁশখালী থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকছে ফ্রি বাস সার্ভিস প্রত্যেকবারের মত নগরীর চকবাজার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস আসা যাওয়া করবে। ১৪ মে ২০২৩ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত মেসেজের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে।
রেজিষ্ট্রেশনের নিয়ম: পরীক্ষার্থীর নাম, ইউনিট, পরীক্ষার তারিখ ও পরীক্ষার সময় লিখে মেসেজ করুন।
A ইউনিটের জন্য 01850399880 নম্বরে
B ইউনিের জন্য 01853011971 নম্বরে
C ইউনিটের জন্য 01882021397 নম্বরে
D ইউনিটের জন্য 01884075974 নম্বরে
গাড়ী ছাড়ার সময় ফিরতি মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
© Banskhali Students Welfare Association.